11/02/2026
এমন যদি হতো, আমি পাখির মতো, উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষন। এমন যদি হতো স্কুলজীবনটাকে আবার একছুটে মুঠোতে ধরে ফেলা যেতো। এমন কেন হয়না প্রতিটি দিন? বাচ্ছাদের সাথে পুরোনো লুকোচুরি, চু কিত কিতের দিনগুলিকে ফিরিয়ে আনা যায় না? যায় গো যায়। ওদের সাথে ছোট হতে হয়, প্রতিদিনকার গাম্ভীর্যের খোলসটাকে একটানে খুলে ভেতরের ছাত্রীটাকে খোলা মাঠে নিয়ে দে ছুট। তারপর? তারপর তুমিও বালিকা, তুমিও কিশোরী, তুমিও অনাবিল আনন্দ ঐশ্বর্যের অধিকারী।
আজ ছিল সেই দিন। গত কয়েকদিন সুনন্দা, বান্টি, পিয়ালীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল তোলার দিন। আজকের দিনটি ঝলমলিয়ে উঠেছে গানে, নাচে, কুইজে, ছবি আঁকায়, তাৎক্ষণিক অভিনয়ে,অসংখ্য পুরস্কারে খুশিতে উজ্জ্বল মুখ গুলিকে দেখতে দেখতে। বাসে যেতে যেতে খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসা দিদিমণিরা এমনকি বড়দিদিমণিও আত্মহারা হয় নদী আপন বেগে পাগলপারা আবেগে যেমন ধায় তেমনি। পুরোনো বাংলা গান থেকে বর্তমান হিন্দি গানে অনায়াস চলনে বুঝিয়ে দেওয়া যায় আমরা অভিযোজনে কতটা দক্ষ।
কত মূহুর্ত তৈরি হলো আজ বনভোজন বা শিক্ষামূলক ভ্রমণে? বহু হীরকখচিত পল আবেগের জন্ম দিলো। কত্তো ভালোলাগা ভালোবাসার জন্ম দিলো। ফেলে আসা দিনগুলিকে আবার কাছে পেয়ে উদ্বেলিত ভাবনায় বলা যায় শহুরে গতানুগতিকতার বাইরে একদিন, কয়েকটি ঘন্টাও বহু প্রাণশক্তির যোগান দেয়। আর একসাথে একদিন বিভিন্ন বয়সের মেয়েরা মিলিতভাবে প্রমাণ করলো শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, sharing and caring মানসিকতা আর প্রত্যেকের লুকোনো সুন্দর প্রতিভাগুলিকে বের করে আনার জন্য এমন চড়ুইভাতির আয়োজন বার বার হোক।