17/05/2013
" তোমরা যারা শাহবাগেই আছো"....
সারাজীবন অনলাইনে রাজনীতি করিয়া তোমরা যারা ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের মদদে এবং উশৃঙ্খল নাস্তিকদের উস্কানিতে শাহবাগে জড়ো হয়েছ এবং দেশপ্রেমের ঠুনকো আবেগে তাড়িত করে নিরীহ মুসলিমদের সহজ সমাগম ঘটিয়ে সাম্রাজ্যবাদীদের এদেশ অস্হিতিশীল করে ফায়দা লুটার নীলনক্সায় যোগসাজস করিতেছ তাদের প্রতি….
“নিশ্চয়ই...
শাহ্বাগ স্কয়ার আর তাহ্রীর স্কয়ার সমান কথা নয়
জয় বাংলা আর আল্লাহ্ আকবার সমান কথা নয়
আলো এবং অন্ধকার সমান কথা নয়
বন্দুকের নলের সামনে স্লোগান আর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা স্লোগান সমান নয়
সিরিয়ার মুজাহিদীন আর শাহ্বাগের নাস্তিক সমান কথা নয়...
“নিশ্চয়ই..
জাতীয়তাবাদের সংগ্রাম আর ইসলামের সংগ্রাম এক কথা নয়
হক আর বাতিলের সংগ্রাম এক নয়
গণতন্ত্র আর ইসলাম এক কথা নয়..
সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আর তাদের দালালদের জন্য সংগ্রাম এক নয়..
নিশ্চয়ই... “কালো পতাকার সৈনিক আর কাফের সমাজতন্ত্রীদের সংগ্রাম এক নয়“
নিশ্চয়ই.. “খিলাফত প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এক কথা নয়“.....
!!!! তোমরা যারা শাহ্বাগেই আছো !!!! ....
তোমরা দেশপ্রেমের ঠুনকো আবেগে অনলাইন-ব্লগার, সরকারী জঙ্গীবাহিনী ছাত্রলীগ, আর দেদারসে গাজা সেবনকারী চারুকলার সন্যাসী দাদাগোষ্ঠী, আর আসিফ মহিউদ্দিন, জাফর নামধারী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর নাস্তিকদের উস্কানিতে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি নিয়ে শাহবাগে জড়ো হয়েছ এবং “আগুন জ্বালো“ “তুই রাজাকার, তুই রাজাকার“ বলিয়া চেচামেচি করিতেছ ।তোমরা কি ভেবে দেখিয়াছ তোমরা আসলে কি করিতেছ???.... তোমরা সালাত আদায়ের সময় পাওনা.. কিন্তু রাত জাগিয়া ঠিকই মোমবাতি আর মশাল জ্বালাইয়া মরা দেহের পূজা করিতেছ। তোমরা গাজা সেবন করিয়া নিজেদের সিনায় সিনায় টান লাগাইতেছ আর রঙিন নেশায় মত্ত হইয়া ধর্ষণের ইতিহাস গড়িতে চাচ্ছ। গাজার আসর বসাইয়া উঠতি বয়সী তরুণদের আকৃষ্ট করিতেছ। ঢাবি-জাহাঙ্গীরনগরসহ নামি দামী বিশ্ববিদ্যালয় হতে নাস্তিক মামীদের জড়ো করিয়া চেচামেচিতে ২৪ ঘণ্টা শাহবাগ মাতাইতেছ।মিডিয়ার নির্লজ্জ সহায়তায় বিভিন্ন জায়গা হতে তরুণ তরুণীদের আগমন ঘটাইয়া অবাধ মেলামেশার বিচরণস্হল বানাইতেছ। অশ্লীল নৃত্যে চারপাশ মুখরিত করে ছাত্রলীগ আর সন্যাসী দাদাগোষ্ঠী আর নাস্তিকদেরকে নিরীহ মেয়েদের ধর্ষণের সুযোগ করে দিতেছ।মহিলা পুলিশদেরও তোমাদের দাদাদের কামনার বস্তু বানাইতেছ।তোমরা যে জঙ্গীলীগের সরণাপন্ন হয়েছ টেণ্ডারবাজি, খুন, আধিপত্য বিস্তার, ধর্ষণ তাদের নিত্তনৈমিত্তিক কাজ।চারুকলার যে সন্যাসী দাদাদের ছত্রছায়া তোমরা লাভ করিয়াছ যেখানে সেখানে দেদারসে গাজা টানা তাদের নিয়মিত অভ্যাস।আর যে নাস্তিকমামারা তোমাদের সংগঠিত করলো আজিজ সুপার মার্কেটে অবাধে লিভ টুগেদার করা তাদের সুদীর্ঘ ইতিহাস।তোমরা যে কাজের আপত্তিতে ফাঁসির দাবি নিয়ে মাঠে নামিয়াছ তোমাদের দলে সেই নরপশুদের আখড়া সে বিষয়ে তোমরা কোন চৈতন্য রাখিতেছ না।নাস্তিক চুশীল আর বিকৃত বুদ্ধিজীবীদের অবাধ বিচরণ ঘটাইতেছ শাহবাগ। চিন্তাশীল তরুণ তরুণীদেরকে ঘরের বাইরে এনে তোমাদের দলে ভিড়াইতেছ আর পহেলা ফাল্গুন আর ভালবাসা দিবসকে ঘিরে অবাধ মেলামেশার সুযোগ করে দিয়ে নির্লজ্জ অপসংস্কৃতিতে উদ্বুদ্ধ করিতেছ।নেচে গেয়ে হাততালি আর চেচামেচিতে প্রমাণ করিতেছ নিজেরা কতটুকু চুশীল।নিজেদের সীমান্তের কাঁটাতার ভূলে গিয়ে আদিম সংস্কৃতি আর উদ্দীপনায় মাতিয়া উঠিয়াছ।হাটুর নিচে বুদ্ধি থাকায় ঘুণাক্ষরেও টের পাইতেছ না যে সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন ভারতের নির্দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ দেশকে চূড়ান্তভাবে অস্হিতিশীল করিয়া রাজনৈতিক সিদ্ধি হাসিলের জন্য তোমাদেরকে ব্যবহার করিতেছে।তোমরা টেরই পাইতেছ যে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নিশ্চুপ থেকে আড়ালে কলকাঠি নাড়িয়া একটা রাজনৈতিক ইস্যুকে জনগণের ইস্যু বলিয়া তোমাদের মাধ্যমে লোক জড়ো করিয়া দেশ নাচাচ্ছে আর অমনি তোমরা ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মত নাচিতেছ।তোমাদের বেশিরভাগই জানো না যে কার কাছে বিচার চাইতে আসিয়াছ ।মিডিয়া কভারেজ আর বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীর স্পনসরশীপ পাইয়া ভালোই উৎসবে মাতিয়া উঠিয়াছ আর জানান দিতেছ বিশ্বকে তোমাদের অবস্থানের কথা ।জনগণের সব দৃষ্টি তোমাদের এই চুশীলগিরিতে নিবদ্ধ করিয়া টেরই পাইতেছ না যে ঐদিকে আওয়ামী দুঃশাসন, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি,লুটপাটের রঙ্গমেলার সর্বশেষ আসর জমিয়াছে।তোমরা টেরই পাইতেছ না কিভাবে সাম্প্রদায়িকতা আর জাতীয়তাবাদ নামক পচ্শিমা কনসেপ্ট উস্কে দিয়ে দেশকে অস্হিতীশীল করতে তোমাদের যৌবনের আবেগকে ব্যবহার করছে সাম্রাজ্যবাদীরা।বিন্দুমাত্র টের পাইতেছ না ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্হায় বিচার ব্যবস্হার ফাক ফোকড়ের কারসাজিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ ট্রাইবুনাল নামক নাটক মঞ্চস্হ করে মধ্যপন্হী এক রায় প্রদান করিয়াছে।তোমরা বুঝিতেই পারিতেছ না আওয়ামীলীগ এ রায়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করার অভিনয় করিয়া তোমাদেরকেও এ অভিনয় মানিয়ে জড়ো করিয়াছে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে আগামীতে ভোটের ঘর ভারী করিবার জন্য।সিনায় সিনায় তোমাদের টান বুঝতেই পারিতেছ না যে কাদের মোল্লার রায় নিয়ে জামাতকে দিয়ে করানো আমেরিকান গোওল কি অদ্ভূত ভাবে শাহবাগে ফিরিয়ে দিচ্ছে ব্রিটিশ ভারতীয় কংগ্রেস অক্ষ।তোমরা বুঝিতেই পারিতেছ না তোমাদের যৌবনের আবেগকে শাহবাগে নাচিয়ে সীমান্তে বিএসএফ চালাচ্ছে গুলি।সিনায় তোমাদের এতই টান যে শাহবাগ চুশীলদের জনসমুদ্র বানাতে মহাসমাবেশের করিয়াছ।সাইবার ওয়ারের ঘোষণাও বাদ রাখ নাই।আনন্দে এতই আত্মহারা হয়েছ যে শাহবাগ পিজি বারডেমের ধারে উষ্ঠা খেয়ে পড়ে থাকা ক্ষুধার্ত কঙালদের চোখেই পড়ে না তোমাদের অথচ তোমরা সবাই শাহবাগ জড়ো হয়েছ।ইসলামের শত্রুদের কাধে কাধ মিলিয়ে নির্লজ্জের মত কাফের সমাজতন্ত্রী নাস্তিক ও মুক্তমনা যারা আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে কটু কথা বলে তাদের পিছনে শত মুসলিমদের দ্বারা শ্লোগান দেওয়াইতেছ।তোমরা আজ অবধি টেরই পাইতেছ না যে তোমরা জাফর আসিফ মহিউদ্দিন নাম্নী বাংলাদেশের নাস্তিকদের পৃষ্ঠপোষক আর প্রতিপালনকারী এমন সব শয়তানি অক্ষশক্তির দলে ভিড়িয়াছ যারা সূরা লাহাবের বিকৃতি করিয়া আল্লাহ সুবহানাতায়ালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এরকম একটি সূরা রচনার নির্লজ্জ দুঃসাহস দেখায়।চুশীল নাস্তিকদের কথার জোড়ে কিছু নামকাওয়াস্তা মুসলিমদের যেমন জড়ো করিয়াছ নামায পড়া লোকজনকেও ‘’স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ’’ নামক একটা জাল হাদীস শুনিয়ে আর দেশপ্রেমের দোহাই দিয়ে তোমাদের কথা মানাইতেছ।একবারও চিন্তা করিতেছ না কেন মুসলিম হয়েও কাফির সমাজতন্ত্রীদের হাতে হাত মিলিয়ে দেশপ্রেম নামক অসাড় চিন্তায় বিভোর হয়ে মুক্তমনাদের খেলার পুতুল সাজিয়া এই নির্লজ্জ অন্ধ অনুকরণ করিতেছ।উপরন্তু ইসলাম বিদ্বেষীদের হাতে হাত মিলিয়ে সিনায় লাগাইতেছ টান আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে গাইতেছ গান।অথচ তোমাদের এই তারুণ্যদীপ্ত উদ্দীপনা খুজে পাওয়া যায়না রাসূল সাঃ কে নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র কিংবা কটুক্তির প্রতিবাদে কিংবা একটা মানববন্ধনে।এতদিন অনলাইনে রাজনীতি করিয়া বিন্দুমাত্র জ্ঞান তোমাদের হয়নি সমাজতন্ত্রের ক্যাডারভিত্তিক কাঠামোর মত প্রতিক্রিয়াশীল কোন কিছুই টিকে না তাই শাহবাগে স্কয়ার বানিয়ে নিজেদেরকে চুশীলদের দলে শামিল করিয়া লীডার হবার দিবা স্বপ্ন দেখিতেছ।নাচ গান আর অপসংস্কৃতির স্কয়ারকে তাহরীর স্কয়ারের অনুকরণে প্রজন্ম চত্বর নামকরণ করিয়া ছড়াইতেছ অথচ একথা ভাবিয়া দেখিতেছ না জালিম শাসককে অপসারণের দাবিতে বন্দুকের নল,ট্যাঙ্ক,কামানের সামনে দাড়িয়ে তাহরীর স্কয়ারের একটা শ্লোগান তোমাদের দিতে বলা হইলে তোমাদের সংগঠক সমাজতন্ত্রী কাফের নাস্তিকদের হৃতপিণ্ডে প্রবল কাপুনি ধরিয়া প্যান্ট খুলার ঊপক্রম হইবে। আড্ডা মাস্তি গানের টানে আর দেশপ্রেমের বাণী বিক্রি করিয়া লোক জড়ো হইবার পরও বুঝিতেছ না যে ঘরে খোলা মিষ্টি রাখিলে পিপীলীকার সহজ সমাগম ঘটে।
ও শাহবাগের বিভ্রান্ত তরুণদল!!!....
সমাজের নিকৃষ্ট চুশীল নাস্তিক মুক্তমনা আর ধর্ষণের সেঞ্চুরিয়ান যে সন্ত্রাসীদের ছত্রছায়ায় সমবেত হইয়া তথাকথিত ফাসির দাবিতে মরা দেহের পূজা করিতেছ আর নির্লজ্জের মত সিনায় টান লাগাইয়া গলাফাটাইতেছ তার প্রতিদান তোমাদের যৌবনকে শয়তানি অপশক্কির কাছে সমর্পণ করা ছাড়া কিছুই নয়। তোমাদের যৌবনের আবেগকে ব্যবহার করিয়া রাজনীতি করিতেছে ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী ইহা তোমরা আর কবে বুঝিবে?পশ্চিমাদের পদলেহনকারী ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী তোমাদেরকে সন্যাসী নাস্তিক,মুক্তমনাদের দলে ভিড়াইয়া শয়তানের দল ভারী করিতেছে এবং তোমাদের মত মুসলিম তরুণদের জাহান্নামের দিকে নিয়া যাইতেছে ইহা তোমরা কবে বুঝিবে? নাস্তিক মুক্তমনা সন্যাসীদের দলে যোগ দিয়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করারই নামান্তর তোমরা কবে বুঝিবে?তোমরা কবে শুনিবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার এই আয়াত?...
“শয়তান তোমাদের শত্রু অতএব তাকে শত্রুরূপে গ্রহণ করো, সে তার দলবলকে আহবান করে যেন তারা জাহান্নামী হয়(সূরা ফাতির ৬)’’
শাহবাগের মোড়ে জড়ো হয়ে আড্ডা মাস্তি আর নির্লজ্জ চিৎকার চেঁচামেচি করিয়া তোমরা যে মূলত সাম্রাজ্যবাদীদের পচ্শিমা কালচার বাস্তবায়ন আর এদেশকে অস্হিতিশীল করে ফায়দা লুটার পথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করিতেছ তা তোমরা কবে বঝিবে?তোমরা কবে বুঝিবে এদেশকে ঘিরে সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন বৃটেনের কি ষড়যন্ত্র।তোমরা আর কবে বুঝিবে দালাল তৈরীর কারখানা ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্হায় হাসিনা খালেদা মার্কিন বৃটেনের একনিষ্ঠ ও ঘোরতর দালাল যাদেরকে তারা এদেশে তাদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য ক্ষমতায় বসায় আর অদল বদল করায়।তোমরা কবে বুঝিবে এদেশে টিফা, ট্রানজিট, টিপাইমুখী বাধ চুক্তি কেন হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড কার ইশারায় কে ঘটায়? তোমরা কবে বুঝিবে আরব গণজাগরণের পর আরব পেনিসুলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমেরিকা এখন এশিয়ায় তার অবস্হানকে পাকাপোক্ত করার জন্য তার মিত্র দালালদের ব্যবহার করছে? কারণ আমেরিকা খুব ভালো করে জানে আরব গণজাগরণের মত এ অঞ্চলেও রাজনীতি সচেতন মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছ, ইসলামের প্রতি মানুষের ভালবাসা দিন দিন বাড়ছে এবং গণতান্ত্রিক জালিম শাসকের জুলুমের প্রতি বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে ইসলামী জীবনব্যবস্হা খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার আওয়াজ ভাইরাসের মত তীব্র হতে তীব্রতর হচ্ছে।তোমরা কবে বুঝিবে আমেরিকা ইসলামের এই আওয়াজকে মিটিয়ে দিয়ে জনগণের মন থেকে ইসলামকে মুছে ফেলার জন্য এবং দেশকে অস্হিতিশীল করে আরো কয়েকটা ইরাক আফগানিস্তান পাকিস্তানের মত অস্হিতিশীলতা তৈরী করতে এদেশে তার নিযুক্ত দালাল হাসিনাকে ব্যবহার করছে? যার ফলশ্রুতিতে হাসিনা প্রতিনিয়ত তার প্রভূর আনুগত্য করে যাচ্ছে।এই জেরের অংশ হিসেবে ধরে যুদ্ধপরাধ নাটকের মঞ্চায়ন, মধ্যপন্থী রায় প্রদান এবং প্রতারণা করে জনগণকে জড়ো করে বাঙালি জাতীয়তাবাদে ইদ্বুদ্ধ করা ইসলামের আবেগকে কুঠারাঘাত করে আমেরিকার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করছে ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী ইহা তোমরা কবে বুঝিবে? তোমাদের মাধ্যমে লোক জড়ো করে জনপ্রিয়তা বাড়াবে আওয়ামীলীগ, দুঃশাসনকে আড়াল আবার ক্ষমতায় যাবার স্বপ্ন দেখবে আাওয়ামীলীগ, আর তোমাদেরকে নাচ গান আনন্দে বিভোড় রেখে ইসলামের মূলে চপেটাঘাত করতে পারলে সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন বৃটেন ভারতের এদেশকে ঘিরে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা খুব সহজ হবে ইহা তোমরা আর কবে বুঝিবে? যুদ্ধপরাধীর বিচারের নামে জড়ো করিয়া এখন এই আন্দোলনে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের জোড়দাবি জানানোর নামে যে মূলত ইসলামকে অবমাননার দিকে মোড় নিচ্ছে তা তোমরা কবে বুঝিবে? একটা দলকে নিষিদ্ধ বা বৈধ রাখার পুরো ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে আমেরিকা, হাসিনা বা খালেদা নয় ইহা তোমরা কবে বুঝিবে? তোমাদের ডাকা মহাসমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতার দেয়া বক্তব্য- “আমরা যুদ্ধ করেছি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য নয়“ -শোনার পরও এ আন্দোলনের মাধ্যমে যে মূলত ইসলামের মূলে কুঠারাঘাত করে কাফিরদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রই বাস্তবায়িত করা হবে তা তোমরা কবে বুঝিবে? সাম্রাজ্যবাদীদের সব ষড়যন্ত্র বুঝার জন্য নিজেরা তোমরা কবে পড়িবে আল্লাহসুবহানাতায়ালার এই আয়াত?...
‘’তারা যদি তোমাদেরকে কাবু করিতে পারে তাহলে তারা তারা তোমাদের বিরুদ্ধে শত্রুতায় লিপ্ত হবে তাদের হস্ত ও রসনাসমূহ প্রসাড়িত করে তোমাদের ক্ষতিসাধন করবে তারা চায় যাতে তোমরা কাফিরদের কাতারে শামিল হও (সূরা মুমতাহিনা ২)’’
অথচ রিলিজ হবার আগেই হলিউড অথবা বলিউডের আবেনময়ী একটা মুভির উশৃঙ্খল ঘটনার বিবরণ তোমরা অকপটে বলিয়া বেড়াইতে পার কিন্তু বিশ্ব রাজনীতির গূরূত্বপূর্ণ একটা বিষয়কে নিজের বিষয় মনে কর না।তোমরা খুব সহজেই অপসংস্কৃতিতে উদ্বুদ্ধ হইয়া নিজেদেরকে অসভ্যতার বলি বানাইতে পার।নির্লজ্জ অসভ্যতায় মাতিয়া না থাকিয়া তোমরা কবে পড়িবে রাসূলের এই হাদীস??---
‘’তোমরা যদি এতই নির্লজ্জ হয়ে থাকো তাহলে যা ইচ্ছা তাই করতে পারো’’
দেশপ্রেম নামক অস্হায়ী অসম্পূর্ণ এবং ঠুনকো ভালবাসার আবেগে রঞ্জিত হয়ে আর কতকাল সাম্প্রদায়িকতা আর জাতীয়তাবাদের জন্য নিজেদের যৌবনের সামর্থ্যকে ব্যয় করিবে?গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্হায় কেবলমাত্র হাসিনা খালেদার পিতা বা স্বামীর বিচারই সম্ভব অন্যান্য বিচার সব মরীচীকার বুলি সেখানে যুদ্ধপরাধীদের বিচার একটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থের একটা নাটক ইহা তোমরা কবে বুঝিবে? যুদ্ধপরাধীদের সুষ্ঠু বিচারের জন্য যে ট্রাইবুনাল দায়ী নয় বরং মানবরচিত গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্হা আর তার দুষ্টু ফাক ফোকড় দায়ী তা তোমরা কবে কবে বুঝিবে?আর কতকাল হাটুর নিচে বুদ্ধি রাখিয়া বিচারের রায় কে দেয় আর ট্রাইবুনাল নামক নাটক কার সাজানো তা না বুঝিয়া নির্লজ্জ জাতীয়তাবাদের জন্য লড়াই করবে?
অথচ তোমাদের ধমনীতে শহীদ হামযা, উমর, সালাউদ্দিনের রক্ত প্রবাহমান যে রক্তের সাথে তোমরা প্রতারণা করিতেছ এবং নাস্তিক, মুক্তমনা আর আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণকারী কাফের সমাজতন্ত্রীদের কাতারে শামিল হয়ে নিজেদের যৌবনের শক্তিকে পচ্শিমা কালচার আর দেশপ্রেমের ঠুনকো আবেগের কাছে সমর্পন করিতেছ।তোমরা ভূলিয়া গিয়াছ তারিক বিন যিয়াদ, মোহাম্মদ আল ফাতেহ, মোহাম্মদ বিন কাসিমের মত মুসলিম তারুণ্যদীপ্ত শক্তির নাম যারা পাশের ভূখণ্ডে ইসলামের জয় নিশ্চিত করার জন্য নিজেদের যৌবনের সামর্থকে ব্যয় করিয়াছে আর তোমরা তোমাদের যৌবনকে কাফের সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে সমর্পণ করিয়া তাদের শয়তানী কালচার আর তাদের দালালদের নির্লজ্জ এজেণ্ডা বাস্তবায়নে যোগসাজস করিতেছ।
তোমরা রাসূলের আদর্শের ঝানু রাজনীতিবিদ হবার কথা, উমরের মত বাঘের ন্যায় গর্জে উঠার কথা যে গর্জন শুনে কাফের সমাজতন্ত্রী নাস্তিক মুক্তমনাদের হৃৎপিণ্ডে কাপুনি ধরে যাবার কথা।কিন্তু কেন দেশপ্রেমের এই ঠুনকো গর্জন?নাস্তিক মুক্তমনাদের কাতারে শামিল হয়ে ঠুনকো আদর্শের ঠুনকো স্বপ্নে বিভোর হওয়া???......
তোমরা স্বপ্ন দেখতে জান না যে স্বপ্ন ইসলাম তোমাদের দেখিয়েছে।তোমরা সে স্বপ্ন দেখতে জান না যে স্বপ্ন এ পৃথিবীতে বাস্তবায়নের ইতিহাস রচনা করে দিয়ে গেছে তোমাদের চেয়ে কম বয়সী তারিক বিন যিয়াদ,মোহাম্মদ আল ফাতেহ,মোহাম্মদ বিন কাসিমের মত তারুণ্যদীপ্ত তরুণেরা।তোমরা সে স্বপ্ন দেখতে জানো না যে স্বপ্ন দেখলে পুরো পৃথিবীর শাসনকতৃত্ব তোমাদের পদতলে চলে আসবে।তোমরা দেখতে জানো সুন্দরী নারী আর দেশপ্রেমের আবেগে হতে পারো আপ্লুত কিন্তু তোমরা সেই স্বপ্ন দেখিতে জানো না যে স্বপ্ন দেখলে সমস্ত পৃথিবী তোমাদের অনুগত হইয়া যাবে।তোমরা সে স্বপ্ন দেখিতে জানো না যে স্বপ্ন দেখলে উমরের মত অর্ধপৃথিবীর শাসনকর্তা হওয়া যায়।বাঘের মত গর্জে উঠে কাফের সাম্রাজ্যবাদীদের হৃদয় কাপানো যায়।তোমরা সে স্বপ্ন দেখতে জানো না যে স্বপ্ন দেখলে সমস্ত পৃথিবী ইসলাম দ্বারা শাসন করা যায়।।তোমরা দেখ দেশী জাতীয়তাবাদী স্বপ্ন আর ইসলাম তোমাদের দেখায় বৈশ্বিক স্বপ্ন।কিন্তু তোমরা তা জানো না।ইসলামের এই বৈশ্বিক স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রমাণ আল্লাহসুবহানাতায়ালা নিজে—
‘’তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনবে এবং সৎকর্ম করবে তাদেরকে আল্লাহ ওয়াদা দিচ্ছেন এ পৃথিবীতে তাদেরকে খিলাফত শাসনকতৃত্ব দান করবেন যেমনটি দান করেছিলেন পূর্ববর্তীদেরকে (সূরা নূর ৫৫)’’
রাসূলের এই হাদীস—
‘’…..অতপর আবার আসিবে খিলাফত নবুওয়্যাতের আদলে(মুসনাদে আহমদ)‘‘..
স্বপ্ন বাস্তবায়নের ওয়াদা পেয়েও তোমরা রাজা হওয়ার স্বপ্ন দেখতে জানো না কাফিরদের দাবার গুটি হয়ে প্রজাদের মত গলগ্রহ হয়ে ঠিকই জীবন অতিবাহিত করতে পার।কারণ তোমরা নিজেদেরকে ইসলাম থেকে সরিয়ে ঠুনকো জাতীয়তাবাদ, ঘুণেধরা গণতান্ত্রিক রাজনীতির মিথ্যাচারের কাছে যুগ যুগ ধরে বলি দিতেছ।অপসংস্কৃতি আর মিডিয়ার শেখানো কায়দায় নিজেদের মগজ চালাইতেছ।তোমরা নিজেদের মুসলমান যতটা না ভাবিতেছ ততটাই নিজেদের বাঙালি ভাবিতেছ।‘’আল্লাহু আকবার’’ ধ্বনিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জাতীয়তাবাদী শ্লোগান ‘’জয় বাংলা’’ ধ্বনিতে মুখরিত হইয়া উঠিতেছ।যে জাতীয়তাবাদের চিন্তায় নিজেদের উদ্বুদ্ধ করিতেছ সে জাতীয়তাবাদের ভয়াবহতা আর অসাড়তা রাসূল সাঃ এর নিম্নোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত--
“যে ব্যক্তি জাতীয়তাবাদের দিকে ডাকে, এর জন্য যুদ্ধ করে এবং মৃত্যুবরণ করে সে আর উম্মতের অন্তর্ভক্ত না।`` (আবু দাউদ)
‘’যে ব্যক্তি জাতীয়তাবাদের দিকে ডাক দেয় সে যেন তার পিতার যৌনাঙ্গ চুষে চুষে খাইল(মুসলিম)“
এর চেয়ে ভয়ঙ্কর আ তোমরা আর কি আশা কর? কিন্তু তোমরা ইহা জানো না।
ও শাহবাগের তারুণ্যদীপ্ত শক্তি !!!!!...
ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্হায় যুদ্ধপরাধীদের বিচার কোনদিন সম্ভবপর নয় ইহা ক্ষমতালোভী জালিম শাসকদের ক্ষমতায় যাবার রাজনৈতিক টুল ছাড়া আর কিছুই নয়।তাই শত বছরের ধূলি-ময়লা, পরাজিত মানসিকতা, অন্ধঅনুকরণ তত্বাবধায়ক, যুদ্ধপরাধ নামের মরীচীকার মোহ গা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে এবং কাফের সমাজতন্ত্রী নাস্তিক মুক্তমনাদের সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আল্লাহ ও তার রাসূলের আদর্শের অনুসরণকারী কালো পতাকার সৈনিকদের কাতারে শামিল হও।সাম্রাজ্যবাদীদের এদেশকে ঘিরে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র হতে উত্তরণ এবং তদেরকে এদেশ হতে চিরতরে বিতাড়িত করার জন্য নিজেদের মগজ খাটাও।দেশপ্রেমের ঠুনকো আবেগে আপ্লুত না হয়ে আল্লাহ ও তার রাসূলের আহবানে সাড়া দিয়ে আল্লাহসুবহানাতায়ালার জমিনে তার শাসনকতৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক সংগ্রামে অবতীর্ণ হও যে রাজনৈতিক সংগ্রাম পৃথিবীর বুকে তোমাদেরকে দৃপ্তপদে প্রতিষ্ঠিত করে রাজা হবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে।কাফের সাম্রাজ্যবাদী ও তাদের মিত্র দালালরা যারা তোমাদের যৌবনের আবেগ নিয়ে খেলছে এবং প্রতারণা করে ক্ষমতায় যাওয়ার ফায়দা লুটছে তাদেরকে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সমবেত হয়ে তোমাদের দাতভাঙা জবাব দাও।যুদ্ধপরাধীদের ফাসি চাওয়ার আগে কুফর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও ফাঁক ফোকরের রঙ্গমেলায় পরিচালিত বিচারব্যবস্থা নামক গণতান্ত্রিক নাট্যমঞ্চকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানোর জন্য সর্বত্র খিলাফতের আওয়াজ ওঠাও। একমাত্র খিলাফতই নিশ্চয়তা দিতে পারে তার শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে মুসলিমদের উপর কাফিরদের আধিপত্য চিরতরে খর্ব করে সুষ্ঠু পর্যবেক্ষণ এবং আল্লাহ সুবহানাতায়ালার প্রতি সীমাহীন ভয়ের ভিত্তিতে পরিচালিত সুনিয়ন্ত্রিত বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে যুদ্ধপরাধ, হত্যা, ধর্ষণসহ সবধরণের মানবতাবিরোধী অপরাধ সমূলে উৎপাটন করে অপরাধীদের সঠিক আর ন্যায়বিচারের সম্মুখীন করতে যার জ্বলজ্বন্ত নজীর আমরা দেখি খিলাফত ব্যবস্হায় অর্ধপৃথিবীর শাসনকর্তা উমরের মধ্যে যিনি মদ পান করার অপরাধে আপনপুত্রকেও দোর্রা মেরে প্রাণ সংহার করতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করেন নি।একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নেই তা সম্ভব যা খিলাফত রাষ্ট্র মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ন্যায্য অধিকার আর নিরাপত্তা সুরক্ষিত করবে, অপরাধীকে নজীরবিহীন শাস্তির সম্মুখীন করে সকল নাগরিকের অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় কাজ করবে যা এই ধর্মনিরপেক্ষ কুফর গণতান্ত্রিক ব্যবস্হায় বিচারের নামে সাজানো নাটকের মঞ্চায়ন ছাড়া কিছুই নয়।
ও শহীদ হামযার উত্তরসূরী তরুণদল !!....
শরীরে প্রবাহমান শহীদ হামযার রক্তকে টগবগ করে ফুটিয়ে তুলে শাহবাগকে সমাজতন্ত্রী কাফের নাস্তিকদের অভয়ারণ্য না বানিয়ে খিলাফতের স্কয়ার বানিয়ে লুটেরাদের চিরতড়ে বিতাড়িত করার জন্য কাফের সমাজতন্ত্রী শ্লোগানকে কলা দেখিয়ে কালো পতাকার সৈনিকদের মত বজ্রকন্ঠে আওয়াজ উঠাও…
“সাম্রাজ্যবাদীদের কালো হাত… ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও
নাস্তিকের কালো.. হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও
আমেরিকার কালো হাত…. ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও……
শেখ হাসিনার কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও….
মুক্তির এক পথ… খিলাফত খিলাফত
আমাদের ধমনীতে শহীদ হামযার রক্ত … এই রক্ত কোনদিন পরাজয় মানে না
তাকবীর… আল্লাহু আকবার!!!!““...
ও ঘুমন্ত মুসলিম তরুণ !!!!..................
তোমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী সব কাফের ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের দালালদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রকে ইতিহাসের ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার জমিনে তার কতৃত্বকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা তথা খিলাফত প্রতিষ্ঠার প্রাণসঞ্চারকারী আহবানে সাড়া দাও…
‘’’হে ঈমানদারগণ তোমরা আল্লাহ ও তার রাসূলের সেই আহবানে সাড়া দাও যা তোমাদের মধ্যে প্রাণের সঞ্চার করে(সূরা আনফাল ২৪)’’
আল্লাহ সুবহানাতায়ালা খুব দ্রুত কাফের সমাজতন্ত্রী, নাস্তিক ও সাম্রাজ্যবাদের দালালদের সব ষড়যন্ত্র হতে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে হেফাযত করুন।আমাদের তরুণদেরকে দ্রুত বিশ্বাসীদের কাতারে শামিল করে খিলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্নবাস্তবায়ন করে তারিক বিন যিয়াদ, মোহাম্মদ আল ফাতেহ এবং মোহাম্মদ বিন কাসিমের মত সম্মানিত তরুণ হবার তৌফিক দান করুন, আমীন।।।।