মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো

মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো ১৯৭১ - ভুলি নাই, ভুলবো না, ভুলতে দেবো না।
টুইটারে অনুসরণ করুন: http://twitter.com/history1971

"প্রায় সুদীর্ঘ চব্বিশ বছরের শোষণের শিকার বাঙালি যখন নিজ অধিকার আদায়ে পুরোপুরি সচেতন হল,ঠিক তখনই পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী গ্রহণ করলো এক অভিনব ব্যবস্থা।বাঙালির প্রাপ্য অধিকার আন্দোলনকে দমিয়ে দিতে তারা শুরু করলো ইতিহাস ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞ। ২৫শে মার্চের কালরাতের সেই 'OPERATION SEARCHLIGHT' বিশ্বের ইতিহাসের যেকোনো নিকৃষ্টতম বর্বরতাকেও হার মানায়। বাংলা মায়ের নিরস্ত্র দামাল ছেলেরা কিন্তু থেমে থাকেনি।সর্বস্তরের জনগণ নিয়ে গঠন করলো মুক্তিবাহিনী। শুরু করলো দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য যুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধ।নয় মাসের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাঙ্গালী তার চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে আনে এবং জন্ম নেয় লাল সবুজের পতাকার নতুন একটি দেশ।নাম যার বাংলাদেশ। "- মোটামুটি এই হচ্ছে আমাদের কাছে একাত্তরের এর নয় মাসের সারাংশ।

কিন্তু একটা জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস কি মাত্র এই এক প্যারাতেই শেষ?না বন্ধুরা। এর ভেতর লুকিয়ে আছে নানা অজানা অধ্যায় আর বহু ত্যাগ তিতিক্ষা এবং কষ্টের অধ্যায়।আর সেই সব গল্প নিয়ে আমাদের এই চেষ্টা "মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোন [A Page totally based on liberation war'71]"।

প্রশ্ন আসতে পারে ইতিহাস কীভাবে গল্প হয়?

কিন্তু আপনাকে প্রচলিত ভাবে বর্ণাত্মক পদ্ধতিতে ইতিহাসকে উপস্থাপন না করে আমরা চেষ্টা করি যতটা সম্ভব গল্পের ঢং এ ইতিহাসকে তুলে ধরতে। তাই "গল্প" শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে।

একটা উদাহরণ দিতে পারি আপনাকে। আমরা অনেকেই আমাদের বাবা-মায়ের কাছে একাত্তরের কথা শুনেছি।তাদের এই বর্ণনা,বিবরণ কিন্তু ইতিহাসেরও একটি অংশ।কিন্তু আমাদের কাছে তা তারা উপস্থাপন করে খানিকটা গল্পকারে,নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে।

ঠিক সেই ভাবে প্রচলিত ইতিহাসের বোরিং রিডিং নয় এই পেইজ আপনাকে দেবে গল্পের আকারে সুপাঠ্য ইতিহাস।

শুধু রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকার বদলের সাথে সাথে পরিবর্তন করা হয়েছে ইতিহাস! আমরা সেই সঠিক ইতিহাসের পক্ষে,যা সরকার বদলের সাথে বদলাবে না।

আর দেরী কেন?তবে চলুন শুরু হোক গল্প।

ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অর্জনের গল্প....
ভালোবাসার গল্প....
কষ্ট করে অর্জনের গল্প....
এক জ্বলন্ত অধ্যায়ের গল্প....
মনে-প্রাণে মিশে একাকার হয়ে আছে যে গল্প....
যে গল্প আমাদের অস্তিত্বের....
ইতিহাসের গল্প....
স্মৃতির পাতায় লেপটে থাকা গল্প...
নির্মম সত্য গল্প...
এ যে মুক্তিযুদ্ধের গল্প....

ভাল লাগলে আমাদের এই পেইজের কথা শেয়ার করুন করে আপনার বন্ধুদের সাথে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে যাক সবার মাঝে।

আপনার মূল্যবান সময়ের জন্য ধন্যবাদ।সেই সাথে আপনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনায়,
Admin,
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোন।

19/09/2026

বাংলাদেশ কোন হঠাৎ কুড়িয়ে পাওয়া দেশ নয়। আয়তনে ছোট হলেও আমাদের মাতৃভূমির একটা দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। সেই ইতিহাসকে অসম্মান করার সাহস যেন জামাত শিবির না করে। আমাদের আরেকটি অগ্রযাত্রা চলছিল স্বাধীন বাংলাদেশে; নারীর ক্ষমতায়ন। সেখানে কোথায় আছি আমরা।
এইসব নিয়েই কথা হবে ফিনিক্স মেমোর ৭৬তম পর্বে।

শিরোনাম: বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ।

কথা বলায়: ড. নওরীন তামান্না, রানা মেহের।

সময়: শনিবার, বাংলাদেশ সময় রাত আটটা।

দেখবেন: International Crimes Strategy Forum আর https://youtube.com/ এ ।

#1971
#শেখমুজিব #বঙ্গবন্ধু #জামাত #বিএনপি #বাংলাদেশ #আওয়ামীলীগ #শেখহাসিনা #জুলাইসন্ত্রাস #ডাকসু #জিন্নাহ #তারেকজিয়া #ইউনূস #পররাষ্ট্রনীতি #ওয়াল্ডইকোনমিকফোরাম #লিঙ্গসমতা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ছিল আমাদের গর্বের-অহংকারের জায়গা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিএনপি মিলে এই অহংকারকে আন্তর্জাতিক...
01/08/2026

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ছিল আমাদের গর্বের-অহংকারের জায়গা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিএনপি মিলে এই অহংকারকে আন্তর্জাতিক ভাবে নিন্দিত একটি ক্যাঙারু কোর্টে পরিণত করেছে। যার আভাস পাওয়া যায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দেয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যে। একই সাথে চলছে সরকার এবং সরকারী দল হিসেবে বিএনপির সীমাহীন নৈরাজ্য।

এইসব নিয়েই আজ কথা হবে ফিনিক্স মেমোর ৭১তম পর্বে।

শিরোনাম: নৈরাজ্যের রাজ্যে।

কথা বলায়: ড. নওরীন তামান্না, রানা মেহের।

সময়: শনিবার, বাংলাদেশ সময় রাত আটটা।

দেখবেন: International Crimes Strategy Forum আর https://youtube.com/ এ ।

#জামাত #বিএনপি #বাংলাদেশ #আওয়ামীলীগ #শেখহাসিনা #জুলাইসন্ত্রাস #বঙ্গবন্ধু #তারেকজিয়া #ইউনূস #আন্তর্জাতিক_অপরাধ_আদালত #হিউম্যান_রাইটস_ওয়াচ

শুভ নববর্ষ। বাঙালি জাতীয়তাবাদ আমাদের পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভৌগলিক ও ঐতিহাসিক ভিত্তি বাংলার সকল ...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ।

বাঙালি জাতীয়তাবাদ আমাদের পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভৌগলিক ও ঐতিহাসিক ভিত্তি বাংলার সকল মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি ও নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ঠকে ধারণ করে এবং একাত্ম করে সবরকমের বঞ্চনার বিরুদ্ধে।

বাংলা নববর্ষের এই চমৎকার দিনে বাংলাদেশ সনদ কথা বলতে আসছে পহেলা বৈশাখ ও জাতীয়তাবাদ নিয়ে। শুনুন এবং পাশে থাকুন।

তারিখ: ১৪ এপ্রিল
সময়: বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা

বাংলাদেশ সনদ নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে করুন। আজ বাংলাদশ সময় রাত ৯টায়।
10/04/2026

বাংলাদেশ সনদ নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে করুন।
আজ বাংলাদশ সময় রাত ৯টায়।

২৫ মার্চ ১৯৭১। ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হওয়া প্রথম দলটি  প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ফার্মগেটে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়। এক বিশা...
26/03/2026

২৫ মার্চ ১৯৭১। ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হওয়া প্রথম দলটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ফার্মগেটে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়। এক বিশাল গাছের গুঁড়ি রাস্তার মাঝখানে ফেলা। এর দুপাশে পুরনো গাড়ি আর অকেজো স্টিম রোলার দিয়ে আটকানো।

ব্যারিকেডের অপর পাশে শহরের দিকটায় হাজার হাজার আওয়ামীলীগ কর্মী দাঁড়িয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে। এক কিলোমিটার দূরে জেনারেল টিক্কা খানের হেডকোয়ার্টারের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমি তাদের উদ্দীপ্ত হুংকার শুনতে পাচ্ছি। জয় বাংলা স্লোগানের সাথে এবার কয়েকটি রাইফেলের আওয়াজ। একটু পরেই একটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলির শব্দ বাতাসে শিষ কেটে গেল। তারপর! একদিকে উত্তাল শ্লোগানের ধ্বনি আরেকদিকে লাইট মেশিনগানের একটানা গুলিবর্ষণ - মিশ্র দ্যোতনা তৈরী করতে থাকে। মিনিট পনেরো পর শ্লোগানের শব্দ ধীর হতে থাকল। অস্ত্রেরই জয় হল, আপাততঃ। প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দিয়ে সেনাদল শহরে ঢুকল।

এভাবে নির্ধারিত সময়ের আগেই অ্যাকশন শুরু হয়ে গেল। এখন আর পূর্বনির্ধারিত এইচআওয়ারের জন্য বসে থাকার কোন দরকার নেই। নরকের দরজা ইতোমধ্যে খুলে দেয়া হয়েছে।

-- হাসান মোরশেদের লেখা থেকে

তন্দ্রার ভেতরে আমি শুনি ধর্ষিতার করুণ চিৎকার,নদীতে পানার মতো ভেসে থাকা মানুষের পচা লাশ,মুন্ডহীন বালিকার কুকুরে খাওয়া বিভ...
25/03/2026

তন্দ্রার ভেতরে আমি শুনি ধর্ষিতার করুণ চিৎকার,
নদীতে পানার মতো ভেসে থাকা মানুষের পচা লাশ,
মুন্ডহীন বালিকার কুকুরে খাওয়া বিভৎস শরীর
ভেসে ওঠে চোখের ভেতরে। আমি ঘুমুতে পারিনা,
আমি ঘুমুতে পারিনা-

স্বাধীনতা, সে আমার স্বজন, হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন
স্বাধীনতা, সে আমার প্রিয় মানুষের রক্তে কেনা অমূল্য ফসল...

১৯৬৪ থেকে শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কার্যক্রম-- এসময় থেকে আমৃত্যু তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ প্রায় নির্ভুল, গণিতের মতো হিস...
17/03/2026

১৯৬৪ থেকে শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কার্যক্রম-- এসময় থেকে আমৃত্যু তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ প্রায় নির্ভুল, গণিতের মতো হিসেব করা।

১৯৬৩ সালের ডিসেম্বরে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মারা যান। এই মৃত্যু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনৈতিকভাবে নির্ভার করে। মওলানা ভাসানী কখনোই তাঁর রাজনৈতিক গুরু ছিলেন না, ভাসানীর রাজনীতি ছিলো আসামে আর বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি অবিভক্ত বাংলায়। ১৯৫৭ সালে ভাসানীর আলাদা হয়ে যাওয়া শেখ মুজিবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিলো না। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী আদতেই তাঁর গুরু। ভাসানীর ইসলাম ও কম্যুনিজমের মিশেল, খাজাদের সামন্তবাদ- এর বিপরীতে মুসলিম লীগের ভেতর আধুনিক নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি সোহরাওয়ার্দীই করতেন।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে শেখ মুজিব যে সোহরাওয়ার্দীর একেবারে অনুগামী থেকেছিলেন তাও নয়। ভাষা আন্দোলন, সংখ্যা সাম্য নীতি নিয়ে তিনি সোহরাওয়ার্দীর উপর খুশী ছিলেন না। আইয়ুব খানের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ সময়ে আওয়ামীলীগ গুটিয়ে এনডিএফ এর রাজনীতিও তাঁর পছন্দ ছিলো না। ১৯৬৩ সালে লন্ডনে ছুটে গেছেন- আওয়ামীলীগের কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি পেতে। অনুমতি পাননি। সোহরাওয়ার্দী বড় নেতা, গোটা পাকিস্তান তাঁর ভাবনায় ছিলো। শেখ মুজিব অতো বড় নেতা নন, তাঁর চিন্তায় শুরু থেকেই শুধু বাংলা। বাংলার প্রশ্নে মতদ্বৈততা স্বত্বেও শেখ মুজিব কখনো সোহরাওয়ার্দীর মতের বাইরে যাননি। ধৈর্য্য ধরেছেন, অপেক্ষা করেছেন।

সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর থেকে শেখ মুজিব তাঁর অভিষ্ঠ লক্ষ্যে স্বাধীনভাবে চলা শুরু করতে পেরেছিলেন। আওয়ামীলীগকে পুনরুজ্জীবিত করা, কাউন্সিল অধিবেশনে পাকিস্তানপন্থী পুরনো নেতাদের বাদ দিয়ে একেবারে নিজের অনুগত নতুন নেতৃত্ব তুলে নিয়ে আসা, এবং ১৯৬৬ সালে ছয়দফা প্রণয়ন।

ছয়দফা ছিলো মাস্টারস্ট্রোক। যে কাজ কমিউনিস্টদের করার কথা ছিলো, সেটি করেছেন শেখ মুজিব। একেবারে সরল ভাষায় সারা দেশের মানুষকে বুঝিয়েছেন- বাংলা হচ্ছে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উপনিবেশ। এই উপনিবেশ থেকে মুক্তি পেতে হলে এই এই দাবী আদায় করতে হবে। ছয়দফা থেকে তাঁকে দমাতেই আগরতলা মামলা, ‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। বের হয়ে এসে ছয়দফার ভিত্তিতেই ‘৭০ এর নির্বাচনে অংশগ্রহণ।

ভাসানীকে ব্যবহার করে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর উদ্দেশ্য ছিলো নির্বাচন বানচাল করা। আইয়ুব খানের সময় একবার, ইয়াহিয়া খানের সময়ও আরেকবার ভাসানী ব্যবহৃত হয়েছেন। কিন্তু শেখ মুজিব অটল থেকেছেন- নির্বাচন হতেই হবে, কারণ এটিই জনগনের দেয়া বৈধ ম্যান্ডেট। তাঁর এই ম্যান্ডেটের প্রয়োজন ছিলো। নির্বাচনে নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তিনি ছয়দফায় অটল থেকেছেন। পাকিস্তানী শাসকেরা তখন প্রমাদ গুনেছে। ছয়দফা বাস্তবায়ন মানে বাংলার স্বাধীকার শুধু নয় গোটা পাকিস্তান কাঠামোই ভেঙ্গে পড়া। ছয়দফা থেকে সরাতে পারেনি বলেই ২৫ মার্চের হত্যাযজ্ঞের সূচনা।

২৫ মার্চ মধ্যরাতে, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে যে শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন তিনি কিন্তু কেবল আওয়ামীলীগের নেতা নন। তিনি গোটা পাকিস্তান রাষ্ট্র এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশের জন্য জনগণের নির্বাচিত নেতা। তাঁর আইনী ও নীতিগত বৈধতা পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খানের চেয়েও প্রবল। ফলে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাও অনন্য। তাঁর সহকর্মীরা ১০ এপ্রিল তাঁকে রাষ্ট্রপতি করে যে সরকার গঠন করলেন সেটিই বৈধ সরকার। এই বৈধ সরকার, জনগণের নির্বাচিত সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে- সেনাপতি, সেক্টর কমাণ্ডার থেকে শুরু করে সাধারন যোদ্ধা পর্যন্ত নিয়োগ দিয়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের নির্বাচিত নেতা এবং তাঁর বন্দী অবস্থায় গঠিত সরকারটি নির্বাচিত সরকার বলেই ভারত সহ বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রগুলোর সহায়তাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বৈধতার প্রশ্ন তুলতে পারেনি।

১০ জানুয়ারি ১৯৭২ যখন তিনি মুক্ত স্বদেশে ফিরে এলেন তখনো তিনি সেই বৈধতার ধারাবাহিকতাতেই রাষ্ট্রপ্রধান। যেহেতু সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পূর্ব প্রতিশ্রুতি ছিলো সেহেতু দুদিন পর সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান থেকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতা দখল করেননি, কেউ তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেয়নি। জনগণের নিরংকুশ ম্যান্ডেটেই তিনি ক্ষমতাসীন হয়েছিলেন। সামরিক শক্তি ব্যবহার করে বা বিপ্লবের নামে সহিংসতায় শেখ মুজিব ক্ষমতা দখল করেননি। ঘাতকের বুলেটে ঝাঁঝড়া হয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত তিনি জনগণের নির্বাচিত, জনগণের ম্যান্ডেটে ক্ষমতাসীন ছিলেন।

জনরায়ে তাঁকে পরাজিত করার সাহস হয়নি কারো।

লেখাঃ হাসান মোর্শেদ

আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়তো কোনো পিতা তাঁর শিশুপুত্রকে বলবেন -- "জানো, খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিলেন যাঁর দৃঢ়...
17/03/2026

আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়তো কোনো পিতা তাঁর শিশুপুত্রকে বলবেন -- "জানো, খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিলেন যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল, আর ছিল অসংখ্য দূর্বলতা। কিন্তু মানুষটির হৃদয় ছিল! ভালবাসতে জানতেন! দিবসের উজ্জ্বল সূর্যালোকে যে বস্তু চিকচিক করে জ্বলে তা হলো মানুষটির সাহস। আর জ্যোৎস্নারাতে রূপালী কিরণধারায় মায়ের স্নেহের মত যে বস্তু আমাদের অন্তরে শান্তি ও নিশ্চয়তার বোধ জাগিয়ে তোলে তা হলো তাঁর ভালবাসা। জানো খোকা তাঁর নাম?

শেখ মুজিবুর রহমান..."

-- আহমদ ছফা

তোমার নিষ্ঠুর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেপ্রথমে জয় বাংলা, তারপরে একে একে ধর্মনিরপেক্ষতাএকুশে ফেব্রুয়ারী ও বাংলা ভাষাকে হত্যা করত...
09/03/2026

তোমার নিষ্ঠুর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে
প্রথমে জয় বাংলা,
তারপরে একে একে ধর্মনিরপেক্ষতা
একুশে ফেব্রুয়ারী ও বাংলা ভাষাকে
হত্যা করতে উদ্যত হলো তারা...

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষেরাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;পথে পথে ফোটে রজনীগন্ধা অলকনন্দা যেন,এমন সময় ঝড় এ...
21/02/2026

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষে
রাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;
পথে পথে ফোটে রজনীগন্ধা অলকনন্দা যেন,
এমন সময় ঝড় এলো এক ঝড় এলো খ্যাপা বুনো।।

সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা,
তাহাদের তরে মায়ের, বোনের, ভায়ের চরম ঘৃণা
ওরা গুলি ছোঁড়ে এদেশের প্রাণে দেশের দাবীকে রোখে
ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই সারা বাংলার বুকে
ওরা এদেশের নয়,
দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়
ওরা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শান্তি নিয়েছে কাড়ি
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

তুমি আজ জাগো তুমি আজ জাগো একুশে ফেব্রুয়ারি
আজো জালিমের কারাগারে মরে বীর পুরুষ বীর নারী
আমার শহীদ ভায়ের আত্মা ডাকে
জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাটে
দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালবো ফেব্রুয়ারি
একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

Address

Oxford
OX2

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো:

Shortcuts

Share

Category