Parent Teachers Meeting How to make First boy of the class a good student

Parent Teachers Meeting How to make First boy of the class a good student

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Parent Teachers Meeting How to make First boy of the class a good student, Middle School, Bidyut Choudhury, Vill & Post Bapujinagar, Via-Badkulla, Dist-Nadia, PIN, Badkulla.

30/06/2024

আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি । একদিন বাবা আমাকে বললো, "আজকে নরেশ মাস্টার আমাকে বললো যে তুই নাকি মুখস্ত বিদ্যার উপর বেশি জোর দীস । উনি বললো, মুখস্ত বিদ্যার কোনো দাম নেই । মুখস্ত করে না লিখে বুঝে বুঝে যদি নিজের ভাষায় উত্তর লেখা হয় তাহলে একটু কম নম্বর পেলেও পরে গিয়ে যখন বি এ পড়বে তখন এই বুঝে বুঝে বানিয়ে উত্তর লেখার দাম পাওয়া যাবে ।" কথাটা শুনিয়া মনের মধ্যে কেমন যেনো দুর্বলতা দেখা দিল । আমি খুব মনোযোগ সহকারে পড়াশুনো করতাম । ভাবলাম তাহলে কি আমি যেভাবে পড়াশুনো করি তাতে কি আমি কোনো অন্যায় করছি । আমার মনের মধ্যে একটা অন্যায় বোধ দেখা দিল । আমি তাহলে বই কি ভাবে পড়বো ? বুঝে বুঝে পড়ে তারপর বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় উত্তর লেখা টা আমার মনে যেনো অদ্ভুত মনে হলো । যখন বই পড়তাম তখন তো পড়ার সাথে সাথে সবই বুঝতে পড়তাম, তাহলে এই বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় উত্তর লিখতে গেলে তো আমাকে অনেক চিন্তা করতে হবে । আমার মনে হলো এমন কিছু লেখা যাতে উত্তর গুলো বইয়ের সাথে না মেলে কারণ বইয়ের সাথে মিললেই বোঝা যাবে যে আমি হয় উত্তর মুখস্ত করে লিখেছি না হয় আমি নকল করে লিখেছি । ইস্কুলে হাফ ইয়ারলি পরীক্ষার পর কথাগুলো শুনে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম । আবার কিছুদিন পর বাবা আমাকে ডেকে সেই একই কথা বললো, "তোর ইস্কুলের মাস্টার বললো তুই নাকি মুখস্ত বিদ্যার উপর জোর dis,Tor মাস্টার বললো মুখস্ত বিদ্যার কোনো দাম নেই । বুঝে বুঝে যদি পড়া হয় তাহলে পরীক্ষার সময় নিজের ভাষা দিয়ে উত্তর লেখা যাবে আর তাতেই ভালো নম্বর পাওয়া যাবে ।" বুড়ো নরেশের পাশে বিদ্যাধর, রাধিকা বসে এই একই কথা বারবার আলোচনা করলো । তখন বৃষ্টির দিন । চূর্ণী নদী প্রায় জলে ভরে গেছে । মনে হয় বন্যা হবে । চূর্ণী নদীর জল প্রবাহ দেখে আমার মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠতো । ইস্কুলের পাশে একটা কদম ফুলের গাছ ছিল । সেই কদম গাছের শীতল ছয়ায় আমার মনটা আনন্দে ভরে উঠতো । কদম ফুলের পাতাগুলো এত ঘন ছিল যে বৃষ্টির সময় তার নীচে দাড়ালে বৃষ্টির জল গায়ে লাগতো না । কদম ফুলের সুগন্ধে আমার মনটা ভরে যেত । কদম গাছের অনতিদূরে একটা বকুল ফুলের গাছ ছিল । বকুল ফুলের গন্ধে আমার মনটা ভরে যেত । আমার বাবা খুব গরীব ছিল তাই হাত খরচের জন্য কোনো পোইসা পেতাম না । বাড়ীতে সংসারের অবস্থা খুব খারাপ ছিল । আমরা প্রত্যেকদিন চাল কিনে রান্না করে খেতাম । আমরা রিফিউজি ছিলাম । আমরা বাংলাদেশ থেকে আসার পর কোনো জমি পাই নি তাই আমরা অন্যের জমিতে কিসান দিয়ে, জন দিয়ে যা কিছু মজুরি পেতাম তাই দিয়ে কোনো মতে বেঁচে থাকতাম । প্যান্ট কেনার ক্ষমতা থাকলে জাঙ্গিয়া কেনার ক্ষমতা ছিল না, শীতের দিনে চাদর, সোয়েটার কেনার ক্ষমতা ছিল না । শীতের দিনে রাতে কথা গায়ে দিয়ে হ্যারিকেন জ্বালিয়ে বই পড়তাম । তখন গ্রামে কারেন্ট আসে নি । রেশনে যে টুকু কেরোসিন তেল পেতাম তাই হ্যারিকেন ভরে বই পড়তাম । বাড়ীতে খুব পুরনো একটা টেবিল ছিল । সেই টেবিলে বইগুলো সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতাম । মাঝখানে হ্যারিকেন রেখে তার আলোতে পড়তাম । গ্রামে অন্য ছেলে মেয়ের বাড়িতে পড়ার টেবিল ছিল না, তারা মাটিতে পাটি পেতে নিচে বসে পড়তো । তারা যখন জানতে পারলো যে আমি চেয়ারে বসে টেবিলে বই রেখে পড়ি তখন তারা বুঝে গেলো কেনো আমি পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাই । এই টেবিল চেয়ার এর জন্যই নাকি আমি পড়া মুখস্ত করতে পারতাম এবং বেশি নম্বর পেতাম । অন্যদের যেহেতু পড়ার জন্য টেবিল চেয়ার ছিলো না সেইজন্য তারা পড়াসুনোয় ভালো হতে পারেনি । আমি যে মনোযোগ সহকারে পড়াশুনো করতাম এবং ভালো নম্বর পেতাম তার পিছনে ছিল এই টেবিল চেয়ার । বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় উত্তর লিখতে গিয়ে পড়াশুনোর প্রতি আগ্রহটা যেনো কমে গেলো । ভেবে পাচ্ছিলাম না কি করে বানিয়ে উত্তর লিখবো । পরীক্ষা সামনে ছিল । প্রচুর জিনিস পড়ার ছিল । মনটা খুব খারাপ হয়ে গেছিল । ক্লাস নাইনে সব বিষয়েই কম নম্বর পেয়েছিলাম । বুড়ো নরেশ বুঝতে পেরেছিল যে আমি এখন বুঝে বুঝে বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় উত্তর লিখছি তাই এখন কম নম্বর পেলেও পরে যখন বি এ পড়বো তখন বানিয়ে বানিয়ে উত্তর লেখাটা খুব কাজে দেবে । কিন্তু পারিবারিক দৈন্য দশার জন্য আমার আর বি এ পড়া হয়নি । আমার আর বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় উত্তর লেখা হলো না । কিন্তু আজ আমি বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় অনেক কিছু লেখা শিখে গেছি । আমার কাছে পাশ নেই, ডিগ্রী নেই কিন্তু আমি বানিয়ে বানিয়ে নিজের ভাষায় অনেক কিছু লিখি ।

আমার মনে হয় কিছু শিক্ষক আমার মনে রাখার ক্ষমতাটা কে সহ্য করতে পারেনি, তাই তারা চেয়েছিল আমি এমনভাবে পড়াশুনো করবো যাতে আমি কিছু মনে না রাখতে পারি অথবা এমন কিছু লিখবো যা বইয়ের লেখার সাথে না মেলে । তারা বলতে চেয়েছিলো যে যদি তুমি পড়াশুনো বুঝতে পারো তাহলে তুমি ইস্কুল থেকে বাড়ীতে গিয়ে কেনো পড়বে । তুমি ইস্কুল থেকে বাড়ীতে গিয়ে অনেক পড়াশুনো করছো তার মানে ইস্কুলে যা যা পড়ানো হয়েছে তা তুমি বুঝতে পারোনি, আমার মনে হয় তারা সে কথাই বলতে ছেয়েছিল । তাদের বলার অর্থ ছিল এই যে আপনার ছেলে পড়াশুনো মনে রাখে, এটা খুব অন্যায়, এটা ভালো ছাত্রের লক্ষণ নয়, ভালো ছাত্র হলো তারা যারা বাড়ীতে গিয়ে পড়াশুনো করে না, পরীক্ষার সময় বানিয়ে বানিয়ে উত্তর লেখে । আমার স্পষ্ট মনে আছে বুড়ো নরেশ মাস্টার একবার ক্লাসে পড়াতে পড়াতে বলেছিল যে তার কোনো ছাত্রী বারবার পরীক্ষায় ফেল করছিলো আর সে তাকে স্বরসতি পুজো করতে বলেছিল এবং তার পর সে পাশ হয় । ওই সময় বয়স কম ছিল তাই শিক্ষকেরা যা বলতো তাই মেনে নেওয়াটা প্রধান কর্তব্য বলে মনে করতাম । শিক্ষকদের নজরে কোনো পড়া পড়ে পড়ে মুখস্ত করাটা অন্যায় ছিল আর তারা সেটাই বারবার আমার বাবাকে বলতো যাতে আমার বাবা আমার মনকে চেঞ্জ করতে পারে । আর সেটা সফল ও হয়েছিল । আমি যে জিনিস কয়েক বার পড়ে মুখস্ত করে নিতে পারতাম সেই জিনিসগুলো এক দুবার পড়ে পড়ে ছেড়ে দিতাম । যার ফলে প্রায় সব কিছুই অল্প অল্প মনে থাকতো, আগের মত সব মনে থাকতো না । কারণ যোখুনি পড়তে বসতাম তখন ওই শিক্ষকদের বাণী মাথায় আসতো, জিনিস গুলো যাতে মুখস্ত না হয় । যদিও কু চক্রি ওই শিক্ষকদের এটা একটা চাল ছিল যাতে আমি ভালো নম্বর না পাই তার কিন্তু তখন আমার বাবা শিক্ষকদের গুরু গুরু বলে মনে করতো আর তাদের উপদেশকে গুরু বাণী বলে মনে করতো । শিক্ষকরা সেই সুযোগ নিয়েছিল । আমার বাবার মনটাকে বারবার বলে বলে একটা সম্পূর্ণ মানসিকতায় পরিণত করে দিয়েছিল । কারণ, পরে আমার বাবা এ কথাও বলতে শুরু করেছিল, "যারা ভালোছাত্র তারাপরাসুনই করে না । তারা বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় উত্তর লেখে ।" এই সব কিছু বাপুজীনগড় উচ্চ বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক আমার বাবার মাধ্যমে আমার মনের মধ্যে সঞ্চার করেছিল । কিন্তু পরবর্তীতে আমি লক্ষ্য করলাম যে যারা উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ছে, বি,এ বি, কম, এ পড়ছে তারা উত্তরগুলো বারবার পড়ে পড়ে হৃদয়ঙ্গম করতে থাকে, তারা তো একটি প্রশ্নের উত্তর বারবার পড়ে । পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত পড়ে । তাদের তো কেউ কিছু বলতে যায় না । এবার যদি শিক্ষকেরা দেখতে চায় কে কিভাবে বাড়ীতে পড়াশুনো করছে তাহলে তো শিক্ষকদের নাইট ডিউটি লাগাতে হবে । এক এক জন শিক্ষককে প্রতিদিন রাতে লিস্ট অনুসারে কয়েকজন ছাত্রের ছাত্রীর নাম দিতে হবে এবং ওই শিক্ষক ওই ক জন ছাত্রের বাড়ীতে গিয়ে দেখবে তারা কিভাবে পড়ছে, তাদের পড়াশুনো করার ধরন ধারণ ঠিক আছে কিনা, তারা বুঝে বুঝে পড়ছে কিনা । শুধু হাই ইস্কুলের শিক্ষকরাই নয়, একজন প্রাইমারীর শিক্ষক তার উপদেশ দিয়ে, তার কথা দিয়ে, তার ভভিৎসত বাণী দিয়ে কোনো ছোট ছাত্রের মানসিকতা চেঞ্জ করতে পারে । যেমন প্রাইমারীর কোনো শিক্ষক যদি বলে, "তুই তো একদম পড়াশুনো পারিস না, তোকে দিয়ে তো কোনো কাজ হবে না, তুই দুটো বলদ গরু কিনে জমি চাষ করা শুরু করে দে ।" এই কথা শুনে ছোট বাচ্চা মন সত্যি সত্যি পড়াশুনো ছেড়ে, ইস্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়ে জমিতে কাজ করার দিকে মনোনিবেশ করে । বাচ্চা মন খুবই কোমল হয়, ইস্কুলের শিক্ষকরা এরকম কিছু বললে তারা সেটা সত্যি সত্যি মনমধ্যে গ্রহণ করে নেয় এবং তার নতুন জীবন যাত্রা শুরু করে । কোনো ছাত্রের প্রতি কোনো শিক্ষকের ভবিৎসত বাণী তার মনের উপর বিশেষ প্রভাব ফেলে যা শিক্ষকেরাও কল্পনা করতে পারবে না । আশাকরি আগামী দিনে চালাক শিক্ষকেরা ভালো ছাত্রদের পিতা মাতার সাথে গোপনে দেখা করবে এবং সদুপদেশ দিয়ে তাদের কোমল মনকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করবে । চালাকিটা অবশ্যই মাথায় রাখবেন ।
ক্লাস নাইন টেনে প্রচুর জিনিস পড়ে পড়ে মুখস্ত করতে হয় । কেউ যদি পড়াশুনো করে বিষয়গুলো মনে রাখতে পারে, কারো যদি মনে রাখার ক্ষমতা বেশি থাকে তাহলে অন্যের কিসের আপত্তি ? শিক্ষকদের কি কারণে মাথাব্যথা ? কিছু শিক্ষক কেনো এরকম বলে থাকেন, "তোমরা মুখস্ত করবে না, কারণ মুখস্ত বিদ্যার কোনো দাম নেই, তোমরা বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় উত্তর লিখবে ।" এই কথা শোনার পর ক্লাসের খারাপ ছাত্রদের মানে যারা বাড়ীতে পড়াশুনো করে না বা যৌবনের তাড়নায় পড়াশুনো না করে স্বপ্নের জগতে উড়ে বেড়ায় তাদের মনে খুব সাহস জাগে । তারা ভাবে যদি বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় উত্তর লেখা যায় তাহলে কতো ভালো হবে, বাড়ীতে গিয়ে বই পড়তে হবে না । শুয়ে শুয়ে তাও মারতে পারলেই হবে । অন্যদিকে, ভালো ছাত্র যারা পড়াশুনো মনে রাখতে পারে, পড়াশুনো করে তাদের মানসিক শক্তি দুর্বল করে দেওয়ার এই যে কিছু শিক্ষকের গোপন পরিকল্পনা তার পিছনে যুক্তি আছে । যখন কিছু শিক্ষক দেখে যে এই ছাত্র মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করতে পারে তখন তার পিছনে উঠে পরে লাগে যাতে সে কোনো ভাবেই ভালো রেজাল্ট করতে না পারে কারণ মাস্টাররা জানে ছাত্ররা পাস করুক আর ফেল করুক তারা তাদের বেতন পাবেই । আবার কোনো শিক্ষক যদি দেখে অন্য জাতির একটি ছেলে ভালো রেজাল্ট করতে যাচ্ছে তাহলে সে পড়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে তাহলে তো সর্বনাশ হবে । অন্য জাতির ছেলেটা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যাবে তাহলে তো সর্বনাশ ! এই ভাবনার বশবর্তী হয়ে কিছু শিক্ষক ভালো ছাত্রদের পিছনে লাগে । তারা ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে প্রচার চালাতে থাকে যে ও মুখস্ত করে, মুখস্ত বিদ্যার উপর বেশি জোর দেয় আর পরে গিয়ে মুখস্ত বিদ্যার কোনো দাম নেই । কিন্তু যে পড়াশুনো করে বিভিন্ন জিনিস মুখস্ত করবে না তার কি আর পরে যাওয়া হবে ? সে যদি মাধ্যমিকে খুব কম নম্বর পায় তাহলে সে না পারবে সাইন্স নিয়ে পড়ার সুযোগ না পারবে আর্টসের বিষয় আয়ত্ব করতে । পরীক্ষার সময় ইউ নরেশ, বুড়ো নরেশ বিদ্যাধর রাধিকার পাশে বসে কিছুই লিখে দিতে আসবে না । বুড়ো নরেশের পাশে বিদ্যাধর রাধিকা বসে করে গোপন পরিকল্পনা কি করে ভালো ছাত্রদের পড়াশুনো করা থেকে বিবৃত করা যায় । যে ক্লাস নাইন টেনে পড়ে তাকে ইস্কুলের পড়াশুনোর সাথে সাথে বাড়ীতে বসে অনেক কিছু পড়ে পড়ে মুখস্ত করতে হয়, তা ঢিলা প্রকৃতির মাস্টাররা বুঝতে পারে না । অনেক মাস্টারের শরীর মাঝ রাত থেকে ঢিলা হয়ে থাকে, দুর্বল হয়ে থাকে তাই তারা যখন দেখে কোনো ছাত্র বা ছাত্রী পড়াশুনো খুব মনে রাখতে পারে, মুখস্ত করতে পারে তখন তারা তাদের দুর্বল ঢিলা শরীর নিয়ে ভয় পায়, আশ্চর্য হয় । তখন তারা এই উপদেশ দেওয়া শুরু করে যে মুখস্ত করতে অনেক কষ্ট হয় তাই তোমরা অত্যন্ত সাবলীলভাবে ঢিলাঢালা হয়ে পড়াশুনো করবে এবং অলসভাবে নিজের ভাষায় বানিয়ে বানিয়ে উত্তর লিখবে । জীবন বিজ্ঞান, ভৌত বিজ্ঞানে কত সংগা, কত ফর্মুলা, কতো সূত্র হুবহু মুখস্ত করার আছে তা মনে হয় বাংলা ভাষার মাস্টার জানে না । ইতিহাসে বৈদিক যুগে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক জিবন, হরপ্পা মহেঞ্জোদারো, এটিলা গেইসেরিক, অশোক, চন্দ্রগুপ্তের শাসন ব্যবস্থা, মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ, শিবাজী, মারাঠা সাম্রাজ্যের পতনের কারণ, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আন্দোলন, লবণ আইন অমান্য আন্দোলন, এগুলো ইস্কুলের পড়ার সাথে সাথে কতো পড়ে যে মুখস্ত করতে হয় তা অংক মাস্টার বোঝে না । ভূগোলে তিনটি সমুদ্র স্রোত পড়ে মুখস্ত করতে করতে অনেক দিন লেগে যাবে । এক্সট্রা জ্যামিতি সলভ করার পর্যায়ে যেতে হলে জ্যামিতি নিয়ে অনেক পড়াশুনো করতে হবে । সমপদ্য, উপপাদ্য পুরো সলভ করতে পারলে তবেই এক্সট্রা জ্যামিতিতে হাত দেওয়া যাবে এ কথা ইতিহাস মাস্টার জানে না । এই জন্য আমি যদি এগুলো পড়ে পড়ে মুখস্ত করে মনে রাখতে পারি তাহলে শিক্ষকদের এতো আপত্তি কেনো ? আসলে কিছু শিক্ষক চায় ছাত্ররা যেনো সে ভাবে পড়ে যেভাবে পড়তে শিক্ষক বলে দেবে । আর সেটা তো শিক্ষক ক্লাসে পড়ানোর সময়েই বলে দিয়ে থাকে তাহলে কোনো ভালো ছাত্রের বাবার সাথে মাঝে মাঝে দেখা করে এই কথা বলার কি প্রয়োজন, "আপনার ছেলে বেশি নম্বর পায় ঠিকই কিন্তু সে মুখস্ত বিদ্যার উপর বেশি জোর দেয় । মুখস্ত করলে এখন বেশি নম্বর পাবে কিন্তু পরে গিয়ে বি, এ, বি এস সি পড়ার সময় খুব মুশকিল হবে কারণ বি এ, বি এস সি তে এত সিলেবাস যে সেগুলো মাত্র একবার পড়ার সময় পাবে তাই সেগুলো বুঝে বুঝে পড়ে নিজের ভাষায় লিখতে হবে ।" কিন্তু পরে দেখলাম সবাই ঠিক সেভাবে পড়ে যেভাবে আমি ইস্কুলে পড়ার সময় পড়তাম । মাঝখান থেকে আমি যেভাবে পড়তাম সেই পথ ছেড়ে দিয়ে মাস্টারদের পথ ধরেছিলাম যার ফলে অনেক কিছুই পড়ে মুখস্ত করা হয় নি আর যার ফলে অনেক অনেক ক্ষতি হোয়েছে । আমি যদি পড়ে বেশি মনে রাখতে পারি তাহলে শিক্ষকদের প্রবলেম টা কোথায় ? যারা পড়াশুনো করে না, ধোনে তাও দেয়, হস্ত মৈথুন করে দুর্বল হয়ে শুয়ে থাকে তাদের স্বার্থকে উচ্চে তুলে ধরার জন্য শিক্ষকরা এতো উদগ্রীব কেনো ? বাপুজিনগরের শিক্ষকরা আমার পড়া নিয়ে এত উদগ্রীব কেনো ছিল ? কেনো তারা মাঝে মাঝেই আমার বাবার কাছে নালিশ করতো, "আপনার ছেলে মুখস্ত বিদ্যার উপর বেশি জোর দেয়, মুখস্ত বিদ্যার কোনো দাম নেই । " তাহলে মাস্টারদের নাইট ডিউটি লাগানো প্রয়োজন । কোনো ভালো ছাত্র বা খারাপ ছাত্র ইস্কুল ছুটির পর বাড়ীতে গিয়ে কিভাবে পড়াশুনো করছে সেটা দেখার জন্য । প্রত্যেক টিচার সপ্তাহে দু দিন করে নাইট ডিউটি করবে এবং ঘুরে ঘুরে কয়েকজন ছাত্রের বাড়ি গিয়ে চেক করবে তারা কিভাবে পড়াশুনো করছে তাহলে ছাত্রদের পড়ার কৌশলে কোনো ত্রুটি থাকলে সেটা শুধরে দিতে পারবে । আমি যে মুখস্ত বিদ্যার উপর বেশি জোর দিই সেকথা শিক্ষকরা শুধু আমার বাবার কাছেই বলতো না, তারা বিষয়টি অন্য ছাত্রদের বলতো যাতে বেশি রোল নাম্বার ইয়ালা ছাত্ররা মনে খুশি অনুভব করতে পারে । কারণ তোমরা মুখস্ত করবে না, বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় উত্তর লিখবে এই কথা শোনার পর বেশি নম্বরের রোল নাম্বার আলা ছাত্ররা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে । তখন বয়স্ কম ছিল তাই ভাবতাম শিক্ষকরা যা বলছে তাই ঠিক । বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় । কিন্তু পরে যখন অন্য ইস্কুলে ভালো ছাত্রদের পড়াশুনো করতে দেখলাম তখন দেখলাম তারা ঠিক সেভাবেই পড়াশুনো করে যেভাবে আমি করতাম কিন্তু কি জানি শিক্ষকদের বারবার বলার ফলে আমার মনটা যেনো দুর্বল হয়ে গিয়েছিল । আমার মনে রাখার ক্ষমতার সাথে যেনো আমি আপস করে নিয়েছিলাম । সেখান থেকে আমি যেনো আগের মনের স্থানে যেতে পারছিলাম না । মনের মধ্যে যেনো একটা দুর্বলতা ছেয়ে গেছিলো । উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় দেখলাম সব ছাত্ররা তো আমার মতই জোর লাগিয়ে পড়াশুনো করছে আমি যেনো কোনো অভিশাপে অভিশপ্ত হয়ে সেই আগের উদ্দীপনা টাকে আর ফিরে পাচ্ছি না । মনে হয় মাস্টাররা আমাকে বান মেরেছিল । বুড়ো নরেষের পাশে বিদ্যাধর রাধিকা বসে কি যে ষড়যন্ত্র টাই করেছিল । পূর্বে বহে চূর্ণী নদী পশ্চিমে মোর ইস্কুল । বাপুজিনাগার হাই ইস্কুল, বদকুল্লা রেল স্টেশন থেকে হাঁস খালি যাওয়ার পথে ।

উপরের কৌশল আমার ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী হয়েছিল কারণ 13, 14 বছরের কোনো ছাত্রের মনে যদি এই কথা বারবার বলে ঢুকিয়ে দেওয়া যায় যে, "মুখস্ত বিদ্যার কোনো দাম নেই । মুখস্ত করবে না । মুখস্ত করলে হয়তো তুমি এখন বেশি নম্বর পাবে কিন্তু ভবিৎসতে মুখস্ত বিদ্যা কোনো কাজে লাগবে না । তুমি বুঝে বুঝে পড়বে এবং জিনিসগুলো বুঝে সুন্দর করে নিজের ভাষায় লিখবে ।" ক্লাসে ফার্স্ট বয় এবং সেকেন্ড বয়ের মনে যদি এই ধারণার সৃষ্টি করা হয় যে তারা খুব পড়াশুনো করে এখন ভালো মার্কস পাচ্ছে ঠিকই কিন্তু ভবিষ্যতে এই পড়াশুনোর কোনো দাম নেই । যারা এখন বুঝে বুঝে পড়ে নিজের ভাষায় লিখে কম নম্বর পাচ্ছে তারা উপরের ক্লাসে মানে কলেজে গিয়ে বিকশিত হবে । যে সব শিক্ষকের মনে এই ঈর্ষার সৃষ্টি হয়েছে যে ক্লাসের ফাস্ট বয় বা সেকেন্ড বয় ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হলেও হতে পারে তারা অবশ্যই এই কৌশল অবলম্বন করবেন । শিক্ষক হিসেবে আপনার কোনো লস হবে না কারণ আপনি তো আপনার মোটা বেতন চিরদিন পেতেই থাকবেন তাতে কোনো ছাত্র ভালো রেজাল্ট করুক আর খারাপ । কি দারুন । সুতরাং যে ছাত্রের উপর আপনার ঈর্ষা হবে সেই ছাত্রকে আলাদাভাবে ডেকে বলতে হবে, "দেখো, তুমি মুখস্ত বিদ্যার উপর জোর দাও । তুমি যা কিছু মুখস্ত করে লেখো সেই জিনিসগুলো বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় লিখবে । বুঝে বুঝে নিজের ভাষায় লিখে যদি কম নম্বর ও পাওয়া যায় তাহলে সেই কম নম্বর ই হলো আসল ভালো ছাত্রের পরিচয় । তাছাড়া ভালো ছাত্ররা শুধু ইস্কুলের বই নিয়েই ব্যস্ত থাকে না । ভালো ছাত্ররা লাইব্রেরী থেকে গল্পের বই নিয়ে পড়ে, খবরের কাগজ পড়ে, টি ভি তে খবর দেখে ।" এইভাবে যদি ভালো ছাত্ররা কি কি করে সেটা ছাত্রদের মাথায় ভালো করে ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তাহলে খুব সুন্দর হবে । মানে ছাত্রদের মাথায় ঢুকিয়ে দিতে হবে যে ইস্কুলের বই পড়াটাই শেষ কথা নয়, ইস্কুলের পাঠ্য বই পড়ে কিছুই হবে না । ইস্কুলের বই পড়া কম করে দিয়ে পথের পাঁচালী, সমুদ্রের ঢেউ, উত্তরের হওয়া, দক্ষিণের বাতাস, মনের কথা ইত্যাদি ইত্যাদি যে বইগুলো লাইব্রেরীতে পাওয়া যায় সেগুলো যাতে ভালো ছাত্ররা পড়ে তার উপর জোর দিতে হবে । শিক্ষকদের চিন্তার কোনো কারণ নেই কারণ তাদের মোটা বেতন নিশ্চিত । তারা তাদের বেতন পাবেই টা যদি ক্লাসের সব ছাত্রও ফেল করে তাহলেও তারা তাদের বেতন পাবেই । ভালো ছাত্রদের অভিভাবকদের সাথে মাঝে মাঝে দেখা করে তাদের কানে এ কথা ঢুকিয়ে দিতে হবে, "দেখুন শুধু ইস্কুলের পাঠ্য বই পড়ে বেশি নম্বর পেলেই হবে না । ইস্কুলের বই পড়ার সাথে সাথে লাইব্রেরী থেকে গল্পের বই পড়তে হবে যাতে সমাজের অনেক লোকের মনের কথা সে বুঝতে পারে । খবরের কাগজ পড়তে হবে ।"
সৌজন্যে:
To,The HeadmasterBapujinagar High School H.S (Near Badkulla)Badkulla স্টেশন থেকে হাঁসখালি যাওয়ার পথেVia Badkulla Village & Post Office Bapujinagar Post Office Bapujinagar Dist Nadia, Pin 741121West Bengal

A case study about my student life.That day was the unfortunate day in my student life when I was studying in class eight and I completed my half yearly exam and my father said to me, "Your school teacher informed me that you emphasize on memorising power. They informed that you should write the answers in your own language". I felt very bad and it was a break in my perseverance and in my concentration of my study. It was a day to change my inner quality and my selfness. Few teachers remined this message to my father again and again. That time my age was less and considered my teachers all in all. If I can remember my lessons well then what is the problem with others ? But teachers again advocated for their remarks saying that I will not get time to study a thing again and again when I will be studying in BA or Bsc. They told, "A student of BA or Bsc get very less time as the syllabus is very vast and then only own language will do, all students have to write answers in their own language only". I think my teachers were not happy with their teachings in their classes. They wanted to come to my house at night to make me understood the lessons again so that I can write answers in my own words. If bad students cannot remember then it is a good moral support to them. Bad students get very good moral support as they do not study well at home at night or few tell them that scoring more marks does not make you good student. So less scorers will think themselves as good student. But teachers should not have told my fathers this thing again and again. The remarks broke my mind and I was little bit upset and today I can tell my teachers were wrong. I needed to study more in my own way. If my teachers insist on their remarks then it will add extra duty for them, i,e introducing night duty for teachers. A teacher will be detailed for night duty and he will go to a student's house to check how the student is reading books. He will check if the reading procedure, method is correct or not. Teacher can observe the reading habits of books and correct it how the student should read the book. Whether he should read loudly or silently, whether he should read only one time or many times that teacher can check and correct. If a teacher does night duty once in a week for targeted 5 students then the problem will be solved. Main problem is that my school is situated by the side of a small river named Churni. The school was named after village Bapujinagar and thus the name of the school is, "Bapujinagar High School HS". The school had a very big football ground but the area of the ground now has become smaller due to construction of new buildings for class eleven and twelve. The Kadamba tree was cut but flowers of this tree gave very good fragrance and the green leaves glittered during rain. The beauty of the Kadamba tree enchanted me when I was studying in class five. I got very concentration of mind due to beauty of this Kadamba tree. The waves of Churni river moved my mind. The raining over the tree leafs gave me delight. The flood water of Churni river disturbed my mind but I got excitement when I walked through the flood water. The poverty made me disappointed and made me different from others as I did not get pocket money like others during any fare or Durga Puja festival, Kali Puja festival. The childhood passed through poverty though I was richer in the eyes of others. But the concentration was spoiled by my teachers remarks to my father again and again. Today, when I see a under graduate students read a note or theory or answer again and again then I can realize that my teachers were wrong. They should not have met with my father for giving whispering advice for how I study. I belonged from village area, my school was situated in village named Bapujinagar but most of the teachers were dwelling at Badkulla city. Badkulla was just like a city for us, for villagers living in Bapujinagar or at its adjacent villages. Badkulla was famous for the lightning of Durga Puja and may be still famous for same. From Sealdah if you catch Krishnanagar City local then you can get down at Badkulla. From Badkulla railway station, you can get a auto or Toto or man driven van or Rickshaw towards Hanskhali and in between you can get down for Bapujinagar. You can ask a shopkeeper the way to Bapujinagar High School H.S.
On Courtesy
To,The HeadmasterBapujinagar High School H.S (Near Badkulla)(From Badkulla towards Hanskhali)Via Badkulla Village & Post Office Bapujinagar Post Office Bapujinagar Dist Nadia, Pin 741121West Bengal

Want your school to be the top-listed School/college in Badkulla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Bidyut Choudhury, Vill & Post Bapujinagar, Via-Badkulla, Dist-Nadia, PIN
Badkulla
741121