Nanyang Scholarship 2021 | Singapore Scholarship | Fully Funded
The Applications are now open for the Fully Funded Singapore Nanyang Scholarship 2021. The NTU Singapore Scholarship is offering Undergraduate, Masters, and Ph.D. degree programs. Applicants are eligible from all over the world with any nationality. The Nanyang President’s Graduate Scholarship is for Full-time Masters, Ph.D. Degree Programs and Nanyang Scholarship is for Undergraduate Programs. The NTU Singapore University Ranked 11th in the world and 3rd in Asia in the 2020 QS World University Rankings.
The NTU Comes in Top Universities of Singapore. The Nanyang University Scholarship is available in All-Academic Fields/Majors. The Scholarship is Funded by the Nanyan University. The maximum period of the Scholarship is 2 years for Master’s candidates and 4 years for Ph.D. candidates and 4 Years of BS Candidates. You can apply to NTU Research Scholarship, Nanyang Scholarship, and Nanyang President’s Graduate Scholarship.
Details About Nanyang University Scholarship 2021
Scholarship Country: Singapore
Degree: Bachelors, Masters, PhD
Financial Coverage: Fully Funded
Deadline: 30th November 2020
Nanyang Scholarship Coverage
Nanyang Scholarship covers up to the normal program duration on condition that the scholarship holder maintains a record of good academic performance and exemplary conduct.
You can apply for the following Scholarships:
Nanyang President’s Graduate Scholarship
NTU Research Scholarship
Singapore International Graduate Award (SINGA)
Full coverage of subsidized tuition fees (after Tuition Grant).
Living allowance of S$6,500 per academic year.
Accommodation allowance of up to S$2,000 per academic year
Travel grant of up to S$5,000
Computer allowance of S$1,750 (one-off).
Priority for Overseas Programme.
No bond is attached to the Nanyang Scholarship apart from the three-year bond applicable to all Singapore PRs and international students under the MOE Tuition Grant Scheme.
Available Fields of Study
Graduate Programmes:
Asian School of Environment
Graduate College
Lee Kong Chian School of Medicine
National Institute of Education
Nanyang Business School
School of Art, Design and Media
School of Biological Sciences
School of Chemical and Biomedical Engineering
School of Civil and Environmental Engineering
School of Computer Science and Engineering
School of Electrical and Electronic Engineering
School of Humanities
School of Materials Science and Engineering
School of Mechanical and Aerospace Engineering
School of Physical and Mathematical Sciences
School of Social Sciences
Wee Kim Wee School of Communication and Information
S.Rajaratnam School of International Studies
Undergraduate Programs
Accountancy and Business
Art, Design & Media
Communication Studies
Education
Engineering
Humanities
Medicine
Science
Social Sciences
Sport Science
Eligibility Criteria
Open to all nationalities.
Successful awardees should read a full-time undergraduate degree program. The scholarship will cover the years of study^ at NTU.
Excellent co-curricular records.
Strong leadership qualities and potential.
You must have a Honours (Highest Distinction) or equivalent at Bachelor’s level
If you have not yet completed your undergraduate degree program, you will need to furnish documentation from your university that you are on track to get a Honours (Highest Distinction) degree or equivalent.
Undergraduate: Ielts 6, writing 6
Application fee 20$
Deadline
The last date to apply for the Nanyang University Scholarship 2021 is 30th November 2020 for Academic Year 2021-2022 (August 2021 and January 2022)
How to Apply:
The Application Link is Online. Please Apply through Online Link. To Apply, Please Visit the Official website of the NTU University Singapore Scholarship. For Bachelors https://admissions.ntu.edu.sg/.../nanyangscholarship.aspx
for Graduates https://admissions.ntu.edu.sg/.../scholar.../Pages/NPGS.aspx
Nanyang Scholarship l Singapore Scholarship l NTU Singapore
ADMISSIONS.NTU.EDU.SG
Nanyang Scholarship l Singapore Scholarship l NTU Singapore
Nanyang Scholarship recognises students who excel academically, demonstrate strong leadership potential, and possess outstanding co-curricular records.
A Guide to Higher Study and Career in Abroad
We assit to find your dream study and career destination in abroad Would you like to pursue higher study (Bachelors/Masters/PhD) in China?
Have you completed your Bachelors/Masters/PhD in your home country or any foreign country and would like to get related job in China? We will guide and assist you in all aspects of your dream plan ! Stay touched and blessed...
10/09/2020
কিভাবে আবেদন করব প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ এর জন্য
উচ্চতর-শিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য নতুন এক সম্ভাবনার নাম প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ। এই বিশাল সুযোগটির বিষয়ে অনেকেই অবগত নন এবং কিছু ভ্রান্তির কারনে অনেকেই আবেদনের পূর্বেই ধরে নেন যে এই ফেলোশিপের জন্য উচ্চমহলের তদবির আবশ্যিক । এরূপ বিবিধ ভ্রান্ত ধারণায় অনেকেই আবেদন করার উৎসাহবোধ করেন না। কিন্তু বর্তমানে যেসব স্কলারশিপ ও ফেলোশিপ প্রোগ্রামে আমাদের সকল স্টুডেন্ট ও গবেষকদের জন্য আবেদনের সুযোগ রয়েছে তার মধ্যে এই ফেলোশিপের স্কিমটি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও আকাঙ্ক্ষিত। আজকে আমি আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে এই ফেলোশিপের আবেদন প্রক্রিয়া ও যাচাই বাছাই এর ধাপ ও আমার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করব।
প্রথমেই জানতে হবে কিভাবে শুরু করব এবং কখন থেকে শুরু করব। ২০১৮ সাল থেকে পুনরায় শুরু হওয়া এই ফেলোশিপের কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি বিশেষ বিভাগ ‘গভরনেন্স ইনোভেশন ইউনিট (Governance Innovation Unit) “ নামক অত্যন্ত সুপরিকল্পিত একটি কার্যালয় দ্বারা পরিচালিত হয় ।
এই গভরনেন্স ইনোভেশন ইউনিট তথা GIU এর ওয়েবসাইট-এ বছরে ২ বার এই ফেলোশিপের সার্কুলার দেওয়া হয়ে থাকে। সাধারণত ফেব্রুয়ারী – মার্চ এবং অক্টোবর – নভেম্বেরের দিকে প্রকাশিত হয়ে থাকে সার্কুলার। আমি ২০১৯ সালের প্রথম পর্যায়ে মনোনীত একজন সফল প্রার্থী হিসেবে আমার পুরো আবেদন প্রক্রিয়া ও পরবর্তী ধাপ সমূহ সম্পকে পর্যায়ক্রমে বলছি।
গভরনেন্স ইনোভেশন ইউনিট এর ওয়েবসাইটে পূর্ববর্তী সার্কুলার ও প্রধামন্ত্রী ফেলোশিপের আওতায় পি এইচ ডি ও মাস্টার্স কোর্সের আবেদনকারীদের জন্য জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন উত্তর সংক্রান্ত দুইটি পি ডি এফ ফাইল সংযোজিত আছে। যেখান থেকে আপনি আপনার জিজ্ঞাসিত সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। পিডিএফ ফাইল দুইটি আমি এই লেখার সাথে সংযোজিত করে দেওয়ার চেষ্টা করব।
তথাপি বক্তিগত অভিজ্ঞতা জানতে চেয়ে অনেকেই আমাকে ইনবক্স করেছেন,তাই আজকে সবার যেই বিষয়গুলো নিয়ে বেশী জিজ্ঞাসা আমি সেগুলোই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।
১। সার্কুলার কোথায় পাবো?
উত্তর: গভরনেন্স ইনোভেশন ইউনিট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এর ওয়েবসাইটে ,( Governance Innovation Unit, Prime Minister's Office)
লিংক: http://giupmo.gov.bd/
২। কবে আবেদন করতে পারব?
উত্তর: সাধারণত জানুয়ারী মাসের শেষের দিকে ও অক্টোবর এরের দিকে সার্কুলার হয়ে থাকে। সার্কুলার এ কি কি লাগবে এবং কিসের ভিত্তিতে ,কয়টি ধাপে যাচাই হবে তা বিশদ উল্লেখ করা থাকে।
৩। সবার জন্য উন্মক্ত কি?
উত্তরঃ প্রধামন্ত্রী ফেলোশিপ বিসিএস, সরকারি ও বেসরকারি আবেদনকারীদের থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। চূড়ান্তও নির্বাচনের হার বিসিএস কর্মকর্তাগণ ৭০%, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাগণ ২০% এবং সর্বসাধারণের ১০% হারে নির্বাচিত করা হয়।
আমি ২০% এর মধ্যে একজন ,তাই আগেই হতাশ না হয়ে আবেদন করাটাই বেশী জরুরী।
৪। আবেদনের পূর্বে কি কি প্রস্তুতি প্রয়োজন?
উত্তর: এই ফেলোশিপের আবেদনের পূর্বে কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে , যেমন,. অফার লেটার আবশ্যিক , কন্ডিশনাল অর্থাৎ শর্তসাপেক্ষ অফার লেটার হলেও চলবে ,কিন্তু অফার লেটার থাকতে হবে।
আমি এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করি ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে, তার পূর্বে ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ স্কলারশিপের জন পি এইচ ডি এর জন্য ইউ জি সি থেকে মনোনয়ণ পাই ২০১৮ এর ডিসেম্বর এ, (আমি ইতঃপূর্বে ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে মাস্টার্স করে এসেছি কমনওয়েল স্কলারশিপে), তাই আমার স্কলারশিপের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু তৈরী করা ছিল. অফার লেটার, আইএলটিস স্কোর, রিকোমেন্ডেশন লেটার, এস ও পি এবং মানসিক প্রস্তুতি।
৫। কিসের ভিত্তিতে শর্ট লিস্ট করা হয়?
উত্তর; সর্বমোট কতজন পি এইচ ডি ও মাস্টার্স এর জন্য আবেদন করেছিল সেই বিষয়ে আমার স্পষ্ট ধারণা নেই, সংখ্যাটি কখনো ১০০০ আবার, তার চেয়ে বেশিও শুনে থাকি।
তবে পি এইচ ডি এর জন্য শর্ট লিস্টেড করা হয়েছিল ৬০ জনকে, চূড়ান্ত ভাবে ২৭ জনকে মনোনয়ণ দেওয়া হয়েছিল।আর মাস্টার্স এর চূড়ান্ত ভাবে মনোনীত প্রার্থি ৭৪ জন।
পুরো প্রক্রিয়াটি আমার কাছে ভীষণ স্বচ্ছ ও যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। কারণ আমাদের সাথে শর্ট লিস্টেড সকল পি এইচ ডি প্রার্থীর একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড খুব ভালোমানের ছিল এবং তাদের প্রতেকেরই পূর্ববর্তী একটি বাইরের মাস্টার্স ডিগ্রি করা ছিল।
প্রকৃতপক্ষে পুরো যাচাই প্রক্রিয়াটি করা হয় একটি নিয়ম অনুসরণ করে, একটি নাম্বারের তালিকা অনুযায়ী আপনার যাচাই হবে, যেখানে স্কোরিং হবে আপনার পূর্ববর্তী একাডেমিক ফলাফল, আপনার চাকুরীর বয়সকাল, আপনার আইএলটিস স্কোর এবং সবচেয়ে গুরুত্তপুর্ন আপনার অফার লেটারটি কত হাই রাঙ্কেড বিশ্ববিদ্যালয়ের , প্রথম ৫০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে আপনার বিশেষ সুবিধা উপভোগের সুযোগও আছে (১০% অতিরিক্ত টাকা). তাই এই স্কোরিং বোর্ডে আপনার রাঙ্কিং যত ভালো হবে আপনার মনোনয়নের সুযোগ ততই বৃদ্ধি পাবে।
৬।শট লিস্টের পরের ধাপ কি?
উত্তর: শর্টলিস্টেড হওয়ার পর আপনাকে জানানো হবে আপনার কি কি করতে হবে. ইমেইল এর মাধ্যমে আপনাকে আপনার পরীক্ষার তারিখ ও সময় জানানো হবে।
আমাদের সময় নতুন ভাবে সংযোজন করা হয় লিখিত পরীক্ষা। মোট তিনটি ধাপে পরীক্ষা হবে, ক. লিখিত, খ. প্রেজেন্টশন, গ. ভাইভা।
ক. লিখিত : এই পরীক্ষার ধরণটি আইএলটিস এর লিখিত পরীক্ষার মোট, একটি টপিকস এর উপর আপনার যুক্তি খণ্ডন করতে হবে. সময় ৩০-৪০ মিনিট। পরীক্ষার পরিবেশ ও আইএলটিস এর লিখিত পরীক্ষার মত।
খ. প্রেজেন্টশন ও গ. ভাইভা : এই দুইটি পরীক্ষা একসাথে হবে । আপনাকে ইমেইল এ জানিয়ে দেওয়া হবে, আপনার প্রস্তাবিত পি এইচ ডি প্রকল্পের উপর ৫ মিনিটের একটি প্রেজেন্টেশন তৈরী করে নিয়ে আসতে ,অবশ্যই হার্ডকপি ও সফটকপি দুইটিই রাখবেন ( এই প্রেজেনটেশনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ , খুব অল্প কোথায় আপনাকে আপনার কাজের গুরুত্ব ও এস. ডি. জি (SDG) তে এর ভূমিকা তুলে ধরতে হবে , আপনি যত বেশি এদের মধ্যে সামঞ্জস্য সাধন করতে পারবেন আপনার সম্ভাবনা ততটাই বেড়ে যাবে)। সাধারণত এই প্রেজেন্টেশনে চলাকালীনই আপনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হতে পারে, আবার প্রেসেন্টেশন শেষেও করতে পারে।
যেই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে, দীর্ঘ সময় থাকার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে. আপনার সিরিয়াল যত পরে থাকবে আপনাকে তত দেরিতে ডাকা হবে, কিন্তু সবার জন্য রিপোর্টিং সময় একই ।
উদাহরণ স্বরূপ আমাদের রিপোর্টিং সময় ছিল সকাল ৯ টা, যেহেতু এটি প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়-এ হয় তাই সময়জ্ঞান ভালো থাকা অত্যাবশ্যক। সেই সাথে সিকিউরিটি ইস্যু গুলো নিয়েও যথাযথ সংবেদনশীল আচরণ একান্ত কাম্য। আমাদের লিখিত পরীক্ষা সম্ভবত শেষ হয়েছিল ১০.৩০ মিনিটে। এরপর কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে একজন একজন করে ডেকে নেওয়া হয় প্রেজেন্টেশন ও ভাইভা এর জন্য। একদিনে ৩০ জনের র নেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা। সর্বশেষ জনের পরীক্ষা শেষ হয়েছিল সন্ধ্যা ৬ টার পর। তবে আপনার শেষ হলে আপনি বের হয়ে যেতে পারবেন ,আমার দুপুর ১ টার আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিলো ,কারণ আমার সিরিয়াল ছিল ঐদিনের ০৭ নম্বর।
৮।ফলাফল প্রকাশ পেতে কতদিন লাগে ?
উত্তর: আমাদের ফলাফল এই পরীক্ষার একমাস পর পেয়ে গিযেছি।
আবেদন থেকে ফলাফল পর্যন্ত এইভাবে অনুসরণ করলেই হবে. পরবর্তী ধাপ গুলো র জন্য জি এই ইউ থেকে আসবে। আপনার সাথে যোগাযোগ ও করা হবে, আপনার যেকোন ধরণের সমস্যায় আপনি তাদের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ চাইতে পারবেন।
৯।আমাকে কে কি ২ কোটি টাকা একবারে হাতে দিয়ে দেওয়া হবে ?
উত্তর : না. বিষয়টি এমন নয়। একজন পি এইচ ডি গবেষকের জন্য সর্বোচ্চ বাজেট দুই কোটি টাকা। কিন্ত এটি এমন নয় সবাই দুই কোটি টাকা পাবেন। সবাইকে মাসিক ভাতা হিসেবে ২৩০০ ইউ এস ডি দেয়া হয়, এরপর আপনার টিউশন ফি (৩-৫) বছরের সরাসরি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টে জমা হবে, আপনার এখানে ভূমিকা হচ্ছে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জি এই উই (GIU) এর কন্টাক্ট নিশ্চিত করা। এখন যদি এমন হয় আপনার টিউশন ফি অনেক বেশি , যা ২ কোটির বাজেট অতিক্রম করে ফেলছে, সে ক্ষেত্রে আপনার মাসিক ভাতা থেকে কেটে নেওয়া হবে। কিন্তু এমন নয় যে আপনার টিউশন ফি নেই অথবা অনেক কম , সেক্ষেত্রে আপনাকে বেশি মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। মাসিক ভাতা সর্বোচ্চ ২৩০০ ইউ এস ডি পাবেন , আপনি যেই দেশে আছেন তার কারেন্সিতে কনভার্ট করে। এই সেটেলমেন্ট মানিসহ আপনি পাবেন বুক এলাওয়েন্স, কনফারেন্স এলাওয়েন্স ও, হেলথ এলাওয়েন্স ও ট্রাভেল এলাওয়েন্স, যা সর্বমোট ১৭০০০ ইউ এস ডি আপনার সম্পূর্ণ শিক্ষাকালীন সময়ে। মোদ্দাকথা আপনার টিউশন ফি ও মাসিক ভাতা সহ আপনার সর্বোচ্চ বাজেট দুই কোটি টাকা।
১০। টাকা কি একবারে সব দিয়ে দেওয়া হয় হাতে ?
উত্তর: না, আপনি ভিসার আবেদনর পূর্বে একটি বড় অংকের টাকা পাবেন ,যা সেটেলমেন্ট মানি হিসেবে পাবেন , পি এইচ ডি এর ক্ষেত্রে ছিল ১০ লাখের কিছু কম টাকা। এই টাকা টি আপনার বাজেট এর অন্তর্ভুক্ত টাকা। এরপর আপনি গন্তব্যে পৌঁছে জানানোর এক মাসের মধ্যে আপনার একাউন্টে ১ বছরের মাসিক ভাতা ডিপোজিট হয়ে যাবে এবং সেই সাথে আপনার ১ম বর্ষের টিউশন ফি ও বেঞ্চ ফি ডিপোজিট হবে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টে , আমার ছিল টিউশন ফি ও বেঞ্চ ফি মোট ২৬,২০০ জি বি পি এক বছরে ।
১১। একাধিক স্কলারশিপের মনোয়ন পেলে কোনটি নেওয়ার উপদেশ দিচ্ছেন ?
উত্তর: এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার বিবেচনাবোধ এর উপর। আপনি যেটি গ্রহণ করতে চাচ্ছেন তা একান্তই আপনার নিজস্ব ইচ্ছা ।
আশা করছি অনেকের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে পেরেছি। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সাময়িকভাবে সার্কুলার স্থগিত রয়েছে , আশা করছি দ্রুত সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং সবার উচ্চশিক্ষার মনোবাসনা পূর্ণ হবে। সর্বোপরি মাননীয় প্রধামন্ত্রীর এই উদ্যোগের জন্য , একটি শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ ও শুভকামনা জানাই.।সবার জন্য শুভকামনা। আমি সকলের দোয়াপ্রাথী আমার এই যাত্রা যেন সফলতার সাথে ও মসৃনভাবে সম্পন্ন করতে পারি।
নাদরা তাবাসসুম
সহকারী অধ্যাপক ,
উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
পি এইচ ডি গবেষক ,
ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবরা,
স্কটল্যান্ড, যুক্তরাজ্য।
Governance Innovation Unit-Prime Minister\'s Office Governance Innovation Unit (Bengali: গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট) helps public to understand the transformations in service delivery possible through innovation.
Thailand Government Scholarship 2020 (Fully Funded)
The Thailand Government Scholarship (TIPP) is to Study a Full-Time Master Degree Program in Different Thailand Universities. There are Total 24 Thailand Universities are Participating in the Thailand International Postgraduate Programme (TIPP) 2020. A total of 107 Number of Scholarships available. Each University is offering different academic fields of Study for Masters Degree Scholarships. Note that Some Universities are giving Unlimited Scholarships & Some Universities are giving a Fixed Number of Scholarships.
◾Thailand Government Scholarship 2020 Details
Scholarship Country: Thailand
Scholarship by: Ministry of Foreign Affairs, Thailand
Scholarship Level: Master Degree Program
Financial Coverage: Fully Funded
New Deadline: 30th August 2020
◾Duration of the Scholarship
The Maximum Duration of the Royal Thailand Government Scholarship for the Master Degree Program is for 2 Years. Depending on the Course length. However some courses are for 15 Months, some courses are for 1 Year.
◾Available Fields of Study
As stated above, there are 24 Universities Participating in the Thailand Government Scholarship & Each University is offering a Different Fields of Study such as:
◾Sufficiency Economy Philosophy (SEP)
Climate Change
Food Security
Public Health
Other topics related to SDGs
Financial Coverage
◾Benefits
The Thailand International Postgraduate Programme (TIPP) Scholarships is Fully Funded Scholarships for international students to Study in Thailand Universities. All the Expenses will be covered by the Thailand Government.
Return Economy Class Air Ticket and Airport Pickup Service.
Domestic Travel in Thailand
Living Allowance 7,000 Baht Per Month.
Accommodation Allowance of 7,000 Baht Per Month in the Regional Province or 9,000 Baht Per Month in Bangkok and Phuket.
Settlement Money: 6,000 Baht on their first arrival to Thailand.
Books Allowance: 10,000 Baht per year. (Only 4 semesters for Master’s degree)
Thesis allowance of 20,000 Baht for compulsory fieldwork or data collection and a lump sum amount of 12,000 Baht for thesis printing or 8,000 Baht for independent study (IS) printing.
Tuition Fee: Awardees’ tuition fee will be directly reimbursed from TICA, except equipment insurance fee, transcript and certificate fee
Health & Medical Coverage.
◾Eligibility Criteria
Candidates Must be an International Student.
Candidates must be nominated by the National Focal Point for International
Development Cooperation in a country from the TIPP eligible countries/territories list.
Candidates must have a Bachelor’s degree
Good Command of English
Age Should be less than 50 Years
◾Required Documents
TIPP Thailand Scholarship Application Form
Medical Report
Transcript of Bachelor’s Degree
Certificate of Bachelor’s degree
English test score (e.g. TOELF, IELTS)
Recommendation Letter (At least 3 people)
Thesis proposal or other documents (As university request)
◾Application link:
TIPP 2020 - Thailand International Cooperation Agency Thailand International Cooperation Agency
31/08/2020
CV vs Resume
কথায় কথায় আমরা অনেকেই CV কিংবা Resume (রেযুমি) কে এক অর্থে বলে দেই। কিন্ত জানেন কি এদুটোর মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে?
স্পেশ্যালি নর্থ আমেরিকায় সিভি ও রেযুমি বলতে আলাদা করে বোঝায় কনটেক্সট ভেদে। আসুন তবে জেনে নেয়া যাক তফাত গুলো। এই নলেজ আপনার সারা জীবন কাজে লাগবে। বিশেষত দেশের বাইরে একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে, জব সার্চিং এর সময় সবচেয়ে বেশি লাগবে এই দুটোর পার্থক্য জানা।
CV: পুরো শব্দটি ল্যাটিন থেকে এসেছে - Curriculum Vitae. কারিকুলাম ভিটাই অথবা ভিটাই দুভাবেই উচ্চারণ করা যায়। মানে হলো "জীবনের বর্ননা"।
Resume: শব্দটি ফ্রেঞ্চ থেকে এসেছে। উচ্চারন করতে হবে: রেযুমি। এর মানে হলো সামারি বা "সার-সংক্ষেপ"।
⦿ বেসিক পার্থক্য কি?
সিভিতে একজন ক্যান্ডিডেটের সম্পুর্ন একাডেমিক, ও প্রফেশনাল প্রোফাইলের বিস্তারিত বর্ননা থাকতে হয়, সময়ানুযায়ী অর্থাৎ সবচেয়ে রিসেন্ট ডিগ্রি বা জব লিস্টে সবার উপরে থাকে, তারপর সময় অনুযায়ী বাকিগুলো। একটি সিভিতে প্রতিটা জব এর লিস্ট ও একাডেমিক ডিগ্রি (ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি ইত্যাদি) এর লিস্ট, প্রতিটা স্কলারশিপ, পুরস্কার, রিসার্চ পেপার, কনফারেন্স /ওয়ার্কশপ প্রেজেন্টেশন, ভলান্টারিং ও এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি সহ নানাবিধ বিস্তারিত তথ্য থাকতে হয়। মোট কথা CV হলো আপনার পুরো জীবনের কাগজের আয়না যেটা আপনার সমস্ত কর্মকান্ড প্রতিফলিত করে!
অন্যদিকে রেযুমিতে আপনার লাইফের সব জব বা একাডেমিক ডিগ্রি দিতে হয় না। বরং যে পোস্টের জন্য এপ্লাই করবেন, শুধু মাত্র সেই সংশ্লিস্ট জব এক্সপেরিয়েন্স ও একাডেমিক ডিগ্রি ও আনুষাংগিক বিষয়গুলোর উল্লেখ থাকতে হয়। এজন্যেই এটাকে সার-সংক্ষেপ বলে।
⦿ কোনটা কয় পেইজ?
একজন কর্পোরেট ম্যানেজার, প্রফেসর কিংবা পিএইচডি রিসার্চারের সিভি ২ পাতা থেকে শুরু করে ১০ পাতাও হতে পারে! কারন সিভিতে তাদের প্রতিটা ডিগ্রি, জব, অর্জন ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। তবে বাংলাদশের প্রেক্ষাপটে একজন এভারেজ ফ্রেশ আন্ডারগ্রেড বা মাস্টার্স স্টূডেন্ট যারা দেশের বাইরে স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশুনার জন্য এপ্লাই করবে তাদের সিভি ২ পাতার বেশি হওয়া উচিত নয়।
রেযুমি যেহেতু নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে সার-সংক্ষেপ তাই ১ পাতা হয়, শুধু মেইন মেইন জিনিস গুলো ওই ১ পাতায় হাইলাইট করা হয়। সর্বোচ্চ ২ পাতা, তাও এক্সেপশনাল কেইসে। রেযুমিতে কম্প্যাক্ট স্টাইলে মেইন তথ্য গুলো বুলেট পয়েন্ট আকারে লিখা হয়, এতে কম জায়গায় সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো দেয়া যায়।
⦿ কোথায় কোনটা ইউজ করা উচিত?
সাধারনত এটা নির্ভর করে রিক্রুটমেনটার যদি স্পেসিফিক্যালি কিছু বলে তাহলে তার উপর, কোন সন্দেহ হলে ইমেইল ইনকুয়ারি করে নেয়া ভালো। যদি না বলে তাহলে একাডেমিক ক্ষেত্রে অর্থাৎ স্কলারশিপ এপ্লিকেশন, ইউনিভার্সিটি এপ্লিকেশন, প্রফেসরকে ইমেইল করা তার রিসার্চ গ্রুপে জয়েন করার জন্য সহ যাবতীয় একাডেমিক কাজে CV ব্যাবহার করা উচিত।
অন্যদিকে তুমি দেশের বাইরে পড়াশুনাকালিন, এর মাঝে Co-op এ (পেইড ইন্টার্নিশিপ টাইপের) এপ্লাই করতে চাচ্ছো, তখন আগে দেখো ভাল করে রিক্রুটমেন্ট সার্কুলারে দেখো কি চেয়েছে সিভি, না রেযুমি। বিশেষ করে দেশের বাইরে পড়া শেষ করে জব এপ্লিকেশনের সময়ে তোমাকে আগে ভালো করে জানতে হবে কোন পোস্টে তুমি আপ্লাই করছো, জব ডেস্ক্রিপশন কি, ইত্যাদি অনুযায়ী নিজের রেযুমিকে কাস্টোমাইজ করে শুধু সেই পোস্ট রিলেটেড তথ্য ও এক্সপেরিয়েন্স দিতে হবে, বাকি সব এক্সট্রা তথ্য রেযুমি থেকে বাদ যাবে।
⦿ কোনটার সাজ-সজ্জা কি রকম?
সিভিতে কোন রকম কসমেটিক্স ইউজ করা উচিত নয়। সিম্পল ব্ল্যাক হোয়াইট হওয়াই ভালো। একেবারেই হাল্কা কোন কালার ইউজ করা যেতে পারে সর্বোচ্চ মেকাপ হিসেবে।
অন্যদিকে রেযুমি অনেক কালারফুল হতে পারে, কিছুটা কসমেটিক্স আইটেম ও কালার দিয়ে রেযুমি আরো এক্ট্রাক্টিভ করা যেতে পারে।
⦿তথ্যের টাইম সিকুয়েন্স কেমন হবে?
সিভিতে সব কিছুই সময়ক্রম বজায় রাখা হয় (ক্রনোলোজিক্যাল) অর্থাৎ রিসেন্ট জব, ডিগ্রী ইত্যাদি সবার আগে লিস্টে স্থান পায়, তারপর বাকিগুলো।
রেযুমিতে ক্রনোলোজি মেইন্টেন না হলেও ঘাবড়ানোর কিছু নাই। কারন রেযুমিতে শুধু যে পোস্টে এপ্লাই করা হয় সেই রিলেটেড তথ্যাবলি থাকায় অনেক রিসেন্ট ইনফোর আগে পুরাতন কোন সংশ্লিস্ট অভিজ্ঞতা আগে স্থান পেতে পারে।
Courtesy:
Md Nazmul Hasan Topu,
University of British Columbia, Vancouver, Canada
30/08/2020
আমি যেভাবে IELTS এ ব্যান্ড ৮ পেলাম
IELTS এর স্কোর শেয়ার করার পর বেশ অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছেন কিভাবে IELTS এর প্রস্তুতি ভালোভাবে নেয়া যায় এবং বিভিন্ন সেগমেন্টে আলাদা আলাদাভাবে স্কোর বাড়ানো যায়। অনেকেই স্পিকিং এর সমস্যা নিয়ে আবার উদ্বিগ্ন ইত্যাদি। যারা IELTS দিতে চান, যারা দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন, যারা দিতে ভয় পান এবং যারা দিতে চান না তাদের সবার জন্য কিছু টিপস-
IELTS হলো International English Language Testing System মানে এই পরীক্ষাতে আপনাকে নানাভাবে গুতায়ে-গাতায়ে টেস্ট করবে যে আপনে ইংরেজী ভাষাটা কেমন পারেন। পরীক্ষার মূলত চারটা অংশ থাকে – লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং এবং স্পিকিং। এরমধ্যে প্রথম তিনটার পরীক্ষা একইসাথে হয়, স্পিকিংয়ের পরীক্ষাটা হয় ঐ পরীক্ষার আগে অথবা পরে। মেইলে জানিয়ে দিবে ডেট, আমার বেলায় ৫ দিন আগে হইছে।
লিসেনিং
আপনে যদি বয়রা না হন মানে কানে শুনেন তাইলেই এই পরীক্ষা আপনার জন্য। এইখানকার ঘটনা হলো প্যান প্যান কইরা একজন কথা বলবে, সেইটা শুইনা শুইনা খাতায় আপনারে শূন্যস্থান পূরণ করতে হবে যে ওয়ার্ডটা বলসে ঐটা দিয়ে। লিসেনিংয়ের জন্য সাজেশান হলো মুভি (ইংরেজী মুভি, কারিনা-ক্যাট্রিনা দেখলে কাজ হইব না!) দেখা এবং কিছু শুনতে শুনতে বোঝার ট্রাই করা যে যা বলছে সেটা যদি একটু কম/বেশি স্পিডে বলে তাহলে আপনি ধরতে পারেন নাকি। কিনবা ইংলিশ সিরিজ। অবশ্যই সাবটেইটেল ছাড়া দেখবেন এবং আসলেই কে কি বলে সেটা বুঝেন কিনা আগে দেখেন। যদি বুঝেন তাইলে প্রাকটিস করলেই হবে। আর যদি না বুঝতে পারেন তাহলে আপনাকে এটাতে ২-৩ মাস সময় দিতে হবে।
ব্যাপক হারে ইংলিশ বয়ান শুনতে হবে ইউটিউবে যাতে আপনার কান অভ্যস্ত হয়ে যায়। ক্যামব্রিজের ১২টা বইয়ের একটা সেট আছে IELTS’র জন্য, ঐটাতে প্রতি বইয়ে ৪টা করে ৪৮টা লিসেনিং টেস্ট পাবেন। গূড ইনাফ ফর আ এ্যাভারেজ ইংলিশ লিসেনার। নীলক্ষেতে গিয়ে বললেই হবে, সবাই চিনে।
রিডিং
লেখাপড়া, খালি লেখাপড়া। পড়তে হবে, পড়তে পড়তে চেয়ার-টেবিল থেকে পড়ে যাইতে হবে। এই সেকশনে কোনো শর্টকাট নাই। পড়বেন আর এ্যান্সার করবেন, ভুল হবে, আবার কয়েকদিন পরে সেইম জিনিস পড়ে এ্যান্সার করবেন। এইভাবেই হবে।
টাইম দিতে হবে এই সেকশানে সবচেয়ে বেশি। নো শর্টকাট।
যাদের ইংলিশ বই পড়ার অভ্যাস আছে দীর্ঘদিনের তাদের জন্য এই সেকশন একটু সহজ লাগার কথা। বাকিদের বলবো, প্রতিদিন ৩টা ইংলিশ পেপার পড়বেন। এতে আপনার পড়ার স্পীড বাড়বে। রিডিং এ স্পীড আর একুর্যাসি দুইটাই লাগে যদি ৭ এর উপর স্কোর আনতে চান।
রাইটিং
হুমায়ূন আহমেদ ক্যাটাগরি হইলে তো সমস্যা নাই, না হইলেও প্রবলেম নাই। রাইটিংয়ে দুইটা প্রশ্ন থাকেঃ
১) একটা গ্রাফ/স্ট্যাট/ম্যাপ/পাই চার্ট দেখে সেটাকে সামারাইজ করা।
২) কোনো একটা বিষয়ে আপনার মতামত দেয়া এবং সেটা এলাবোরেট করা।
এই টেস্টটায় একই সাথে আপনার কোনো বিষয়কে সামারাইজ করার এবং এলাবোরেট করার ক্যাপাবিলিটি দেখা হয় যথাক্রমে ১ এবং ২ নাম্বার প্রশ্নে। ক্যামব্রিজের বইয়ে রাইটিং টেস্ট আছে, দেখে লিখতে থাকেন। ভুল হোক, সমস্যা নাই, যা মনে আসে লেখেন, ১ নাম্বারের জন্য অল্প কথায় গুছায়ে আর ২ নাম্বারের জন্য বিশদ করে ব্যাখাসহ; তারপরে উত্তরের সাথে নিজেই কমপেয়ার করে দেখেন আপনার লেখাটার কোয়ালিটি। লিখতে লিখতেই লেখা ঠিক হবে। এছাড়া রাইটিং এর জন্য দুইটা ইউটিউব চ্যানেলে আমি ফলো করেছি-
https://www.youtube.com/user/ieltsliz
https://www.youtube.com/channel/UCglDIsg_Z9mE2oT9hsrbzFA
দুইটা চ্যানেলই দারুন। একদম সোজাভাবে বুঝানো আছে কিভাবে কি করতে হবে। সময় করে দুই চ্যানেলের ভিডিও গুলা দেখেন আর নিজের লেখার সাথে তুলনা করে দেখেন কোথায় কোথায় ঘাপলা আছে। যাদের লেখা লেখির অভ্যাস কম, তাদের এখানে সময় দিতে হবে। এই সেকশনে সবথেকে কম নম্বর আসে গ্লোবালি।
স্পিকিং
যেটা হুদাহুদিই সারাদিন করেন এবং কইরা আশেপাশের সবাইরে বিরক্ত করেন। এইবার সেইটা করতে হবে ইংরেজীতে। স্পিকিংয়ের জন্যও ইংরেজী মুভি দেখতে পারেন, তবে সবচেয়ে ভালো হলো নিজের সাথে নিজেই ইংরেজীতে প্রশ্ন এবং উত্তর দেয়া। আপনিই প্রশ্ন করবেন আপনাকে, আপনিই উত্তর দিবেন। প্রথম সপ্তাহে যুতমতো হবে না, পরের সপ্তাহেও হবে না, তারপরেও হবে না। এইভাবে হতে হতে মাসখানেক/দেড়েক পরে ঠিকই হবে। না হয়ে যাবে কই।
এর জন্য একটা ভালো ইউটিউব চ্যানেল-
https://www.youtube.com/channel/UCKrhTJTTUp9Kx2KEoxGp2QA
স্পিকিং কে সবাই ভয় পায় IELTSএ, আসলে আমাদের সমস্যা হলো আমরা প্রশ্ন ঠিকমতো বুঝতে পারি না ইংরেজীতে। এইজন্য স্পিকিংয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার ভালো লিসেনিং ক্যাপাবিলিটি, প্রশ্ন শুনে কি জানতে চাইসে সেটা বুঝতে পারা।
আর একটা সমস্যা আছে, মনের কথা পরীক্ষার সময় সামনা সামনি বলতে গেলে অনেকেই তোতলামি করে, কেউ আবার শব্দ ভুলে যায়। এখানে ভালো করতে হলে আপনাকে অনেক প্রাকটিস করতে হবে। নিজের লেভেল আগে দেখেন। যদি মনে হয় একদমই কথা বের হচ্ছে না তাইলে কোচিং করতে পারেন ব্রিটিশ কাউন্সিলে, নাইলে কোন দরকার নাই। যাদের অল্প সল্প কথা বের হয়, তাদের শুধু প্রাকটিস দরকার।
স্পিকিং দেয়ার সময় মাথায় রাখবেন, অন্য প্রান্তে যে বসে আছে সে আপনার থেকে ব্যতিক্রম কিছু শুনতে চায়। ভাত খাই, ডাল খাই, টয়লেট যাই টাইপের বয়ান দিয়ে স্কোর ৬ এর উপর আশা করা ভুল। আর ভুলেও মুখস্ত উত্তর দিবেন না। এটা ধরবে এবং আপনার নাম্বার কাটবে।
আমি যে বইগুলা ফলো করেছি-
Cambridge English IELTS 6-12 ( Academic- for foreign studies)
Academic writing practice for IELTS – Sam Mccarter ( For writing part)
Listening & Speaking skills- Barry Cusack & Sam Mccarter
IELTS practice tests- Plus 3 : Margaret Matthews and Katy Salisbuty ( Model test book)
(সবগুলো বই-ই নীলক্ষেতে পাবেন)
শেষ কথা, একেকজনের প্রস্তুতির সময় একেকরকম হয়। এটা নির্ভর করে বেসিকের উপর। সবার আগে যেকোনো জায়গায় গিয়ে ২-৩ টা মক টেস্ট দিবেন। তাহলেই নিজের বেসিক বুঝে যাবেন।। আমি বই এক মাসে আগে কিনলেও সিরিয়াসলি পড়েছি পরীক্ষার আগের ৬ দিন। ৮ ব্যান্ড স্কোর অনেক ভালো স্কোর, ভাবি নাই প্রথম বারেই আসবে যেখানে বাংলাদেশে এভারেজ স্কোর আসে ৬.৫-৭। আপনারা আবার আমার কথা শুনে ১ সপ্তাহের প্রস্তুতিতে পরীক্ষা দিতে যাবেন না। পরে স্কোর কম আসলে মেজাজ টং হয়ে যাবে। নিজের অবস্থা বুঝে সময় নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন।
Jahangir
IELTS Ryan Yes! I have ebooks and online courses. Visit: http://ieltsielts.com/study-with-ryan/
29/08/2020
The University of Alabama এ কম্পিউটার সাইন্স পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন
এই ফল থেকে আমি ইউনিভার্সিটি অফ আলাবামা অ্যাট বার্মিংহাম এর কম্পিউটার সাইন্স বিভাগে ডাইরেক্টর অফ পিএইচডি প্রোগ্রাম হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছি। আমাদের ইনটেইক হয় প্রতি বছর দুইবার -- স্প্রিং এর ডেডলাইন সেপ্টেম্বর ১, ফল এর জানুয়ারি ১৫। স্প্রিং ২০২১ এর ডেডলাইন মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই, তাই দ্রুত আবেদন করতে হবে।
আমাদের বিভাগে কয়েকজন তরুণ প্রফেসর ইতিমধ্যেই পিএইচডি অ্যাসিস্টেন্টশিপ অফার করছেন। একজনের (সিদ্ধার্থ কুমার) পিএইচডি শিক্ষার্থী নেয়ার ঘোষণাটি এই গ্রুপেই কয়েকদিন আগে শেয়ার করেছি। এছাড়া আরো কয়েকজন পিএইচডি স্টুডেন্ট নিচ্ছেন।
ফল ২০২১ এ যারা করবেন, তাদের জন্য ইউনিভার্সিটির দুইটি ফেলোশিপ অফার করা হয়। এছাড়া ডিপার্টমেন্টে ৫টি টিএ পজিশন আছে। আর প্রতিটি প্রফেসরের অধীনেই একাধিক রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্ট পজিশন আছে।
আমাদের বিভাগে সিকিউরিটি, হাই পার্ফর্মেন্স কম্পিউটিং, বিগ ডেটা এসবের উপরে প্রচুর কাজ হয়।
বাংলাদেশী ৬ জন ছাত্রছাত্রী এখানে পিএইচডি করছে বর্তমানে। এর আগে এখান থেকে ৪ জন বাংলাদেশী পিএইচডি করে বের হয়েছে।
আমাদের পিএইচডি গ্রাজুয়েটদের ফার্স্ট এমপ্লয়মেন্টের কিছু উদাহরণ দেই -- গুগল, মাইক্রোসফট, ভিসা, ভিসা রিসার্চ, অ্যামাজন, ইউনিভার্সিটির টেনিউর ট্রাক প্রফেসরশিপ, ন্যাশনাল ল্যাবে সাইন্টিস্ট, ইত্যাদি। আমার অধীনে যারা পিএইচডি করেছে, তাদের একজন ৩ বছর ৮ মাসে, বাকিরা ৪ বা সাড়ে ৪ বছরে পিএইচডি করে ফেলেছে, অন্য প্রফেসরদের ছাত্ররাও দ্রুতই পিএইচডি করেছে।
বিস্তারিত তথ্য একজন একজন করে জানতে না চেয়ে সব তথ্য একসাথে বিভাগের ওয়েবসাইটেই পাবেন। https://www.uab.edu/cas/computerscience/graduate-programs/doctoral-program
এর পরেও কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে করতে পারেন, তবে মনে হয় সবকিছুর জবাবই সাইটে পাবেন। সময়াভাবে কারো প্রোফাইল ইভালুয়েট করা সম্ভব হবে না, তবে আপনারা চাইলে এখানকার বর্তমান বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে দেখতে পাবেন।
এছাড়া ভর্তি কমিটি কী দেখে সিদ্ধান্ত নেয় এবং অ্যাসিস্টেন্টশিপ অফার করবে, সেই প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমি কিছু তথ্য দিতে পারি যেহেতু আমিই এই প্রোগ্রামটির ডাইরেক্টর এখন। আশা করি আমার সময়কালে বাংলাদেশ থেকে আরো অনেক শিক্ষার্থী এখানে আসবেন পিএইচডি করতে।
আর ৩ দিন বাকি স্প্রিং এর জন্য, কাজেই আগ্রহ থাকলে এখনই আবেদন করুন। বিস্তারিত উপরের লিংকে আছে।
Courtesy: Professor Ragib Hasan, UAB
26/08/2020
Ragib Hasan স্যার এর ওয়াল থেকে। খুবই ইফেক্টিভ কিছু টিপসঃ
আমেরিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা অনেক। হাজার হাজার। এর মাঝে হার্ভার্ড, প্রিন্সটনের মতো বনেদি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন আছে, তেমনি আছে অখ্যাত নাম না জানা নাম সর্বস্ব বিশ্ববিদ্যালয়। কাজেই বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেয়াটার পিছনে সময় দিতে হবে।
** কোথায় একেবারেই যাবেন না? **
শুরুতেই বলি কী ধরণের বিশ্ববিদ্যালয় একেবারেই বাদ দিবেন। প্রচুর বিশ্ববিদ্যালয় আছে যারা আসলে ডিগ্রি বেচার ব্যবসা করে। এসব জায়গার পিছনে টাকা পয়সা ঢালা বোকামি, আর ভর্তি হলেও এসব জায়গার নাম দেখলে ভিসা রিজেক্ট নিশ্চিত। কাজেই শুরুতেই দেখবেন আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ভাবছেন সেটির বা সেটিতে আপনার ডিপার্টমেন্টের ডিগ্রি প্রোগ্রামের এক্রেডিটেশন আছে কি না, এবং যে সংস্থা এক্রেডিটেশন দিয়েছে সেটি নিজেই ভুয়া বা দুই নম্বর কী না। ইন্টারনেটে খোঁজ নিন এই ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে। মনে রাখবেন, দুইনম্বর অনেক ইউনিভার্সিটির কিন্তু গালভরা নাম থাকে যেমন অমুক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, তমুক স্টেট ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি। খেয়াল করে খোঁজ নিয়ে দেখুন আসলেই এইটা স্টেইট ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের অংশ কি না। এসব দুই নম্বর জায়গা শুরুতেই বাদ দিয়ে ফেলেন।
** কী কী ফ্যাক্টর বিচার করবেন? **
ইউনিভার্সিটি নির্বাচনে বেশ কিছু দিক খেয়াল রাখবেন, আসুন দেখা যাক এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলা কী কী?
*** সুনাম -- ইউনিভার্সিটির সুনাম কেমন? সুনামের ব্যাপারটা আসলে আপেক্ষিক, তবে কিছু ইউনিভার্সিটির বনেদি হিসাবে নাম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। সুনাম বের করার আরেকটা উপায় হলো র্যাংকিং। নানা সংস্থার পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং করা হয়, এর মধ্যে আছে US News and World Report, টাইমস এডুকেশন, ইত্যাদি। অনেকেই এই র্যাংকিং দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমস্যাটা হলো এই রকমের অধিকাংশ র্যাঙ্কিংই আসলে নির্ভরযোগ্য বা কার্যকর না। মানে ধরা যাক কোনো এক র্যাংকিং এ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রম ২৫, আরেকটির ২৭। এর মানে কিন্তু এই না যে প্রথমটির চেয়ে পরেরটি কম মানের। কাজেই কেবল র্যাংকিং দিয়ে ইউনিভার্সিটি নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ না। র্যাংকিং লিস্টগুলো একটি কাজেই ব্যবহার করতে পারেন, সেটা হলো ইউনিভার্সিটি কোন গ্রুপে পড়ে তা সম্পর্কে মোটামুটি আন্দাজ করা। যেমন, প্রথম ১০ এর মধ্যে আছে, নাকি প্রথম ৫০ এর মধ্যে -- এরকম। প্রথম দশ এ থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মোটামুটি নিঃসন্দেহে বিশ্বের সেরা ইউনিভারসিটি। রাংকিং এ ১১ থেকে ৫০ এর মধ্যের ইউনিভার্সিটি গুলা মোটামুটি কাছাকাছি মানের, আর ৫১ থেকে পরেরগুলা এর পরের গ্রেডের। সহজ ভাষায় প্রথম ১০টাকে উচ্চবিত্ত্ব, মাঝের ৪০টাকে মধ্যবিত্ত্ব, আর পরের গুলাকে নিম্নবিত্ত্ব ধরতে পারেন। তবে তার মানে এই না যে শেষের গ্রুপের একটা ইউনিভার্সিটি মাঝের গ্রুপের চাইতে একেবারেই কম মানের -- আসলে মানের দিক থেকে গ্রুপ ২ ও ৩ এর তফাৎ করাটা কঠিন। কারণ র্যাংকিং ছাড়াও আরো অনেক ফ্যাক্টর দিয়ে ইউনিভার্সিটির মান ধরা হয়। আইভি লীগের যেকোনো ইউনিভার্সিটি যে গ্রুপেই থাকুক না কেনো খুবই বনেদি হিসাবে গণ্য ও সারা বিশ্বে সমাদৃত। আবার পরের দিকে কোনো র্যাংকিং এ পড়ে গেলেও অন্য কারণে ইউনিভার্সিটির ডিগ্রির সুনাম থাকতে পারে।
*** ডিপার্টমেন্টের সুনাম -- খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা ফ্যাক্টর হলো ডিপার্টমেন্টের সুনাম। অনেক সময়ে ইউনিভার্সিটির র্যাংক পিছনে হলেও ঐ ডিপার্টমেন্টের সুনাম থাকতে পারে। ধরা যাক ক বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংক মাঝারি, খ বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংক নিচের দিকে। কিন্তু এটা সত্ত্বেও খ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোনো বিভাগের নাম ডাক ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নাম ডাকের চাইতে বেশি হতে পারে।
*** প্রফেসরের সুনাম -- বিশেষ করে পিএইচডির ক্ষেত্রে এডভাইজরের সুনাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যাপারটি বুঝবেন কী করে? প্রফেসরের নাম ধরে গুগল সার্চ করে দেখুন কিংবা গুগল স্কলারে প্রফেসরটির পাবলিকেশন স্ট্যাটিস্টিক্স ঘেঁটে দেখুন। নামকরা কারো অধীনে কম র্যাংকের জায়গাতে পিএইচডি করলেও দীর্ঘমেয়াদে সেটা করা ভালো।
*** খরচ -- বিশেষ করে ফান্ডিং না পেলে এই ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে। একেক ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি একেক রকমের। পাবলিক ইউনিভার্সিটি যা নানা স্টেটের অর্থে চালিত, তাদের টিউশন ফি কম। আবার প্রাইভেটের বেশি। আমেরিকার দক্ষিণের দিকে টিউশন ফি পশ্চিমের দিকের ইউনিভার্সিটির চাইতে কম। ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে গেলে টিউশন ফি এর পরিমাণ সহজেই দেখতে পাবেন।
*** ইউনিভার্সিটির অবস্থান -- ইউনিভার্সিটির অবস্থানটাও একটা বড় ব্যাপার। আমেরিকার অনেক ইউনিভার্সিটি বড় শহরের মাঝে অবস্থিত, আবার অনেক ইউনিভার্সিটি প্রত্যন্ত এলাকার খুব ছোট্ট এক শহরের মধ্যে অবস্থিত। অনেক সময়ে ইউনিভার্সিটি যেখানে আছে সেখানে হয়তো ইউনিভার্সিটি ছাড়া আর কিছুই নাই। বড় শহরে হলে যাতায়াত, রেস্টুরেন্ট, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ অনেক বড় সুবিধা পাওয়া যায়। ঐ শহরেই হয়তো এয়ারপোর্ট আছে যার ফলে অন্যত্র যাওয়া সহজ। কিন্তু সমস্যাটা হলো বড় শহরে বাসা ভাড়াটাও বেশি হতে পারে। ক্যাম্পাস থেকে দূরে থাকলে যাতায়াতে সময় লাগতে পারে, আবার অনেক সময়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে, গাড়ির ইন্সুরেন্স সহ অন্যান্য খরচ মিলে অনেক বেশি পড়তে পারে। ছোট ক্যাম্পাস টাউন বা কলেজ টাউন জাতীয় জায়গা অনেক সময়ে এমন হয় যে তার আসেপাশে কিছুই হয়তো নাই। আমার পিএইচডির বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়ের ক্যাম্পাস ছিলো আরবানা-শ্যাম্পেইন নামের দুই যমজ শহর জুড়ে। গুগল ম্যাপে জুম করলেই দেখতে পাবেন তার আশে পাশে আসলে ভুট্টা ক্ষেত ছাড়া কিছুই নাই -- কাছের বড় শহর শিকাগো থেকে ওটা প্রায় আড়াই ঘণ্টার ড্রাইভ দূরে। এরকম জায়গায় বাসা ভাড়া সস্তা হয়, খাবার দাবারও হয়তো কম দামের হতে পারে। কিন্তু অনেক কিছুই যেমন দেশী খাবার দাবারের দোকান, দেশী মুদীর দোকান, এসবের কোনটাই নাও থাকতে পারে। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে এসব শহরে করার মতো কাজ খুব বেশি থাকেও না।
ইউনিভার্সিটির অবস্থানের আরেকটি দিক হলো কাজের সুযোগ -- পড়ার সময়ে বা পাস করার পরে। বড় শহরে অফ ক্যাম্পাস কাজ, ইন্টার্নশিপ, কিংবা পাস করার পর চাকুরির সুযোগ -- সবই অনেক বেশি। পক্ষান্তরে ছোট শহরে স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগ কম, ফলে পাস করার পরে দূরে যেতে হবে নির্ঘাত। সেজন্য ইউনিভার্সিটিটা কোথায় অবস্থিত, কাছে ধারে বড় শহর কোথায়, সেটা অবশ্যই ঠিকমত দেখে নিবেন।
*** গরম ঠাণ্ডা -- আবহাওয়া -- আমরা বাংলাদেশের মতো গরম দেশের মানুষ -- তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলেই জমে যাই, তাই না? আমি অন্তত এক সময়ে সেরকমই ছিলাম। আমেরিকার একটা বড় ব্যাপার হলো এটি একটি মহাদেশ -- উত্তর আমেরিকার একুল ওকুল জুড়ে থাকা একটা বিশাল দেশ, ফলে এর নানা জায়গায় জলবায়ুর বৈচিত্র্য অনেক বেশি। উত্তরের দিকে বেজায় ঠাণ্ডা, এতো ঠান্ডা যে কল্পনার বাইরে -- আমার মনে আছে একদিন বাইরে খটখটে রোদ দেখে খুশি হয়ে বেরিয়ে টের পেলাম, তাপমাত্রা তখন -৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো (ছাপার ভুল না, এটা মাইনাস তিরিশ!!)। নিঃশ্বাস ফেলার সাথে সাথে সেটা বরফ হয়ে যাচ্ছে চোখের সামনেই। ঠাণ্ডা জায়গায় অনেকেই টিকতে পারেন না, কাজেই ইউনিভার্সিটির অবস্থান কোথায়, সেখানকার আবহাওয়া কী রকম, গুগল করে বা উইকি থেকে দেখে নিন।
--
তো, এতো সব ফ্যাক্টর বিচার করার পরে কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিবেন? এই ক্ষেত্রে আসলে আপনার নিজের প্রোফাইল বিচার করতে হবে। আপনার প্রোফাইল যদি ভালো হয়, মানে ধরুন বাংলাদেশের নামকরা ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর্স, ভালো সিজিপিএ, দুই এক খান পাবলিকেশন, ভালো টোফেল জিআরই স্কোর, এসব যদি থাকে, তাহলে প্রথম শ্রেণীর ইউনিভারসিটিতে আবেদন করবেন। যদি আপনার সবকিছুর অবস্থা মধ্যবিত্ত টাইপের হয় মানে মাঝারি জিপিএ, পেপার নাই, মোটামুটি টোফেল জিআরই স্কোর, তাহলে জোর দিবেন মধ্যম মানের ইউনিভার্সিটির উপরে। আর সবকিছুর অবস্থা নিচের দিকে হলে নিচের দিকের ইউনিভার্সিটিতেই বেশি আবেদন করেন। নিজের অবস্থা যদি নিজে না বুঝেন তাহলে অনলাইনে বা ফেইসবুকে ভর্তি সংক্রান্ত নানা গ্রুপে পোস্ট করে অন্যদের পরামর্শ চান -- অনেক সময়েই এইসব গ্রুপের অন্যান্য সদস্যরা আপনার প্রোফাইল দেখে অভিমত দিতে পারবেন। আরেকটা উপায় হলো যেখানে ভর্তি হতে চান, সেখানকার বর্তমান শিক্ষার্থীদের সাইটে গিয়ে তাদের সিভি বের করে দেখেন, আপনার প্রোফাইল কি সেই মাপের কি না।
ভর্তির আবেদন করার সময়ে মোটামুটি ভাবে এভাবে ইউনিভার্সিটি বেছে নিন -- ২০% আপনার লেভেলের উপরে, ৬০% আপনার লেভেলে, আর ২০% আপনার লেভেলের নিচে। মানে যদি আপনি মনে করেন আপনার অবস্থা মোটামুটি মাঝারির দিকে, তাহলে লাক ট্রাই করার জন্য হলেও ২০% ভালো মানের ইউনিভার্সিটিতে এপ্লাই করেন, ৬০% আপনার যেখানে চান্স ভালো, সেসব জায়গায়, আর এপ্লাই করলেই চান্স পাবেন নিশ্চিত এমন ২০% জায়গায়। যদি ১০টা ইউনিভার্সিটিতে এপ্লাই করেন, তাহলে ২টা খুব ভালোতে চান্স নেন, ৬টা আপনার চান্স ভালো এমন জায়গায়, আর ২টা অন্তত শিওর এডমিশন এমন জায়গায়।
আরেকটা বড় ফ্যাক্টর হলো ভর্তির আবেদনের ফি -- অধিকাংশ ইউনিভার্সিতিতে ৫০ থেকে ১০০ ডলারের মতো ভর্তির আবেদন ফি লাগে। একটু কষ্ট হলেও যত বেশি সংখ্যক জায়গায় পারেন, এপ্লাই করবেন। মনে রাখবেন, আপনি যদি ভর্তি বা ফান্ডিং পান, তাহলে এই টাকার হাজার গুণ ফেরত পাবেন ভবিষ্যতে, কাজেই যতদূর পারেন এপ্লাই করেন।
কিছু কিছু ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির আবেদনের ফি লাগে না। গুগল সার্চ করে এসব ইউনিভার্সিটির তালিকা বের করে নিন এবং অবশ্যই এসব জায়গায় আবেদন করুন, কারণ হারাবার তো কিছুই নাই।
#আমেরিকায়উচ্চশিক্ষা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Shanghai
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |