Safanagar High School

Safanagar High School

Share

This is our School and it was set up in 1955. We are and were students of this School. Now, we are here to learn together with our new Gen students.

We supply Notes, Suggestions, Project papers, Books, and other Learning materials to our students. স্কুলটি শুরু হয় 1954 সালে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য অনুমোদন পায় 1955 সালে। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অনুমোদন পায় 1958 সালে। উচ্চবিদ্যালয়ে উন্নীত হয় 1963 সালে।

27/09/2022

মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সূচি, ২০২৩

Photos from Safanagar High School's post 22/09/2022
Photos from Safanagar High School's post 06/03/2022

আগামী 07.03.2022 থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।
আমাদের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য শুভেচ্ছা রইলো।

12/02/2019

আজ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হলো।
ছাত্রদের জন্য শুভেচ্ছা রইলো।

15/01/2019

Madhyamik Exam Schedule, 2019
Safanagar High School

Date Subject

12.02.19 Bengali
13.02.19 English

15.02.19 History
16.02.19 Geography

18.02.19 Mathematics
19.02.19 Physical Science
20.02.19 Life Science

Time:
11:45 AM - 3:00 PM

15/01/2019

মানুষের কাজ মানুষ করেছে
বিষ দিয়েছে খায়ে,
তাই বলে কি মানুষে কামড়ানো
কুকুরের শোভা পায়ে?

24/10/2017

বর্ষাকাল মানেই সাপের উৎপাত৷ সর্পদংশনের ঘটনাও এই সময়ই বেশি হয়৷ পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশে প্রতিবছর সাপের কামড়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ বেসরকারি মতে, সংখ্যাটা লক্ষাধিক৷ অথচ অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের দেশে থেকে অনেক বেশি বিষধর সাপ থাকলেও মৃত্যু হয় পাঁচবছরে সাকুল্যে দুই থেকে তিন জনের৷ আসলে আমাদের দেশে এখনও বহু মানুষ সর্পদংশনের পর ডাক্তারদের তুলনায় ওঝা, ঝাড়ফুঁকের উপর বেশি ভরসা রাখে৷ ফলে রোগী গুরুত্বপূর্ণ প্রথম কয়েক ঘণ্টা (গোল্ডেন আওয়ার) বিনা চিকিৎসায় নষ্ট হয়ে যায়৷ সমীক্ষা অনুযায়ী সাপে কাটা রোগীদের মধ্যে মাত্র ২২ শতাংশ সরকারি হাসপাতালে আসেন৷ জনমানসে ভ্রান্ত ধারণার ফলেও অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে৷

ঘাতক:
ভারতে প্রায় আড়াইশো প্রজাতির সাপ আছে, তার মধ্যে ৫২টি প্রজাতি বিষধর৷ এর মধ্যে ৪০টিরও বেশি প্রজাতির সাপ সামুদ্রিক৷ পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ছটি বিষধর প্রজাতির সাপ পাওয়া যায়৷ এর মধ্যে চারটি সাপের কামড়েই বেশি মৃত্যু হয়৷

গোখরো:
ফণাধর ও নার্ভবিষযুক্ত৷ এদের ফণার পিছনে ইংরাজি ইউ অক্ষরের মতো একটি চিহ্ন� থাকে৷ যাকে খড়ম চিহ্নও বলা হয়৷ এদের কামড়ে ক্ষতস্থানে প্রচণ্ড ব্যথা হয় এবং ক্রমাগত ফুলতে থাকে৷ এদের স্থানীয় নাম খরিস৷ এক ছোবলে ১৫ মিলিগ্রাম পর্যন্ত বিষ ঢালতে পারে৷

কেউটে:
ফণাধর ও নার্ভবিষযুক্ত৷ এদের ফণার পিছনে থাকে পদ্মচিহ্ন�৷ এদের স্থানীয় নাম আলকেউটে, কালকেউটে, শামুকভাঙা৷ বিষের মারণডোজ ১৫ মিলিগ্রাম৷

চন্দ্রবোড়া:
এই সাপের বিষ রক্তকণিকা ধ্বংস করে৷ এটি বাংলার একমাত্র হিমোটক্সিক সাপ৷ এই সাপ সবথেকে বেশি প্রাণ কাড়ছে বাংলায়৷ সাপটি মোটা চেহারায়৷ বাদামি বা কাঠ রঙের৷ ফণাহীন সাপ৷ গায়ে চন্দন হলুদ চাকা চাকা দাগ৷ এরা কামড়ালে রোগীর রক্ততঞ্চনের গন্ডগোল হয়৷ চিকিৎসায় দেরি হলে রোগীর কিডনি নষ্ট হতে থাকে৷ মূত্রে রক্ত এসে যায়৷

কালাচ:
এটি ভয়ংকর বিষধর৷ রহস্যময় সাপ৷ ফণাহীন মাঝারি চেহারার এই সাপটির গায়ের রং কালো, তার উপর সরু সরু সাদা ব্যান্ড৷ দিনের বেলা এদের প্রায় দেখাই যায় না৷ রাতে এরা খোলা বিছানায় উঠে আসে৷ কেন ওঠে তা আজও অজানা৷
এছাড়া আছে মারাত্মক বিষধর শাঁখামুটি সাপ৷ চেহারায় বেশ বড়৷ গায়ের রং উজ্জ্বল হলুদ আর কালোর উপর ব্যান্ড৷ এরা খুবই শান্ত প্রকৃতির৷ সাধারণত মানুষকে কামড়ায় না৷ গেছো বোড়ার মতো মৃদু বিষযুক্ত সাপ সুন্দরবনের বাদাবনে দেখা যায়৷ তবে এদের কামড়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা নেই৷

বিষহীন সাপ:
ঘরচিতি, কালনাগিনী, দাঁড়াশ, লাউডগা, তুতুর, লালবাড়ি বোড়া, বেত আছড়া, অজগর, জলঢোঁড়া, মেটেলি, জলমেটেলি৷
সামুদ্রিক সাপ:
চ্যাপ্টা লেজের সামুদ্রিক সাপ ভীষণ বিষধর৷ এই ধরনের সাপ কামড়ালে প্রাণে বাঁচানো মুশকিল৷ এএসভি ইঞ্জেকশন এই সাপের কামড়ে কাজ করে না৷

প্রাথমিক চিকিৎসা:
‘RIGHT’ ফর্মুলা মাথায় রাখতে হবে৷ R(Reassurance)–প্রথমে রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে৷ কারণ রোগী খুবই আতঙ্কের মধ্যে থাকেন৷ আতঙ্ক মৃত্যু ডেকে আনতে পারে৷ রোগীকে বোঝান সাপের কামড়ে আক্রান্ত বহু মানুষ চিকিত্সার ফলে বেঁচে উঠেছে৷ আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন৷
I(Immobilization)–যত কম নাড়াচাড়া হবে, তত কম হারে বিষ সারা শরীরে ছড়াবে৷ স্কেল বা বাঁশের টুকরো সহ হাতে বা পায়ে (যে অংশে কামড়াবে) কাপড় দিয়ে হাল্কা করে বেঁধে দিন৷ হাত বা পা যাতে তিনি ভাঁজ করতে পারেন তাই এই ব্যবস্থা৷
GH(Go to Hospital)–ফোন করে জেনে নিন আপনার নিকটতম হাসপাতালে এএসভি, নিওস্টিগনিন, অ্যাট্রোপিন এবং অ্যাড্রিনালিন আছে কি না৷ মাথায় রাখবেন, সাপের কামড়ের সম্পূর্ণ চিকিৎসা একটি ব্লক প্রাইমারি হেল্থ সেণ্টারেই সম্ভব৷
T(Tell Doctor For Treatment)–হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসককে সাপের কামড়ের চিকিৎসা করতে বলুন৷ রোগীর কথা জড়িয়ে যাওয়া, নাকি সুরে কথা বলা, চোখের পাতা পড়ে আসা এগুলি লক্ষ্য করতে চিকিৎসককে জানান৷

রুল অফ ১০০:
সাপে কামড়ানোর ১০০ মিনিটের মধ্যে ১০০ মিলিলিটার এএসভি শরীরে প্রবেশ করালে রোগী বেঁচে যাবে৷
খেয়াল রাখুন, ডাক্তারকে বলুন:
পথে আসার সময় কামড়ের জায়গায় ফোলা কতটা বৃ‌দ্ধি পেয়েছে৷ ঠিক কত সময় আগে রোগী বলছেন যে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে৷ কতক্ষণ পর্যন্ত রোগী কথা বলতে পেরেছেন৷

কী করবেন:
* শান্ত থাকবেন
* কাছাকাছির মানুষজনকে ডাকবেন৷
* হাতে ঘড়ি বা চুড়ি, বালা থাকলে খুলতে হবে৷
* ক্ষতস্থান যত সম্ভব স্থির রাখতে হবে৷
* যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে যেতে হবে৷

কী করবেন না:
* কোনওরকম বাঁধন দেবেন না৷
* কামড়ের জায়গায় কোনও কেমিক্যাল লাগাবেন না৷
* কামড়ের স্থানে ঠান্ডা, গরম, বরফ জল দেবেন না৷
* কেটে চিরে বিষ বের করার চেষ্টা করবেন না৷
* মনে রাখবেন, সাপ যখন কামড়ায় তার বিষ দাঁতের মাধ্যমে ইঞ্জেকশনের মতো শরীরের ভিতরে চলে যায়৷ বিষ পাম্প বলে একরকম অবৈজ্ঞানিক বস্তু প্রয়োগ করে ভোজবাজি দেখানো হচ্ছে৷ এগুলি সব অর্থহীন৷ উল্টে চন্দ্রবোড়া সাপের কামড়ের পর ক্ষতস্থান চিরলে মারাত্মক রক্তপাত হতে পারে৷
* রোগী নিজে দৌড়ে বা সাইকেল চালিয়ে আসবেন না৷
* সাপ ধরে হাসপাতালে আনার দরকার নেই৷

সাপ ঠেকাবেন কীভাবে?:
* বাড়ির চারপাশ পরিচছন্ন রাখুন৷ কার্বলিক অ্যাসিড শরীরে লাগলে ক্ষতি হয় তাই ব্যবহার না করাই ভাল৷ চুনের সঙ্গে ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে ছড়িয়ে দিন৷ এর ঝাঁঝালো গন্ধে সাপ আসে না৷
* রাতে অবশ্যই বিছানা ঝেড়ে মশারি টাঙিয়ে শোবেন৷ দরজা-জানলার নিচে ফাঁকা জায়গা কাপড় গুঁজে ভরাট করে রাখতে পারেন৷
* অন্ধকারে হাঁটাচলা করবেন না৷ হাতে লাঠি নিয়ে রাস্তা ঠুকে চলুন৷ হাততালি দিয়ে লাভ নেই, কারণ সাপের কান নেই৷
* জুতো পরার আগে সেটা ঝেড়ে নিন৷ মাটির বাড়িতে ইঁদুরের গর্ত থাকলে তা বুজিয়ে ফেলুন৷

তথ্যসাহায্য-
ডা. কৃষ্ণাংশু রায়,
অধিকর্তা,
ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার

সৌম্য সেনগুপ্ত, স্কুল শিক্ষক৷

Photos from Safanagar High School's post 15/10/2017

Sunday. Off day. Our workers are busy to make a path from a building to another. Thanks to the mason.

Photos from Safanagar High School's post 07/09/2017

সাপ চিনে রাখো।
ছবি এক :-
গোমা বা গোখরো।
ছবি দুই :-
নিচের টা ~-> আলাত বা কেউটে।
ছবি তিন ;-
কালাচ।
ছবি চার :-
চন্দরবোরা

15/08/2017

ভারত অামার মাতা নয়, পিতাও নয়,
ভারত অামার দেশ, অামার জন্মভূমি।
----------------------
----------------------
দেশ ৭১বছর স্বাধীন হল।
তবুও এর চেয়ে হাস্যকর বিষয় অার কি হতে পারে যে দেশকে মাতা সম্বোধন না করলে দেশভক্তি হয় না।

অামরা ভারতে জন্মেছি।
তাই
ভারত অামাদের জন্মভূমি, জন্মস্থান। অামাদের দেশ।
অার
জন্ম দিয়েছেন অামাদের জননী। অামাদের মাতা।

সুতরাং
জন্মদাত্রী অার জন্মস্থানকে একই ভাবা কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
এত বৃহত্তর ভূখন্ডকে বা স্থানকে যারা মাতা বানিয়ে দিতে পারে তাদের পক্ষে এটাও অসম্ভব নয় যে দুদিন পর তারা নিজের প্লেস অফ বার্থের জায়গায় লিখে বসবে অমুখ নার্সিং হোম মাতা।

মা অার দেশ এক জিনিস নয়। দেশ অনেক বড়।
মা খুব বেশী হলে কয়েকটা সন্তানের দায়িত্ব নেন।
অার
দেশের দায়িত্বে থাকে কোটি কোটি নাগরিক।

দেশ যদি মাতা হয় তাহলে পিতা কে?
নাকি সব পিতৃহীন অবৈধ সন্তান!

কে কাকে কি বিশেষনে সম্বোধন করবে এটা নিতান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যপার। রামকৃষ্ণ তার স্ত্রীকে মা বলে ডেকেছিলেন।
কিন্তু তার কোটি কোটি অনুসারী ভক্তরা নিজের স্ত্রীকে মা ডাকেন কি?
রামকৃষ্ণ তাঁর স্ত্রীকে মা বলাতে যেমন অামাদের কোন অাপত্তি ছিলনা, তেমন এখনও যদি কেউ তাঁকে অনুসরণ করে নিজের স্ত্রীকে মা বলে ডাকেন তাতেও অামাদের কোন অাপত্তি থাকবে না।
অাপত্তি তখনই যখন অাপনারা চাইবেন যে সকলেই অাপনাদের মত নিজের স্ত্রীকে মা বলে সম্বোধন করুক।

কাউকে ভালবাসা মানে তাকে মা বলে ডাকতে হবে এটা কোন কথা হল!

অামরা বাবাকে কি সম্মান করিনা! তাই বলে তাকে মা বলে ডাকতে হবে নাকি!

অাসলে একটা শ্রেণী
যাদের মা অার মামার জ্ঞান নেই,
যারা মামা বললে হয়তো দুটো মা বুঝবেন,
সেই সব স্থুলবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তিরা সম্মান প্রদর্শনের ভাষাজ্ঞানের অভাবে সব কিছুকেই মা সম্বোধন করে সম্মান প্রদর্শের চেষ্টা করে থাকেন।
তাদের জন্মদাত্রীও মা। উপাস্যও মা। সাপও মা। গাছও মা। দেশও মা। এমনকি বউও মা।

সুতরাং এইসব অযৌক্তিক কথা কোন ভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।
যেহেতু এটা দেশের কোন অাইন নয়,
তাই এমন বিষয়ে জোর করা ব্যক্তিস্বাধীনতার খেলাফ।
কিছু বলতে না দেওয়া যেমন বাকস্বাধীনতা হরণ তেমনই জোর করে কিছু বলানোও বাকস্বাধীনতার হরণ।
অার দেশের স্বাধীনতার ৭১বছর পর বাকস্বাধীনতার অান্দোলনের মাধ্যমে শুরু হোক অামাদের দেশের অন্তরবর্তী ব্যক্তিস্বাধীনতার লড়াই।
জয় হিন্দ।

05/08/2017

ধর্ম ও ক্লাস ফাইভের এক পুচকে।

স্কুলে ক্লাস নিচ্ছিলাম ফাইভে। সাধারণত এত বাচ্চাদের ক্লাস আমি নিই না, কিন্তু বিশেষ কারণে গত মাস তিনেক নিতে হচ্ছে। ওদের ইতিহাস বইয়ের একটি চ্যাপ্টার ছিলো 'Religions of India' নামে। চ্যাপ্টারের শেষে exercise -এ একটি HOTS (Higher Order Thinking Skill) প্রশ্ন ছিলো এরকম-
Q. 'Do you think that religion plays an important role in the lives of people in India? Give reasons for your answer '

অর্থাৎ
'তুমি কি মনে করো ধর্ম ভারতীয়দের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে? তোমার উত্তরের সমর্থনে যুক্তি দাও'।

সমস্ত ছাত্রছাত্রী গতানুগতিক উত্তর লিখেছিলো, যেমন 'ধর্ম ভারতীয়দের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে, ধর্ম আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়', ইত্যাদি ইত্যাদি। চমকে উঠলাম একটি ছাত্রের উত্তর পড়ে। সোজা সাপটা ভাষায় ও যা লিখেছে তাকে অনুবাদ করলে এরকম দাঁড়ায়-

"না, আমার মনে হয় না ভারতীয়দের জীবনে ধর্ম কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ধর্ম বা ঈশ্বরের কোনো ভূমিকাই নেই। সকালে ঘুম থেকে ওঠা বা স্কুলে যাওয়ার মত বিষয়গুলির কোনোটাতেই ধর্মকে প্রয়োজন হয় না আমার। আরো একটা বিষয়ের উল্লেখ করা যেতে পারে, রাস্তায় যে ভিখারী ভিক্ষা করে, সে ভগবানে বিশ্বাসী হওয়া স্বত্তেও সারাজীবন তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয় না এবং একদিন এই অবস্থাতেই সে মারা যায়। অন্যদিকে বহু মানুষ ধর্মে বিশ্বাস না করেও সুখে আছে। সুতরাং আমার মনে হয় না সুন্দর জীবন কাটাতে গেলে ধর্ম বা ঈশ্বরের কোনো প্রয়োজন আছে।"

চাবুকের মত উত্তর! স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। এই লেখা লিখেছে ক্লাস ফাইভের একটা ছেলে? ? ?
হয়ত প্রশ্নের সাথে উত্তরটি সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়,
হয়ত ভারতীয়দের জীবনে ধর্মের ভূমিকার বদলে এখানে ছাত্রটি নিজের ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মের অপ্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে।
কিন্তু চমকে উঠলাম এই অল্প বয়সেই এমন দৃঢ় নাস্তিকতা এবং এত স্বচ্ছ ধারণা দেখে। সত্যি অভাবনীয়! বহু পন্ডিতকে যে কথা বোঝাতে ঘাম ছুটে যায়, বা বুঝেও নানা কারণে তারা তা প্রকাশ করেন না, সেখানে এই ছাত্রটি একটি উজ্বল ব্যতিক্রম।
আমার বারবার মনে পড়ে যাচ্ছিলো নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতার সেই ছেলেটির কথা, যে রাজার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলো -

"রাজা তোর কাপড় কোথায়?"

Want your school to be the top-listed School/college in Balurghat?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Kumarganj-Safanagar Main Road
Balurghat
733141

Opening Hours

Monday 10am - 5pm
Tuesday 10am - 5pm
Wednesday 10am - 5pm
Thursday 10am - 5pm
Friday 10am - 5pm
Saturday 10am - 2pm