AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

Partager

"AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh" is Non political Organisations & Learn Easy Quran Recitation. Pray for AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh.

Please Like, Comment & Share

22/06/2026

নারীদের প্যান্ট-শার্ট পরিধান : পর্দা ও শরীয়তের মানদণ্ড সমসাময়িক সমাজে প্যান্ট-শার্ট বহুল প্রচলিত একটি পোশাক হলেও তা মুসলিম নারীদের ঐতিহ্যবাহী শালীন পোশাক হিসেবে বিবেচিত নয়। শরীয়তের দৃষ্টিতে পোশাক শুধু দেহ আবৃত করার মাধ্যম নয়; বরং তা লজ্জাশীলতা, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাতন্ত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।

তবে কোনো নারী যদি নিজ ঘরে নির্জনে অথবা স্বামীর সামনে প্যান্ট-শার্ট পরিধান করে, তাহলে সে ক্ষেত্রে অবকাশ রয়েছে। কিন্তু মাহরাম আত্মীয় বা শিশুদের সামনেও এমন পোশাক পরিধান করা জায়েয নয়, যা শরীরের গঠন ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আকৃতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। কারণ এতে পর্দার মৌলিক উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ণ হয়।

অবশ্য যদি প্যান্ট-শার্ট ঢিলেঢালা হয়, মোটা কাপড়ের হয় এবং শরীরের গঠন প্রকাশ না পায়, তাহলেও নারীদের জন্য এ ধরনের পোশাককে উত্তম বা পছন্দনীয় বলা হবে না। বিশেষত যখন তা অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণের কারণ হয় কিংবা সন্তানদের ইসলামী রুচি, লজ্জাশীলতা ও পর্দাবোধের শিক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ইসলামী শরীয়ত নারীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নির্ধারণ না করলেও কিছু মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ করেছে। যেমন—

১. পোশাক অবশ্যই সতর আবৃতকারী হতে হবে এবং শরীরের গঠন ও আকৃতি প্রকাশ করবে না।

২. পোশাক গায়রে মাহরাম পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণের কারণ হবে না।

৩. পোশাকে পুরুষদের সাদৃশ্য বা বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ থাকবে না।

তাই নারীর জন্য এমন ঢিলেঢালা ও পরিপূর্ণ আবরণযুক্ত পোশাক পরিধান করা উচিত, যা পুরো শরীর ঢেকে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠন ও সৌন্দর্যও গোপন রাখে।

শরীয়তের দৃষ্টিতে গায়রে মাহরাম পুরুষের সামনে নারীর পুরো শরীর—মাথা, চেহারা, গর্দান, কব্জিসহ হাত এবং টাখনুসহ পা—আবৃত রাখা আবশ্যক। তাই পরপুরুষের সামনে শুধু শরীর নয়; শরীরের আকৃতিও গোপন রাখা জরুরি।

অন্যদিকে মাহরামদের সামনে নারী মাথা, চেহারা, গর্দান, বুকের উপরের অংশ, হাতের তালু, পা, কব্জি ও পিণ্ডলি খোলা রাখতে পারে। তবে এর বাইরে শরীরের অন্যান্য অংশ মাহরামের সামনেও আবৃত রাখা আবশ্যক। আর কোনো মাহরামের ব্যাপারেও যদি ফিতনার আশঙ্কা থাকে, তাহলে তার সামনেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

সূরা আহযাব : ৫৯; রূহুল মাআনী ১২/১২৮; জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বানূরী টাউন, করাচী; ফাতাওয়া নং : 144203200314

দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতাওয়া বিভাগে এসেছে—

‘শরীয়তে নারীদেরকে পুরুষদের বিশেষ পোশাক ও বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্যান্ট মূলত পুরুষদের প্রচলিত পোশাক হিসেবে পরিচিত এবং অনেক ক্ষেত্রে তা পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হিসেবেও বিবেচিত। ফলে এর ব্যবহার নারীর স্বাভাবিক লজ্জাশীলতা ও পর্দাবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অথচ হাদীস শরীফে ‘হায়া’ বা লজ্জাশীলতাকে ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই মুসলিম নারীর পোশাকও এই লজ্জাশীলতা ও শালীনতার নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া আবশ্যক। বাস্তবতা হলো, এ ধরনের পোশাক পরিধান অনেক ক্ষেত্রে বেপর্দা ও দেহপ্রদর্শনের দিকেই উৎসাহিত করে, যা শরীয়তের নির্দেশনার সম্পূর্ণ বিপরীত। এসব কারণেই নারীদের জন্য প্যান্ট পরিধান করা নিষিদ্ধ।’ (দারুল উলুম দেওবন্দ, ফাতাওয়া নম্বর 823)

প্রকাশিতব্য—‘সতীত্ব ও পর্দা মুসলিম নারীর অহংকার’ বই থেকে।

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

19/06/2026

নবী করীম ﷺ – এর চোখে নবী করিম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়ে সর্বোত্তম!

আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে
আছি কি না?
● ১. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ القُرْآنَ وَعَلَّمَهُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন
শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭)

● ২. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحَاسِنُكُمْ أَخْلَاقًا
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের
মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস
নম্বর : ৬০৩৫)

● ৩.রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের
বেলায় ভালো।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩৩৫)

● ৪. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই
কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪০১)

● ৫. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের
কাছে ভালো।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭)

● ৬. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالًا
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে
বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।
(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)

● ৭.রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ
সর্বোত্তম মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। (সহীহুল জামে’ হা/৩২৮৯, দারাকুতনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬)

● ৮. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
مَخْمُومُ القَلْبِ صَدُوقُ اللِّسَانِ قَالُوا صَدُوقُ اللِّسَانِ نَعْرِفُهُ فَمَا مَخْمُومُ القَلْبِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী।
সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল!সত্যবাদী

মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল,
মুক্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাগাড়ম্বর বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।’
(ইবনে মাজাহ ৪২১৬, সহীহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১)

● ৯. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ الأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ
‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে
উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)

● ১০. রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ أَحْسَنَكُمْ أَخْلَاقًا
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে
বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯)

● ১১. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন
خَيْرُ النَّاسِ مَنْزِلَةً رَجُلٌ عَلَى مَتْنِ فَرَسِهِ يُخِيفُ الْعَدُوَّ وَيُخِيفُونَهُ
মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে। (সহীহুল জামিউস সাগীর ৪২৯১, সিলসিলা সহীহা ৩৩৩৩)

● ১২. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
لَمُؤْمِنٌ مُجَاهِدٌ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللهِ
ঐ মু'মিন (শ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে।
(বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ১৮৮৪-১৮৯৫)

[লেখা: সংগৃহীত]

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

18/06/2026

যিনা কী? — আধুনিক সমাজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক কঠিন সত্য

বর্তমান যুগে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলোকে সমাজ স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য বলে প্রচার করে; অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে সেগুলো গুরুতর গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। "ফ্রেন্ডশিপ", "রিলেশনশিপ", "ক্রাশ", "ওয়ান সাইডেড লাভ", কিংবা তথাকথিত "পাতানো ভাই-বোন"— এসব নামের আড়ালে অনেক সময় এমন সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা একজন মুমিনের ঈমান, চরিত্র ও আত্মিক পবিত্রতার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

অনেকেই মনে করেন, শুধুমাত্র বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কই যিনা। কিন্তু ইসলামের শিক্ষা এর চেয়ে অনেক গভীর ও ব্যাপক। ইসলাম কেবল যিনার চূড়ান্ত পর্যায়কেই নিষিদ্ধ করেনি; বরং যিনার দিকে নিয়ে যায় এমন সকল পথ, মাধ্যম ও ভূমিকা থেকেও দূরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন:

«“তোমরা যিনার কাছেও যেও না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।”
— (সূরা আল-ইসরা ১৭:৩২)»

লক্ষ্য করুন, আল্লাহ বলেননি শুধু “যিনা করো না”; বরং বলেছেন “যিনার কাছেও যেও না”। অর্থাৎ যে সকল কাজ মানুষকে যিনার দিকে ধাবিত করে, সেগুলো থেকেও নিজেকে রক্ষা করতে হবে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ মানব চরিত্রের দুর্বলতা সম্পর্কে আমাদের সতর্ক করে বলেছেন:

«“আদম সন্তানের জন্য যিনার কিছু অংশ নির্ধারিত হয়েছে, যা সে অবশ্যই পাবে। চোখের যিনা হলো তাকানো, কানের যিনা হলো শোনা, জিহ্বার যিনা হলো কথা বলা, হাতের যিনা হলো স্পর্শ করা, পায়ের যিনা হলো সেই দিকে অগ্রসর হওয়া। আর অন্তর কামনা ও আকাঙ্ক্ষা করে; অতঃপর লজ্জাস্থান তা সত্য অথবা মিথ্যা প্রমাণ করে।”
— (সহিহ মুসলিম)»

এই হাদিস আমাদের শিক্ষা দেয় যে, যিনা শুধু একটি কাজের নাম নয়; বরং এর শুরু হয় দৃষ্টিতে, কথায়, বার্তায়, অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগে এবং হৃদয়ের গোপন আকাঙ্ক্ষায়।

তাই একজন মুসলিমের জন্য বেগানা ছেলে-মেয়ের অবাধ মেলামেশা, অপ্রয়োজনীয় চ্যাট, ব্যক্তিগত আলাপ, প্রেমের সম্পর্ক কিংবা এমন যেকোনো আচরণ যা হৃদয়ে ফিতনার জন্ম দেয়— তা থেকে সতর্ক থাকা আবশ্যক।

প্রকৃত ভালোবাসা কখনো আল্লাহর অবাধ্যতার মাধ্যমে শুরু হয় না। যে সম্পর্ক আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গড়ে ওঠে, হালাল পন্থায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিবাহের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে— সেটিই বরকতময় ও কল্যাণকর সম্পর্ক।

আসুন, আমরা আধুনিকতার নামে গুনাহকে স্বাভাবিক না করি। বরং কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালিত করি, দৃষ্টি সংযত রাখি, হৃদয়কে পবিত্র রাখি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ফিতনা থেকে হেফাজত করুন এবং পবিত্র জীবন যাপনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

[লেখা : সংগৃহীত ]

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

Photos from AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh's post 14/06/2026

ফজরের নামাজেও যদি তারা এভাবে উপস্থিত থাকত... আহ্! কী আফসোস!

ব্রাজিল-মরক্কোর খেলা দেখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় যেন এক বিশাল স্টেডিয়ামের দৃশ্য! হাজারো মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে, মানুষ আগ্রহের জন্য কত কিছুই না করতে পারে।

আজকের খেলাটি শুরু হয়েছে ঠিক ফজরের নামাজের আগ মুহূর্তে। অর্থাৎ উপস্থিত অধিকাংশ মানুষ হয় ফজরের আগেই ঘুম থেকে উঠেছিল, অথবা সারারাত জেগে ছিল। কিন্তু প্রশ্ন হলো ফজরের নামাজের জন্য কি আমরা এমন আগ্রহ, এমন প্রস্তুতি, এমন উপস্থিতি দেখাতে পারি?

আল্লাহ তাআলা বলেন

﴿وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ﴾

অর্থ: “আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে, যারা অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ভ্রষ্ট করার জন্য অর্থহীন কথাবার্তা ও বিনোদনকে বেছে নেয় এবং আল্লাহর পথকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের বিষয় বানায়। তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।” (সূরা লোকমান: ৬)

মুফাসসিরগণ ‘لَهْوَ الْحَدِيثِ’ (লাহওয়াল হাদীস)-এর ব্যাখ্যায় শুধু গান-বাজনাকেই বোঝাননি; বরং এমন প্রত্যেক কথা, কাজ ও বিনোদনকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যা মানুষকে আল্লাহর স্মরণ, কুরআন এবং নামাজ থেকে গাফেল করে দেয়।

খেলাধুলা বা বৈধ বিনোদন নিজে হারাম নয়। কিন্তু যখন কোনো বিনোদন আমাদের ফরয ইবাদত, নামাজ এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, তখন তো হারাম হয়ে যায় একজন মুমিনের উচিত নিজের অবস্থান নিয়ে চিন্তা করা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের অন্তরকে তাঁর আনুগত্যের দিকে ফিরিয়ে দিন, নামাজের প্রতি ভালোবাসা দান করুন এবং দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী বিনোদনের চেয়ে আখিরাতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার তাওফীক দান করুন।

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

14/06/2026

মুমিনদের জন্যে এটা একটা লোভনীয় হাদিস!

আল্লাহকে খুশি করার জন্যে নিজের চরিত্রকে শুধরানো অনেক জরুরি। এটা চিন্তা করেই কত ভালো লাগে যে, আমি যদি কোনোভাবে আমার চরিত্রটাকে সুন্দর করতে পারি, কিয়ামতের দিন আমার পাল্লা সবচেয়ে ভারী হবে! (আল্লাহ কবুল করুক! আমিন।) কিয়ামতের দিন দাঁড়িপাল্লায় সবচেয়ে ভারী হবে সুন্দর চরিত্র!" (তিরমিজী)।

চরিত্রকে কিভাবে সুন্দর করা যায় - এটার হয়তো বাঁধা-ধরা কোনো সিলেবাস নেই. রাসূল (সা:) কে নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে তাঁর চরিত্রের এমন কিছু দিক আমার সামনে এলো - যেটা নিয়ে সচরাচর আলোচনা শুনিনা।

যেমন, রসূল (সা:) কখনো উচ্চ স্বরে কথা বলতেন না, খুব অল্প শব্দে গভীর জ্ঞানপূর্ণ কথা বলতেন। তিনি সবসময় হাসি খুশি থাকতেন। কখনো বদমেজাজী হয়ে থাকতেন না! ছোট বাচ্চাদের কোলে নিয়ে নামাজ পড়তেন। তাঁর চরিত্রই হচ্ছে কুরআন।

আল্লাহর জন্যে নিজের ভিতরটাকে সুন্দর করার কিছু চর্চা এমন হতে পারে --

🔘 ১. সবসময় সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা. উপযুক্ত প্রমান ছাড়া কাউকে খারাপ ভেবে না বসা. সাহাবীদের সময় একবার এক সাহাবী যখন দেখলেন আরেকজন সাহাবীর দাড়ি থেকে মদের ফোঁটা বেয়ে বেয়ে পড়ছে, সে তাকে প্রথমেই দোষ না দিয়ে ভাবলেন, হয়তো তার সাথে কারো ঝগড়া হয়েছে, এর ফলে রাগ করে কেউ তার দিকে মদের গ্লাস ছুড়ে মেরেছে। সেখান থেকেই ফোঁটা বেয়ে বেয়ে পড়ছে।

🔘 ২. নিয়তেই বরকত! প্রতিনিয়ত নিজের নিয়তকে চেক করা. আমি এই কাজটা কেন করছি? কাকে খুশি করার জন্যে করছি? কেউ যদি সত্যি কোনো কাজ আন্তরিক ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে করে - তাহলে সেই কাজে খুব উঁচু মানের কোয়ালিটি থাকবে! একটা সিম্পল নিয়ত করলে যে কোনো কাজ বরকতপূর্ণ হয়ে যায়।

যেমন কেউ যদি ঘুমানোর আগে এই নিয়ত করে ঘুমায় যে, "হে আল্লাহ! আমি এই ঘুমের মাধ্যমে যে কর্মশক্তি আর তেজ পাবো, সেটা দিয়ে যেন ঘুম থেকে উঠে যেন আরো ভালোভাবে তোমার ইবাদাত করতে পারি।" তাহলে পুরা ঘুমটাই তার জন্যে ইবাদাত হবে এবং সে যতটা সময় ঘুমাযে তার জন্যে নেকী পেতে থাকবে! সুবহানাল্লাহ ঘুমানোর জন্যেও পুরস্কার!

🔘 ৩. অপ্রয়োজনীয় কথা-আলাপে মশগুল না হওয়া। কেউ কথা বলার সময় তাকে কথার মাঝে cut-off না করা (বিঘ্ন না ঘটানো)! শেইখ বলেন, "কেউ কথা বলতে থাকলে কখনো তাকে মাঝখানে কাট করে দিয়ে নিজের কথা বলা শুরু করে দিও না. কারণ, যে কথা বলছে সে যদি জ্ঞানী হয়, তাকে শুনতে থাকো, তোমার জ্ঞান বাড়বে!

আর যে কথা বলছে, সে যদি মূর্খ হয় তাকে শুনতে থাকো - তোমার ধৈর্য্য বাড়বে! নিশ্চয়ই তোমার ধৈর্য্য অর্জন করা জ্ঞান অর্জন করার থেকে বেশি জরুরি!"

🔘 ৪. নিজের সমালোচনা শুনলে ক্ষুব্ধ না হওয়া! আসলেই চিন্তা করে দেখা - আমার মাঝে কি আসলেই এই ভুল আছে? ইমাম শাফি'ই (রা:) একবার ভরা সমাবেশে ক্লাস করাচ্ছিলেন। তখন এক লোক হুড়মুড় করে তার ক্লাসে ঢুকে গেলেন।

তার দিকে আঙ্গুল তুলে বললেন, "তুমি কি ইমাম শাফি'ই?". ইমাম বললেন, "জ্বী, আমি শাফি'." তখন লোকটি সবার সামনে চেঁচিয়ে ইমামকে বললেন, "তুমি একটা ফাসিক, কাফির এবং জঘন্য প্রকৃতির লোক!"

ইমাম চুপ করে শুনলেন। শুধু সমালোচনা না, তাকে সবার সামনে খুব খারাপ ভাবে অপমান করা হয়েছে! তিনি অফেন্ডেড তো হলেনই না, বরং এর উত্তরে তৎক্ষনাৎ দুই হাত তুলে সবার সামনে দুআ করলেন,

"হে আল্লাহ! এই ব্যক্তি যদি সত্য বলে থাকেন, তাহলে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার উপর দয়া করো এবং আমার তাওবা কবুল করে নাও! আর যদি এই ব্যক্তি যা বললেন, সেটা যদি সত্য না হয়, তাহলে তার এ আচরণের জন্যে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর দয়া করো এবং তার তাওবা কবুল করে নাও!"

🔘 ৫. প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে অন্তর পরিষ্কার করে ঘুমানো

🔘 ৬. কোনো ব্যাপারে অন্তরে অহংকার ঢুকে যাচ্ছে কি না চেক করা. যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমান অহংকার থাকবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ-ও পাবে না (সহীহ হাদিস)

🔘 ৭. যদি কারো উপর হিংসা হতে থাকে, সেই ব্যক্তির নাম ধরে তার সাফল্যের জন্যে বেশি বেশি দুয়া করা. এটাকে অনেক স্কলার হিংসার সর্বোত্তম চিকিৎসা বলেছেন। একটা উদাহরণ দেই, ধরেন ক্লাসে আব্দুল্লাহ অনেক ভালো রেজাল্ট করলো, এতে উমরের হিংসা হচ্ছে। উমর কন্ট্রোল করতে পারছে না।

তার মনে এটা নিয়ে কষ্ট লেগেই আছে যে, তার বন্ধু তার থেকে এতো ভালো অবস্থানে আছে, অথচ সেও তো অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছে, তার কেন উন্নতি হচ্ছে না? উমর সেই দিন থেকে বেশি বেশি আব্দুল্লাহর জন্যে দুয়া করতে থাকলো, আল্লাহ যেন আব্দুল্লাহকে আরো বেশি সাফল্য দেন, রহমত এবং বরকত দেন!

আলহামদুলিল্লাহ দুয়া করতে করতে কয় মাসের মধ্যেই উমরের অন্তর থেকে হিংসা দূর হয়ে গেলো। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উমর এবং আব্দুল্লাহ দুইজনকেই সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে অনেক ভালো অবস্থানে যাবার তাওফিক দিলেন।

🔘 ৮. নিজের ভুল/গুনাহ -র একটা লিস্ট বানানো। নিজের ভুল নিয়ে বেশি ব্যতিব্যস্ত থাকা, যেন অন্যের ভুল নিয়ে গল্প/গীবত করার কোনো সুযোগ না থাকে।

🔘 ৯. এমন কোনো কথা কারো পিছনে কখনো না বলা, যেটা সে যদি সামনে থাকতো, তাহলে তার সামনে কখনোই বলা যেত না. এটাই গীবতের ক্লাসিক সংজ্ঞা! গীবত মৃত ভাইয়ের মাংস খাবার মতন জঘন্য গুনাহ (কুরআন: সুরাহ হুজুরাত)

🔘 ১o. রাস্তার মধ্যখানে কখনো ময়লা না ফেলা! আমার স্বামীকে দেখতাম সে দেশে গেলে একটা ব্যাগ নিয়ে ঘুরতো। বলতো, দেশে তো সব জায়গায় ময়লা ফেলার ঝুড়ি খুঁজে পাওয়া যায় না. সারাদিনের ময়লা সে তার ঐ ব্যাগে রাখতো। ঘরে এসে ময়লার বিনে ফেলে দিতো।

🔘 ১১. বড় - ছোট সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা. যারা আমাদের থেকে বয়সে বড়, তারা আমাদের থেকে বেশি বছর ধরে বেঁচে আছেন, কাজেই তারা আমার থেকে বেশি নেক কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। আবার যারা আমাদের থেকে বয়সে ছোট, তারা আমাদের থেকে কম গুনাহ করার সুযোগ পেয়েছে। কাজেই বড় হোক, ছোট হোক - সবাই আমার থেকে ভালো। কারো সাথে তুলনা করে যেন আমার নিজের মধ্যে অহংকার না আসে।

আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাদের ভিতর-বাহির সব সুন্দর রাখুক।আমাদেরকে উত্তম চরিত্রের হবার তাওফিক দিন। আমিন!

~ inspired by Imam Omar Suleiman's Course - "Behind the Scene - Spiritual Cleansing of the Believer"

🖊️ শারিন শফি অদ্রিতা

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

12/06/2026

কিছুক্ষণের জন্য ফেসবুক বন্ধ হয়েছিল। জানিনা কতসময় হবে, হয়ত ঘন্টাখানেক। কি হা হুতাশ শুরু হয়ে গেছে আমাদের।

কেউ বন্ধুর কাছে গেছি, ভাইয়ের কাছে গেছি, ফোন দিয়েছি অমুক তমুককে, দেখতো হঠাৎ কি হইছে আমার ফেসবুকের? মেসেঞ্জারের? চলতেছেনা!

সিরিয়াস পেরেশানী শুরু হয়ে গেছে।

কিন্তু আমার বাসার কুরআনে ধুলো পড়েছে, সারাদিনের একবারও মসজিদে হাজিরা দেওয়া হয়নি, না একবার সুবহানাল্লাহ্ পড়ে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করেছি, না নবীর (ﷺ) ঠিকানায় একটা দরূদ পাঠিয়েছি।

এসব তুলনা করতে খারাপ লাগে, পপুলার কথা মনে হয়, তবে এটাই বাস্তবতা।

সেদিন এক ভিডিওতে দেখলাম, একজনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে,
বাসায় কি না থাকলে চলেনা?

উত্তর দিয়েছে, Wifi..!

এটা আমার আপনার ম্যাক্সিমাম মানুষের উত্তর। ইন্টারনেট ছাড়া আমাদের চলেনা।

আমরা খেল তামাশাকে বানিয়েছি গুরুত্বপূর্ণ, অনর্থক বিষয়কে বানিয়ে নিয়েছি আবশ্যক।

আল্লাহ্ মূলত যে কাজের জন্য আমাদের বানাইছেন, দুমিয়াতে পাঠাইছেন, সেই ট্র্যাকে মূলত আমরা নাই। আসলেই নাই।

اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ-
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ-

আল্লাহ্! আমরা আপনারই ইবাদত করি, আপনার কাছেই সাহায্য চাই।
আমাদেরকে সঠিক পথে রাখুন, আমিন।

— মাহ্দী ফয়সাল

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

12/06/2026

"কুরআনে কেন বারবার বলা হয় নারীদের দুঃখিত হওয়া উচিত না?"

কেন আল্লাহ তা'য়ালা বারবার বলেন:
"দুঃখ করো না", "ভয় পেয়ো না"?

এই আয়াতগুলো ভালো করে পড়ো। কারণ এগুলো শুধু আয়াত না এগুলো যেন শব্দে মোড়ানো একেকটা সান্ত্বনার আলিঙ্গন।

মহান আল্লাহ তা'য়ালার বলেন:
"যাতে তার চোখ শীতল হয় এবং সে দুঃখ না করে।"
[সূরা আল-কাসাস, ২৮:১৩]

এবং সূরা আল-আহযাবে:
"যাতে তাদের চোখ প্রশান্ত হয় এবং তারা দুঃখ না করে।" [৩৩:৫১]

সূরা মারইয়ামে:
"তুমি দুঃখ করো না।" [১৯:২৪]

আবারও সূরা আল-কাসাসে:
"ভয় পেয়ো না এবং দুঃখ করো না।" [২৮:৭]

বারবার… একই বাক্য, একই সান্তনা!!!

কেন?

কারণ তোমার কষ্ট
তোমার রবের কাছে তুচ্ছ নয়।

একজন নারীর দুঃখ শুধু একটা অনুভূতি নয়,
এটা একটা ঝড় যা তার ভেতরটাকে নাড়িয়ে দেয়,
তার শরীরকে দুর্বল করে, ঘুম কেড়ে নেয়,
কখনও কখনও তার ভেতরের আলোটুকু নিভিয়ে দেয়।

আর আল্লাহ তা'য়ালা তা জানেন।
তাই তো কুরআনে তাঁর ভাষা এত কোমল!

তাই তো তিনি বলেন:
দুঃখ করো না।
ভয় পেয়ো না।
তোমার চোখ যেন শান্তি খুঁজে পায়।

কারণ তিনি জানেন:
একজন নারীর দুঃখ শুধু চোখের পানিতে থেমে থাকে না,
এটা ছড়িয়ে পড়ে তার হৃদস্পন্দনে,
তার ভেতরের অনুভূতিতে,
তার শরীরের গভীরে,
তার হাসির আড়ালে।

আল্লাহ শুধু তার দেহকে নয়,
তার অনুভূতিকেও হেফাজত করেন,
তার মর্যাদা, তার শান্তিকেও।

তাই মা-বাবার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন:
"তাদেরকে 'উফ' পর্যন্ত বলো না।" [১৭:২৩]

কারণ শব্দও আঘাত করে। আর তার হৃদয় কোমল কিন্তু তার মর্যাদা অমূল্য। তাই, যদি তুমি একজন নারী হও আর তোমার বুকের ভেতর ঝড় বয়ে যায়, চোখে নীরব কান্না লুকিয়ে রাখো,

তাহলে জেনে রাখো
তোমার দুঃখ আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তোমার প্রতিটি অশ্রু তিনি দেখেন।
তোমার প্রতিটি কষ্ট তার কাছে লিপিবদ্ধ।
আর তোমার সুস্থতাও ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে নির্ধারিত।

তাইতো প্রতিবারই তিনি তোমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন: তুমি একা নও। দুঃখ করো না।

আল্লাহ তা'য়ালা যেন প্রতিটি ভাঙা হৃদয়কে আরোগ্য দান করেন। বিশেষ করে সেই হৃদয়গুলোকে, যেগুলো নীরবে ভেঙে যায়। (আমিন)

মনে রাখবে, তোমার গল্প এখানেই শেষ নয়, এটা এখনও লেখা হচ্ছে, আর সেই কলম এমন একজনের হাতে যিনি সবচেয়ে দয়ালু (عطوف), যিনি আর-রহ'মানির রহিম (الرحمن الرحيم), যিনি আহ'কামিল হাকিম (أهكاميل حكيم)।

নিঃশব্দে কষ্ট পাওয়া প্রতিটি নারীর জন্য আল্লাহ এক মুহূর্তও ভুলে যাননি।

যে নারী নীরবে কাঁদে,
হাসির আড়ালে ভেঙে পড়ে,
অদৃশ্য কষ্ট বয়ে বেড়ায়
আল্লাহ তাকে দেখেন।

তোমার প্রতিটি অশ্রু,
যা তুমি ভেবেছিলে কেউ জানে না
কখনোই হারিয়ে যায়নি।

ইসলামে তোমার কষ্ট দেখা হয়,
তোমার ধৈর্যকে মূল্য দেওয়া হয়,
আর তোমার হৃদয়কে ঘিরে রাখে এমন এক দয়া
যা তোমার কল্পনার চেয়েও গভীর।

আর হ্যাঁ, অবশ্যই—
"আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত কোমল।" [৪২:১৯]

— [ সংগৃহীত ]

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

07/06/2026

♦️🎯টেলিভিশনে ফুটবল খেলা দেখার বিধান কী?
প্রশ্ন: নারীদের জন্য টেলিভিশনে ফুটবল খেলা দেখা কি জায়েজ?

উত্তর:আলহামদুলিল্লাহ-সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
টেলিভিশনে ফুটবল খেলা দেখার মধ্যে শরিয়তের দৃষ্টিতে বেশ কিছু আপত্তিকর বিষয় রয়েছে।

- প্রথমত: প্রায় সব খেলাতেই কোনো না কোনোভাবে হারাম বাজি বা জুয়ার সম্পর্ক থাকে।

- দ্বিতীয়ত: এসব খেলায় সতর ঢাকা থাকে না।
আরো থাকে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা এবং গান বাজনা বা মিউজিকের উপস্থিতি।
এর বাইরেও এসব খেলা দেখে অনর্থক মূল্যবান সময় নষ্ট হয়।

একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত, তার দ্বীন ও দুনিয়ার জন্য উপকারী বিষয়ে সময় দেওয়া।
তাই কোনো মুসলিম পুরুষ বা নারীর জন্য এই ধরনের খেলায় মগ্ন হওয়া ঠিক নয়। বরং দুনিয়া ও আখেরাতে উপকার দেবে এমন কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা উচিত।

🔸ফুটবল বিশ্বকাপ বা এই জাতীয় খেলাধুলার টুর্নামেন্ট (প্রতিযোগিতা) দেখার বিষয়ে সৌদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া কমিটিকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানান:
"مباريات كرة القدم التي على مال أو نحوه من جوائز حرام؛ لكون ذلك قمارًا؛ لأنه لا يجوز أخذ السَّبَق وهو العوض إلا فيما أذن فيه الشرع، وهو المسابقة على الخيل والإبل والرماية، وعلى هذا فحضور المباريات حرام، ومشاهدتها كذلك، لمن علم أنها على عوض؛ لأن في حضوره لها إقرارًا لها. أما إذا كانت المباراة على غير عوض، ولم تشغل عما أوجب الله من الصلاة وغيرها، ولم تشتمل على محظور: ككشف العورات، أو اختلاط النساء بالرجال، أو وجود آلات لهو - فلا حرج فيها ولا في مشاهدتها"
"যেসব ফুটবল খেলায় টাকা-পয়সা বা পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকে সেগুলো হারাম। কারণ তা জুয়ার মধ্যে পড়ে। শরিয়তে শুধু ঘোড়দৌড়, উটের দৌড় এবং তীরন্দাজি প্রতিযোগিতায় পুরস্কার নেওয়ার অনুমতি আছে। তাই যে খেলায় পুরস্কারের লেনদেন থাকে, তা জানা থাকলে সেখানে উপস্থিত হওয়া বা খেলা দেখা — দুই-ই হারাম। কারণ সেখানে যাওয়া মানেই হলো বিষয়টিকে সমর্থন করা। তবে খেলায় যদি কোনো পুরস্কারের শর্ত না থাকে, নামাজসহ আল্লাহর ফরজ করা কাজগুলো থেকে দূরে না রাখে, এবং সতর খুলে ফেলা, নারী-পুরুষের মেলামেশা বা গান-বাজনার মতো কোনো নিষিদ্ধ বিষয় না থাকে তাহলে খেলা দেখা বা অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।"
[ফাতাওয়া আল লাজনাহ আদ দায়িমাহ, ১৫/২৩৮]

🔸বিনোদন ও কোনো দলকে সাপোর্ট করার জন্য নারীদের এই খেলা দেখা যাবে কি না এ বিষয়ে শাইখ ইবনে জিবরিন (রহ.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন:
"لا يجوز مشاهدة المباريات، حيث إن اللاعبين رجال متجردون غالبًا عن اللباس الساتر، وقد يبدو بعض الفخذ، وقد تتمثل العورة وراء اللباس، وذلك فتنة للنساء، ولو كان القصد التسلية ففي الإمكان التسلي بالذكر والقرآن وكتب الحديث والفقه والأحكام"

"এসব খেলা দেখা জায়েজ নয়। কারণ খেলোয়াড়রা সাধারণত পুরো শরীর ঢাকা পোশাক পরে না। অনেক সময় তাদের উরু দেখা যায়। আবার টাইট কাপড়ের কারণেও শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এটি নারীদের মনকে নষ্ট করার বা ফিতনার কারণ হতে পারে।
আর মন ভালো করার বা বিনোদনের যদি দরকার হয় তবে জিকির, কুরআন তিলাওয়াত এবং হাদিস, ফিকহ ও ইসলামের বিধিবিধানের বইপত্র পড়েও আনন্দ পাওয়া সম্ভব।"
[শাইখ ইবনে জিবরিনের ওয়েবসাইট]

🔸টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটবল খেলা দেখার সার্বিক বিধান নিয়ে শাইখ ইবনে উসাইমিন (রহ.) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন:
"الذي أرى أن مشاهدة الألعاب التي تعرض في التلفاز أو في غيره من المشاهدات أنها مضيعة للوقت, وأن الإنسان العاقل الحازم لا يضيع وقته بمثل هذه الأمور التي لا تعود عليه بفائدة إطلاقًا. هذا إن سلمت من شر آخر, فإن اقترن بها شر آخر بحيث يقوم في قلب المتفرج تعظيم اللاعب الكافر مثلًا, فإن هذا حرام بلا شك, لأنه لا يجوز لنا أن نعظم الكفار أبدًا مهما حصل لهم من التقدم. أو كانت هذه المباراة قد ظهرت فيها أفخاذ شباب يحصل بها فتنة, فإن الراجح عندي أنه لا يجوز للشباب حين لعبهم بالكرة أن يخرجوا أفخاذهم; لما في ذلك من الفتنة, حتى على القول بأن الفخذ ليس بعورة. فلا أرى أن الشاب يخرج فخذه أبدًا. أما إذا قلنا بأن الفخذ عورة كما هو المشهور من مذهب الإمام أحمد, فالأمر في هذا واضح: أنه لا يجوز على كل حال. فالذي أنصح به إخواننا أن يحرصوا على أوقاتهم فإن الأوقات أغلى من الأموال"
"আমার মতে, টেলিভিশন বা অন্য কোনো মাধ্যমে এই ধরনের খেলাধুলা দেখা স্রেফ সময়ের অপচয়। একজন বুদ্ধিমান ও দায়িত্বশীল মানুষ এমন কাজে সময় নষ্ট করতে পারে না যা তার কোনো কাজে আসে না। এটা তো ওই সময়ের কথা যখন খেলায় অন্য কোনো মন্দ দিক না থাকে। কিন্তু যদি এর সাথে আরও খারাপ কিছু যোগ হয়—যেমন: দর্শকের মনে কোনো অমুসলিম খেলোয়াড়ের প্রতি ভক্তি বা সম্মান তৈরি হওয়া—তবে তা নিঃসন্দেহে হারাম। কারণ অমুসলিমরা দুনিয়ার কাজে যতই এগিয়ে যাক না কেন তাদের মনে স্থান দেওয়া আমাদের জন্য জায়েজ নেই। অথবা খেলায় যদি যুবকদের উরু দেখা যায় যা মানুষের মনে খারাপ চিন্তা তৈরি করে তবে আমার মতে—খেলার সময় যুবকদের উরু বের করে রাখা জায়েজ নয়।

এমনকি উরুকে যারা সতর মনে করেন না, তাদের মত অনুযায়ীও যুবকদের উরু উন্মুক্ত করা ঠিক নয়।
আর ইমাম আহমদের মাজহাবের বিখ্যাত মত অনুযায়ী উরু যদি সতর হয় তাহলে তো বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার যে,কোনোভাবেই এটি দেখা জায়েজ নয়। তাই আমি আমার ভাইদের বলব, সময়ের যত্ন নিন। কারণ সময় টাকা-পয়সার চেয়েও অনেক বেশি দামি।"
[আল মিশকাত ফোরাম]
وَاللَّهُ أَعْلَمُ
আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।

তারিখ: ১৮ রবিউস সানি ১৪৩১ হি.||
০৩ এপ্রিল ২০১০ খ্রি.|| প্রশ্ন নং: ১৪৬৮৪৪
সূত্র: Islamqa info

অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ ゚

06/06/2026

📍তাহাজ্জুদ : অসম্ভবকে সম্ভব করার এক আল্লাহ প্রদত্ত চাবিকাঠি 🌙

​আমাদের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি কি জানেন? রাতের শেষ প্রহরে যখন পুরো পৃথিবী ঘুমে মগ্ন, তখন আরশের মালিক আপনার ডাক শোনার জন্য অপেক্ষা করেন।
​নিচে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, গুরুত্ব এবং ভাগ্য পরিবর্তনের শক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

♦️​১. তাহাজ্জুদ কী?
​'তাহাজ্জুদ' (تَهَجُّد) শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো রাত জাগরণ করা বা ঘুম থেকে ওঠা। শরিয়তের পরিভাষায়, রাতের ইশার নামাজের পর (সাধারণত ঘুমের পর) শেষ তৃতীয়াংশে যে নফল নামাজ আদায় করা হয়, তাকেই তাহাজ্জুদ বলা হয়। এটি নফল ইবাদতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ।

♦️​২. তাহাজ্জুদের সময় ও রাকাত
​সময়: ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত। তবে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ (ফজরের প্রায় ১ থেকে ১.৫ ঘণ্টা আগে) সবচেয়ে উত্তম।
​রাকাত: সর্বনিম্ন ২ রাকাত, সর্বোচ্চ ৮ বা ১২ রাকাত (রাসূলুল্লাহ ﷺ সাধারণত ৮ রাকাত পড়তেন)। তবে আপনি আপনার সাধ্যমতো ২ রাকাত করে করে যত খুশি পড়তে পারেন।

♦️​৩. নামাজের নিয়ম ও দোয়া (আরবি, উচ্চারণ ও অর্থসহ)
​তাহাজ্জুদ পড়ার আলাদা কোনো কঠিন নিয়ম নেই, সাধারণ নফল নামাজের মতোই পড়তে হয়।
​নিয়ত: মনে মনে এই সংকল্প করাই যথেষ্ট যে— "আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ২ রাকাত তাহাজ্জুদ আদায় করছি।"

☑️​পদ্ধতি:
👉১. স্বাভাবিক নামাজের মতোই সানা, সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা মিলিয়ে রুকু ও সিজদা করবেন।
👉২. বড় বড় সুরা জানা থাকলে তা পড়া উত্তম, তবে যে কোনো সুরা দিয়েই নামাজ হবে।
👉৩. প্রতি ২ রাকাত শেষে সালাম ফিরিয়ে আবার ২ রাকাত শুরু করবেন।
👉৪. নামাজ শেষে প্রাণভরে আল্লাহর কাছে নিজের ভাষায় দোয়া করুন।

🎯​দোয়া কবুলের বিশেষ জিকির:
রাসূলুল্লাহ ﷺ তাহাজ্জুদের সময় একটি বিশেষ দোয়া পড়তেন:

​আরবি: اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ...
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু আনতা নুরুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব...
অর্থ: হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা আপনারই, আপনি আসমান ও জমিনের আলো। (সহীহ বুখারী)

♦️​৪. কুরআনের বাণী ও হাদিসের রেফারেন্স
​কুরআনের নির্দেশ:
​"রাতের কিছু অংশ তাহাজ্জুদ কায়েম করো; এটি তোমার জন্য অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে ‘মাকামে মাহমুদ’ বা প্রশংসিত স্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন।" (সুরা আল-ইসরা, আয়াত: ৭৯)

🎯​হাদিসের সুসংবাদ:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

​"প্রতিদিন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন এবং বলতে থাকেন— 'কে আছো যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আছো আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাকে তা দান করব? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব?'" (সহীহ বুখারী: ১১৪৫, সহীহ মুসলিম: ৭৫৮)

♦️​৫. দোয়া কি সত্যিই ভাগ্য পরিবর্তন করে?
​অনেকে মনে করেন, যা কপালে লেখা আছে তা কি বদলানো সম্ভব?

🎯 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

​"দোয়া ছাড়া আর কোনো কিছুই ভাগ্য (তাকদির) পরিবর্তন করতে পারে না।" (সুনানে তিরমিজি: ২১৩৯)
​আল্লাহ আমাদের ভাগ্য সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই লিখে রেখেছেন (সহীহ মুসলিম: ২৬৫৩)। কিন্তু সেই ভাগ্যের পাতায় আল্লাহ অনেক সময় এটাও লিখে রাখেন যে— "আমার এই বান্দা যদি দোয়ার মাধ্যমে আমার কাছে চায়, তবে আমি তার অমুক বিপদটি দূর করে দেব বা অমুক নেয়ামত বাড়িয়ে দেব।"
​অর্থাৎ, তাহাজ্জুদের দোয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে সেই বিশেষ অনুমতি, যার মাধ্যমে আপনি আপনার নির্ধারিত ভাগ্যকেও নতুন করে সাজিয়ে নিতে পারেন।

♦️​৬. কেন আজ রাতেই শুরু করবেন?

​এটি গুনাহ মোচনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।
​হৃদয়ে প্রশান্তি এবং চেহারায় নূর (আলো) বৃদ্ধি পায়।
​দুনিয়ার কঠিন সমস্যাগুলোর সমাধান মেলে।
​আল্লাহর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরির সবচেয়ে সুন্দর সময়।


আপনার মনের ভেতর যে হাহাকার, যে অপূর্ণতা বা যে অভাব রয়েছে— তা মানুষের কাছে না বলে আরশের মালিককে বলুন। যে কপাল সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, আল্লাহ তাকে কখনো নিরাশ করেন না। আজ রাত থেকেই ২ রাকাত দিয়ে শুরু হোক আপনার জীবনের নতুন পথচলা।

​আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়ের তৌফিক দান করুন। আমিন। 🌙

​✨ ইসলামের নান্দনিক প্রচার এবং সঠিক মাসয়ালা সহজভাবে জানতে ও শেয়ার করতে AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh এর সাথেই থাকুন।

゚ ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

03/06/2026

অনেকের মনেই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, কবরে ক্যানো অধিকাংশ মানুষ ৩ টি প্রশ্ন উত্তর দিতে পারবে না৷
যেমন মনে করুন কবরে বলা হবে তোমার দ্বীন কী?
প্রশ্ন সহজ শুনতে গেলেই কি আসলেই সহজ?

দ্বীন মানে ইসলাম। আর দ্বীনে গান,বাদ্য,মদ,জ্বিনা হারাম৷ যে লোক আজীবন গান কে হালাল ই ভেবে গেছে৷ এত এত নসীহা তার কানে গেলেও তার মুখ থেকে আসেনি গান হারাম।
অর্থাৎ দ্বীনের বিধান তার নিকট উচ্চারিত হয়নি।

আর একাকী কবরে তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসবে আমার দ্বীন ইসলাম? এত সহজ সব কিছু?

জীবিত থাকতে মানুষ হাজার বার শুনে গান হারাম৷ এত শুনা ও জানার পরেও যার মুখে আসে না গান হারাম৷ কবরে তাদের মুখে চলে আসবে আমার দ্বীন ইসলাম?

মানুষ যে শুধু গান কে হারাম মনে করে না তা না৷ যাস্ট একটা উদাহরণ দিলাম।

যে মুখে অনর্গল ভাবে চলে আসে আমি শরীয়াহ বিশ্বাস করি না। কবরে তার মুখে চলে আসবে আমার দ্বীন ইসলাম?

যে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি থেকে আব্রাহাম লিংকন কে যুগোপযোগী আইডল ও লিডার ভাবে৷
কবরে তার মুখে চলে আসবে আমার আমার নেতা হযরত মুহাম্মদ?

যে আল্লাহ কে আইনদাতা মানে না। কবরে তার মুখে চলে আসবে কী আমার রব আল্লাহ? এতই সহজ?

সারাজীবন নসীহা করে যাদের বিশ্বাস করানো যায় না আইনদাতা আল্লাহ। যাদের মুখ দিয়ে কখনো আসে না আল্লাহ ছাড়া আইন দেওয়ার কেউ নেই।
কবরে একরাতে তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে যাবে আমার রব আল্লাহ?

আপনারা সব কিছু এত সহজ ভাবেন?

আজকে দ্বীনের হালাল/হারাম বিধানের চাইতে সংস্কৃতির মানদণ্ড যাদের কাছে দ্বীনের চাইতেও বেশি।
তারা কাল কবরে মুখে অনর্গল ভাবেই বলবে আমার দ্বীন অমুক তমুক সংস্কৃতি।

খবরদার মুসলিম নামধারী রা। এমন আগুন নিয়ে খেলছো। যেটার দাউ দাউ আগুনের উত্তাপ সহ্য করার ক্ষমতা তোমার নাই।

লেখা: আল ইন্তিফাদা

📍 AL-Ahmed Quran Foundation Bangladesh

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ ゚

Vous voulez que votre école soit école la plus cotée à Democratic Republic of the ?

Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.

Site Web

Adresse


Democratic Republic Of The