06/01/2026
😶😶
একবার একজন বলছিলেন—
আমি তখন ব্যক্তিগত কিছু সমস্যায় ভীষণ জর্জরিত ছিলাম।
সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা করতাম। মাঝে মাঝে দমবন্ধ লাগতো। নিজেকে খুব অসহায় মনে হতো।
এই মনোভাব নিয়েই একদিন আমি হাসপাতালে গেলাম—এক বন্ধুকে দেখতে।
কিন্তু সেখানে গিয়ে একটি দৃশ্য আমার সব ভাবনা বদলে দিল।
হাসপাতালের করিডোর দিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছিল একটি ছোট শিশু।
এক হাতে একটি বিস্কুট। অন্য হাতে মূত্র সংগ্রহের একটি থলি।
শিশুটি সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে নিজের কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য অপেক্ষা করছিল; কোনো অভিযোগ নেই। কোনো কান্না নেই। নীরবে, খুব শান্তভাবে।
তখন বুঝলাম—হাসপাতাল আসলে এক ভিন্ন জগৎ।
এখানে কেউ বড় বাড়ি, বড় পদ বা বেশি টাকা চায় না।
এখানে কেউ দুনিয়াবি স্বপ্নের কথা বলে না। এখানে সবার চাওয়া একটাই—সুস্থতা।
শুধু একটু ভালো থাকা।
শুধু যন্ত্রণাহীন একটি দিন।
সেই মুহূর্তে মনে হলো—
প্রতিটি শ্বাসের জন্য আলহামদুলিল্লাহ।
প্রতিটি সুস্থ সকালের জন্য আলহামদুলিল্লাহ।
কারণ, এই পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন—
যারা শুধু একটি দিনও যন্ত্রণা ছাড়া কাটানোর জন্য আকুল হয়ে অপেক্ষা করেন।
নীরব বাস্তবতা:
হাসপাতালের করিডোর আমাদের সেই সত্যটাই মনে করিয়ে দেয়।
একমাত্র অমূল্য সম্পদ:
সুস্বাস্থ্য—যা কোনো অর্থ দিয়ে কেনা যায় না।
06/03/2025
#কাফিরূন
#ঘুমের_সময়_যা_বলতে_হয়
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাওফাল (রাঃ)-কে বলেনঃ তুমি ‘‘কুল ইয়া আয়্যুহাল কাফিরূন’’ সূরাটি পড়ে ঘুমাবে। কেননা তা শিরক থেকে মুক্তকারী।
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩৬ / শিষ্টাচার (كتاب الأدب)
হাদিস নং ৫০৫৫
30/07/2024
وَ لَا تَحۡسَبَنَّ اللّٰہَ غَافِلًا عَمَّا یَعۡمَلُ الظّٰلِمُوۡنَ ۬ؕ اِنَّمَا یُؤَخِّرُہُمۡ لِیَوۡمٍ تَشۡخَصُ فِیۡہِ الۡاَبۡصَارُ ﴿ۙ۴۲﴾
আর যালিমরা যা করছে, আল্লাহকে তুমি সে বিষয়ে মোটেই গাফেল মনে করো না, আল্লাহ তো তাদের অবকাশ দিচ্ছেন, ঐ দিন পর্যন্ত যে দিন চোখ পলকহীন তাকিয়ে থাকবে। Sura 14, Ayah 42
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “কেউ যেন এটা মনে না করে যে, যারা অসৎকর্ম করে তাদের কর্ম সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা উদাসীন, তিনি কোন খবর রাখেন, এজন্যেই তারা দুনিয়ায় সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। বরং আল্লাহ তাআলা এক একজনের এক এক মুহূর্তের ভালমন্দ কাজ সম্পর্কে পুর্ণ ওয়াকিফহাল। তিনি ইচ্ছা করেই তাদেরকে অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, উদ্দেশ্য এই যে, হয় তারা দুষ্কর্ম হতে বিরত থাকবে, না হয় তাদের পাপের বোঝা আরো ভারী হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত কিয়ামতের দিন এসে যাবে, যেই দিনের ভয়াবহতায় তাদের চক্ষুগুলিহয়ে যাবে স্থির ও বিস্ফারিত, ভীত বিহ্বল চিত্তে দৃষ্টি উপরের দিকে উঠিয়ে তারা আহ্বানকারীর শব্দের দিকে ছুটাছুটি করবে।” এখানে আল্লাহ তাআলা মানুষের কবর হতে পুনরুত্থিত হওয়া ও হাশরের মাঠে দাঁড়াবার জন্যে তাড়াহুড়া করার অবস্থা বর্ণনা করছেন।
এ দিন তারা সরাসরি ঐ দিকেই দৌড় দেবে এবং সবাই সেদিন সম্পূর্ণরূপে অনুগত হয়ে যাবে। সেখানে হাজিরহওয়ার জন্যে তারা ব্যাকুল হয়ে ফিরবে। চক্ষ তাদের নীচের দিকে ঝুঁকবে না। ভয় ও ত্রাসের কারণে তাদের চোখে পলক পড়বে না। অন্তরের অবস্থা এমন হবে যে, যেন তা উড়ে যাচ্ছে এবং শূন্য পড়ে আছে। ভয় ও আতংক ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। প্রাণ হয়ে পড়বে কণ্ঠাগত। ভীষণ ভয়ের কারণে তা নিজ স্থান থেকে সরে পড়বে এবং অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে যাবে।
11/01/2024
হে আমার রব, আপনি আমাকে কিছু রাজত্ব দান করেছেন এবং স্বপ্নের কিছু ব্যাখ্যা শিখিয়েছেন। হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, দুনিয়া ও আখিরাতে আপনিই আমার অভিভাবক, আমাকে মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দিন এবং নেককারদের সাথে আমাকে যুক্ত করুন।
ইউসুপ-১০১