No Mercy - নো মার্সি

No Mercy - নো মার্সি No mercy, No compromise...

15/11/2019

ভোলার তজুমদ্দিনে নারী নির্যাতনের অভিযোগ Share on Facebook Tweet on Twitter tweet মাহমুদুল হাসান # ভোলা তজুমুদ্দিনে গৃহবধূর ওপর অমানুষিক ন...

03/12/2015

এটর্নী জেনারেলের মিথ্যাচার জামায়াত নেতাদের চরিত্র হননের ধারাবাহিক অপচেষ্টারই অংশ
মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর পক্ষে নিয়োজিত ডিফেন্স টীমের পক্ষে এডভোকেট সাইফুর রহমান বলেন, ‘জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর দোষ স্বীকার নিয়ে জনাব এটর্নী জেনারেলের মিথ্যাচার জামায়াত নেতাদের চরিত্র হননের ধারাবাহিক অপচেষ্টারই অংশ।’
আজ বুধবার ২রা ডিসেম্বর মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে মাওলানা নিজামীর পক্ষে ৩ দিনব্যাপি যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন সমাপ্ত হওয়ার পর জনাব এটর্নী জেনারেল মিডিয়ার সামনে মিথ্যাচার করেছেন যে, ‘নিজামীর আইনজীবী দোষ স্বীকার করে ফাঁসী থেকে রেহাই চেয়েছেন’। প্রকৃতপক্ষে মাওলানা নিজামীর আইজীবীগণ গত ৩ দিনযাবত ২৭১ পৃষ্ঠার দীর্ঘ লিখিত যুক্তিতর্ক মহামান্য আদালতে উপস্থাপন করে মাওলানা নিজামীকে নির্দোষ দাবী করে তাকে খালাস দেয়ার দাবী করেন। উক্ত লিখিত যুক্তি-তর্কের একটি কপি নিয়ম অনুযায়ী জনাব এটর্নী জেনারেলকেও দেয়া হয়েছে।
মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর আইনজীবীগণ তাদের এই লিখিত প্রতিবাদে দ্ব্যার্থহীনভাবে দাবী করছেন যে, কোথাও কোনভাবেই নিজামী সাহেবের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি কোর্টে উপস্থাপন করা হয়নি। বরং তাকে নির্দোষ দাবী করে খালাস চাওয়া হয়েছে। মাওলানা নিজামীর পক্ষের সিনিয়র আইজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন পরিষ্কারভাবে মহামান্য আপিলেট ডিভিশনে উপস্থাপন করেছেন যে, মাওলানা নিজামী তার রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে ১৯৭১ সালে অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষে বক্তব্য রাখতে পারেন, তবে সরকার পক্ষ তার বিরুদ্ধে আনীত সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমুহের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
১৯৮৬ সালে তিনি প্রথমবারের মত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন মামলা হওয়া তো দূরের কথা, পত্র-পত্রিকায় পর্যন্ত তাকে আলবদর, রাজাকার হিসাবে উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি মহামান্য আদালতে আরও নিবেদন করেন যে, মাওলানা নিজামী যে একজন ইসলামী স্কলার এবং সজ্জন ব্যক্তি সেটি ট্রাইব্যুনাল তার রায়ের ৪১৪ নং প্যারায় স্বীকার করেছেন এবং তিনি একজন বয়স্ক ব্যক্তি একই সাথে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট রায় প্রদানকালে এ বিষয়গুলো আমলে নিবেন বলে তিনি নিবেদন রাখেন। এই বক্তব্যকে ক্ষমা চেয়ে ফাঁসী থেকে রেহাই চেয়েছেন মর্মে প্রচার করে জনাব এটর্নী জেনারেল আবারও প্রমাণ করেছেন যে, সরকার বিচারের বিষয়টি নিয়ে নোংরা রাজনীতি করতে চায় এবং এটি জামায়াত নেতাদের চরিত্রহননের ধারাবাহিক অপচেষ্টারই অংশ। এই জঘন্য মিথ্যাচারটি আইন পেশার শিষ্ঠাচারের চরম খেলাপ। মাওলানা নিজামীর আইনজীবীগণ এই মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
মাওলানা নিজামীর পক্ষে নিয়োজিত ডিফেন্স টীমের পক্ষে
এডভোকেট সাইফুর রহমান

24/11/2015

what a match!!!!!!
waw waw waw!!!
Barisal bules won by 1run!

BB 108/10
SS 107/9 (20)/::D/::D/::D/::D/::B/::B/::B/::B

24/11/2015

আওয়ামী লীগের শীর্ষ ২৩ রাজাকারের তালিকা (বিবরণসহ)
------------------------------------------------------
আওয়ামী লীগের এই ২৩ জন যুদ্ধাপরাধী বা তাদের পরিবার কোন না কোনভাবে ৭১ সালে পাকিস্তান সরকার ও যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতেতে সক্রিয় থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বনে গিয়েছে। ১৯৭১ সালে মক্তিযোদ্বাদের হত্যাসহ নানা ধরনের মানবতবিরোধী অপরাধের সঙ্গে তারা যুক্ত ছিলেন তারা। নিচে আওয়ামী লীগের এসব যুদ্বাপরাধীর নাম ও তাদের কর্মকাণ্ডের কিছু তথ্য দেয়া হলো:
১. অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম:
ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম রাজাকার পরিবারের সদস্য। তার বড় ভাই হাকিম হাফেজ আজিজুল ইসলাম নেজামে ইসলামি পার্টির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ছিলেন। পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের শায়েস্তা করার জন্য তার নেতৃত্বেই ঢাকায় প্রথম শান্তি কমিটি গঠন হয়। একই সঙ্গে তিনি রাজাকার, আল বদর ও আল শাসম বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসই স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ড চালানোর পাশাপাশি মু্ক্তিযোদ্ধাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বড় ভাইকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তার রাজাকার ভাইয়ের মালিকাধীন প্রিন্টিং প্রেসে তিনি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। ১৯৬৯ সালে এ দেশে পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন জোরদার হলে নেজামের ইসলাম পার্টির পক্ষ থেকে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার প্রচারণা চালানোর জন্য ‘নেজামে ইসলাম’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। হাকিম অজিজুল ইসলাম এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। শেখ মজিবুর রহামনসহ পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনকারীদের নিয়ে তিনি এ পত্রিকায় ‘ইবলিশের দিনলিপি’ নামে প্রতি সপ্তাহে বিশেষ সম্পাদকীয় লিখেন। অ্যাডভোকেট কামরুল ১৯৯৪ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতেতে সক্রিয় হন। এর মধ্যে দিয়ে রাজাকার
পরিবারের গন্ধ হতে মুক্ত হতে চান তিনি। তার ব্যাপারে ‌‌'মুক্তিযুদ্ধে ইসলামী দল' শীর্ষক বইয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে।
২. লে.কর্ণেল (অব) ফারুক খান:
পর্যটন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানীদের পক্ষে দিনাজপুরে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পাকিস্তানী সেনাবাহীনীর পক্ষে প্রথম অপারেশন চালান এবং কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। সুত্র: “দিনাজপুরের মক্তিযুদ্ধ” বই।
৩. ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন:
ফরিদপুর– ৩ আসনের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। তিনি শান্তি বাহিনী গঠন করে মুক্তিযোদ্বাদের হত্যার জন্য হানাদার বাহিনীদের প্ররোচিত করেন। “ দৃশ্যপট একাত্তর: একুশ শতকের রাজনীতি ও আওয়ামী লীগ” বইয়ের ৪৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন শান্তি কমিটির জাদরেল নেতা ছিলেন। তার পিতা নুরুল ইসলাম নুরু মিয়া ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন।
৪. অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন:
ময়মনসিংহ ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ও
শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন বলে গত বছরের ৪ এপ্রিল ট্রাইবুনাল ওয়ার ক্রাইম ফাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহবায়ক ডা, এম এ হাসানের দেয়া যুদ্ধাপরাধের তালিকায় (ক্রমিক নং-৭৩) উল্লেখ করা হয়েছে। যা গত ২২ এপ্রিল দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ দিকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্বে গত ৬ এপ্রিল ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও জোড়বাড়িয়া গ্রামের ওয়াহেদ আলী মণ্ডলের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে ময়মনসিংয়ের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
৫. সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী:
আওয়মী লীগের সেকেন্ড ইন কমান্ড সংসদ উপনেতা ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর কাছে একজন আস্থাভাজন নেত্রী ছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিতদের মধ্যে থেকে ৮৮ জনকে পাকিস্তানের সামরিক সরকার আস্থাভাজন এন এন এ মেম্বার অব ন্যাশনাল এজেন্সী হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৭১ সালে ৭ আগষ্ট পাকিস্তানের তথ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত ওই তালিকায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নাম ছিল ৮৪ নম্বরে। জেনারেল রোয়াদেদ খান ওই দিন ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের পক্ষে সমর্থন জানানো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন করার সুবাদে তিনি এ খ্যাতি অর্জন করেন বলে জানা গেছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে এ তথ্য উল্লেখ আছে।
৬. সৈয়দ জাফরউল্লাহ:
আওয়ামী লীগের প্রেসেডিয়াম সদস্য সৈয়দ জাফরউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষ হয়ে কাজ করেছেন। মাসিক “সহজকথা” আয়োজিত যুদ্ধাপরাধের বিচার:বর্তমান প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ জাফরঊল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন। জাফর উল্লাহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানীদের পূর্ণ সমর্থন দেন। “মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান ” বইয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে।
৭. মুসা বিন শমসের:
গত বছরের ২১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষোভ প্রকাশ করে ফরিদপুরের নেতাদের কাছে প্রশ্ন করেন, শেখ সেলিম যে তার ছেলেকে ফরিদপুরের রাজাকার মুসা বিন শমসেরর মেয়ে বিয়ে করিয়েছেন তার কথা কেউ বলছেন না কেন? এ খবর ২২ এপ্রিল আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, মুসা বিন শমসের গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছেলের বেয়াই। ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্টস ফাইডিং কমিটির আহবায়ক ডা: এম এ হাসান যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ৩০৭ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। সেখানে ফরিদপুর জেলায় গণহত্যাকারী হিসেবে মুসা বিন শমসের নাম রয়েছে। তিনি নিরীহ বাঙ্গালীদের গণহত্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং মুক্তিযোদ্দ্ধাদের হত্যাসহ নির্মম নির্যাতন করেছেন বলে জানা গেছে।
৮. মির্জা গোলাম কাশেম:
জামালপুর–৩ আসনের সংসদ সদস্য, যুবলীগের লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সরকার দলীয় হুইপ মির্জা গোলাম আযমের বাবা। ১৯৭১ সালে মির্জা কাশেম জামালপুরের মাদারগঞ্জে শান্তি কমিটির জাদরেল নেতা ছিলেন। তিনি রাজাকার, আল-বদরদের গঠন করে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। তার বিরুদ্ধে নারী ধর্ষণ ও লুটপাটের একাধিক অভিযোগ আছে। যা “জামালপুরের মুক্তিযুদ্ধ ( “১৯৮১ সালের সংস্বকরণ” বইয়ে উল্লেখ আছে। মির্জা কাশেম জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। প্রিয় নেতার নামানুসারে ছেলের নাম রাখেন মির্জা গোলাম আযাম।
৯. এইচ এন আশিকুর রহমান:
রংপুর ৫ আসনের সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক এইচ এন আশিকুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ হতে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তার সরকারের অধীনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে টাঙ্গাইলে কর্মরত ছিলেন। এ সময় তিনি পাকিস্তান সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেন। এস এস এম শামছুল আরেফিন রচিত ‘মুক্তিযুদ্বের প্রেক্ষাপট ব্যক্তির অবস্থান’ বইয়ের ৩৫০ পৃষ্টায় পূর্ব
পাকিস্তানে কর্মরত বাঙালি অফিসারদের তালিকায় তার নাম প্রকাশিত হয়েছে। ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে বলেন, রাজাকার আশিকুর রহমান আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বলে তার বিচার করবেন না তা হয় না। আমরা সব রাজাকারের বিচার চাই। মন্ত্রীসভায় রাজাকার রেখে রাজাকারের বিচার করা যায় না।
১০. মহিউদ্দিন খান আলমগীর:
চাদপুর-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ হতে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ময়মনসিংহে অতিরিক্তি জেলা প্রশারক পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি পাকিস্তান সরকারের অধীনে চাকরি করে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সহযোগিতা করেছেন। তার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ সময় আরেফিন রচিত “মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান বইয়ের ৩৫০ পৃষ্ঠার মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের কর্মরত বাঙালি অফিসারদের তালিকা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তাকে চিহ্নিত রাজাকার হিসেবে আখ্যা দিয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তার বিচার দাবি করেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
১১. মাওলানা নুরুল ইসলাম:
জামালপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম ১৯৭১ সালে জামালপুর সরিষা বাড়ী এলাকার রাজাকার কমান্ডার ছিলেন। তার নেতৃত্বে রাজাকাররা ঐ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। “ দৃশ্যপট এক্ত্তার: একুশ শতকের রাজনীতি ও আওয়ামী লীগ” গ্রন্থের ৪৫ পৃষ্ঠায় এর বিবরণ দেয়া আছে। এ ছাড়া গত ২৮ এগ্রিল দৈনিক আমাদের সময় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে মাওলানা নুরুল ইসলামকে সরিষাবাড়ি এলাকার রাজাকার কমান্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১২. মজিবর রহামান হাওলাদার:
কুটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান হাওলাদার সশস্ত্র রাজাকার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায়
বসতবাড়ীতে অগ্নিকাণ্ড ঘটানোসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মজিবুল হক স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জের যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় তার নাম ১ নম্বরে । এ তালিকা প্রকাশ করা হয় ২০০৮ সালের ১ আগষ্ট। দ্বিতীয় বার গত ১ এপ্রিল যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সে তালিকায়ও যুদ্বাপরাধী হিসেব তার নাম আছে।
১৩. আবদুল বারেক হাওলাদার:
গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাফেজা বেগমের পিতা আবদুল বারেক হাওলাদার ৭১ এ দালাল ছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটলীপাড়া ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মজিবুল হক স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জের যুদ্বপরাধীর তালিকায় তার নাম ৪১ নম্বরে। এ তালিকা প্রকাশ করা হয় ২০০৮ সালের ১ আগষ্ট । দ্বিতীয় বার গত ১ এপ্রিল যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সে তালিকাতেও তার নাম আছে। বারেক হাওলাদার মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিলেন।
১৪. আজিজুল হক:
গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাফেজা বেগমের ভাই আজিজুল হক কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটলীপাড়া ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মজিবুল হক স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জের যুদ্বপরাধীর তালিকায় তার নাম ৪৯ নম্বরে। এ তালিকা প্রকাশ করা হয় ২০০৮ সালের ১ আগষ্ট। দ্বিতীয় বার গত ১ এপ্রিল যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেখানেও তার নাম রয়েছে।
১৫. মালেক দাড়িয়া:
আওয়ামী লীগ নেতা ও গোপালগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম দাড়িয়ার বাবা মালেক দাড়িয়া কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। তিনি ছিলেন আল বদরের একনিষ্ঠ সহযোগী। গণহত্যায় নেতৃত্ব দেন তিনি। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মজিবুল হক স্বক্ষরিত গোপালগঞ্জের যুদ্বাপরাধীর তালিকায় তার নাম ১৪০ নম্বরে। তালিকা প্রকাশ করা হয় ২০০৮ সালের ১ আগষ্ট।
১৬. মোহন মিয়া:
গোপালগঞ্জ কোটারিপাড়া উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি আমির হোসেনের পিতা মোহন মিয়া মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের দালাল ও রাজাকার
ছিলেন। স্থানীয় মু্ক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি লুটপাট করে অগ্নিসংযোগ করেছেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মজিবুল হক স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জের যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় তার নাম ছিল ১৫৭ নম্বরে।
১৭. মুন্সি রজ্জব আলী দাড়িয়া:
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া দাড়িয়ার বাবা মুন্সি রজ্জব আলী দাড়িয়া রাজাকার ছিলেন। যুদ্বাপরাধীর তালিকায় তার নাম আছে। তিনি পাকিস্তানীদের গুপ্তচর হিসেবে কাজ
করতেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কর্মকাণ্ডের গোপন খবর পাকবাহিনীকে পৌঁছে দিতেন।
১৮. রেজাউল হাওলাদারঃ
কোটালিপাড়া পৌর মেয়র ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এইচ এম অহেদুল ইসলামের ভগ্নিপতি রেজাউল হাওলাদের নাম ২০৩ জন রাজাকার, আল বদর, আলশামসসহ গত ১ এপ্রিল প্রকাশিত কোটালিপাড়ার যুদ্বাপরাধীর তালিকায় রয়েছে। তিনি আল বদর সদস্য হিসেব স্থানীয় মু্ক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।
১৯. বাহাদুর হাজরাঃ
কোটালিপাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌর মেয়র এইচ এম অহেদুল ইসলামের পিতা বাহাদুর হাজরার নাম গত ১ এপ্রিল প্রকাশিত কোটালিপাড়ার যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় রয়েছে। তিনি একজন সক্রিয় রাজাকার ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন।
২০. আ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদারঃ
গোপালগঞ্জের এ পি পি ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদারের নাম গত ১ এপ্রিল প্রকাশিত কোটালিপাড়ার যুদ্বাপরাধীর তালিকায় রয়েছে। তিনি পাকিস্তানীদের দোসর ও আল বদর বাহিনীর সহযোগী ছিলেন। আল বদর বাহিনীর সকল ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণ করতেন তিনি।
২১. হাসেম সরদার:
অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন সরদারের পিতা হাসেম সরদারের নাম কোটালীপাড়ার যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় রয়েছে। তিনি একজন রাজাকার ছিলেন। ৭১ সালে তার নেতৃত্বে অনেক সাধারণ বাঙালির বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল।
২২. আবদুল কাইয়ুম মুন্সি:
জামালপুর বকশিগঞ্জ আওয়ামী লীগ সভাপতি অবুল কালাম আজাদের পিতা আবদুল কাইয়ুম মুন্সীর বিরুদ্বে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনীকে সহয়তা ও মুক্তিযোদ্বাদের হত্যাসহ অগ্নিসংযোগের অভিযোগে গত ৬ এপ্রিল জামালপুর আমলি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মালিচর নয়াপাড়া গ্রামের সিদ্দিক আলী এ মামলা দায়ের করেন। আবদুল কাউয়ুম মুন্সী পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত বলে জানা গেছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আবদুল কাউয়ুম মুন্সী পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য বকশিগঞ্জে আল বদর বাহিনী গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পাক বাহিনীর সাথে থেকে অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেন।
২৩. নুরুল ইসলাম-নুরু মিয়া:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পিতা নুরুল ইসলাম নূরু মিয়া ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। গত ২১ এপ্রিল ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেন। এ সময় তারা মন্ত্রী ও তার ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, তার বাবা নূরু মিয়া মু্ক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকর ছিলেন। এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফরিদপুরের রাজাকারের তালিকায় ১৪ নম্বরে নুরু মিয়ার নাম থাকলেও তিনি যুদ্বাপরাধী ছিলেন না। পরের দিন ২২ এপ্রিল আমার দেশ পত্রিকায় এ খবরটি প্রকাশিত হয়। নুরু মিয়ার অপকর্মের বিষয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান’ বইয়ে বিস্তারিত বলা আছে। জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জন প্রতিনিধি হয়েও আওয়ামী লীগের ২৭ নেতা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে ছিলেন। তারা কেউ ছিলেন (এম এন এ) জাতীয় পরিষদ সদস্য, আবার কেউ ছিলেন (এম পি এ) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য। মুক্তিযুদ্ধে তারা হানাদার বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। দেশের মুক্তিযোদ্বাদের হত্যা, নারী ধর্ষণ, লুটতরাজ এবং বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ সহ নানা ধনের মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথেও তারা যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুজিবনগরের সরকারের মন্ত্রী পরিষদ, যুদ্ধাপরাধের সংক্রান্ত কিছু বই থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এ সব নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। এবার দেখা যাক মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গাহীন-চেতনা বাস্তবায়নে ব্যস্ত আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার কি ব্যবস্থা নেয়! নিশ্চয়ই নিজের ঘর আওয়ামী লীগকে রাজাকার মুক্ত করতে আওয়ামী লীগের মধ্যে থাকা রাজাকারগুলোর বিচার করবে তারা। তো আর দেরি কেন-প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই মোশাররফকে দিয়েই শুরু হোক।

Learn Chinese Language....**only one residential Chinese language Center in Bangladesh.** It is 8th in the world &1st in...
21/02/2015

Learn Chinese Language....

**only one residential Chinese language Center in Bangladesh.
** It is 8th in the world &1st in Bangladesh Chinese Language Center where Chinese Language is taught without any help of any Chinese person....

opportunity:
**resident
**non-resident
**online Chinese Language
learning
www.zhongmengbc.com

contact: 01922402542 (Fahad)
01716097874 (Lt. cornel, Shahadat Hossain, Psc ( retired)
FB Page- https://www.facebook.com/pages/Chinese-Language-Center/310701912423019?ref=bookmarks
DOHS, Mirpur, Dhaka.

Admission going on for Chinese Language , Spoken English & Bangali Language for foreigners at Zhongmeng Language Teaching Center located at DOHS Mirpur, Dhaka. Contact: 01716097874, 01819434584

Hope these information might help you in case you are looking for such facilities. Hope You may also share these informa...
03/01/2015

Hope these information might help you in case you are looking for such facilities. Hope You may also share these information with others. For Admission/ booking: 01716097874, 01819434583, 0088-02-8080940
(Photos attached too)

Chinese Language Learning:
http://zhongmengbc.com/course/regular-basic-chinese-language-course-at-zhong-meng-chinese-language-teaching-center/

Online Chinese Language Learning:
http://zhongmengbc.com/course/online-basic-chinese-language-course/

Other packages of Chinese language learning:
www.zhongmengbc.com

Giving Good Guidance (Motivational Package)
Spoken English Course
Bengali Language Learning

Picnic Spots Moon House & Moon Park
www.moonhousemoonpark.com

Location: Zhong Meng Language Teaching Center located at at Moon Space, House 806, Road 35, DOHS Mirpur, Dhaka, Bangladesh. Start Time: 01 Jan 2015 Duration: 48 hrs teaching in 24 days in three months (every week two days, every day two hrs). Details given on the leaflet. Course Fee: Taka 5000/ Mont…

24/09/2014

যারা ইংরেজীতে নিজের নামই লিখতে পারে না...
তারাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে "প্রথম স্থান"
নিয়ে চান্স পায় কেমনে!!??????
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে "বি"
ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে ৪১হাজার+
পরীক্ষার্থী
ফেল করেছে ৯০% পাত্র-পাত্রী..
পাশ মার্কস তুলেছে মাত্র ১০% ছাত্র ছাত্রী!!
এর মধ্যেই এই ইউনিটে # প্রথম স্থান অধিকার
করেছে # মাদ্রাসার এক ছাত্র..
এছাড়াও আমার পরিচিত মাদ্রাসার এক ছাত্র সহ,
মাদ্রাসার আরো ছাত্র-ছাত্রী "বি" ইউনিটসহ
বিভিন্ন ইউনিটে ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স
পেয়েছে..
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার দরকার নেই..সব
মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়া উচিত..
মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীরা ইংরেজিতে নিজের নাম
লিখতে পারে না..
----সমাজ অকল্যানমন্ত্রী বিড়ি মহসিন..
সব মাদ্রাসা বন্ধ করে দিতে আসুন সরকারের
কাছে দাবি জানাই..
অন্যথায় সমাজকল্যানম্ত্রী মহসিনের
মুখে মাদ্রাসার ছাত্রদের দিয়ে হিসু করাই...

সাবধান: ফেসবুক ব্যবহারকারীদেরবিপদে ফেলতে ছড়ানো হচ্ছে ভয়ংকর একট্রোজান ভাইরাস, যা ব্যবহারকারীরঅজান্তেই এন্ড্রয়েড ডিভাইসে ই...
14/09/2014

সাবধান: ফেসবুক ব্যবহারকারীদের
বিপদে ফেলতে ছড়ানো হচ্ছে ভয়ংকর এক
ট্রোজান ভাইরাস, যা ব্যবহারকারীর
অজান্তেই এন্ড্রয়েড ডিভাইসে ইন্সটল
হয়ে সকল ব্যক্তিগত তথ্য পাচার
করে নিতে পারে!-
http://dhakatimes.com.bd/2014/04/23/
39169/new-android-trojan-targeting-fa
cebook-users/

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ থ্রিডি প্রিন্টার মেশিনের মাধ্যমে এখন তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম বায়োনিক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর ব্যবহার দিনকে দিন বাড়ছে। বিস্তারিত পড়ুন…

11/09/2014

কোন দেশের পুলিশের দক্ষতা কেমন
সেই নিয়ে কয়েক দেশের পুলিশের
উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে-----
জাপানি পুলিশ: যে কোন
ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটা জানতে আমাদের
৭২ ঘন্টা সময় লাগে৷
ব্রটিশ পুলিশ: আমরা দুনিয়ার
সেরা পুলিশ৷
অন্যায় কারীকে চিনতে আমাদের
সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সময় লাগে৷
আমেরিকান পুলিশঃ আমাদেরও
যে কোন ক্রিমিনালকে পাকরাও
করতে ২৪ ঘন্টা সময় লাগে৷
বাংলাদেশি পুলিশঃ আরে দূর..!!
আমাদের না জানিয়ে কোন ঘটনাই
ঘটেনা৷

10/09/2014

এতো এতো গিপিএ-৫ লইয়া জাতি কি করিবে?
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫
শিক্ষাবর্ষে 'সি' ইউনিটের অনার্স
ভর্তি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়!
পাশের হার মাত্র ৪.৫৮ শতাংশ। ফেলের হার
৯৫.৪ শতাংশ।
গত ৫ সেপ্টেম্বর জবি'র ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের
'সি' ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মোট ৪৫ হাজার ৫৩২ জন ভর্তিপরীক্ষার্থ
ী পরীক্ষা দেয়। কিন্তু পাশ করেছে মাত্র ২
হাজার ৮৯ জন শিক্ষার্থী।
অথচ শিক্ষামন্ত্রী বলছে "শিক্ষার মান
বেড়েছে।"
কতোটা নির্লজ্জ ও
বেহায়া হলে একটা শিক্ষামন্ত্রী এধরনের
মন্তব্য করতে পারে?

06/09/2014

সত্য
ইতিহাসে কুলাঙ্গারদের এত
চুলকানি কেন !!!!??
কি আছে এ কে খন্দকারের "১৯৭১-
ভেতরে বাহিরে " বইতে ??????
☛বইতে উল্লেখিত কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ
তথ্যঃ
✔মুজিব ৭ মার্চের ভাষণ শেষ করেছিল,
"জয় পাকিস্থান" বলে
✔শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়
নাই/দিতে চায় নি/ জিয়াউর রহমানই
স্বাধীনতার ঘোষণা দেন
✔মুজিব স্বাধীনতা যুদ্ধের
জন্যে প্রস্তুত ছিল না/ সে চেয়েছিল
রাষ্ট্রক্ষমতা
✔মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী আর মুজিব
বাহিনী প্রকাশ্য বিরোধ ছিল
✔স্বাধীনতার পরে মুজিবের রক্ষীর
গুপ্ত হত্যা/ অত্যাচার/ নির্যাতন
নিয়ে বর্ণনা
☛এখন জানা দরকার কে এই এ. কে.
খন্দকার ???
✔১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপ-
প্রধান সেনাপতি
✔এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
✔হাসিনার সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী
✔ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির
নেতা !!
✔সেক্টর কমান্ডরস নেতা
✔আওয়ামী লীগ নেতা
☛এই বই নিয়ে কেন কুলাঙ্গার বাল
নেতাদের চুলকানী ????!
✔কথায় আছে সত্য কথা তিতা/ সত্য
বললে গায়ে লাগে
গতকালকে অবৈধ সংসদের বাল নেতা/
জাতীয় পার্টির লেঞ্জা বিশিষ্ট
চামচিকাগুলা/ নষ্টা বাম নেতারা
ম্যাতকার/চিৎকার/চেচামেচি করল
এ কে খন্দকারকে বেঈমান, অকৃতজ্ঞ,
কুলাঙ্গার, মোনাফেক
ইত্যাদি ইত্যাদি বলল !!!
কিন্তু কেউ এই তথ্যগুলোর বিপরীতে তথ্য
দিয়ে বা যুক্তি বিপরীতে যুক্তি দিল
না / একজনও না
আর একজনও কিন্তু এই বই পড়েনি /
অর্থাৎ বই না পড়েই
এরা ধুতি খুলে ফালাফালি শুরু করেছে
☛কথা হচ্ছে কেন তথ্য/যুক্তির
পরিবর্তে তথ্য/
যুক্তি না দিয়ে এরা গালাগালি করে ?????
✔কারণ
এরা ইতিহাসকে মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রেখেছে/
এখন সত্য বলাতে এরা দিশেহারা
এদের কারো হেডাম নেই এইসব
মিথ্যা প্রমাণিত করা / তাই তারা শুরু
গালি দিতেই জানে
☛১৯৭১: ভেতরে-বাহিরে বইটা কোথায়
পাবেন ????
✔এই বই হয়ত ২-১ দিনের মধ্যেই অবৈধ
কুলাঙ্গার সরকার নিষিদ্ধ
ঘোষণা করবে !!
✔এই বই "প্রথমা পাবলিকেশন
থেকে প্রকাশিত/ যে কোন
"প্রথমা লাইব্রেরি" থেকে সংগ্রহ
করতে পারবেন
✔শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের
প্রথমা লাইব্রেরীতে।
✔চট্টোগ্রামে প্রথমা লাইব্রেরী কাজির
দেউরি (সম্ভবত)

05/09/2014

এ কে খন্দকারের ভেতরে বাইরে বই
নিয়ে আওমীলীগের
ভেতরে বাইরে চুলকানি !!
ইতিহাস বিকৃত
করার অভিযোগ এনে বইটির লেখক
সাবেক
পরিকল্পনা মন্ত্রী একে খন্দকারের
শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অবৈধ
সংসদের অবৈধ মন্ত্রী এমপিরা।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগ সব সময়
মিথ্যাচার করে থাকে। ‘১৯৭১: ভেতরে-
বাইরে’ বই দিয়ে তাদেরই
নেতা একে খন্দকার এই মিথ্যাচারের
উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন।
সত্য সব সময় সব যুগেই সত্য।
একে চাপিয়ে রাখা যায়না।
চাপা সত্য বারবার নিজস্ব চেহারায়
উন্মোচিত হয়।
সম্প্রতি আমরা এমনই চাপা সত্য
তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে ও
একে খন্দকারের বই থেকে উন্মোচিত
হতে দেখেছি।আওয়ামী লীগ
মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মান
করে না বলেই রণাঙ্গণের একজন
পরীক্ষিত মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার
বলতে দ্বিধাবোধ করে না।
৭ মার্চ রেসকোর্স
ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)
শেখ মুজিব তার
ভাষণে কি বলেছিলেন, তা সবাই
জানে। কিন্তু লীগারদের অব্যাহত
মিথ্যাচারে সে সত্য এতদিন
অপ্রকাশিত ছিল। সত্যকে সতর্কতার
সঙ্গে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।’
আওয়ামীলীগ নেতারা তো মুক্তিযুদ্ধ
করেননি। কলকাতায় গিয়ে আরাম-
আয়েশ করে কাটিয়েছেন।
সুতরাং মুক্তিযোদ্ধারা তাদের
থেকে সন্মান কিভাবে পাবেন?’
যেহেতু আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ
করেনি, তারা সবাই কলকাতায়
পালিয়ে গিয়েছিলো সেহেতু
ইতিহাসের এ সত্য
তারা মেনে নিতে চায় না।

Address

Yunnan University
Kunming
86

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when No Mercy - নো মার্সি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to No Mercy - নো মার্সি:

Shortcuts

Share

Category