Shimul Azad

Shimul Azad সত্যের সাথে মোরা লড়তে চাই ,

'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' - নিয়ে কিছু কথাগাদাগাদি বা ভিড়ের মধ্যে নারীদেরকে ইচ্ছা করে স্পর্শ করা লোক সমাজে যথেষ্ট আছে। এটাই ...
07/04/2019

'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' - নিয়ে কিছু কথা

গাদাগাদি বা ভিড়ের মধ্যে নারীদেরকে ইচ্ছা করে স্পর্শ করা লোক সমাজে যথেষ্ট আছে। এটাই এই সমাজের বর্তমান বাস্তবতা। এ-ব্যাপারে কারো প্রতিবাদের ভাষা এবং ধরন আপত্তিকর হলেও মূল সমস্যাটিকে অস্বীকার করা যায় না। এই নোংরা লোকগুলোর জন্য শাস্তি অবধারিত।

রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, "তোমাদের কারো মাথায় লোহার পেরেক ঠুকে দেয়াটাও ভালো, ওই মহিলাকে স্পর্শ করা থেকে, যে তার জন্য হালাল নয়।"

সমাজে দুশ্চরিত্র লোকেরা ওঁত পেতে থাকে, বিভিন্ন নাযুক পরিস্থিতিতে নিজের জঘন্য মানসিকতা চরিতার্থ করার জন্য। নোংড়ামী করার জন্য। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের বোনেরা এই নোংরামির প্রতিবাদ করছেন ভুলভাবে, যা মোটেও উচিত নয়।

দুশ্চরিত্র মানুষ (নারী পুরুষ উভয়ের মধ্যে) সমাজে অনেক আছে। তাই, নারীদের উচিত হবে ভুলভাবে প্রতিবাদ না করে সরকারের কাছে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিসের জন্য আবেদন করা। এছাড়াও অন্যান্য গ্যাদারিংগুলোতে নারীদের জন্য স্বতন্ত্র ব্যবস্থা রেখে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আর হ্যাঁ, অবশ্যই এসব উৎপীড়কদের শাস্তির আওতায় আনা। বিশেষ করে এমন কোনো প্রকাশ্য শাস্তির ব্যবস্থা করা, যাতে উচিত শিক্ষা হয় এবং লজ্জায় সমাজে মুখ দেখাতে না পারে।

07/04/2019
যখন রমাদান আসে-■ বেহেশতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়■ দোযখের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়■ শয়তানকে শিকল পরিয়ে দেয়া হয়(বুখারী ও ম...
18/05/2018

যখন রমাদান আসে-
■ বেহেশতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়
■ দোযখের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়
■ শয়তানকে শিকল পরিয়ে দেয়া হয়

(বুখারী ও মুসলিম)

সীমান্তে ভারত-পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি, ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৯জম্মু সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মধ্য...
18/05/2018

সীমান্তে ভারত-পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি, ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৯

জম্মু সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতীয় সেনা সদস্যসহ অন্তত ৯জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরো ১২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

শীর্ষনিউজ

https://bdnetwork247.com/2018/05/18/%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8/

দুর্বল প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তিনীদের জন্য বড় সংকটঅ্যানালাইসিস বিডি ডেস্কফিলিস্তিনে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের মত অনেক সংগঠন থাক...
18/05/2018

দুর্বল প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তিনীদের জন্য বড় সংকট

অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক

ফিলিস্তিনে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের মত অনেক সংগঠন থাকলেও প্রেসিডেন্ট পদে আছেন ফাতাহ’র মাহমুদ আব্বাস। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই নেতৃত্বটি একটি অথর্ব এবং সিদ্ধান্তহীন নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে আমেরিকা ও ইসরাইলের তীব্র চাপের মুখে অনেকক্ষেত্রেই বর্তমান নেতৃত্ব ফিলিস্তিনের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে পারছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত সপ্তাহে রামাল্লায় ফিলিস্তিন ন্যাশনাল কাউন্সিলের যে বৈঠক হয়েছে তাতে উপস্থিত সকলেই অনুধাবন করেছেন যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মাহমুদ আব্বাসের আগে যে দৃঢ়তা ছিল তা এখন অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। এই বৈঠকে ফিলিস্তিন ন্যাশনাল কাউন্সিল ইসরাইলের সাথে সম্পর্ককে নতুনভাবে নির্ধারন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। এই কাউন্সিল একই সংগে ৯০ এর দশক জুড়ে ওয়াশিংটনে এবং কায়রোতে ফিলিস্তিনের তদানীন্তন নেতৃত্বের সাথে ইসরাইলের যেসব চুক্তি হয়েছিল সেই সব চুক্তিকেও অবাস্তবায়নযোগ্য এবং মেয়াদউত্তীর্ন হিসেবে অভিহিত করেছে। সেই সাথে তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তকেও তারা প্রত্যাখান করেছে।

৮২ বছর বয়স্ক মাহমুদ আব্বাস আগাগোড়াই মনে করেন যে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার একটাই পথ আর তা হলো শান্তিপূর্ন আলোচনা। সশস্ত্র বিপ্লব দিয়ে কখনোই এই লক্ষ্য অর্জন করা যাবে বলে তিনি মনে করেন না।

কৌশলগত ব্যর্থতা

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন ফিলিস্তিন ন্যাশনাল কাউন্সিল যেসব সিদ্ধান্ত গত সপ্তাহের বৈঠকে নিয়েছে তা সমঝোতার পথকে আরো রুদ্ধ করে দেবে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো ফিলিস্তিনের বর্তমান নেতৃত্ব এতটাই দুর্বল ও বিভেদ-বিভাজনে আক্রান্ত যে তারা ইসরাইলের সাথে ইতোপূর্বে করা চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা কিংবা সমঝোতা উদ্যোগ অব্যহত রাখা- এই দুটোর কোনটা করতেই সক্ষম নয়।

ওয়াশিংটন ভিত্তিক ফিলিস্তিনি পর্যবেক্ষক মোহামাদ দালবাহ মনে করেন, ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের এই সংকটের মুল কারন অসলো চুক্তি যা ইয়াসির আরাফাত ইসরাইলের সাথে সাক্ষর করেছিলেন এবং পরবর্তীতে মাহমুদ আব্বাসও সেই চুক্তিটি অনুসরন করে গেছেন।

তার মতে অসলো চুক্তিটি ফিলিস্তিনিদের কৌশলগত ভুল। কেননা এর মাধ্যমে কখনোই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা কিংবা ১৯৪৮ সালে নিজ ভুমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া ফিলিস্তিনিদের তাদের পু

রমজানে ডায়াবেটিস রোগী কী খাবেন, কী খাবেন না ?রমজানে ডায়াবেটিস রোগী কী খাবেন, কী খাবেন না ?ডা. উম্মে সালমা (ডায়াবেটিস বিশ...
18/05/2018

রমজানে ডায়াবেটিস রোগী কী খাবেন, কী খাবেন না ?

রমজানে ডায়াবেটিস রোগী কী খাবেন, কী খাবেন না ?
ডা. উম্মে সালমা (ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, বারডেম হাসপাতাল)

বর্তমান বিশ্বে প্রায় কোটি কোটি মুসলিম রমজান মাসে রোজা পালন করেন। রমজানে খাদ্য ও পানীয়ের পরিমাণ এবং সময় সূচির পরিবর্তনের কারণে একজন ডায়াবেটিস রোগী বেশ কিছু ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। যেমন: হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তের শর্করা অতিরিক্ত কমে যাওয়া, হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তের শর্করা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া, রক্তের অম্লত্ব বেড়ে যাওয়া, পাণিশুন্যতা

♦রমজানে রোজা পালনে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ডায়াবেটিস রোগী কারা?

রমজান শুরু হওয়ার পূর্বের তিন মাসের মধ্যে রক্তের শর্করা অতিরিক্ত কমে গেলে, প্রায়ই রক্তের শর্করা কমে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে, রক্তের শর্করা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার বিষয়টা রোগী নিজে বুঝতে না পারলে, রক্তের শর্করা অনেক বেশী থাকলে এবং রমজান শুরু হওয়ার পূর্বের তিন মাসের মধ্যে রক্তের অম্লত্ব বেড়ে যাওয়ার অতীত ঘটনা থাকলে রোজা পালন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ছাড়া রমজান শুরু হওয়ার পূর্বের তিন মাসের মধ্যে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে গেলে কিংবা গর্ভাবস্থা হলে রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত কায়িক শ্রম যারা করেন যেমন শ্রমিক, রিকশাচালক, গৃহকর্মী, কিডনী রোগী- যাদের নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হয়, অসুস্থ এবং বৃদ্ধ রোগীর ডায়াবেটিস জটিলতা অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে, শারীরিক অসুস্থতা- জ্বর, ডায়রিয়া ইত্যাদি থাকলেও রোজা পালন ঝুঁকিপূর্ণ।

ঝুঁকিপূর্ণ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রমজানে রোজা পালন না করাই উত্তম। কেউ যদি রোজা রাখতে চায় তাকে অবশ্যই চিকিৎসকের অনুমতি নিতে হবে।

♦রমজান শুরু হওয়ার পূর্বে করণীয়:

চিকিৎসক কর্তৃক রক্তের শর্করা, রক্তচাপ ও রক্তের চর্বির পরিমাণ পরিমাপ করে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে হবে। রমজানের খাবারের পরিমাণ ও সময়সূচী এবং ওষুধ ও ইনসুলিনের পরিমাণ চিকিৎসকের কাছ থেকে ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে।

♦ রমজানে করণীয়:
ডায়াবেটিস রোগীর রমজানে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে কিছু নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক। রমজানে সাধারণত তিনবার খাওয়া হয়। তা হলো ইফতার, রাতের খাবার ও সেহেরী।

ইফতার: পাণিশুন্যতা রোধ এবং শরীরে বিভিন্ন ক্রিয়ার জন্য শরবত একটি অপরিহার্য পানীয়। বিক

https://bdnetwork247.com/2018/05/18/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e

আসুন আমরা সকলে যথাযথ ভাবে রমজানের সিয়াম পালন, কুরআন হাদিস অধ্যয়ন ও বেশি বেশি নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চে...
18/05/2018

আসুন আমরা সকলে যথাযথ ভাবে রমজানের সিয়াম পালন, কুরআন হাদিস অধ্যয়ন ও বেশি বেশি নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করি। একই সাথে কুরআনের আলোকে ব্যক্তি ও সমাজ গঠনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের কাজ আরও বেগবান করি। আল্লাহ আমাদের সকল প্রচেষ্টা কবুল করুন। আমিন।

সাহরু রমাদান সম্ভাবনা অফুরান

মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত

সাহরু রমাদান সম্ভাবনা অফুরান

সাহরু রমাদান সম্ভাবনা অফুরান। বছর ঘুরে আবার এলো মাহে রমজান। মাহে রমজান মুসলিম জাতির প্রতি মহান আল্লাহর সীমাহীন অনুকম্পা ও অসীম অনুদানের এক অনন্ত নজির। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে পবিত্র মাহে রমজান আমাদের নিকট সমাগত। রাসূলুল্লাহ (সা) এ মাসকে ‘শাহরুন মোবারক’ তথা ‘বরকতময় মাস’ বলে অভিহিত করেছেন। প্রত্যেক মুসলমান রমজান মাসের আগমনে আনন্দিত হয়। যখন রমজানের আগমন হতো, তখন মহানবী (সা.)ও অনেক আনন্দিত হতেন। রমজানের শুরুতে তিনি বিশেষ খুতবা দিতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান এসে গেছে। এ মাসে আল্লাহ তোমাদের জন্য রোজা ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দ্বারগুলো খুলে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় জাহান্নামের দরজাগুলো। অভিশপ্ত শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়। এ মাসে রয়েছে একটি রাত, যা হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে সমূহ কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো। ’ (নাসায়ি)

এ মাসে আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উন্নতি ও কল্যাণের মূল ভিত্তি-তাকওয়াপূর্ণ জীবন গঠনের অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। সূরা আল বাকারার ১৮৩ নং আয়াতে সে ধ্বনিই অনুরণিত হয়েছে, যা আন্দোলিত করে আমাদের হৃদয়তন্ত্রীকে। উক্ত আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সাওম ফরয করা হয়েছে, যেমনি ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার”। সাওম যেমন ক্ষুধায়-কাতর দুঃখী মানুষের প্রতি আমাদের মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলে, তেমনই শিক্ষা দেয় ধৈর্য, একনিষ্ঠতা, ত্যাগ, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহানুভূতির। প্রেরণা জোগায় শোষণ, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত একটি আদর্শিক সমাজ গড়ার। আর দ্বিতীয় হিজরির রমজান মাসে সংঘটিত বদর যুদ্ধে কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়ের ইতিহাস আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে ইসলামবিরোধী সকল শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে।

মাহে রমজান ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের আত্মগঠ

http://yasinarafath.com/?p=249

বিশ্ব মজলুম মানবতার মুক্তির মাস মাহে রামাদান--- ড.মুহাম্মদ রেজাউল করিমআহলান সাহলান মাহে রামাদান, খোশ আমদেদ ইয়া রামাদান ব...
17/05/2018

বিশ্ব মজলুম মানবতার মুক্তির মাস মাহে রামাদান--- ড.মুহাম্মদ রেজাউল করিম

আহলান সাহলান মাহে রামাদান, খোশ আমদেদ ইয়া রামাদান বলে মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর রমজান কে স্বাগত জানায়। কিন্তু প্রতিবার রমজান আসলেই রক্ত পিপাসু হায়েনারা মুসলমানদের রক্ত দিয়ে হলি খেলা শুরু করে। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিজেদের ভূমি রক্ষার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ফিলিস্তিনীদের ওপর ইসরাইলী বাহিনীর বর্বর হামলা ইতিহাসের সকল নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতাকে হার মানিয়েছে। এই সন্ত্রাসী বাহিনীর উপর্যুপরি হামলায় অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনী নিহত এবং দু’সহস্রাধিক আহত হয়েছেন। ইসলাইলী সেনাদের হিংস্র হামলায় গাজা উপত্যকা এখন যেন মৃত্যুপূরী।। মজলুম ফিলিস্তিনীদের রক্তে রঞ্জিত গাজাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন জনপদ। ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডে মুসলিমবিশ্ব এখনো নিরব! মিয়ানমার,সিরিয়া,আফগান,কাশ্মীর সর্বত্র মুসলমানদের রক্ত ঝরছে। মজলুমদের কান্নার আওয়াজ আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হচ্ছে কিন্তু অন্য মুসলিমদের হৃদয়ে তেমন নাড়া দিচ্ছে না। একদিকে মুসলমানদের রক্তের স্রোত অন্যদিকে অনেকেই রমজানে হরেক রকম ভুরী ভোজের প্রস্তুতি! একদিকে মুসলমানদের হত্যা করছে আরেকদিকে কাউকে দাওয়াত দিয়ে জমকালো ইফতার আর শুভেচ্ছা বিনিময় করছে মুসলমানদের রক্ত খেকো শাসকরা। এ যেন এক তামাশা! অথচ আল্লাহ বলেছেন-তোমাদের কি হলো, তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নর-নারী ও শিশুদের জন্য লড়ছো না , যারা দুর্বলতার কারণে নির্যাতিত হচ্ছে? তারা ফরিয়াদ করছে , হে আমাদের রব! এই জনপদ থেকে আমাদের বের করে নিয়ে যাও, যার অধিবাসীরা জালেম এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের কোন বন্ধু, অভিভাবক ও সাহায্যকারী তৈরি করে দাও। (সূরা-নিসা-৭৫)

মুসলমানদের নিকট রমজান আসে যায় কিন্ত তাদের ভাগ্য যেন পাল্টায়না! মুসলমানরা ক্ষুধা দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পাচ্ছেনা। শুধু সওয়াবের বন্যা বয়ে দিতে রমজান আসেনি।বরং ইসলাম এসেছে মানবতাকে মুক্তি দিতে। শুধু শাসন-শোষন বঞ্চনা ,লাঞ্চনা অপমান হওয়া নয়। ইসলাম এসেছে মুসলমানদের শাসকের আসনে বসিয়ে সম্মান, মর্যাদা, ইনসাফ মানবিক গৌরবোজ্জল সমাজ বিনির্মাণ করতে। মহাগ্রন্থ আল-কোরআন আমাদের কাছে আছে, তাহলে আসল সংকট কোথায়? তা আবিস্কার করতে হবে আমাদেরকে।ইসলামী স্কলারদের খুঁজে বের করতে হবে আসল কারণ। মুসলমানরা আজ কুরআনের জ্ঞান ছাড়া দুনিয়ার যাবতীয় সব জ্ঞান রপ্ত করেছে। কুরআনের হুকুমেরআমল না করে, তথাকথিত পীর-বুজুর্গ, ভন্ডদের হুকুম তামিল করছে।তাবেদারী করছে এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো, এটাই আসল সমস্যা। যুগে যু

অামরা ইসরাইলের হৃদপিণ্ডে আঘাত হানব: হিজবুল্লাহইসরাইল যদি আবারও সিরিয়ায় হামলা চালায় তাহলে তাদের হৃদপিণ্ডে আঘাত হানা হবে ব...
17/05/2018

অামরা ইসরাইলের হৃদপিণ্ডে আঘাত হানব: হিজবুল্লাহ

ইসরাইল যদি আবারও সিরিয়ায় হামলা চালায় তাহলে তাদের হৃদপিণ্ডে আঘাত হানা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লেবাননের হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ।

হিজবুল্লাহর বিশিষ্ট কমান্ডার মোস্তফা বদরুদ্দিনের দ্বিতীয় শাহাদাত-বার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক ভাষণে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, শহীদ বদরুদ্দিন ইসরাইলি চক্র ও যেসব তাকফিরি-ওয়াহাবি চক্র লেবাননের গাড়িতে বোমা পেতে রাখত তাদের দমনে সফল হয়েছিলেন। এমনকি বদরুদ্দিন মার্কিনীদের মোকাবেলায় ইরাকি বাহিনীগুলোর বিজয়ে এবং মার্কিন সেনাদেরকে ইরাক ত্যাগে বাধ্য করার ক্ষেত্রেও সফল হয়েছিলেন।

তিনি ফিলিস্তিন পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তগুলো তার একার নয়, তার সিদ্ধান্তগুলো মার্কিন সরকারেরই সিদ্ধান্ত। … আজ ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর ও গাজায় বিক্ষোভ করছে, ইসরাইলি হামলায় তাদের কয়েক ডজন শহীদ ও দুই হাজারেরও বেশি আহত হয়েছেন; এ অবস্থায় নিরাপত্তা পরিষদে কেউ নিন্দা প্রস্তাব তুলতে চাইলে মার্কিন সরকার তাতে ভেটো দিচ্ছে! মার্কিন নীতিতে মানবীয় ও মানবিক মূল্যবোধ বলতে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই।

তিনি জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস উদ্বোধনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মার্কিন সরকারের মোকাবেলায় কেমন আচরণ করা উচিত তা জানতে হবে! এত কিছুর পরও মার্কিন সরকারকে বিশ্বাস করাটা হবে নির্বুদ্ধিতা। মার্কিন সরকার কোনো প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করে না। নানা অভিজ্ঞতায় এটা স্পষ্ট যে মার্কিন সরকার তার মিত্রদের স্বার্থকেও গুরুত্ব দেয় না, ইরানের পরমাণু-চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রেও মার্কিন সরকার তার মিত্রদের স্বার্থ দেখেনি, মার্কিন সরকার এ বিষয়ে তাদেরকে একটি প্রশ্নও করেনি ও একবারও তাদের মতামত চাওয়ার দরকার মনে করেনি। এসব মার্কিন মিত্র আসলে আমেরিকার হাতের পুতুল মাত্র!

হিজবুল্লাহর মহাসচিব সিরিয়ায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক লড়াই প্রসঙ্গে বলেছেন, ইসরাইল সিরিয়ায় পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও বাস্তবতাকে উল্টোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে এবং পশ্চিমা মিডিয়াগুলোও একই কাজ করতে চেয়েছে। তাই তারা প্রতিরোধ আন্দোলনের বিজয়কে পরাজয় হিসেবে প্রচার করতে চেয়েছে। তারা দাবি করেছে যে সিরিয়ায় সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলায় যে ২৩ জন আহত হয়েছেন তাদের অর্ধেকই ছিলেন ইরানি; কিন্তু বাস্তবে এ

Adresa

Kuala Lumpur Malaysia
Hodonín
143217

Otevírací doba

Pondělí 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Úterý 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Středa 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Čtvrtek 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Pátek 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Sobota 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Neděle 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00

Telefon

0167756422

Internetová stránka

Upozornění

Buďte informováni jako první, zašleme vám e-mail, když Shimul Azad zveřejní novinky a akce. Vaše emailová adresa nebude použita pro žádný jiný účel a kdykoliv se můžete odhlásit.

Odkazy

Sdílet