10/08/2023
ইসমাইল একাউন্টিং কেয়ার এর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো।তোমরা যেন এইচএসসি পরিক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারো এই প্রত্যাশা করি।
এখানে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। Please like my page.
10/08/2023
ইসমাইল একাউন্টিং কেয়ার এর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো।তোমরা যেন এইচএসসি পরিক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারো এই প্রত্যাশা করি।
10/08/2023
এইচএসসি ২০২৩ টেস্ট পরিক্ষার সম্মাননা স্বারক❤️❤️❤️
মুনাফা বিহীন বিক্রয় এর সমন্বয় জাবেদা
( ক্রয় যখন ক্রেডিট, বিক্রয় যখন ডেবিট)
মনেকরেন, আপনি আপনার বন্ধু আক্কাছের কাছ থেকে একটি সেকেন্ডহেন্ড মোবাইল সেট কিনলেন ৫০০০ টাকা দিয়ে। কিনার পর মোবাইল সেটটি মুখলেছ এর কাছে বিক্রি করে দিলেন ৫০০০ টাকায়। এটাই হল মুনাফা বিহীন বিক্রয়।
অর্থাৎ কোন পণ্য ক্রয় করে তা আবার ক্রয়মূল্যে মানে যতটাকায় কিনেছেন ততটাকায় বিক্রি করে দিলে তাকে মুনাফাবিহীন বিক্রয় বলা হয়।
মুনাফা বিহীন বিক্রয়ের প্রভাব:
মুনাফা বিহীন বিক্রয়ের ফলে কারবারের ব্যয় এবং আয় বৃদ্ধি পায়। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে এর দ্বারা কোন আয় বা ব্যয় হয় না।
কারণ: আপনার কাছে প্রথমে নগদ ছিল ৫০০০ টাকা যা দিয়ে মোবাইল কিনলেন। আবার তা ৫০০০ টাকায় বিক্রি করে নগদ পেয়ে গেলেন ৫০০০ টাকা।
যার কারণে, আপনার ক্রয় বাবদ ব্যয় হলো ৫০০০ অণ্যদিকে বিক্রয় বাবদ আয় হলো ৫০০০।
মানে এটি আপনার আয় এবং ব্যয় দুটোই বৃদ্ধি করেছে।
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আপনার আর্থিক অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। কারণ আপনার কাছে প্রথমে ছিল ৫০০০ হাজার টাকা, ক্রয় বিক্রয় করার পর আপনার কাছে রয়ে গেলো ৫০০০ টাকা।
সমন্বয়ে যদি এটা থাকে তাহলে আপনার কাজ কি?
প্রতিটা প্রতিষ্ঠান তার সঠিক আয় ব্যয় নির্ণয় করতে চায়। মানে তার সত্যিকার অর্থে কত টাকা আয় ও কত টাকা ব্যয় হয়ে তা জানতে চায়। যেহেতু এই লেনদেনের কারণে আয় এবং ব্যয় বৃদ্ধি মানে ক্রয় এবং বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কোন আয় বা ব্যয় হয়নি তাই কারবারের সঠিক আয় ব্যয় নির্ণয় করার জন্যে মুনাফাবিহীন বিক্রয়কে ক্রয় থেকে বাদ এবং বিক্রয় থেকে বাদ দিয়ে দিতে হবে।
মানে,
এই লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রয় থেকে ৫০০০ বাদ দিতে হবে আবার বিক্রয় থেকে ৫০০০ টাকা বাদ দিতে হবে।
যেভাবে এর সমন্বয় জাবেদা হবে-
বিক্রয় হিসাব----------ডে.------৫০০০ টাকা
(বিক্রয় একটি আয় আর বিক্রয় থেকে মুনাফা বিহীন বিক্রয় বাদ দিলে আয় হৃাস পাবে আর আয় হৃাস পেলে ডে. হয়)
ক্রয় হিসাব----------ক্রে.-------৫০০০ টাকা
(ক্রয় একটি ব্যয় আর ক্রয় থেকে মুনাফা বিহীন বিক্রয় বাদ দিলে ব্যয় হৃাস পাবে আর ব্যয় হৃাস পেলে ক্রে. করা হয়।
19/03/2023
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রহমতে সকল বিষয় গুলো সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ করতে পেরেছি এবং সুন্দর ভাবে সপ্নপুরী পার্ক সফর করে এসেছি ছাত্রদের নিয়ে।❤️❤️❤️❤️
12/03/2023
হিসাব সমীকরণ
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি
05/03/2023
দু তরফা দাখিল পদ্ধতি হিসাববিজ্ঞানের একটি হিসাব সংরক্ষন পদ্ধতি যাতে এক পক্ষ সুবিধা গ্রহণ করবে এবং অপর পক্ষ সুবিধা প্রদান করবে। লেনদেন এর এ দুটি পক্ষকে হিসাব খাত বলা হয়। যেমন ৫০০০/- টাকা আয় করা হল। এটি লিপিবদ্ধ করার সময় একপক্ষ নগদান হিসাব এবং অপর দিকে সংশ্লিষ্ট আয় হিসাব ক্রেডিট হবে। নামকরণ ইংরেজি Journal শব্দটি ফার্সি Jour(জার) শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। jour শব্দের অর্থ দিবস বা দিন। ইংরেজি Journal শব্দের অর্থ Day book বা দৈনিক হিসাবের বই। প্রতিদিন লেনদেনসমূহ journal এ লিপিবদ্ধ করা হয় বলে সম্ভবত এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
#জাবেদা শেখার সহজ উপায় 😱
জাবেদা শেখার সহজ উপায় হচ্ছে, হিসাব সমীকরণের উপাদানগুলো ভালভাবে বুঝা ও লেনদেনের পক্ষ সমূহের ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয় করতে জানা। এ ২টি ভালভাবে বুঝতে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে হিসাববিজ্ঞান কার্যক্রম শুরু হয় জাবেদা দিয়ে। জাবেদা হচ্ছে হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়ার সর্বপ্রথম ধাপ। তাই জাবেদা দাখিলা সঠিক ও শুদ্ধ হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।
☑ জাবেদা শেখার সহজ উপায় ও ধাপসমূহ
জাবেদা শিখতে হলে আমাদের ২টি বিষয় জানতে হবে,
১) হিসাব সমীকরণ এবং
২) লেনদেনের পক্ষসমূহের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়।
প্রথমে জানি হিসাব সমীকরণ সম্পর্কে, হিসাব সমীকরণ ধারণার উপর ভিত্তি করেই সম্পূর্ণ হিসাববিজ্ঞান।
➤ হিসাব সমীকরণ
হিসাব সমীকরণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, সম্পূর্ণ ব্যবসায়কে একটি সম্পদ ধরা হয় এবং এর মালিকানা ২ ভাগ হবে। এক ভাগ, প্রতিষ্ঠানের মালিকের যিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং মূলধন সরবরাহ করেন। অপর ভাগ, যিনি অত্র প্রতিষ্ঠানে কোন ঋণ প্রদান করেন। যেমন, ঋণদাতা ব্যাংক, ঋণদাতা বন্ধু, পাওনাদার ইত্যাদি।
☑ মৌলিক হিসাব সমীকরণটি হচ্ছে,
A = L + OE
এখানে,
A = (Asset) সম্পদ
L = (Liabilities) দায়
OE = (Owners Equity) মালিকানা সত্ত্ব
মনে রাখবেন, হিসাব সমীকরণের বামপাশ হচ্ছে ডেবিট (Debit) এবং ডানপাশ হচ্ছে ক্রেডিট (Credit)
মালিকের অংশ অর্থাৎ (Owners Equity) OE হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের মূলধন (Capital)। এর সাথে প্রতিষ্ঠানের লাভ/ মুনাফা (Revenue) যোগ (+) হবে এবং ব্যয় বা উত্তোলন (-) বাদ হবে।
☑ অতএব, সমীকরণটি বিস্তারিত করলে যেমন হবে,
A = L + (C + R – E – D)
এখানে,
A = (Asset) সম্পদ
L = (Liabilities) দায়
C = (Capital) মুলধন
R = (Revenue) আয়
E = (Expense) ব্যয়
D = (Drawing) উত্তোলন
☑ হিসাব সমীকরণের বাম পাশ ডেবিট (Debit):
যেহেতু, Expense এবং Drawing এর পূর্বে (-) বিয়োগ চিহ্ন অর্থাৎ এগুলো বাদ হবে, তাই হিসাব সমীকরণের বাম পাশের পক্ষ ধরে নিতে হবে।
সুতরাং বাম পাশের পক্ষগুলো হচ্ছে A, E এবং D যেগুলো স্বাভাবিকভাবে ডেবিট (Debit)
A = (Asset) সম্পদ
E = (Expense) ব্যয়
D = (Drawing) উত্তোলন
☑ হিসাব সমীকরণের ডান পাশ ক্রেডিট (Credit)
হিসাব সমীকরণের ডান পাশের পক্ষগুলো হচ্ছে, L, C এবং R যেগুলো স্বাভাবিকভাবে ক্রেডিট (Credit)
L = (Liabilities) দায়
C = (Capital) মুলধন
R = (Revenue) আয়
এবার আমরা জানব কিভাবে লেনদেনের বিভিন্ন পক্ষের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয় করবেন।
➤ হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়
কোন লেনদেনে ২টি পক্ষের মধ্যে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে থাকে। এই হ্রাস-বৃদ্ধি কে ডেবিট ও ক্রেডিট দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।
কোন পক্ষগুলো স্বাভাবিকভাবে ডেবিট ও কোন পক্ষগুলো ক্রেডিট। ডেবিট পক্ষগুলো হ্রাস পেলে বিপরীত হবে, অর্থাৎ ক্রেডিট হবে। আবার, ক্রেডিট পক্ষগুলো হ্রাস পেলে ডেবিট হবে।
উদাহরণস্বরুপ ২ টি লেনদেনের পক্ষ সমূহের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয় করার চেষ্টা করি:
☑ Example 1: Salary Expense 10000 tk. (বেতন প্রদান করা হয়েছে ১০,০০০ টাকা)
All MCQ Test with Note - নোট সহ এমসিকিউ পরীক্ষার প্রস্ততি
একটু খেয়াল করুন, বেতন প্রদান ব্যবসায়ের একটি ব্যয় (Expense) এবং কর্মচারীকে বেতন প্রদান করলে ব্যবসায়ের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে । স্বাভাবিকভাবে ব্যয় (E) ডেবিট, তাই এক্ষেত্রে বেতন হিসাব ডেবিট হবে।
অপরদিকে, বেতন হিসেবে নিশ্চয় কর্মচারীকে নগদ টাকা প্রদান করা হচ্ছে। নগদ ব্যবসায়ের একটি সম্পদ (Asset) যেটি স্বাভাবিকভাবে ডেবিট হয়। কিন্তু এখানে নগদ হ্রাস পাচ্ছে। তাই, এটি ডেবিট না হয়ে বিপরীত হবে অর্থাৎ ক্রেডিট (Credit) হবে।
অতএব, জাবেদা দাখিলা হবে,
Salary expense- Debit (বেতন হিসাব – ডেবিট)
Cash A/C – Credit. (নগদান হিসাব – ডেবিট)
☑ Example 2: Cash Sales 50000 tk. (নগদে বিক্রয় ৫০,০০০ টাকা):
এখানে, বিক্রয় ব্যবসায়ের প্রধান আয় (Revenue) এবং বিক্রয় বৃদ্ধি পাচ্ছে । আয় (R) বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট, তাই এক্ষেত্রে বিক্রয় হিসাব- ক্রেডিট।
অপরদিকে, নগদে বিক্রয়ের কারণে ব্যবসায়ে নগদ অর্থের আগমন ঘটেছে। নগদ অর্থ একটি সম্পদ (Asset) যেটি এখানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্পদ (Asset) বৃদ্ধি পেলে – ডেবিট। তাই, নগদান হিসাব – ডেবিট (Debit)।
অতএব, জাবেদা দাখিলা হবে,
Cash A/C- Debit (নগদান হিসাব – ডেবিট)
Sales A/C- Credit. (বিক্রয় হিসাব – ক্রেডিট)
এবার আপনি নিজেই জাবেদা তৈরি করতে পারবেন।
All MCQ Test with Note - নোট সহ এমসিকিউ পরীক্ষার প্রস্ততি
➤ কিভাবে জাবেদা দাখিলা তৈরি করবেন:
জাবেদা দাখিলা লেখার জন্য, জাবেদার নির্ধারিত ছকটি তৈরি করে নিবেন।
☑ জাবেদার ছক তৈরি করুন
জাবেদার ছকে ৫টি কলাম থাকে। কলামগুলো নিম্নরুপ,
1. লেনদেনের তারিখ
2. হিসাবের নাম ও বর্ণনা
3. খতিয়ান পৃষ্ঠা বা রেফারেন্স
4. ডেবিট (টাকা)
5. ক্রেডিট (টাকা)
☑ জাবেদা দাখিলা বর্ণনাসহ লিখুন
এবার লেনদেনগুলো বিশ্লেষন করে, ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয় করে জাবেদা লিখুন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি সঠিকভাবে জাবেদা তৈরি করতে পারবেন।
ক. লেনদেনটি বাছাই করুন
খ. লেনদেনের প্রভাবগুলো সনাক্ত করুন।
গ. লেনদেনের প্রভাব অনুসারে ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয় করুন
ঘ. তারিখ লিখুন
ঙ. হিসাবের নামের কলামে, লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ আলাদা লাইনে লিখুন।
চ. খতিয়ান পৃষ্ঠা নম্বর লিখুন
ছ. ডেবিট ও ক্রেডিট টাকার পরিমাণ লিখুন।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
উপকৃত হলে পরের সকল পোস্টের নোটিফিকেশন পেতে অবশ্যই ফলো করবেন। ধন্যবাদ
28/02/2023
Alhamdulillah, সবার ভালোবাসাতে এগিয়ে যেতে চাই ❤️❤️❤️❤️❤️❤️