18/04/2024
নম্বর প্লেটের বিন্যাস:
গাড়ির নম্বর প্লেট দুটি অংশে বিভক্ত:
প্রথম অংশ:
এটিতে একটি বা দুটি বর্ণ থাকে যা গাড়ির ধরন নির্দেশ করে।
কিছু উদাহরণ:
ক: ৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
খ: ১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার
গ: ১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
চ: মাইক্রোবাস
জ: বাস (মিনি)
হ: ৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক
ল: ১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক
ঘ -jeep Gari
ন--pickup
থ-cng
প--taxi cab
ড--truck
ম-- pickup (delivery)
ট--bus (big)
ঝ-Bus (coaster)
হ-80-125 cc motorbike
টি-Truck (big)
ল - 135-200 cc motorbike
ঠ - Double cabin pickup
ই-Truck (vault)
দ্বিতীয় অংশ:
এটিতে একটি সংখ্যা এবং একটি বর্ণ থাকে যা গাড়ির নির্দিষ্ট সনাক্তকরণ নম্বর।
নম্বর প্লেটের রঙ:
সাদা: ব্যক্তিগত যানবাহন
হলুদ: বাণিজ্যিক যানবাহন
কালো: সরকারি যানবাহন
লাল:
রাষ্ট্রপতি,
প্রধানমন্ত্রী,
স্পীকার,
বিচারপতি এবং
অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গাড়ি।
Everyone Followed
Md lukman Chowdhury 002
10/02/2024
আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ এটা অনুসরণ করতেন, আপনি (যদি শিক্ষক হন) একটু চেষ্টা করবেন।
Md lukman Chowdhury 002
03/02/2024
"যে গ্রামের লোকেরা কখনও আদালতে যায় না"
নাটোরের সিংড়া উপজেলার হুলহুলিয়া গ্রাম। এই গ্রামে দুশো বছরের ইতিহাসে কখনো পুলিশ ঢোকেনি। কোন মামলা আদালয়ে যায়নি। এ গ্রামে আলাদা একটা গণতান্ত্রিক প্রথা চালু আছে। গ্রামের নিজেস্ব সংসদ ভবন আছে, আদালত আছে। ১৯৫৭ সালে গঠিত তাদের নিজেস্ব সংবিধান আছে। ১১ টা পাড়া নিয়ে এ গ্রাম গঠিত। তারা নিজেদের উন্নয়ন নিজেরা করে। নিজেস্ব সংসদীয় কমিটি আছে যারা গ্রামকে নিয়ন্ত্রণ করে। অসাধারণ সভ্য একটা গ্রাম। এ গ্রামের একটা রাজধানি আছে। এখানে বাল্য বিবাহ নেই, যৌতুক নেই।
এ গ্রামের ইতিহাসে কখনো মারামারি হয়নি। জমি নিয়ে বিরোধ বা কোন কিছু নিয়ে বিরোধ হলে তারা নিয়মতান্ত্রিক নিজেস্ব আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তি করে। তারা বাংলাদেশ সরকারকে আলাদা কর্ম চাপে ফেলে দেয়না। প্রতিটা জমির খাজনাপাতি ঠিক সময়ে পরিশোধ করে।। এ গ্রামে কখনো হত্যাকান্ড ঘটেনি। সবাই শিক্ষিত। তারা কেউ কেউ ফসল ফলায়, বিদেশে থাকে, অথবা চাকুরী করে। এ গ্রামে শিক্ষিতর হার ১০০%।
এটা ভাবতেই অবাক হয়ে যাচ্ছি এত সুন্দর মানুষ আছে এ দেশে! এত সুন্দর গ্রাম আছে! গ্রামের চারপাশে চলনবিল এর ভেতর দিয়েই একটা সভ্য জাতী গড়ে উঠেছে কেউ তা টের পায়নি!--(সংগৃহীত)।
Md lukman Chowdhury 002
31/01/2024
ফসলের ডাক
৭ম শ্রেণি
স্থানীয় কৃষকের সাক্ষাতকার ও তথ্য সংগ্রহ।
আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়
31/01/2024
আমাদের বক্কর
- শ.ম. শহীদ
আমাদের বক্কর-
চেনে নাতো অক্ষর,
তবু বলে- পারিস তো-
ইংলিশে টক কর!’
ইংরেজি শুনে তার-
এমএ পাশ মানে হার।
হাত জোড় করে বলে-
‘স্টপ ইট! লক কর!
আমাদের বক্কর-
জানে নানা ফক্কর
বেশ-ভূষা দেখে তার-
মাথা দেয় চক্কর!
সরকারি দল করে-
তাই নিয়ে বল করে
কেবা আছে তল্লাটে-
ওকে দেয় টক্কর!
26/01/2024
সকাল সকাল ঘুমিয়ে যারা
সকাল সকাল ওঠে,
সুস্থ,সবল, নীরোগ শরীর
কেবল তাদের জোটে।
Md lukman Chowdhury 002
12/01/2024
ঠান্ডায় জমে গেছে বাইরে শুকাতে দেয়া ভেজা কাপড়। ছবিটি ১৯৫০ এর দশকে তোলা।
Md lukman Chowdhury 002
11/01/2024
সবার সুখে (মূল কবিতা- শিশুর সংকল্প)
__জসীম উদ্দীন
লেখা পড়া শিখবো মাগো কিনবো নাকো গাড়ি,
গড়বো নাকো মন্ত বড় আকাশ ছোঁয়া বাড়ি,
সবার সাথে মিশবো বলে থাকবো সবার সনে,
গাছের তলে ঘর বাঁধিয়ে মিলবো যে ভাই-বোনে।
সবার মুখে হাসবো আমি কাঁদবো সবার দুখে,
নিজের খাবার বিলিয়ে দিবো অনাহারীর মুখে।
আমার বাড়ি ফুল বাগিচা,ফুল সকলের হবে,
আমার ঘরে মাটির প্রদীপ, আলোক দিবে সবে।
আমার বাড়ি বাজবে বাঁশি,সবার বাড়ির সুর,
আমার বাড়ি সবার বাড়ি,রইবে না ক দুর।
Md lukman Chowdhury 002
27/12/2023
পূর্ব পাকিস্তান আমলের 'সবুজ সাথী' বইয়ের 'খোকা খুকু লড়বে' কবিতাটির রচয়িতা বাংলাদেশী সাহিত্যিক খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন (১৯০১-১৯৮১)। এই বইয়ে কবিতাটি ঈষৎ পরিবর্তিত রূপে ছাপা হয়েছে, যা এই পাতার নিচে লেখা রয়েছে। সেই সময়ের ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এই কবিতা পড়ত।
Md lukman Chowdhury 002
24/12/2023
১৫-১৭ শতকের দিককার ইউরোপের অভিজাত বংশীয় নারীরা রাস্তাঘাটের কাদা ও মাটি থেকে নিজেদের পোশাক ও শরীর পরিষ্কার রাখতে এত উঁচু স্যান্ডেল পরতেন। এগুলোর নাম শোপিন (Chopine)। বিশেষ করে ভেনিসের উচ্চবংশীয় নারীদের মাঝে এটি বেশি জনপ্রিয় ছিল। যার শোপিন যত উঁচু, তার সামাজিক মর্যাদা, অর্থবিত্ত, প্রভাব-প্রতিপত্তি তত উঁচুতে বোঝানো হতো! লাতিন আমেরিকায় ইউরোপীয় নি র্যা ত নের ইতিহাস।
22/12/2023
কচুর ডগা!
যার আন্তর্জাতিক মূল্য ৭.৯৯ ডলার (প্রায় ৯০০ টাকা)। তবে স্থানবদলের মধ্যে দিয়ে আপনিও রাস্তার মোড়ে পড়ে থাকা কচুরডগার মতো মূল্যহীন, যদি সুপ্তথাকা প্রতিভা সঠিক স্থানে প্রদর্শন করতে না পারেন!
বর্তমানে যে স্থানে আছেন তাতে যদি মূল্যহীন হয়ে থাকেন, অথবা আপনার যোগ্যতার অবমূল্যায়ন হচ্ছে বলে মনে করেন তাহলে সুযোগ বুঝে স্থান পরিবর্তন করে ফেলুন। তবেই সুপার শপের কচুরডগার মতো মূল্য বেড়ে যায়।
Md lukman Chowdhury 002
20/12/2023
আমার ১৮ বছরের সুইজ জীবনে একটা মজার জিনিস দেখলাম সেটা হইলো পৃথিবীর সব দেশ আমাদের নিচে। কারন সবগুলা দেশই আমাদের জন্য কাজ করে। আমাদের কিছু করতে হয়না।
আমরা সুইজরা কাজকর্ম নিয়ে এতটাই বিজি যে ওই সময়টা আমাদের হয়না। আপনেদের মত আজাইরা খায়া গজাইরা মারিনা। একটা প্রমান দিলাম। আজকে টাটকা পাইয়া এক বক্স কাঠল কিনে আনছি। যারা ইংলিশ শিখছেন একটু দেখেন উপরে কিন্তু লেখা আছে যে থাইল্যান্ড থেকে কাঠলটা পাঠাইছে। একদম টাটকা আর হেলদি। কারন এটা কিন্তু মিঠা না। চিনি নাই ই বলতে গেলে। বাংলাদেশের মানুষ চিনি খায় তাই তাদের কাঠলও হয় মিঠা। ফলে অল্প বয়সেই তাদের ডায়বেটিসে ধরে যায়। আমি মনে করি চিনি খেলেই যে মুখের ভাসা ভালো হয়ে যাবে তা না। মনটাও ফ্রেশ হওয়া দরকার। নাকি?
ওসমান গণি
সুইজারল্যান্ড প্রবাসী।
Md Lukman Chowdhury