19/10/2025
নতুনদের জন্য আরবি ভাষা শিক্ষা
Learn Arabic : Bangla : English
19/10/2025
নতুনদের জন্য আরবি ভাষা শিক্ষা
29/09/2025
বাম পাশের ছবিটা ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বরের। সেদিন আমার GRE পরীক্ষা ছিল। আপনারা নিশ্চয়ই জানবেন, GRE হলো যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি পরীক্ষার মতো । পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় নিয়ম অনুযায়ী ETS আমার ছবি তুলেছিলো। কিছুদিন আগে ETS-এর ওয়েবসাইট থেকে ছবিটি ডাউনলোড করেছি।
ক্যালেন্ডারের হিসাবে তিন বছর আগে, জীবনের এক অদ্ভুত সময় পার করছিলাম। ৪৩তম বিসিএস-এর লিখিত পরীক্ষা শেষ করেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স প্রায় সমাপ্তির পথে। GRE শেষ করে মাত্র চার দিন পরে ২৫ সেপ্টেম্বর IELTS পরীক্ষা, আর ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ৪৪তম বিসিএস-এর লিখিত।
একই সঙ্গে পরিকল্পনা ছিল, মাস্টার্সের রেজাল্ট হাতে পেলেই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাথমেটিক্সের শিক্ষক হিসেবে আবেদন করব। সেই প্রস্তুতিতে আমি উচ্চতর গণিত পড়া শুরু করলাম। গণিতের গভীরতম বিশ্লেষণ এবং অধ্যয়ন। পাশাপাশি ৪৩তম বিসিএস-এর ভাইভার প্রস্তুতিও চলছিলো সমানতালে।
এই এত কিছু একসাথে নিয়ে রাজধানীর এক চিলেকোঠায় আমি একা একা থাকতাম। সারাদিন পড়াশোনার মধ্যে দিন কাটত, আর প্রতি দিনের শেষে সন্ধেবেলায় ফোনের ওপাশে থাকত আমার মা। তাঁর দোয়ার শক্তি কতটা তা তিনি আমাকে বুঝিয়ে দিতেন। মায়ের সাহস আর প্রার্থনা নিয়ে আমি চেষ্টা করেছি নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে।
ডান পাশের ছবিটা ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের—প্রায় তিন বছর পরের একটি মুহূর্ত।৪৩তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেছি। ছবিটি তোলা হয়েছিল ৭৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের জেলা সংযুক্তি মডিউলের অংশ হিসেবে বগুড়ার RDA-তে।
প্রশাসন ক্যাডারে যোগদানের পাশাপাশি এই তিন বছরে আমার জীবনে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, আপনাদের সঙ্গে সেগুলো শেয়ার করতে চাই -
(১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ উচ্চ CGPA নিয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি।
(২) দেড় বছর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে Linear Algebra ও Fourier Analysis পড়িয়েছি। মাস্টার্স-এর রেজাল্ট, নিয়োগ পরীক্ষা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলাম।
(৩) ৪৪তম বিসিএসে BCS (PWD) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।
(৪) আন্তর্জাতিক জার্নালে আমার ৩টি peer-reviewed রিসার্চ পেপার প্রকাশিত হয়েছে।
(৫) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Governance and Development Studies-এ দ্বিতীয় মাস্টার্স সম্পন্ন করেছি।
(৬) উচ্চশিক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ করেও বিদেশে যাওয়া থেকে কয়েক বছরের জন্য বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
(৭) ইউটিউবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বিসিএস প্রস্তুতি নিয়ে আমার আলোচনা এখন প্রায় এক লাখ মানুষ নিয়মিত দেখে; ফেসবুক পেজেও প্রায় একই সংখ্যক অনুসারী।
(৮) আর সবচেয়ে বড় কথা, কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী আমার দিকনির্দেশনায় সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সত্যি বলতে, তাদের অনেকে আমার কথা শুনে জীবনে নতুন স্বপ্ন দেখার সাহস পাচ্ছে।
আসুন, আবার ৩ বছর আগে ফিরে যাই। তখনকার আমি ছিলাম একেবারেই ভিন্ন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২.৫৪ CGPA নিয়ে পাশ করেছি। ৪ বছরের গ্রাজুয়েশন শেষ করতে সময় লেগেছিল ৯ বছর। হ্যাঁ ভাই, আমি ৮টি সেমিস্টারের জায়গায় ১৫টি সেমিস্টার পড়ে ৯ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি।
তখন আমার কী মনে হতো জানেন? মনে হতো—একাডেমিক জীবনে বা লেখাপড়া করে আমার আর কিছু হবে না। তাই উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, মানে ব্যবসা করে নিজের ব্যর্থতাকে ঢেকে ফেলতে চাইতাম। ব্যবসায় কিছুটা সাফল্য পেলেও ভেতরে ভেতরে কষ্ট পেতাম। কারণ আমি আসলে ব্যবসায়ী হতে চাইনি। একাডেমিকে এত খারাপ করার হতাশা থেকে ব্যবসায়িক সাফল্য আর টাকার জোরে নিজেকে বোঝাতে চেয়েছিলাম যে আমি জীবনে ব্যর্থ নই।
ঠিক তখনই আমার গল্পে এক বিরাট মোড় নিলাম। সুন্দর, গোছানো জীবন বিসর্জন দিয়ে ঢাকার এক চিলেকোঠায় আশ্রয় নিলাম। একসাথে অনেক কিছু শুরু করলাম। এত বেশি পড়াশোনা করতাম তখন, যে এক মুহূর্তের জন্যও নিজেকে ফাঁকি দিইনি। কী হবে না হবে; এসব নিয়ে হতাশা কাজ করত, কিন্তু আমি ছাড়িনি। শক্ত হাতে, দৃঢ়ভাবে লেগে ছিলাম। নিজেকে ফিরে পাওয়ার সেই লড়াইয়ে বরাবরের মতোই ঢাল হয়ে পাশে ছিলো আমার ভাইয়া। কথাপ্রসঙ্গে ভাইয়া আমাকে একদিন বলেছিলেন: “Hosen, sky is not your limit. You must go beyond that.”
সত্যি বলতে, তখন যেটুকু পাওয়ার আশায় যাত্রা শুরু করেছিলাম, আজ তার থেকে অনেক, অনেক বেশি অর্জন করেছি।
আজ যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেল করেছেন বলে মনে হচ্ছে এক-দুইটা বছর নষ্ট হয়ে গেলো? রেজাল্ট ৩.০০-এর নিচে নেমে গেছে বলে খারাপ লাগছে ভাই? আজ বিসিএস প্রিলির রেজাল্ট বের হলো, আপনি ফেল করলেন! মনে হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যর্থ মানুষ আপনি? সুইসাইড করতে ইচ্ছে করছে? সবাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, আর আপনি কোনো এক কলেজে অনার্স করছেন বলে নিজেকে ছোট মনে হচ্ছে ভাই?
আজ আপনাকে জোর দিয়ে বলবো- নিজের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন ভাই। নিজেকে সমৃদ্ধ করুন, পড়ুন, জানুন। আপনি আকাশ পেরিয়ে মহাশূন্যের যদি কোনো শেষ বিন্দু থাকে, সেখানেও পৌঁছাতে পারবেন। হতাশ হয়ে ছেড়ে দেবেন না, প্লিজ। জীবনে কোনো তাড়াহুড়ো নেই। জীবন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নয়, এটা একেবারে লম্বা টেস্ট ম্যাচ ভাই। নিজেকে ভেঙে নতুন এক নিজেকে গড়বেন। প্রাণ খুলে হাসবেন। মনে রাখবেন, “The end justifies the means.”
পারবেন না ভাই??
Courtesy : Hosen A Ali
24/08/2025
কখনও ভেবেছেন, বিড়ালের জন্যও আলাদা মেট্রো রেল থাকতে পারে? আজব হলেও, এক চীনা ইউটিউবার শিং ঝিলেই (Xing Zhilei) ঠিক এমনই কিছু বানিয়েছেন। চার মাসের পরিশ্রমে তৈরি করেছেন ক্ষুদ্রাকৃতি এক সম্পূর্ণ সাবওয়ে সিস্টেম, যেখানে আছে টানেল, স্টেশন, ট্রেন, এমনকি চলমান এসকেলেটরও! আর আশ্চর্যের বিষয় হলো, সবকিছুই বানানো হয়েছে শুধু তার প্রিয় বিড়ালদের জন্য।
শিং ঝিলেই মূলত ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের হওয়ায় এ কাজে হাত দিতে পারেন। আগেও তিনি বিড়ালের জন্য বানিয়েছিলেন এক অভিনব ক্যাট হাউস, যেখানে ছিল সাইবারট্রাক, স্পা, কোয়াড বাইক, সুপারমার্কেট, গ্যারেজ আর থিয়েটার। সেই প্রজেক্ট দেখে ভক্তরা তাকে আরও বড় কিছু বানানোর চ্যালেঞ্জ দেয়। সেই চ্যালেঞ্জ থেকেই জন্ম নেয় এই মিনি সাবওয়ে। কাজটি করতে গিয়ে শিংকে মোকাবিলা করতে হয় দুটি বড় সমস্যার, ট্রেনের দরজা ও প্ল্যাটফর্মের দরজা একসাথে খোলার ব্যবস্থা করা এবং ক্ষুদ্র পরিসরে একটি চলমান এসকেলেটর বানানো। অসংখ্যবার পরীক্ষা, সংশোধন ও নতুন করে বানানোর পর অবশেষে তিনি সফল হন।
প্রস্তুত সাবওয়েটি এখন যেন এক জীবন্ত সিস্টেমের মতো। “ক্যাটটাউন স্টেশন”-এ এসে ট্রেন থামে, দরজা খুলে যায় প্ল্যাটফর্মের সাথে মিলিয়ে, আর বিড়ালরা মজা করে ঢুকতে বা বের হতে পারে। এমনকি যাত্রীদের জন্য ঘোষণাও বাজে! আর সবকিছুর মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া হলো এসকেলেটর। ক্ষুদ্র পরিসরে এমন বাস্তবসম্মত এসকেলেটর বানানো ছিল শিংয়ের সবচেয়ে কঠিন কাজ, তবে এটিই তার প্রজেক্টের সেরা আকর্ষণ। মজার ব্যাপার হলো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঝামেলা এড়াতে তিনি মজা করে বলেছেন, রোবট ব্যবহার করেছেন ক্লিনারের কাজে।
শুধু সাবওয়ে বানানোই নয়, শিং তার পোষা প্রাণীদের জন্য বছর ধরে এক বিশাল মিনি ওয়ার্ল্ড গড়ে তুলছেন। এতে রয়েছে বিড়াল, কুকুর, এমনকি হ্যামস্টারের জন্যও নানা ব্যবস্থা। একবার তিনি মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় শতাধিক ইনসুলেটেড শেল্টার বানিয়ে দিয়েছিলেন পথবিড়ালদের জন্য। তার এই কাজগুলো প্রমাণ করে যে ইঞ্জিনিয়ারিং শুধু প্রযুক্তি নয়, ভালোবাসা দিয়েও প্রাণীদের জন্য ব্যবহার করা যায়। বর্তমানে তার এই সাবওয়ে সিস্টেম সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। নেটিজেনরা মজা করে বলছে—“এই ক্যাট টাউনে তো বিড়ালের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আমাদের চেয়েও ভালো!” কেউ আবার লিখেছে—“বিড়ালদেরও কাজ আছে, ভাড়া তো ফ্রি নয়।” শিং ঝিলেইয়ের এই অভিনব উদ্যোগ দেখিয়ে দিল, পোষা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা কতটা কল্পনাশক্তি আর সৃজনশীলতার রূপ নিতে পারে।
Khairul Alom Fardush
Team Science Bee
22/04/2025
১৮ হাজার সনদে সই করছেন চবি উপাচার্য!
‘স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবর্তন। সমাবর্তী ২৩ হাজার। মাত্র ১৮ হাজার সনদে স্বাক্ষর করতে হবে। সিল বানিয়ে দেওয়া যেতো। সেটা করিনি। সমাবর্তীরা এখানে ৫-৬ বছর পড়েছেন। তারা আমাদের একাডেমিক সন্তান। আমরা চাই, কষ্ট হলেও তাদের সনদে আমাদের হাতের ছোঁয়া থাক। সে জন্য স্বল্প সময়ে স্বাক্ষর করার জন্য এ পদ্ধতিতে কাজ করছি। আল্লাহ সহায় হবেন।’ – চবি উপাচার্য
16/04/2025
শুদ্ধ উচ্চারণে আরবি ভাষা শিখুন
"তুমি কেমন আছ?" একথাটি আরবিতে কিভাবে জিজ্ঞেস করবেন।
আরবিতে কিভাবে "শুভেচ্ছা" বিনিময় করবেন সেটা জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।
18/06/2024
আরবি ভাষা বিশুদ্ধ ভাবে শিখতে চাইলে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন