09/07/2025
ইনি হচ্ছেন সুখময় মজুমদার।
এনার সাথে কথা বলে যতটুকু বুঝলাম,,
কাজলা প্রাইমারি স্কুল এবং কাজলা হাই স্কুল সংলগ্ন যে সমস্ত গাছ রয়েছে Xmas 🎄,দেবদারু, আরো ভিন্ন প্রজাতির গাছ , এগুলো সবই ইনি লাগিয়েছিলেন(বহুলাংশে স্বপ্রচেষ্টাতে)।
বিশেষ উল্লেখ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশে একটা ছাতিম গাছ রয়েছে।
তার সাথে কথোপকথনে জানতে পারি এই গাছটি ও তিনিই লাগিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গক্রমে তিনি একটা গল্প বলেছিলেন, যে তিনি সরকারি কর্মচারী হওয়াতে, অল বেঙ্গল টু্রের একটা সুযোগ পেয়েছিলেন।।
সেই সূত্রেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শান্তিনিকেতনে' ঘুরতে গিয়েছিলেন,, সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন,, একটা পথের পাশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটা ছাতিম গাছের তলায় বসে একটা কবিতা লিখেছিলেন, যখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার গাড়োয়ানকে সঙ্গে করে কোন এক জায়গাতে গমন করছিলেন।
এবং সেই কারণেই মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তির পাশে একটা ছাতিম গাছ বসানোর যে ইচ্ছাটা, সেটা তিনি পরিপূর্ণ করেছিলেন।
অবশ্যই এই সকল কাজ দেখে বোঝা যাচ্ছে যে তিনি কতটা প্রকৃতিপ্রেমী এবং কতটা নিজেকে সামাজিক কাজে উৎসর্গকৃত করেছেন।
**বিশেষ উল্লেখ্য তার পুত্র, স্বর্গীয় মিঠুন মজুমদারের স্মৃতিতে তিনি বার্ষিক ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকেন।
~সেসব কারণে আমার মনে হল একটা পোস্ট করা উচিত এনাকে নিয়ে,, তাই মূলত।।