24/12/2024
Today yaume wisal❤️
**হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাদিআল্লাহু আনহু) নবী মুহাম্মদের মৃত্যুর পর ইসলামের প্রথম খলিফা ছিলেন। তিনি নবীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং উপদেষ্টা ছিলেন এবং ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তিদের একজন ছিলেন।
হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) সম্পর্কে কিছু তথ্য এখানে দেওয়া হল:
*প্রারম্ভিক জীবন
৫৭৩ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণকারী আবু বকর ছিলেন একজন কাপড় ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য। তার প্রকৃত নাম ছিল আবদুল্লাহ, কিন্তু পরবর্তী জীবনে তাকে আবু বকরের সম্মান দেওয়া হয় কারণ তিনি উট ভালোবাসতেন।
*ইসলামে ভূমিকা
আবু বকর ছিলেন প্রথম মুসলিম ধর্মপ্রচারকদের একজন, এবং মদিনায় হিজরত করার সময় নবীর সাথে ছিলেন। তিনি নবীর দেহরক্ষীও ছিলেন এবং তাঁর সমস্ত অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
*খেলাফত
৬৩২ সালে নবীর মৃত্যুর পর, আবু বকর ইসলামী সম্প্রদায়ের প্রথম খলিফা বা উত্তরাধিকারী হন। তার শাসনামলে, তিনি বেশ কয়েকটি অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন এবং আরব উপদ্বীপে মুসলিম রাষ্ট্রের শাসনকে প্রসারিত করেছিলেন। তিনি বাইজেন্টাইন এবং সাসানীয় সাম্রাজ্যে প্রথম আক্রমণের নেতৃত্ব দেন।
*মৃত্যু
দুই বছর দুই মাস চৌদ্দ দিন শাসন করার পর ৬৩৪ সালে আবু বকর মারা যান। তিনিই একমাত্র রাশিদুন খলিফা যিনি স্বাভাবিকভাবে ইন্তেকাল করেন🥀
03/12/2024
I've received 100 reactions to my posts in the past 30 days. Thanks for your support. 🙏🤗🎉
01/12/2024
সোহীহ বুখারী
৪৯৮৩
ইউসুফ ইব্ন ঈসা (র)...... আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন :
রাসূলাল্লাহ্ -এর পরিবার তাঁর ইন্তিকাল অবধি একাধারে তিন দিন আহার করে পরিতৃপ্ত হন নি। আরেকটি বর্ণনায় আবূ হাযিম আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, একদা আমি প্রচন্ড ক্ষুধার যন্ত্রণায় আক্রান্ত হই। তখন উমর ইবন খাত্তাবের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং মহান আল্লাহ্ (কুরআনের) একটি আয়াতের পাঠ তার থেকে শুন্তে চাইলাম। তিনি আয়াতটি পাঠ করে নিজ গৃহে প্রবেশ করলেন। এদিকে আমি কিছু দূর চলার পর ক্ষুধার যন্ত্রণায় উপুড় হয়ে পড়ে গেলাম। একটু পরে দেখি রাসূলুল্লাহ্ আমার মাথার কাছে দাঁড়ানো। তিনি বললেনঃ হে আবু হুরায়রা। আমি লাব্বাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ওয়া সা'দায়কা' (আমি হাযীর, ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আপনার সমীপে) বলে সাড়া দিলাম। তিনি আমার হাত ধরে তুললেন এবং আমার অবস্থা বুঝতে পারলেন। তিনি আমাকে বাড়ীতে নিয়ে গেলেন এবং আমাকে এক পেয়ালা দুধ দেওয়ার জন্য আদেশ করলেন। আমি কিছু পান করলাম। তিনি বললেন: আবূ হুরায়রা! আরো পান কর। আবার পান করলাম। তিনি পুনরায় বললেন: আরো। আমি পুনর্বার পান করলাম। এমনি কি আমার পেট তীরের মত সমান হয়ে গেল। এরপর আমি উমরের সাথে সাক্ষাৎ করে আমার অবস্থার কথা তাঁকে জানালাম এবং বললাম: হে উমর! আল্লাহ্ তা'আলা এমন একজন লোকের মাধ্যমে এর বন্দোবস্ত করেছেন যিনি এ ব্যাপারে তোমার চেয়ে বেশী উপযুক্ত। আল্লাহ্র কসম! আমি তোমার কাছে আয়াতটির পাঠ শুনতে চেয়েছি অথচ আমি তোমার চেয়ে তা ভাল পাঠ করতে পারি। উমর (রা) বললেন: আল্লাহ্র কসম! তোমাকে আপ্যায়ন করা আমার নিকট লাল বর্ণের উটের চেয়েও অধিক প্রিয়।🥀
29/11/2024
জান্নাতিরা কেমন হবে ?
সহীহ বুখারী
৩০৯১
কুতায়বা ইন্ন সাঈদ (র)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ বলেছেন, সর্বপ্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমার রাতের চাঁদের মত উজ্জ্বল। তারপর যে দল তাদের অনুগামী হবে তাদের মুখমণ্ডল হবে আকাশের সর্বাধিক দীপ্তিমান উজ্জ্বল
তারকার মত। তারা না করবে পেশাব আর না করবে পায়খানা। তাদের থুথু ফেলার প্রয়োজন হবে না এবং তাদের নাক হতে শ্লেষ্মাও বের হবে না। তাদের চিরুণী হবে স্বর্ণের তৈরী। তাদের ঘাম হবে মিস্কের ন্যায় সুগন্ধপূর্ণ। তাদের ধনুচি হবে সুগন্ধযুক্ত চন্দন কাঠের। বড় চক্ষু বিশিষ্ট হুরগণ হবেন তাদের স্ত্রী। তাদের সকলের দেহের গঠন হবে একই। তারা সবাই তাদের আদি-পিতা আদম (আ)-এর আকৃতিতে হবেন। উচ্চতায় তাদের দেহের দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত বিশিষ্ট।🥀
26/11/2024
porar kotha mone a6e to 🥀
সোহি বুখারী.
আলী ইব্ন আবদুল্লাহ্ মাদীনী (র.)........ আবূ হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী বলেছেন: যখন গরম বৃদ্ধি পায় তখন তোমরা তা কমে এলে (যুহরের) সালাত আদায় করো। কেননা, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপের অংশ। (তারপর তিনি বলেন), জাহান্নাম তার প্রতিপালকের কাছে এ বলে নালিশ করেছিল, হে আমার প্রতিপালক! (দহনের প্রচণ্ডতায়) আমার এক অংশ আর এক অংশকে গ্রাস করে ফেলেছে। ফলে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে দু'টি শ্বাস ফেলার অনুমতি দিলেন, একটি শীতকালে আর একটি গ্রীষ্মকালে। আর সে দু'টি হলো, তোমরা গ্রীষ্মকালে যে প্রচণ্ড উত্তাপ এবং শীতকালে যে প্রচণ্ড ঠান্ডা অনুভব কর তাই।
23/11/2024
'ওহী কিববে আসে ?
আবদুল্লাহ্ ইব্ন ইউসুফ (র) 'আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, হারিস ইবন হিশাম (রা) রাসূলুল্লাহ্ -কে জিজ্ঞাসা করলেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনার প্রতি ওহী কিভাবে আসে?' রাসূলুল্লাহ্ বললেন: কোন কোন সময় তা ঘন্টাধ্বনির ন্যায় আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচাইতে কষ্টদায়ক হয় এবং তা সমাপ্ত হতেই ফিরিশতা যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নিই, আবার কখনো ফিরিশতা মানুষের আকৃতিতে আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে ফেলি। 'আয়িশা (রা) বলেন, আমি প্রচণ্ড শীতের দিনে ওহী নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওহী শেষ হলেই তাঁর কপাল থেকে ঘাম🥀