Talimuddin academy sreemongal

Talimuddin academy sreemongal عن عثمان بن عفان رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: خَيرُكُم من تعلَّمَ القرآنَ وعلَّمَهُ

04/11/2025

ইমানের কিছু বৈশিষ্ট্য (গুণাবলি / লক্ষণ):

ইমান বা বিশ্বাস হচ্ছে ইসলামী জীবনের মূল ভিত্তি। একজন মুমিনের জীবনে ইমানের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, যা তার অন্তর, কথা ও কর্মে প্রকাশ পায়। নিচে ইমানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো
🌿 ১. আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও ভরসা

মুমিন আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তিনিই সকল কাজের নিয়ন্ত্রক ও সিদ্ধান্তকারী বলে বিশ্বাস করে।
🔹 আয়াত:

> “যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।”
(সূরা আত-তালাক, ৬৫:৩)
🌿 ২. আমল দ্বারা ইমানের প্রমাণ

সত্যিকার ইমান কেবল মুখে নয়, কর্মেও প্রকাশ পায়। নামাজ, রোযা, দান-সদকা, সততা ইত্যাদি দ্বারা ইমান দৃঢ় হয়।
🔹 হাদীস:

> “ইমানের সত্তর-অধিক শাখা আছে... সর্বোত্তম শাখা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, আর সবচেয়ে নিচেরটি রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো।”
(সহিহ মুসলিম)
🌿 ৩. তাকওয়া (আল্লাহভীতি)

ইমানবান ব্যক্তির অন্তরে আল্লাহভীতি থাকে। সে পাপ থেকে বাঁচে এবং সৎকর্মে আগ্রহী হয়।
🌿 ৪. রিযায়ে ইলাহি (আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা)

মুমিন সব কাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য, মানুষের প্রশংসা বা দুনিয়ার লাভের জন্য নয়।
🌿 ৫. কষ্ট ও বিপদে ধৈর্য

মুমিন বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখে।
🔹 আয়াত:

> “আর অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করব... ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।”
(সূরা আল-বাকারা, ২:১৫৫)

🌿 ৬. কৃতজ্ঞতা ও শোকর

ইমানদার ব্যক্তি আল্লাহর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, অহংকার করে না।
🌿 ৭. আমানতদারিতা ও সত্যবাদিতা

সত্যিকার মুমিন সর্বদা সত্য কথা বলে এবং আমানত রক্ষা করে।
🔹 হাদীস:

> “যার আমানত নেই, তার ইমানও নেই।”
(মুসনাদে আহমাদ)
🌿 ৮. ভ্রাতৃত্ব ও পরস্পর ভালোবাসা

মুমিনরা একে অপরের ভাই, তাদের মধ্যে ভালোবাসা ও সহানুভূতি থাকে।
🔹 আয়াত:
> “নিশ্চয়ই মুমিনগণ পরস্পরের ভাই।”
(সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১০)
🌿 ৯. হারাম থেকে বিরত থাকা

ইমানবান ব্যক্তি পাপ ও হারাম কাজ থেকে বিরত থাকে এবং হালাল জীবনযাপন করে।
🌿 ১০. মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ইমান অটুট রাখা

সত্যিকার মুমিন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আল্লাহর পথে অবিচল থাকে।
🔹 আয়াত:
> “হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।”
(সূরা আলে ইমরান, ৩:১০২)

আজ বা'দ ফজরের বয়ান (সংক্ষিপ্ত)
゚viralシfypシ゚ #তাবলীগ #চুওয়াডাঙ্গা #আলমডাঙ্গা

20/10/2025

: সবচেয়ে বেশি আফসোস করেন কোন সময়টির জন্য?
: যে সময়টুকু পার করেছি ফেসবুকে।

: কেন?
: সে রং লাগায় রূপে, জং লাগায় হাকিকতে।

26/08/2025

মীলাদুন্নবী ও একটি দুঃখজনক বাস্তবতা
ড. মুহাম্মাদ তাহির আলকাদেরী (রেজভী)

যারা মীলাদুন্নবীর উৎসবকে ঈমানের অঙ্গ বলে আকীদা পোষণ করেন এবং জাকজমকের সাথে মীলাদুন্নবীর ‘জলসা—জুলূস’ করেন তারা নবীর প্রতি ভক্তি-ভালোবাসা প্রদর্শনের জন্যই তা করে থাকেন। নবীভক্তি তো অবশ্যই প্রশংসনীয়, কিন্তু তাদের কি চিন্তা করা উচিত নয় যে, ভক্তি মহব্বতের দাবি কী? এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মর্যাদা কী?

হায়, ভক্তি-মহব্বতের দাবিদাররা যদি তা জানত!

এই মুবারক সময়ের পূর্ণ বরকত লাভের জন্য অপরিহার্য হল, এসকল ক্ষেত্রে ভক্তি-মহব্বত প্রদর্শন করতে গিয়ে স্বয়ং নবীজীর শরীয়তের আহকাম ও বিধান যেন কোনোভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।

কিন্তু দুঃখজনক হল, বর্তমানে এক শ্রেণীর জাহেল ও মূর্খ বিভিন্ন বিদআত ও হারাম কাজ দ্বারা এই মাহফিলকে কলুষিত করছে।

মীলাদ—মাহফিলে ঢোল—তবলা, গান-বাজনা এবং নারী-পুরুষের নাচানাচি ও অবাধ মেলামেশার মতো ঘৃণ্য ও হারাম কর্মকাণ্ড হতে দেখা যাচ্ছে। অথচ এসব কাজকর্ম থেকে যারা বাধা দেয় তাদেরকে মীলাদ বিরোধী আখ্যা দেওয়া হয় এবং এগুলো পরিহারের ব্যাপারে ভ্রূক্ষেপ করা হয় না। এসব ভণ্ড নবীভক্তদের শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা অবশ্য কর্তব্য। অন্যথায় মীলাদ মাহফিলই হয়ে যাবে ইসলাম বিরোধী কাজের আখড়া। যে পর্যন্ত এইসব মাহফিলকে হারাম কাজ থেকে পাকসাফ না করা হবে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদব ও মর্যাদা রক্ষার ব্যবস্থা না করা হবে সে পর্যন্ত আমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারব না। মীলাদুন্নবীর মাহফিলগুলো দিন দিন এমনভাবে আদব—লেহাজশূন্য হতে চলেছে যে, তাতে শুধু যে রহমতের ফেরেশতাদের আগমন বন্ধ থাকে তাই না; বরং এসব মাহফিলের উদ্যোক্তা, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী সকলেই আল্লাহর গযব ও রাসূলের অসন্তুষ্টির উপযুক্ত হয়ে থাকে।

আফসোসের ব্যাপার হল, এসব গর্হিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে না কোনো প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়, আর না নরমে বা গরমে এগুলোকে নির্মূল করার চেষ্টা করা হয়। ধর্মীয় মহলে এ বিষয়ে নীরবতার সবচেয়ে বড় কারণ হল— ইল্লামাশাআল্লাহ— উদরপূর্তির ধান্দা । কেননা এইসব রসম—রেওয়াজ প্রতিরোধ করতে গেল এখানটাতেই চোট লাগে।

আমরা মনে করে থাকি, এসব অনৈসলামিক ও শরীয়তগর্হিত কার্যকলাপের প্রতিবাদ করা হলে জলসা—জুলূসে আমাদের ধুম—ধড়াক্কা বক্তৃতা বন্ধ হয়ে যাবে এবং চাঁদার উপার্জনে ভাটা দেখা দিবে, তাই নিজেদের আর্থিক সুবিধা এবং দলীয় স্বার্থে আমরা মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এর পবিত্রতা ও মর্যাদাকে বিনষ্ট করছি।

আল্লাহর ওয়াস্তে রিসালাতের মর্যাদা ও পবিত্রতাকে সকল ব্যক্তিস্বার্থ ও দলীয় স্বার্থের উর্ধ্বে মনে করে নিজেদের কর্মকাণ্ডকে সংশোধন করুন।

প্রশাসনের দায়িত্ব

এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনকে নীরব দর্শক হয়ে থাকা চলবে না; বরং এসব বিষয়ের প্রতিরোধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কোনো সরকারী ব্যক্তির সামান্য অবমাননা করা হলে প্রশাসন তাকে শায়েস্তা করার সবরকম ব্যবস্থা করে থাকে কিন্তু যখন উরস ও মীলাদের নামে মতলববাজ লোকেরা নাচ—গানের এবং গাজা ও নেশার আসর জমিয়ে তোলে; এবং মেলা বসিয়ে আওলিয়ায়ে কেরামের শিক্ষা ও আদর্শের খোলাখুলি বিরুদ্ধাচরণ করে, তখন প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয় না; বরং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। তাদের বিবেক কীভাবে এতে সায় দেয়? এসব ধর্ম—ব্যবসায়ীকে কি শায়েস্তা করা প্রশাসনের ধর্মীয় দায়িত্ব নয়?

উরস উপলক্ষে আউলিয়ায়ে কেরামের মাযারে উপস্থিত হওয়ার উদ্দেশ্য হল, কুরআন তেলাওয়াত করা এবং তাদের পবিত্র শিক্ষা ও আদর্শের আলোচনা শুনে সে অনুযায়ী জীবন ও কর্মকে সজ্জিত করা। তদ্রূপ মীলাদুন্নবীর জলসাজুলূস নাত পাঠ, রাসূলের চরিত্র ও বৈশিষ্ট্যের আলোচনা এবং শরীয়তসম্মত পন্থায় আনন্দ করার জন্যই আয়োজিত হয়ে থাকে। কিন্তু আফসোস, আল্লামা ইকবালের কথায়-

حقيقت خرافات ميںں كهو گئ + يہ امت روايات ميں كهو گئ

‘হাকীকত হারিয়ে গেছে গোমরাহীর অন্ধকারে। উম্মত আজ দিশেহারা রসম রেওয়াজের আবর্তে’।

দুর্ভাগ্যক্রমে আজ মুসলিম উম্মাহ দু’টি বড় দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একদল বলে, মীলাদুন্নবী হারাম ও বিদআত। আর অন্যদল মীলাদের নামে বিভিন্ন হারাম কাজে লিপ্ত। বিদআত ও রসম রেওয়াজকে মীলাদের অঙ্গীভূত করে এর পবিত্রতাকে তারা বিনষ্ট করে ফেলেছে।

আমরা মীলাদ ও সীরাতের নামে মুসলমানদেরকে দুই দলে বিভক্ত করে দিয়েছি। একদল শুধু মীলাদের আহবায়ক, অন্যদল সীরাত-প্রচারক।

মীলাদভক্ত সীরাত থেকে কেটে পড়ে, আর সীরাতপ্রেমী মীলাদকে নাজায়েয আখ্যা দেয়। তাই সময়ের দাবি হল, সকল প্রান্তিকতা পরিহার করে সঠিক পথে ফিরে আসা।

আল্লাহর ওয়াস্তে বুদ্ধি বিবেক ব্যবহার করুন— যদি মীলাদ না হত, তাহলে সীরাত কোত্থেকে আসে; আর যদি সীরাতের আলোচনাই না থাকে তবে মীলাদের উদ্দেশ্যই বা কীভাবে পূরণ হয়? মীলাদের বয়ান ও সীরাতের আলোচনা দুটোই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এর স্মরণ। উভয়টিই এক প্রদীপের আলো। মীলাদকে বিদআত ও হারাম মনে করা যেমন উচিত নয়, তেমনি মীলাদের নামে গর্হিত কার্যকলাপের অনুপ্রবেশ ঘটানোও ঠিক নয়।

মীলাদ রাসূলের আবির্ভাবের আনন্দের নাম। এ মজলিসে শ্রদ্ধা ও মহব্বতের সঙ্গে অযু অবস্থায় শামিল হলে খোদার কসম, এটি সর্বোত্তম ইবাদত। মীলাদের জলসা—জুলুস ও মাহফিলগুলোতে সীরাতের আলোচনা করা এবং শ্রোতাদেরকে আকায়ে নামদার মাহবুবে কিবরিয়া সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এর সুরত ও সীরাতের সৌন্দর্য, মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য শোনানো এবং তাঁর ইশক ও মহব্বতের গীত গাওয়া প্রত্যেক মুসলিমের বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত। কেননা, এর মধ্যেই গোটা মুসিলম উম্মাহর সফলতার রহস্য লুকায়িত এবং এটাই এখন সবচেয়ে বড় ধর্মীয় প্রয়োজন। মিল্লাতে ইসলামের ওয়ায়েজ ও মুবাল্লিগরাই যদি মীলাদ ও সীরাতের মতো দুটি মৌলিক বিষয়কে ভিন্ন করে দেন তবে সাধারণ মুসলিম জনগণের নিকট হক কথা পৌঁছবে কীভাবে?

ওয়ায়েজ ও মুবাল্লিগণ যদি তাদের দ্বীনের পয়গাম ও রাসূলের সম্মান বহাল রাখতে চান, তাহলে তাদের দায়িত্ব হল, যথাসাধ্য যাবতীয় শরীয়ত বিরোধী ও বিদআতী কর্মকাণ্ডের মোকাবেলায় সর্বাত্মক জিহাদ শুরু করা।

প্রশাসনের দায়িত্ব হল, মীলাদ মাহফিলগুলোর পবিত্রতা রক্ষায় এগিয়ে আসা এবং ঈদে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এর নামে নাচ—গান ও অন্যান্য ভিত্তিহীন কার্যকলাপের হোতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা, যাতে জলসা—জুলুসের পরিবেশ সবধরনের গর্হিত কায়কলাপ থেকে মুক্ত ও পবিত্র থাকে।

{লেখক ঈদে মীলাদুন্নবীকে শরীয়তসম্মত বলে যে দাবি করেছেন সেটার সাথে আমরা একমত নই। তবে সমস্ত বিদআত ও রসম—রেওয়াজ থেকে দূরে থাকার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন তার সাথে আমরা একমত এবং এ জন্যই লেখাটা আমরা পত্রস্থ করেছি। রেজভী ভাইগণ যদি তাদের নিজেদের মানুষের লিখিত এ কথাগুলো মনোযোগের সঙ্গে ভেবে দেখেন তাহলে সম্ভবত অবস্থার কিছুটা উন্নতি হবে।

(লেখকের ‘মীলাদুন্নবী’ নামক রচনা থেকে গৃহিত ও অনূদিত)}

゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚

25/08/2025
খবীস নেতানিয়াহুর চরম মিথ্যাচার!সে বলেছে--হিটলার ইহুদিদেরকে হত্যা করতে চায়নি, হিটলার চেয়েছিল ইহুদিদেরকে উচ্ছেদ করতে।আলহাজ...
25/08/2025

খবীস নেতানিয়াহুর চরম মিথ্যাচার!
সে বলেছে-
-হিটলার ইহুদিদেরকে হত্যা করতে চায়নি, হিটলার চেয়েছিল ইহুদিদেরকে উচ্ছেদ করতে।
আলহাজ আমীন হুসাইনি (তৎকালীন ফিলিস্তীনের গ্র্যান্ড মুফতি) হিটলারকে বলেছিলেন
-আপনি যদি তাদেরকে জার্মানি থেকে তাড়িয়ে দেন, তারা সবাই দলে দলে এখানে (ফিলিস্তীনে) এসে উঠবে।
হিটলার: তাহলে তাদেরকে কী করতে পারি?
আমীন হুসাইনি: আপনি তাদেরকে পুড়িয়ে মারুন।

খবিসনিয়াহু বলতে চেয়েছে: হিটলার দয়ালু ছিল, মুসলমানরাই হিটলারকে উস্কানি দিয়ে ইহুদিদের পুড়িয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে, কয়েকবছর পর আমরা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বক্তব্য শুনতে পাবো-
-নেতানিয়াহু ফিলিস্তীনিদের হত্যা করতে চায়নি, এক আরব তাকে ফিলিস্তীনি হত্যা করার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছিল।

এভাবেই মিথ্যা বয়ান তৈরি করা হয়।
কয়েক হাজারকে ৩০ লক্ষ বানিয়ে দেয়া হয়।
ক্ষমতালোভীকে জনক বানিয়ে দেয়া হয়।
শত্রুদেশের চরকে দেশপ্রেমিক বানিয়ে দেয়া হয়।

02/03/2025

আলহামদুলিল্লাহ।
রমযান ১৪৪৬ হিজরির চাঁদ 🌙 দেখা গিয়েছে।
اللهم أهله علينا باليمن والإيمان والسلامة والإسلام،
ربي وربك الله. هلال خير ورشد

🌹 আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানী, তিনি আমাদেরকে পুনরায় উপনীত করেছেন- কল্যাণ ও বরকতের মাস, নাজাত ও মুক্তির মাস, কুরআনের মাস, পবিত্র মাহে রমযানে।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সিয়াম সাধনা, তিলাওয়াত ও যিকির, তারবীহ ও তাহাজ্জুদ, দান-সদাকাসহ সকল নেক আমল বেশি বেশি করার তাওফীক দিন এবং নিজ দয়ায় কবুল করুন।
আমীন।

📢 পুরো মাহে রমযান জুড়ে তালীমুদ্দীন একাডেমি শ্রীমঙ্গলের পুরুষ ও মহিলা উভয় শাখায় চলবে কুরআন মাজীদের সহীহ শুদ্ধ তিলাওয়াত ও দ্বীনের অন্যান্য জরুরী ইলম শেখার বিশেষ কার্যক্রম।

✪মাহে রমযানের শিফটের সময়সূচি✪

☞ পুরুষ শাখা
◑> প্রথম শিফট: জোহরের নামাজের পর দুপুর ০২-৩০ থেকে ০৩-৩০ পর্যন্ত।
◑> দ্বিতীয় শিফট: দুপুর ০৩-৩০থেকে ০৪-৩০ পর্যন্ত ।
[শিশু-কিশোরদের জন্য]

☞ মহিলা শাখা
◑> প্রথম শিফট: সকাল ১১ টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত। ইনশাআল্লাহ।

ইসরা ও মিরাজ বিষয়ক কয়েকটি লেখাকুরআন-হাদীসে ইসরা ও মিরাজ : বর্ণনা ও শিক্ষামুহাম্মাদ আশিক বিল্লাহ তানভীরhttps://www.alka...
27/01/2025

ইসরা ও মিরাজ বিষয়ক কয়েকটি লেখা
কুরআন-হাদীসে ইসরা ও মিরাজ : বর্ণনা ও শিক্ষা
মুহাম্মাদ আশিক বিল্লাহ তানভীর
https://www.alkawsar.com/bn/article/2912/
সহীহ হাদীসের আলোকে মিরাজুন্নবীর ঘটনা
মুহাম্মাদ ত্বহা হুসাইন
https://www.alkawsar.com/bn/article/2542/

ইসরা ও মি’রাজ বিষয়ে একটি উত্তম ও প্রাচীন রচনা
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
http://www.alkawsar.com/article/1565
প্রচলিত ভুলসমূহ »»»
===============

মিরাজ বিষয়ক আলোচনা : কিছু অসতর্কতা
http://www.alkawsar.com/article/657
এটি হাদীস নয় : মেরাজে নবীজীর সাতাশ বছর সময় লেগেছিল
http://www.alkawsar.com/article/420
এটি হাদীস নয় : আপনার জুতায় আরশ ধন্য হয়েছে
http://www.alkawsar.com/article/870
একটি বানোয়াট কিসসা
মেরাজে নবীজী ইসরাফীল আ.-কে সালাম দিলে ইসরাফীলের উত্তর না দেয়া
https://www.alkawsar.com/bn/article/2959/
এটি কি হাদীস : আসসালাতু মি’রাজুল মু’মিনীন
http://alkawsar.com/article/1563
একটি অলীক কাহিনী : স্ত্রীকে মাছ কাটতে দিয়ে গোসল করতে যায়...
https://www.alkawsar.com/bn/article/1938/
একটি কাহিনীঃ ‘দুআয়ে কদ্হ’ সম্পর্কিত বর্ণনার কোনো ভিত্তি নেই
https://www.alkawsar.com/bn/article/49/
কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর »»»
===================
মেরাজের ঘটনা কি রজবের ২৭ তারিখে হয়েছিল?
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/272/
একটি ভিত্তিহীন কথা : যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিদরাতুল মুনতাহায় পৌঁছলেন তখন জিবরাঈল আ. পিছনে সরে গেলেন এবং বললেন, যদি আমি আর এক পা অগ্রসর হই তাহলে জ্বলে যাব
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/277/
মিরাজে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহকে সরাসরি দেখেছেন না শুধু কথা শুনেছেন? উপযুক্ত প্রমাণসহ জানতে চাই।
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/22/
মেরাজে গিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নব্বই হাজার কালাম লাভ করেন। এর মধ্যে ত্রিশ হাজার কালাম জাহেরী আর বাকী ষাট হাজার বাতেনী। এ কথাগুলো সঠিক?
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/257/
মেরাজের ঘটনা কি কুরআন-হাদীস দ্বারা প্রমাণিত? মেরাজ অস্বীকার করলে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে? মেরাজ স্বপ্নে হয়েছিল এমন আকীদা রাখা কেমন? হযরত আয়েশা রা. নাকি স্বশরীরে মেরাজ স্বীকার করতেন না?
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/295/
#মিরাজ_মাসিক_আলকাউসার

21/01/2025

দ্বীনের জরুরি ইলম অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হল, হক-বাতিল ও হালাল-হারামের মাঝে পার্থক্য করতে পারা।
এ প্রসঙ্গে ফিকহ-ফতোয়ার নির্ভরযোগ্য ইমাম ফকীহ মাওসিলী রহ. লিখেছেন-
فرض وهو مقدار ما يحتاج إليه لإقامة الفرائض، ومعرفة الحق من الباطل والحلال من الحرام.
অর্থাৎ ইলমের ফরয পরিমাণ হল, এই পরিমাণ ইলম অর্জন করা, যার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ তাআলার ফরয বিধানাবলি পালন করতে পারে, হক-বাতিলের মাঝে ফরক করতে পারে, হালাল-হারামের মাঝে পার্থক্য করতে পারে। [আলইখতিয়ার লি-তা'লীলিল মুখতার]
একটু চিন্তা করলে বোঝা যাবে, ফরযের এই পরিমাণ অর্জন করার জন্য আমাদের কত কিছু শিখতে হবে এবং এর জন্য কত 'তাফাক্কুহ' ও 'ফাতানাত' তথা দ্বীনের বুঝ ও দ্বীনী সচেতনতা অর্জন করতে হবে।
হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
ফরয ইলম শিক্ষা ও বিস্তার, পৃষ্ঠা ৫৬

Adresse

Moulovibazar Road Sreemongal
Democratic Republic Of The

Téléphone

+8801568429847

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Talimuddin academy sreemongal publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'école

Envoyer un message à Talimuddin academy sreemongal:

Raccourcis

Partager