Bagula Purba Para High School

Bagula Purba Para High School All students of Bagula Purba Para High School are welcome here

12/01/2022
11/07/2021

যোগাযোগ ঃ-
শ্যামল কুমার টপ্পো,(বগুলা পূর্বপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় 98000 12728)
অলোক সরকার,(বগুলা উচ্চ বিদ্যালয় 9475343730)
অরবিন্দ মজুমদার, (মায়াপুর ঠাকুর ভক্তি বিনোদ ইনিস্টিউট 9932286077)
সৈকত রায়,( NCC Volunteer 7477867686)

05/07/2021

#বরুণ_বিশ্বাস ্রতিবাদীর_নাম
বরুণ বিশ্বাস (১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ – ৫ জুলাই, ২০১২) ছিলেন একজন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার সুটিয়া অঞ্চলের অধিবাসী এক বাঙালি স্কুলশিক্ষক ও সমাজকর্মী। ২০০০ সালে সুটিয়া অঞ্চলে অপরাধমূলক কাজকর্ম ও গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে গঠিত সুটিয়া গণধর্ষণ প্রতিবাদ মঞ্চের তিনি ছিলেন সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ২০১২ সালের ৫ জুলাই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০১৩ সালে প্রলয় (চলচ্চিত্র) টি নির্মিত হয় তার জীবন ও কর্মকে ভিত্তি করে। এছাড়াও 'প্রলয় আসছে' নামক একটি টেলিফিল্ম নির্মিত হয় ২০১১ সালে যার কিছুটা অংশ বরুন বিশ্বাসের জীবনের ছায়ায় নির্মিত।
জন্ম১২ সেপ্টেম্বর ১৯৭২

সুটিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

মৃত্যু ৫ জুলাই ২০১২ (বয়স ৩৯)

সুটিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

মৃত্যুর কারণগুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু জাতীয়তা ভারতীয় পেশা-স্কুলশিক্ষক, সমাজকর্মী পরিচিতির কারণ পশ্চিমবঙ্গের সুটিয়া অঞ্চলে গণধর্ষণের প্রতিবাদ ।

জীবন ও কর্মজীবনসম্পাদনা

১৯৭২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার (অধুনা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা) সুটিয়ায় বরুণ বিশ্বাসের জন্ম। ১৯৭১ সালে তার বাবা-মা জগদীশ বিশ্বাস ও গীতা বিশ্বাস বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ফরিদপুর থেকে চব্বিশ পরগনা জেলার পাঁচপোতার আচারিপাড়ায় চলে এসেছিলেন। জগদীশ বিশ্বাস তার সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য দিনে মজুরের কাজ করে ও রাতে স্থানীয় যাত্রাদলে গান গেয়ে জীবিকানির্বাহ করতেন।

বরুণ বিশ্বাস পাঁচপোতা ভরাডাঙা হাই স্কুল ও খাতরা বয়েজ হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারপর গোবরডাঙ্গা হিন্দু কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ও নিউ ব্যারাকপুরের বি. টি. কলেজ থেকে বি.এড ডিগ্রি অর্জন করেন।

শিক্ষা শেষ করার পর বরুণ বিশ্বাস পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনিক কৃত্যক (WBCS) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন কিন্তু সমাজসেবা ও শিক্ষকতার জীবন বেছে নেন। ১৯৯৮ সালে তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশনে (মেন) স্কুলশিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দেন। মৃত্যুর সময় পর্যন্ত তিনি সেখানেই শিক্ষকতা করেছিলেন

কাজকর্মসম্পাদনা

ইছামতী ও জলসম্পাদনা

২০০০ সালে বরুণ বিশ্বাস ইছামতী নদী ও যমুনা নদীর বন্যা নিবারণের জন্য একটি খাল তৈরির জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এই দুই নদী সুটিয়া বনগাঁ, স্বরূপনগর ও গাইঘাটা অঞ্চলে বন্যার কারণ হত। বরুণ বিশ্বাস খালের একটি নকশাও তৈরি করেন। প্রথম দিকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তার এই পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ না করলেও শেষ পর্যন্ত সরকার প্রস্তাবিত খালটি তৈরি করে। নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে ইছামতী নদীর গতি রুদ্ধ করে ও গতিপথ পরিবর্তিত করছিল একটি দল। এর ফলে গ্রামে বন্যা দেখা দিচ্ছিল। এই দলের বিরুদ্ধেও বরুণ বিশ্বাস আন্দোলন শুরু করেন ।

২০০০–২০১২: ধর্ষণ-বিরোধী কর্মসূচিসম্পাদনা

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে এবং ২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে সুটিয়া ও পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিকে একদল দুষ্কৃতিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০০০–২০০২ সালের মধ্যে ৩৩টি ধর্ষণ ও ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছিল সুটিয়ায়। বরুণ বিশ্বাস একদল গ্রামবাসীদের নিয়ে এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করার দাবি জানাতে থাকেন। ২০০০ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সে তিনি অন্যান্যদের সঙ্গে "সুটিয়া গণধর্ষণ প্রতিবাদ মঞ্চ" গঠন করেন। এই মঞ্চ ধর্ষণের প্রতিবাদে জনসভার আয়োজন করতে শুরু করে। এমনই একটি সভায় বরুণ বিশ্বাস বলেছিলেন:

আমরা যদি আমাদের মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে না পারি, তবে আমরা সভ্য সমাজে বাস করার যোগ্য নই। আমাদের যদি ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস না থাকে, তাহলে আমাদের তাদের থেকেও বেশি শাস্তি পাওয়া উচিত... তাই আসুন, আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে আমাদের মহিলাদের সম্মান রক্ষা করুন।

বরুণ বিশ্বাসের দল ধর্ষিতাদের পুলিশে খবর দিতে সাহায্য করত, যাতে অপরাধীরা ধরা পরে। এর ফলে দলের নেতা সুশান্ত চৌধুরী ধরা পড়ে। বরুণ বিশ্বাস ধর্ষিতা মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মানসিক শক্তিও যোগাতেন।

২০১২ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে কলকাতা থেকে ফেরার পথে গোবরডাঙা রেল স্টেশনের বাইরে পার্কিং লটে বরুণ বিশ্বাসকে পিছন থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপরই হাবরা, গাইঘাটা ও গোপালনগর থানার পুলিশ সুটিয়া অপরাধী চক্রের পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে ছিল অভিযুক্ত ভাড়াটে খুনি সুমন্ত দেবনাথ ওরফে ফটকে, দেবাশিষ সরকার, বিশ্বজিৎ বিশ্বাস ও রাজু সরকার। এদের বেশিরভাগই স্থানীয় ছাত্র। এরা পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী সুশান্ত চৌধুরীর নির্দেশে তারা বরুণ বিশ্বাসকে খুন করেছে।

আমি ছেলে-হারানো এক গর্বিত মা। আমার ছোটোছেলে বরুণ মৃত্যুভয়ের সামনে দাঁড়িয়েও কখনও পিছু হটেনি। যেদিন পর্যন্ত প্রতিবাদী মঞ্চ সবরকম দুষ্কর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে, সেদিন পর্যন্ত আমার ছেলে অমর থাকবে। বরুণ ছিল, বরুণ আছে, বরুণ থাকবে।

—গীতা বিশ্বাস (বরুণ বিশ্বাসের মা) একটি সাক্ষাৎকারে ।

২০১৩ সালের অগস্ট মাসে বরুণ বিশ্বাসের জীবন-ভিত্তিক বাংলা চলচ্চিত্র প্রলয় মুক্তি পায়। এই ছবিতে অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় বরুণ বিশ্বাসের ভূমিকায় অভিনয় করেন।

২০১৩ সালেই দুর্গাপূজার সময় পাঁচপোতা অভিযান সংঘ দুর্গাপূজা কমিটি বরুণ বিশ্বাসের জীবন ও আন্দোলনকে তাদের পূজার থিম নির্বাচন করে। তারা তাদের পূজার মঞ্চটির নাম রাখে "বরুণ মঞ্চ"। পূজা কমিটির যুগ্মসচিব মানবেন্দ্র বিশ্বাস জানান ।

সুটিয়ার পাঁচপোতা বরুণের মামাবাড়ি। এখানেই সে ছোটোবেলা কাটিয়েছে। ধর্ষণকারী ও অপরাধীরা কার্যত সুটিয়ার শাসক হয়ে উঠেছিল। সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সাহায্যে সে গ্রামবাসীদের তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করত... এই দুর্গাপূজা দুর্গার মহিষাসুর বধ এবং অপশাসনের বিরুদ্ধে বরুণের জয়ের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া

13/12/2020

#বগুলা_পূর্বপাড়া_উচ্চ_বিদ্যালয়ের_২য়_পুনর্মিলনী_উত্সব_২০২০

******২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২০*******

এক বছর পর আজ আবার সবাইকে এক করার উদ্দেশ্যে এই বার্তা। এই একটা বছর যেন একটা যুগ। করোনা মহামারী এক বছরে যেন পৃথিবীটাকে সম্পূর্ণ ওলটপালট করে দিয়েছে। সারা বিশ্ব আজ করোনার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। আমরা সকলেই এই অভিশপ্ত মহামারীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভুক্তভোগী। কিন্তু, একটা বছর আগে কত আনন্দময়, কত স্বপ্নেভরাই না ছিল সবকিছু। আমাদের বগুলা পূর্বপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রথম পুনর্মিলনী উত্সবের আলো ঝলমলে আনন্দঘন দুদিনের কথা মনে করলে আজ স্বপ্ন বলে মনে হয়। সহপাঠীদের সঙ্গে কাটানো দুটি দিন যেন সেই হারিয়ে যাওয়া শৈশবের, সেই ফিকে হয়ে যাওয়া কৈশোরের পুনর্জনম ছিল। একসাথে আড্ডা, খাওয়া, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এনেছিল শিরায় শিরায় নব যৌবনের উত্তাল জোয়ার, এনেছিল শৈশব-কৈশোর ফিরে পাওয়ার আনন্দাশ্রু। সে সময়ে উপস্থিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আবেগঘন অংশগ্রহণ, তাদের উত্সাহ, তাদের স্বপ্ন, তাদের ভালোলাগা, তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা মনে পড়লে এখনও শিহরণ লাগে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা গর্বিত যে আমরা এই মহান বিদ্যালয়ের একজন ছিলাম। সকলেই নিশ্চই একমত হবে। আমাদের এই মাতৃসমা বিদ্যালয়ের জাঁকজমকপূর্ণ প্রথম পুনর্মিলনী উত্সবের যে প্রদীপ আমরা জ্বালিয়েছিলাম তাকে কখনোই নিভে যেতে দেওয়া যাবে না। যে ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ডের স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, তা কখনোই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। শৈশব-কৈশোরের সহপাঠীদের সান্নিধ্য যে অনাবিল আনন্দঘন মুহূর্ত আমরা ভাগ করে নিয়েছিলাম, তা হারিয়ে ফেলা যাবে না। এবারের পরিস্থিতির কারণে আমরা অল্প করে হলেও আমাদের সেই স্বপ্ন, সেই পরিকল্পনা এবং সেই কর্মকাণ্ডের প্রদীপকে জ্বালিয়ে রাখতে চাই। এটা আমাদের মাতৃদায়, এটা আমাদের অস্তিত্বের দায়, এটা আমাদের বন্ধুত্বের দায়, সর্বোপরি এটা আমাদের প্রাণের বিদ্যালয়ের প্রতি
ভালোবাসার দায়। চলো আমরা সকলে আবার এক হই, ফিরে যাই শৈশব-কৈশোরে, আবার স্বপ্ন দেখি, আবার হাতে হাত রেখে পার করি এই দুঃসময়।

#আছি_যেথায়_যে_যেখানে
#মিলব_আবার_প্রাণে_প্রাণে

27/10/2019

আগামী ডিসেম্বর মাসের 28-29 তারিখ স্কুলের প্রাক্তনী দের পুনর্মিলন উৎসব। সকল প্রাক্তনী দের আমন্ত্রণ।

আমায় ব্যক্তিগত ভাবে whatsapp ও করতে পারেন 9830364602 নম্বর এ।

একটা গ্রুপ করা হয়েছে, add করে নেব।

বাকি কথা গ্রুপ এ হবে।

Address

Bagula

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bagula Purba Para High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category