Haritala High School Friends

Haritala High School Friends Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Haritala High School Friends, Middle School, Paschim Harindanga, Bagula.

February মাসে কি কি important date আছে?
10/02/2023

February মাসে কি কি important date আছে?

Important Dates

19/04/2020
13/03/2020

জেনে_নিন

১.চীনের উহানের তামপাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির নিচে ও কাছাকাছি।
২. ইরানে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি।
৩. দক্ষিণ কোরিয়ায়ও ১০ ডিগ্রির অনেক নিচে।
৪. ইতালিতে ১৫ ডিগ্রির নিচে।
অর্থাৎ মোটামুটি ১৫ ডিগ্রির উপরে তাপমাত্রা আছে এমন ক্ষেত্রে করোনা খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি।

-কত তাপমাত্রা নিরাপদ?
এ পর্যন্ত প্রায় সব গবেষণা ও বিশেষজ্ঞরা মোটামুটি একমত যে, তাপমাত্র ২১-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে করোনা ভাইরাস টিকতে পারে না। যেমন;

১. হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. প্রফেসর জন নিকোলস বলেছেন, সূর্যের আলো, তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতায় করোনা টিকতে পারে না। সূর্যের আলো ভাইরাস অর্ধেক ক্ষমতা শেষ করে দেয়। বাকি অর্ধেক ২ থেকে ২০ মিনিট টিকে থাকে।
২. জার্মান সেন্টার ফর এক্সপেরিমেন্টাল এন্ড ক্লিনিক্যাল ইনফেকশন রিসার্স সেন্টারের গবেষক থমাস পিচম্যান বলেছেন, সূর্যের তাপে ভাইরাসটি টিকতে পারে না।
৩. জার্মানির জার্নাল অব হসপিটাল ইনফেকশনের প্রকাশিত রিসার্সে বলা হয়েছে, ভাইরাসটি ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৫ দিন বাঁচতে পারে। সর্বোচ্চ ২৫ ডি.সে. এ কয়েক দিনের বেশি বাঁচে না।

- ভারতবর্ষ কেন মুক্ত?

আসুন দেখে নেই চলতি মাসের তাপমাত্র; ১ মার্চ থেকে আজ ১২ মার্চ পর্যন্ত ভারতবর্ষে তাপমাত্রা যথাক্রমে ৩২, ৩১, ৩০, ৩০, ৩০, ৩১, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আক্রান্ত দেশগুলোর তুলনায় শুরু থেকেই ভারতবর্ষে তাপমাত্রা অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা করোনা ধ্বংসে তাপমাত্রার যে সীমা বলছেন তার থেকে ভারতবর্ষে তাপমাত্রা অনেক উপরে। সুতরাং ভারতবর্ষে করোনা ছড়ানোর সুযোগ আপাতত নেই। প্রাকৃতিক এই প্রতিষেধকে ঢেকে আছে আমাদের পশ্চিম বাংলা। সৃষ্টি কর্তার এটি অশেষ কৃপা।

সুতরাং প্যানিক ছড়ানো বা আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। স্বাভাবিক জীবনযাপন করুন। যদি এখানে করোনার রোগী বাইরে থেকে ভাইরাস নিয়ে আসেও আর তাপমাত্রা এমনই থাকে তাহলে ভাইরাস প্রাকৃতিকভাবে নির্মূল হয়ে যাবে। তবে নিজেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। পরিবার-পরিজন সবাই সুস্থ্য থাকুন।

সচেতন হোন, ভালো থাকুন।

07/03/2020

"Happy Holi" লিখে দেখুন মিউজিকের সাথে রং বর্ষন করছে !!!

বাংলা ভাষার জয়গান আজ বিশ্বজুড়ে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রক্তাক্ত রাস্তা সে পরিচিতি এনে দিয়েছে। বরকত, জব্বার, ...
22/02/2020

বাংলা ভাষার জয়গান আজ বিশ্বজুড়ে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রক্তাক্ত রাস্তা সে পরিচিতি এনে দিয়েছে। বরকত, জব্বার, সালামদের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিও। কিন্তু এর পাশাপাশি, মাতৃভাষার জন্য মানভূমের বাঙালিদের দীর্ঘ আন্দোলন নিয়ে যে কোনও রকম আলোচনা থেকে বিরত থাকেন অনেক বাঙালি। অবহেলা না আত্মবিস্মরণ? ভুলে গেলে চলবে না, আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা আন্দোলন হয়েছে, তার মধ্যে দীর্ঘতম ভাষা আন্দোলনও এই বাংলার মাটিতেই। না, সেটি ২১ ফেব্রুয়ারির আন্দোলন নয়। তা হল মানভূমের ভাষা আন্দোলন।

আরও পড়ুন
‘হাতির মতো বড় উৎসব’ সহরায়ের সঙ্গে মিশে সাঁওতালদের ভিটে বাঁচানোর যুদ্ধের ইতিহাস

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকে, ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের নীতির বাস্তব রূপায়নের দাবিতে দেশের আঞ্চলিকতা বেড়ে উঠতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতিতে, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু দেশের ভাষাভিত্তিক প্রদেশ কমিশন নিয়োগ করেন। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কমিশন মত দেয় যে, শুধুমাত্র ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠন না করে ভারতের ঐক্যবদ্ধতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকেই, তৎকালীন বিহার সরকার ওই রাজ্যের মানুষদের ওপর হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রাথমিক স্তরে ও সরকারি অনুদান যুক্ত বিদ্যালয়ে হিন্দি মাধ্যমে পড়ানোর নির্দেশ আসে, জেলা স্কুলগুলিতে বাংলা বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের স্কুলগুলোতে শুধুমাত্র হিন্দিতে শিক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বাঙালির মানভূমে তখন থেকেই শুরু হল এক রকম ‘হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ’। একের পরে এক বাংলা স্কুল পরিণত হল হিন্দি স্কুলে। পোস্ট অফিস-সহ সমস্ত সরকারি দফতরে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা হল। এর বিরুদ্ধেই মানভূমের ভাষা আন্দোলন। গর্জে ওঠে লক্ষ লক্ষ বাঙালি। শিক্ষা ও প্রশাসনিক স্তরে তাদের মাতৃভাষা বাংলাকে স্বীকৃতির জন্য শুরু হয় আন্দোলন।

বিহার রাজ্য সরকার মানভূমে বাংলার ব্যবহার সীমিত করার জন্য কঠোর হতে শুরু করলে অতুলচন্দ্র ঘোষ, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, অরুণচন্দ্র ঘোষ, বিভূতিভূষণ দাশগুপ্ত সহ ৩৭ জন নেতা কংগ্রেসের জেলা কমিটি থেকে পদত্যাগ করে ‘লোক সেবক সংঘ’ গঠন করেন। এই সংঘ বাংলা ভাষার মর্যাদার প্রশ্নে সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করে।

কিন্তু ১৯৪৬-এর বিহার নিরাপত্তা আইনের ‘নামে’ অত্যাচার শুরু হল ভাষা আন্দোলনকারীদের উপরে। সত্যাগ্রহকে দমন করার জন্য হয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, বিচিত্র দমন-পীড়ন। শুরু হল ‘টুসু সত্যাগ্রহ’। মানভূমের লোকগান ‘টুসু’, সাধারণের স্বতোৎসারিত আবেগ মিশে থাকে। তাতেও ফুটে উঠতে লাগল বাংলা ভাষার প্রতি আবেগ। ১৯৫২ সালে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলেন ‘লোকসেবক সংঘে’র দুই জন প্রার্থী (ভজহরি মাহাতো ও চৈতন মাঝি)। বিধানসভায় জিতে এলেন সাতজন। মানভূমে বাংলা ভাষার আন্দোলন দৃষ্টি আকর্ষণ করল কলকাতা ও দিল্লির।

সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান হল –

শুন বিহারী ভাই, তোরা রাখতে লারবি ডাঙ্ দেখাই
তোরা আপন তরে ভেদ বাড়ালি, বাংলা ভাষায় দিলি ছাই
ভাইকে ভুলে করলি বড় বাংলা-বিহার বুদ্ধিটাই
বাঙালী-বিহারী সবই এক ভারতের আপন ভাই
বাঙালীকে মারলি তবু বিষ ছড়ালি — হিন্দি চাই
বাংলা ভাষার পদবীতে ভাই কোন ভেদের কথা নাই
এক ভারতের ভাইয়ে ভাইয়ে মাতৃভাষার রাজ্য চাই
(গীতিকার – ভজহরি মাহাতো)

মানভূম ভাষা আন্দোলনে নারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল অপ্রতিরোধ্য। জননেত্রী লাবণ্যপ্রভা দেবীকে পুলিশ ও রাজনৈতিক গুন্ডারা চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে বের করে, সঙ্গে চলে অকথ্য নির্যাতন ও সম্ভ্রমহানি। শবরনেত্রী রেবতী ভট্টাচার্যকে পিটিয়ে জঙ্গলের মধ্যে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখে যায় বিহারি পুলিশ। জননেত্রী ভাবিনী মাহাতোর ওপর অকথ্য নির্যাতন করা হয়। এই সময় বিহারের জননিরাপত্তা আইনের ধারায় লোকসেবক সংঘের কর্ণধার অতুলচন্দ্র ঘোষ, লোকসভা সদস্য ভজহরি মাহাতো, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, অরুণচন্দ্র ঘোষ, অশোক চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।

এরই মধ্যে শুরু হয় সীমা কমিশনের কাজ। সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের তৎকালীন দুই মুখ্যমন্ত্রীর (বিধানচন্দ্র রায় ও শ্রীকৃষ্ণ সিংহ) তরফে বঙ্গ-বিহার যুক্ত প্রদেশ গঠন করার প্রস্তাব আসে। ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে ‘টুসু সত্যাগ্রহ’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মানভূমের ভাগ্যের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায়, ১৯৫৬ সালের এপ্রিলে লোক সেবক সংঘের আন্দোলনকারীরা কলকাতা অভিমুখে পদযাত্রার সিদ্ধান্ত নেন। ২০শে এপ্রিল অতুলচন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সাড়ে তিনশ’ নারীসহ হাজার দেড়েক আন্দোলনকারী দশটি বাহিনীতে ভাগ হয়ে পুঞ্চার পাকবিড়রা গ্রাম থেকে পদযাত্রা শুরু করেন। ষোলো দিন পর, ৬ই মে কলকাতায় উপস্থিত হয় সেই পদযাত্রা। ২০ এপ্রিল থেকে ৬ মে টানা প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ হেঁটেছিলেন সত্যাগ্রহীরা। কণ্ঠে ছিল ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’, ‘বাংলা ভাষা প্রাণের ভাষা রে’ গান।

কলকাতাবাসীদের পক্ষ থেকে হেমন্তকুমার, জ্যোতি বসু, মোহিত মৈত্র, সুরেশচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট নাগরিকগণ সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। সমাবেশ যেন না হতে পারে। এজন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার আগে থেকে ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছিল। ফলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের দায়ে পুলিশ ৯৬৫ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। বন্দিদের পাঠানো হয় কলকাতা প্রেসিডেন্সি জেল, আলিপুর সেন্ট্রাল জেল ও আলিপুর স্পেশাল জেলে। বারো দিন পর তাঁরা মুক্তি পান। একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থানে প্রায় ৩,৩০০ আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়, যারা প্রধানত লোক সেবক সংঘ অথবা বাম দলগুলোর কর্মী ছিলেন।

আরও পড়ুন
জলের নিচে লুকিয়ে প্রাচীন মন্দির, উঁকি দেয় চূড়া, পুরুলিয়ার তেলাকুপির গল্প এমনই

বাধ্য হয়ে রদ করা হয় বাংলা-বিহার সংযুক্তির প্রস্তাব। বঙ্গ-বিহার ভূমি হস্তান্তর আইন পাশ হয়। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই আগষ্ট লোকসভায় ও ২৮শে আগষ্ট রাজ্যসভায় বাংলা-বিহার সীমান্ত নির্দেশ বিল পাশ হয়। ১লা সেপ্টেম্বর এতে ভারতের রাষ্ট্রপতি সই করেন।

মানভূম ভাষা আন্দোলনের চাপ তখন বাড়ছে ক্রমাগত। ১৯৫৬ সালে মানভূমকে তিন টুকরো করে, বাংলা অধ্যুষিত ১৬টি থানা অঞ্চল জুড়ে জন্ম নিল পুরুলিয়া জেলা। অন্তর্ভুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গের।

সীমা কমিশনের রিপোর্ট লোকসভা হয়ে ‘সিলেক্ট কমিটি’ ও আরও নানা স্তর পেরিয়ে ১ নভেম্বর, ১৯৫৬ ২৪০৭ বর্গ মাইল এলাকার ১১,৬৯,০৯৭ জন মানুষকে নিয়ে জন্ম নেয় আজকের পুরুলিয়া। সম্পূর্ণ ধানবাদ মহকুমা বিহার রাজ্যে রয়ে যায়। টুসু সাধিকাদের সেই ভাষা আন্দোলন আজ জনমানসে বিস্মৃতপ্রায় হলেও ইতিহাসের দলিলে তা উজ্জ্বল। মানভূমের এই ভাষা আন্দোলন কোনো স্বাধীন দেশ গড়ার আন্দোলন ছিল না, ছিল কেবল বাংলা ভাষাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়ার লড়াই। আজকের প্রশাসনিক পুরুলিয়া সেই লড়াইয়েরই ফসল

ভুলে গেলে চলবে না, আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা আন্দোলন হয়েছে, তার মধ্যে দীর্ঘতম ভাষা আন্দোলনও এই বাংলার মাটি....

আমেরিকার বোস্টনে ১৯৮৬ সালে একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করা হয় ৷ এক ফাঁসির আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনানো হলো ৷ কতিপয় বিজ্ঞানী সে আসা...
09/02/2020

আমেরিকার বোস্টনে ১৯৮৬ সালে একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করা হয় ৷ এক ফাঁসির আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনানো হলো ৷ কতিপয় বিজ্ঞানী সে আসামীর উপর একটি পরীক্ষা করার প্রস্তাব করলেন । কয়েদীকে শোনানো হলো ফাঁসির বদলে তোমাকে বিষাক্ত কোবরা সাপ দংশন করিয়ে হত্যা করা হবে।

কয়েদীকে চেয়ারে বসিয়ে তার হাত-পা বেঁধে দেয়া হলো, তারপর তার চোখে পট্টি বেঁধে বিষাক্ত কোবরা সাপ না এনে তার বদলে দুটি সেফ্টি পিন ফুটানো হলো। ফলে কয়েক
সেকেন্ডের মধ্যেই কয়েদির মৃত্যু হলো ৷ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখা গেল সাপের বিষ রয়েছে তার শরীরের মধ্যে। প্রশ্ন হলো এই বিষ কোথা থেকে এলো, যা ঐ কয়েদীর প্রাণ কেড়ে নিল।

বলা হয় সেই বিষ তার নিজের শরীর থেকেই উৎপত্তি হয়েছিল।আমাদের সংকল্প থেকে positive এবং negative এনার্জির সৃষ্টি হয়। আর সে এনার্জি আমাদের শরীরে হরমোনের উৎপত্তি করে ৷ 75% রোগের মূল কারণ হলো আমাদের negative চিন্তাধারা। মানুষ নিজের চিন্তাধারা থেকে ভস্মাসূর হয়ে নিজ প্রজাতিকে বিনাশ করছে। আপনার চিন্তাধারা সর্বদা positive রাখুন এবং খুশী থাকুন।

২৫ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা ভাবি যে '‘মানুষ কি মনে করবে!" ৫০ বছর আমরা ভয় পাই ‘মানুষ কি ভাববেন!‘ ৫০ বছর পরে আমরা বুঝতে পারি ‘'কেউ আমার কথা চিন্তাই
করেনি৷‘' কিন্তু তখন তেমন কিছু করার থাকে না!

তাই ইচ্ছেশক্তিকে কখনোই থামতে দেয়া যাবে না। কে কি বলে তা নিয়ে না ভেবে নিজের পজিটিভ চিন্তাগুলো নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই সফলতা (Desired Goal) ধরা দিবে।

বিদ্যুৎ অফিসের সামনে চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে বিক্রেতা!!বিদ্যুৎ অফিসের একজন অফিসার চা খাওয়ার সময় জিজ...
01/02/2020

বিদ্যুৎ অফিসের সামনে চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে বিক্রেতা!!

বিদ্যুৎ অফিসের একজন অফিসার চা খাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলো কলার দাম কত???

বিক্রেতা:- কি কাজে কলা ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভর করে কলার দাম!!

অফিসার:- মানে কি ?!?

বিক্রেতা:- যদি কোন ধর্মীয় কাজের জন‍্য নেন তাহলে 2 টাকা পিস, যদি রোগির জন্যে নেন তাহলে 3 টাকা পিস আর যদি নিজে খাওয়ার জন্যে নেন তবে 5 টাকা পিস।

অফিসার:- ইয়ার্কি কর, একই কলার দাম বিভিন্ন হয় কি করে ?!

বিক্রেতা:- একই খুঁটি হতে বিদ্যুৎ বাড়িতে গেলে একদর, দোকানে গেলে আরেক দর, কারখানায় গেলে আরেক দর। তাহলে আমার কলা কি দোষ করলো বলুন?

অফিসার হতবাক হয়ে গেলেন!!

----------------------------সংগৃহীত----------------------

Address

Paschim Harindanga
Bagula
741502

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haritala High School Friends posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category