Alipurduar B.Ed Training college

Alipurduar B.Ed Training college Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alipurduar B.Ed Training college, Education, College Road, Alipurduar.

15/11/2016

Sunci b.ed abar 1 yr hbe....if anyone know about it..plz share with us...

16/09/2016

★সমাস চেনার সহজ উপায়ঃ-
স্কুলে যখন ‘সমাস ‘ পড়ানো হত, তখন
স্যারেরা একটু দুষ্টুমী করেই বলতেন
‘সমাস ‘ শিখতে নাকি ছয় মাস লাগে।
যদিও কথাটি দুষ্টামীর ছলে বলা কিন্তু
কথাটি একটু বেশিই সত্যিই। ৬ মাস তো
দূরে থাক ৬ বছরেও শিখা হলো না
কোনটা কোন সমাস।
★ দ্বিগু সমাসঃ-
দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন
জানেন? আচ্ছা, দ্বিগু শব্দের “দ্বি ”
মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে “দ্বি ” আছে
না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি
ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি
সংখ্যা। তাহলে যে শব্দে সংখ্যা
প্রকাশ পাবে এখন থেকে সেটাকেই
“দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন
পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস?
আচ্ছা শতাব্দী মানে হল শত অব্দের
সমাহার। অর্থাৎ প্রথমেই আছে “শত ”
মানে একশ, যা একটি সংখ্যা। সুতরাং
এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে ত্রিপদী
( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস।
কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩)
আছে। এবার যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে
দ্বিগু সমাসের যত উদাহরন আছে সব এই
সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে নিন।
★কর্মধারয়ঃ-
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি
আসে পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয়
সমাসে “যে /যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো
থাকবেই। যেমন: চালাকচতুর – এটি কোন
সমাস? চালাকচতুর মানে ‘যে চালাক
সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি
আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে
কর্মধারয় সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪
প্রকার থেকেই প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই
আসুম মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চিনি।
নামটা খেয়াল করুন, মধ্যপদলোপী।
মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের পদটা
লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ
করে বললে হয়, যেখানে মাঝখানের
পদটা চলে যায় সেটিই মধ্যপদলোপী
কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ সিংহাসন -
কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন
এখানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘
বাক্যটি থেকে মাঝখানের “চিহ্নিত ”
শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ
“চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয়
“সিংহাসন “। যেহেতু মধ্যপদলোপ
পেয়েছে, অতএব এটি মধ্যপদলোপী
কর্মধারয় সমাস।
উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে
চিনবেন জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা
করা যায় তবে সেটি হবে উপমান
কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র – কোন
সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায়
অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন
“তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র
মানে সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা।
তাহলে তো এটি তুলনা করা যায়।
অতএব এটি উপমান কর্মধারয়। একইভাবে
“কাজলকালো “এটিও উপমান কর্মধারয়
সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো
কালো রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা
করা যাচ্ছে। অতএব এটি উপমান
কর্মধারয়।
এটি অন্যভাবে ও মনে রাখা যায়।
উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন
তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল
Noun, আর শুভ্র মানে সাদা হল Adjective।
কাজলকালো শব্দটির কাজল হল Noun,
এবং কালো হল Adjective। অতএব Noun +
Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা
করা যাবে না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন
ছিল :সিংহপুরুষ – কোন সমাসের
উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি। সিংহপুরুষ
মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি
কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো
সিংহ হতে পারে? একটা মানুষ আর
অন্যটা জন্তু, কেউ কারো মত হতে
পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে
না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা
যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয়
সমাস। চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস?
খেয়াল করুন মুখ কি কখনো চাঁদের মত
হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো মুখের মত
হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত
হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা
যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা
করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত
কর্মধারয় সমাস।
এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়।
উপমিত মানে Noun+ Noun. যেমন -
পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও সিংহ দুটোই
Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun। একইভাবে
চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun ।
অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+
Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস
বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও
খুব সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক
কর্মধারয়। যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি
কোন সমাস? বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ
করলে হয় “বিষাদ রুপ সিন্ধু “। যেহেতু
এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব এটি রুপক
কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -
মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল,
এগুলো ও রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ
কথাটা আছে।
বাংলা ব্যাকরণ এর নিয়মানুসারে
ব্যাকরণ বুঝতে গেলে বিসিএস বা অন্য
কোন চাকরির জন্য আর প্রস্তুতি
নেয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে।
কারণ বইতে যে ভাষায় ব্যাখ্যা করা
আছে তা বুঝা আর এভারেস্ট জয় করা
সমান কথা। তাই চেষ্টা করলাম সহজ
ভাষায় উপস্থাপন করতে। সমাসের
বাকি অংশটুকু আগামী পর্বে দেওয়া
হবে।
সৌজন্যেঃ গুগোল দাদা(তথ্যভাণ্ডার)

14/08/2016

All of us do not have equal talent. But , all of us have an equal opportunity to develop our talents. by A.P.J Abdul Kalam

28/06/2016

শিক্ষক নিয়োগে বাধ্যতামূলক বি-এড,
কিন্তু একী হাল রাজ্যের কলেজগুলির!
★BURDWAN UNIVERSITY (Burdwan):
☞B.Ed College- 103,
☞Total Seats - 9700,
☞Form Fill Up- 4800,
☞Last Date -04.05.16
★WEST BENGAL UNIVERSITY OF TEACHER'S
TRAINING, EDUCATIONAL PLANNING &
ADMINISTRATION (Kolkata):
☞B.Ed College- 166,
☞Total Seats- 15000,
☞Form Fill Up- 4400,
☞Last Date- 23.05.16
★VIDYASAGAR UNIVERSITY (Mednipur):
☞B.Ed College- 53,
☞Total Seats- 4200,
☞Form Fill Up- 3046,
☞Last Date- 22.05.16,
★GOURBANGA UNIVERSITY:
☞B.Ed College- 39,
☞Total Seats- 3400,
☞Form Fill Up- 2000,
☞Last Date- 16.06.16
★NORTH BENGAL UNIVERSITY (Darjeeling):
☞B.Ed College- 09,
☞Total Seats- 750,
☞Form Fill Up- 425,
☞Last Date- 18.05.16
★SIDHO KANHO BIRSHA UNIVERSITY (Purulia):
☞B.Ed College- 08,
☞Total Seats- 700,
☞Form Fill Up- 350,
☞Last Date- 31.03.16
Like our FB Page ☞
Bachelor of Education - B.Ed
বিএড কোর্সের করুণ দশা এ রাজ্যে।
রাজ্যে এত সরকারি কলেজ এবং এত
ফাঁকা আসন থাকা সত্ত্বেও বিএড পড়ার
জন্য পঞ্চাশ শতাংশ আবেদনই এবার জমা
পড়ল না। একটা সময় ছিল স্নাতক শেষ
হতেই বিএড পড়ার জন্য আবেদন করতেন
হাজার হাজার পড়ুয়া । তখন ইচ্ছে ছিল,
হুজুগ ছিল কিন্তু কলেজ ছিল না। এখন
কলেজ রয়েছে। ফাঁকা আসন রয়েছে।
কিন্তু বিএড পড়ার পড়ুয়া নেই। এবছর
রাজ্যের বিএড কলেজগুলির আসন
সংখ্যার নিরিখে ৫০ শতাংশ আবেদনও
জমা পড়েনি। ইতিমধ্যেই বিএড
কলেজগুলিতে ফর্ম দেওয়া শেষ। শুরু হয়ে
গিয়েছে কাউন্সেলিং সেশন । কিন্তু
পরিসংখ্যান বলছে, শিক্ষক হওয়ার
প্রশিক্ষণ থেকে কার্যত মুখ
ফিরিয়েছেন পড়ুয়ারা। সম্প্রতি
কলকাতায় ওয়েস্ট বেঙ্গল
ইউনিভার্সিটি অফ টিচার্স ট্রেনিং,
এডুকেশন, প্ল্যানিং অ্যান্ড
অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিশ্ববিদ্যালয়
তৈরি করেছে তৃণমূল সরকার। রাজ্যের
সব বিএড কলেজগুলিকে এক ছাতার
তলায় নিয়ে আসাই ছিল উদ্দেশ্য।
ইতিমধ্যেই কলকাতা, কল্যাণী ও
পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিএড কলেজগুলিকে এর অধীনে আনা
হয়েছে। কিন্তু সেখানেও দেখা নেই
বিএড পড়ুয়ার ।

12/06/2016

এক লোক শহরের বাইরে থেকে ফিরে
দেখে তার বাড়িতে আগুন লেগেছে।
বাড়িটা এলাকার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর
বাড়ি ছিল। অনেকেই বাড়িটি
কিনতে চেয়েছিল এমনকি দ্বিগুণ দাম
দিতে চেয়েছিল কিন্তু লোকটি
রাজি হয়নি। এখন তার সুন্দর বাড়িটি
চোখের সামনে পুড়ে যাচ্ছে।
আগুনের তেজ ভয়াবহ। আগুন নেভানোর
চেষ্টা করেও বাড়ির কিছু বাঁচানো
যাবে না। আশেপাশের লোকজন নীরব
দর্শক হয়ে পুড়তে থাকা বাড়িটি
দেখছে। কিন্তু লোকটি নীরব না
থেকে হায় হায় বলে মাথায় চাপড়
কাটছে।
ভীড়ের মধ্যে থেকে লোকটির বড়
ছেলে তার কানে কানে এসে বলল-
বাবা, চিন্তা করো না। আমি গতকাল
বাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছি।
ছেলের কথায় লোকটির কান্না থেমে
মুখে হাসি ফুটে উঠল। যাক বাবা,
বাঁচা গেল! বাড়িটি এখন আর আমাদের
নয়। আশেপাশের অন্যান্য লোকজনের মত
ঐ লোকটিও নীরব দর্শক হয়ে জ্বলন্ত
বাড়িটি দেখতে লাগলো।
উপরের ঘটনায় কিছুক্ষণ আগেও লোকটি
সরব হয়ে কান্না করছিল কারণ তার
নিজের বাড়ি পুড়ে যাচ্ছে যখন
জানলো বাড়িটি এখন আর তার নয় তখন
নীরব দর্শক হয়ে দেখতে লাগলো। তার
মধ্যে দুঃখ কাজ করছিল না।
লোকটি যখন নীরব দর্শক হয়ে দেখছিল
তখন তার মেজো ছেলে এসে বলল-
চুপচাপ দাঁড়িয়ে কি করছো? আগুন
নেভানোর চেষ্টা করছো না কেন?
লোকটি বলল- বাড়িতো এখন আর
আমাদের নয়। বাড়ি গতকাল বিক্রি
হয়ে গেছে।
ছেলেটি সাথে সাথে বলল- বাড়ি
বিক্রির চুক্তি হয়েছে মাত্র। ঐ লোক
এখনো টাকা পরিশোধ করেনি। এখন আর
টাকা দিবে কিনা সন্দেহ।
এবার লোকটি নীরব দর্শক থেকে আবার
সরব হয়ে গেল। তার চোখে মুখে কিছুক্ষণ
আগে যে কান্না হারিয়ে গিয়েছিল
তা আবার ফিরে এল। হায় হায় আমার
কি হবে বলে কান্না করতে লাগলো।
শুরু থেকেই যদি আগুন নেভানোর চেষ্টা
যদি করতাম তাহলে কিছু অন্তত
বাঁচানো যেত বলে বুকে চাপড় কাটতে
লাগলো।
লোকটি যখন কান্না করছে তখন
লোকটির ছোট ছেলে এসে বলল- বাবা,
চিন্তা করো না। আমি ঐ লোকের
সাথে কথা বলে এসেছি। তিনি এক
কথার মানুষ। বাড়ি কেনার কথা
দেয়ার পর বাড়ি আগুনে পুড়ে গেল
নাকি ভূমিকম্পে ভূস্মিভুত হলো এতে
তার কিছু যায় আসে না। আমরা আগে
থেকে কেউ জানতাম না বাড়িটি
আগুনে পুড়ে যাবে।
আবার লোকটির মুখে হাসি ফুটে উঠল।
লোকটির পুরো পরিবার নীরব দর্শক হয়ে
দেখতে লাগলো। এখানে আগুনে পুড়ে
যাওয়া ঘটনার কোন পরিবর্তণ হয়নি।
আমি বাড়ির মালিক বা আমি এখন আর
বাড়ির মালিক নই এই অনুভূতির পরিবর্তণ
হয়েছে মাত্র।
এই গল্পে আমরা মানসিক চিন্তার
খেলা দেখতে পাই। কোন ঘটনায় আমরা
কি ধরনের অনুভূতি দেখাবো এটা
প্রকাশের আগে চিন্তা করি এটা কি
আমার ঘটনা? কোন ঘটনায় নীরব দর্শক হব
নাকি সমব্যাথী হব এটা চিন্তা করার
আগেও ভাবি এটা কি আমার ঘটনা?
চোখের সামনে চুরি হচ্ছে আর আমরা
নীরব দর্শক হয়ে দেখি আর ভাবী এই
চুরির জিনিস কি আমার ?
এই যে কি ধরনের অনুভূতি দেখাবো এই
মানসিকতা কোথা থেকে আসে? একটু
ভেবে দেখলে দেখা যাবে এই
মানসিকতা আমাদের নিজস্ব কিছু না।
এই মানসিকতা আসে আমাদের পরিবার,
সমাজ, বই, সিনেমা, বিদ্যালয়, পিতা-
মাতা, বন্ধুদের কাছ থেকে। কোন
মানসিকতাই আমাদের নিজস্ব না, অন্য
উৎস থেকে পাওয়া।
তাই ভালো মানসিকতার বীজ বপন
করতে হবে, এই বীজ সুকর্মে রূপ নিবে।
সুকর্ম একসময় অভ্যাসে পরিণত হবে আর
অভ্যাস একসময় চরিত্রে রূপ নিবে।

15/02/2016

সায়েন্স এর ছেলেদের
প্রেম
পত্র
"
প্রিয় বর্ষা ,
পত্রের প্রথমে এক
বোতল
সালফিউরিক
এসিডের মত
জ্বালাময়ী শুভেচ্ছা রইলো ।
-
প্রিয়
আমি তোমাকে ডায়
মন্ডের মতো ভালবাসি।
আমার
ভালবাসা E=mc2 এর
মত চিরন্তন সত্য

_
তোমার
প্রতি আমার এই
ভালবাসা স্প্রিং তুলার
মাধ্যমেও পরিমাপ
করা সম্ভব নয় ।
'
প্রথম যেদিন
তোমাকে দেখি সেদিন
থেকেই আমার
হৃদয়ের
ট্রান্সফরমার
তোমার হৃদয়ের Ac
তড়িৎ প্রবাহের
জন্য
অপেক্ষা করে আছে ।
তোমাকে একদিন
না দেখলে আমার
হৃদয় লিফ্ট-পাম্পের
মত
ওঠা নামা করে ।
বন্ধ হয়ে যায় মানব
গিয়ার চাকা,
যখন
তোমাকে দেখি তখন
নিজেকে হিলিয়ামের
মত হালকা মনে হয়

প্রিয় আমার মনের
পিকচার
টিউবে শুধু তোমার
ছবি ভেসে ওঠে ।
"ওগো আমার
আইসক্রিম,,
ওগো আমার
সোডিয়াম
কার্বোনেট ,,
তুমি কি আমার
মনের
হাইড্রোকার্বনের
বুদবুদ এর আওয়াজ
শুনতে পাও না???
তুমি কি আমার
নাইট্রোজেন
মিথাইল এর মত
ভালবাসা বুঝতে পারো না ???
"
তবে কেন এমন
নিষ্ক্রয় গ্যাসের
মত আচরন করো !!!
'
ওগো আমার
অক্সিজেন
সিলিন্ডার।
কার্বন- ডাই-
অক্সাইডে ভরা এই
পৃথিবীতে তোমার
বিশুদ্ধ অক্সিজেন
দিয়ে আমাকে বাঁচাও

"এসো আমরা দুজন
আমাদের হৃদয়ের
জারণ-বিজারণ
ঘটিয়ে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধহই

আমাদের প্রেমের
ট্রানজিস্টর ও
সিলিকন
চিপকোনো দিনও
নষ্ট হতে দেবো না ।
"ভাগ্যের নির্মম
পরিহাসে আমাদের
প্রেমে যদি মরিচা পড়ে তবে নতুন
করে আমরা গ্যালভানাইজিং এর
প্রলেপদিয়ে আমাদের
প্রেমকে চাকচিক্যময়
করবো ।
!
!.ইতি...
——তোমার ভালোবাসা....

02/02/2016

এক চাকরির ইন্টারভিউ
বাংলায় চলছে ।


প্র্থম প্রার্থি এক বাঙালি
পরীক্ষা ঘরে ঢুকেছে,


শিক্ষ্ক=- দিল্লি চল কে ডাক
দিয়েছেন……?
বাঙালি=- স্যার নেতাজী
সুভাষ চন্দ্র বোস ।


শিক্ষ্ক=- বাঃ বাঃ খুব ভাল,
আচ্ছা একজন দেশ
প্রেমিকের নাম বলুন তো
……?
বাঙালি=- স্যার অনেকেই
তো আছে, যেমন মহত্মা
গান্ধি ।


শিক্ষক=- বাঃ বাঃ খুব সুন্দর ,
আচ্ছা বলুন তো ভারত কবে
স্বাধীন হয়……?
বাঙালি=- স্যার… ভারত
1942 সালে স্বাধীন হব হব
করতে করতে শেষে 1947
সালের 15 ই আগষ্ট স্বাধীন হয়


শিক্ষ্ক=- খুবঃঃ সুন্দর । আচ্ছা
এবার লাস্ট প্রশ্ন, বলুন তো
আকাসে কত গুলো তারা
আছে……?
বাঙালি=- স্যার এখনও
সেটা প্রমানিত হয়নি, তবে
বিঞ্জানিদের গবেষণা
চলছে.
শিক্ষ্ক=- এবার আপনি
আসতে পারিন ।



বাঙালি চলে যাবার সময়
পরের প্রতিযোগী এক
বিহারি ছিল, কিন্তু সে
বাংলা জানেনা, তাই
বাঙালিকে দরজার কাছে
খুব তারাতারি জিঞ্জেস
করল, ভাই তোমাকে কি কি
প্রশ্ন ধরল,
?
বাঙালি=- ভাই প্রশ্ন আমার
মনে নাই। তাহলে উত্তর গুলো
হল……
1 নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস
2 অনেকেই তো আছে, যেমন
মহত্মা গান্ধী
3 1942 সালে হব হ্ব করতে
করতে শেষে 1947 সালে 15 ই
আগষ্ট
4 ঠিক এখন জানা যাইনি,
বিঞ্জানিদের গবেষনা
চলছে....
বিহারির প্রবেশ..…


শিক্ষ্ক=- আপনার নাম কি
বিহারি=- নেতাজী সুভায
চন্দ্র বোস,
শিক্ষ্ক=- (অবাক হয়ে)
আপনার বাবার নাম
কি………?
বিহারি=- স্যার অনেকেই
তো আছে যেমন মহাত্মা
গান্ধী ।

শিক্ষ্ক=-(আরও অবাক হয়ে)
আপনার কবে জন্ম
হয়েছে………?
বিহারি=- স্যার 1942 সালে
হব হব করতে করতে শেষে 1947
সালের 15 ই আগষ্ট হয়েছে ।


শিক্ষ্ক=- আপনি কি পাগল
হয়ে গেছেন……?
বিহারি=- তা এখনও ঠিক
জানা যাইনি তবে
বিঞ্জানিদের গবেষনা

29/12/2015

Our college is situated in Alipurduar District
with a vision to give a scope to the educated
youth for acquiring Bachelor of Education
Degree to enhance their scale and competency
to join teaching as profession.

Address

College Road
Alipurduar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alipurduar B.Ed Training college posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category