Al-Azhar Online Academy/AOA

Al-Azhar Online Academy/AOA আমাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন:
https://t.me/alazharonlineacademyofficial

আসসালামু আলাইকুমু।
Al-Azhar Online Academy/AOA আল-আযহার ইউনিভার্সিটি, মিশরে অধ্যায়ণরত শিক্ষার্থীদের তও্বাবধায়নে পরিচালিত একটি অনলাইন একাডেমি। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত যারা অনলাইনে বিশুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শিখতে, আল-কুরআন হিফজ করতে ও এ্যারাবিক ল্যাঙ্গোয়েজ শিখতে আগ্রহী; অনেকেই আবার দু'আ-যিকর, সুন্নাহসম্মত আ'মাল-আদাব, হাদীস, ফিকহ, আক্বীদাহ এবং সীরাতুর রসূল (সঃ) শিখতে চান; কেউ কেউ বাচ্চাদের অনলাইনে কুরআন বা দ্বীন ইসলাম শিখাতে চান; বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই তাদের জন্য খুব সহজ করে সাজানো হয়েছে আমাদের একাডেমির কোর্সগুলো।

Al-Azhar Online Academy/AOA এর কোর্স সক্রান্ত সকল আপডেট পেতে জয়েন করুন:

ফেসবুক পেইজ লিংক: https://www.facebook.com/AlAzharOnlineAcademyAOA/

হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপ লিংক:
👳Male-1
https://chat.whatsapp.com/HyqMPWcVu3c3sjF2jkilZu

🧕Female-2:
https://chat.whatsapp.com/Ew0KEfmrzpfIWaqD9mlRbi

👳Male-3:
https://chat.whatsapp.com/BWQm3hS0dfp1tYnUvWKT31

🧕Female-4:
https://chat.whatsapp.com/F5DPrKTDQL10lm0dkq4yrA

ফেসবুক গ্রুপ লিংক: https://www.facebook.com/groups/3749179008536551/?ref=share

টেলিগ্রাম লিংক:
https://t.me/alazharonlineacademyaoapublic

Al-Azhar Online Academy/AOA এর সবগুলো কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন: https://docs.google.com/forms/d/1wMLznJMH44ZiMyCPU8wOhPIaDSYYepsNrG3VldjYg0E/edit?usp=sharing

আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে Whatsapp/Imo +201211844022 or +8801740038842 অথবা Messenger এ (https://m.me/Alazharonlineacademy) নক করুন।

জাযাকুমুল্লাহু আহসানাল জাযা ওয়া বিত্তাওফিক ওয়ান নাজাহ!

11/08/2026

পথ দীর্ঘ, রাতও দীর্ঘ; তবুও পথচলা থেমে থাকে না, আশা নিভে যায় না। কল্যাণের পতাকা হাতে নিয়ে, অন্ধকার পেরিয়ে ভোরের প্রত্যাশায় এগিয়ে চলা। হয়তো রাত দীর্ঘ, কিন্তু ভোর একদিন আসবেই ইনশাআল্লাহ!

আল্লাহ গাযার নির্যাতিত মানুষের জন্য সহজতা ও নিরাপত্তা দান করুন।🇵🇸

গাযা কে ব্যস্ততার কারণে ভুলে গেছি🥲 ইনশাআল্লাহ গাযা নিয়ে আবারো কাজ শুরু হবে। 🤲

01/08/2026

নেতানিয়াহু ওয়াশিংটন গিয়ে ট্রাম্পকে বলেছে, আমি নিশ্চিত জানি হামাস অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি হবে না ।
অথচ হামাস এরপরেই ঘোষণা দিয়েছে তারা অস্ত্র পরিত্যাগ করতে রাজি এবং ফিলিস্তিন পিস কমিটির কাছে অস্ত্র জমা দিবে । সাথে সাথে একটা শর্ত জুড়ে দিয়েছে ।
ইসরাইলকে অবশ্যই গাজা ত্যাগ করতে হবে এবং পূর্বের অবস্থানে তারা ফিরে যাবে ও গাজায় প্রতিদিনের হামলা বন্ধ করতে হবে তাহলেই হামাস অস্ত্র জমা দিবে ।
হামাস রাজি হয়ে যাওয়ায় নেতানিয়াহু চরম বিপদে পরে গেছে । তারপরই তারা পাল্টা শর্ত দিয়েছে, হামাস অস্ত্র ত্যাগ করলেই কেবল তারা গাজা ত্যাগ করবে । অন্যথায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে না ।
এদিকে আইআরজিসি হামাসকে অস্ত্র ত্যাগ না করার আহবান জানিয়েছে ।
খাতাম আল আম্বিয়ার একজন নেতা জানিয়েছে, হামাস অস্ত্র ত্যাগ করা মাত্র ইসরাইল হামাসের সদস্যের খুঁজে বের করে হত্যা করবে এবং পুরো গাজা কয়েক সপ্তাহের ভেতর দখল করে নিবে ।
হামাসের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খলিল আল-হাইয়াও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরাইল গাজা ত্যাগ না করলে হামাস অস্ত্র জমা দিবে না এবং শীঘ্রই তারা পুরোদমে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে । তাই ইসরাইলের কাছে খুব কম সময় রয়েছে ।

04/05/2026

ইরানে 'হরমুজের যুদ্ধ' এক অর্থে আজ থেকে আবার শুরু হয়েছে। আজ ভোরে ট্রাম্প নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বলেছে

- Ships would be guided safely out of Hormuz ( জাহাজগুলোকে নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করে আনা হবে।)

এরপর ট্রাম্প পোস্ট করে জানিয়েছে

- হরমুজ এলাকায় অ্যামেরিকার ১৫ হাজারের বেশি সৈন্য জড় করা হয়েছে। একশোরও বেশি বিমান তৈরি আছে।

অর্থাৎ ইরানকে সোজা বার্তা দেয়া হয়েছে- অ্যামেরিকান যুদ্ধ জাহাজগুলো এখন থেকে হরমুজ দিয়ে যাওয়া তেলবাহী ট্যাংকার কিংবা অন্যান্য জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিবে।

ইরানের সরকার অবশ্য আজ সকাল বেলাতেই জানিয়ে দিয়েছিলো

- We will maintain and manage the security of the Strait of Hormuz with all our might ( আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা বজায় রাখব এবং পরিচালনা করব।)

এরপর দুপুর না গড়াতেই ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়

- অ্যামেরিকার দুটো যুদ্ধ জাহাজে মি*সাইল এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

অ্যামেরিকার সেন্টকম (সেন্ট্রাল কমান্ড সিস্টেম) অবশ্য এটি অস্বীকার করেছে। তবে ইরানের নৌবাহিনী জানিয়েছে

- দুটো অ্যামেরিকান যুদ্ধ জাহাজ নিজেদের রাডার সিস্টেম বন্ধ করে দিয়ে হরমুজে ঢুকতে চেয়েছিল। এরপর আমরা ওদেরকে হামলা করে সরিয়ে দিয়েছি।

ব্রিটিশ টেলিভিশন স্কাই নিউজ বলছে

- এই জাহাজ দুটো হরমুজ প্রণালির অনেক দূরে ছিল। তবে দুটো জাহাজই ওই দিকে রওয়ানা হয়েছিল। এখন আর জাহাজ দুটোকে ওই এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

অর্থাৎ ইরানের হামলার ভয়ে জাহাজগুলো অন্য দিকে সরে গেছে। এই যখন অবস্থা। একটু আগে আল-জাজিরা নিউজ করেছে

- আরব আমিরাতে মি*সাইল এবং ড্রোন হামলা হয়েছে।

এই লেখা লিখতে লিখতে জানতে পারলাম আমিরাতের সব চাইতে বড় পেট্রোলিয়াম স্থাপনা ফুজাইরায় ড্রোন হামলার পর আগুন ধরেছে। সেখান থেকে এই মুহূর্তে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যাচ্ছে। ইরান অবশ্য এখনও এই হামলার কথা স্বীকার করে নাই । তবে ধরেই নেয়া যায়- ইরান থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- ইরান কেন আরব-আমিরাতে হামলা চালালো এই যুদ্ধ বিরতির মাঝে কিংবা অ্যামেরিকান যুদ্ধ জাহাজেই বা হামলা করলো কেন?

সহজ উত্তর। আজ অ্যামেরিকান দাস দেশগুলোর কিছু জাহাজ; মানে আরব আমিরাত এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকটা জাহাজ হরমুজ পার হতে চেয়েছিল এবং সবগুলো জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে। কোরিয়ার একটা জাহাজের ইঞ্জিনে আগুন ধরে গেছে। আমিরাতের একটা জাহাজ ধাওয়া খেয়ে আগের জায়গায় ফেরত গেছে বলে জানিয়েছে জাহাজ ট্র্যাকিং কোম্পানিগুলো। এদিকে অ্যামেরিকান সেন্টকম ঘোষণা করেছে

- দুটো অ্যামেরিকান পতাকাবাহী জাহাজ আজ হরমুজ পার হতে পেরেছে।

ইরান অবশ্য অ্যামেরিকার এই দাবি নাকচ করে দিয়ে আজ একটা নতুন ম্যাপ ইস্যু করেছে। মানে হরমুজের কোন এলাকা ইরানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। এই ম্যাপ বর্ণনা করতে গিয়ে রয়েটার্সের সাংবাদিক বলেছেন

- হরমুজের নিয়ন্ত্রণই শুধু ইরান নিতে চাইছে না; ম্যাপের আকার বাড়িয়ে এখন তো আরব-আমিরাতের একটা বন্দরও ইরানের নিমন্ত্রণে নেয়ার ঘোষণা দিয়ে ফেলেছে।

আমি কিছুক্ষণ আগে ভালো করে ইরানের ইস্যু করা নতুন ম্যাপটা দেখছিলাম। এই ম্যাপে হলুদ দাগ দেয়া যে জায়গাটাটুকুকে ইরানের নিয়ন্ত্রণের আছে বলা হচ্ছে- সেখানে তো আরব আমিরাতের বন্দরও আছে! ইরান কি তাহলে আরব -আমিরাতের বন্ধর দখলে নিয়ে চাইছে? নাকি বলতে চাইছে- এই এলাকা দিয়ে কোন জাহাজ গেলেই আমরা হামলা চালাবো!

বিষয়টা আমার কাছে পরিষ্কার না। তবে এই লেখা লিখতে লিখতে মাত্রই জানতে পারলাম- আমিরাতের ওই বন্দরে হামলা হয়েছে এবং একটা জাহাজ এই মুহূর্তে জ্বলছে। এই এত কিছু হয়ে গেলো স্রেফ আজ ভোরে ট্রাম্পের একটা ঘোষণা থেকে

- Ships would be guided safely out of Hormuz (জাহাজগুলোকে নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করে আনা হবে)

ট্রাম্প এই প্রোজেক্টের নাম দিয়েছে Project freedom ( মানে স্বাধীনতা প্রকল্প!) এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- অ্যামেরিকা কি আদৌ পারবে জাহাজগুলোকে নিরাপদে যাতায়াত করার সুযোগ করে দিতে? মানে ট্রাম্পের ভাষায় স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে?

অ্যামেরিকান সংবাদ মাধ্যম সিএনএনের নামকরা কলামিস্ট ব্র্যাড লেন্ডন আজ একটা কলাম লিখেছে। যার শিরোনাম হচ্ছে

- Trump’s new plan to ‘guide’ merchant ships through Hormuz leaves many questions unanswered ( অর্থাৎ ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনায় হরমুজ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পথ দেখিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এতে এখনও অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে।)

এরপর তিনি প্রশ্ন করেছেন

- জাহাজগুলোতে যদি মি*সাইল কিংবা ড্রোন হামলা হয়। এর দায় কি অ্যামেরিকা নেবে?

এরপর তিনি প্রশ্ন করেছেন

- ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলো কি রাজি হবে আদৌ?

আপনাদের জানিয়ে রাখি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইনস্যুরেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলো কখনোই কোন জাহাজকে ছাড়পত্র দেবে না। যেখানে নিশ্চিত বিপদের সম্ভাবনা আছে। আল-জাজিরা আজ হরমুজে দুই মাস ধরে আঁটকে থাকা এক জাহাজের ক্যাপ্টেনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। সেখানে সাংবাদিক তাঁকে জিজ্ঞেস করেছে

- তুমি কি তোমার জাহাজ নিয়ে এই পথ পারি দেবে অ্যামেরিকার নিরাপত্তায়?

উত্তরে ওই ক্যাপ্টেন বলেছে

- No ships will to dare pass Hormuz unless declared safe (অর্থাৎ নিরাপদ ঘোষণা না করা পর্যন্ত কোনো জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করার সাহস করবে না)

এরপর তিনি বলেছেন

- জাহাজগুলো তো বিভিন্ন কোম্পানি চালায়। কোন মালিক এতে রাজি হবে না।

অর্থাৎ এটি পরিষ্কার- ম্যানিয়াক ট্রাম্পের এই 'Project Freedom' কয়েক ঘণ্টার মাঝেই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। অল্প যে দুই-একটা জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করেছে অ্যামেরিকার কথা শুনে। এরা উল্টো হামলার স্বীকার হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক সিআইএ অফিসার স্কট রিটার আজ বলেছেন

- It takes just one ship to get blown up. The rest will not move even an inch without Iranian confirmation. ( অর্থাৎ একটা জাহাজ যদি কোন ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়, অন্য জাহাজগুলো ইরানের অনুমতি ছাড়া এক ইঞ্চিও নড়বে না।)

আর আজকে তো এর মাঝেই তিনটা জাহাজে হামলা করেছে ইরান। এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- অ্যামেরিকা কি বসে থাকবে? ওরা কি পাল্টা আঘাত করবে না?

আমি খুব অবাক হয়েছি, এখন পর্যন্ত অ্যামেরিকা কোন পাল্টা আঘাত করেনি আজ। তবে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন

- আজ রাত কিংবা কাল সকালে অ্যামেরিকা হয়ত বড় রকম হামলা করতে পারে ইরানে। তবে ইরানও বসে থাকবে না। আরব আমিরাত সহ অন্যান্য অ্যামেরিকান সহযোগী দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ইরান ধ্বংস করে দেবে।

ইরান এক অসম লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। জগতের সব চাইতে শক্তিশালী দেশ অ্যামেরিকার সাথে ওরা যুদ্ধ করছে। তবে ওরা টিকে আছে। আর ইংরেজিতে একটা কথা তো আছেই

- Not losing means winning (না হার মানা মানেই জয়)

ইরানের দরকার স্রেফ টিকে থাকা। আর ওরা খুব ভালো মতই টিকে আছে। এই লেখা যখন লিখছি , তখন আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় আগুন জ্বলছে। এত এত ই*জরাইলি আইরন ডোম ইন্টারসেপ্টোর দিয়েও কাজ হচ্ছে না। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখদের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

-আমিনুল ইসলাম

আজ রাতেই নিশ্চিত হয়ে যাবে যুদ্ধ আবারও পুরো মাত্রায় শুরু হলো কি না। এই যুদ্ধ আবারো শুরুর পেছনে দায়ী ট্রাম্পের ইগো, আর ইসর...
04/05/2026

আজ রাতেই নিশ্চিত হয়ে যাবে যুদ্ধ আবারও পুরো মাত্রায় শুরু হলো কি না। এই যুদ্ধ আবারো শুরুর পেছনে দায়ী ট্রাম্পের ইগো, আর ইসরায়েলের ব্ল্যাকমেইল করে চাপ প্রয়োগ।

আমেরিকান নেভি দাবি করেছে, ইরানের ছোট ছোট ৬টা ফাস্ট বোট ডুবিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে ট্রাম্প বলেছে ৭টা। তাদের নিজেদের মধ্যেই তথ্যের গড়মিল।

ইরানি মিলিটারি অফিশিয়াল দাবি করেছেন, কোনো বোট ডুবেনি। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং ইরানের বোট ও ল্যান্ড থেকে একে অপরের দিকে গোলাগুলি চলছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট অনুযায়ী, ইরানি নৌবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি জাহাজে আক্রমণ করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়াকে প্রজেক্ট ফ্রিডমে যোগ দিতে ডাক দিয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেছে, "আমেরিকান জাহাজে আক্রমণ করলে, আর 'প্রজেক্ট ফ্রিডম অফ নেভিগেশন'-এ বাধা দিলে ইরানকে আবারও উড়িয়ে দেওয়া হবে।"

একজন মার্কিন সিনিয়র অফিসিয়াল জানিয়েছে, চীন ইরানের যুদ্ধে ফান্ডিং করছে।

এদিকে ইরানের হ্যাকিং গ্রুপ হান্ডালা মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকান ৪০০ নেভি অফিসারদের ব্যাক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে।

এখনো যুদ্ধ ফুল স্কেলে শুরু হয়নি, সাগরের মধ্যেই গুলাগুলি চলছে। এখন রাতে যদি ইরানের উপরে বড় করে আক্রমণ হয়, তাহলেই এই যুদ্ধ আবারো ফুল স্কেলে শুরু হয়ে যাবে। যা এই পৃথিবীর জন্যে একটা ক্যাটাস্ট্রফি ডেকে আনবে।

সোর্স: আলজাজিরার, ফক্স নিউজ, ব্লুমবার্গ, আল মায়াদিন, প্রেস টিভি।

এই গুলোই এখন পর্যন্ত আপডেটেড তথ্য। ছবি: প্রতীকী

♦Breaking♦ ১. আরব আমিরাত বলেছে তেল ক্ষেত্রে হামলায় ৩ ভারতীয় আহত।২. সকল বিমান দুবাই এয়ারপোর্টের রুট পরিবর্তন করে ফেলেছে।৩...
04/05/2026

♦Breaking♦
১. আরব আমিরাত বলেছে তেল ক্ষেত্রে হামলায় ৩ ভারতীয় আহত।
২. সকল বিমান দুবাই এয়ারপোর্টের রুট পরিবর্তন করে ফেলেছে।
৩. দুবাই জানিয়েছে আমেরিকান জোট ২৪ ঘণ্টার ভেতর ইরানে হামলা করতে পারে। - সিএনএন
৪. চতুর্থ দফায় আমিরাতের টার্গেটগুলিতে ইরান মিসাইল ছুড়েছে।
৫. বাহরাইনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
৬. একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছে, হরমুজ ও দূরের জাহাজগুলিতেও স্পিড বোট নিয়ে ইরান নেভি ব্যাপক গুলি ছুড়তে শুরু করেছে।
৭. সেন্টকম দাবি করেছে, তারা ৬ টি ইরানি বোটে গুলি করে অকেজো করেছে। বিপরীতে ইরান নেভী দুতাবাসের একাউন্ট থেকে ট্রল পোস্ট শেয়ার করেছে।
৮. সেন্টকম স্বীকার করেছে, ইরান মার্কিন নেভির জাহাজে মিসাইল ছুড়েছিল তবে জাহাজে হিট করেনি।
৯. ইসরেল তাদের জনগণকে শেল্টারে অবস্থান নিতে নির্দেশ দিয়েছে - নায়া
১০. UAE ফরেন মিনিস্টার বলেছে, আমাদের ধৈর্য্য ভেঙ্গে গেলে মার্কিন জোটের সাথে মিলে একসাথে ইরানের উপর ঝাপিয়ে পড়বো।
১১. আইআরজিসি এইমাত্র নিশ্চিত করেছে তাদের ৬ টি স্পিড বোট নিরাপদে ফিরে এসেছে।
১২. সাবেক ইসরেল পিএম বেনেট জানিয়েছে, ইরান মার্কিন জাহাজে হামলা করে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। কঠোর জবাব দেয়া হবে।
১৩. হিব্রু ওয়াল্লা জানিয়েছে, ইসরেল আক্রমণের জন্য প্রস্তুত। এবং গত সপ্তাহে আরব আমিরাত ও সৌদি আরব আমেরিকাকে হামলার জন্য ব্যাপক চাপ দিয়েছিল ও বিনিয়োগ বন্ধের ব্যাপারে সতর্ক করেছিল।
১৪. মাত্র দশ মিনিটে স্টক মার্কেট থেকে ৫২০ বিলিয়ন ডলার ওয়াশড আউট হয়ে গেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।
১৫. ট্রাম্প জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, ইরান মানচিত্র থেকে নিজেদের মুছে ফেলতে বাড়াবাড়ি শুরু করেছে, আমরা তাদের মুছে ফেলবো।
১৬. হরমুজের নিকট জাস্ক দ্বীপের কাছে তিন শতাধিক লোডেড স্পিড বোট আক্রমণাত্মক পজিশন নিয়েছে। - নায়া
১৭. খাতাম আল আম্বিয়া মুখপাত্র জানিয়েছে, আগুনের জবাব আগুন দিয়ে দেয়া হবে। গোটা মুসলিম দুনিয়া আমাদের জন্য দোয়া করছে।
১৮. প্রায় আটশ ইরাকি মিলিশিয়া খার্গ দ্বীপের কাছাকাছি সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছে। - নায়া।

ইরানের অল আউট পজিশন ভয়াবহ কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আলহামদুলিল্লাহ! যেসব গাইনি ডাক্তার নরমাল ডেলিভারিকে উৎসাহিত করেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, যাদের নরমাল ডেলিভারি রেট ভালো—উন...
25/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ! যেসব গাইনি ডাক্তার নরমাল ডেলিভারিকে উৎসাহিত করেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, যাদের নরমাল ডেলিভারি রেট ভালো—উনাদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করার ব্যাপারে যে উদ্দোগ্য নিয়েছিলাম, তাতে আপনাদের ভালো সাড়া পেয়েছি।

আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ওয়েবসাইট রেডি। আমরা ডাটাগুলো এন্ট্রি দিচ্ছি।

আমাদের ওয়েবসাইট: http://normaldeliverybd.com
তথ্য দিয়ে সহায়তা করুনঃ https://normaldeliverybd.com/submit

———Topu Ahmed

আপনাদের পরিচিত এমন গাইনি ডাক্তারদের ইনফরমেশন দিয়ে সহায়তা করুন, যারা নরমাল ডেলিভারিকে উৎসাহিত করেন, সর্বোচ্চ চেষ....

23/03/2026

গত কয়েক ঘণ্টায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'ট্রুথ সোশ্যাল' বার্তা বিশ্বজুড়ে এক অদ্ভুত স্তব্ধতা নামিয়ে এনেছে।

৫ দিনের জন্য ইরানের জ্বালানি ক্ষেত্রে হামলা স্থগিত এবং তথাকথিত 'ফলপ্রসূ আলোচনার' কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—জায়নবাদ কি এই বিরতি মেনে নেবে? নাকি এটি শিকারিকে অপ্রস্তুত রাখার এক সুগভীর রণকৌশল?
​.
পর্দার আড়ালে ন্যাটোসহ ২২ দেশের জোট এখন আর কেবল 'প্রতিরক্ষা' নয়, বরং এক 'চূড়ান্ত আঘাতের' (Final Strike) ছক আঁকছে। ট্রাম্পের এই ৫ দিনের বিরতি মূলত লজিস্টিক গোছানোর সময় মাত্র। যখন হরমুজ প্রণালী বারুদের গন্ধে ভারী, তখন এই সাময়িক নীরবতা আসলে এক ভয়ংকর সাইক্লোনের পূর্বাভাস।
বিশ্ব মানচিত্র আজ বদলে যাচ্ছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পাহাড়ি সীমান্তে যে বারুদ জ্বলছে, তা কেবল সীমান্ত সংঘাত নয়—এটি এক বৃহত্তর মানচিত্র পরিবর্তনের শুরু। অন্যদিকে, পশ্চিম আফ্রিকায় মুসলিম গেরিলা বাহিনীর অভাবনীয় জয়যাত্রা প্রমাণ করছে যে, আধিপত্যবাদী শক্তির শিকল ছিঁড়তে শুরু করেছে। বাতিলের এই বিশাল আয়োজন আজ মুসলিম যুবকদের অকুতোভয় প্রতিরোধের মুখে থমকে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এই সংকট কেবল তেলের দাম বা লোডশেডিংয়ের নয়; এটি অস্তিত্বের পরীক্ষা। বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়া এবং মুদ্রাস্ফীতির এই মরণকামড় আমাদের এক চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু এই কষ্টগুলোই আমাদের সেই ১৯ শতকের আগের সাদামাটা কিন্তু শক্তিশালী জীবনে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
হে মুসলিম যুবক! আমরা কোনো সাধারণ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি না। আমরা আমাদের সেই সুনিশ্চিত গন্তব্যের দিকেই অগ্রসর হচ্ছি। এটি কেবল ভূ-রাজনৈতিক যুদ্ধ নয়, এটি ঈমানের চূড়ান্ত পরীক্ষা। এই সংকটকালীন সময়ে যারা ধৈর্য এবং সাহসিকতার সাথে হকের পথে অটল থাকবে, তাদের সামনে সাহাবিদের সেই সোনালী মর্যাদার হাতছানি দিচ্ছে।

​পৃথিবীর এই মোহাচ্ছন্ন জান্নাত যখন ভেঙে পড়ছে, তখনই মুমিনের প্রকৃত জান্নাতের পথ সুগম হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির দাসত্ব যখন নিভে যাবে, তখন আপনার ভেতরের ঈমানি আলোই হবে আপনার একমাত্র কম্পাস।
​.
আয়োজন অনেক বড়, কিন্তু পরিকল্পনাকারী হিসেবে আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ। আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিটি মুহূর্তকে প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন। এই ধোঁয়া আর ধ্বংসস্তূপ ভেদ করেই একদিন বাইতুল মাকদিসের বিজয়ী কাফেলা ধুলো উড়িয়ে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ

———কায়সার আহমাদ

21/03/2026

গাযায় শিশুদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি; জুস,চিপস্ ,চকলেটের,নুডলস প্যাকেট ইত্যাদি বিতরণ: ইভেন্ট নং-১১৮ (20/03/2026 তারিখ)

গাযায় ঈদের দিন… যেখানে থাকার কথা ছিল নতুন পোশাকের উচ্ছ্বাস, মিষ্টি হাসির রঙিন মুহূর্ত; সেখানে শিশুদের জীবনে লেগে আছে কষ্টের ছাপ। ঈদ মানে আনন্দ ভাগাভাগি। আর এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া যায়।

Al-Azhar Online Academy/AOA এর ব‍্যবস্হাপনায় দূরবর্তী Gaza Strip-এর ছোট ছোট শিশুদের মুখে আজ সেই ঈদের হাসি ফুটেছে বাংলাদেশ থেকে ভালোবাসার ছোট্ট উপহার পেয়ে। এই কঠিন সময়েও তারা হেসে হেসে হাত নেড়ে অভিবাদন জানাচ্ছে আর সামান্য জুস, নুডলস, চিপস্ ও চকলেটের প্যাকেট পেয়ে তাদের চোখে যে আনন্দ ঝলমল করছে, তা কোনো ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। হয়তো আমাদের কাছে এগুলো খুব ছোট জিনিস, কিন্তু তাদের জন্য এটাই ঈদের খুশি, এটাই আনন্দের উৎসব। তাদের হাত নাড়ানো, লাজুক হাসি আর চোখভরা কৃতজ্ঞতা তা-ই আমাদের জানান দিচ্ছে।

আমরা হয়তো অনেক দূরে, কিন্তু মানবতা দূরত্ব মানে না। ঈদে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস যেন তাদের জানিয়ে দিচ্ছ যে তারা একা নয়। একটু সহানুভূতি, একটু ভালোবাসা এই দুঃসময়ে সবচেয়ে বড় উপহার।

আল্লাহ আমাদের এই ছোট প্রচেষ্টাকে কবুল করুন এবং সকল নির্যাতিত মানুষের কষ্ট লাঘব করুন🤲 দাতাদের উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন, গাযার মুসলিমদেরকে হিফাজত করুন। গাযার মতো সুদানের মুসলিমদের অবস্থাও শোচনীয়। আপনাদের সহযোগীতায় স্বস্তি ও উষ্ণতার ছোঁয়া পৌঁছুক মাজলুমের কাছে। আমরা সাধ্যানুযায়ী নিয়মিত গাযায় ও সুদানে ইভেন্ট পরিচালনা করবো, ইংশাআল্লাহ। এতে আপনিও অংশগ্রহন করুন, অন্যদেরও অংশগ্রহন করতে উৎসাহিত করুন।

এই সংকটময় সময়ে সুদান ও গাযার অসহায় মানুষের কাছে Al-Azhar Online Academy/AOA পৌঁছে দিচ্ছে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্য। আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ, একবেলা খাবারের অর্থ দিয়ে হলেও তাদের পাশে দাঁড়ানো। তাদের ত্যাগ আর কুরবানী ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা সেই ইতিহাসের ক্ষুদ্র সহযোগী মাত্র। আল্লাহ তা'আলা যদি আমাদের এই উসিলায় ক্ষমা করেন!

বিগতদিনে আমাদের পরিচালিত বাকি 118 টি ইভেন্ট ও কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য, বিবরণ, ভিডিয়ো, ছবি কমেন্ট বক্সে প্রদত্ত লিংকে শিরোনাম ও তারিখসহ সন্নিবেশিত আছে। অনুগ্রহ করে দেখে নিবেন, ইনশাআল্লাহ।

গাযায় আগামীকাল পরবর্তী 119 তম ইভেন্টে মানবিক সহায়তা পাঠাতে আপনিও আমাদের সাথে অংশগ্রহন করুন, গাযাবাসীর পাশে দাঁড়ান।

গাযায় Al-Azhar Online Academy/AOA এর মাধ্যমে সদাক্বহ/অনুদান পাঠানোর নাম্বার:

01740038842 বিকাশ/নগদ/রকেট (সেন্ড মানি/পারসোনাল), রেফারেন্সে G লিখবেন। না লিখতে পারলে নাম্বারের শেষ 4 ডিজিট আমাদের ম্যাসেজ করে জানালেই হবে, ইনশাআল্লাহ।

কোনো প্রশ্ন থাকলে Page এ নক দিয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল অথবা +8801740038842 নাম্বারে Whatsapp/Telegram এ নক করতে পারবেন!

আমরা আপনার আমানত যথাযথভাবে পৌঁছে দিবো, ইনশাআল্লাহ! বারকাল্লাহু ফী রিযকিকুম!

আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন👇

21/03/2026

গাযায় ১১৯ তম ইভেন্টের প্রস্তুতি চলছে, আপনিও গাযার মানুষেদের সহযোগী হোন। বিস্তারিত👇

Address

Cairo
11511

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Azhar Online Academy/AOA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Al-Azhar Online Academy/AOA:

Shortcuts

Share