09/09/2022
আজ আমাদের গনতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের বন্ধুরা যে খবর পরিবেশন করছেন তাতে দেখতে পেয়েছি ১০৩২৩ নামক তথাকথিত সংখ্যাকে নাকি জয়েন্ট সেক্রেটারি অফ এডুকেশন আজ থেকে বিদ্যালয়ে যেতে বারন করেছেন।আমি বলতে চাই যে উনার মেমোতে উনি বলেছেন যে আমাদের RTI এর উত্তর নাকি WP(C)1040/2014 এবং SLP(C)১২৯৮/২০২০ এর জাজমেন্টে দেউয়া আছে। আমাদের RTI এর উত্তরে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন আমরা 'তন্ময় নাথ 'মামলা অর্থাৎ ১৮৯৯৩-১৯০৪৯/২০১৪ এই ক্লাব জাজমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নই। তিনি এই অবৈধ মেমোর মাধ্যমে এখানে বুঝাতে চেয়েছেন যে ২০১৯ ও ২০২০ এর দেওয়া কোর্টএর রায়ের মাধ্যমে আমরা মুল কেইস অর্থাৎ 'তন্ময় নাথ' মামলা যেটার নিস্পত্তি হয়েছিল ২৯/০৩/২০১৭ সালে তার পার্টি হয়ে গেছি।কিরকম হাস্যকর ব্যাপার।
আমার বক্তব্য হল আমাদের মুল মামলায় রায় প্রদান করা হয়েছিল জাজমেন্ট ইন পারসন এম পদ্ধতিতে। কারন সুপ্রিম কোর্ট ২০১৬ সালে ৪৬২ জন শিক্ষক তথা পিটিশনার এবং রেস্পন্ডেন্ট মোট ৯১৪ জনকে পেপার নোটিশ এবং পার্সোনাল নোটিশ প্রেরন করে রায় দান করেছিল।আমাদের কোনো নোটিশ প্রেরন করে নি।তাই আমাদের উপর এই রায় লাগু হবেনা যা সুপ্রিম কোর্ট তার RTI এর উত্তরের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন।
এবার প্রশ্ন হল যদি হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট ২০১৯ ও ২০২০ সালে যদি তার রায় 'জাজমেন্ট ইন রেম' পদ্ধতিতে করত অর্থাৎ তাহলে আমাদের প্রত্যেকের নামে পেপার নোটিশ ও ব্যাক্তিগত নোটিশ প্রদান করত যেটা সুপ্রিম কোর্ট আমাদের মুল মামলায় অর্থাৎ 'তন্ময় নাথ' মামলায় ২০১৬ সালের ১৫ ই জুন তারিখে ৯১৪ জনকে নোটিশের মাধ্যমে করেছিল।
তাছাড়া ২০২১ সালে হাইকোর্টের WP(C)119/২০২০ অর্থাৎ 'সুদীপ দেবনাথ' মামলায় রাজ্য সরকার কোর্টে এফিড এভিড দিয়ে বলেছিল যে আমাদের মূল মামলায় অর্থাৎ আমাদের এই ক্লাব জাজমেন্টে ২০১২ সালের ৪ জন AT WP(C)537/2014 মূলে জড়িত এবং তাদের শোকজ নোটিশ প্রেরন করেছিল।
তাই আমার প্রশ্ন হল যদি আমরা তন্ময় নাথ মামলার পক্ষভুক্ত ই হয়ে থাকি তাহলে সরকার এবং কোর্ট আমাদের কেন কোনো নোটিশ প্রদান করে নি? কারন সংবিধানের 311(A, B) ধারায় বলা আছে কোনো সরকারী কর্মচারীকে টার্মিনেশানের আগে তাকে নোটিশ করতে হয় যেটা ২০১২ এর AT কে করা হয়েছিল আমাদের নয়।
সুতরাং সর্বশেষ এটাই বলতে পারি আপনি ডিরেক্টর মহোদয়া আমরা ২০১৭ সালের মুল মামলা এবং ২০১৯ ও ২০২০ সালের কোনো মামলার ই পক্ষভুক্ত নই তাই আমাদের RTI কে মান্যতা দিয়ে আমাদের বিদ্যালয়ে যোগদানের ব্যাবস্থা করুন।
ধন্যবাদান্তে ঃ- একজন অনৈতিকভাবে চাকুরীচ্যুত শিক্ষক Santanu Bhattacharjee