08/08/2026
ছয় দিন। একটা মা ডলফিন তার মরা বাচ্চাটাকে পিঠে নিয়ে ঘুরছিল ছয়টা দিন। ছেড়ে দিচ্ছিল না। মাঝে মাঝে বাচ্চাটা পানিতে পড়ে যাচ্ছিল। মা আবার ডুব দিয়ে তুলে আনছিল। বুকে চেপে ধরছিল। যেন ঘুমিয়ে আছে, যেন এক্ষুনি জেগে উঠবে।
বাচ্চাটার বয়স হয়েছিল মাত্র দুই সপ্তাহ।
আর এই মা এর আগেও বারবার সন্তান হারিয়েছে।
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার শান্ত এক মোহনায় ড্রোনে ধরা পড়া এই দৃশ্যটা সারা পৃথিবী দেখেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন — এটা নিছক অভ্যাস নয়। এটা শোক। মায়ের মমতা মৃত্যুর পরও থামে না।
একটা কথা জানেন কি?
গবেষণা বলছে, ডলফিন কুড়ি বছর পরও একজন পুরোনো সঙ্গীর ডাক চিনে ফেলতে পারে। তার মানে এই মা তার হারানো বাচ্চাটার কথা কোনোদিন ভুলবে না। বছরের পর বছর মনে রাখবে।
ভাবতে পারেন? একটা প্রাণী, যার কোনো ভাষা নেই, কোনো নামাজ নেই, কোনো আখিরাতের হিসাব নেই — তার বুকেও আল্লাহ এত গভীর মমতা রেখে দিয়েছেন।
এই মমতাটা কোত্থেকে এলো?
মা ডলফিন নিজে বানায়নি। নিজে শেখেনি। এটা তার ভেতরে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যিনি বসিয়েছেন, তিনি আর-রাহমান — পরম দয়াময়। সাগরের একটা প্রাণীর বুকে যিনি এত মায়া দিতে পারেন, তাঁর নিজের মায়াটা তাহলে কত গভীর?
এবার একটা হাদিস শুনুন। বুকে গেঁথে যাওয়ার মতো।
একবার কিছু যুদ্ধবন্দিকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে আনা হলো। তাদের মধ্যে এক মা ছিলেন, যিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজছিলেন। বুক দুধে ভরে উঠছিল। তিনি বন্দিদের ভেতর যে শিশুকেই পাচ্ছিলেন, বুকে চেপে ধরে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজে পেলেন। জড়িয়ে ধরলেন বুকের সাথে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন — "তোমরা কি মনে করো, এই মা তার সন্তানকে আগুনে ছুঁড়ে ফেলতে পারবে?"
সাহাবিরা বললেন — "না, কখনোই না। যদি ঠেকানোর সামান্যতম ক্ষমতাও তার থাকে।"
তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন —
"আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি এই মায়ের চেয়েও বেশি দয়ালু।"
(সহিহ বুখারি)
যে মা সন্তানকে আগুন থেকে বাঁচাতে নিজের জীবন দিয়ে দেবে — আল্লাহ আপনার প্রতি তার চেয়েও বেশি দয়ালু।
ডলফিন মা ছয় দিন মরা বাচ্চাকে ছাড়েনি। মানুষ মা সন্তানকে আগুনে ফেলতে পারে না। এগুলো তো আল্লাহর দয়ার একটা ছোট্ট প্রতিফলন মাত্র।
মূল উৎসটা তাহলে কত বিশাল?
আমরা ভাবি আল্লাহ বুঝি রাগ করে বসে আছেন। ভুল করলেই বুঝি শাস্তি। অথচ তিনি নিজেই লিখে রেখেছেন "নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর জয়ী হয়েছে"।
(সহিহ বুখারি)
আপনি যতবার ফিরে আসবেন, আর-রহমান ততবার কাছে টেনে নেবেন। একটা মা যেমন হারানো সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আর ছাড়ে না — ঠিক তেমনি, তার চেয়েও গভীরভাবে।
গুনাহের বোঝা নিয়ে যে ভাবছেন "আমাকে দিয়ে আর হবে না" — একবার শুধু ফিরে দেখুন। যিনি ডলফিনের বুকে এত মমতা রেখেছেন, তিনি আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছেন। আল্লাহ সূরা আয-যুমারের ৫৩ নাম্বার আয়াতে বলেন,
"যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"
আল্লাহ আমাদের তাঁর সেই অসীম দয়ার ছায়ায় জায়গা দিন। আর তাঁর রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়ার তাওফিক দিন।
আমীন। 🤍
লেখাঃ Abu MuHammad Rafiuzzaman
24/07/2026
“অসৎ নারীরা অসৎ পুরুষদের জন্য, আর অসৎ পুরুষরা অসৎ নারীদের জন্য। পক্ষান্তরে সৎ নারীরা সৎ পুরুষদের জন্য, আর সৎ পুরুষরা সৎ নারীদের জন্য। তারা (সৎলোকেরা) মানুষের অপবাদ থেকে মুক্ত। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রিযিক।” 💌
— আল-কুরআন | সূরা আন-নূর, আয়াত: ২৬
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
23/07/2026
কথাগুলো নির্ভেজাল সত্য, এটাই মানবজাতির ফিতরাত।
💨যে ধনীদের সাথে ওঠাবসা করে! আল্লাহ তার মাঝে দুনিয়ার মুহাব্বত ও দুনিয়াকে পাবার আগ্রহ বাড়িয়ে দেন।
💨যে দারিদ্রদের সাথে ওঠাবসা করে! সে আল্লাহর বন্টনের ব্যাপারে শুকরিয়া আদায়ের ও সন্তোষ পোষণের তাওফিক প্রাপ্ত হয়।
💨যে শাসকদের সাথে ওঠাবসা করে! আল্লাহ তার অন্তর কাঠিন্য ও অহংকার বাড়িয়ে দেন, ফলে দাম্ভিক হয়ে ওঠে।
💨যে নারীদের সাথে ওঠাবসা করে!
আল্লাহ তার মাঝে প্রবৃত্তির কামনা-বাসনা বাড়িয়ে দেন।
💨যে শিশুদের সাথে ওঠাবসা করে! আল্লাহ তার মাঝে দুষ্টামি, হাসিঠাট্টা-কৌতুকের স্বভাব বাড়িয়ে দেন।
💨যে পাপিষ্ঠদের সাথে ওঠাবসা করে! তার মাঝে পাপ করার দুঃসাহস বেড়ে যায় এবং তাওবাহ বিলম্বতিকরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
💨যে নেককারদের সাথে ওঠাবসা করে! ওই ব্যক্তির ভেতর আল্লাহর আনুগত্য বৃদ্ধি হয়। ‘আমলে সলিহ’ এর প্রতিবিম্ব প্রস্ফুটিত হয়।
💨আর যে আলিমদের সাথে ওঠাবসা করে! তার মাঝে ইলম ও পরহেজগারি বৃদ্ধি পায়। তবে হকপন্থী আলেম, কোনো গণতা*ন্ত্রিক, পী*রপূজারি, বেদাতি আলেম নয়।
তথ্যসূত্র: ফক্বীহ আবুল লাইস সমরকন্দী [রহ.]
🎯 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
21/07/2026
সারা বিশ্বের ৫ জন লোক কাবা'শরীফে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবেন।
তারমধ্যে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেব একজন, আলহামদুলিল্লাহ।
* আল্লামা সাঈদী সাহেবেরর চট্রগ্রামে প্রথম মাহফিলে প্রথম বছর সুরা ফা'তিহার তাফসির শুনে ৪৬ জন অমুসলিম ইসলাম গ্রহন করেছিল।
* আল্লামা সাঈদী বিশ্বের ৫২টি দেশে কোরানের তাফসির মাহফিল করেছেন।
* আল্লামা সাঈদী ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছরপবিত্র হজ্ব পালন করেছেন।
* কাবা শরীফের ইমাম যিনি আল্লামা সাঈদীর কপালে চুমু খেয়েছিলেন।
* সৌদিবাদশাহর আমন্ত্রনে আল্লামা সাঈদী স্বয়ং কাবা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করেছিলেন।
* একবার সৌদিতে সারাবিশ্বের বাছাই করা একহাজারআলেমদের নিয়ে যের যবর পেশ ছাড়া কোরআন প্রতিযোগিতা হয়েছিল সেখানে আল্লামা সাঈদী সর্বোচ্চ ৯৯ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছিলেন।
* সারা বিশ্বে ১৯৫ দেশের মধ্যে ১৯১ টা দেশেই যার গায়েবানা জানাজা হয়েছে। তিনিই আল্লামা সাঈদী।
* যার মৃত্যুতে আকাশ বাতাস কেদেছে, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত কেদেছে, সারা পৃথিবী কেদেছে, মানুষ কাবার গিলাফ ধরে কেদেছে, এমনকি নিজের জন্মদাতা বাবা মা মারা গেলেও মানুষ এতোটা কাদে না, যতোটা কেদেছে আল্লামা সাঈদীর জন্য। হ্যা, তিনিই আল্লামা সাঈদী। 😭
মহান আল্লাহ প্রিয় আল্লামাকে দুনিয়া যেমন সম্মানিত করেছে, ঠিক আখেরাতেও তেমন সম্মানিত করে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। (আমিন)
©️
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
21/07/2026
❝আর সেদিন অপরাধে লিপ্ত ব্যক্তি নিজের হাত দুটো কামড়াতে কামড়াতে বলবে, "হায়, আমি যদি রাসূলের সাথে (জান্নাতের) পথ ধরতাম! হায় দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম❞ [সুরা ফুরকান ২৫: ২৭-২৮]
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
20/07/2026
❝হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলে দিয়েছে❞? [৮২:৬]
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
17/07/2026
মিম্বারে বসে আছেন—উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা মুহাম্মদ মনযূর নোমানী রহ.-এর সুযোগ্য সাহেবযাদা আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী (হাফি.)
মনোযোগ দিয়ে আলোচনা শুনছেন শাইখ আব্দুল মালেক (হাফি.)
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
17/07/2026
জুমার দিনের সুন্নাহ সমুহ,
☑️১. জুমার আগের প্রস্তুতিমূলক সুন্নাহ
পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা: নখ কাটা, গোঁফ ছাঁটা, বগলের চুল পরিষ্কার করা ও মেসওয়াক করা।
• গোসল করা: জুমার নামাজের উদ্দেশ্যে গোসল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ (অনেকের মতে এটি ওয়াজিব)।
• উত্তম পোশাক পরা: নিজের কাছে থাকা পোশাকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাকটি পরিধান করা।
• সুগন্ধি ব্যবহার করা: গোসলের পর সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করা (পুরুষদের জন্য)।
☑️২. মসজিদে যাওয়ার সুন্নাহ ও আদব
তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া: জুমার আজানের অপেক্ষা না করে আগে আগে মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করা।
• পায়ে হেঁটে যাওয়া: সম্ভব হলে বাহনে না চড়ে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া উত্তম। প্রতি কদমে বিশেষ সওয়াব পাওয়া যায়।
• নীরবতা ও শান্তভাব বজায় রাখা: মসজিদে যাওয়ার সময় এবং মসজিদে বসার পর শান্ত থাকা, কোনো অনর্থক কথা না বলা।
• তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় করা: মসজিদে প্রবেশ করে বসার আগে অন্তত দুই রাকাত (দুখুলুল মসজিদ) নামাজ আদায় করা।
• কাউকে কষ্ট না দেওয়া: মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা না করে যেখানে জায়গা পাওয়া যায়, সেখানেই বসে পড়া।
☑️৩. খুতবা শোনার সুন্নাহ মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা: ইমাম যখন খুতবা দেবেন, তখন সম্পূর্ণ চুপ থেকে মনোযোগ দিয়ে তা শোনা।
• কথা না বলা: খুতবা চলাকালীন নিজে কথা বলা তো দূরের কথা, অন্য কেউ কথা বললে তাকে "চুপ করো" বলাও নিষেধ। এ সময় ইশারায় বা মুখে কোনো কথা বললে জুমার সওয়াব নষ্ট হয়ে যায়।
☑️৪. শুক্রবারের বিশেষ আমলসমূহ সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা: জুমার দিন (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত) সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা। এর ফলে দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূর বা আলোকময় থাকে।
• বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা: রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা। জুমার দিনের দরুদ সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে পেশ করা হয়।
• দোয়া কবুলের বিশেষ সময়ে দোয়া করা: জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত আছে, যখন দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। অধিকাংশ আলেমের মতে, এই সময়টি হলো আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত (বিশেষ করে মাগরিবের ঠিক আগ মুহূর্ত)।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, আগে আগে মসজিদে গেল, পায়ে হেঁটে গেল (বাহনে চড়ল না), ইমামের কাছাকাছি বসল, মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল এবং কোনো অনর্থক কাজ করল না— সে মসজিদে যাওয়ার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছর রোজা রাখা এবং এক বছর নফল নামাজ পড়ার সওয়াব পাবে।"
- সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫
সুত্র : আরাবিক লেকচার থেকে নেয়া!
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
13/07/2026
ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হারাম: মুফতি তাকি উসমানির ফতোয়া
পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট ও ফেডারেশন অব আরব স্কুলসের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী অবৈধ (হারাম) ঘোষণা করে একটি বিস্তারিত ফতোয়া প্রকাশ করেছেন।
ফতোয়ায় বলা হয়েছে, বর্তমান বিশেষজ্ঞদের গবেষণা ও মতামতের ভিত্তিতে ক্রিপ্টোকারেন্সি শরয়ী দৃষ্টিতে ‘মাল’ (বিনিময়যোগ্য বৈধ সম্পদ) হিসেবে গণ্য হয় না। বরং এটি কেবল ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত কিছু ভার্চুয়াল সংখ্যার নিবন্ধন মাত্র। তাই শরিয়াহ অনুযায়ী এটি বৈধ ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যম হতে পারে না।
মুফতি তাকি উসমানি বলেন, ইসলামী শরীয়াহে কোনো বস্তুকে বৈধ সম্পদ হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য যেসব মৌলিক শর্ত রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি সেগুলো পূরণ করতে পারেনি। ফলে এর মাধ্যমে সম্পাদিত ক্রয়-বিক্রয় ও আর্থিক লেনদেন শরিয়াহসম্মত নয়।
ফতোয়ায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিটকয়েন (Bitcoin), ইউএসডিটি (USDT), বিভিন্ন স্টেবলকয়েন (Stablecoin) কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের ক্রিপ্টো টোকেন—যে নামেই পরিচিত হোক না কেন, সেগুলোর মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা আর্থিক লেনদেন একই বিধানের অন্তর্ভুক্ত হবে।
ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, যেহেতু ক্রিপ্টোকারেন্সি শরয়ী অর্থে বৈধ সম্পদের সংজ্ঞা পূরণ করে না, তাই এতে বিনিয়োগ, ট্রেডিং ও লেনদেন বৈধ নয়।
— মুফতি মুহাম্মাদ তাকি উসমানি (হাফি.)
প্রেসিডেন্ট, জামিয়া দারুল উলুম করাচি, পাকিস্তান।
12/07/2026
চট্টগ্রামের একাংশ যখন পানির নিচে।
তখন চট্টগ্রাম ভার্সিটিতেই বৃষ্টি তে ভেজে ফুটবল উন্মাদনায় একদল শিক্ষিত৷
ভার্সিটি গুলো কে আমি একটা প্যারালাইজড ম্যা-ট্রিক্স মনে করি। এসব ভার্সিটিতে জনগণের শতকোটি টাকা প্রতিবছর ব্যয়৷
কতটা নির্লজ্জ হইলে এসব খেলা দেখার পিক আবার ভার্সিটি গ্রুপেও দেয়৷ এদের সেন্স থাকা দরকার ছিলো এই সিচুয়েশনে এমন উন্মাদনা অন্তত শিক্ষিতদের সাথে যায় না৷
খেলা কে আপনি বিনোদন মনে করলে আপনার মত নির্বোধ কেউ নাই। যখন পানির নিচে ডুবে যাবেন। আর অন্যপাশে মানুষ উল্লাস খেলা দেখা নিয়ে। তখন বুঝবেন এই খেলা মানুষ কে কিভাবে মোহগ্রস্ত করেছে৷
এই খেলা আফিমের মত প্রবৃত্তির এক মরণ ধর্ম। জাতি হিসাবে আমরা নির্লজ্জ।
এই যে দেখেন হুজুররা যখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বললো। তখন শিক্ষিত নামক পশুরা ট্রলের কোনো কমতি রাখে নাই।
জাতি তুমি দেখো তোমার বিপদে আল্লাহর বান্দারা যখন পানিতে ব্যস্ত। তখন তোমাদের শিক্ষিত প্রজন্ম মেসির পায়ের দিকে বুঁদ হয়ে আছে৷
লেখা: আল ইস্তিফাদা
📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ