বাতিল হয়েছে লক্ষ লক্ষ মহিলার ভোটার কার্ড আপনার নাম বাদ যায়নি তো????
GK Bandhu
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from GK Bandhu, Education, Adra.
05/07/2025
প্রতিবছর রিপোস্ট করি আমি 🥀
কেউ পড়ুক না পড়ুক 🙂
প্রতিবছর এই দিনটা আসলেই আমি বরুণ বিশ্বাসের কথা লিখবো। কারণ বরুণ বিশ্বাসকে কিছুতেই হারিয়ে যেতে দেওয়া চলবে না। বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যু সংবাদ শুনে তাঁর মায়ের প্রতিক্রিয়া ছিলো- "আমি তো মা, ছেলের জন্য যদি আছাড়ি পিছাড়ি করে কাঁদি তাহলে অন্য মায়েরা ভয় পাবে। কেউ আর তাঁর ছেলেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে 'বরুণ' হতে বলবে না। এর ফলে আর একটা 'বরুণ' যে কখনোই তৈরি হবে না।"
কিন্তু আরেকটা বরুণ তৈরি হলো কই? আমাদের কারও মধ্যে সেই দৃঢ়তা জন্মালো কই? আমাদের শিরদাঁড়া অতটা শক্ত হলো কই? আমরা ভয় পেয়ে লুকিয়ে গেলাম। আমরা তেলের বাটি উপুড় করে দিলাম। আমরা চেনাজানা কাউকে রুখে দাঁড়াতে দেখলে, তার হাত ধরে টেনে পিছিয়ে আসলাম।
"মৃত্যু বলে কিছু হয় না। মানুষ তখন মারা যায়, যখন আমরা তাঁদের ভুলে যাই।"— বরুণ বিশ্বাসকে নিয়ে ভাবলে আমার এই লাইনটাই মনে পড়ে বারবার। তাই আগামী প্রজন্মের সাথে পরিচয় করান বরুণ বিশ্বাসের। ওদের বোঝান যে সুপারহিরো হতে গেলে হাতুড়ি, শিল্ড কিংবা আয়রন স্যুট লাগে না। লাগে শুধু একটা পেন আর একটা সাদা পাতা। মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে, এইটুকুই যথেষ্ট।
🖋️ Aveek Ray
02/07/2025
দিল্লিতে প্রথমবার কৃত্রিম বৃষ্টি!
দূষণ মোকাবিলায় এক নতুন দিগন্ত!
দিল্লির দূষণ একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা, যা জনজীবনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে।
তবে এবার এই সমস্যার সমাধানে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে! আগামী ৪ জুলাই থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে প্রথমবার কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত ঘটানোর চেষ্টা করা হবে।
এই অভিনব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বায়ুদূষণ কমানো।
বিমান থেকে মেঘের মধ্যে সিলভার আয়োডাইড (Silver Iodide) ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
এই সিলভার আয়োডাইড মেঘের জলীয় বাষ্পকে ঘনীভূত হতে সাহায্য করবে এবং ফলস্বরূপ বৃষ্টিপাত হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি 'ক্লাউড সিডিং' (Cloud Seeding) নামে পরিচিত।
এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি যৌথভাবে পরিচালনা করছে আইআইটি কানপুর (IIT Kanpur) এবং আইএমডি পুনে (IMD Pune)।
প্রাথমিকভাবে, এই কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ১০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চালানো হবে।
দিল্লির বায়ুমান প্রায়শই বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে যায়, যা শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়। কৃত্রিম বৃষ্টি দূষণ কণাগুলিকে ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করবে, যার ফলে বাতাসের গুণমান উন্নত হবে এবং দিল্লিবাসীর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হবে।
এটি নিঃসন্দেহে দিল্লির আকাশকে পরিষ্কার করার দিকে একটি ঐতিহাসিক প্রচেষ্টা এবং দূষণের বিরুদ্ধে একটি সাহসী পদক্ষেপ! 🛩️⛈️
22/06/2025
🇮🇳✨ নিনা গুপ্তা – আধুনিক বীজগণিতের রাণী! 👩🏫
একজন ভারতীয় গণিতবিদ, যিনি সমাধান করেছেন এমন একটি সমস্যা—যেটা বিশ্বের সেরা গণিতবিদরাও দশকের পর দশক ধরে পারছিলেন না!
📣 যখন কেউ বলে “গণিত কঠিন,” তখন আপনি তাঁদের নিনা গুপ্তার কথা মনে করিয়ে দিন—কলকাতার সাহসী এক নারী গণিতজ্ঞ, যিনি বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন গণিত সমস্যাগুলোর একটি একা হাতে সমাধান করেছেন।
📚 নিনা গুপ্তা কে?
তিনি ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট (ISI), কলকাতার একজন তরুণী অধ্যাপক।
২০২১ সালে তিনি পেয়েছেন রামানুজান পুরস্কার—বিশ্বের গণিত ক্ষেত্রে অন্যতম সম্মানজনক আন্তর্জাতিক পুরস্কার!
তাঁর অসাধারণ সাফল্য:
নিনা সমাধান করেছেন বিখ্যাত Zariski Cancellation Problem—একটি সমস্যা যা ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বড় বড় গণিতবিদদের ধাঁধায় ফেলেছিল।
এই সমস্যাটি এমন এক প্রশ্ন করে:
👉 "যদি দুটি জ্যামিতিক অবজেক্টকে একটি ঘনবস্তু (কিউব) যোগ করার পর দেখতে একইরকম লাগে, তাহলে কি ওরা আসলেই আগে থেকেই একইরকম ছিল?"
শুনতে সহজ লাগলেও, এটা বীজগণিতের এক গভীর রহস্য…
আর নিনা গুপ্তা সেটি একা সমাধান করেছেন। 💪
একজন আগ্রহী ছাত্রী থেকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পর্যন্ত
১৯৮৪ সালে জন্ম, ছোটবেলা থেকেই গণিতে অদম্য ভালোবাসা।
ISI-তে পড়াশোনা শেষ করে সেখানেই অধ্যাপনা—আর নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন বিশুদ্ধ গণিতের গভীরে।
তাঁর অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন: ✅ রামানুজান পুরস্কার (২০২১)
✅ শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার
✅ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গণিত সংস্থাগুলোর স্বীকৃতি
কেন তিনি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা:
🔹 তিনি প্রমাণ করেছেন, গভীর চিন্তা আর একাগ্রতাই সাফল্যের চাবিকাঠি
🔹 তিনি এমন মেয়েদের রোল মডেল, যারা সংখ্যা ভালোবাসে, পাজল ভালোবাসে, আর সবার থেকে একটু আলাদা চিন্তা করতে চায়
নিনা গুপ্তার গল্প আমাদের শেখায়:
“গণিত শুধু ‘ব্রিলিয়ান্ট’ লোকদের জন্য নয়—এটা কৌতূহলী, ধৈর্যশীল, আর সাহসী মানুষদের জন্য।”
চলুন, তাঁর অসাধারণ মেধাকে উদযাপন করি—
আর আমাদের সন্তানদের দেখাই, ওরাও পারবে একদিন, ঠিক নিনা গুপ্তার মতো।
পৃথিবী বদলাতে জন্মের জায়গা নয়, দরকার জেদ আর ধৈর্য।
©সংগৃহীত
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Jugular Mandal, Ujjal Goswami
14/02/2025
কেন ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি পালন করা হয় ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে?
রইল ইতিহাস
১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালনের ইতিহাস রোমান উৎসব লুপারক্যালিয়ার সাথে জড়িত।
সেন্ট ভ্যালেন্টাইন, একজন খ্রিস্টান পুরোহিত, রোমান সম্রাটের আইন অমান্য করে গোপনে সৈন্যদের বিয়ে দিতেন, যার জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্যালেন্টাইন্স ডে ধারণাটি রোমান উৎসব লুপারক্যালিয়া থেকে উদ্ভূত। যা ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হত। পরে ৫ম শতাব্দীর শেষের দিকে এই প্রথাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। পোপ গ্যালাসিয়াস প্রথম সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করেন।
প্রচলিত ধারণা অনুসারে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ছিলেন একজন পুরোহিত। যিনি দম্পতিদের গোপনে বিয়ে দিতে সাহায্য করতেন। সেই সময় শাসনকারী রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস পুরুষদের বিয়ে করার অনুমতি দিতেন না। তিনি একটি আইন তৈরি করেন। যাতে বলা হয়েছিল, সেনাবাহিনীতে চাকরি করা যুবকেরা বিয়ে করতে পারবে না। ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন যখন এই আইন সম্পর্কে জানতে পারেন তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই আইনটি অন্যায়। তাই যে সকল সৈন্যরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায় তাদের গোপনে বিয়ে দিতেন তিনি। পাশাপাশি তিনি অন্যান্য লোকেদের মধ্যেও ভালোবাসা জাগিয়ে তুলতে প্রচার শুরু করেন। কিন্তু, খুব তাড়াতাড়ি দ্বিতীয় ক্লডিয়ার সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের এই কাজ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং শাসকের নির্দেশে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্সের শিরোচ্ছেদ করা হয়। তাঁকে সম্মান জানাতেই পালিত হয় ভ্যালেন্টাইন্স ডে।
জানেন কি কেন এই দিবস পালন করা হয়?
পঞ্চালশ শতাব্দীতে প্রেম নিবেদনের জন্য ভালাবাসা শব্দটি প্রেমের কবিতা এবং গল্পগুলোতে ব্যবহার হত। ভ্যালেন্টাইন নামসহ বেশ কিছু বই, গল্প ও কবিতা ছিল। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় লেখাগুলো গ্রিটিংস কার্ডের মাধ্যমে প্রচারিত হত।
এই দিনটি পালনে বিশেষ উদ্দেশ্য আছে। প্রিয়জনকে কয়েকটা দিন উৎসর্গ করা হয় ভালোবাসা দিবস পালনের উদ্দেশ্য। আপনার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন এমন ব্যক্তিকে এই দিনে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানানো হয়ে থাকে।
🙏 আমাদের দেওয়া তথ্য ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং শেয়ার করবেন ও চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করবেন🙏🍫💐💐💐
15/01/2025
জয় হিন্দ।
প্রতি বছর 15 জানুয়ারি ভারতীয় সেনা দিবস পালিত হয়।
কিন্তু কেন?
এই দিনেই প্রথম ভারতীয় সর্বাধিনায়ক হিসেবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নেন। তার নাম ছিল জেনারেল কে এম কারিয়াপ্পা, পরে ফিল্ড মার্শাল। তিনি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর শেষ ইংরেজ প্রধান জেনারেল স্যার ফ্রান্সিস রবার্ট রয় বুচারের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের স্মরণে, জাতি প্রতি বছর 15 জানুয়ারি ভারতীয় সেনা দিবস পালন করে।
ভারতবাসী হিসেবে ভারতীয় আর্মির প্রতি গর্ববোধ করলে শেয়ার করুন🙏
কমেন্টে অবশ্যই জয় হিন্দ লিখবেন❤
22/10/2024
‘দানা’র হানা!
কে দিল এমন নাম? অর্থ কী?
বছর বছর ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে এক একটি দেশ।
কী ভাবে হয় নামকরণ?
বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়গুলির নামকরণের জন্য ১৩টি দেশের সুপারিশের প্রয়োজন। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)-র দেশগুলি এই নামকরণ করে। নির্ধারিত নাম সুপারিশ করতে হয় 'প্যানেল অন ট্রপিকল সাইক্লোন'-এ। সেখান থেকেই বেছে নেওয়া হয় নাম। নামকরণের সময় কোনওভাবে ধর্ম বা জনজাতিকে আঘাত করা যাবে না।
তোমরা কমেন্ট করে জানাও 'দানা' নামকরণ করেছে কোন দেশ?
01/07/2024
বিধানচন্দ্র রায়: এক আপোষহীন মুখ্যমন্ত্রী
১৯৪৮ সালে পশ্চিমবাংলায় প্রফুল্ল ঘোষের মন্ত্রিসভা ভেঙে গেলে বিধান রায় প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান নির্বাচিত হন এবং তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দায়িত্ব নিতে হয়। তখন তাঁর বয়স ৬৫। এরপর একটানা সাড়ে ১৪ বছর তিনি সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।
প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়। বাংলার দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র এই দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৯৪৮ এর ২৩ জানুয়ারি। সুভাষের জন্মদিনের দিন ।সুভাষচন্দ্রের চেয়ে বিধানচন্দ্র ছিলেন পনেরো বছরের বড়। আর নেহরুর চেয়ে ছিলেন বছর সাতেকের বড়। সুভাষ এবং নেহেরু দুজনের সঙ্গেই ছিল বন্ধুর মত সম্পর্ক। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের হাতধরেই রাজনীতিতে উত্থান ডাক্তার রায়ের।
মহাত্মা গান্ধী, মতিলাল নেহেরু, জওহরলাল নেহরু থেকে সর্দার বল্লভভাই পটেল তাঁর কে-না তাঁর চিকিৎসা-পরামর্শ নিতেন।” আমেরিকার রাষ্ট্রপতি কেনেডির সাথে এক সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকারে কেনেডির রোগ ধরে দেওয়ায় অবাক কেনেডি ডাক্তার রায়কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “একজন রাজনীতিবিদ হয়ে আপনি এ কাজ করলেন কি করে?” উত্তরে বিধান রায় বলেছিলেন- “Sir I am doctor by profession and a politician my passion.” মহাত্মা গান্ধী তাই বিধান রায় প্রসঙ্গে বলতেন, “Bidhan the shifty hand of India.”
ডাক্তার রায়ের বিশাল প্র্যাকটিসের কোনও মাপজোক আজও হয়নি। কলকাতার বাইরেও বার্মা থেকে বালুচিস্তান পর্যন্ত তাঁর ডাক্তারির দাপট ছিল। ভাবা যায়! কলকাতায় বিধান রায়ের সঙ্গে দেখা করতেই পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে দিকপাল রাষ্ট্রনেতারা আসতেন। মিশরের প্রেসিডেন্ট কর্নেল নাসের থেকে রাশিয়ার ক্রুশ্চেভ— কে না এসেছেন তাঁর কাছে।
বাংলার ইতিহাসের কঠিনতম সময়ে বিধানচন্দ্র রাইটার্সের লালবাড়ির দায়িত্বে নিযুক্ত হন। সাড়ে ১৪ বছর সেই দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। ডাক্তার রায়ের সেক্রেটারি সরোজ চক্রবর্তী এক জায়গায় লিখছেন, “প্রথম দু’বছর তিনি ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়েছিলেন। নিজের জমি বিক্রি করেছিলেন, নিজের শেয়ার বিক্রি করেছিলেন, এমনকী শৈলশহর শিলং এর প্রিয় বাড়িটাও বিক্রি করে দিয়েছিলেন।” এই ছিলেন বিধান রায়।
25/08/2023
নতুন একটি ভিডিও,
নবম শ্রেণীর বিষয় :-ব্যাপনে উষ্ণতার প্রভাব
নবম শ্রেণী:-ব্যাপনে উষ্ণতার প্রভাব সংজ্ঞা:- যে প্রক্রিয়ায় কোন পদার্থের অনুগুলো বেশি ঘনত্বের অঞ্চল হতে কম ঘনত্বের অঞ্চলের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স....
25/08/2023
নতুন একটি ভিডিও
নবম শ্রেণীর বিষয়
ব্যাপনে উষ্ণতার প্রভাব
ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন
নবম শ্রেণী:-ব্যাপনে উষ্ণতার প্রভাব সংজ্ঞা:- যে প্রক্রিয়ায় কোন পদার্থের অনুগুলো বেশি ঘনত্বের অঞ্চল হতে কম ঘনত্বের অঞ্চলের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Adra