Oasis Law Academy

Oasis Law Academy A unique centre of Bar Council & BJS exam preparation.

05/08/2026

#সন্তানকে_সম্পত্তি_লিখে_দিলেও_বাবা_মায়ের_ভোগ_দখলের_অধিকার_সুরক্ষায়_আইনি_সংস্কার

এই সংস্কারটি আমাদের দেওয়ানি বিচার ব্যবস্থা এবং পারিবারিক সুরক্ষায় বড় ধরণের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে!

মূল বিষয়সমূহ:

১. জীবনস্বত্ব (Usufruct Right) যুক্তকরণ:
সরকার 'সম্পত্তি হস্তান্তর আইন' (Transfer of Property Act) সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে বাবা-মা তাদের সন্তানকে সম্পত্তি উপহার (যেমন হেবা) বা হস্তান্তর করার পরও, নিজেদের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ-দখল বা সেখানে বসবাস করার সম্পূর্ণ আইনি অধিকার ধরে রাখতে পারবেন।

২. যৌথ সম্মতি ছাড়া বিক্রি অসম্ভব:
এই বিধানের অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হলে, বাবা-মায়ের জীবদ্দশায় উভয় পক্ষের (বাবা-মা এবং সন্তান) লিখিত ও পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া সেই সম্পত্তি কোনো পক্ষই একক সিদ্ধান্তে বিক্রি করতে পারবে না।

৩. জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা জজের বিশেষ ক্ষমতা: যদি কোনো বাবা বা মায়ের জরুরি চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয় এবং সম্পত্তি বিক্রি করা ছাড়া উপায় না থাকে—অথচ সন্তান তাতে সম্মতি না দেয়; সেক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ বাবা-মা সরাসরি জেলা জজের কাছে আবেদন করতে পারবেন। জেলা জজ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সন্তানকে ছাড়াই ওই সম্পত্তি বিক্রির বিশেষ অনুমতি দিতে পারবেন।

প্রচলিত হেবা বা দান দলিলের ক্ষেত্রে মালিকানা সম্পূর্ণ হস্তান্তরিত হয়ে যাওয়ার পর অনেক সময় প্রবীণ বয়সে বাবা-মায়েরা সন্তানদের অবহেলার শিকার হন, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ১৯৬৩ সালের একটি জুডিশিয়াল প্রিসিডেন্ট (Judicial Precedent)-এর আলোকে প্রস্তাবিত এই সংশোধনীটি পাস হলে তা প্রবীণদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একই সাথে, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে চলমান হাজার হাজার দেওয়ানি মামলার জট অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে আশা করা যায়!

১২-০৬-২০২৬ইং তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষার ফলাফল। Congratulations!!
12/06/2026

১২-০৬-২০২৬ইং তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষার ফলাফল।
Congratulations!!

12/06/2026

#জাতীয়_রাজস্ব_বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রণীত নতুন আয়কর নীতি অনুযায়ী--ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দিতে পারবেন!

পুরো বছরকে ৪টি ত্রৈমাসিকে (Quarter) ভাগ করে এই করছাড় ও জরিমানার নিয়ম নিম্নলিখিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে:--
১) জুলাই – সেপ্টেম্বর:
এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়া যাবে।
২) অক্টোবর – ডিসেম্বর:
এই সময়ে জমা দিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।
৩) জানুয়ারি – মার্চ:
এই সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে ২ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।
৪) এপ্রিল – জুন:
এই সময়ের মধ্যে জমা দিলে ৫ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি বা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
Law Point - আইনের খুঁটিনাটি
Oasis Law Academy
Legal Link ল' চেম্বার

04/05/2026

অনুমতি দখল,
সে যত বছরই হোক না কেন তা দিয়ে কোন স্বত্ব সৃষ্টি হয় না!

02/05/2026

জমি কেনার আগে ১৫ টি চেকলিস্ট :---

১. বিক্রেতা আসল মালিক কি না
জাতীয় পরিচয়পত্র মিলিয়ে নিন। দলিলের নামের সাথে পরিচয় মিলছে কি না দেখুন।

২. রেজিস্ট্রি দলিল যাচাই করুন ও মূল দলিল দেখুন। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের সত্যতা যাচাই করুন ও তল্লাশি করুন।

৩. বর্তমান মালিকের নামে নামজারি আছে কি না দেখুন। এস এ রেকর্ডীয় মালিক হতে প্রয়োজন বোধে সি এস রেকর্ডীয় মালিক হতে বর্তমান মালিক পর্যন্ত চেইন মিলান।

৪. CS / SA / RS / BS খতিয়ান মিলিয়ে দেখুন ও যাচাই করে নিন।

৫. খাজনা পরিশোধ হয়েছে কি না
সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রসিদ দেখুন।

৬. দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর মিলান
দলিল, খতিয়ান ও ম্যাপে একই তথ্য আছে কি না দেখুন।

৭. মৌজা ম্যাপ দেখে জমির সঠিক অবস্থান ও সীমানা বুঝুন।

৮. সরেজমিনে জমি দেখুন শুধু কাগজ নয়, বাস্তবে জমি আছে কি না যাচাই করুন।

৯. দখল কার কাছে ও বাস্তবে কে জমি ভোগদখল করছে তা নিশ্চিত করুন।

১০. জমি নিয়ে মামলা আছে কি না
আদালতে মামলা চলমান কি না খোঁজ খবর নিন। প্রয়োজন হলে ভাল আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

১১. জমি বন্ধক আছে কি না ব্যাংক বা অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা কি না যাচাই করুন।

১২. সরকারি খাস জমি কি না এসিল্যান্ড অফিসে বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাচাই করুন।

১৩. সব ওয়ারিশের সম্মতি আছে কি না
উত্তরাধিকার সূত্রে হলে সব ওয়ারিশ রাজি কি না অবশ্যই জেনে নিবেন। এজমালি জমি হলে অবশ্যই জমির অবস্থান চিহ্নিত ও দখল বুঝে নিবেন।

১৪. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সত্য কি না
প্রতিনিধি বিক্রি করলে POA সত্যতা যাচাই করুন। এটা যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১৫. প্রতিবেশী, চেয়ারম্যান, স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জমির সব তথ্য নিন জমির ইতিহাস জানুন।

“জমি কেনার আগে ৭ দিন তদন্ত করুন, না হলে ৭ বছর মামলা চলতে পারে।” তাড়াহুড়া করে জমি কিনবেন না। “দলিল দেখে নয়, যাচাই করে জমি কিনুন।"

01/05/2026

আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা দুর্নাম রটানো, অপমান করা যাবে না:

আইনজীবীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা পরিচালনার ব্যাপারে মিথ্যা দুর্নাম রটানো যা তাকে এ মোকদ্দমা পরবর্তী পরিচালনা করতে বিব্রত করে তা আদালত অবমাননা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
( Anantalal Singha V. Alfred Henry
Watson (1930) 58 Cal. 884.

বিচারাধীন মামলায় আইনজীবী যাতে তার দায়িত্ব পালন করতে না পারেন তজ্জন্যে আইনজীবীকে অপমান করা আদালত অবমাননা।
(Thirumalaippa V. Kumaraswami, AIR 1956
Mad. 621 (1956) I. L.R. Mad. 1239)

শুভকামনা আপনাদের জন্য।বিগত ২৪-১০-২০২৫ইং তারিখের অনুষ্ঠিত High Court Permission Written পরীক্ষার ফলাফল। Total Passed: 1,3...
29/04/2026

শুভকামনা আপনাদের জন্য।
বিগত ২৪-১০-২০২৫ইং তারিখের অনুষ্ঠিত High Court Permission Written পরীক্ষার ফলাফল।
Total Passed: 1,313
For the decision of the 3rd Examiner: 419
For re-evaluation/scrutiny: 24

23/04/2026

জাল দলিল চেনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট জেনে নিন:---

১। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নির্দিষ্ট ফিস জমা দিয়ে দলিলের ভলিউম বা বালাম বই তল্লাশি করুন। যদি ভলিউমে ওই দলিলের কোনো অস্তিত্ব না থাকে, তবে সেটি নিশ্চিত জাল।

২। . দলিলদাতা বা মূল মালিকের তথ্য: দলিলের দাতা (বিক্রেতা) আসল কি না, তা স্থানীয়ভাবে ও দলিল দেখে নিশ্চিত হোন। অনেক সময় মৃত ব্যক্তি বা অন্যের জমি নিজের নামে দলিল করে বিক্রি করা হয়। এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৩। নামজারি (Mutation) ও খতিয়ান যাচাই: ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস (AC Land) থেকে সর্বশেষ নামজারি ও খতিয়ান (CS, SA, RS, BS) যাচাই করুন। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে। পূর্বের মালিকের সাথে বর্তমান বিক্রেতার ধারাবাহিকতা ঠিক না থাকলে দলিল জাল।

৪। অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়। খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।

৫. কাগজ ও কালির ধরন: পুরনো দলিলের কাগজ বা কালি কি বর্তমান সময়ের মতো লাগছে? অতিরিক্ত সাদা কাগজ বা সদ্য প্রিন্ট করা দলিলের ক্ষেত্রে সাবধান হোন এছাড়াও কোনো কাটাকাটি, ঘষামাজা বা ভিন্ন হাতের লেখা থাকলে সেটি সন্দেহজনক।

৬। আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

৭. ভায়া দলিল (Via Deed) অনুপস্থিতি: যদি জমিটি আগের মালিকের কাছ থেকে কেনা হয়, তবে আগের দলিলগুলো (ভায়া দলিল) সাথে থাকা প্রয়োজন। না থাকলে সেটি জাল হতে পারে।

৮. চৌহদ্দি ও দাগ নম্বর: দলিলের জমির দাগ নম্বর, খতিয়ান এবং মৌজার তথ্য রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

৯. মূল দলিল তলব: বিক্রেতা বা দালাল শুধু ফটোকপি দেখাতে চাইলে দলিলটি জাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সবসময় আসল বা মূল দলিল দেখতে চান।

১০। সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

১১। মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

[বিঃদ্রঃ উপরোক্ত পয়েন্টগুলো জানা থাকলে জাল দলিলের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।]
Oasis Law Academy

Adresse

Farmgate, Tejgaon, Dhaka
Democratic Republic Of The

Heures d'ouverture

Jeudi 09:00 - 17:00
Dimanche 09:00 - 17:00

Téléphone

+8801706025449

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Oasis Law Academy publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'école

Envoyer un message à Oasis Law Academy:

Raccourcis

Partager