VIDYA MANDIR
ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য
বিষয় - বাংলা
তথ্য সংগ্রহ - তুলসী প্রকাশনী
মাটির ঘরে দেয়ালচিত্র। লেখক- তপন কর
১. সঠিক উত্তর নির্বাচন করো: প্রশ্নের মান-১
(ক) দেয়ালচিত্র এঁকে থাকেন সাধারণত- পুরুষেরাই/শিল্পীরাই/মেয়েরাই।
(খ) পুরুলিয়াকে চলতি ভাষায় বলে-পুরুল্যা/পুরুলে/পুরুলি।
(গ) দেয়ালচিত্র চর্চার পীঠস্থান হল সাবেক-মেদিনীপুর জেলা/মানভূম জেলা/ চব্বিশ পরগনা জেলা।
(ঘ) দেয়ালচিত্র অঙ্কনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রসর হল-হো/খেড়িয়া/সাঁওতাল।
(ঙ) সাধারণত গৈরিক বর্ণের মৃত্তিকায় কী চুবিয়ে ঘরের দরজার শীর্ষে ও দুই পাশে ছাপ দেওয়া হয়?-লিচু/আম/গিরিফল।
(চ) 'অলক্ষ্মী বিদায়' প্রথা পালন করা হয়-আশ্বিন মাসের পূর্ণিমায়/কার্তিক মাসের অমাবস্যায়/আশ্বিন মাসের অমাবস্যায়।
(ছ) পদ্মের পাশাপাশি যে চিত্রটি বিশেষ গুরুত্ব পায় তা হল-পাতা/মোরগঝুঁটি/সাপ।
উত্তর: (ক) মেয়েরাই, (খ) পুরুল্যা, (গ) মানভূম জেলা, (ঘ) সাঁওতাল, (ঙ) গিরিফল, (চ) কার্তিক মাসের অমাবস্যায়, (ছ) মোরগঝুঁটি।
২. অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন: প্রশ্নের মান-১
(ক) দেয়ালচিত্র রচনার ক্ষেত্রে কারা অগ্রসর? তারা ছাড়া আর কাদের জীবনচর্চার দেয়ালচিত্র দেখা যায়?
(খ) দেয়ালচিত্রের প্রধান উপকরণ কী?
(গ) সাধারণত কোন্ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেয়ালচিত্র আঁকা হয়?
(ঘ) 'এই তিথিতেই রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী সমাজের প্রাচীন উৎসব গো-বন্দনা, অলক্ষ্মী বিদায়, কাঁড়াখুটা, গোরুখুঁটা প্রভৃতি পালিত হয়।'-কোন্ তিথির কথা বলা হয়েছে?
(ঙ) ভূমিজ ও কুর্মিদের দেয়ালচিত্রের সাধারণ লক্ষণ কী?
(চ) 'এটি খুবই জনপ্রিয় এবং বিশেষত্বপূর্ণ।'- কোন্ বিষয়ের কথা বলা হয়েছে?
(ছ) নিকানো দেয়ালে কী দিয়ে নাতা দেওয়া হয়?
(জ) 'দুধেমাটি'র দেয়ালে কীভাবে ছবি আঁকা হয়?
(ক) 'সেই জেলাকে কেন্দ্র করে একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে লোকসমাজে দেয়ালে ছবি আঁকার চল আছে।'-কোন্ জেলার কথা বলা হয়েছে? সেই জেলা ছাড়াও অন্য কোন্ কোন্ জেলায় দেয়ালচিত্র দেখা যায়?
(খ) কোন্ কোন্ জনজাতির মধ্যে দেয়ালচিত্র আঁকার চল আছে? এদের মধ্যে কারা বেশি অগ্রসর?
(গ) মোরগঝুঁটি চালচিত্রের ধারে ধারে সারিবদ্ধ কীসের নকশা আঁকা থাকে? তাঁর ফাঁকে ফাঁকে আবার কী আঁকা হয়?
৪. বোধমূলক প্রশ্ন (কমবেশি ছয়টি বাক্যে): প্রশ্নের মান-৩
*(ক) দেয়ালচিত্র সাধারণত কারা আঁকে? তাদের আঁকার বিষয়, উপাদান ও প্রয়োজনীয় সময় সম্পর্কে লেখক কী বলেছেন?
★★(খ) 'এই দুই উৎসবকালকে উপলক্ষ করে দেয়ালচিত্রগুলি রচিত হয়।'-কোন্ দুই উৎসবের কথা এখানে বলা হয়েছে? এই দেয়ালচিত্রের সাধারণ বৈশিষ্ট্য কী? কোন্ প্রথা বাংলা কৃষিজীবী সমাজে প্রায় সর্বত্রই দেখা যায়?
★(গ) কালীপুজোয় রাঢ়বঙ্গে কৃষিজীবী সমাজে কোন্ প্রথার পরিচয় পাওয়া যায়? এই সময় ঘরবাড়িকে কীভাবে সুসজ্জিত করা হয়?
৫. রচনাধর্মী প্রশ্ন (কমবেশি দশটি বাক্যে):
প্রশ্নের মান-৫
★★(ক) কৃষিজীবী রাঢ়বঙ্গে গৃহনির্মাণের প্রধান উপকরণ কী? আদিবাসী সমাজে মাটির দেয়াল কীভাবে সাজিয়ে তোলা হয় তার বিবরণ দাও।
★★(খ) সাঁওতাল দেয়ালচিত্রের অঙ্কন পদ্ধতি সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করো।
পাঠ্যাংশের ব্যাকরণ
১. নীচের শব্দগুলোর বিপরীত অর্থ লেখো:
উন্নত, সুলভ, শীর্ষে, বিস্তৃত, উদীয়মান।
২. পদ পরিবর্তন করো :
নির্বাচন, সংগ্রহ, সমাজ, আশ্রিত, বিস্তৃত, বিচিত্র, বিকশিত, সমাবেশ।
VIDYA Mandir
শিক্ষা
বাসকঃ
বাসক একটি ভারত উপমহাদেশীয় ভেষজউদ্ভিদ। আর্দ্র, সমতলভূমিতে এটি বেশী জন্মে। লোকালয়ের কাছেই জন্মে বেশী। হালকা হলুদে রংয়ের ডালপালায়ক্ত ১ থেকে ২ মি. উঁচু গাছ, ঋতুভেদে সর্ব্বদাই প্রায় সবুজ থাকে।
বাসকের প্রয়োগঃ
বাসক পাতার রস ১-২ চামচ হাফ থেকে এক চামচ মধুসহ খেলে শিশুর সদির্কাশি উপকার পাওয়া যায়।
বাসক পাতার রস স্নানের আধ ঘন্টা আগে মাথায় কয়েকদিন মাখলে উকুন মরে যায়। আমবাত ও ব্রণশোথে (ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থা) বাসক পাতা বেটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।
যদি বুকে কফ জমে থাকে এবং তার জন্যে শ্বাসকষ্ট হলে বা কাশি হলে বাসক পাতার রস ১-২ চামচ এবং কন্টিকারীরস ১-২ চামচ, ১ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।
প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রনা থাকলে বাসকের ফুল বেটে ২-৩ চামচ মিছরি ১-২ চামচ সরবত করে খেলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।
জ্বর হলে বা অল্প জ্বর থাকলে বাসকের মূল ৫-১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে ১০০ মিলি লিটার জলে ফোটাতে হবে।
২৫ মিলি লিটার থাকতে নামিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে দিনে ২ বার করে খেলে জ্বর এবং কাশি দুইই চলে যায়।
বাসকের কচিপাতা ১০-১২ টি এক টুকরো হলুদ একসঙ্গে বেটে দাদ বা চুলকানিতে লাগলে কয়েকদিনের মধ্যে তা সেরে যায়।
বাসকপাতা বা ফুলের রস ১-২ চামচ মধু বা চিনি ১চামচসহ প্রতিদিন খেলে জন্ডিস রেগে উপকার পাওয়া যায়।
পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে বাসক পাতা ২০ টি থেঁতো করে ২ কাপ জলে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।
বাসকের ভেষজ দাওয়াইঃ
* শিশুর পেটে কৃমি থাকলে বাসকের ছালের ক্বাথ খাওয়ালে এর উগ্র তিক্ত স্বাদের কারণে কৃমি বের হয়ে যায়।
যাদের হাঁপানির টান আছে তারা বাসক পাতা শুকনো করে, ওই পাতা বিড়ি বা চুরুটের মতো পাকিয়ে এর সাহায্যে ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়।
যাদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তারা বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে।
বাসকপাতার রস ও শঙ্খচূর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রং ফরসা হবে।
এক কলসি পানিতে তিন-চারটি বাসকপাতা ফেলে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর সেই পানি বিশুদ্ধ হয়ে যায়। এরপর ব্যবহার করতে পারেন।
পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি রোগ দূর হয়ে যায়।
বাসক পাতার রস মাথায় লাগালের উকুন চলে যায়।
বাসক পাতা বা ফুলের রস এক বা দুই চামচ মধু বা চিনি দিয়ে খেলে জন্ডিস ভালো হয়।
শরীরে দাদ থাকলে বাসক পাতার রস লাগালে ভালো হয়ে যায়।
নিমঃ
নিম একটি ঔষধি গাছ, বৈজ্ঞানিক নাম (AZADIRACHTA INDICA)। এটি একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। নিম গাছের পাতা, ফল, ছাল বা বাকল, নিমের তেল,বীজ। এক কথায় নিমের সমস্ত অংশ ব্যবহার করা যায়।
ঔষধি গুণাগনঃ
বিশ্বব্যাপী নিম গাছ, গাছের পাতা, শিকড়, নিম ফল ও বাকল ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে পরিচিত। বর্তমান বিশ্বে নিমের কদর তা কিন্তু এর অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যহারের জন্য। নিম ছত্রাকনাশক হিসেবে, ব্যাকটেরিয়া রোধক হিসেবে ভাইরাসরোধক হিসেবে, কীট-পতঙ্গ বিনাশে চ্যাগাস রোধ নিয়ন্ত্রণে, ম্যালেরিয়া নিরাময়ে,দন্ত চিকিতসায় ব্যাথামুক্তি ও জ্বর কমাতে, জন্ম নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়।
ব্যবহারঃ
কফজনিত বুকের ব্যথাঃ অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রশ সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিতে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী,শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ ঔষধটি নিষেধ।
কৃমিঃ পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য পানি গরমসহ খেতে হবে।
উকুন নাশঃ নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘন্টা খানেক ধরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।
অজীর্ণঃ অনেকদিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল- বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।
খোস পাচড়াঃ নিম পাতা সিদ্ধ করে পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।
পোকা-মাকড়ের কামড়ঃ পোকা মাকড় কামল দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।
দাতের রোগঃ নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের চাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবে রোগ থেকে।
জন্ম নিয়ন্ত্রণে নিমঃ নিম তেলা একটি শক্তিশালী শ্রক্রানুনাশক হিসেবে কাজ করে। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, নিম তেল মহিলাদের জন্য নতুন ধরনের কার্যকরী গর্ভনিরোধক হতে পারে। এটি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই শুক্রানু মেরে ফেলতে সক্ষম।
মুখের দাগ দূর করতেঃ মুখের দাগ দূর করার সব থেকে ভাল ওষুধ হল নিম৷ মুখে ব্রনের সমস্যায় ভুগছেন? চিন্তা করার দরকার নেই৷ নিম পাতার প্যাক মেখেই আপনি এর থেকে পরিত্রান পেতে পারেন৷ কি করে তৈরি করবেন এই প্যাকটা চলুন জেনে নিই৷ চার পাঁচটা নিম পাতা ভাল করে ধুয়ে মিক্সিতে পিষে নিন৷ এর মধ্যে এক চামচ মূলতানি মাটি, অল্প গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন৷
কলার বিভিন্ন পুষ্টিগুন
কলা খেতে যেমন সুস্বাদু৷ তেমন এর প্রচুর গুণ রয়েছে৷ চিকিত্সকরা বলেন প্রতিদিন যদি একটা করে কলা খাওয়া যায় তাহলে শরীরে সব ভিটামিনের অভাব দূর হয়৷ সকালে উঠার পর দুটো কলা খেয়ে যদি এক গ্লাস গরম দুধ খাওয়া যায় তাহলে শরীরে কোন ক্লান্তি থাকবে না৷ শক্তি বাড়ার সঙ্গে এনার্জীও বাড়বে৷
অপরদিকে খাওয়ার পরে যদি প্রতিদিন একটা করে কলা খেতে পারেন তাহলে খাওয়ারটা খুব তাড়াতাড়ি হজম হযে যাবে৷ এর সঙ্গে শরীরের শক্তিও বৃদ্ধি পাবে৷ এক গ্লাস দুধের মধ্যে এক চামচ ঘি, এক চুটকী এলাচ গুড়ো মিশিয়ে ঐ দুধের সঙ্গে একটা কলা খান৷ এতে মোটা হতে পারবেন৷ এর সঙ্গে পুরুষদের শুক্রানু বৃদ্ধি পাবে এবং মেধা বাড়বে৷
হাপানি কমায় কলা: একটা পাকা কলার চোকলা সমেত সেকে নিন৷ এরপরে এর চোকলা ছাড়িয়ে কলা টুকরো করে নিন৷ এর মধ্যে 15 টা গোলমরিচ পিষে এর মধ্যে ভরে দিন৷ গরম গরমই হাপানী রোগীদের ঐ কলাটা খাওয়ান৷ এতে শ্বাস কষ্ট অনেকটা কমে যাবে৷
কাশি: একটা পাকা কলা আটটা ছোট ছোট টুকরো করে নিন৷ এর মধ্যে গোল মরিচ ভরুন৷ এরপরে পুণরায় চোকলা লাগিয়ে খোলা স্থানে রেখে দিন৷ শৌচালয়ে যাওয়ার আগে কলা থেকে গোলমরিচটা বার করে খান৷ কলাটাও খেয়ে নিন৷ এই প্রক্রিয়া যদি কিছুদিন চালাতে পারেন তাহলে কাশি কমে যাবে৷
কলার বিভিন্ন পুষ্টিগুন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান নিম্নে বর্ননা করা হলো:
১. কলা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল।
২. এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণের সমন্বয় রয়েছে।
৩. কলায় শর্করা, সামান্য আমিষ, কিঞ্চিত ফ্যাট, পর্যাপ্ত খনিজ লবণ ও যথেষ্ট আঁশ আছে। খনিজ লবনের মধ্য আছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ।
৪. কলায় ভিটামিন এ, বি ও কিছু ভিটামিন-সি আছে।
৫. একটি কলা প্রায় ১০০ক্যালরি শক্তির জোগান দেয়।
৬. কলায় আছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা, যা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে ক্লান্তি দুর করতে সহায়ক।
৭. কলা হজমে সাহায্য করে।
৮.অ্যাসিডিটি বা গ্রাস্টিক আলসারের রোগীরা কলা খেতে পারেন উপকারী ভেবে।
৯. পাকা নরম কলা অ্যাসিডিটি নিরাময়ে সক্ষম।
১০. পাকস্থলীর আবরনীতে নরম কলার প্রলেপ আলসারের অস্বস্তি ওকমায়।
১১. অ্যাসিডিটির জন্য বুক জ্বালা কমাতেও কলা সহায়ক।
১২. কলা যেমন কোষ্টকাঠিন্য দুর করে,তেমনি পাতলা পায়খানাও উপকারী।
১৩. বাতের ব্যথার জন্য কলা উপকারী।
১৪. কলা লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরীতে কাজে লাগে। কলা তাই রক্তশূন্যতায় ও উপকারী।
১৫. সবশেষে কলা রক্তচাপ কমাতে সহায়ক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে ও কার্যক
VIDYA MANDIR
ADMISSION-OPEN
26/10/2017
13/09/2017
jit and KRISHNA
10/09/2017
Bhlababa
Happy birthday
20/06/2017
17/06/2017
my son
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
আসানসোল
Asansol