02/05/2022
আসানসোলের ইস্টার্ন রেলওয়ে হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুল এবং প্রাইমারি স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে আজ ডিআরএম অফিস বিক্ষোভ প্রদর্শন করলো অল বেঙ্গল সেভ এডুকেশন কমিটি, আসানসোল শাখা। কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দল ডিআরএম অফিসে স্মারকলিপি প্রদান করেন। কমিটির সম্পাদক শঙ্খ কর্মকার বলেন যে অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ছলে বলে কৌশলে এমন ঐতিহ্যপূর্ণ স্কুলকে চোখের সামনে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, এ মেনে নেওয়া যায় না। এই সিদ্ধান্ত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এর সার্বিক প্রতিফলন। আজ দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা এবং তার বেসরকারিকরণ করা যেন রেওয়াজে পরিণত হয়ে চলেছে। এই শিক্ষাবিরোধী সর্বনাশা নীতি অবিলম্বে রুখতে সমস্ত স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
01/05/2022
আগামী ২রা মে সোমবার- সেভ এডুকেশন কমিটি, আসানসোলের পক্ষ থেকে স্কুলের ছাত্র
-ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকদেরকে নিয়ে DRM এর কাছে বিক্ষোভ দেখানো হবে।
সারা বাংলা সেভ এডুকেশন কমিটি এর সম্পাদক- মাননীয় অধ্যাপক তরুণকান্তি নস্কর বলেন-
"রেলবোর্ডের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ২০ এপ্রিল আসানসোলের 'ইস্টার্ন রেলওয়ে হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল' বন্ধের নোটিশ দিয়েছে এবং বর্তমানে যে পড়ুয়ারা দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছে তাদেরকে অন্যকোন স্কুলে ভর্তি হতে বলেছে। এছাড়া ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতেও ভর্তি বন্ধ করতে বলেছে। নোটিশে অভিভাবকরা যদি কোন পছন্দের স্কুলে ভর্তি হতে চায় তাতে রেল-স্কুল কর্তৃপক্ষ সাহায্য করার কথা বলেছে। এমনকি 'ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশানাল' নামে এক বেসরকারি স্কুলে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। উল্লেখ্য, ২৭/১/২১ তারিখের ইস্টার্ন রেলের জেনারেল ম্যানেজারের নোটিশে কেবলমাত্র 'এন্ট্রিস্তরে' ভর্তি বন্ধ করতে বলা হয়েছিল অথচ আসানসোলের স্কুলটি কেবল ভর্তি বন্ধ করছে না, ২-৮ শ্রেণি পর্যন্ত যারা পড়ছে তাদেরকে অন্য বেসরকারি স্কুলে ভর্তি হতে বলছে। অর্থাৎ পরের শিক্ষাবর্ষে বর্তমান পড়ুয়াদের দায়িত্বও নিতে চাইছে না।
কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঘোষণা কেবল শিক্ষার সংকোচন করবে না, শিক্ষার বেসরকারিকরণের রাস্তাকে আরও সুগম করবে। এই ঘোষণা জাতীয় শিক্ষানীতিতে বেসরকারিকরণের যে খুল্লাম-খুল্লা ব্যবস্থা করা হয়েছে তারই অনুসারী। আমরা এই ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করছে এবং অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার দাবি করছি।"
সেভ এডুকেশন কমিটি এর আসানসোল শাখা সবাই কে আহ্বান জানায়ে এই কর্মসূচি তে অংশগ্রহণ করবার জন্য...
14/02/2022
দীর্ঘ আন্দোলনের জয়...
অবশেষে বুধবার ১৬ই ফেব্রুয়ারী থেকে খুলছে সব স্কুল। প্রথম থেকে সপ্তম পর্যন্ত।
অল বেঙ্গল সেভ এডুকেশন কমিটি, আসানসোল সকলকে জানায় সংগ্রামী অভিনন্দন...
বুধবার থেকে রাজ্যে খুলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল
করোনা বিধি মেনে প্রাথমিক স্কুল খোলার নির্দেশ রাজ্য সরকারের আপাতত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে করোনার বিধিন.....
07/02/2022
'পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়' - এর প্রহশন নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত শিশু-কিশোরদের জন্যও স্কুল খুলতে হবে। এই দাবীতে আজ
৭ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার), বেলা ৩টা থেকে আসানসোল কোর্টের ঘড়ির কাছে পথসভা ও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ ও মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়। উৎসাহের সাথে সকলে এই কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন।
06/02/2022
'পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়' - এর প্রহশন নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত শিশু-কিশোরদের জন্যও স্কুল খুলতে হবে। এই দাবীতে আগামীকাল
৭ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার), বেলা ৩টা থেকে আসানসোল কোর্টের ঘড়ির কাছে পথসভা ও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এই কর্মসূচিতে আপনারা উপস্থিত থাকবেন এই আশা রাখি।
--
All Bengal Save Education Committee, Asansol
31/01/2022
ভারতে প্রায় ৮২ সপ্তাহ বন্ধ রয়েছে স্কুল। মানে সব মিলিয়ে প্রায় ৫৭৪ দিন । বলিভিয়া এবং নেপালেও প্রায় সম সংখ্যক দিন। তবে ভারতের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে উগান্ডা। সেখানে ৮৩ সপ্তাহ বন্ধ করে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় স্কুলের কাজ।
UNICEF-এর তরফে এই তালিকা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, অতিমারিতে যেমন সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে যেমন দুশ্চিন্তা রয়েছে, তেমনই দীর্ঘ দিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকার ফলে শিশুদের শিক্ষার হালও মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা তিনটি বিষয়ের কথা বলছেন এখানে:
¤ যে সব জায়গায় সংক্রমণের হার কমেছে, সে সব জায়গায় এবার স্কুল খুলে দেওয়া উচিত। না হলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে। শুধু শিক্ষার সমস্যা নয়, সামাজিক মেলামেশা থেকে শুরু করে মানসিক বিকাশ— সবেতেই স্কুলের ভূমিকা রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখে স্কুল খুলে দেওয়া উচিত এবার।
¤ যেহেতু সব কিছুই খুলে গিয়েছে, তাই শিশুদের পরিবারের মানুষ নিয়মিত বাইরে যাতায়াত করছেন। ফলে শিশুদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা সেখান থেকেও রয়েছে। তাহলে শুধুমাত্রা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হচ্ছে কেন? তাতে আলাদা করে লাভের সম্ভাবনা কম।
¤ বহু গরিব ছাত্রছাত্রীরই ডিজিটাল মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণের সামর্থ্য নেই। তাদের কথাও এই সময়ে ভাবতে হবে। ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুলে খুলে দিলেই ভালো।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস ২৯ জানুয়ারি ২০২২
27/01/2022
আজ 27 শে জানুয়ারি অল বেঙ্গল সেভ এডুকেশন কমিটি, আসানসোল শাখার পক্ষ থেকে বি, এন, আর, মোড়ে এক অভিনব অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রাথমিক স্তর থেকে সমস্ত স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং পঠন-পাঠন অবিলম্বে চালু করা এবং জাতীয় শিক্ষানীতি 2020 বাতিলের দাবিতে ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মানুষজনদের সম্মিলিত উপস্থিতিতে আজকের কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
অবস্থান স্থলে দাবি সম্বলিত পোস্টার লেখনের কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন উপস্থিত শিক্ষক এবং ছাত্ররা।
24/01/2022
আসুন... শিক্ষা কে ধ্বংস হওয়া থেকে বাঁচাতে... সভ্যতার ভবিষ্যতের রক্ষার্থে...
08/01/2022
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিলের দাবিতে আসানসোলের নাগরিক কনভেনশনে যোগদান করতে নাম নথিভুক্ত করুন এই লিঙ্ক এ-
https://forms.gle/uZynAANgvwSvpu2L6
07/01/2022
শিক্ষার মর্মবস্তু ধ্বংসকারী সার্বজনীন, ধর্মনিরপেক্ষ, বৈজ্ঞানিক শিক্ষার পরিপন্থী জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিলের দাবিতে নাগরিক কনভেনশন সফল করুন।
১৬ জানুয়ারি, ২০২২
সময় বিকেল ৪ টে
মাধ্যম গুগল মিট
বন্ধু,
আপনারা জানেন, শিক্ষাবিদ সহ শিক্ষার সাথে যুক্ত মানুষ জনের মতামতকে উপেক্ষা করে অতিমারীর মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রণয়ন করেছে। এই শিক্ষানীতি শিক্ষার মূল সারবত্তাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার একটি পরিকল্পিত অস্ত্র। স্বাধীনোত্তর ভারতে শিক্ষাকে সংকুচিত করে, শিক্ষার স্বাধিকারকে বিনিষ্ট করার একাধিক প্রচেষ্টা হয়েছে। কিন্ত এই শিক্ষানীতি দেশের শিক্ষাকে পুরোপুরি ব্যবসার পণ্যে পরিণত করে নবজাগরণের মনীষীদের সার্বজনীন শিক্ষার স্বপ্নকে নস্যাৎ করার লক্ষ্যে রচিত হয়েছে। ঐতিহ্যমণ্ডিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তত্বাবধানে একের পর এক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে অবৈজ্ঞানিক, ধর্মীয় অন্ধতার প্রসার ক্রমাগত হয়ে চলেছে। অনলাইন শিক্ষা কর্পোরেটদের পক্ষে আজ এক বিরাট ব্যবসায় পরিণত হয়েছে শুধু তাই নয়, শিক্ষার প্রাণসত্তার মূলে কুঠারাঘাত করে চলেছে। খণ্ডিত, যান্ত্রিক কিছু তথ্য সঞ্চয় কখনো শিক্ষার উদ্দেশ্য হতে পারে না।
শিক্ষা-শিক্ষক- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর এত বড় আঘাত অতীতে আসেনি, যদিও তার বীজ বপন করা হয়েছিল আগেই।
আমরা শঙ্কিত এবং একই সাথে উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, সামাজিক বিকাশের অন্তরায় এই শিক্ষানীতি, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম-র সত্যানুসন্ধানের প্রচেষ্টায় এক বড় বাধা। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে আমাদেরই, সাধারণ মানুষ কে। তাই, জনবিরোধী এই জাতীয় শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে আমরা আসানসোলে একটি নাগরিক কনভেনশন আহবান করছি। আসানসোলের সকল ছাত্র-শিক্ষক- অভিভাবক তথা শিক্ষানুরাগী মানুষ জনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, আসুন, এই মহতী কনভেনশনে অংশগ্রহণ করি। শিক্ষার উপর আক্রমণের এই ঘৃণ্য নীল নকশাকে আমরা আরো ভালো করে বুঝতে ও অন্যকে বোঝাতে এই সম্মেলনকে সফল করি এবং দেশ ব্যাপী গড়ে ওঠা শিক্ষা আন্দোলনের শরিক হই।
ধন্যবাদান্তে,
অল বেঙ্গল সেভ এডুকেশন (প্রস্তুতি) কমিটি, আসানসোল এর পক্ষে,
দেবদাস মাজি (শিক্ষক)
শিপ্রা চ্যাটার্জি (অধ্যাপিকা)
অর্পিতা রায় (শিক্ষিকা)
অর্পিতা চক্রবর্তী (অধ্যাপিকা)
প্রবীর দেওঘরিয়া (অভিভাবক)
অজন্তা চার (অভিভাবক)
মীরা গড়াই ( শিক্ষিকা)
প্রতীক পাঠক (বিজ্ঞানকর্মী)
রিয়া ভাণ্ডারী (ছাত্রী)
অভিজিৎ কুম্ভকার (ছাত্র)
শঙ্খ কর্মকার (বিজ্ঞানকর্মী)
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিলের দাবিতে আসানসোলের নাগরিক কনভেনশনে যোগদান করতে নাম নথিভুক্ত করুন এই লিঙ্ক এ-
https://forms.gle/uZynAANgvwSvpu2L6