25/07/2026
শিক্ষামন্ত্রী হলে হয়তো প্রথমেই শিক্ষকদের ডেকে জিজ্ঞেস করতাম—
“১২,৫০০ টাকা বেতনে মাস কাটান কীভাবে?
সুইস ব্যাংকের লকারের পাসওয়ার্ড কোথায় লুকিয়ে রেখেছেন?
ছেঁড়া কাঁথায় ঘুমিয়েও এত সুখী থাকেন কী করে?
ঈদে নতুন কাপড় কেনার টাকা আসে কোথা থেকে?
নিশ্চয়ই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকেন, তাই না?”
কারণ আমরা তো গবেষণা করছি—শিক্ষকদের জীবনে আর কোনো সুযোগ-সুবিধা অবশিষ্ট আছে কি না!
যদি কোথাও সামান্য সম্মান, একটু স্বস্তি বা ন্যূনতম প্রাপ্য খুঁজে পাওয়া যায়, সেটাও দ্রুত বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে!
অদ্ভুত এক সমাজে বাস করছি আমরা—যেখানে একজন শিক্ষক তার ন্যায্য অধিকার চাইলে তাকে সুবিধাভোগী বলা হয়, কিন্তু তার সংগ্রাম, ত্যাগ আর অভাবের হিসাব কেউ রাখতে চায় না।
শিক্ষকদের নিয়ে গবেষণা হোক, তবে কীভাবে তাদের আরও বঞ্চিত করা যায় তা নয়; কীভাবে তাদের মর্যাদা ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে।