Adarsha High School, K M HAT, FENI

Adarsha High School, K M HAT, FENI

Share

Adarsha High School: home of schoolar

21/12/2023
29/01/2022

মাঠ বাচাতে আন্দোলন করবেন? জামায়াত শিবির ট্যাগ পাবেন। যে বা যাহারা স্কুল মাঠ ধ্বংস করে ভবনের পক্ষে উচ্চ বাচ্চ করছে আদতে স্কুলের জন্য তাদের বিন্দু মাত্র অবদান হারিকেন দিয়ে খুজেও পাবেন না।

Photos from Adarsha High School, K M HAT, FENI's post 27/01/2022

আজকে পার্থক্য টা অনুভবে নয় চোখের সামনে।
আজকে সুউচ্চ দালান হয়েছে কিন্তু টিনসেট টার প্রতি ভালোবাসা অফুরন্ত। আমাদের প্রাক্তনদের এসএসসি হোস্টেল জীবনটা এখানে কাটিয়েছি বলে হয়তো ভালোবাসা টা একটু বেশি। কিন্তু সেই টিনসেট আজ আর নেই আর বাকি থাকলো মাঠ। সেটা ও আর বেশি দিন নেই হয়তো কিছুদিনের মধ্যে দালান দাঁড়িয়ে যাবে।শুনেছি স্কুলের কারিগরি শাখার জন্য নতুন ভবন হচ্ছে।
অনুসন্ধান করে আরো কিছু বলতে গেলে হয়তো অনেকের বদবচন দেখতে বা শুনতে হবে মেসেঞ্জারে।পূর্বে বিদ্যালয়ের নানান অনিয়ম নিয়ে কথা বলাতে অনেক অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে।

24/05/2021

অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে যদি বাস চলতে পারে তবে অর্ধেক ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ক্লাস করতে পারে না কেন?

অনেক পদ্ধতিতে ক্লাস করানো যেতে পারে তার মধ্যে একটি পদ্ধতি হল-

ছাত্রছাত্রীদের দুই ভাগে ভাগে করতে হবে।
বিজোড় রোল (১,৩,৫,৭......) ও জোড় রোল (২,৪,৬,৮.....। এতে দুই গ্রুপেই ভালোমন্দ ছাত্রছাত্রী থাকবে।

বিজোড় রোল ধারীদের ক্লাস হবে ৩ দিন শনি, সোম, বুধবার৷
এবং জোড় রোল ধারীদের ক্লাস হবে ৩ দিন রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতিবার। একদিন পরপর।

একজন শিক্ষক একই টপিকস শনি ও রবি/ সোম ও মঙ্গল/ বুধ ও বৃহস্পতিবার আলোচনা করবেন৷
তাহলে কোন ছাত্রছাত্রী তাদের ক্লাস মিস করবে না। সব ছাত্র সব ক্লাসই পাবে।

আসলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কেউ ভাবে না। ভাবলে ভালো কোন সমাধান এতদিনে বের হতো।

Rest in Peace Education.
Go to fish cultivation.

27/02/2021

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ আগামী ৩০ মার্চ ২০২১ তারিখে খুলে দেয়া হবে।

এম এ খায়ের,
জনসংযোগ কর্মকর্তা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়

22/07/2019

একটি মানবিক আবেদন....।

নামঃ সালমা আক্তার।
ব্যাচঃ ২০০৬
স্কুলঃ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ফেনী।

আমাদের স্কুলের সিনিয়র আপু; দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। ডাক্তার বলেছেন চিকিৎসা করলে সালমা আপু সুস্থ হয়ে উঠবে। আমরা সবাই জানি ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। বেশ কিছুদিন যাবত উনার পরিবার এবং স্বামী চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা ব্যয় করেছেন। চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আরও অনেক টাকা প্রয়োজন। সালমা আপুর এক ছেলে ও এক মেয়ে। দুই সন্তানের জন্য বেচে থাকার আকুতি তার হৃদয়ে কড়া নাড়ছে অজস্র বার। আমি বিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান ছাত্রছাত্রীদের সকলের নিকট আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনার অতিক্ষুদ্র অবদানে উনার চিকিৎসার ব্যয় মেটানো সম্ভব।
প্রত্যেক ব্যাচ থেকে কেউ একজন করে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসলে কাজটা অনেক সুবিধাজনক হবে।

বিকাশ নাম্বারঃ 01812804406 (রোগীর ব্যাচমেট)
যোগাযোগঃ 01834647672 (রোগীর ভাই)

22/07/2019

#সকলের নিকট দোয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানাচ্ছি।
#সালমা_আক্তার
#আদর্শ_উচ্চ_বিদ্যালয়, ব্যাচ ২০০৬

সালমা আক্তার, ক্যান্সার রোগে ভুগছেন। ডাক্তার বলেছেন চিকিৎসা করলে সালমা সুস্থ হয়ে উঠবে। আমরা সবাই জানি এরোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল।
বেশ কিছুদিন যাবত তার পরিবার এবং স্বামী চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা ব্যয় করেছেন। চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আরও অনেক টাকা প্রয়োজন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে।
আমি সর্বস্তরের মানুষের নিকট দোয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

রোগীর ভাই (রাসেল)- 01834647672

বিকাশ নাম্বারঃ
শরীফুল ইসলাম রবিন
01812804406

20/07/2019

স্কুলের ব্যাগটা বড্ড ভারী আমরা কি আর বইতে পারি? এও কি একটা শাস্তি নয় ?

09/12/2018

ছাত্ররা বেয়াদব একদিনে হয় নাই.......
.........
>> এই ছাত্ররা স্কুলে মিনি সংসদ নির্বাচন করেছে। তখন এইসব রাজনীতি তাদের কে শিখিয়েছে।
>> ক্লাস সেভেন এইটের ছাত্রছাত্রীদের ফেসবুক আইডি আছে এবং স্যাররা তাদের ফ্রেন্ডলিস্টেও আছে।
>> বিগত দিনে কমিটি নিয়ে এবং সভাপতি নির্বাচন নিয়ে স্কুলে দলাদলী আর মারামারি ছিল সাধারন ঘটনা। এইসব প্রভাব ছাত্রদের উপরও পড়ে।
>> অনেক আগে থেকেই স্যারদের সম্মান মাটির নীচে চলে গেছে। কোন ছাত্রকে বেত্রাঘাত করলে, তার পক্ষে হুমকি দেয় তার বড়ভাই। স্যারদের অফিসে এসে শাসিয়ে যায় বড়ভাইরা। ছোটভাইরা এখান থেকেই শিক্ষা নিয়েছে। স্যারদের শাসন করার ক্ষমতা আগেই কেড়ে নিয়েছেন।
>> স্কুলে নিয়মিত মোবাইল এবং বাইক নিয়ে আসে ছাত্রছাত্রীরা। স্যাররা এতদিন কিছু বলে নাই।
>> তাদের ক্ষোভ ও আন্দোলনের কথা এলাকা ও বাজারের অনেকেই জানতো, কিন্তু সবাই তাদের তখন মানসিক সাহস জুগিয়েছে। ভেবেছিল তারা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করবে৷ কিন্তু এরা যে ভাইরাল যুগের টাউট পোলাপান, এটা উনারা জানতো না।
…..
তাই ছাত্রদের সব দোষ না দিয়ে অভিভাবককে বলুন মোবাইল ও বাইক কেড়ে নিতে। স্যারদের বলুন বেশি বেশি ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট না পাঠিয়ে ছাত্রছাত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ার অপকারিতা সম্পর্কে বলতে। এলাকা ও বাজারে যারা সমর্থন দিয়েছেন, তারা নিজেরা যেকোন সমস্যা সমাধান করুন। বাচ্চাদের হাতে মীমাংসার দায়িত্ব দিবেন না। পরিশেষে অনুরোধ থাকবে, স্কুলকে রাজনীতি ও ব্যক্তিমতের উর্ধ্বে রাখুন। এই স্কুলে মিশে আছে পেয়ারা সাহেবের স্বপ্ন, এবু ভুঁইয়া, সার্জেন্ট সামশুল হক, আলাম কোম্পানি, মনু মাঝি, কালু মাঝি, বসু মিয়া, চন্দ্রু মিয়াদের মত এলাকার মুরুব্বিদের পরিশ্রম ও ত্যাগ৷ বিনা বেতনে চাকরি করে স্কুলকে আজকের অবস্থানে এনেছেন তখনকার এলাকার উচ্চশিক্ষিত মানুষেরা। তাই শিক্ষকদের দলাদলী, ছাত্রদের বখাটেপনা, কমিটির রেষারেষি বন্ধ করে এলাকার স্বার্থে এবং স্কুলের স্বার্থে এক হয়ে কাজ করুন।

08/12/2018

স্বাধীনোত্তর সময়ে শুধুমাত্র আত্মসম্মানবোধের কারনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। কারন ফাজিলপুরের জিন্নাহ স্কুলে আমাদের এলাকার চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যথাযথ সম্মান পেতেন না। তাই এলাকার দলমত নির্বিশেষে সকল মুরুব্বিরা একত্রিত হয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। কেউ অর্থ দিয়ে, কেউ জমি দিয়ে, কেউ গম দিয়ে, কেউ শ্রম দিয়ে, কেউ অফিসিয়াল অনুমোদন এনে দিয়ে এই স্কুল আজকের অবস্থানে এসেছে। কিন্তু আপনারা এখন কেউ বিএনপি, কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ জামায়াত হয়ে গেছেন। এলাকার সম্মান, স্কুলের সম্মানের চেয়ে আপনাদের নিকট রাজনৈতিক পরিচয় বড় হয়ে গেছে। ভাল কিছু হতে গেলে স্কুলে আপনারা রাজনীতি খুজেন। আবার আপনাদের হীন রাজনৈতিক খায়েশ পূরন করতে কেউ ছাত্রদের শিবির বানাতে তালিম দেন। কেউ ছাত্রলীগ বানান।
......
হুজুগ নিয়ে কিছু কথা....
>> আন্দোলনকারী ছাত্ররা বেয়াদব, বাজারে ঘুরে বেড়ায়, সিগারেট খায়, মোবাইল চালায়, স্যারদের নামে প্লেকার্ড বানায়৷ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি বাজারে ঘুরতে দেখলে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন। স্কুলে মোবাইল আনলে প্রধান শিক্ষক কি ব্যবস্থা নিয়েছেন। তারা প্লেকার্ড কিনল কোথায় থেকে, মার্কার দিল কে। ছাত্রদের বাজারে সিগারেট খেতে দেখে সাবেক ছাত্ররা কি পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। একদিনে ছাত্ররা বেয়াদব হয় নাই। লাই পেয়ে পেয়ে হয়েছে। এই লাই দিয়েছে পরিবার, সমাজ এবং স্কুল।
>> ৮জন ছাত্রকে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, কারন তারা বেয়াদব। যখন বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্ররা বিভিন্ন কোচিং খুলে বসে এবং এলাকায় স্যারদের বিরুদ্ধে নানা অশালীন কথা বলেছে; তখন কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। আন্দোলনের দিন সকালবেলা ফেসবুকে লাইভ দেখানো সাবেক এক ছাত্র এখন স্যারের পক্ষে বিশাল শ্লোগান দিচ্ছেন।
>> বেয়াদব ছাত্রদের লিস্ট করে গুলি করার এবং পিটিয়ে তক্তা বানাতে চাওয়া সাবেক ছাত্রটি নিজে হোস্টেলে থাকাকালীন ডাব চুরি করে ধরা খেয়েছিলেন।
>> ঘটনার সাথে অনেকেই রাজনীতিকে জড়িয়ে ফায়দা লুটতে আবারো ব্যস্ত। কেউ কেউ অন্য স্যারদের নামেই অপপ্রচার চালাতে শুরু করেছে।
>> প্রধান শিক্ষকের অফিসে হামলা হয়েছে। শংকর দেবনাথ স্যার এর আগেও অপমানিত হয়েছেন। কয়েকজন শিক্ষক অপমানিত হয়ে স্কুল ছেড়েছেন। তখন তো আপনারা কারো বিচার চান নাই। তখন বিচার করলে আজকে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।
>> স্কুলে বসে স্যাররা ছাত্রদের ডেসটিনির পাঠ দিতেন। তখন এলাকার এই ভাল মানুষরা কোথায় ছিলেন?
>> ছাত্ররা যেমন হুজুগের তালে নেচে স্যারকে অপমান অপদস্থ করেছেন। তেমনি সাবেক অনেক আবাল ছাত্র হুজুগে নাচতেছেন। কিন্তু স্কুলের অতীত কোন সমস্যায় আপনার মত আবালকে দেখা যায় নাই। ভবিষ্যতেও যাবে না।
>> এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরনে কার কি ভূমিকা, সেটা দৃশ্যমান। ম্যানেজিং কমিটি, নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি বর্গ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ; কেউ এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে মাথা ঘামান না, কাজও করেন না৷ দলমত নির্বিশেষে সকল ছাত্র ও অভিভাবক কালু মাঝিকে ভয় পেতেন। দলের উর্ধ্বে উঠে তিনি স্কুল ও এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতেন এবং ছাত্রদের বাজারে দেখলেই ধমক দিতেন। এখন কমিটি কি এইসব করেন??? মাত্র ৩০০টাকার হিসাবের গড়মিলের জন্য বিল আটকে দিয়েছিলেন স্কুলের সাবেক পরিচালনা পরিষদ সদস্য ডাঃ সাদিক। অথচ বর্তমান কমিটি খবরই রাখে না এইসবের। কোটি টাকার হিসাব ৩জন শিক্ষকের দখলে। বিদ্যালয়কে লাইনে রাখা, ছাত্রদের লাইনে রাখার দায়িত্ব এলাকাবাসীর। কিন্তু আপনারা ব্যস্ত দলাদলীতে।
>> যখন স্কুলের ছাত্ররা বাইক নিয়ে ক্লাসে আসে, মোবাইল নিয়ে ক্লাস করে৷ তখন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও প্রধান শিক্ষক কি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন?
>> ছাত্ররা বাজারে ঘুরে বেড়ায়, সিগারেট খায়। এই অভিযোগে অনেকে তাদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছেন। কিন্তু বাজারে ঘুরতে দেখে এবং সিগারেট খেতে দেখে, আপনি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন? সিগারেট তো আপনারাও খান বাজারে। অহেতুক বাজারে আপনিও ঘুরে বেড়ান।
>> সাবেক অনেক ছাত্র রীতিমতো অগ্নিশর্মা রুপ ধারন করেছেন। অথচ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষায় ৪হাজার টাকা বেশি নিচ্ছে, গরিব ছাত্রছাত্রীকে মাফ করা হচ্ছে না৷ দেশে এখন প্রাইভেট বন্ধ, তাই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের কোচিং করতে বাধ্য করেন শিক্ষকরা। লাখ লাখ টাকা কামাচ্ছেন কোচিং থেকে। যার সামর্থ্য নাই, তাকেও কোচিং করতে বাধ্য করেন। তখন আপনারা কোথায় থাকেন?
>> বিদ্যালয়ে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মান ধ্বংস করা হচ্ছে। স্বজনপ্রীতি করে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আপনাদের এই স্কুল প্রেম তখন কোথায় ছিল?
>> বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক নিয়মিত অফিস করেন না৷ অসুস্থতার নামে মাসের পর মাস ঢাকায় থাকেন। কিন্তু বেতন ভাতা এবং কোচিং এর ভাগের টাকা ঠিকই নেন। এর বিরুদ্ধে সচেতন সাবেক ছাত্ররা কি ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিদ্যালয়ে তিন শিক্ষকের সিন্ডিকেট নানা আর্থিক অনিয়মের সাথে জড়িত। অডিট কমিটির নিকট ব্যাখ্যা দিতে পারেন না বিভিন্ন লেনদেনের। এইসব খবর আপনার মত সচেতন সাবেক ছাত্র খবর রাখেন?
.....
উক্ত ঘটনা শুধুই স্যারের অপমান নয়। অনেক কিছুই ইঙ্গিত করে। একদিনে ছাত্ররা বেয়াদব হয় নাই। ছাত্রদের ব্যবহার দেখে মনে হয়েছে, সঠিক শিক্ষা তারা পরিবার, সমাজ এবং স্কুল; কোথাও পায় না। এলাকার সচেতন নাগরিক দাবী করে আপনি হুজুগে দুইদিন নেচেছেন। সারাবছর স্যারদের অপমান অনেকেই করে। স্কুলের খবর আপনি রাখেনই না। আপনি ঠিকই নাকে তেল দিয়ে ঘুমান।

Want your school to be the top-listed School/college in Fenit?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Fenit

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm