Sri Sri Ram Thakur Katha and Kirtan

Sri Sri Ram Thakur Katha and Kirtan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sri Sri Ram Thakur Katha and Kirtan, School, Agartala.

শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের আর্শীবাদে আমরা ভাগবত কীর্তন, লীলা-কথা এবং আধ্যাত্মিক আলোচনা প্রচার করছি। এই পৃষ্ঠায় পাবেন শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের জীবন, শিক্ষা, এবং ভক্তি পথের গল্প। Join us to experience the divine through devotional kirtans, spiritual discourses, an

24/07/2026

বেদবানী প্রথম খণ্ড (৩৪) নং পত্রাংশ | সংসার চক্র থেকে মুক্তির উপায় | শ্রীশ্রী রামঠাকুর অমৃতবাণী

🌺 যাদবপুর শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম প্রতিষ্ঠার পবিত্র ইতিহাস 🌺ইংরেজি ১৯৪০ সালের দিকে শ্রীশ্রীঠাকুর কলকাতায় অবস্থানকালে ডাক্তার...
31/05/2026

🌺 যাদবপুর শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম প্রতিষ্ঠার পবিত্র ইতিহাস 🌺

ইংরেজি ১৯৪০ সালের দিকে শ্রীশ্রীঠাকুর কলকাতায় অবস্থানকালে ডাক্তার ক্ষিতিভূষণ সেন মহাশয় ভক্তিভরে যাদবপুরে তাঁর নিজস্ব জমি ঠাকুরের আশ্রম প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসর্গ করার প্রস্তাব দেন। ঠাকুর স্বয়ং স্থানটি পরিদর্শন করে আশ্রমের রূপকল্প নির্ধারণ করেন এবং যেখানে আজ পবিত্র তুলসীমঞ্চ অবস্থিত, সেই স্থানকেই সত্যনারায়ণ পীঠ হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন।

ঠাকুরের অনুমোদিত নকশা অনুসারে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ১৯৪২ সালে। গৃহপ্রবেশের দিন নির্ধারিত হয় ১৩৪৯ বঙ্গাব্দের ১৩ই ফাল্গুন (২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৪২)। যদিও ঠাকুর স্বয়ং অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি, তাঁর পবিত্র পাদুকাযুগল সেখানে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পূজিত হয়। শ্রীমৎ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় সেই পূজা সম্পন্ন করেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর ঘোষণা করেন যে, যাদবপুরের এই মন্দির হবে আর একটি শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম, যা চট্টগ্রামের পাহাড়তলিস্থ শ্রীশ্রী কৈবল্যধামের শাখা রূপে পরিচিত হবে।

মহোৎসবের পরদিন ঠাকুর মোটরগাড়িতে আশ্রমের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে ভক্তদের শ্রীচরণ দর্শনের সুযোগ দেন। ভক্তরা তাঁর দর্শন ও চরণস্পর্শে ধন্য হলেও তিনি গাড়ি থেকে অবতরণ না করেই ফিরে যান।

আজও সেই পবিত্র তুলসীমঞ্চ, সত্যনারায়ণ পূজা, নামকীর্তন ও ভক্তিসাধনার মধ্য দিয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের অমৃতস্মৃতি জীবন্ত হয়ে আছে।

🙏 জয় রাম সত্যনারায়ণ 🙏
🙏 জয় শ্রীশ্রী রামঠাকুর 🙏

#জয়_রাম_সত্যনারায়ণ #শ্রীশ্রীরামঠাকুর #কৈবল্যধাম #যাদবপুর_আশ্রম #সত্যনারায়ণ_পীঠ

31/05/2026
31/05/2026

শ্রীশ্রী ঠাকুর রসিক ছিলেন আবার কখনো বজ্র চেয়ে কঠিন ছিলেন.............................

ফনীন্দ্র মালাকারও মাঝে মাঝে ঠাকুরের সাথে রসালাপ করতেন। প্রথম রসের ঘটনা ঠাকুরের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। ঠাকুর তখন শ্রীগুরু অনঙ্গ দেবের সাথে হিমালয় পরিভ্রমন সেরে ফিরে এসেছেন। আত্মীয়পরিজনরা ঠাকুরকে গৃহে বেঁধে রাখার জন্য গার্হস্থ্য জীবনে প্রবেশের চেষ্টায় বিয়ের ব্যবস্থা করতে উদগ্রীব হলেন।চারদিকে পাত্রী দেখা শুরু হল। রামঠাকুরকে অভিভাবকরা অনেক পাত্রীর সন্ধান দিলেন কিন্তু তিনি বিয়ে করতে রাজি নন। এর থেকে উত্তরণের জন্যই বোধ হয় ঠাকুর বললেন- পাত্রী পাওয়া গেছে। নিজেই জাঁকিয়ে বসলেন ভ্রাতুষ্পুত্রদের নিয়ে। তারপর অনেকক্ষণ পাত্রীর বর্ণনা, পাত্রীর পিতার বর্ণনা, কী করে বিয়ে হবে, কোলকাতা শহরে কী করে যাওয়া হবে এসব বলে যেন বেশ রোমাঞ্চ অনুভব করলেন। ভাইদের ছেলেমেয়েরাও আনন্দে অস্থির বিয়েতে যাওয়ার আনন্দে। সবাই আনন্দের ঘোরে রাতের নিদ্রায় শায়িত। কিন্তু একী সুখ স্বপ্নে অস্থির। পরদিন সকালে গৃহেতে আর শ্রীশ্রী ঠাকুরকে খুঁজে পাওয়া গেল না। এ এক অদ্ভূত করুন রস যা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। কিন্তু এটিই ছিল ঠাকুরের সংসার জীবন থেকে চিরমুক্তির রসোত্তীর্ণ ঘটনা।
ঠাকুরকে নিয়ে অনেক সময় রসিকতা করতেন ফনীন্দ্র মালাকার। একদিন অসময়ে ঠাকুরকে এসে ফনী ভাই জিগ্যেস করলেন- ঠাকুর আমলকী খাবা? তুমি ত আবার বন জঙ্গলের ফল মূল খাইতে ভালবাস।
ঠাকুর বললেন -যাও যাও লইয়া আস। আনলেই খামু।
যাই হোক ঠাকুর বলেছেন- আমলকী খাবেন। মালাকার বিলোনিয়ার পরিচিত পাহাড়ি জায়গায় বহু ঘোরাঘুরি করেও আমলকী পেলেন না। বিফল মনোরথ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন দেখেই ঠাকুর বলেছেন কী হইল আমলকী দেও? আনছনা আমলকী।
ফনীভাই বললেন- তুমি জান এখন আমলকীর সময় না। আমারে আগেই কইলে পারতা। তুমি পেটের ভিতরে সব কথা রাইখ্যা দাও। বরং একটা মা থাকলে সব জাইনা নিতাম।
ঠাকুর বললেন - একটা মা জোগার কইরা আন না।
ফনীভাই- তোমার বয়স আশি পার হইছে। তোমারে এখন মা দিব কেডা? এই জন্মে আর মা পাইতাম না।
ঠাকুর- একটা মা ত পাইতা। মাটা তৈরী হইছিল। আগে কইলে নিয়া আইতাম। রাজ পুতানায় থাকতে সেনি পরিবারের একমাত্র মেয়েরে আমারে দিতে চাইছিল। তোমার সাথে দেখা হইব তখন কি আর জানতাম আর তোমার যে মা লাগব এও কি জানতাম? আর কোটিপতি মা হইত, তোমার কোনো অসুবিধা হইত না। তবে অখন আর হইত না। কারণ আর সেই সুবিধা নাই।
যোগেশ্বর কর্মকার ঠাকুরের সাথে সাথে বহু জায়গায় যেতেন ।
তাতে অন্যরা তাকে শ্রদ্ধা ভক্তি করত শুধু নয়, ঠাকুরও তাকে এটা সেটা দিতেন। কিন্তু ঠাকুরের প্রতি কোনো গভীর বিশ্বাস তার ছিল না। যেতেন কিছু পাওয়ার লোভে। একবার চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গি বাজারে ঠাকুর আছেন বিধুভূষণ বোসের বাড়িতে। রাতে অনেক শিষ্যরা বসে আছেন। যোগেশ্বর বাবু সেখানে গিয়ে হাজির। ঠাকুর যেখানে বসেছিলেন সেখানে গিয়ে ঠাকুরের দু-পা জড়িয়ে ধরে এনে নিজের কপালে ঠেকালেন।
ঠাকুর বললেন - আহা ভক্তি দেখাইয়া এত নমস্কার করতাছেন। এদিকে ত মনে মনে আমারে লইয়া অকুল সাগরে ভাইস্যা বেড়াইতেছেন।
অন্যান্য আশ্রিত ও ভক্তরাও একথা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেল। ঠাকুর এসব কী বলছেন! ঠাকুরের মুখের দিকে আবার তিনি তাকালেন। ঠাকুর আবার বললেন- মূর্খরা টাকা বাজাইয়া লয়না। নাইলে ধরা পড়লে পুলিশে যাইব এই ডরে চালাকরা টাকা বাজাইয়া লয়। বলতে বলতেই ঠাকুর হেসে উঠলেন। তারপর বললেন- নেন নেন আর বাজান লাগত না। আর মনের সাথে যুদ্ধ করতে হইব না। ঠাকুরকে প্রনাম করে যোগেশ্বর কর্মকার ফিরে এলেন।

📑পরমেষ্ঠী গুরু শ্রীশ্রী রামঠাকুর
🖋️ডঃ প্রশান্ত কুমার ভট্টাচার্য
📄পৃষ্ঠা: ৪৪৪

31/05/2026

গোপালের গল্পের আসরে পড়ুন গোপাল ভাঁড়ের হাসির কাহিনী,

01/05/2026

Address

Agartala
799001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Sri Ram Thakur Katha and Kirtan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category