09/11/2023
Class suru hocche
Topics of competitive examination as well as topics of subjects of school and college level. Teach
09/11/2023
Class suru hocche
⊚ নিউট্রন আবিষ্কার ‣ জেমস চ্যাডউইক
⊚ নিউক্লিয়াসের আবিষ্কার ‣ রাদারফোর্ড
⊚ ডায়নামো ‣ মাইকেল ফ্যারাডে
⊚ পারমাণবিক তত্ত্ব ‣ জন ডাল্টন
⊚ রেডিও অ্যাক্টিভিজম ‣ হেনরি বেকারেল
⊚ রেডিয়াম আবিষ্কার ‣ ম্যাডাম কুরি
⊚ ডিনামাইট ‣ আলফ্রেড নোবেল
⊚ pH স্কেল ‣ S.P. Sorensen
⊚ হাইড্রোজেন ‣ হেনরি ক্যাভেন্ডিশ
⊚ নাইট্রোজেন ‣ রাদারফোর্ড
⊚ অক্সিজেন ‣ শীল এবং প্রিস্টলি
⊚ নিষ্ক্রিয় গ্যাস, আর্গন ‣ রামসে এবং রেলেগ
⊚ থোরিয়াম ‣ বারজেলিয়াস
⊚ টেলিভিশন ‣ জেএল বেয়ার্ড
⊚ ব্যারোমিটার ‣ টরিসেলি
⊚ লোকোমোটিভ ‣ জর্জ স্টিফেনসন
⊚ গ্রামোফোন ‣ এডিসন
⊚ বাইনোকুলার ‣ গ্যালিলিও
⊚ স্টিম ইঞ্জিন ‣ জেমস ওয়াট
⊚ ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন ‣ ফ্যারাডে
⊚ এক্স রশ্মি ‣ রন্টজেন
⊚ লগারিদম ‣ জন নেপিয়ার
╚» ✅ মানব-শরীর ✅ «╝
⊚ ছোট অন্ত্রের দৈর্ঘ্য ‣ 6.25 মি
⊚ যকৃতের ওজন (পুরুষ) ‣ 1.4-1.8 কেজি।
⊚ লিভারের ওজন (মহিলাদের মধ্যে) ‣ 1.2-1.4 কেজি
⊚ বৃহত্তম গ্রন্থি ‣ যকৃত
⊚ সর্বাধিক পুনর্জন্ম ক্ষমতা ‣ যকৃতে
⊚ সর্বনিম্ন পুনর্জন্ম ক্ষমতা ‣ মস্তিষ্কে
⊚ শরীরের শক্ত অংশ ‣ দাঁতের এনামেল
⊚ বৃহত্তম লালা গ্রন্থি ‣ প্যারোটিড গ্রন্থি
⊚ শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ‣ 98.4 °F(37°C)
⊚ শরীরে রক্তের পরিমাণ ‣ 5.5 লিটার
⊚ হিমোগ্লোবিনের গড় পরিমাণ (পুরুষ) ‣ 13-16 গ্রাম/ডিএল
⊚ হিমোগ্লোবিনের গড় পরিমাণ (মহিলাদের মধ্যে) ‣ 11.5-14 গ্রাম/ডিএল
⊚ WBC এর মোট সংখ্যা ‣ 5000-10000/cu মিমি।
⊚ ক্ষুদ্রতম WBC ‣ লিম্ফোসাইট
⊚ বৃহত্তম WBC ‣ মোনাসিড
⊚ RBC এর জীবনকাল ‣ 120 দিন
⊚ WBC এর জীবনকাল ‣ 2-5 দিন
⊚ রক্ত জমাট বাঁধার সময় ‣ 3-6 মিনিট
⊚ সর্বজনীন রক্তের গ্রুপ ‣ AB
⊚ সর্বজনীন দাতা রক্তের গ্রুপ ‣ O
⊚ স্বাভাবিক রক্তচাপ ‣ 120/80 Hg
⊚ জন্মের সময় স্বাভাবিক নাড়ির হার ‣ 140 বার-মিনিট
⊚ 1 বছর বয়সে স্বাভাবিক নাড়ির হার ‣ 120 বার-মিনিট
⊚ 10 ‣ 90 বার-মিনিট বয়সে স্বাভাবিক নাড়ির হার
⊚ সাধারণ পালস রেট প্রাপ্তবয়স্ক ‣ 70 bpm
⊚ হার্ট রেট ‣ 72 বিট প্রতি মিনিটে
⊚ বৃহত্তম শিরা ‣ নিকৃষ্ট ভেনা কাভা
⊚ বৃহত্তম ধমনী ‣ পেটের মহাধমনী
⊚ কিডনির ওজন ‣ 150 গ্রাম
⊚ মাথার ওজন ‣ 1220-1400 গ্রাম
⊚ মেরুদণ্ডের দৈর্ঘ্য ‣ 42-45 সেমি
⊚ ক্র্যানিয়াল স্নায়ুর সংখ্যা ‣ 12 জোড়া
⊚ মেরুদণ্ডের স্নায়ুর সংখ্যা ‣ 31 জোড়া
⊚ দীর্ঘতম স্নায়ু ‣ সায়াটিক
⊚ সবচেয়ে পাতলা এবং ক্ষুদ্রতম স্নায়ু ‣ ট্রক্লিয়ার
⊚ বৃহত্তম স্নায়ু ‣ ট্রাইজিমিনাল
⊚ বৃহত্তম কোষ ‣ স্নায়ু কোষ
⊚ বৃহত্তম অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি ‣ থাইরয়েড
⊚ আনুষঙ্গিক গ্রন্থি ‣ অ্যাড্রিনাল
⊚ ক্ষুদ্রতম অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি ‣ পিটুইটারি গ্রন্থি
⊚ গর্ভাবস্থার সময়কাল ‣ 266-270 দিন
⊚ মোট হাড়ের সংখ্যা ‣ 206
⊚ ক্ষুদ্রতম হাড় ‣ স্টেপস (মধ্য কানে)
⊚ দীর্ঘতম হাড় ‣ ফিমার (উরুতে)
⊚ মোট কসরুকের সংখ্যা ‣ ৩৩টি
⊚ মোট পেশী সংখ্যা ‣ 639
⊚ দীর্ঘতম পেশী ‣ সার্টোরিয়াস
:: পরীক্ষাতে আসার মত ভূগোলের কিছু প্রশ্ন ::
১।ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বক্সাইট খনি অঞ্চল কোনটি পালামৌ খনি অঞ্চল।
২। কালিকটের বর্তমান নাম কী – কোঝিকোড়।
৩। প্রথম কোন কোম্পানি ভারতে রেল-ইঞ্জিন তৈরি করে – টাটা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড লোকোমােটিভ কোম্পানি।
৪। রাগী উৎপাদনে ভারতে প্রথম স্থানে আছে ‘কোন রাজ্য – কর্ণাটক।।
৫। স্বাধীনতার আগে একমাত্র ডিজেল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কোথায় ছিল – অসমের ডিগবয়।
৬। চম্বল উপত্যকায় বড় খাতবিশিষ্ট অঞ্চলকে কী বলে – বীহড়।
৭। প্রথম কাগজকল কোথায় স্থাপিত হয় – শ্রীরামপুরে (১৮৩২ সালে)।
৮। বাংলায় সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয় – বক্সা ডুয়ার্সে ।
৯। করোনেশন ব্রিজ অবস্থিত – তিস্তা নদীর ওপর ।
১০। কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চলের একমাত্র আণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কোথায় আছে – তারাপুর।
১১।দাক্ষিণাত্যের লাভা মালভূমি অঞ্চলটি কী নামে পরিচিত – ডেকানট্রাপ
১২। বাংলার পূর্বদিকে অবস্থিত দেশ হল – বাংলাদেশ ।
১৩। বর্তমানে বাংলার জেলার সংখ্যা হল – 23টি ।
১৪। উত্তর – পূর্ব ভারতের প্রবেশ দ্বার বলা হয় – শিলিগুড়িকে ।
১৫। দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশ দ্বার হল – ক্যানিং ।
১৬। বিহার রাজ্যের বিচ্ছিন্ন অংশটি বাংলায় যে জেলা নামে পরিচিত – পুরুলিয়া ।
১৭। বাংলার ওপর লম্বভাবে সূর্যকিরণ পড়ে – 21 শে জুন ।
১৮। সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বাদাবন অবস্থিত যে জেলায় – দক্ষিণ 24 পরগনা ।
১৯। প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্গত জেলাসদর হল – আলিপুর ।
২০। ‘Chicken’s Neck’ বলা হয় – উত্তর দিনাজপুরের চোপড়াকে ।
২১। ‘City of Joy’ বলা হয় – কলকাতাকে ।
২২। বাংলার উত্তরের সমভূমি অংশ হল – বরেন্দ্রভূমি ।
২৩। বাংলা ও নেপাল সীমান্তে রয়েছে – সিঙ্গলিলা
২৪। বাংলার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – সান্দাকফু ।
২৫।বাংলার মালভূমি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল – গোর্গাবুরু ।
২৬। বাংলায় বালিয়াড়ি দেখা যায় – উপকূলীয় সমভূমিতে ।
২৭। রাঢ় সমভূমির ভূপ্রকৃতি – তরঙ্গায়িত ।
২৮। কালিম্পঙ -এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল – ঋষিলা ।
২৯। বক্স গিরিখাত দিয়ে যাওয়া যায় – ভুটানে ।
৩০।বক্রেশ্বরের উষ্ণ প্রস্রবণ দেখা যায় – বীরভূমে
৩১।পেডং কথার অর্থ – অর্কিডের শহর ।
৩২। তরাই শব্দের অর্থ – স্যাঁতসেঁতে ভূমি ।
৩৩।শুশুনিয়া পাহাড় অবস্থিত – বাঁকুড়া জেলায় ।
৩৪। দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের সর্বোচ্চ Rail Station হল – ঘুম ।
৩৫। রাঙামাটির দেশ বলা হয় – রাঢ় অঞ্চলকে ।
৩৬। মথুরাখালি পাহাড় অবস্থিত – বীরভূমে ।
৩৭। গঙ্গা দুভাগে বিভক্ত হয়েছে মুর্শিদাবাদের – ধুলিয়ানে ।
৩৮। গঙ্গা বাংলায় প্রবাহিত হয়েছে – 520 কিমি ।
৩৯। বাংলার প্রধান নদী – গঙ্গা ।
৪০। দামোদরনদকে বলা হয় – বাংলার দুঃখ ।
৪১। বহরমপুর বিখ্যাত – রেশম শিল্পের জন্য ।
৪২। রাঢ় অঞ্চলের সবচেয়ে বড়ো শহর হল – বর্ধমান
৪৩। বাংলার দুটি প্রধান মৎস্য শিকার কেন্দ্র হল – দিঘা ও জুনপুট ।
৪৪। ভারতে প্রথম পাতাল রেল চালু হয় – কলকাতায় ।
৪৫। হলদিয়া বিখ্যাত – পেট্রোরসায়ন শিল্পের জন্য
৪৬। কৃষ্ণনগর বিখ্যাত – মৃৎ শিল্পের জন্য ।
৪৭। জলপাইগুড়ি শহর অবস্থিত – মহানন্দা ও বালাসন নদীর তীরে ।
৪৮। শংকরপুর একটি – মৎস্য বন্দর ।
৪৯। বাংলায় প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত – কলকাতায় (বেলগাছিয়া) ।
৫০। লোথিয়ান আইল্যান্ড অভয়ারণ্যটি অবস্থিত – দক্ষিণ 24 পরগনায় ।
৫১। বক্সা অভয়ারণ্যটি স্থাপিত হয় – 1986 সালে
৫২। বার্ড ফ্লু নির্ণয় কেন্দ্রটি অবস্থিত – কলকাতার বেলগাছিয়ায় ।
৫৩। দমদম বিমান বন্দরের পত্তন হয়েছিল – 1875 সালে ।
৫৪। বাংলায় ধানের বউল বলা হয় – বর্ধমানকে ।
৫৫। জয়ন্তি হল – সংরক্ষিত বনভূমি ।
৫৬। সুন্দরবন হল – সুরক্ষিত বনভূমি ।
৫৭। খোয়াই অঞ্চল দেখা যায় – বীরভূম জেলায়
৫৮। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের অধিক কাদাযুক্ত মাটি – খিয়র নামে পরিচিত ।
৫৯। তাল শব্দের অর্থ – জলাভূমি ও নিম্নভূমি ।
৬০। সুন্দরবনের যেসব অঞ্চলে কৃষিকাজ হয়, তাকে – আবাদ বলে ।
৬১। বাংলায় সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয় – বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে ।
৬২। বাংলায় সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা দেখা যায় – আসানসোলে ।
৬৩। মৌসুমি রাজ্য বলা হয় – বাংলাকে ।
৬৪। খরার জেলা বলা হয় – পুরুলিয়াকে ।
৬৫। কানা নদীর মধ্যবর্তী ও শেষ অংশের নাম – কুন্তী নদী
✍️✍️✍️কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স✍️
✍️✍️9-10-2023✍️✍️✍️
1. ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স দিবস পালন করা হয় ৮ই অক্টোবর
2. JioMart-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসাবে নিযুক্ত হলেন এম.এস. ধোনি
3. Asia-Pacific Institute for Broadcasting Development (AIBD)-এর প্রেসিডেন্ট পদে পুনরায় নির্বাচিত হলো ভারত
4. সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য "Chief Minister's Breakfast Scheme” লঞ্চ করলো তেলেঙ্গানা
5. ভারতের প্রথম Green Energy Archeological Site হলো তামিলনাড়ুর শোর মন্দির
6. All India Police Science Congress আয়োজিত হলো দেরাদুনে
7. 37th National Games হোস্ট করবে গোয়া
8. Burevestnik নামে মিসাইল সফলভাবে পরীক্ষা করলো রাশিয়া
9. মণিপুরী ভাষায় Bal Sahitya Puraskar পেলেন দিলীপ নাঙ্গমৈথেম
10. মুখ্যমন্ত্রী লোক সেবক আরোগ্য যোজনা লঞ্চ করলো আসাম
06/10/2023
06/10/2023
https://chat.whatsapp.com/KxNqBb0MuChCJr25U73ECv
Competitive exam study group....join through the given link....
Food si practice WhatsApp Group Invite
অষ্টম শ্রেণী
মানুষের কার্যাবলী ও পরিবেশের অবনমন
গুরুত্বপূর্ণ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর :
1. পরিবেশের অবনমন কী ?
উঃ । পরিবেশের গুণমান হ্রাস পাওয়াকে পরিবেশের অবনমন বলে ।
2. পরিবেশ দূষণ কী ?
উঃ । পরিবেশ দুষণ হল প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কার্যের ফলে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের দূষিত হওয়া ।
3. পরিবেশের কোনো অংশের ক্ষতি নিজে থেকে পূরণ হয়ে যাওয়াকে কী বলে ?
উঃ । হোমিওস্ট্যাটিক ব্যবস্থা ।
4. প্রাকৃতিকভাবে পরিবেশ অবনমনের উদাহরণ দাও ।
উঃ । ঝড় , খরা , বন্যা , ভূমিকম্প , সুনামি , অগ্নুৎপাত , ধ্বস প্রভৃতি হলা প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনমনের উদাহরণ ।
5. কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কী কী করা হয় ?
উঃ । কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কীটনাশক , রাসায়নিক সার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় ।
6. কীটনাশক ব্যবহার করলে কী কী ক্ষতি হয় ?
উঃ । মাটি ও জলদূষণ ঘটে , ফলে মাটির উর্বরতা শক্তি কমে, মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটায় ।
7. মানুষের বাসস্থানের উন্নতির ফলে কী কী ক্ষতিসাধন ঘটছে ?
উঃ । মানুষের বাসস্থান উন্নত করতে গিয়ে শব্দদূষণ , বায়ুদূষণ,জলদূষণ, মাটিদূষণ ঘটছে ।
৪. বিদ্যুৎ উৎপাদন কীভাবে সভ্যতার ক্ষেত্রে ক্ষতিসাধন করছে ?
উঃ । বিদ্যুৎ উৎপাদনকালে যে জ্বালানি পোড়ানো হয় তা থেকে বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড যুক্ত হয় ।
9. জমির উর্বরতা কীভাবে হ্রাস পায় ?
উঃ । তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য , ছাই পাশের এলাকার জমিতে জমা হয়ে জমির উর্বরতা হ্রাস করে ।
10. মহারাষ্ট্রের কল্পনায় কবে ভূমিকম্প হয় ?
উঃ । 1967 সালে মহারাষ্ট্রের কয়নায় ভূমিকম্প হয় ।
11. জলসেচ কীভাবে ভূমিকম্প ঘটার ?
উঃ । বিশাল জলাধার নীচের শিলাস্তরে চাপ দেয় এবং ভূমিকম্প ঘটায় ।
12. ডিনামাইট ফাটিয়ে কী করা হয় ?
উঃ । ডিনামাইট ফাটিয়ে পাহাড় ভেঙে সমতলের সঙ্গে যোগাযোগের রাস্তা তৈরি করা হয় ।
13. উন্নত নগরায়ন কীভাবে মানুষের জীবনে দুর্ভোগ নিয়ে আসে ?
উঃ । উন্নত বাসস্থানের নামে অপরিকল্পিত পুরোনো শহরকে কেন্দ্র করে যানজট , জলনিকাশি , বসতি সমস্যা প্রকট হয়ে ওঠে ।
14. ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা কৰে ঘটেছিল ?
উঃ । 1984 সালে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা ঘটেছিল ।
15. কীভাবে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা ঘটেছিল ?
উ: । ইউনিয়ন কার্বাইডের রাসায়নিক ও কীটনাশক কারখানার ট্যাঙ্ক ফুটো হয়ে বিষাক্ত MIC ( মিথাইল আইসো সায়নাইড ) গ্যাস বেরিয়ে আসে । এতে প্রায় 4000 মানুষ ও অসংখ্য পশুপাখির মৃত্যু ঘটে ।
16. ইউক্রেনের কোথায় কত সালে পরমাণু দূর্ঘটনা ঘটে ?
উঃ । ইউক্রেনের চেরনোবিলে 1986 সালে পরমাণু দুর্ঘটনা ঘটে ।
17. ইউরোপের শিল্পবিপ্লবের সূচনা হয় কোন্ দেশে ?
উঃ । ইংল্যান্ডে ।
18. কত সালে জাপানের কোথায় পরমাণু দুর্ঘটনা ঘটে ?
উঃ । 2011 সালে জাপানের ফুকুসিমাতে পরমাণু দুর্ঘটনা ঘটে ।
19. ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ?
উঃ । 2 লক্ষের ও বেশি লোক কোনো না কোনো ভাবে এই গ্যাস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ।
20. পরিবেশ অবনমনের অন্যতম প্রধান কারণ কী ?
উঃ । পরিবেশ অবনমনের অন্যতম প্রধান কারণ হল - শিক্ষার অভাব ও দারিদ্র্য ।
21. পরিবেশ সংরক্ষণের ব্যাপারে দেশের সরকারের কী করা উচিত ?
উঃ । পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কঠোর নীতি প্রণয়ন করা উচিত ।
22. পরিবেশ বিজ্ঞানীরা কোন বিশেষ ধরনের উন্নয়নের কথা বলেছেন ?
উঃ । পরিবেশ বিজ্ঞানীরা স্থিতিশীল উন্নয়নের কথা বলেছেন ।
23. সবুজ বিপ্লবের সাফল্য সব থেকে বেশি কোথায় দেখা গেছে ?
উঃ । পাঞ্জাব ও হরিয়ানার গম বলয়ে ।
24. ' আর্থ সামিট ' কবে হয়েছিল ?
উঃ । 1992 সালে ' আর্থ সামিট ' হয়েছিল ।
25. ' আর্থ সামিট ' কোথায় হয়েছিল ?
উঃ । ব্রাজিলের রিও - ডি - জেনিরোতে আর্থ সামিট হয়েছিল ।
26. আর্থ সামিট ' - এ কতজন মানুষ ও কটি দেশ অংশ নেয় ?
উঃ । 30 হাজার মানুষ 0178 টি দেশ অংশ নেয় ।
27. গঙ্গা পরিষ্কার করার জন্য গৃহীত প্রকল্প টির নাম কী ?
উঃ । গঙ্গা অ্যাকশান প্ল্যান ।
28. ' চিপকো আন্দোলন কবে ও কোথায় হয়েছিল ?
উঃ । আধুনিক কালে চিপকো আন্দোলনটি উত্তরাখণ্ডে গাড়োয়াল অঞ্চলে 1973 সালে শুরু হয়েছিল।
সুন্দরলাল বহুগুনা এই আন্দোলনের নেতা ছিলেন।গাছ বাঁচাও আন্দোলন ।
30. ভারতে পরিবেশ অবনমনের জন্য ক্ষতির পরিমাণ কত ?
উ: । ভারতে পরিবেশ অবনমনের জন্য প্রতি বছর ক্ষতির পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার ।
31. পরিবেশ অবনমন বিষয়ে ভারতের স্থান কোথায় ?
উঃ । পরিবেশ অবনমন বিষয়ে ভারতের স্থান 126 তম !
32. WHO ?
উঃ ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ।
33. G - 20- র দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুষিত শহর কটি ?
উঃ । সবচেয়ে দূষিত শহর 20 টি ।
34. G - 20- র সবচেয়ে দূষিত শহরগুলির মধ্যে ভারতে অবস্থিত কটি শহর ?
উঃ । ভারতে অবস্থিত 13 টি শহর ।
35. কোন রিপোর্টের ভিত্তিতে ভারতের পরিবেশ অবনমনের কথা বলা হয় ?
উঃ । ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের পরিবেশ অবনমনের কথা বলা হয় ।
✍️✍️✍️ সংক্ষিপ্ত ও উত্তর :
1. হোমিওস্ট্যাটিক ব্যবস্থা কী ?
উঃ । প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন ভৌত ও জৈব প্রক্রিয়াগুলি এমনভাবে কাজ করে যাতে পরিবেশের কোনো আশে পরিবর্তন হলে তা নিজে থেকেই পূরণ হয়ে যায় । একে হোমিওস্ট্যাটিক ব্যবস্থা বলে ।
2. পরিবেশের অবনমন ঘটলে কী হয় ?
উঃ । পরিবেশের অবনমনের ফলে জল , বায়ু , মৃত্তিকা প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদ তথা জীবজগৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । বাস্তুতন্ত্র ব্যাহত হয় । কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবপ্রজাতি সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয় ।
3. অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ড তথা ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের পরে সভ্যতার কী কী অগ্রগতি হয়েছিল তা লেখো ।
উঃ । অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ড তথা ইউরোপের শিল্প বিপ্লব ছিল সভ্যতার অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ । এরপর থেকে শিল্প , চিকিৎসা , বিজ্ঞান ও শিল্পের প্রয়োজনে অরণ্য ধ্বংস হতে লাগল । নির্বিচারে ব্যবহার হতে থাকল প্রাকৃতিক , খনিজ ও শক্তি সম্পদ । প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি হতে লাগল । জনসংখ্যা বাড়ার ফলে রাস্তাঘাট , কলকারখানা , শহর , নগর গড়ে উঠতে লাগল ।
4. পরিবেশ দূষণ আর পরিবেশের অবনমন তা কী বুঝিয়ে লেখো ।
উঃ । পরিবেশ দূষণ আর অবনমন এই দুটি বিষয়ই পরিবেশের গুণমান হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত । তাই অনেক সময় এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা হয় । কিন্তু বিষয় দুটি কিছুটা আলাদা । দূষণ হল প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কার্যের ফলে সৃষ্ট পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের দুষিত হওয়া । অপরদিকে পরিবেশের সামগ্রিক গুণমানের হ্রাস হল পরিবেশের অবনমন । প্রকৃতপক্ষে পরিবেশ দূষণ পরিবেশের অবনমনকে ত্বরান্বিত করে ।
5. ভৌমজলের গুণমান হ্রাস পায় কেন এবং তার ফলে কী হতে পারে ?
উঃ । ভৌমজলে আর্সেনিক মিশলে জল দুধিত হবে । দীর্ঘদিন এই অবস্থা চলতে থাকলে ভৌমজলের গুণমান হ্রাস পাবে ফলে ভবিষ্যতে পানীয় জলের সংকট , ভূমির অবক্ষয় প্রভৃতি সমস্যা প্রবলভাবে দেখা যাবে ।
6. পরিবেশের অবনমনের ফলে কী কী দুর্ঘটনা ঘটে লেখো ।
উঃ । পরিবেশের অবনমনের ফলে ভূমিকম্প , জলদূষণ , অলাভাব , খরা , জীববৈচিত্র্য হ্রাস , বায়ুদূষণ , মুদ্রাস্ফীতির চাহিদা , যোগানের ভারসাম্য হ্রাস , বন্যা , প্রাকৃতিক সম্পদের হ্রাস , রাসায়নিক দুর্ঘটনা , বিশ্ব উন্নায়ন ও জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে ।
7. আর্থ সামিট ( Earth Summit ) ?
উঃ । 1992 সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ে এক সম্মেলন হয়েছিল যা ' আর্থ সামিট ' নামে পরিচিত । এই সম্মেলনে 178 টি দেশ ও প্রায় 30 ° হাজারের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল ।
৪. ভারতের পরিবেশের প্রধান সমস্যাগুলি কী ?
উঃ । ভারতের প্রধান পরিবেশ সমস্যাগুলি হল- ( i ) অরণ্য ও কৃষিভূমির অবনমন , ( এই ) সম্পদের অপব্যবহার , ( ii ) জনসাধারণের স্বাস্থ্যের অবনমন , ( iv ) অপরিকল্পিত উন্নয়ন , ( v ) দারিদ্র্য ও জীববৈচিত্র্য হ্রাস প্রভৃতি ।
9. চিপকো আন্দোলন বিখ্যাত কেন ?
উঃ । 1973 সালে উত্তরাখন্ডের গাড়োয়াল অঞ্চলের অধিবাসীরা অরণ্যকে রক্ষার জন্য এক অহিংস আন্দোলন শুরু করেছিল । বনবিভাগের ঠিকাদাররা গাছ কাটতে এলে অধিবাসীরা গাছকে জড়িয়ে ধরে কাটার হাত থেকে বাঁচিয়েছিল । হিন্দিতে ‘ চিপকো ’ কথাটির অর্থ হলো জড়িয়ে ধরা । এই আন্দোলন ‘ চিপকো ' নামে বিখ্যাত ।
10. সবুজ বিপ্লবের নেতিবাচক ফলগুলি কী আলোচনা করো ।
উঃ । পাঞ্জাব - হরিয়ানার গম বলয়ে সবুজ বিপ্লবের সাফল্য সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে । কিন্তু বর্তমানে তার নেতিবাচক ফলশ্রুতি হিসাবে এখানে পরিবেশের অবনমন ঘটেছে । অতিরিক্ত পরিমাণে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে মাটিতে লবণের পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে । পরিবেশ তথা জীবজগৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । এছাড়া এখানে অধিক পরিমাণে উচ্চ ফলনশীল বীজের ব্যবহারের ফলে তাৎপর্যপূর্ণ জিনগত ত্রুটি ত্বরান্বিত হয়েছে ।
11. পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে পরিবেশের অবনমন কীভাবে দেখা গেছে ?
উঃ । পূর্ব কলকাতার জলাভূমি বুজিয়ে দিয়ে সেখানে অনেক জায়গায় বহুতল বাড়ি তৈরি হয়েছে । এর ফলে জলতল কমেছে এবং জল ও মাটির লবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে । বৃক্ষচ্ছেদন ও চাষের জমিতে বসতি নির্মাণের ফলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে । এছাড়া এখানে শহরের আবর্জনা সঞ্চিত হওয়ার ফলে এখানে জল , মাটি ও বায়ু যথেষ্ট পরিমাণে দূষিত হয়েছে ।
✍️✍️✍️ রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর :
1. পরিবেশের অবনমনের দুটি কারন লেখো ।
উঃ । পরিবেশের অবনমনের দুটি কারণ হল প্রাকৃতিক কারণ ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণ ।
( I ) প্রাকৃতিক কারণ : ঝড় , বন্যা , খরা , ভূমিকম্প , অগ্ন্যুৎপাত , সুনামি , ধস্ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূ - প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তন হয় একই সঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনমন ঘটে ।
( ii ) মনুষ্যসৃষ্ট কারণ : আধুনিক কৃষি , শিল্প , পরিবহন , নানান উন্নয়নমূলক কার্যকলাপ পরিবেশের স্বাভাবিক চক্রকে ব্যাহত করে । অবৈজ্ঞানিক কৃষি উৎপাদন , শিল্পবর্জ্য , অপরিকল্পিত নগরায়ণ , নদীর স্বাভাবিক গতি রোধ করে জলাধার নির্মাণ , বৃক্ষচ্ছেদন পরিবেশের নানান সমস্যা সৃষ্টি করে তার অবনমন ঘটায় ।
2. উন্নয়ন করে কীভাবে পরিবেশকে বাঁচানো যায় ?
উঃ । মানব সভ্যতা পিছিয়ে পড়তে পারে না । উন্নয়নের প্রয়োজনে কৃষি প্রযুক্তি আনতে হবে শিল্প গড়তে হবে । কিন্তু যে পদ্ধতিতে উন্নয়ন চলছে তাতে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে । তাই এমন একধরনের পদ্ধতিতে উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে যা হবে পরিবেশ বান্ধব । এরজন্য পরিবেশ বিজ্ঞানীরা যে বিশেষ ধরনের উন্নয়নের কথা বলেছেন তা হল স্থিতিশীল উন্নয়ন । এই স্থিতিশীল উন্নয়ন হল এমন একধরনের উন্নয়নের পদ্ধতি যার উদ্দেশ্য বর্তমানে প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যতের মানবসমাজের উন্নয়নের অগ্রগতি অব্যাহত রাখা ।
3. পরিবেশের সুরক্ষার জন্য যা যা ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তা লেখো ।
উঃ । পরিবেশের সুরক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত -
( i ) পরিবেশের অবনমনের অন্যতম কারণ হল শিক্ষার অভাব ও দারিদ্রতা । উন্নয়নশীল দেশগুলিকে পরিকল্পিত ভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়াতে হবে । মানুষকে শিক্ষিত ও সচেতন করতে হবে ।
( ii ) উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব শপ্তির বেশি ব্যবহার করতে হবে ।
( iii ) সম্পদের পুনর্ব্যবহার করতে হবে এবং পুনর্ব্যবহার যোগ্য দ্রব্যের ক্রয় প্রবণতা বাড়াতে হবে ।
( iv ) মাথাপিছু প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহারের পরিমান কমাতে হবে । উন্নয়নের ক্ষেত্রে জল , বাতাস , মাটি , অরণ্য পরিষ্কার রাখতে হবে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দিতে হবে ।
( v ) জনসংখ্যা আর দেশের সম্পদের মধ্যে যাতে ভারসাম্য থাকে তার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।
( vi ) সরকারি পরিকল্পনা গ্রহণের আগে পরিবেশগত প্রভাব চিহ্নিত করতে হবে । উন্নয়ন পরিকল্পনা যাতে পরিবেশের কোনো রকম ক্ষতি না করে সেদিকে নজর দিতে হবে ।
( vii ) জীবমণ্ডলের বৈচিত্র্য যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে সজাগ হতে হবে । বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদকে তার নিজস্ব পরিবেশে বাঁচার সুযোগ দিতে হবে ।
( vii ) সর্বোপরি দেশের সরকারকে পরিবেশ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে । পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কঠোর নীতি গ্রহণ করতে হবে ।
4. ভারতে কীভাবে পরিবেশের অবনমন ঘটে চলেছে ?
উঃ । ভারত একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ । দেশের বিভিন্ন প্রাপ্তে শিল্পায়ন , রাস্তা নির্মাণ , নগরায়ন সম্পদ আহরণ প্রভৃতি নানা প্রকল্প রূপায়নের কাজ চলছে । কিন্তু এই উন্নয়নের সাথে সাথেই পরিবেশের অবনমন ও বিপর্যয় ঘটে চলেছে । সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের এক রিপোর্টে জানা গেছে যে ভারতে পরিবেশ অবনমনের জন্য প্রতিবছরে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০ বিলিয়ান ডলার অর্থাৎ প্রায় 480000 কোটি টাকা । পরিবেশের অবনমন বিষয়ে 132 টি দেশের সার্ভে রিপোর্টে ভারতের স্থান 126 তম । আর মানুষের ওপর বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাবের ক্ষেত্রে ভারত সবচেয়ে শেষে রয়েছে । WHO এর রিপোর্ট অনুসারে G - 20 দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে দূষিত 20 টি শহরের মধ্যে 13 টি ভারতে অবস্থিত ।
5. পরিবেশের অবনমন রোধ করতে আমরা ক্ষুদ্রভাবে হলেও কী কী করতে পারি ?
উঃ । পরিবেশের অবনমন রোধ আমরা ক্ষুদ্রভাবে হলেও করতে পারি -
• নিজেদের স্কুল, বাড়ির চারিদিক পরিষ্কার রাখতে পারি ।
• রাস্তার ধারেধারে গাছ লাগাতে পারি ।
• বিদ্যুৎ , জল প্রভৃতি ব্যবহারে সচেতন হতে পারি ।দেখতে হবে এই সব সম্পদের যাতে অপচয় না হয় । রেফ্রিজেক্টর , এসি প্রভৃতি ইলেকট্রনিক যন্ত্র , ক্রিম , সেন্ট প্রভৃতি প্রসাধনী সামগ্রী কম ব্যবহার করতে পারি ।
• খনিজ তেল ও কাঠ পোড়ানো কম করতে পারি ।
• বাড়ির বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ কমাতে চেষ্টা করতে পারি । প্লাস্টিক , নাইলন প্রভৃতি পদার্থের ব্যবহার বন্ধ করতে পারি ।
• মাঝে মধ্যে স্কুল , নিজের এলাকায় পরিবেশ সচেতনতামূলক বিতর্ক , আলোচনা সভা , মিছিলের আয়োজন করে মানুষের সচেতনতা বাড়াবার চেষ্টা করতে পারি ।
01/10/2023
01/10/2023
Batch will start from 10 th October....
Er sathe food si free class hbe
মাধ্যমিক 2023। ভূগোল ।
অধ্যায় ৪ - বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
✍️✍️দশম শ্রেনী ভূগোল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর 👇👇
👉👉প্রশ্ন উত্তর 👇👇
১. টিন, কাচ কী ধরনের বর্জ্য পদার্থ ?
উত্তর:. কঠিন।
২. ডিটারজেন্ট কী ধরনের বর্জ্য ?
উত্তর: কঠিন রাসায়নিক।
৩. একটি গ্যাসীয় বর্জ্য হল
উত্তর: SO2
৪. একটি ধাতু বর্জ্য পদার্থ এর নাম
উত্তর: পারদ।
৫. ওষুধের ফয়েল কি প্রকার বর্জ্য
উত্তর: চিকিৎসা।
৬. স্ক্রাবার ব্যাবহার করা হয় কি পরিশোধনের জন্য
উত্তর: বায়ু।
৭. যান্ত্রিক কম্পোস্টিং এ সময় লাগে
উত্তর: ৪-৬ সপ্তাহ।
৮. চয়ানো পরিস্রাবন ___ শোধন এর সাথে যুক্ত
উত্তর: জল।
৯. জৈবভঙ্ঘুর পদার্থ
উত্তর: সবজি।
১০. বিষাক্ত বর্জ্য কোনটি?
উত্তর: পারদ।
১১. হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়
উত্তর: ক্যাডমিয়াম দূষণে।
১৩. উদ্ভিত দেহে কোন রোগ দেখা যায়।
উত্তর: ক্লোরসিস।
১৪. একটি উন্মুক্ত বিশাল জলাধারে মাধ্যমিক শোধিত জল ____, দ্বারা জারিত করা হয় এবং জলের অম্লতা ও ক্ষারকীয়তাকে প্রশমিত হয়।
উত্তর: O2
১৫. CNG এর পুরো নাম –
উত্তর: Compressed Natural Gas
👉👉শূন্যস্থান পূরণ কর:👇👇
১. BOD এর পুরো নাম ____।
উত্তর: Biological Oxygen Demand
২. বেঙ্গালুরু পদ্ধতিতে ___ ফুট গভীর খাত কাটা হয়।
উত্তর: 2-3
৩. বিপজ্জনক বর্জ্য ফেলার জায়গাকে বলা হয়_____।
উত্তর: সিকিউর ল্যান্ডফিল।
৪. যেসকল বর্জ্য তরল অবস্থায় থাকে তাদের বলে____।
উত্তর: তরল বর্জ্য।
৫. গ্যাসীয় বর্জ্য দূরীকরণের একটি যন্ত্র হল____।
উত্তর: স্ক্রাবার।
৬. পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে _____ বর্জ্য উৎপাদিত হতে পারে।
উত্তর: তেজষ্ক্রিয়।
৭. __________ -এর মধ্য দিয়ে দূষিত জল চালনা করলে রং, গন্ধের শোধন করা যায়।
উত্তর: নিকাশি।
৮. কাচকে ___________ এর বিকল্প হিসাবে ব্যাবহার করা হয়।
উত্তর: অ্যাসফাল্টের।
৯. জৈব বর্জ্য পদার্থকে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পচন ঘটিয়ে হিউমাসে পরিণত করা হয়। একে _____এবং পদ্ধতিকে কম্পোস্টিং বলা হয়।
উত্তর: কম্পোস্ট বা জৈব সার।
১০. কঠিন বর্জ্য পদার্থগুলি ফেলার জন্য পরিকল্পিত যে স্থান নির্বাচন করা হয় তাকে _____ বলে।
উত্তর: ভরাটকরণ।
👉👉 শুদ্ধ অশুদ্ধ নির্বাচন করো:👇👇
১. CFC পরিবেশ এর জন্য উপকারী।
উত্তর: অশুদ্ধ।
2. যান্ত্রিক কম্পোস্টিং এ ১-২ সপ্তাহ সময় লাগে।
উত্তর: অশুদ্ধ।
৩. O2 জলের অম্লতাকে কম করে
উত্তর: শুদ্ধ।
৪. অর্ধতরল পদার্থকে slurry বলে।
উত্তর: শুদ্ধ।
৫. পুনর্নবীকরণ এর ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়।
উত্তর: অশুদ্ধ।
৬. ক্লোরোসিস মানবদেহের একটি রোগ।
উত্তর: শুদ্ধ।
৭. আগাছানাশক এর ফলে বায়ু দূষিত হয়।
উত্তর: অশুদ্ধ।
৮. পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বর্জ্য একটি তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের উদাহরণ।
উত্তর: শুদ্ধ।
৯. জৈব বর্জ্য মাটিতে মিশে যায় না।
উত্তর: অশুদ্ধ।
১০. সিসা একটি বিষহীন বর্জ্য পদার্থ।
উত্তর: অশুদ্ধ।
১১. ক্লোরিন উৎপাদন কেন্দ্র থেকে HCl gas নির্গত হয়।
উত্তর: শুদ্ধ।
১২. সিসার প্রভাবে উচ্চরক্তচাপ দেখা যায়।
উত্তর: শুদ্ধ।
১৩. আমরা সচেতন থাকলে বর্জ্যের হ্রাস করন সম্ভব।
উত্তর: শুদ্ধ।
১৪. অ্যাসিড একটি বিষাক্ত বর্জ্য।
উত্তর: শুদ্ধ।
১৫. গৃহস্থালির বেশির ভাগ বর্জ্য বিষহীন বর্জ্য।
উত্তর: শুদ্ধ।
👉👉স্তম্ভ মেলাও:👇👇
বামস্তম্ভ ডানস্তম্ভ
1. কঠিন বর্জ্য ➡️a. পারদ জাতীয় ধাতু
2. শিল্প বর্জ্য➡️ b. বর্জ্যের পুনর্নবীকরণ
3. পুরোনো লোহার গলন ও নতুন ধাতব নির্মাণ➡️ c. সিরামিকের ভাঙা কাপ
4. বিষাক্ত বর্জ্য➡️ d. ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লুওরাইড
5. তেজস্ক্রিয় বর্জ্য➡️ e. জৈব বর্জ্যের পচন ঘটিয়ে জৈব সার তৈরি
6. বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার➡️ f. রাসায়নিক পদার্থ
উত্তর: 1 – c, 2 – f, 3 – b, 4 – a, 5 – d, 6 – e
👉👉একটি দুটি বাক্যে উত্তর দাও:👇👇
১. কঠিন বর্জ্য এর চারটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ইট, কাঁচ, ডিমের খোসা, লোহা।
২. CO2 কি প্রকার বর্জ্য?
উত্তর: গ্যাসীয়।
৩. বিষহীন বর্জ্য কাকে বলে?
উত্তর: জীব বিশ্লেষ্য বর্জ্য পদার্থ উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে প্রাকিতিক নিয়মেই সাধারণত নিবিষ পদার্থে রূপান্তরিত হয়ে যায়। মূলত উদ্ভিদ ও প্রাণীজাত বর্জ্য পদার্থ জীব বিশ্লেষ্য (Biodegradable) ও বিষহীন বর্জ্য।
৪. গৃহস্থলীর বর্জ্য এর উদাহরণ দাও।
উত্তর:বাড়ির প্রতিদিনের কাজে উৎপন্ন বর্জ্য যেমন শাকসবজি, ফলমূল, মাছ-মাংসের উচ্ছিষ্ট, শুকনো ফল, পাতা প্রভৃতি পচনশীলবস্তু, ভাঙা বা অব্যবহৃত বোতল, শিশি, প্লাস্টিক, ছেঁড়া জামাকাপড়, ইলেট্রনিক্স দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি।
৫. হাড়ের ক্যানসার এ কি তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যাবহার করা হয়?
উত্তর: sr-89
৬. বর্জ্য পদার্থের ফলে উদ্ভিদের দেহে কোন রোগ সৃষ্টি হচ্ছে?
উত্তর: ক্লোরোসিস ,নেক্রসিস।
৭. পুনর্নবীকরণ কাকে বলে?
উত্তর:যে পদার্থ ব্যবহারের অনুপযুক্ত তাকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তোলা বা আবার কাজে লাগানোর বন্দোবস্ত করাকে পুনর্নবীকরণ (Recycling) বলে।
৮. ভরাটকরন কাকে বলে?
উত্তর:কঠিন বর্জ্য পদার্থগুলি ফেলার জন্য পরিকল্পিত যে স্থান নির্বাচন করা হয় তাকে ভরাটকরণ বলে।
৯. জৈব বর্জ্য পদার্থের পচন ক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে কত সময় লাগে?
উত্তর: 4-6 মাস
১০. কম্পোস্টিং কাকে বলে?
উত্তর: ভরাট করন পদ্ধতিতে জৈব বর্জ্য পদার্থকে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পচন ঘটিয়ে হিউমাসে পরিণত করা হয়। একে কম্পোস্ট বা জৈব সার এবং পদ্ধতিকে কম্পোস্টিং বলা হয়।
১১. CFC এর পুরো নাম কি?
উত্তর: ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
১২. জীব বিবর্ধন কাকে বলে?
উত্তর: জৈব ভঙ্গুর (Bio-degradable) জৈবিক প্রক্রিয়ায় বিশ্লিষ্ট হবার যোগ্য, জৈব অভঙ্গুর (Non-biodegradable) জৈবিক প্রক্রিয়ায় বিশ্লিষ্ট হয় না বা মাটিতে মিশে যায় না। খাদ্যশৃঙ্খলের উৎপাদক স্তর থেকে সর্বোচ্চ খাদক স্তরে বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ সঞ্চারিত হয়। ফলে সর্বোচ্চ স্তরে এদের কেন্দ্রীভবনের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে। একে জীব বিবর্ধন বলে।
১৩. CNG এর পুরোনাম কি?
উত্তর: কম্প্রেসড নাচেরাল গ্যাস।
১৪. কঠিন বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা কোন কোন বিষয় এর উপর নির্ভরশীল?
উত্তর: কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল—(i) বর্জ্য সংগ্রহ,
(ii) নিষ্পত্তিকরণ এবং
(iii) সম্পদে পরিণত করা।
১৫. স্ক্রাবার কি পরিশোধনে ব্যাবহার করা হয়?
উত্তর: বায়ু।
👉👉সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:👇👇
১. যান্ত্রিক কম্পোস্টিং পদ্ধতি সম্পর্কে লেখ।
উত্তর: যান্ত্রিক কম্পোস্টিং: প্রথমে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ থেকে কাচ, ধাতু প্রভৃতি আলাদা করে বাকি জৈব পদার্থগুলিকে যন্ত্রের সাহায্যে চূর্ণবিচূর্ণ করা হয়। তাতে জৈব বর্জ্য ব্যাকটেরিয়া মিশিয়ে একটি ঘূর্ণায়মান যন্ত্রে রাখা হয়। বায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা 4-6 সপ্তাহের মধ্যে পচন ঘটে ও কম্পোস্ট সার তৈরি হয়।
২. স্ক্রাবার কিভাবে ব্যবহার করা হয় ?
উত্তর: বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হল স্ক্রাবার। শিল্প কারখানা থেকে নির্গত গ্যাসীয় বর্জ্য পদার্থ ও মধ্যস্থিত দূষিত বর্জ্যকণাসমূহের দূরীকরণ করা হয় স্ক্রাবার যন্ত্রের সাহায্যে। যন্ত্রের ভিতরে থাকা তরল পদার্থের সংস্পর্শে দূষিত গ্যাসকে পাঠানো হয় এবং অভ্যন্তরস্থ তরল গ্যাসে থাকা অবাঞ্ছিত দূষক পদার্থগুলিকে পরিশোধন করা হয়। বর্তমানে বাতাসে থাকা অম্লগ্যাসকে সম্পূর্ণ রূপে শোধন করার জন্যে স্ক্রাবার যন্ত্রে শুকনো বিকারক (Reagent) অথবা অর্ধতরল পদার্থ (Slurry) দেওয়া হচ্ছে।
⚫ স্ক্রাবার যন্ত্রের সাহায্যে নির্গমিত উষু বায়ু তাপমুক্ত (Heat recovery) করা সম্ভব। বর্তমানে Wet Scrubber যন্ত্রটি ব্যবহার হচ্ছে বায়ুর পরিশ্রুতকরণে, জ্বালানি দহনে উৎপন্ন Fuel gas ও অন্যান্য গ্যাস যেখানে রয়েছে, বিভিন্ন ধরনের দূষক ও ধূলিকণাসমূহ ইত্যাদির পরিশ্রুতকরণে। এই যন্ত্রটি জলে দ্রাব্য ক্ষতিকর গ্যাস ও জারক বা দ্রাবক গ্যাস (HCLও NH3)-কে সম্পূর্ণরূপে দূর করে। এ ছাড়া চিমনিতে ব্যবহার করা হয় Dry ও Venturi Scrubber |
৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা লেখ।
উত্তর: (a) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশকে দূষণমুক্ত করা যাবে।
(b) জনগণকে বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
(c) বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার ও পুনর্নবীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিত্যক্ত পদার্থের পুনরায় ব্যবহার সম্ভব হবে এবং বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ কমবে।
(d) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থের সঠিক অপসারণ সম্ভব, যার ফলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে।
৪. বিষাক্ত বর্জ্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: বিষাক্ত বর্জ্য : যেসব বর্জ্য মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণী দেহে প্রবেশ করলে বিপাকীয় ও শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কাজে গোলযোগ বা বাধা সৃষ্টি করে নানারকম রোগ সৃষ্টি করে মৃত্যুর কারণ হতে পারে সেই সব বর্জ্যকে বিষাক্ত বর্জ্য বলে। বিষাক্ত বর্জ্যের মধ্যে পড়ে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রবণ এবং লুব্রিকেন্ট, যেমন—ভারী ধাতু (সিসা, পারদ), অ্যাসিড, কীটনাশক ইত্যাদি।
৫. সিসা ও কেডমিয়ামের কি প্রভাব পড়ে মানব দেহে।
উত্তর:সিসার প্রভাবে উচ্চ রক্তচাপ, অ্যানিমিয়ার প্রকোপ দেখা যায়। ক্যাডমিয়ামের বিষক্রিয়ায় হাড়ের ভঙ্গুরতা, নমনীয়তা, উচ্চরক্তচাপ প্রভৃতি রোগের সৃষ্টি হয়।
৬. তরল বর্জ্য কাকে বলে?উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে সকল বর্জ্য তরলাকারে থাকে, তাকে তরল বর্জ্য বলে।
(i) গৃহস্থালির ঘর পরিষ্কার ও জামাকাপড় পরিষ্কারের নোংরা, দূষিত জল, মল, মূত্র,
(ii) কৃষিকাজে ব্যবহৃত অজৈব সার, কীটনাশক মিশ্রিত জল,
(iii) মাংস প্যাকিং ও চামড়া শোধন প্ল্যান্টের দূষিত জল,
(iv) হাসপাতাল ধোয়া জল, রক্ত, রোগীর মলমূত্র,
(v) বিভিন্ন কলকারখানার অজৈব ধাতু মিশ্রিত জল এই সবই তরল বর্জ্য।
৭. মানব শরীরে বজ্র পদার্থের প্রভাব লেখ ।
উত্তর:হাসপাতাল, চিকিৎসা কেন্দ্র ও অন্যান্য উৎস থেকে নির্গত বর্জ্যগুলি যে সমস্ত রোগ ছড়াতে পারে তাদের মধ্যে প্রধান কয়েকটি হল—কৃমির প্রকোপ, ফুসফুসের রোগ, টিটেনাস, পেপটিক আলসার, হেপাটাইটিস, পেটের বিভিন্ন রোগ (আমাশয়, জন্ডিস), বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ, চোখের প্রদাহ, টাইফয়েড, ব্রংকাইটিস, এনফাইমা, ফ্লুরোসিস। DNA পরিবর্তন, রক্তচাপ বৃদ্ধি প্রভৃতি।
৮. পুনব্যাবহার কাকে বলে?
উত্তর: কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বর্জ্য পদার্থের পুনরায় ব্যবহার করা হলে একে পুনর্ব্যবহার বলে।
যেমন—(i) কঠিন বর্জ্যসমূহ থেকে কাচকে পৃথক করা। এই পৃথকীকৃত কাচকে অ্যাসফাল্টের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
(ii) তরকারির খোসা, গোবর, মল-মূত্র, পচা ডাল-পাতা ইত্যাদিকে গর্তের মধ্যে জমিয়ে মাটি চাপা দিয়ে রাখলে উঠকৃষ্ট জৈবসার সৃষ্টি হবে এবং কৃষিক্ষেত্রে পুনরায় ব্যবহার করা যাবে।
৯. উতপ্ত সন্ধান প্রক্রিয়া সম্পর্কে লেখ।
উত্তর: উত্তপ্ত সন্ধান প্রক্রিয়া (বেঙ্গালুরু পদ্ধতি) : এক্ষেত্রে মাটিতে 15-30 ফুট লম্বা, 5-8 ফুট চওড়া এবং 2-3 ফুট গভীর খাত কাটা হয়। এতে প্রথমে সমস্ত জৈব বর্জ্য পদার্থ বিছিয়ে কয়েকটি স্তর গঠন করা হয় এবং ওপরের স্তরে মাটির আস্তরণ থাকে। অবায়বীয় (anaerobic) ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা এইসব বর্জ্যের সন্ধান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে 2-3 সপ্তাহের মধ্যে কম্পোস্ট সার তৈরি হয়।
১০. চূড়ান্ত বা অন্তিম শোধন কাকে বলে?
উত্তর: চূড়ান্ত বা অন্তিম শোধন: একটি উন্মুক্ত বিশাল জলাধারে মাধ্যমিক শোধিত জল O2, দ্বারা জারিত করা হয় এবং জলের অম্লতা ও ক্ষারকীয়তাকে প্রশমিত হয়। এভাবে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, সায়ানাইড যৌগ প্রভৃতিকে দূর করা হয়।
রচনাধর্মী প্রশ্ন: ( প্রশ্ন মান-৫)
১. ভাগীরথী হুগলি নদীর উপর বর্জ্যের প্রভাব আলোচনা করো।
উত্তর: শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়ায় বহু বছর ধরে ভাগীরথী-হুগলি নদীর দুই তীরে জনবসতি এবং বিভিন্ন শিল্পকেন্দ্র (পাট, কাগজ, চামড়া, কাপড় প্রভৃতি) গড়ে উঠেছে। ফলে শিল্প কারখানা থেকে নিক্ষিপ্ত বর্জ্য, গৃহস্থালির বর্জ্য প্রভৃতির কারণে ভাগীরথী-হুগলির জল দূষিত হচ্ছে। এই নদীর ওপর বর্জ্যের প্রভাব নিম্নে আলোচনা করা হল—
(a) হুগলি নদীর তীরবর্তী শহরগুলির নিকাশিনালা এই নদীর সঙ্গে যুক্ত থাকায় প্রায় সমস্ত বর্জ্য ভাগীরথী-হুগলি নদীতে নিক্ষেপ করা হচ্ছে এবং জল দূষিত হচ্ছে।
(b) নদীর তীরে অবস্থিত শিল্পকেন্দ্রগুলি থেকে নির্গত বর্জ্য পদার্থ এই নদীতে নিক্ষিপ্ত হওয়ায় নদীর জল দূষিত হয়ে পড়েছে।
(c) কলকাতা দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের নির্ধারিত মান অনুসারে 100 মিলি জলে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার সর্বোচ্চ সংখ্যা 500 হলে সেই জল গুণমানযোগ্য। কিন্তু দক্ষিণেশ্বরে এর মাত্রা 110000 এবং হাওড়ায় 423125।
(d) ফারাক্কা থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত অবস্থিত ইট ভাটার শ্রমিকরা এই নদীর জলে প্রাতঃক্রিয়া সম্পন্ন করায় নদীর জল বিষাক্ত হয়ে পড়েছে।
(e) ভাগীরথী-হুগলি নদীতে পুজোয় প্রতিমা নিরঞ্জনের ফলে প্রতিমায় ব্যবহৃত মাটি, বিভিন্ন রং, ভারী ধাতু (ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম, কপার প্রভৃতি) নদীর জলে মেশার ফলে নদীর নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে এবং নদীর জল বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে।
(f) এর ফলে–
(i) জলজ বাস্তুতন্ত্র ব্যাপকভাবে ধ্বংস হচ্ছে।
(ii) বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে,
(iii) নানাধরনের জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটছে। দূষিত জলের অধোগমনের ফলে বহুবিধ বিষক্রিয়া—রাসায়নিক, জৈব এবং অজৈব দূষক ভূগর্ভস্থ জলে সংক্রমিত হচ্ছে।
২. বজ্র ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা কি?
উত্তর:বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা (Role of Students in waste Management) :
শিক্ষার্থীরা সমাজ গঠনের ভবিষ্যৎ কারিগর। তাদের শিখনের ওপর অনেক গুরুদায়িত্ব বর্তায়। স্কুলস্তর থেকে বর্জ্যব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করলে এবং শিক্ষাদান করলে তারা অনেক বড়ো ভূমিকা পালন করবে। বর্জ্যব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীরা যেগুলি করতে পারে তা হল-
1. উপযুক্ত স্থানে বর্জ্যপদার্থ নিক্ষেপ : গৃহের বর্জ্য নির্দিষ্ট পাত্রে জমা করা, পৌরকর্মী এলে তার হাতে তুলে দেওয়া বা নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলে দেওয়া (শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে)।
2. জৈব সার প্রস্তুত : গৃহের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে একত্রিত করা জৈব ভঙ্গুর বর্জ্যের পৃথক্করণ করে ম্যানিওর পিটে তা ফেলে দিয়ে জৈব সার তৈরি করা।
3. পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা : নিজের ক্লাসরুম তথা স্কুল প্রাঙ্গণ বর্জ্যমুক্ত রাখা। জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য যাতে না আসে সেই বিষয়ে লক্ষ রাখা। সমস্ত বর্জ্য নির্দিষ্ট পাত্রে বা ডাস্টবিনে রাখা।
4. উচ্ছিষ্ট পদার্থ যত্রতত্র না ফেলাঃ মিড-ডে-মিল সংক্রান্ত উচ্ছিষ্ট, সবজির খোসা, ভাতের মাড় ইত্যাদি জৈব বর্জ্য নির্দিষ্ট গর্তে সঞ্চয় করে জৈবসার তৈরি করা যেতে পারে।
5. জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা : নিকটস্থ হাট-বাজার (সবজি, মাছ, মাংস, ফুল, ফল ইত্যাদি) পর্যবেক্ষণ করা, প্লাস্টিক ব্যবহার না করা প্রভৃতি বর্জ্য সম্বন্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা যেতে পারে।
6. নালানর্দমা পরিষ্কার রাখা : যেহেতু পয়ঃপ্রণালীর দূষিত জল নালানর্দমার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাই নালানর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। মশার লার্ভা ও ডিম ধ্বংস করার জন্য ড্রেনে তেল দিতে হবে। নর্দমার পাশে DDT স্প্রে করতে হবে।
৩. তরল বর্জ্যএর ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি গুলি লেখ।
উত্তর: মূলত তরল বর্জ্য পদার্থ নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে নিষ্পত্তিকরণ করা হয়। শহরের গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানার ব্যবহৃত দূষিত জল নালার (Drain) মাধ্যমে নদীতে, সমুদ্রে বা কোনো নীচু জায়গায় যায়। দূষিত জল শোধনের তিনটি পর্যায় রয়েছে। যথা—
(i) প্রাথমিক শোধন বা ভাসমান জৈব ও অজৈব কঠিন পদার্থের দূরীকরণ: নোংরা জলের প্রবাহ পথে ছাঁকনি ব্যবহার করে ভাসমান কঠিন পদার্থ সরিয়ে ফেলা হয় এবং ছোটো পাথর, বালি জলের তলায় থিতিয়ে পড়ে।
(ii) মাধ্যমিক শোধন বা রূপান্তরযোগ্য ক্ষুদ্র জৈব পদার্থের দূরীকরণ : দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে মাধ্যমিক শোধন করা হয় –
(a) একটি বড়ো মাপের চোঙাকৃতি পাত্রে নুড়ি, পাথর সাজিয়ে রেখে প্রাথমিক শোধিত জল ফেলা হয়। জলে উপস্থিত আণুবীক্ষণিক জীবেরা জৈব বস্তুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। ফলে পাত্রের জল চুঁইয়ে নীচে চলে যায় এবং নুড়ি, পাথর অবশিষ্ট রূপে পাত্রে পড়ে থাকে। এই পদ্ধতিটির নাম চোঁয়ানো পরিস্রাবণ (Tickling filter)।
(b) সক্রিয় গাদ পদ্ধতিতে জলে উপস্থিত আণুবীক্ষণিক জীব দ্বারা জৈব ক্ষয়িষ্ণু বস্তুগুলি ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং BOD (Biological Oxygen Demand) কমে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় আসে। তারপর নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আণুবীক্ষণিক জীবের স্তরকে Sludge হিসেবে অধঃক্ষিপ্ত করা হয় ও পরিষ্কার জল সংগ্রহ করা হয়।
(iii) চূড়ান্ত বা অন্তিম শোধন : একটি উন্মুক্ত বিশাল জলাধারে মাধ্যমিক শোধিত জল O, দ্বারা জারিত করা হয় এবং জলের অম্লতা ও ক্ষারকীয়তাকে প্রশমিত হয়। এভাবে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, সায়ানাইড যৌগ প্রভৃতিকে দূর করা হয়।
৪. পরিবেশের ওপর বর্জ্যের প্রভাব লেখ।
উত্তর: পরিবেশের ওপর বর্জ্যের প্রভাব (Effect of Waste on Environment): নিম্নে বর্জ্যপদার্থের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করা হল-
1. স্বাস্থ্য : হাসপাতাল, চিকিৎসা কেন্দ্র ও অন্যান্য উৎস থেকে নির্গত বর্জ্যগুলি যে সমস্ত রোগ ছড়াতে পারে তাদের মধ্যে প্রধান কয়েকটি হল–কৃমির প্রকোপ, ফুসফুসের রোগ, টিটেনাস, পেপটিক আলসার, হেপাটাইটিস, পেটের বিভিন্ন রোগ (আমাশয়, জন্ডিস), বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ, চোখের প্রদাহ, টাইফয়েড, ব্রংকাইটিস, এনফাইমা, ফ্লুরোসিস। DNA পরিবর্তন, রক্তচাপ বৃদ্ধি প্রভৃতি। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ক্লোরোসিস, নেক্রোসিস রোগ হয়, উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায় ইত্যাদি।
2. জল : পৃথিবীর মহাসাগর, সাগর, হ্রদ, নদী প্রভৃতি স্থানে প্রচুর বর্জ্য জমার ফলে জল দূষিত হওয়ায় জলজ প্রাণীর অপমৃত্যু ঘটছে, তাদের প্রজনন বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের শৈবাল নষ্ট হচ্ছে। জলজ বাস্তুতন্ত্রের বিপর্যয়ের সম্ভাবনা বাড়ছে। অতিরিক্ত পরিমাণে প্লাস্টিকের ব্যবহার এবং যত্রতত্র তার নিক্ষেপের ফলে শহরাঞ্চলের হাইড্রেনগুলিতে প্লাস্টিকের সঞ্জয় ঘটছে। ফলে হাইড্রেনগুলির মুখ বুজে গিয়ে পয়ঃপ্রণালী ব্যাহত হচ্ছে। যার ফলে নর্দমার দূষিত জল মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের দেহে বিভিন্ন রোগ সংক্রমণ ঘটাচ্ছে।
3. বায়ু :দীর্ঘদিন খোলা স্থানে বর্জ্য পদার্থ জমিয়ে রাখলে তা পচে গিয়ে বায়ুকে দূষিত করে। মানুষের দেহ ও মনের অস্বস্তি বাড়িয়ে তোলৈ এবং সৌন্দর্য নষ্ট করে, যা জীবন বিকাশের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। কলকারখানা থেকে নির্গত মারাত্মক ক্ষতিকারক গ্যাসগুলি প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
4. মৃত্তিকা : (i) আমাদের ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থসমূহ যেমন কীটনাশক, আগাছানাশক, ডিটারজেন্ট ইত্যাদি।
(ii) কলকারখানা ও মোটরগাড়ি থেকে নির্গত দূষিত পদার্থ।
(iii) প্লাস্টিক, পলিথিন, পলিব্যাগ, সিরিঞ্জ ও অন্যান্য প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য মৃত্তিকাতে বিয়োজিত হয় না বলে দীর্ঘদিন ধরে মৃত্তিকাতে সঞ্চিত থাকে এবং মৃত্তিকা দূষিত করে। এগুলি থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান জল, বায়ু, আলো চলাচলে বাধা দেয়। ফলে মৃত্তিকাস্থিত অণুজীব মারা যায় ও জীব বিবর্ধনের কারণে মনুষ্য ও অন্যান্য প্রাণীর ক্ষতি হয়। এবং খাদ্যশৃঙ্খল বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
৫. কঠিন বর্জ্য পদার্থ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে লেখ।
উত্তর: গৃহস্থালি বা শহরাঞ্চলের বর্জ্যকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট স্থানে জমা করা হয় এবং অন্য স্থানে নিয়ে গিয়ে বর্জ্যের নিষ্পত্তি ঘটানো হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি হল-
1. বর্জ্য পৃথক্করণ : প্রধানত শহরাঞ্চলের বর্জ্যগুলিকে নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর জৈর ভঙ্গুর (জৈবসার তৈরি হবে এমন বর্জ্য) থেকে অজৈব ভঙ্গুর বর্জ্যকে পৃথক করা হয়। এর মধ্যে সাধারণত 50-55% জৈব ভঙ্গুর (Biodegradable) বর্জ্য উপস্থিত থাকে। বাকি জৈব অভঙ্গুর (Nonbiodegrabable) ও অন্যান্য পদার্থসমূহের মধ্যে পৃথক্করণ করা হয়। বাছাই ও পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে কাচ, ধাতু, কাগজ প্রভৃতি বেছে নিয়ে কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
2. ভরাটকরণ: কঠিন বর্জ্য পদার্থগুলি ফেলার জন্য পরিকল্পিত যে স্থান নির্বাচন করা হয় তাকে ভরাটকরণ বলে। ভরাটকরণে গ্রিজ, মোবিল, তেল, মৃত জীবজন্তু, বিষাক্ত পদার্থ ও অন্যান্য বর্জ্য থেকে জৈব পদার্থগুলিকে আলাদা করা হয়। এরপর প্রথম স্তর জৈব পদার্থ, দ্বিতীয় স্তর মাটি দিয়ে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন স্তরায়ণ তৈরি করা হয়। এক একটি জৈব স্তরের উচ্চতা সর্বাধিক 2 মিটার হয় এবং মাটির স্তরগুলির উচ্চতা 20-30 সেমির মধ্যে রাখা হয়। তবে একেবারে ওপরের মাটির স্তরটি 1-1.4 মিটার পুরু করা হয় যাতে ইঁদুর জাতীয় কোনো মৃদভেদী জীব যেন গর্ত করতে না পারে। এই ধরনের ব্যবস্থায় ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা জৈব পদার্থের পচন হয়। ভরাটকরণে সাধারণত 4-6 মাসের মধ্যে জৈব পদার্থের পচনক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় এবং বর্জ্য পদার্থ অক্ষতিকর বস্তুতে পরিণত হয়।
3. কম্পোস্টিং: এই পদ্ধতিতে জৈব বর্জ্য পদার্থকে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পচন ঘটিয়ে হিউমাসে পরিণত করা হয়। একে কম্পোস্ট বা জৈব সার এবং পদ্ধতিকে কম্পোস্টিং বলা হয়। এই কম্পোস্ট সার হিসেবে জমিতে প্রয়োগ করা হয়। ভারতে প্রধানত দুটি পদ্ধতিতে কম্পোস্টিং করা হয়।
(1) উত্তপ্ত সন্ধান প্রক্রিয়া (বেঙ্গালুরু পদ্ধতি) : এক্ষেত্রে মাটিতে 15-30 ফুট লম্বা, 5-8 ফুট চওড়া এবং 2-3 ফুট গভীর খাত কাটা হয়। এতে প্রথমে সমস্ত জৈব বর্জ্য পদার্থ বিছিয়ে কয়েকটি স্তর গঠন করা হয় এবং ওপরের স্তরে মাটির আস্তরণ থাকে। অবায়বীয় (anaerobic) ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা এইসব বর্জ্যের সন্ধান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে 2-3 সপ্তাহের মধ্যে কম্পোস্ট সার তৈরি হয়।
(2) যান্ত্রিক কম্পোস্টিংঃ প্রথমে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ থেকে কাচ, ধাতু প্রভৃতি আলাদা করে বাকি জৈব পদার্থগুলিকে যন্ত্রের সাহায্যে চূর্ণবিচূর্ণ করা হয়। তাতে জৈব বর্জ্য ব্যাকটেরিয়া মিশিয়ে একটি ঘূর্ণায়মান যন্ত্রে রাখা হয়। বায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা 4-6 সপ্তাহের মধ্যে পচন ঘটে ও কম্পোস্ট সার তৈরি হয়।
৬. বজ্র পদার্থ কয় প্রকার ও কি কি?
উত্তর: সাধারণভাবে বর্জ্য বস্তুসমূহকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা—কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় বর্জ্য।
কঠিন বর্জ্য : যে সকল বর্জ্য কঠিন অবস্থায় থাকে, তাকে কঠিন বর্জ্য বলে।
যেমন- —গৃহস্থালির আনাজের খোসা, চায়ের পাতা, ডিমের খোসা, উনুনের ছাই, কাঠ-কয়লা, কাগজ ও প্লাস্টিকের ঠোঙা, টিন ইত্যাদি। কলকারখানা ও বাড়ি তৈরির কঠিন বর্জ্য, যেমন— ইট, কাঠ, লোহা ও অন্যান্য ধাতব পদার্থ, ফ্লাইঅ্যাশ ইত্যাদি।
তরল বর্জ্য : যে সকল বর্জ্য তরলাকারে থাকে, তাকে তরল বর্জ্য বলে। যেমন
(i) গৃহস্থালির ঘর পরিষ্কার ও জামাকাপড় পরিষ্কারের নোংরা, দূষিত জল, মল, মূত্র,
(ii) কৃষিকাজে ব্যবহৃত অজৈব সার, কীটনাশক মিশ্রিত জল,
(iii) মাংস প্যাকিং ও চামড়া শোধন প্ল্যান্টের দূষিত জল, (iv) হাসপাতাল ধোয়া জল, রক্ত, রোগীর মলমূত্র,
(v) বিভিন্ন কলকারখানার অজৈব ধাতু মিশ্রিত জল এই সবই তরল বর্জ্য।
গ্যাসীয় বর্জ্য : যে সকল বর্জ্য গ্যাস আকারে থাকে, তাকে তরল বর্জ্য বলে। যেমন
(i) জমে থাকা আবর্জনার স্তূপ থেকে নির্গত মিথেন, হাইড্রোজেন সালফাইড, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি দূষিত নির্গত গ্যাস,
(ii) কলকারখানার চিমনি ও উনুন থেকে বিপুল পরিমাণে নির্গত CO2, CO, SO2, NO2, সালফার ট্রাই অক্সাইড (SO3), H2S,
(iii) ক্লোরিন উৎপাদন কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাসায়নিক শিল্প থেকে নির্গত ক্লোরিন (Cl)) ও হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCI) গ্যাস প্রভৃতি হল গ্যাসীয় বর্জ্য।