Dr. MK Kabir

Dr. MK Kabir German Immigration & Life, German Free Education, Rules and My Own Thoughts Facebook: www.facebook.com/MKMKMKKabir

জার্মানিতে স্টাডি, ইমিগ্রেশন, গাইড লাইন, নিয়ম-কানুন, দৈনন্দিন-জীবনে চলার জন্যে তথ্য যা কিনা একজন বাংলাদেশির জন্যে দরকার হতে পারে, তা আপনারা পাবেন এই পেজ এ। যেকোনো আপডেট পেতে সাথে থাকুন! ধন্যবাদ আপনাদেরকে!

07/10/2026

জার্মান ন্যাশনাল রেলওয়ে Deutschebahn এ স্টুডেন্ট-জব:
আমার অটোমেশন ল্যাবে একটি Werkstudent (Student job) পসিশনে একজন খোঁজা হচ্ছে। ফ্রি ICE টিকেটসহ অনেক আকর্ষণীয় সুবিধা রয়েছে। লেকচার চলাকালীন সপ্তাহে ২০ ঘন্টা, লেকচার-ফ্রি সময় ফুল-টাইম করার সুযোগ রয়েছে।

এপলাই করার লিংক কমেন্টে দেয়া আছে।

20/09/2026
জার্মানীতে একটি বিয়ে: বাঙালি মেয়ে আর জার্মান ছেলে: গতকাল গিয়েছিলাম স্টুটগার্ট রিজিওনে একটি বিয়ের দাওয়াতে। বাংলাদেশী এক ব...
20/09/2026

জার্মানীতে একটি বিয়ে: বাঙালি মেয়ে আর জার্মান ছেলে:
গতকাল গিয়েছিলাম স্টুটগার্ট রিজিওনে একটি বিয়ের দাওয়াতে। বাংলাদেশী এক বড় ভাই এর মেয়ের বিয়ে। ওই বড় ভাইয়ের সাথে আমার অনেক দিনের পরিচয়। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উনি আমার মতামত জানতে চান। উনি অনেকগুলি বাড়ি-ঘরের মালিক। সে হিসেবে বাড়ি-ঘর রিনোভেশনের ব্যাপারে ওনার কাছ থেকেও আমি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন পেয়ে থাকি। মানুষ হিসেবে অনেক পরোপকারী এবং উদার মনের।

ওনার মেয়েটি জার্মানি থেকে ব্যাচেলর এবং মাস্টার স্টাডি শেষ করে ভালো একটি জব করে। যে ছেলেটির সাথে বিয়ে হলো সে একজন প্রফেশনাল শিক্ষিত জার্মান। পড়ালকালীন সময়ে ওদের পরিচয়। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব এবং জীবন-সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়া। তবে জীবন-সঙ্গী হিসেবে জীবন শুরু করা অনেক কঠিন কাজ ছিল। সম্পূর্ণ ভিন্ন কালচার, ভিন্ন ধর্মসহ অনেকগুলি চ্যালেঞ্জ তাদের জীবনে। কিন্তু প্রতিটি জিনিস তারা সুন্দর করে ম্যানেজ করেছে।

দুই পরিবার এক সাথে বসেছে। তারা একে অন্যের এক্সপেকটেশনগুলি শেয়ার করেছে। মেয়েটিও এর মধ্যে ছেলের পরিবারের সাথে পরিচিত হয়েছে। ছেলের পরিবার মেয়েটিকে অত্যন্ত পছন্দ করেছে। আসলে বাঙালি মেয়েদের বেশ কিছু কোয়ালিটি থাকে, যেগুলি দিয়ে তারা অতি সহজে অমন পরিস্থিতি তাদের অনুকূলে আনতে পারে। দুই পরিবার মিলে বিয়ের কেনা-কাটি করেছে। একবার তারা জুয়েলারি এবং গয়না-গাটি কিনতে ফ্রাঙ্কফুর্ট যখন এসেছিলো আমি তখন তাদেকে লাঞ্চ এর দাওয়াত দিয়েছিলাম। ছেলেটির কথা-বার্তা সব কিছু অনেক সুন্দর। আমাদের কালচারের ব্যাপারে অনেক রেস্পেক্ট। আমি অমন একটি ছেলের সাথে মেয়েটির বিয়ে না দেয়ার (যেহেতু সে জার্মান) কোনো কারণ দেখলাম না।

ছেলেটি এক পর্যায়ে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলো। অতঃপর তারা সম্পূর্ণ ইসলামিক পথে শরিয়ামতে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ে করেছে।

গতকালকের বিয়ের অনুষ্ঠানটি ছিল খুবই সুন্দর এবং সাজানো। দেশীয় খাবার থেকে শুরু করে অমন কোনো ইভেন্ট বাকি ছিলনা যেটি বাংলাদেশী একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হয়। বর-পক্ষ আসার সময় গেট ধরা, গেটে টাকা দিয়ে বরের পার হওয়া। বর-পক্ষের অনেক জার্মান রিলেটিভের সাথে কথা হল। অনেক মার্জিত এবং ভদ্র ফ্যামিলি। খুব ভালো লেগেছে। ছেলের দাদার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে, নিজের একটি বাড়ি সে তার নাতি এবং নাত -বৌ এর নতুন সংসারের জন্যে দিয়ে দিয়েছে থাকার জন্যে। কি দারুন গিফট!

আগে অনেক নেতিবাচক ছিলাম আমি বাংলাদেশী ছেলে/মেয়ে এবং জার্মান ছেলে/মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে। কিন্তু উপরের ঘটনা এবং অমন অনেকগুলি বাংলাদেশী মেয়ে এবং জার্মান ছেলের মধ্যেকার বিয়ের ঘটনা এবং সংসার জীবনে সুখী হওয়ার ব্যাপারগুলি দেখে আমার মতামত অনেক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে একটি বাঙালী মেয়ের জন্যে ব্যাপারগুলি অনেক অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের। কিন্তু একটি মেয়ে যদি অমন একটি জার্মান ছেলে পায় যে কিনা শিক্ষিত, ভালো উপার্জন করে, মেয়েদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, ভালো ফ্যামিলি বিলং করে, ফ্যামিলি কো -অপারেটিভ, বাংলাদেশী কালচারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তেমন ছেলেকে জীবন-সঙ্গী না করার কোনই কারণ থাকতে পারে না।

আমি দেখেছি, যে সব জার্মান ছেলে ভালো হয়, তারা আসলে অনেক বেশি ভালো ((দুঃখিত, জার্মান মেয়েদের সাথে অনেক কম মেশা হয়েছে বলে আমার ব্যক্তিগত মতামত দিলাম না)। অনেক বাঙালী ছেলের চেয়েও অনেক ভালো হয়ে থাকে ওরকম জার্মান ছেলেরা । অন্য কালচারের প্রতিও তাদের অনেক রেস্পেক্ট। অমন কোনো জার্মান ছেলের সাথে বাংলাদেশী কালচারের মেয়ে অসুখী হবার চান্স অনেক কম বলে আমি মনে করি। বরং একটি মেয়ে পেতে পারে একটি সিকিউরড, স্বচ্ছল এবং সুন্দর সাংসারিক জীবন। স্বচ্ছলতা এবং সিকিউরিটিসহ সুখী একটি জীবন আমার মনে হয় সবারই কাম্য।

ভালো থাকুক গতকালকের বাংলাদেশী কন্যা এবং জার্মান ছেলেটি। আসুন আমরা সবাই তাদের জন্যে দোআ করি!

16/09/2026

বার্লিন জার্নি এবং আপনাদের জন্যে জবের সুযোগ:
অফিসের কাজে বার্লিন যাচ্ছি। উদ্দেশ্য বার্লিন অফিসের সেট-আপ বিস্তারিত দেখা। আমাদের অফিসের বার্লিন লোকেশনকে কেন্দ্র করে রিসোর্স বৃদ্ধি করা হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ড এর যারা জব খোঁজছেন (ফুল-টাইম বা স্টুডেন্ট বা পার্ট-টাইম), তারা সিভি দিতে পারেন। যারা একটি ফুল-টাইম জব করছেন এবং আরেকটি মিনি-জব করতে চান তারাও পারবেন এপলাই করতে। বার্লিন বা বার্লিন বা ফ্রাঙ্কফুর্ট বা জার্মানীর যে কোন সিটি থেকে সিভি দিতে পারেন।

এখানে কমেন্ট করা বন্ধ রাখা হয়েছে, যেহেতু কমেন্টের উত্তর দেবার পর্যাপ্ত সময় নেই এবং আমার ভিউ এর কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু মাত্র আমার প্রোফাইল ইনবক্স এ কন্টাক্ট করতে পারবেন। প্রোফাইল ইনবক্স এর লিংক কমেন্টে দেয়া হলো।

মেধাবী, কাজের প্রতি লয়াল, মোটিভেটেড, প্রোগ্রামিং বুঝেন তারা সিভি ড্রপ করতে পারেন। সিভি পছন্দ হলে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে রিলেটেডরা।
ধন্যবাদ!

13/09/2026

জার্মানিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ফ্রেন্ড এবং ব্ল্যাকমেইল করে দিনের পর দিন ধর্ষ/ণ:
একজন ফিমেল স্টুডেন্ট জার্মানি আসার জন্যে সোশ্যাল মিডিয়ার কোন একটি গ্রুপ থেকে পাওয়া জার্মানিতে থাকা আরেক ছাত্রের সাথে কানেক্টেড হয়েছে। এপলাই করার সময় কিছু ইনফরমেশন, সিভি বানানো, মোটিভেশন লেটার বানানো এগুলিতে ফেইসবুক ফ্রেন্ডটি তাকে হেল্প করেছে।
মেয়েটির জন্যে একটি শেয়ার্ড এপার্টমেন্টও ঠিক করতে হেল্প করেছে ছেলেটি। জার্মান ভিসা পাবার পর মেয়েটি যেদিন জার্মানিতে আসলো, ঐদিনই মেয়েটিকে রুমে একা থাকার ব্যাপারে ভুত এবং ইত্যাদি দিয়ে ভয় দেখালো। ছেলেটি তখন বললো, সে যদি রাতে রুমে একা থাকতে ভয় পায় , তা হলে সে মেয়েটির সাথে রুমে থাকতে পারে। মেয়েটি কিছুই বললো না। থেকে গেলো রাতে ছেলেটি মেয়েটির সাথে। সেদিনই ছেলেটি মেয়েটির সাথে রাতে ফিজিক্যাল রিলেশন করলো। এভাবেই চলতে লাগলো কয়েক মাস। ছেলেটি বলতো, তার শিগগিরই বড় একটি কোম্পানিতে জব হবে। জব হলেই সে বিয়ে করবে। তার খরচ-পাতি চালাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এছাড়া নিয়মিতই ভুত-প্রেত এগুলি নিয়ে ভয় দেখাতো ।
মেয়েটি এক পর্যায়ে বুঝতে পারে তার অবস্থা। ছেলেটির কাছ থেকে দূরে আসার চেষ্টা করে। কয়েক মাস পর চলে আসে অন্য আরেকটি সিটির ইউনিভার্সিটিতে এডমিশন নিয়ে। তারপরও চলতে থাকে ছেলেটির মেয়েটিকে ফিজিক্যাল রিলেসন করতে বাধ্য করা।

১-২ দিন পর পরই চলে আসে ছেলেটি মেয়েটির কাছে রাতে। মেয়েটি ছেলেটিকে না করে ফিজিক্যাল রিলেসন করতে। কিন্তু সে শোনে না। ছেলেটি বলে যে, তার কাছে ভিডিও আছে তাদের ফিজিক্যাল রিলেসন এর। এসব ভিডিও তার বাবা-মাসহ অন্যদের দেখাবে যদি সে তার কথা না শোনে। এভাবে জোরপূর্বক চলতে থাকে দৌহিক সম্পর্ক। মেয়েটি বুঝতে পারেনা কি করবে? এ দূর দেশে তার নেই কোনো আত্মীয়-স্বজন। লজ্জায় কাউকে এ ঘটনা কোন দিন বলতেও পারছে না। এক পর্যায়ে মেয়েটি ছেলেটির কল ধরা বন্ধ করে দেয়।

একদিনের ঘটনা:
মেয়েটি কল ধরা বন্ধ করার কয়েকদিন পর, তার আসা কিছু দিনের জন্যে বন্ধ হয়। এর মধ্যে এক রাতে মেয়েটি বাইরে থেকে ফ্ল্যাটে এসে রুম খুলে লাইট জ্বালিয়ে হঠাৎ করে দেখে ছেলেটি তার বিছানায় শুয়ে আছে। সাথে সাথে সে চিৎকার করতে চাইলে, ছেলেটি এসে তার মুখ চেপে ধরে। এ অবস্থায় আবারও ধর্ষ/ণ করে মেয়েটিকে ওই রাতে। মেয়েটি ওইদিনও পারেনি চিৎকার করে বা ফ্ল্যাটম্যাটদের ডেকে বলতে সব ঘটনা। এটাও জানে না, ছেলেটি কিভাবে ফ্ল্যাটে ঢুকেছে। কলিং বল দিয়ে কারো মাধ্যমে নাকি তার কাছে কোনো ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে।

এর পর থেকে মেয়েটি আতংকে অনেক সকাল বেলা বের হয়ে যায় বাসা থেকে। আর ফিরে অনেক রাতে, যাতে ছেলেটি আসলেও না পায় বাসায় ওকে। একদিন ওই ছেলেটি দুপুর বেলা এসে, কলিং বেল দিয়ে মেয়েটির ফ্ল্যাটম্যাটকে দিয়ে দরজা খুলিয়ে মেয়েটির রুমে শুয়ে থাকে। অশ্লীলভাবে শোয়া ছবি মেয়েটিকে হোয়াটস্যাপ এ দিয়ে বলে, সে অপেক্ষা করছে তার রুমে। জলদি যেন আসে। মেয়েটি অনেক ভয় পেয়ে যায়। সাথে সাথে তার ফ্ল্যাটম্যাট মেয়েকে কল দিয়ে বলে, সে যেন ছেলেটিকে চলে যেতে বলে। তখন ছেলেটি বাসা থেকে বের হয়ে ফ্লাট এর দরজার পাশেই অপেক্ষা করতে থাকে। ভয়ে ভয়ে মেয়েটি ঐদিন বাইরে বাইরে থেকে অনেক রাতে বাসায় ফিরে।

আরেকদিনের ঘটনা:
একদিন মেয়েটি যখন সকালে বের হয় তখন ছেলেটি তাকে ট্রামে ফলো করতে থাকে। মেয়েটি টের পেয়ে সে তার এক ফ্রেন্ড এর বাসায় চলে যায় ট্রাম থেকে নেমে। ওই ফ্রেন্ড এর বাসায় গিয়ে সে বাইরে একটু পর পর দেখে ওই ছেলে আছে কিনা। ওই ছেলে বাইরে আছে দেখে সে আর বের হয় না। মেয়েটি তার ফ্রেন্ডকেও এ ঘটনা জানাতে পারছে না ভয়ে এবং লজ্জায়।
ওই দিন রাত সাড়ে এগারোটার দিকে মেয়েটি দেখে ছেলেটি বাইরে নেই। ভাবলো, সে এবার বাসায় যেতে পারে। বের হয়ে ট্রামে উঠতেই দেখে ওই ছেলেও উঠেছে। একেবারে মেয়েটির কাছে এসে কথা না বলে মোবাইলে লিখে লিখে মেয়েটিকে দেখাচ্ছে যে, এখন যেন মেয়েটি ট্রামের মানুষের সামনে কোনো কথা না বলে বা কোনো সিন ক্রিয়েট না করে। মেয়েটি যেন তার বাসায় তাকে নিয়ে যায়। তার বাসায় গিয়ে তার সাথে কথা বলবে। না হলে সে, ট্রাম থেকে বের হয়েই যা করার করবে। অনেক ভয় পেয়ে যায় মেয়েটি।

মেয়েটি আমার ফেইসবুক এর একজন ফলোয়ার। প্রয়োজনে মাঝে মাঝে মেসেজ আদান প্রদান হয় টুকটাক। ওই ছেলের কাছ থেকে একটু দূরে এসে আমায় কল দেয়। আমি তার সিটিতেই থাকি। ওই দিন আমার অফিসের এক ডিনার পার্টি ছিল Hauptbahnhof এর পাশের একটি রেস্টুরেন্টে। কল দিয়ে আমায় বলে, আমি যেন মেসেঞ্জার এর মেসেজ চেক করি, সে একটা অনেক বড় বিপদে আছে। কল এ সে বলতে পারছে না। মেসেজ দিয়ে আমায় বললো, সে ট্রাম থেকে নামতে পারছেনা, একটা বাঙালি ছেলের ভয়ে। ছেলেটি তাকে ফলো করছে এবং অনেক ক্ষতি করবে। আমি কি ওই ট্রাম এর কোনো একটি স্টেশনে আসতে পারবো কিনা। আমি তার লোকেশন জানলাম কোন স্টেশনে আছে। সময় তখন রাত বারোটার উপরে। বললাম, আপনি Hauptbahnhof ট্রাম স্টেশনে আসলে নামুন। আর লোকেশন ট্র্যাকিং শেয়ার করতে বললাম। নামলে আমি থাকবো। আমায় পাবেন।
গাড়ি নিয়ে বের হলাম। কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌছালাম স্টেশনে। এর মধ্যেই আমি পুলিশের ইমার্জেন্সিতে কল দিলাম। ঘটনাটি ছোট করে বলে, হেল্প চাইলাম। ট্রাম স্টেশনে আমি রিচ করেই পুলিশকেও পেলাম। আমি পুলিশকে এপ্রোচ করে বললাম যে, আমি কল করেছিলাম। এর মধ্যেই ট্রাম আসলো। মেয়েটি নামলো। ছেলেটি সাথে সাথে নেমেই মেয়েটির হাত ধরে অনেকটা জোর করে টেনে নেবার চেষ্টা করছিলো। আমি একটু দূরে ছিলাম। দৌড়ে গিলাম ওখানে। পুলিশও দৌড়ে আসলো। ছেলেটি হাত ছেড়ে দিলো। এর মধ্যে পুলিশ সবার পাসপোর্ট/আইডি কার্ড চাইলো। জিজ্ঞেস করলাম, কেন ফলো করছে। বললো, এটি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। পুলিশ জানতে চাইলো মেয়েটির কাছে। মেয়েটি উত্তর দিলো যে, তার সাথে ছেলেটির কোনো ব্যক্তিগত ব্যাপার নেই। মেয়েটি এর মধ্যে পুলিশকে জানালো যে, ছেলেটি ফলো করছে সারাদিন যাবৎ এবং ভয় ভীতি দেখাচ্ছে আজকে এখন তার বাসায় নিয়ে যাবার জন্যে। পুলিশ তখন ছেলেটিকে নিষেধ করলো মেয়েটিকে ফলো করার জন্যে। পুলিশ আমাদের বললো, কোনো কমপ্লিন থাকলে যেন আমরা পুলিশ স্টেশনে গিয়ে করে আসি কাল। ছেলেটিকে ওখান থেকে পুলিশ চলে যেতে বললো।

আমি মেয়েটিকে নিয়ে বাসায় পৌছিয়ে দিলাম। রাস্তায় আমার কাছে জানতে চাইলো আমার সময় আছে কিনা একটু। সে অনেক বড় বিপদে আছে। আমি তাকে যেন একটু সাহায্য করি।
আমি বললাম ঠিক আছে, বলুন। তখন সে আমায় তার বিগত মাসগুলিতে ঘটে যাওয়া উপরের ধর্ষ/ণসহ নির্যাতনগুলি বর্ণনা করলো। বললো, আমি যেন তাকে এডভাইস করি কিভাবে কি করা যায় এটা নিয়ে। আমি বললাম, আজ রাতে বাসায় গিয়ে ঘুমান। আর রাতে কোনো প্রব্লেম ফেস করলে আমায় কল দিতে। সকালে আমি লইয়ার এর সাথে কথা বলে জানাবো। তার বাসা নামিয়ে দিয়ে আসলাম।

এর মধ্যে ওই রাতেই বাংলাদেশ সময় সকাল বেলা ওই ছেলে বাংলাদেশে থাকা মেয়েটির বোনকে মেসেজ দিয়ে বলে তার সাথে ইম্পরট্যান্ট কথা আছে। মেয়েটির অনেক খারাপ কাজের কিছু এভিডেন্স তার কাছে আছে। তার বোন ভয় পেয়ে সাথে সাথে মেয়েটিকে কল দিয়ে জানতে চায় কি হয়েছে। মেয়েটি তখন তার বোনকে বলে দেয়, সে যেন ছেলেটিকে ব্লক করে দেয়। কি পরিমান ক্রিমিনাল ছেলেটি! পুলিশের তাড়া খেয়েও সে লেগে আছে!

পরের দিন সকাল বেলা আমি আমার পরিচিত লইয়ারকে কল দিলাম কিভাবে কি করা যায় এ ক্ষেত্রে। সে আমায় নামকরা একজন ক্রিমিনাল লইয়ার আর কন্টাক্ট দিলো। কল করলাম তাকে। বললাম ঘটনা। লইয়ার দুপুরের পর ইমার্জেন্সি হিসেবে টাইম দিলো।
দুপুরের পর গেলাম ওই মেয়েটিসহ লইয়ার এর কাছে। লইয়ার রে/পসহ অনেকগুলি ক্রাইম দিয়ে কেস ফাইল করলো।
কেসটি চলমান আছে এখন। ক্রিমিনাল পুলিশ এর তদন্ত করছে।
এ ঘটনাগুলির পর মেয়েটি এক ধরণের ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দেশে তার বাবা-মা কেউ জানেনা এটি।

মেয়েটির উপলব্ধি হলো, এভাবে অনলাইন জগতের গ্রুপ এর মাধ্যমে অচেনা মানুষ থেকে বন্ধু বনে যাওয়াদের হেল্প নিয়ে জার্মানি আসাটা তার সব চেয়ে বড় ভুল হয়েছে। এর চেয়ে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে যদি কোনো এডমিশন কন্সালটেন্সি থেকেও হেল্প নিত, তাহলে হয়তোবা তার জীবনে অমন মেসাকার হতো না। যদিও এখনকার চ্যাটজিপিটির যুগে আসলে অন্য কারোরই হেল্প এর তেমন দরকার নেই আর।

উপরের ঘটনাগুলির মত অনেক ঘটনা ঘটছে বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের মধ্যে।
আশা করছি, জার্মানিতে আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশী যেসব স্টুডেন্ট আছেন তারা এবং তাদের গার্ডিয়ানরা এ ব্যাপারগুলি খেয়াল রাখবেন। বাংলাদেশে বাস-ট্রেনে যেমন অচেনা যাত্রী আপনার সাথে বন্ধুত্ব পাতিয়ে কিছু খাইয়ে আপনার সর্বস্ব লুটে নিয়ে যায়, জার্মানিতে আপনার মেয়ের সর্বস্ব লুটে নেবার জন্যে অনলাইনে অচেনা থেকে ফ্রেন্ড হয়ে যাওয়া তেমনি কিছু ছেলে অপেক্ষায় থাকে! সবাই সাবধানে থাকুন!

10/09/2026

জার্মানীতে উনিভার্সিটি সমাচার: ফান্ডিং সমস্যা, জব প্রসপেক্ট, এবং বাংলাদেশিদের সুনাম-দুর্নাম:
বিগত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন জার্মান উনিভার্সিটির প্রফেসরদের সাথে মিটিং করছিলাম। উদ্দেশ্য হলো ইউনিভার্সিটিগুলিকে রিসার্চ, স্কলারশিপ এর জন্যে ফান্ডিং দিয়ে সহায়তা করা। বর্তমানে জার্মান ইউনিভার্সিটিগুলিতে ফান্ডিং সংকট চলছে। সব চেয়ে বেশি সঙ্কটে আছে NRW (যেমন RWTH Achen ইউনিভার্সিটিতে প্রতি বছর প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইউরো বাজেট কমবে), Hessen (এখানে ২০৩১ শাল পর্যন্ত প্রায় ১ বিলিয়ন ইউরো ফান্ডিং কমবে), বার্লিন, BW স্টেটগুলি। ফান্ডিং সমস্যার জন্যে তারা অনেক প্রোগ্রাম কাট-ছাট শুরু করে দিয়েছে। অনেক ইউনিভার্সিটি সামনে ইন্টারন্যাশনাল কোর্স কমিয়ে দিতে পারে। ইউনিভার্সিটিগুলি তাদের ফান্ডিং ঘাটতি কমানোর জন্যে আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে।

কিছুদিন আগে ফ্রাঙ্কফুর্ট উনিভার্সিটির (applied sciences) প্রফেসর Dr. Wagner সহ আরো কয়েকজন প্রফেসর এবং টিচিং/স্টাফকে ইনভাইট করেছিলাম অফিসে আমার। অনেক খোলা-মেলা আলোচনা হল। তারাও কিছু প্রোগ্রাম লিমিটেড করে দিচ্ছে অর্থের অভাবে। বাংলাদেশিদের ব্যাপারেও অনেক কিছু জিজ্ঞেস করলাম। বাংলাদেশিদের ব্যাপারে একটা বড় সমস্যা হলো স্টুডেন্টরা অনেক লম্বা সময় নেয় কোর্স কমপ্লিট করার জন্যে। অনেকে আবার কোর্সও কমপ্লিট করতে পারে না। তবে কিছু সুনামও শোনলাম।
একই রকম ফিডব্যাক শোনলাম TU Darmstadt এর কাছ থেকেও।
আমাদের কাছে ইউনিভার্সিটিগুলি জানতে চাইলো, সামনে কি কি টপিক বেশি পড়ালে স্টুডেন্টরা জব মার্কেট এ ভালো করতে পারবে। সামনের সময়গুলিতে আমরা কেমন রিক্রুট করব, রিসার্চ এ ফান্ডিং কেমন, স্কলারশিপ দেবার ফান্ডিং আমাদের কেমন আছে ইত্যাদি।
আমরা বললাম, সামনের সময়গুলিতে ডিজিটাল রেলওয়ে, সাইবার সিকিউরিটি এবং AI ডাইরেকশনে আমরা অনেক রিক্রুট করার প্ল্যান করছি। এ সব ক্ষেত্রগুলিতে অনেক জব তৈরি হবে আমাদের এখানেও।

আমার অফিসে আমরা জার্মানির অনেকগুলি ইউনিভার্সিটি নিয়ে একটি পুল তৈরী করছি। এখানে থাকবে ইউনিভার্সিটিগুলির স্ট্রেংথ অনুযায়ী রেঙ্কিং। রেঙ্কিং অনুযায়ী ইউনিভার্সিটি রিসার্চ এবং স্কলারশিপ ফান্ডিং পাবে আমাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে। এতে হয়তোবা তাদের বাজেট ঘাটতি কিছুটা কমবে।

ইকোনমির অবস্থা বা ইউনিভার্সিটি ফান্ডিং এর অবস্থা যাই হোক না কেন, সবারই উচিত স্টাডিকালীন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়সহ ঠিকমত পড়াশুনা শেষ করে জব মার্কেটকে ফেস করা।
জার্মানিতে মাস্টার'স বা ব্যাচেলর'স বা পিএইচডি শেষ করার ক্যাপাবিলিটি থাকলে, আপনার নিশ্চয় জার্মানিতে জব ম্যানেজ করার ক্যাপাবিলিটিও আছে। নিজের উপর আত্ম বিশ্বাস রাখুন, চেষ্টা করুন, সফলতা আসবেই!

জার্মানিতে দরজা-জানালা ভেঙে এবং খুলে চুরি-ডাকাতি: গতকাল রাত প্রায় ১২ তার দিকে আমার বাড়িতে কলিং বেল এর শব্দ। ঘুম থেকে জেগ...
21/08/2026

জার্মানিতে দরজা-জানালা ভেঙে এবং খুলে চুরি-ডাকাতি:
গতকাল রাত প্রায় ১২ তার দিকে আমার বাড়িতে কলিং বেল এর শব্দ। ঘুম থেকে জেগে গেলাম। দোতলার জানালা দিয়ে দেখলাম কে কলিং বেল দিচ্ছে এতো রাতে। বাইরে দেখলাম পুলিশ। জিজ্ঞেস করলাম, কি ব্যাপার। বললো, পাশের বাড়িতে বাগানের দিকের গ্লাসের দরজার ফ্রেম ভেঙে বড় ধরণের চুরি হয়েছে। আমার বাড়িতে সেট করা ক্যামেরার ভিডিও আমি দিতে পারি কিনা।
নিচে নামলাম। বাইরে গেলাম আমার মোবাইল নিয়ে। পুলিশ এর সামনেই আমি চেক করতে থাকলাম আমার বাউন্ডারি দিয়ে কেউ ওই বাড়িতে গিয়েছে কিনা। অথবা রাস্তায় কাউকে সন্দেহজনক দেখা যায় কিনা আমার ভিডিওতে। না, পেলাম না অমন কিছু।
পাশের বাড়িওয়ালা গত তিন সপ্তাহ যাবৎ নেই। ছুটি কাটাতে গিয়েছে ক্রোয়েশিয়াতে। গতকাল রাতে বারোটার দিকে ফিরে এসেই দেখে তার বাড়ির প্রতিটা রুম ছিন্ন-ভিন্ন। বেড, বালিশ সব খুলেছে। কি কি চোর/ডাকাত নিয়েছে এটার কথা বলেনি আমায়। আমিও জিজ্ঞেস করিনি, ভাবলাম সেনসিটিভ ইনফরমেশন হতে পারে। মনে মনে ভাবলাম, ফ্রাঙ্কফুর্ট এর মতো একটি সদা ব্যস্ত মেট্রোপলিটন শহরেও অমন ঘটনা ঘটে!

জার্মান পুলিশের ডাটা অনুযায়ী ২০২৫ সালে প্রায় ৮৩,০০০ অমন চুরি/ডাকাতি হয়েছে যা কিনা পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে প্রায় ৬% বেশি। সব চেয়ে বেশি এ ধরণের ক্রাইমগুলি হয়ে থাকে Ruhr এরিয়া যেমন, Krefeld, Mülheim, Essen এর মতো অঞ্চলে।

বেশ কিছুদিন আগে এক বাঙালিও ফ্যামিলি বিকেল বেলা অন্য একজনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছে। রাতের বেলায় এসে দেখে বাসার সব কিছু অগোছালো। খুঁজে দেখে তাদের সব গোল্ড এর গহনাসহ দামি মাল-পত্র সব চুরি হয়ে গিয়েছে। ওদের বাসার দরজা খুলে ওটা দিয়ে চোর ঢুকেছে। পুলিশ আজ পর্যন্ত ওটার কোনো সুরাহা করতে পারেনি।

অমন অনেক চুরির ঘটনা জার্মানিতে শোনা যায়।

কিভাবে চোর বাড়িতে প্রবেশ করে:
Netzwerk "Zuhause sicher" Einbruchschutz + Brandschutz এর ইনফরমেশন অনুযায়ী ৯৯% ক্ষেত্রে জানালার ফ্রেম, হ্যান্ডেল, অর্ধ-খোলা জানালা, বা ছাদের উপর দিয়ে চোর ঢুকে। ১% এর কম ক্ষেত্রে গ্লাস ভাঙে। কারণ গ্লাস ভাঙার পদ্ধতি বিপদজনক (আহত হওয়া, বিকট শব্দ ইত্যাদি)।

কোথাও কোথাও দরজা খুলে চোর ঢুকে। জার্মানির যে লক সিস্টেম, ওখানে যদি চাবি দিয়ে কেউ সিলিন্ডার ঘুরিয়ে ওটা ঠিক মত বন্ধ না করে, তা হলে সেই দরজা বাইরে থেকে খোলা ১০ সেকেন্ড এর ব্যাপার চোরের কাছে। উপরের গহনা চুরির ঘটনাটি এ ভাবেই হয়েছিল।

দরজার সিলিন্ডার চাবি দিয়ে বন্ধ করুন:
যারা জার্মানিতে দরজা শুধু একটি টান দিয়ে বন্ধ করে যান, তারা সতর্ক হন। অবশ্যই দরজা চাবি দিয়ে সিলিন্ডার ঘুরিয়ে লক করবেন। এতে আপনি অনেকটাই সেফ।
চাবি দিয়ে বন্ধ করা সাধারণ লকের দরজাও অনেক সময় চোরেরা খুলে ফেলতে পারে। এ জন্যে স্পেশাল সিকিউরিটি লক সিলিন্ডার (জার্মানিতে সর্বোচ্চ সিকিউরিটি লেভেল ৭.২) ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে চান্স কম থাকবে খুলে ফেলার। কারণ এগুলি চোরের জন্যেও খোলা বেশ সময় লাগে এবং দুরূহ।

যারা শেয়ার্ড এপার্টমেন্ট বা ডর্মে থাকেন তারা ভালো মতো রুম এবং ফ্লাট এর দরজা সিলিন্ডার ঘুরিয়ে লক করে যাবেন।

বর্তমানে জার্মানিতে চুরির মতো ঘটনাগুলি বেশ বাড়ছে। এর কারণ হিসেবে জিনিস-পত্রের চড়া মূল্য বৃদ্ধি, দারিদ্রতা বেড়ে যাওয়া, চাকুরীর বাজারের মন্দা, সংঘবদ্ধ ক্রিমিনাল চক্রকে দ্বায়ী করা হয়। সামনের দিনগুলিতে এ কারণগুলি যদি জার্মানি ঠিক মতো সমাধান করতে না পারে, তা হলে এ ধরণের চুরি-ডাকাতির মতো ঘটনাগুলি বাড়তেই থাকবে।

জার্মানীর নাগরিকত্ব এবং মেরুন-লাল পাসপোর্ট, আবার সবুজ পাসপোর্টে ফিরে যাওয়া: গত সপ্তাহে জার্মানি থেকে বাংলাদেশে যাবার জন্...
05/08/2026

জার্মানীর নাগরিকত্ব এবং মেরুন-লাল পাসপোর্ট, আবার সবুজ পাসপোর্টে ফিরে যাওয়া:
গত সপ্তাহে জার্মানি থেকে বাংলাদেশে যাবার জন্যে টিকেট কাটলাম। আগের রাতে অনলাইনে চেক-ইন করতে যেয়ে দেখি আমার জার্মান পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ মাস ২০ দিন। চেক-ইন করে ফেললাম। ওখানেই আমায় নোটিশ দিলো যে অন্তত ৬ মাস পাসপোর্ট ভ্যালিড থাকতে হবে বাংলাদেশে ট্রাভেল করতে হলে। পরের দিন বিকেলে ফ্লাইট। এর মধ্যে নতুন পাসপোর্ট করে, বাংলাদেশ এম্বেসী থেকে NVR (বাংলাদেশে ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ পারমিশন) নেয়া কোন মতেই সম্ভব না। তারপর ঘাঁটাঘাঁটি করলাম অপসনগুলি নিয়ে। দেখলাম অস্থায়ী পাসপোর্ট (vorläufiger Reisepass, এক বছরের জন্যে ) সাথে সাথে পাওয়া যায়। Burgeramt এ অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট পাইনি পরের দিন সকাল বেলা। তারপরও সকালে চলে গেলাম ডাইরেক্ট। গিয়ে বললাম, আমার পাসপোর্ট দরকার আজকেই যেহেতু আমার ফ্লাইট আজ। আমায় এপয়েন্টমেন্ট দিল সাথে সাথে। পাসপোর্ট পেলাম ১১ টায়।
দেখলাম পাসপোর্ট এর কালার সবুজ। প্রথম একটু অবাক হলাম। সবুজ পাসপোর্ট! আমায় কি বাংলাদেশী পাসপোর্ট ফেরত দিলো নাকি? এরপর পাসপোর্টের ভিতরে যেয়ে দেখি, না, জার্মান পাসপোর্টই আছে। আমি আসলে জানতাম না যে, জার্মান পাসপোর্ট ও সবুজ হতে পারে।
বাসায় এসে দরকারি জিনিস নিয়ে এয়ারপোর্ট চলে গেলাম। ওখানে এয়ারলাইন্সকে আগের পাসপোর্ট এর NVR দেখালাম। এছাড়া অন-এরাইভাল ভিসার কথাও বললাম। একটু গাই-গুই করে এয়ারলাইন্স বোর্ডিং পাস দিলো।
দেশে এসে এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন অথরিটিকে জিজ্ঞেস করলাম NVR দিয়ে ইমিগ্রেশন ক্রস করা যাবে কিনা। বললো, অন এরাইভাল ভিসা নিতে। ৪৫ ইউরো নিলো। ইমিগ্রেশন অফিসার সুন্দর করে আমায় ইমিগ্রেশন ক্রস করার পারমিশন দিলো।
আমি যত বার দেশে এসেছি, প্রতিবার সব ইমিগ্রেশন অফিসার অনেক দ্রুত কাজ করে দেখেছি। ছোটোখাটো গল্পও করে অনেকেই। এটা আমাদের দেশের একটা ভালো দিক।

আসলে পাসপোর্ট তো দীর্ঘদিন পর পর নতুন নিতে হয়, এ জন্যে আমার মত অমন ভুল করে অনেকেই ফ্লাই করতে পারেন না। কাজেই সবারই উচিত সময় মত পাসপোর্ট নতুন করে বা রিনিউ করে ফ্লাই করা।

24/07/2026

কম্পিউটার ফিল্ডে স্টুডেন্ট জব:

বাংলাদেশে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন এমন ক্যান্ডিডেট খোঁজা হচ্ছে পার্ট-টাইম জবের জন্যে (হোম অফিস)।

কি কি করতে হবে:
Inkscape বা এ ধরণের টুল দিয়ে UI/UX Mockups, Technical Diagrams
টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন
System/Software Requirements লিখা
প্রোগ্রামিং, টেস্টিং (Python বা Java বা অন্য প্রোগ্রামিং ভালো বুঝা)
AI, Data Management, Data Analysis

আগ্রহীরা সরাসরি সিভি দিয়ে ইনবক্স করতে পারেন।
সিভিতে আপনার HSC GPA, ব্যাচেলর'স CGPA অবশ্যই উল্ল্যেখ করবেন।
কোথাও কোন স্কলারশিপ পেয়ে থাকলে, কোন প্রজেক্ট করে থাকলে সেটাও উল্লেখ করবেন।

Send a message to learn more

Adresse

Mannheim

Benachrichtigungen

Erfahren Sie als Erste/r von Neuigkeiten und Aktionen: Wir schicken Ihnen eine E-Mail, wenn Dr. MK Kabir etwas veröffentlicht. Ihre E-Mail-Adresse wird für keinen anderen Zweck verwendet, und Sie können sich jederzeit abmelden.

Verknüpfungen

Teilen

Kategorie