Agartala Govt Medical College & GBP Hospital

Agartala Govt Medical College & GBP Hospital

Share

To provide best Health Care facilities to the people of the Tripura and North-Eastern Region. To be a leader in Medical Education. We learn to serve humanity.

To have a state of the art Medical College fully equipped in all respect.

Photos from Agartala Govt Medical College & GBP Hospital 's post 21/05/2026

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টে রাজ্যে প্রথমবারের মতো সফলভাবে জটিল ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM) এম্বোলাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। তীব্র পেট ব্যথা ও যোনি পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা নিয়ে ধলাই জেলার ডেমছড়া এলাকার ৩৮ বছর বয়সী এক মহিলা জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি হন। রোগীর জটিল অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক (ডাঃ) জে. এল. বৈদ্য তাৎক্ষণিক রেডিওলজি ও কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে রোগীর চিকিৎসা শুরু করেন। তাতে রোগীর রোগ নির্ণয় ত্বরান্বিত হয় এবং সমন্বিত চিকিৎসা সহযোগিতায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠে। অত্যন্ত জটিল এন্ডোভাসকুলার পদ্ধতিতে রোগীর ডানদিকের জরায়ু আর্টারি ও ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM)-তে রক্ত সরবরাহকারী অতিরিক্ত ফিডার ভেসেলে একাধিক কয়েল স্থাপন করা হয়। গত ১৫ মে,২০২৬ কোনো ধরনের ওপেন সার্জারি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অত্যাধুনিক ক্যাথেটার-ভিত্তিক মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই জটিল চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করেন কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডাঃ অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী। সহযোগিতায় ছিলেন কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাকেশ দাস ও ডাঃ মান্না ভট্টাচার্য। অ্যানেস্থেসিয়া টিমে ছিলেন কনসালটেন্ট কার্ডিয়াক ডাঃ রিমঝিম চাকমা, কনসালটেন্ট অ্যানেস্থেটিস্ট ডাঃ মনিময় দেববর্মা সহ কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ সম্রাট দাস, ডাঃ অ্যারিস্টটল ত্রিপুরা, ডাঃ খামিলি দেববর্মা ও ডাঃ দেবাশিস রিয়াং।এছাড়া ইকো টেকনিশিয়ান ছিলেন কিষান রায়, ক্যাথল্যাব ও টেকনিক্যাল টিমে ছিলেন ক্যাথল্যাব নার্স ছিলেন দেবব্রত দেবনাথ, প্রাণকৃষ্ণ দেব, মানস দত্ত, তিতিক্ষা মজুমদার, টেকনিশিয়ান সঞ্জয় ঘোষ ও অরিজিৎ পাল প্রমুখ। রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথমবার এমন ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM) এম্বোলাইজেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, রোগী আয়ুষ্মান কার্ডের সহায়তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই চিকিৎসার সুযোগ লাভ করেছে। এছাড়া আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ বিধান গোস্বামী এবং আর.এম.ও ডাঃ বিকাশ দেববর্মা রোগীর জীবনরক্ষাকারী প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দুর্লভ কয়েল ইমপ্ল্যান্টের ব্যবস্থা করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

17/05/2026

জিবিপি হাসপাতালে লিভার ও পোর্টাল হাইপারটেনশনের বিরল অস্ত্রোপচারে সাফল্য

লিভার ও পোর্টাল হাইপারটেনশনের বিরল অস্ত্রোপচার সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করলেন জিবিপি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।
গোমতী জেলার উদয়পুর এলাকার বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জটিল লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। ঘন ঘন পেটব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া এবং রক্তবমির মতো গুরুতর উপসর্গ নিয়ে তাঁকে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। পরবর্তীতে তিনি আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ও গ্যাস্ট্রোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসার জন্য আসেন। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ গ্যাস্ট্রোসার্জন ডাঃ দীপংকর শংকর মিত্র রোগীকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর “নন-সিরোটিক পোর্টাল হাইপারটেনশন” রোগে আক্রান্ত বলে শনাক্ত করেন এবং অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও জটিলতা বিবেচনা করে তিনি কার্ডিওভাস্কুলার সার্জন ডাঃ কনকনারায়ণ ভট্টাচার্যের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা করেন। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে রোগীর “স্প্লেনোরেনাল ভাস্কুলার শান্ট” এবং “স্প্লেনেকটমি” অস্ত্রোপচার করা হবে। এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পোর্টাল হাইপারটেনশন হ্রাস পাবে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যাওয়ার সমস্যাও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে শুরুতে রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। তাই গত ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে রোগীকে কার্ডিওভাস্কুলার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে প্রায় একমাস ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁকে স্থিতিশীলও অস্ত্রোপচারের উপযোগী করে তোলা হয়। কার্ডিওভাস্কুলার অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডাঃ রিমঝিম চাকমা এবং ডাঃ মনিময় দেববর্মা অস্ত্রোপচারকালীন অ্যানেস্থেসিয়া এবং পরবর্তী পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন। অবশেষে গত ১৩ মে, ২০২৬ তারিখে কার্ডিওভাস্কুলার সার্জন ডাঃ কনকনারায়ণ ভট্টাচার্য এবং গ্যাস্ট্রোসার্জন ডাঃ দীপংকর শংকর মিত্রের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি সার্জিক্যাল টিম সফলভাবে এই জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই অস্ত্রোপচারে রোগীর ক্ষতিগ্রস্ত স্প্লীহা কেটে বাদ দেওয়া হয় এবং পোর্টাল ভেইন ও কিডনির ভেইনের সংযোগকারী ভাস্কুলার সান্ট অপারেশন করা হয়। বর্তমানে রোগী সিটিভিএস আইসিইউ-তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে এগিয়ে চলেছেন। ইতোমধ্যে রোগীকে মুখে তরল খাদ্যও প্রদান করা হচ্ছে। ডাঃ কনকনারায়ণ ভট্টাচার্য ও ডাঃ দীপংকর শংকর মিত্র জানান, লিভার ও পোর্টাল হাইপারটেনশনজনিত এই বিরল সার্জিক্যাল অস্ত্রোপচার রাজ্যে এই প্রথম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে এই ধরনের চিকিৎসার জন্য লিভার রোগীদেরকে বহির্রাজ্যে যেতে হত। এর ফলে এই অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা এখন রাজ্যের আগরতলা মেডিকেল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে সম্ভব। এই অস্ত্রোপচারে সার্জিক্যাল টিমের চিকিৎসকদের পাশাপাশি সহায়তাকারী টেকনিশিয়ান ও স্ক্রাব নার্স হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সুদীপ্ত মণ্ডল, রতন মণ্ডল, অর্পিতা সরকার, মৌসুমী দেবনাথ, সৌরভ শীল, অন্নবাহাদুর জমাতিয়া, জয়দীপ চক্রবর্তী, অভিজিৎ দেব, মিনহাজুদ্দিন এবং সৌরভ ত্রিপুরা।বিনামূল্যে সরকারি খরচে এই ব্যয়বহুল জটিল অপারেশন করাতে পেরে রোগীর পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করে ডাক্তার, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

17/05/2026

প্রেস রিলিজ
জিবিপি হাসপাতালে লিভার ও পোর্টাল হাইপারটেনশনের বিরল অস্ত্রোপচারে সাফল্য

লিভার ও পোর্টাল হাইপারটেনশনের বিরল অস্ত্রোপচার সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করলেন জিবিপি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।
গোমতী জেলার উদয়পুর এলাকার বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জটিল লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। ঘন ঘন পেটব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া এবং রক্তবমির মতো গুরুতর উপসর্গ নিয়ে তাঁকে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। পরবর্তীতে তিনি আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ও গ্যাস্ট্রোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসার জন্য আসেন। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ গ্যাস্ট্রোসার্জন ডাঃ দীপংকর শংকর মিত্র রোগীকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর “নন-সিরোটিক পোর্টাল হাইপারটেনশন” রোগে আক্রান্ত বলে শনাক্ত করেন এবং অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও জটিলতা বিবেচনা করে তিনি কার্ডিওভাস্কুলার সার্জন ডাঃ কনকনারায়ণ ভট্টাচার্যের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা করেন। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে রোগীর “স্প্লেনোরেনাল ভাস্কুলার শান্ট” এবং “স্প্লেনেকটমি” অস্ত্রোপচার করা হবে। এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পোর্টাল হাইপারটেনশন হ্রাস পাবে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যাওয়ার সমস্যাও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে শুরুতে রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। তাই গত ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে রোগীকে কার্ডিওভাস্কুলার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে প্রায় একমাস ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁকে স্থিতিশীলও অস্ত্রোপচারের উপযোগী করে তোলা হয়। কার্ডিওভাস্কুলার অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডাঃ রিমঝিম চাকমা এবং ডাঃ মনিময় দেববর্মা অস্ত্রোপচারকালীন অ্যানেস্থেসিয়া এবং পরবর্তী পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন। অবশেষে গত ১৩ মে, ২০২৬ তারিখে কার্ডিওভাস্কুলার সার্জন ডাঃ কনকনারায়ণ ভট্টাচার্য এবং গ্যাস্ট্রোসার্জন ডাঃ দীপংকর শংকর মিত্রের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি সার্জিক্যাল টিম সফলভাবে এই জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই অস্ত্রোপচারে রোগীর ক্ষতিগ্রস্ত স্প্লীহা কেটে বাদ দেওয়া হয় এবং পোর্টাল ভেইন ও কিডনির ভেইনের সংযোগকারী ভাস্কুলার সান্ট অপারেশন করা হয়। বর্তমানে রোগী সিটিভিএস আইসিইউ-তে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে এগিয়ে চলেছেন। ইতোমধ্যে রোগীকে মুখে তরল খাদ্যও প্রদান করা হচ্ছে। ডাঃ কনকনারায়ণ ভট্টাচার্য ও ডাঃ দীপংকর শংকর মিত্র জানান, লিভার ও পোর্টাল হাইপারটেনশনজনিত এই বিরল সার্জিক্যাল অস্ত্রোপচার রাজ্যে এই প্রথম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে এই ধরনের চিকিৎসার জন্য লিভার রোগীদেরকে বহির্রাজ্যে যেতে হত। এর ফলে এই অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা এখন রাজ্যের আগরতলা মেডিকেল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে সম্ভব। এই অস্ত্রোপচারে সার্জিক্যাল টিমের চিকিৎসকদের পাশাপাশি সহায়তাকারী টেকনিশিয়ান ও স্ক্রাব নার্স হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সুদীপ্ত মণ্ডল, রতন মণ্ডল, অর্পিতা সরকার, মৌসুমী দেবনাথ, সৌরভ শীল, অন্নবাহাদুর জমাতিয়া, জয়দীপ চক্রবর্তী, অভিজিৎ দেব, মিনহাজুদ্দিন এবং সৌরভ ত্রিপুরা।বিনামূল্যে সরকারি খরচে এই ব্যয়বহুল জটিল অপারেশন করাতে পেরে রোগীর পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করে ডাক্তার, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

17/05/2026

জিবিপি হাসপাতালে সুপার স্পেশালিটি ব্লকে শিশু হৃদরোগ বহির্বিভাগের উদ্বোধন

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি ব্লকে আজ,(১৬ মে, ২০২৬)শিশু হৃদরোগ বহির্বিভাগ(পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি ওপিডি) পরিষেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে মহোদয়।

এই নতুন পরিষেবা চালুর মাধ্যমে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের অধীনে শিশু সুপার স্পেশালিটি স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। রাজ্যের শিশুদের উন্নত হৃদরোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে এই বহির্বিভাগ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। উল্লেখ্য, শিশু হৃদরোগ বহির্বিভাগে সরকারিভাবে খোলা শনিবারদিনগুলোতে পরিষেবা প্রদান করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিবের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর (ডাঃ ) তপন মজুমদার, মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও এইচ.ও.ডি ডাঃ বিধান গোস্বামী, ডেপুটি মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ কনক চৌধুরী, কার্ডিওলোজিস্ট ডাঃ অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী ও ডাঃ রাকেশ দাস সহ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের এইচ.ও.ডি এবং ফ্যাকাল্টি সদস্যরা। আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে শিশু হৃদরোগ বহির্বিভাগের সূচনা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি রাজ্যের শিশুদের জন্য সমন্বিত ও আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

13/04/2026

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে “ইমার্জেন্সি লাইভ সেভিং সার্জারি” চালু হওয়ায় প্রাণ ফিরে পেল এক যুবক।আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্রুত ও সময়োপযোগী চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ফলে মৃত্যু মুখ থেকে ফিরে এল প্রদীপ দেববর্মা (২৪) বছরের ওই যুবক। সিধাই মোহনপুরের দেবীপুর, কলাছড়া, শালবাগানের বাসিন্দা এই যুবক গত ১১ এপ্রিল ২০২৬ সকাল আটটা নাগাদ এক পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়। তাকে অত্যন্ত জটিল ও মুমূর্ষু অবস্থায় হেজামারা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে রেফার করা হয়। হাসপাতালের পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ইমার্জেন্সি মেডিসিন ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করেন। “ইমার্জেন্সি লাইভ সেভিং সার্জারি” প্রয়োগ করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রথমবারের মতো আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে এই ধরনের সার্জারি হয়। এরপর আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের জেনারেল সার্জারি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসক ডাঃ নীলোৎপল চাকমা (প্রফেসর, ইউনিট হেড) এর নেতৃত্বে সার্জারি টিমের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্বাবধানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। এই অস্ত্রোপচারে ছিলেন (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসার)ডাঃ প্রীতম দাস, (সিনিয়ার রেসিডেন্ট) ডাঃ সৌরভ দাস, ডাঃ অবিরামি পি.পি ও ডাঃ ভূপেন্দ্র কুমার(পি.জি) । অ্যানেস্থেসিস্ট ছিলেন (সিনিয়ার রেসিডেন্ট)ডাঃ অনিন্দিতা দেবনাথ এবং ডাঃ জিনিয়া দেওয়ান (পি.জি)ও অন্যান্য ওটি নার্স সহ ওটি টেকনিশিয়ানরা ছিলেন। রোগী বর্তমানে সুস্থ এবং স্থিতিশীল অবস্থায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছে। জিবিপি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিসিন ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করা এবং সফল অস্ত্রোপচারের ফলে যুবকের প্রাণ ফিরে পাওয়ায় তার পরিবার পরিজনেরা জিবিপি হাসপাতালের চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Photos from Agartala Govt Medical College & GBP Hospital 's post 31/03/2026

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে সৃষ্টি হল ইতিহাস
রাজ্যের ইতিহাসে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরপর দু'টি কিডনি প্রতিস্থাপন

মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর(ডাঃ) মানিক সাহার আন্তরিক প্রচেষ্টায় আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়েছে। এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি সফল কিডনি প্রতিস্থাপনের পর গতকাল ও আজ (৩০ ও ৩১ মার্চ, ২০২৬ ) ষষ্ঠ ও সপ্তম কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দাতা ও গ্রহীতারা সুস্থ আছেন।

উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতাল এবং মণিপুরের সিজা হাসপাতালের কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে দু'দিনে দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করা হলো। উল্লেখ্য, পূর্বে প্রতিবার একটি করে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হলেও এবার প্রথমবারের মতো রাজ্যে দু'দিনে দু'টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হলো, যা এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতাল এবং মণিপুরের সিজা হসপিটালের কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ ত্রিপুরার বাইখোড়ার কলসির বাসিন্দা ৩৬ বছরের যুবকের দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় গত ৩০মার্চ । কিডনি দান করেছেন গ্রহীতার বাল্যবন্ধু বাইখোড়া কলসির বাসিন্দা ৩৩ বছরের যুবক। আজ (৩১ মার্চ)কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় ৩৩ বছর বয়সী চম্পকনগরের বাসিন্দা এক যুবকের। তার ৫৯ বছর বয়স্ক বাবা তাকে কিডনি দান করেন।সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উভয় ক্ষেত্রেই দাতা ও গ্রহীতারা সুস্থ আছেন এবং তারা ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

ষষ্ঠ ও সপ্তম কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের নেফ্রলজি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসক টিমে ছিলেন ডাঃ মানস গোপ, ডাঃ সমরেশ পাল, ডাঃ রেশমী দাস এবং ডাঃ উদয়ন সাহা। ইউরোলজি ডিপার্টমেন্টের ডাঃ মুকুট দেবনাথ, ডাঃ বিজিত লোধ এবং ডাঃ জীবন দেবনাথ। এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের পক্ষে অ্যানেস্থলজিস্ট হিসাবে ছিলেন ডাঃ ভাস্কর মজুমদার, ডাঃ তপন দেববর্মা এবং ডাঃ জাগৃতি আইচ। সিজা হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষে ছিলেন ডাঃ সৌম্যরেন্দ্র পাওনাম (ইউরোলজিস্ট এন্ড ট্রান্সপ্লান্ট সার্জেন) ডাঃ মহারাভাম মাহালে (ইউরোলজিস্ট)। ডাঃ থউ দাম যশোবন্তা সিং (কনসালটেন্ট অ্যানেস্থেসিষ্ট), ডাঃ থউ ব্রাম চন্ডিস সিং (ডি.এন.বি অ্যানেস্থেসিয়া)। প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ায় জিবিপি হাসপাতালের অন্যান্য ওটি নার্স, ফ্লোর নার্স ও ওটি টেকনিশিয়ানরা উপস্থিত ছিলেন। সম্পূর্ণ তদারকিতে ছিলেন ছিলেন সিনিয়র নার্সিং অফিসার তপতী চক্রবর্তী। ষষ্ঠ কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু হয় সকাল ৯ টায় এবং শেষ হয় বিকাল ৩ টায় অর্থাৎ প্রায় ছয় ঘন্টা ধরে এই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া চলে।
সপ্তম কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু হয় সকাল ৮.৩০ টায় এবং শেষ হয় দুপুর ১. ৩০ টায় অর্থাৎ প্রায় পাঁচ ঘন্টা ধরে এই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া চলে।
এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে পরপর এই কিডনি প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়েছে একমাত্র রাজ্য সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়।
উল্লেখ্য গত ৮ জুলাই ২০২৪ রাজ্যে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছিল। গত ৪ নভেম্বর ২০২৫ সফলভাবে পঞ্চম কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়।

26/03/2026

প্রেস রিলিজ

আজ (২৬-০৩-২০২৬ ) তারিখে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে
"Histotechniques & IHC: Troubleshooting, Quality Control & Improvement" শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালাটির আয়োজন করে AGMC (আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ)-এর প্যাথলজি বিভাগ, এবং সহযোগিতায় ছিল ট্রাভেলিং ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি অ্যান্ড স্কুল অব হিস্টোটেকনোলজি, প্যাথলজি বিভাগ, টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল, মুম্বাই।
অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর (ডাঃ) তপন মজুমদার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল, মুম্বাই-এর অধ্যাপক ও প্যাথলজিস্ট তাঁর দলসহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের
মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট , অ্যাকাডেমিক ডিন ও প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সকল ডেপুটি মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট, অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ, এবং ল্যাব টেকনিশিয়ানসহ অন্যান্যরা।

26/03/2026

শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে ২ দিনে ১১২ জনের জন্মগত হৃদরোগের স্ক্রিনিং
৬৫ জনের অপারেশনের পথ খুলল
আগরতলা, ২৬ মার্চ ২০২৬: রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কর্মসূচি (RBSK)-র উদ্যোগে আগরতলার আইজিএম এন্ড নার্সিং ইনস্টিটিউটে ২৫ ও ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে দুইদিনব্যাপী জন্মগত হৃদরোগ (Congenital Heart Disease) স্ক্রিনিং ক্যাম্প সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জন্মগত হৃদরোগ (CHD) হলো এমন একটি সমস্যা, যা শিশু জন্মের সময় থেকেই থাকে এবং হৃদযন্ত্রের গঠনে ত্রুটির কারণে সৃষ্টি হয়। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এটি শিশুর খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস, বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, ওজন না বাড়া, ঠোঁট বা নখ নীলচে হয়ে যাওয়া—এসব লক্ষণ দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে জন্মগত হৃদরোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব, যদি তা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়।
এই ক্যাম্পে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো চিলড্রেনস হসপিটালস-এর বিশেষজ্ঞ কার্ডিয়াক টিম অংশ নিয়ে শিশুদের বিস্তারিত ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা ও হৃদরোগ সংক্রান্ত মূল্যায়ন করেন। রাজ্যের আটটি জেলার RBSK টিমের মাধ্যমে সন্দেহভাজন শিশুদের চিহ্নিত করে ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়, ফলে সর্বস্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। দুই দিনে মোট ১১২ জন শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৬৫ জন শিশুকে অস্ত্রোপচার করা হবে এবং ৩৪ জন শিশুকে পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও ফলো-আপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই সফল ক্যাম্পের মাধ্যমে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি আরও একবার প্রতিফলিত হয়েছে। এর ফলে শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

Photos from Agartala Govt Medical College & GBP Hospital 's post 26/03/2026

শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে ২ দিনে ১১২ জনের জন্মগত হৃদরোগের স্ক্রিনিং
৬৫ জনের অপারেশনের পথ খুলল
আগরতলা, ২৬ মার্চ ২০২৬: রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কর্মসূচি (RBSK)-র উদ্যোগে আগরতলার আইজিএম এন্ড নার্সিং ইনস্টিটিউটে ২৫ ও ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে দুইদিনব্যাপী জন্মগত হৃদরোগ (Congenital Heart Disease) স্ক্রিনিং ক্যাম্প সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জন্মগত হৃদরোগ (CHD) হলো এমন একটি সমস্যা, যা শিশু জন্মের সময় থেকেই থাকে এবং হৃদযন্ত্রের গঠনে ত্রুটির কারণে সৃষ্টি হয়। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এটি শিশুর খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস, বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, ওজন না বাড়া, ঠোঁট বা নখ নীলচে হয়ে যাওয়া—এসব লক্ষণ দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে জন্মগত হৃদরোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব, যদি তা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়।
এই ক্যাম্পে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো চিলড্রেনস হসপিটালস-এর বিশেষজ্ঞ কার্ডিয়াক টিম অংশ নিয়ে শিশুদের বিস্তারিত ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা ও হৃদরোগ সংক্রান্ত মূল্যায়ন করেন। রাজ্যের আটটি জেলার RBSK টিমের মাধ্যমে সন্দেহভাজন শিশুদের চিহ্নিত করে ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়, ফলে সর্বস্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। দুই দিনে মোট ১১২ জন শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৬৫ জন শিশুকে অস্ত্রোপচার করা হবে এবং ৩৪ জন শিশুকে পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও ফলো-আপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই সফল ক্যাম্পের মাধ্যমে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি আরও একবার প্রতিফলিত হয়েছে। এর ফলে শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

26/03/2026

জিবিপি হাসপাতালে চারটি ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের ইএনটি বিভাগ গতকাল ও আজ (২০ ও ২১ মার্চ) সফলভাবে চারটি ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি সম্পন্ন করেছে। এই অস্ত্রোপচারগুলি এমন শিশুদের উপর করা হয়েছে, যারা শৈশব থেকেই বধির ছিল, ফলে তারা প্রথমবারের মতো শব্দ অনুভব করার একটি নতুন সুযোগ পেল।
চারজন রোগীই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের অন্তর্গত। এই উদ্যোগ ত্রিপুরায় সুলভ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নির্দেশ করে। সমস্ত অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়েছে, যাতে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা চিকিৎসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে।
এই উদ্যোগটি সম্ভব হয়েছে ত্রিপুরা সরকার এবং জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের সম্মিলিত সহায়তায়। ইএনটি বিশেষজ্ঞদের দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ দল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ও যত্ন সহকারে এই অস্ত্রোপচারগুলি সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সফল ফলাফল পাওয়া গেছে।
ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা গভীর শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভাগটি সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মধ্যে আশার আলো জ্বালিয়েছে এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে উন্নত করেছে।
এ ধরনের প্রাথমিক পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ভাষা ও কথন দক্ষতার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উদ্যোগটি স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক চিকিৎসা প্রদানের প্রতিশ্রুতিকেও তুলে ধরে।
এই বিশেষ উদ্যোগের অঙ্গ হিসেবে চারজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুর উপর ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি সম্পন্ন করা হয়। এই সার্জারিগুলির শিশুদের জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে—তারা শুনতে পারবে, কথা বলতে শিখবে এবং সমাজে একটি স্বাভাবিক ও অর্থবহ জীবনযাপন করতে সক্ষম হবে। এই অনুষ্ঠানটি রাজ্যের নাক-কান-গলা (ইএনটি) চিকিৎসা পরিষেবার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ, এই অঞ্চলে এত সংখ্যক রোগীর জন্য একসাথে এ ধরনের বৃহৎ ককলিয়ার ইমপ্লান্ট কর্মসূচি এর আগে কখনো অনুষ্ঠিত হয়নি।
আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের (হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি) উদ্যোগেএই
৯ম সার্জিক্যাল ওয়ার্কশপ ও ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সিএমই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গতকাল উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে। তিনি এই আয়োজনের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে শ্রবণ শক্তিহীন মানুষের কল্যাণে রাজ্য সরকারের এই অভিনব উদ্যোগটির সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন আগামী দিনেও রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ধারাবাহিকভাবে প্রতিফলিত হবে।
গতকাল বিকেল ৫টায় আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের লেকচার হল ফোর-এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, এই সমস্ত সার্জারি ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর এবং জাতীয় হেলথ মিশনের যৌথ সহযোগিতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হচ্ছে। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কলকাতার প্রখ্যাত ইএনটি বিশেষজ্ঞ ও সার্জিক্যাল এক্সপার্ট অধ্যাপক (ডাঃ) অমিতাভ রায় চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকতা অধ্যাপক ডাক্তার এইচপি শর্মা ,আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের অধ্যাপক (ডাঃ) তপন মজুমদার, জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট (ডাঃ) বিধান গোস্বামী, ইএনটি বিভাগের হেড অফ দ্য ডির্পাটমেন্ট অধ্যাপক (ডাঃ) বিপ্লব নাথ, পশ্চিম জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (ডাঃ) শংকর চক্রবর্তী ও জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের সদস্য সচিব ডাঃ শৌভিক দেববর্মা , এই ওয়ার্কশপ ও সিএম ইর অর্গানাইজিং সেক্রেটারি ডাক্তার বাগদত্তা পাল প্রমুখ ।

Want your school to be the top-listed School/college in Agartala?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Agartala Government Medical College & GBP Hospital Agartala
Agartala
799006