Saydur Rahman Azhari

Saydur Rahman Azhari "Graduated from Al-Azhar University with a specialization in Tafsir and Qur'anic Sciences."

17/08/2026

অধিকাংশ বর্তমান মুসলমান শূকরের মাংস,মদ খায় না এটা হারাম এই কারনে না বরং রুচিতে লাগে না এই জন্যে খায় না। ( গীবত মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মত পাপ, সুদ আল্লাহর সাথে যুদ্ধ করার মত পাপ) সেটাতো ছাড়তে পারে না...

14/08/2026

একজন লিখেছে
(তোমার এ বিষয়ে কি জানা আছে আমি জানি)

এ থেকে প্রথমজন, বুঝলো সে আমার প্রশংসা করলো, অনেক মহৎ করলো।

দ্বিতীয়জন বুঝলো, সে আমাকে ইনসাল্ট করলো, নিচু করলো।

তৃতীয়জন বুঝলো, সে জানে আমি আসলে কোন কোন বিষয়ে পারদর্শী।

চতুর্থজন বুঝলো, আমার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছে— তোমার দক্ষতার প্রতি আমার আস্থা আছে।

পঞ্চমজন বুঝলো সে ব্যঙ্গ করলো— "হ্যাঁ, তোমার কতটুকু জানা আছে, সেটা তো আমি জানি!" (বিদ্রূপ)

ষষ্ঠজন বুঝলো, সে চ্যালেঞ্জ করেছে— "দেখি, সত্যিই কতটুকু জানো।"

সপ্তাহজন বুঝলো,সে পরীক্ষা নিলো আমাকে— "তোমার জ্ঞান যাচাই করতে চাই।"

অষ্টমজন বুঝলো, সে কৌতূহলী হয়ে বলেছে— "আমি জানি তুমি কিছু জানো, আরও শুনতে চাই।"

নবমজন বুঝলো,সে আমাকে সন্দেহ করেছে— "তুমি যা দাবি করছ, সেটা নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে।"

দশমজন বুঝলো,সে আত্মীয়তার প্রকাশ করেছে — "আমি তোমাকে চিনি, তাই জানি তুমি এ বিষয়ে অভিজ্ঞ।"

এগারোতমজন বুঝলো, সে অহংকার উসকে দিলো— এমনভাবে বলা হতে পারে যাতে সামনে ব্যক্তি নিজের জ্ঞান প্রমাণ করতে আগ্রহী হয়।

বারোতমজন বুঝলো, নিরপেক্ষ তথ্য দিতে— শুধু জানানো যে, "আমি অবগত যে তুমি এ বিষয়ে জানো।"

★এটা হলো দর্শন ও ভাষার সংমিশ্রণ। একই কথা, একই বাক্য কিন্তু এক এক জন এক একভাবে নিতে পারে। এটা নির্ভর করে তার মানুষিকতা, জ্ঞান ও চিন্তার উপর।

কুরান হাদিস এক কিন্তু এত মতভেদের একটা বড় কারন এটা। একই আয়াত কিন্তু এক একভাবে নিচ্ছে কারন জ্ঞান,অভিজ্ঞতা ও চিন্তার তারতম্যে.....

10/08/2026

রাসুল ﷺ বলেছেন:
«لَيَكُونَنَّ مِنْ أُمَّتِي أَقْوَامٌ يَسْتَحِلُّونَ الْحِرَ وَالْحَرِيرَ وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ»
অর্থ: “আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক অবশ্যই হবে, যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।”
— সহিহ বুখারি, ৫৫৯০

09/08/2026

একটি উত্তম কাজ – দশ থেকে সাতশগুণ যার প্রতিদান...

জীবনে হয়তো বহুবার শুনেছেন, পড়েছেন, আল্লাহ একটি নেক আমলের প্রতিদান ১০ থেকে সাতশ গুনে বর্ধিত করে দেন। কুরান ও হাদিসের মধ্যে অসংখ্য বার একথা এসেছে।

স্বয়ং আল্লাহ এবং রাসুল ﷺ উত্তম কাজের প্রতিদানের এই-যে তারতম্য করেছেন এটা কি এমনিতেই?
কারাই বা ১০, ১০০,৫০০/৭০০ পাই?

এটা অনেকটা শিক্ষার্থীদের মতো। যে ৩৩ পেয়ে পাশ করে। যার উদ্দেশ্য জাস্ট পাশ। কেউ ৫০ পাই কেউ-বা লেটার মার্কস আবার কেউ-বা ১০০ তে ১০০ পাই ।

নেক-কর্ম,আল্লাহ'র আনুগত্যও ঠিক তেমন।
কে লোক দেখানোর জন্য ইবাদত করে আর কে ভালবাসা, আন্তরিকতা, আগ্রহ, একাগ্রতা, পিপাসা, আশা-ভরসা নিয়ে ইবাদাত করে এটার উপরেই নির্ভর করে এই নেকীর ওজনের দাঁড়িপাল্লা।

কেউ-বা শুধু আইডেন্টিটি প্রকাশ রাখার জন্য আল্লাহর কথাকে মানে আবার কেউ নিজের জীবনের থেকেও ভালোবাসা দিয়ে আল্লাহকে স্মরন করে।

আপনি কি মনে করেন! এদের সবাইকে একই বাটখারায় মাপা সম্ভব?

এখন অনেকের বলতে শোনা যায় আল্লাহর ওলী, নেককার,বুজুর্গ ব্যক্তি বলে আলাদা কিছু নাই। সবই আমরা একই। কুরান হাদিস মানলেই হচ্ছে।
এই কথা শতভাগ খাঁটি কিন্তু এরপরের বিষয়টা নিয়ে কেউ-ই কিছুই বলে না, আর তা-হলো মানার ধরনের ব্যাপারে।

কিভাবে, কতটুকু আর কত আন্তরিকতা নিয়ে আনুগত্য করে সেটা আর কেউ ই বলতে চাই না।

আপনি ১০০০ বার সূরা ফাতিহা পড়ে শরীরে ফু দিলে কিছুই হয় না, অন্যদিকে একজন ১ বার পড়ে ফু দিলেই আল্লাহ রোগ সারাই দেন এটাকে কি আপনি কোনোভাবে অবজ্ঞা করতে পারবেন?

সূরা তো একই। আপনিও ওজু করে পড়েছেন সেও ওজু করেই পড়েছে তাহলে এত তারতম্য কেন???

কারন– ওই যে আল্লাহকে আনুগত্য করার ধরনের মধ্যে।
এটা আল্লাহর রাসুলই আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন কিন্তু আমরা তো বুঝতে নারাজ।

কেউ দায়সারা ওজু করে,দায়সারা নামাজ পড়ে। আর অন্যজন এক ওয়াক্ত নামাজের জন্য লক্ষ টাকা ছেড়ে দিতে পারে। এটাকেও কি আপনি একই কাতারে দাঁড় করাবেন?

যদি এরপরও মনে সন্দেহ থাকে তাহলে আবার পড়ুন
(রাসুল ﷺ বলেছেন :- একটি পূণ্য কাজের প্রতিদান আল্লাহ দশ থেকে সাতশগুণ পর্যন্ত বর্ধিত করে দেন) কেন করেন? এটার খোঁজ নেন.....

#ইসলামের_সৌন্দর্য
Sunday 9:52 | 9-8-26
At home

আল্লাহ যদি থাকেন, তবে তাঁকে আমরা দেখতে পাই না কেন?অনেকে বলেন, “আল্লাহ যদি সত্যিই থাকেন, তাহলে আমি তাঁকে নিজের চোখে দেখতে...
03/08/2026

আল্লাহ যদি থাকেন, তবে তাঁকে আমরা দেখতে পাই না কেন?

অনেকে বলেন, “আল্লাহ যদি সত্যিই থাকেন, তাহলে আমি তাঁকে নিজের চোখে দেখতে পারতাম।” প্রথম দৃষ্টিতে এটি একটি শক্তিশালী আপত্তি বলে মনে হতে পারে।

কিন্তু বাস্তবে এটি আল্লাহর অস্তিত্বের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নয়; বরং এটি নিজেই এমন একটি দাবি, যার পক্ষে প্রমাণ প্রয়োজন। এর পেছনে একটি গোপন অনুমান কাজ করে—“যা কিছু বাস্তব, তা অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে।” প্রশ্ন হলো, এই নিয়মের উৎস কী? বিজ্ঞান কি কখনো এটি প্রমাণ করেছে? উত্তর হলো—না।

বিজ্ঞান কেবল সেই বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করে, যেগুলো পর্যবেক্ষণযোগ্য ও পরীক্ষাযোগ্য। কিন্তু “যা আছে, তা অবশ্যই বস্তুগত হতে হবে”—এটি কোনো বৈজ্ঞানিক সত্য নয়; এটি একটি দার্শনিক দাবি।

এ কারণেই ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালী জ্ঞানের উৎসগুলোর মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করেছেন। ইন্দ্রিয় আমাদের বস্তুজগত সম্পর্কে জ্ঞান দেয়, আর বুদ্ধিবৃত্তিক বিচার (reason) এমন বাস্তবতার দিকে নির্দেশ করে, যা ইন্দ্রিয়ের সীমার বাইরে। উভয়েরই নিজস্ব ক্ষেত্র রয়েছে।

পরবর্তীতে জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানতাত্ত্বিক নীতি তুলে ধরেন: মানুষ তার নিজস্ব উপলব্ধির সীমাকে সমগ্র বাস্তবতার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার রাখে না। আমাদের ইন্দ্রিয়ের সীমাবদ্ধতা বাস্তবতার সীমাবদ্ধতা নয়।

এখানেই মূল বিষয়টি নিহিত। স্রষ্টা যদি সত্যিই থাকেন, তবে তিনি এই মহাবিশ্বের কোনো অংশ নন, যাকে মহাবিশ্বের ভেতরে খুঁজে পাওয়া যাবে। তিনি এমন কোনো বস্তু নন, যার ওপর আলোর নিয়ম প্রযোজ্য হবে; এমন কোনো পদার্থও নন, যাকে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা যাবে। তাই খালি চোখে স্রষ্টাকে দেখতে চাওয়া অনেকটা এমন, যেন একজন গণিতবিদকে বলা হচ্ছে—“তোমার তত্ত্বগুলো দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে দেখাও” অথবা “রুলার দিয়ে মেপে দেখাও।” এখানে সত্যের অভাব নয়, বরং সত্য উপলব্ধির জন্য ভুল উপায় ব্যবহার করাই সমস্যা।

এ কারণেই ব্রিটিশ দার্শনিক রিচার্ড সুইনবার্ন বলেন, আমরা জীবনে শুধু যা দেখি তাই বিশ্বাস করি না; বরং যে ব্যাখ্যা উপলব্ধ প্রমাণকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করে, সেটিকেই গ্রহণ করি। আমরা যেমন নতুন কোনো নক্ষত্রের মতো স্রষ্টাকে খুঁজি না; বরং মহাবিশ্বের সুশৃঙ্খলতা, প্রকৃতির নিয়ম এবং মহাবিশ্বের অস্তিত্বের সম্ভাবনাই আমাদের তাঁর অস্তিত্বের দিকে নির্দেশ করে।

তাই সঠিক প্রশ্নটি হওয়া উচিত নয়—“আল্লাহ যদি থাকেন, তাহলে তাঁকে দেখা যায় না কেন?” বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত—“মহাবিশ্বের স্রষ্টাকে দৃশ্যমান হওয়ার জন্য কি অবশ্যই মহাবিশ্বের মতো বস্তুগত হতে হবে?”

যদি উত্তর হয় “না”, তাহলে এই আপত্তিটি শুরুতেই তার ভিত্তি হারায়—এর জবাব দেওয়ার আগেই।
Al-Azhar Al-Sharif

25/07/2026

ইসলাম ও বাস্তবতা

বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো—বাস্তব জীবনের সঙ্গে ইসলামকে একসঙ্গে ধারণ করা অনেকের কাছেই ক্রমশ কঠিন মনে হচ্ছে।

এটি শুধু একটি অভিযোগ নয়; বরং অসংখ্য যুবক-যুবতীর মনের না-বলা প্রশ্ন।

অনেকের ধারণা, যদি কেউ ইসলামের প্রতিটি অনুশাসন পুরোপুরি মেনে চলতে চায়, তাহলে তাকে সমাজ, ক্যারিয়ার, প্রভাব-প্রতিপত্তি কিংবা আধুনিক জীবন থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে হবে। অথচ মানুষ সামাজিক জীব; সে দুনিয়াতেও বাঁচতে চায়, আখিরাতও হারাতে চায় না।

আবার যারা দুনিয়ার জীবনে প্রতিষ্ঠিত ও প্রভাবশালী, তারা অনেক সময় ইসলামের কিছু অংশ মেনে চলেও সফল জীবন যাপন করেন। কিন্তু যখন তাদের সামনে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনের কথা বলা হয়, তখন তাদের মনে হয়—"আমি যা করছি, তার কি কোনো মূল্যই নেই?" ফলে তারা ধীরে ধীরে ধর্মীয় আলোচনাকেই এড়িয়ে চলতে শুরু করে।

এভাবে একজন মানুষের ভেতরে এক গভীর আত্মিক টানাপোড়েন তৈরি হয়।

একদিকে দুনিয়ার প্রয়োজন, অন্যদিকে আখিরাতের আহ্বান।
একদিকে সফলতার স্বপ্ন, অন্যদিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির আকাঙ্ক্ষা।

সে দুটোকেই চায়, কিন্তু মনে করে—দুটোকে একসঙ্গে পাওয়া সম্ভব নয়।

এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. আমরা অনেক সময় ইসলামকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে কঠিন করে উপস্থাপন করি।

ইসলাম নিঃসন্দেহে শৃঙ্খলার ধর্ম। কিন্তু ধীরে ধীরে আত্মগঠন, অগ্রাধিকার বোঝা, আল্লাহর রহমত ও তাওবার দরজা—এসবের চেয়ে কখনো কখনো এমন একটি ছবি তুলে ধরা হয়, যেন একজন মানুষকে প্রথম দিন থেকেই সবকিছু নিখুঁতভাবে পালন করতেই হবে। এতে অনেকেই শুরু করার আগেই নিজেকে অযোগ্য মনে করে।

২. কিছু গোষ্ঠী বা আন্দোলন ইসলামের চেয়ে নিজেদের কাঠামো ও অনুসারী তৈরিতে বেশি গুরুত্ব দেয়।

যখন ইসলামের মূল শিক্ষা—আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক, চরিত্র গঠন, ন্যায়বিচার, দয়া ও তাকওয়া—এর পরিবর্তে দল, পরিচয়, মত বা সংগঠনই মুখ্য হয়ে ওঠে, তখন সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যায়। তারা মনে করে ইসলাম মানেই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর কাঠামোর মধ্যে ঢুকে পড়া। অথচ ইসলাম কোনো মানুষের একচেটিয়া সম্পদ নয়; এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে সমগ্র মানবজাতির জন্য হিদায়াত।

ফলে অনেক মানুষ ইসলাম থেকে নয়, বরং ইসলামের নামে গড়ে ওঠা কিছু উপস্থাপনা থেকে দূরে সরে যায়।

হয়তো আজকের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটি নয় যে, মানুষ ইসলাম ছেড়ে যাচ্ছে কেন; বরং মানুষ কি ইসলামের প্রকৃত রূপ দেখছে, নাকি মানুষের তৈরি এমন একটি রূপ দেখছে, যা তার কাছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠিন, সংকীর্ণ বা অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে হচ্ছে?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পারলেই হয়তো বাস্তবতা ও ইসলামের মধ্যে যে দূরত্ব আমরা অনুভব করি, তার অনেকটাই কমে আসবে।

20/07/2026

আইডল বা আদর্শ
প্রতিটি জিনিস পরিমাপের একটা একক থাকে। যেমন ওজন মাপার একক (কিলোগ্রাম)
শব্দ মাপার একক (ডেসিমেল)

পৃথিবীর সবকিছু চলে একটা নিয়ম মেনে। সে বিজ্ঞান হোক, সমাজ হোক, রাষ্ট্র হোক আর পরিবার।
সুনির্ধারিত কিছু জিনিসের উপর নির্ভর করেই একটা বিষয় স্থির থাকে।

উকিল যখন (জেরা) করে সে একটা রুলস ফলো করে,বিচারক যখন রায় দেই, সে একটা একক অনুসরণ করে, তার ভিত্তিতেই শাস্তি-খালাসের ফায়সালা হয়।

মানুষ সব যুগে কাউকে না কাউকে আইডল বা আদর্শ মেনেছে। মানুষের শেখার স্বাভাবিক পদ্ধতিই হলো অনুকরণ (imitation)। তাই পরিবার, শিক্ষক, নেতা, নবী, বীর—কাউকে না কাউকে মানুষ আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে।

এই যুগও ব্যতিক্রম না। কিন্তু এখন আর তখনকার পার্থক্য এই আইডল বা আদর্শ মাপার একক।

একজনের গলায় মোটা মোটা চেইন,কয়েক মিলিয়ন ফলোয়ার, সেই আমার আইডল।
কেউ অর্ধ-উলঙ্গ, কথা বলতে পারে ভালো, সে আমার আইডল।
কেউ খেলা - ধুলো করে ভালো, মিলিয়ন্স ওফ ফলোয়ার আছে, সে আমার আইডল।

এই গুলো হলো আমাদের আইডল বা আদর্শ মাপার একক এখন।

এই লেখনির মূল উদ্দেশ্যই হলো (আইডল বা মডেল ছাড়া পৃথিবীতে মানুষ অতিক্রম করতে পারবে না) কিন্তু সেই আদর্শের একক কি? কিসের ভিত্তিতে আজকের মেয়ে-ছেলে এক জনের জন্য পাগল হয়? কি জন্য তারা এই উন্মাদ হয়? তারা কি রুলস, কি একক ফলো করে? এটার উপরই নির্ভর করে জাতির ভবিষ্যৎ।

আমরা যেমন দিন দিন তুচ্ছ হচ্ছি আমাদের আইডল ও আদর্শও তেমনি ভ্যালুলেস বা শ্যালো আদর্শ হচ্ছে এখন।
কুরানে আল্লাহ বলেন :-
(তোমাদেরকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে?)

অবশ্যই আদর্শ বা মডেল মানবো তবে কিসের ভিত্তিতে? কেন? সেটা সম্পর্কে সচেতন না হলে শুধু উন্মাদনায় বাড়বে, সচেতনতা বাড়বে না।

(তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আইডল বা মডেল হলো তোমাদের রাসুল মোহাম্মদ ﷺ)
আল-কুরআন

17/07/2026

একটি সমাজ অতিরিক্ত বিনোদনের সংস্কৃতিতে ডুবে গেলে চিন্তা, রাজনীতি ও জনজীবন দুর্বল হয়ে পড়ে।
Neil Postman
বই: Amusing Ourselves to Death

15/07/2026

ফরজ নামাজ ত্যাগকারী কি মুসলিম থাকে না কাফের হয়ে যায়? who do not perform the obligatory prayers are called kafir, or are they still considered Muslims?
Saydur Rahman Azhari

কুর'আন অনুধাবনে পুনর্জাগরণ إحياء تدبر القرآن الكريم الحكيم
15/07/2026

কুর'আন অনুধাবনে পুনর্জাগরণ
إحياء تدبر القرآن الكريم الحكيم

Address

New Cairo

Telephone

+201096248577

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saydur Rahman Azhari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Saydur Rahman Azhari:

Shortcuts

Share