ভালো বাসার ষেশ নিশ্বাস

ভালো বাসার ষেশ নিশ্বাস Informations de contact, plan et itinéraire, formulaire de contact, heures d'ouverture, services, évaluations, photos, vidéos et annonces de ভালো বাসার ষেশ নিশ্বাস, Enseignement supérieur, বরিশাল বাকের গঞ্জ রুনসি গ্রাম, Democratic Republic of the.

সিনিয়র আপুর জুনিয়র জামাই"🥰🥀🥀🥀পরিচয় ও প্রথম প্রেমআমি সাকিব, কলেজে নতুন ভর্তি হয়েছি। ফ্রেশারদের র‌্যাগিং করা সিনিয়র আপুদের...
09/02/2025

সিনিয়র আপুর জুনিয়র জামাই"
🥰🥀🥀🥀

পরিচয় ও প্রথম প্রেম
আমি সাকিব, কলেজে নতুন ভর্তি হয়েছি। ফ্রেশারদের র‌্যাগিং করা সিনিয়র আপুদের নিয়ম ছিল। প্রথম দিনই কয়েকজন আপু আমাকে এপটিজিং করার প্ল্যান করেছিল, কিন্তু তাদের লিডার সন্ধ্যা আপু আমাকে দেখে কিছুটা অন্যরকম আচরণ করলো। প্রথম দিনেই বুঝলাম, আপুর চোখে আমার জন্য অন্যরকম কিছু আছে।

কিছুদিনের মধ্যেই সন্ধ্যা আপু আমার প্রতি বেশি প্রোটেক্টিভ হয়ে গেল। সে আমাকে বলে দিলো—
"কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবে না! যদি দেখি, তাহলে চোখ তুলে ফেলবো!"

এভাবেই আমাদের প্রেম শুরু হলো। সে আমাকে জোর করে প্রেম করিয়ে নিলো, কিন্তু আমিও আস্তে আস্তে ওর ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে পারলাম। ও ছিল অসম্ভব রাগি, কিন্তু ভালোবাসায় ভরপুর।

বিচ্ছেদ ও দূরে সরে যাওয়া
আমাদের প্রেম চলছিল প্রায় দুই বছর। আপু আমাকে নিয়ে খুব পজেসিভ ছিল। কিন্তু একদিন কলেজে আমি তাকে এক ছেলের সাথে হাসাহাসি করতে দেখলাম। বুকের ভেতর কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠলো। অভিমানে কিছু না বলে আমি ওর জীবন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম। কোনো কথা না বলে কলেজ ছেড়ে চলে এলাম, যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম।

হঠাৎ করেই বিয়ে
দুই বছর পর হঠাৎ শুনলাম, মা খুব অসুস্থ। মা চায় আমি দ্রুত বিয়ে করি। মায়ের কথা ফেলতে পারলাম না, তাই কোনো মেয়ে না দেখেই বিয়েতে রাজি হলাম। যাকে বিয়ে করছি, তাকে কখনো দেখিনি, চিনিও না।

বউ দেখেই ধাক্কা খেলাম!
বাসর রাতে ঘরে ঢুকে দেখি, আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সেই চিরচেনা সন্ধ্যা আপু! আমি পুরো হতবাক! আমি হতবাক হয়ে বললাম, "আপু তুমি? আমার বউ কই?"

ও কিছু না বলে আমার গালে দিলো একটা চড়! তারপর কান্না করে বললো,
"দুই বছর আগেও পালিয়েছিলে, এখনো পালানোর প্ল্যান আছে?"

আমি বোকার মতো তাকিয়ে আছি। এটা কোনো স্বপ্ন, নাকি বাস্তব? সন্ধ্যা আপু আমার স্ত্রী?

নতুন জীবনের শুরু
পরদিন শ্বশুরবাড়ি গেলাম। কিন্তু এখানে গিয়েই আরেক ধাক্কা খেলাম! সন্ধ্যা আপুর বোনেরা আমাকে বাড়ির বাইরে বের হতে দিলো না! ওরা এখনো রেগে আছে, কারণ আমি কাউকে কিছু না বলে হঠাৎ কলেজ ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম।

তারপর হঠাৎ দেখি আমার কলেজের সব বন্ধুরা হাজির! তারা এসেই আমাকে দিলো কিল-ঘুষি!
"কুত্তার বাচ্চা! আমাদের কিছু না বলে উধাও হইলি কেন?"

সবাই মিলে অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম। রাতে ঘুমানোর সময় দেখি, বউ রেগে আছে!

আমি কাছে গিয়ে বললাম, "কি হলো?"
ও চোখ টেপাটেপি করে বললো, "তুমি তো মেয়েদের সাথে বেশ মিষ্টি করে কথা বলো, খুব মজা লাগে না?"

আমি বুঝলাম, ও এখনো আগের মতোই পজেসিভ! তাই আর কিছু না ভেবে ওর ঠোঁটের ওপর নিজের ঠোঁট রাখলাম! পাঁচ মিনিটের সেই জাদুকরী মুহূর্তের পর সব রাগ উড়ে গেল!

রোমান্স ও খুনসুটি
সেই রাতে আমাদের মধ্যে অনেক যুদ্ধ হলো (যে যুদ্ধ শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই হয়)! পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, ও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছে। আমি ওকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম। ও একটু কেঁপে উঠলো, তারপর রাগ দেখিয়ে বললো—
"রাতে তো অনেক জ্বালাইছো, এখন আর না!"

আমি হেসে বললাম, "সিনিয়র আপু, তোমার জুনিয়র জামাইকে তুমি কিছুতেই ছাড়বে না, বুঝলা?"

ও আমার বুকের মধ্যে মাথা গুঁজে দিলো। বুঝলাম, রাগ-অভিমান যা-ই থাকুক, আমাদের প্রেম চিরদিনের!

---

শেষ কথা:
সিনিয়র আপুর রাগ, অভিমান, আর ভালোবাসার কাছে আমি হেরে গেছি।
জুনিয়র জামাই হয়ে সারাজীবন সিনিয়র বউয়ের পায়ের নিচেই থাকবো, কিন্তু সুখেই থাকবো!

--- The End ---

---
সবাই সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ
একটু সাপোট চাই ফলো দিয়ে পাসে থাকবেন

জেদি এমপির মেয়ে যখন সিনিয়র বউ রোমান্টিক ভালো বাসার গল্প 🥰🥰🥰প্রথম দেখা – সেই সন্ধ্যায়…  পরা লেখা শেষ করে  চার বসর পর  দেশ...
02/02/2025

জেদি এমপির মেয়ে যখন সিনিয়র বউ
রোমান্টিক ভালো বাসার গল্প
🥰🥰🥰

প্রথম দেখা – সেই সন্ধ্যায়…
পরা লেখা শেষ করে চার বসর পর দেশে ফিরলাম। শহরটা কিছুটা বদলে গেছে,

সেদিন সন্ধ্যায় রাস্তায় হাঁটছিলাম, হঠাৎ পেছন থেকে এক দামি গাড়ি এসে ব্রেক করল। আমি সরে গেলেও, গাড়ির জানালা খুলে এক কঠিন কণ্ঠ ভেসে এলো—

"এই তুমি! সামনে না তাকিয়ে হাঁটো কেন?"

আমি ঘুরে দেখি, কালো শাড়িতে এক মেয়ে, চোখেমুখে তেজ। আমি অবাক হয়ে বললাম, "আপনি কি রাস্তাটা কিনে নিয়েছেন?"

সে কটমট করে তাকিয়ে বলল, "তুমি জানো আমি কে?"

আমি হেসে বললাম, "জানার দরকার নেই, কারণ আমি কাউকে ভয় পাই না।"

সেই মুহূর্তে, সন্ধ্যার চোখে এক অদ্ভুত ঝলক দেখা গেল। সে হয়তো এমন উত্তর কখনোই শোনেনি।

সন্ধ্যার জেদ – আমাকে চাই-ই চাই!

এরপর থেকেই, আমি যেখানেই যাই, মনে হয় কেউ অনুসরণ করছে। একদিন বন্ধুরা বলল,

"দোস্ত, তোর খবর আছে! এমপির মেয়ে সন্ধ্যা তোকে পছন্দ করে ফেলেছে!"

আমি অবাক হয়ে বললাম, "তুমি মজা করছো?"

বন্ধু হেসে বলল, "মজা না দোস্ত! শহরের দাপুটে মেয়ে সন্ধ্যা যা চায়, তা পেয়েই ছাড়ে। আর এখন তার লক্ষ্য তুই!"

আমি এটা পাত্তা দিলাম না, কিন্তু একদিন সন্ধ্যা নিজেই আমার সামনে এসে দাঁড়াল।

"শোনো, তুমি আমার হবু বর। তুমি রাজি থাকো বা না থাকো, আমি তোমাকে বিয়ে করব!"

আমি অবাক হয়ে বললাম, "এমন জোর করে ভালোবাসা হয় নাকি?"

সে হাসলো, কিন্তু তার চোখে ছিল একধরনের দৃঢ়তা।

"আমি যা চাই, তা পাই। আর আমি চাই—সাকিবকে!"

আমি জানতাম না, আমার সামনে কী বিপদ অপেক্ষা করছে…

জোর করে বিয়ে – সাকিব বন্দি!

পরের কাহিনি সিনেমার চেয়েও নাটকীয়!

আমার পরিবারকে হুমকি দিয়ে, আমাকে সরাসরি তুলে নিয়ে যাওয়া হলো এমপির বিশাল বাড়িতে। চোখের সামনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আমি বর সাজলাম। সন্ধ্যা খুশি, আমি হতভম্ব!

বিয়ের পর, বাসর রাতে আমি রাগে বললাম, "তুমি আমার জীবন নষ্ট করলে!"

সন্ধ্যা ধীর গলায় বলল, "তুমি এখনো বুঝতে পারোনি, আমি তোমাকে ভালোবাসি।"

আমি চুপ। সত্যি বলতে, তার চোখে এখন আর অহংকার নেই, ছিল শুধু একটা অদ্ভুত কোমলতা।

সেদিন রাতে সে বলেছিল, "তোমার কাছে আমি শুধু এমপির মেয়ে, তাই না? কিন্তু জানো, আমি চাই একজন আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসুক, জোর করে নয়—মন থেকে।"

আমি কিছু বলিনি।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে বুঝতে পারলাম, সন্ধ্যার ভালোবাসা শুধু জেদ ছিল না… ছিল এক নিঃসঙ্গ হৃদয়ের আর্তি।

জোর করে পাওয়া ভালোবাসাও কি কখনো সত্যি হতে পারে? হয়তো… যদি সেই ভালোবাসায় সত্যিকারের অনুভূতি থাকে!

৷৷৷৷৷৷৷
একটু সাপোট চাই
লাইক আর ফলো করো
পিলিজ

ঋগরা থেকে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্পসন্ধ্যা আর সাকিবের সম্পর্কটা একেবারেই অন্যরকম। বয়সের ব্যবধান, সম্পর্কের টানাপোড়েন—সব ক...
31/01/2025

ঋগরা থেকে রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

সন্ধ্যা আর সাকিবের সম্পর্কটা একেবারেই অন্যরকম। বয়সের ব্যবধান, সম্পর্কের টানাপোড়েন—সব কিছু ছাপিয়ে ভালোবাসার এক অসাধারণ গল্প লিখেছে তারা।

শুরুর গল্প

সন্ধ্যা ছিল সাকিবের খালাতো বোন, তার থেকে দুই বছরের বড়। একসময় তাদের মধ্যে ছিল চরম ঝগড়া, ছোটখাটো ব্যাপারেও তর্ক লাগত। সন্ধ্যা একটু বেশি রাগি, আর সাকিব ছিল দুষ্টু-মিষ্টি এক পাগলাটে ছেলেপেলে। সন্ধ্যার রাগ ওঠানো যেন তার নেশা হয়ে গিয়েছিল! কিন্তু কপালের লিখন কে বদলাতে পারে?

একদিন পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের প্রস্তাব আসে। সন্ধ্যা রাগ করে বলেছিল,
— "এই পিচ্চি ছেলের সাথে আমার বিয়ে? অসম্ভব!"

কিন্তু ভাগ্যের কাছে তো আর রাগ চলে না। সাকিব তখন মুচকি হেসে বলেছিল,
— "সিনিয়র আপু, এখন থেকে তুমি আমার সিনিয়র বউ। মানিয়ে নাও!"

বিয়ের পরের জীবন

বিয়ে হওয়ার পরও তাদের ঝগড়ার শেষ নেই। তবে ঝগড়ার মধ্যেও ছিল মিষ্টি প্রেমের ছোঁয়া। সন্ধ্যা কিছু হলেই রাগ করত, অভিমান করত, আর সাকিব ছিল সেই রাগ ভাঙ্গানোর ওস্তাদ।

সন্ধ্যা একদিন খুব রাগ করে দরজা লাগিয়ে বসে ছিল। সাকিব দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে বলল,
— "সিনিয়র আপু, যদি দরজা না খোলো, তাহলে আমি বৃষ্টি মাথায় দাঁড়িয়ে তোমার জন্য গান গাইব!"

সন্ধ্যা দরজার ওপাশ থেকে চিৎকার করে বলল,
— "তুমি তো গাইতেই পারো না!"

সাকিব হেসে উত্তর দিল,
— "তাই তো, তাইলে এখন দরজা খোলো, নইলে পাড়া-প্রতিবেশী ভয় পেয়ে যাবে!"

সন্ধ্যা হাসি চেপে রাখতে পারল না। দরজা খুলে দিয়ে বলল,
— "তুমি আসলেই একটা পাগল!"

ভালোবাসার বন্ধন

সাকিব জানত, সন্ধ্যা একটু বেশিই আবেগী, একটু বেশিই রাগি, কিন্তু তার ভালোবাসাটা খাঁটি। সে সন্ধ্যার চোখের জল দেখতে পারত না। তাই যখনই সন্ধ্যা কাঁদত, সাকিব বলত,
— "সিনিয়র আপুর চোখে জল মানায় না। তুমি তো আমার রানী!"

সন্ধ্যা তখন লজ্জা পেয়ে বলত,
— "তুমি এসব কথা কোথায় শিখো?"

সাকিব হেসে বলত,
— "তোমার ভালোবাসার স্কুলে!"

এইভাবেই, বয়সের ব্যবধান, মান-অভিমান আর দুষ্টুমি পেরিয়ে সন্ধ্যা ও সাকিবের প্রেমের গল্প চলতে থাকে। রাগ আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত মিশ্রণে তাদের সংসার হয়ে ওঠে স্বপ্নের মতো!

শেষ কথাঃ
সিনিয়র বউ সন্ধ্যা আর জুনিয়র বর সাকিবের এই গল্প প্রমাণ করে, ভালোবাসায় বয়স কোনো বাধা নয়, যদি দুই হৃদয় একসঙ্গে বেঁধে থাকে!
৷,,,, সবার একটুই চায়া একটু সাপোট করো
ফলো লাইক কমেন্ট করো🥀🥀🥀

সিনিয়র আপুর জুনিয়র বয়ফ্রেন্ড ❤️(একটি মজার ও রোমান্টিক গল্প)একদিন, এক কলেজে নতুন ভর্তি হলো এক ছেলে—নাম তার সাকিব। বয়সে এক...
31/01/2025

সিনিয়র আপুর জুনিয়র বয়ফ্রেন্ড ❤️

(একটি মজার ও রোমান্টিক গল্প)

একদিন, এক কলেজে নতুন ভর্তি হলো এক ছেলে—নাম তার সাকিব। বয়সে একটু ছোট, কিন্তু চালাকিতে সবার বড়! ক্লাসের সিনিয়রদের দেখে একটু ভয় ভয় লাগত, কিন্তু একটা সিনিয়র আপুকে দেখে তার মন কেমন যেন ফুরফুরে হয়ে যেত। আপুর নাম নুসরাত, সবাই তাকে "রাগি আপু" বলত, কারণ একটু কিছু হলেই রেগে যেতেন!

একদিন লাইব্রেরিতে বই নিতে গিয়ে, সাকিব ভুল করে নুসরাতের পায়ে পা লাগিয়ে ফেলল। সঙ্গে সঙ্গে নুসরাত চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে বলল,

— "এই জুনিয়র! চোখ নেই? কোথায় হাঁটছ?"

সাকিব তো ভয়েই শেষ! তাড়াতাড়ি বলল,

— "সরি আপু, মানে... সিনিয়র আপু!"

নুসরাত চোখ ছোট করে তাকিয়ে বলল,

— "হুম, ঠিক আছে। কিন্তু সাবধান!"

তারপর থেকে সাকিবের লক্ষ্য হয়ে গেল একটাই—কীভাবে এই রাগি সিনিয়র আপুর রাগ কমিয়ে হাসাতে পারবে! সে নানাভাবে চেষ্টা চালাতে লাগল—মাঝে মাঝে আপুকে চকোলেট দিয়ে দিত, কখনো কফি এনে দিত, কখনো ক্লাসের নোট দিয়ে সাহায্য করত। ধীরে ধীরে নুসরাতের রাগ কমতে লাগল।

একদিন বৃষ্টি হচ্ছিল। সবাই দৌড়ে বাসার দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু নুসরাত ছাতা আনতে ভুলে গিয়েছিল। হঠাৎ সে দেখল, সাকিব ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছে।

— "আপু, যদি আপত্তি না থাকে, তাহলে আমার ছাতার নিচে আসতে পারেন!"

নুসরাত একটু ভেবে বলল,

— "হুম, ঠিক আছে। কিন্তু এটা আবার দয়া দেখানো হচ্ছে না তো?"

সাকিব মুচকি হেসে বলল,

— "দয়া না, এটা ভালোবাসা!"

নুসরাত তো চমকে গেল! রাগ করল না, বরং একটু লজ্জা পেল। এরপর ধীরে ধীরে সে বুঝতে পারল, এই জুনিয়র ছেলেটা আসলে তার জীবনের স্পেশাল কেউ হয়ে গেছে!

বছর দুয়েক পর...

সেদিন ছিল নুসরাতের বিয়ে। স্টেজে বসে আছে, হালকা লাজুক লাজুক ভাব। পাশে বর বসে আছে। বরকে ভালো করে দেখলে বোঝা যায়—এই সেই জুনিয়র সাকিব!

নুসরাত ধীরে ধীরে ফিসফিস করে বলল,

— "হয়েছো তো এবার? এতদিন জুনিয়র বয়ফ্রেন্ড ছিলে, এখন পুরোপুরি স্বামী হয়ে গেলে!"

সাকিব হাসতে হাসতে বলল,

— "হ্যাঁ, কিন্তু তোমার রাগ তো এখনও কমেনি!"

নুসরাত চোখ বড় বড় করে বলল,

— "চুপ থাকো! বেশি কথা বলো না!"

আর সাকিব? সে শুধু মুচকি হেসে ভাবছিল—"এই রাগটুকু নিয়েই তো আমার ভালোবাসার সিনিয়র আপু!"

—(শেষ)—

আশা করি গল্পটা ভালো লেগেছে! তাহলে একটু সাপোট করো লাইক কমেন্ট সেয়ার করো ধন্যবাদ

গুন্ডি সুরাইয়া ও জুনিয়র বয়ফ্রেন্ডের জোর করে বিয়েশহরের সবচেয়ে ভয়ংকর নাম— গুন্ডি সুরাইয়া!সে শুধু নামেই নয়, কাজে-কর্মেও একে...
31/01/2025

গুন্ডি সুরাইয়া ও জুনিয়র বয়ফ্রেন্ডের জোর করে বিয়ে

শহরের সবচেয়ে ভয়ংকর নাম— গুন্ডি সুরাইয়া!
সে শুধু নামেই নয়, কাজে-কর্মেও একেবারে ভয়ানক। রাগলে চোখে আগুন জ্বলে ওঠে, আর যে-ই তার সামনে পড়ে, তার খবর আছে!

অন্যদিকে, রাকিব—সাধারণ এক তরুণ। মিষ্টি স্বভাবের, হাসিখুশি, আর কিছুটা চালাক-চতুরও। একসময় সে ছিল গুন্ডি সুরাইয়ার জুনিয়র বয়ফ্রেন্ড। কিন্তু সমস্যা একটাই—সিনিয়র আপুর মেজাজ সবসময় গরম! ছোটখাটো কিছু হলেই রেগে যায়, কেঁদে ফেলে। রাকিব মাঝে মাঝে ভাবে, "এ কি প্রেম, নাকি দুঃস্বপ্ন!"

পরিকল্পনার শুরু

একদিন ঝগড়ার পর রাকিব ঠিক করলো, সিনিয়র আপুকে একটু শাস্তি দেওয়া দরকার। সে নাটক করে দেখাবে, সে অন্য মেয়ের সাথে প্রেম করছে! এতে হয়তো সিনিয়র আপুর রাগ কমবে, আর সে একটু জেলাস হবে, ব্যস—সব ঠিকঠাক!

কিন্তু সে জানতো না, তার এই চালাকি তার জীবনকে উলট-পালট করে দেবে!

গুন্ডি সুরাইয়ার প্রতিশোধ

রাকিব যখন অন্য এক মেয়ের সাথে "মেকি" প্রেমের অভিনয় শুরু করলো, তখন খবর গেল গুন্ডি সুরাইয়ার কাছে। সে শুনে প্রথমে কিছু বললো না। ঠান্ডা গলায় শুধু বললো,

"তুমি যদি অন্য কারো হও, তবে তুমি বেঁচেই থাকো কেমন করে?"

এরপর? গুন্ডি সুরাইয়া তার গুন্ডা বাহিনী ডাকলো। এক রাতের মধ্যে রাকিব গুম!

জোর করে বিয়ে

রাকিব যখন চোখ খুললো, তখন সে দেখলো, সে একটা বিশাল হলরুমে বসে আছে। সামনে একজন কাজী, পাশে গুন্ডা বাহিনী দাঁড়িয়ে আছে। আর তার সামনে—গর্জন করা সিনিয়র আপু, ওরফে গুন্ডি সুরাইয়া!

সুরাইয়া চিৎকার করে বললো,
"তুমি শুধু আমার! অন্য কারো হওয়ার সাহস তুমি কিভাবে পেলে, জুনিয়র?"

রাকিব তো অবাক! সে বললো,
"আমি তো মজা করছিলাম! তুমি এটা সিরিয়াস নিলে কেন!"

কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। মোল্লা বললো, "কবুল বলো, ভাই!"

গুন্ডা বাহিনী পেছন থেকে চোখ রাঙিয়ে বললো,
"বলেন ভাই! একবারে শান্তিতে বিয়ে করেন, নাহলে..."

রাকিব মনে মনে ভাবলো, "জীবনটাই ভুল! পালানোও সম্ভব না! কবুল না বললেই তো গর্তে নামাবে!"

অবশেষে সে নিরুপায় হয়ে বললো, "কবুল! কবুল! কবুল!"

বিয়ের পরের জীবন

বিয়ের পর রাকিব ভাবলো, জীবনটা মনে হয় একদম শেষ! কিন্তু কিছুদিন পর সে দেখলো, সিনিয়র আপুর রাগ কমেছে। সে এখন অনেক বেশি কেয়ারিং, অনেক বেশি ভালোবাসে, আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার, এখন সে রাকিবের কথায় হাসেও!

রাকিব তখন বুঝলো—"গুন্ডি সুরাইয়া আসলে শুধু বাইরেটা কঠিন, ভেতরে সে আমাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে!"

আর সিনিয়র আপু?
সে রাকিবের গালে একটা চিমটি কেটে বললো,
"আর যদি অন্য মেয়ের দিকে তাকাও, তবে এইবার শুধু কিডন্যাপ না, পুরো শহর উল্টে দেব!"

---

শেষ!

(কিন্তু রাকিব কি সত্যিই অন্য মেয়ের দিকে তাকাবে না? নাকি সে আবার কোনো দুষ্টুমি করবে? তোমার কী মনে হয়?)

স্বামীঃ এই,,, আমার কোলবালিশ'টা কই..??•স্ত্রীঃ কোলবালিশ টা ফেলে দিয়েছি ।•স্বামীঃ কোলবালিশ টা ফেলে দিয়েছো মানে..??•স্ত্রীঃ...
30/01/2025

স্বামীঃ এই,,, আমার কোলবালিশ'টা কই..??
•
স্ত্রীঃ কোলবালিশ টা ফেলে দিয়েছি ।
•
স্বামীঃ কোলবালিশ টা ফেলে দিয়েছো মানে..??
•
স্ত্রীঃ হ্যাঁ,, আমি কোলবালিশ টা ফেলে দিয়েছি।
কারণ, আমি সতীনের ঘর করতে পারবো না।
•
স্বামীঃ এখানে সতীন আসলো কোথা থেকে..??
•
স্ত্রীঃ সতীন কোথা থেকে আসলো,, তাই না..??
•
স্বামীঃ হুমমমম ।
•
স্ত্রীঃ এই,, তুমি সকালে এমন কি স্বপ্ন দেখছিলে কোলবালিশ টা জড়িয়ে ঘুমের ঘোরে মিট মিট করে হাসছিলে..??? যেভাবে কোলবালিশ'কে জড়িয়ে ধরে ছিলে। সেভাবে তো কখনো আমাকে জড়িয়ে ধরো না..??
•
স্বামীঃ কি স্বপ্ন দেখেছিলাম তা তো জানি না..!!!
তবে, তোমার কথা শুনে খুব হাসি পাচ্ছে..!!
•
স্ত্রীঃ কিইইইইইই,, ..??
•
স্বামীঃ কোথায় কোলবালিশ আর কোথায় বউ.!!
•
স্ত্রীঃ কিইইই..??? এখন আমার চেয়ে কোলবালিশ বড় হয়ে গেলো,, তাই না..??
•
স্বামীঃ আমি কি সেটা বলেছি নাকি..??
•
স্ত্রীঃ চুপ করো..!! আর কোলবালিশের দরকার নেই..!!
•
স্বামীঃ কি বলছো..?? তাহলে ঘুমাবো কি করে..!!
•
স্ত্রীঃ ঠিকই বলছি।
•
স্বামীঃ তুমি তো জানো ,, আমি এমনিতে ঘুমাতে পারি না..!!
•
স্ত্রীঃ আমি থাকতে কোলবালিশের কি দরকার, শুনি..???
•
স্বামীঃ তাই বুঝি..!!
•
স্ত্রীঃ হুমমমম।
তোমার বুকে শুধু মাত্র আমি থাকবো।
•
স্বামীঃ পা*গ*লী বউ আমার।
•
স্ত্রীঃ হুমমমম।
আমার দুষ্টু মিষ্টি বর।
¤
¤
¤
কেমন মেয়ে রে বাবা..!!!! কোলবালিশের উপরও হিংসা করে..!!!
মেয়েরা তাদের ভালোবাসার মানুষটিকে অন্য কারো সাথে শেয়ার করতে চায় না।
বেশিরভাগ মেয়েই তার প্রিয় মানুষটিকে আগলে রাখতে চায়।
আর, সেটা ভালোবাসার দিয়ে হোক কিংবা ঝ*গড়া করেই হোক। 🥰

#গল্প
#সমাপ্তি

মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে এখনি আমাদের পেইজ ফলো করে রাখুন। ❤️

গল্প: কলেজ ক্যাম্পাসে সুরাইয়া ও রাকিবের রোমান্সসুরাইয়া আর রাকিব, কলেজের সবচেয়ে আলোচিত জুটি। বন্ধুরা ওদের দেখে হাসে, আবা...
30/01/2025

গল্প: কলেজ ক্যাম্পাসে সুরাইয়া ও রাকিবের রোমান্স

সুরাইয়া আর রাকিব, কলেজের সবচেয়ে আলোচিত জুটি। বন্ধুরা ওদের দেখে হাসে, আবার হিংসেও করে। কারণ, ওদের প্রেমটা যেন সিনেমার মতো।

পরিচয়

প্রথম দিন, কলেজের লাইব্রেরিতে দেখা। রাকিব তখন নতুন ভর্তি হয়েছে, আর সুরাইয়া সিনিয়র। রাকিব একটা বই নিতে গিয়ে সুরাইয়ার হাতের সঙ্গে ধাক্কা খায়। বই মাটিতে পড়ে যায়। সুরাইয়া একটু রেগে যায়, কারণ সে এমনিতেই মুড অফ ছিল।

— "দেখে চলতে পারেন না?"
— "সরি, আমি বুঝতে পারিনি!"

সুরাইয়া কিছুক্ষণ রাগ দেখিয়ে চলে যায়, কিন্তু ওর মনে একটু কৌতূহল জাগে। কে এই নতুন ছেলে?

প্রেমের শুরু

রাকিব কলেজে বেশ ভালো ছাত্র ছিল, ক্রিকেট টিমেও যোগ দিয়েছে। একদিন, ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনে সুরাইয়ার বন্ধুরা খোঁচা দিয়ে বললো,

— "এই যে সিনিয়র আপু, নতুন জুনিয়র বয়ফ্রেন্ড কেমন চলছে?"

সুরাইয়া প্রথমে রাগ দেখালেও, মনে মনে একটু খুশি হয়। এদিকে, রাকিবও খেয়াল করলো, সুরাইয়া ওর দিকে মাঝে মাঝেই তাকায়।

একদিন বৃষ্টির দিনে, দু'জন একসাথে ক্লাস থেকে বের হয়। রাকিব ছাতা আনেনি, কিন্তু সুরাইয়ার ছাতা ছিল।

— "চলো, আমার ছাতার নিচে আসো।"

রাকিব অবাক হয়ে তাকায়। সুরাইয়া একটু লজ্জা লুকিয়ে বলে,

— "সিনিয়রদের দায়িত্ব জুনিয়রদের দেখাশোনা করা, বুঝলে?"

সেদিনই প্রথম রাকিব বুঝলো, ওদের মধ্যে কিছু একটা হচ্ছে।

প্রেমের পরীক্ষা

কলেজের একদিনের ট্যুরে সুরাইয়া আর রাকিব পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে। বন্ধুরা সবাই নিচে নেমে গেছে। হঠাৎ, রাকিব বলে,

— "তুমি কি জানো, আমি তোমাকে পছন্দ করি?"

সুরাইয়া চুপ। কিছুক্ষণ পরে বলে,

— "আমি জানতাম। কিন্তু তুমি আমাকে প্রপোজ করার আগে ১০ বার আমার জন্য চকোলেট কিনে আনতে হবে!"

রাকিব মুচকি হেসে বলে,

— "তাহলে কাল থেকেই শুরু!"

শেষ কথা

সেই থেকে রাকিব প্রতিদিন সুরাইয়ার জন্য চকোলেট নিয়ে আসত। ওদের প্রেম ক্যাম্পাসের সবার জানা হয়ে গেলো।

বন্ধুরা মজা করে বলে,

— "এই যে সিনিয়র আপুর জুনিয়র বয়ফ্রেন্ড, এবার বিয়ের কথা ভাবো!"

সুরাইয়া লজ্জা পেয়ে রাকিবের দিকে তাকায়, আর রাকিব মুচকি হেসে বলে,

— "একদিন সেটাও হবে, আপু!"

রাকিব ও সুরাইয়ার খুনসুটি ভালোবাসার গল্পরাকিব আর সুরাইয়া, দু’জনের পরিচয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন থেকেই। প্রথম দেখাতেই তা...
30/01/2025

রাকিব ও সুরাইয়ার খুনসুটি ভালোবাসার গল্প

রাকিব আর সুরাইয়া, দু’জনের পরিচয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন থেকেই। প্রথম দেখাতেই তারা একে অপরকে অপছন্দ করেছিল। রাকিব ছিল একটু রাগী, আর সুরাইয়া ছিল চঞ্চল ও দুষ্টু স্বভাবের।

প্রথম খুনসুটি

প্রথম ক্লাসের দিন, রাকিব তার নির্দিষ্ট জায়গায় বসতেই দেখে, তার পাশে থাকা সিটে একটা কফির কাপ রাখা। রাগী স্বভাবের হওয়ায় রাকিব বিরক্ত হয়ে বলল,
— "এটা কে এখানে রেখেছে?"

পাশ থেকে সুরাইয়া হেসে বলল,
— "আমি রেখেছি! সমস্যা?"

রাকিব চোখ কুঁচকে বলল,
— "এখানে কফি রেখে জায়গা দখল করার মানে কী?"

সুরাইয়া মুচকি হেসে বলল,
— "কারণ আমি এখানে বসব! তুমি কি আমার পাশে বসতে চাও?"

এই প্রথম দেখা থেকেই দু'জনের ঠোকাঠুকি শুরু হয়ে যায়।

বন্ধুত্বের সূচনা

বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপ অ্যাসাইনমেন্টে রাকিব আর সুরাইয়াকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। প্রথম দিকে খুনসুটির কারণে কাজের অগ্রগতি হয়নি, কিন্তু ধীরে ধীরে তারা বুঝতে পারে, তারা দু'জনেই বেশ ভালো টিমমেট।

একদিন লাইব্রেরিতে রাকিব সুরাইয়াকে একদৃষ্টিতে দেখছিল। সুরাইয়া হঠাৎ বলে উঠল,
—

Adresse

বরিশাল বাকের গঞ্জ রুনসি গ্রাম
Democratic Republic Of The

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque ভালো বাসার ষেশ নিশ্বাস publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager