অনুমতি দখল,
সে যত বছরই হোক না কেন তা দিয়ে কোন স্বত্ব সৃষ্টি হয় না!
Oasis Law Academy
A unique centre of Bar Council & BJS exam preparation.
জমি কেনার আগে ১৫ টি চেকলিস্ট :---
১. বিক্রেতা আসল মালিক কি না
জাতীয় পরিচয়পত্র মিলিয়ে নিন। দলিলের নামের সাথে পরিচয় মিলছে কি না দেখুন।
২. রেজিস্ট্রি দলিল যাচাই করুন ও মূল দলিল দেখুন। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের সত্যতা যাচাই করুন ও তল্লাশি করুন।
৩. বর্তমান মালিকের নামে নামজারি আছে কি না দেখুন। এস এ রেকর্ডীয় মালিক হতে প্রয়োজন বোধে সি এস রেকর্ডীয় মালিক হতে বর্তমান মালিক পর্যন্ত চেইন মিলান।
৪. CS / SA / RS / BS খতিয়ান মিলিয়ে দেখুন ও যাচাই করে নিন।
৫. খাজনা পরিশোধ হয়েছে কি না
সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রসিদ দেখুন।
৬. দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর মিলান
দলিল, খতিয়ান ও ম্যাপে একই তথ্য আছে কি না দেখুন।
৭. মৌজা ম্যাপ দেখে জমির সঠিক অবস্থান ও সীমানা বুঝুন।
৮. সরেজমিনে জমি দেখুন শুধু কাগজ নয়, বাস্তবে জমি আছে কি না যাচাই করুন।
৯. দখল কার কাছে ও বাস্তবে কে জমি ভোগদখল করছে তা নিশ্চিত করুন।
১০. জমি নিয়ে মামলা আছে কি না
আদালতে মামলা চলমান কি না খোঁজ খবর নিন। প্রয়োজন হলে ভাল আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
১১. জমি বন্ধক আছে কি না ব্যাংক বা অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা কি না যাচাই করুন।
১২. সরকারি খাস জমি কি না এসিল্যান্ড অফিসে বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাচাই করুন।
১৩. সব ওয়ারিশের সম্মতি আছে কি না
উত্তরাধিকার সূত্রে হলে সব ওয়ারিশ রাজি কি না অবশ্যই জেনে নিবেন। এজমালি জমি হলে অবশ্যই জমির অবস্থান চিহ্নিত ও দখল বুঝে নিবেন।
১৪. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সত্য কি না
প্রতিনিধি বিক্রি করলে POA সত্যতা যাচাই করুন। এটা যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১৫. প্রতিবেশী, চেয়ারম্যান, স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জমির সব তথ্য নিন জমির ইতিহাস জানুন।
“জমি কেনার আগে ৭ দিন তদন্ত করুন, না হলে ৭ বছর মামলা চলতে পারে।” তাড়াহুড়া করে জমি কিনবেন না। “দলিল দেখে নয়, যাচাই করে জমি কিনুন।"
আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা দুর্নাম রটানো, অপমান করা যাবে না:
আইনজীবীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা পরিচালনার ব্যাপারে মিথ্যা দুর্নাম রটানো যা তাকে এ মোকদ্দমা পরবর্তী পরিচালনা করতে বিব্রত করে তা আদালত অবমাননা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
( Anantalal Singha V. Alfred Henry
Watson (1930) 58 Cal. 884.
বিচারাধীন মামলায় আইনজীবী যাতে তার দায়িত্ব পালন করতে না পারেন তজ্জন্যে আইনজীবীকে অপমান করা আদালত অবমাননা।
(Thirumalaippa V. Kumaraswami, AIR 1956
Mad. 621 (1956) I. L.R. Mad. 1239)
29/04/2026
শুভকামনা আপনাদের জন্য।
বিগত ২৪-১০-২০২৫ইং তারিখের অনুষ্ঠিত High Court Permission Written পরীক্ষার ফলাফল।
Total Passed: 1,313
For the decision of the 3rd Examiner: 419
For re-evaluation/scrutiny: 24
জাল দলিল চেনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট জেনে নিন:---
১। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নির্দিষ্ট ফিস জমা দিয়ে দলিলের ভলিউম বা বালাম বই তল্লাশি করুন। যদি ভলিউমে ওই দলিলের কোনো অস্তিত্ব না থাকে, তবে সেটি নিশ্চিত জাল।
২। . দলিলদাতা বা মূল মালিকের তথ্য: দলিলের দাতা (বিক্রেতা) আসল কি না, তা স্থানীয়ভাবে ও দলিল দেখে নিশ্চিত হোন। অনেক সময় মৃত ব্যক্তি বা অন্যের জমি নিজের নামে দলিল করে বিক্রি করা হয়। এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।
৩। নামজারি (Mutation) ও খতিয়ান যাচাই: ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস (AC Land) থেকে সর্বশেষ নামজারি ও খতিয়ান (CS, SA, RS, BS) যাচাই করুন। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে। পূর্বের মালিকের সাথে বর্তমান বিক্রেতার ধারাবাহিকতা ঠিক না থাকলে দলিল জাল।
৪। অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়। খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।
৫. কাগজ ও কালির ধরন: পুরনো দলিলের কাগজ বা কালি কি বর্তমান সময়ের মতো লাগছে? অতিরিক্ত সাদা কাগজ বা সদ্য প্রিন্ট করা দলিলের ক্ষেত্রে সাবধান হোন এছাড়াও কোনো কাটাকাটি, ঘষামাজা বা ভিন্ন হাতের লেখা থাকলে সেটি সন্দেহজনক।
৬। আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।
৭. ভায়া দলিল (Via Deed) অনুপস্থিতি: যদি জমিটি আগের মালিকের কাছ থেকে কেনা হয়, তবে আগের দলিলগুলো (ভায়া দলিল) সাথে থাকা প্রয়োজন। না থাকলে সেটি জাল হতে পারে।
৮. চৌহদ্দি ও দাগ নম্বর: দলিলের জমির দাগ নম্বর, খতিয়ান এবং মৌজার তথ্য রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
৯. মূল দলিল তলব: বিক্রেতা বা দালাল শুধু ফটোকপি দেখাতে চাইলে দলিলটি জাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সবসময় আসল বা মূল দলিল দেখতে চান।
১০। সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।
১১। মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।
[বিঃদ্রঃ উপরোক্ত পয়েন্টগুলো জানা থাকলে জাল দলিলের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।]
Oasis Law Academy
21/04/2026
Online Court : HCD
20/04/2026
ভার্চুয়াল কোর্ট সপ্তাহে ২দিন!
17/04/2026
30/03/2026
“৯৫ বছরেও কোর্টে—এটাই আসল প্যাশন!”
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার—এক জীবন্ত কিংবদন্তি!
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।
১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্ট থেকে সনদপ্রাপ্ত হয়ে শুরু—
আজও থামেননি!
৯৫ বছর বয়সেও নিয়মিত আদালতে উপস্থিত থেকে তিনি প্রমাণ করেছেন—
আইনপেশা শুধু পেশা নয়, এটি এক ধরনের অঙ্গীকার।
তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত জাগদল এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
🔹 ৫ বার সংসদ সদস্য
🔹 ৫ বার জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি
🔹গণপূর্ত মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
🔹 সাবেক স্পিকার (২০০১–২০০৯)
🔹 সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি (২০০২)
একজন মানুষ, এক ইতিহাস, এক অনুপ্রেরণা।
মহান আল্লাহ স্যারকে সুস্থতা ও দীর্ঘ হায়াত দান করুন। আমিন!
Oasis Law Academy
29/03/2026
মাননীয় অ্যার্টর্নী জেনারেল মহোদয়ের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্তঃ
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেট, যা আইন পেশার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি।
তিনি আইনজীবীদের মধ্যে একজন জনপ্রিয় নেতা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ভোটে পরপর তিনবার (২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনিই এই সমিতির সর্বশেষ নির্বাচিত সম্পাদক।
এছাড়াও, সারা দেশের আইনজীবীদের ভোটে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ১৯৯৫ সনে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৬ সনে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে প্রাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। তিনি ২০০৮ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
সাংবিধানিক আইনের বিভিন্ন জটিল ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়ে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে আদালতে সর্বোচ্চ আদালতে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করেছেন। আইনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সংক্রান্ত তার মতামত বাংলাদেশের জাতীয় গণমাধ্যমে বিশেষজ্ঞ মতামত হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
জুলাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে বেশ কয়েকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক মামলার শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ষোড়শ সংশোধনী রিভিউ মামলা, পঞ্চদশ সংশোধনী মামলা, ডক্টর ইউনুস সরকারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের বিপক্ষে শুনানিতে তার সাবমিশন আইনজীবী মহলে অত্যন্ত প্রশংসনীয় হয়েছে। এছাড়া, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বৈধতা সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী রিভিউ মামলায় তিনি বিচারপতি খায়রুল হকের রায়ের আইনগত ত্রুটিগুলো সূক্ষ পর্যালোচনা আদালতে উপস্থাপন করেন, রিভিউ এর স্কোপ এবং জাজমেন্ট এর সংজ্ঞা বিষয়ে তার সাবমিশন বিচারকগণ অতি গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করেন। উক্ত মামলায় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডক্টর সৈয়দ রেফাত আহমেদ-এর অনুরোধে তিনি সফররত নেপালের প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতে যুক্তিততর্ক উপস্থাপন করেন, যা আইনজীবীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়াও, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাসহ বিভিন্ন মামলার শুনানিতে তার দক্ষতা বিশেষভাবে আলোচিত হয়।
এছাড়াও, কূটনীতিক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ হাই কমিশন, লন্ডন, যুক্তরাজ্য-এ ২০০৩-২০০৬ মেয়াদে কর্মরত ছিলেন। ছাত্র জীবনে তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পেশাগত জীবনের মতো শিক্ষাজীবনেও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রতিটি ধাপে মেধার স্বাক্ষর রেখে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
তিনি ১৯৮৬ সনে যশোর বোর্ড থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৮৮ সনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৮ম স্থান অর্জন করেন। ১৯৯৩ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), এবং ১৯৯৪ সনে এলএলএম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
পুনরায় ২০০৫ সনে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৬ সনে সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। অতঃপর তিনি ২০০৬ সনে যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-এট-ল' সনদ অর্জন করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, চীন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশন, কমনওয়েলথ ল অ্যাসোসিয়েশন এবং ল এশিয়ার সদস্য।
একজন বিশেষজ্ঞ আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল (বিএনপি)- র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি কর্তৃক গঠিত আইন সহায়তা সেল-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উক্ত নির্বাচনে বিএনপির প্রায় অর্ধশতাধিক প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন কমিশনে এবং সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
জুলাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে তিনি বিএনপির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং সংবিধান ও বিচার বিভাগ সংক্রান্ত সংস্কার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন।
সাংবিধানিক ও ফৌজদারি আইনে বিশেষ দক্ষতার পাশাপাশি পেশাজীবিদের নেতা হিসেবে ও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার কারণে একজন যোগ্য নেতা ও দক্ষ প্রশাসক হিসেবে তিনি সুপরিচিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।
29/03/2026
শতভাগ সততার সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালন করব : অ্যাটর্নি জেনারেল
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Emplacement
Contacter l'école
Téléphone
Site Web
Adresse
Farmgate, Tejgaon, Dhaka
Democratic Republic Of The
Heures d'ouverture
| Jeudi | 09:00 - 17:00 |
| Dimanche | 09:00 - 17:00 |