দারুল ক্বুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা

দারুল ক্বুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা শরীয়া বাদ দিয়ে যখন ব্যক্তিপুজায় উজ্জ্বিবিত হয়,তখন অনেক বাস্তবতাকেও অস্বিকার করতে আমরা বাধ্য হয়

গনতান্ত্রিক ও সেকুলার নামধারী মুসলিমরা দেখতে পারেন
14/09/2026

গনতান্ত্রিক ও সেকুলার নামধারী মুসলিমরা দেখতে পারেন

প্রশ্ন:- তাওহীদ কত প্রকার? এই প্রকারভেদ কী বিদয়াহ? তাওহীদুল হাকিমিয়্যা কী?

উত্তর:- কুরআন সুন্নাহ কোথাও তাওহীদের প্রকারভেদ উল্লেখ নেই। প্রতি যুগের রব্বানী আলেমগন মানুষকে তাওহীদের মর্মকথা ভালোভাবে বুঝানোর জন্য তাওহীদের প্রকারভেদ করেছেন।

কেউ তার যুগ অনুযায়ী দুই ভাগ করেছেন! আবার কেউ তার সময়ের মানুষের অবস্থাভেদে তিনভাগ করেছেন আবার কোন যুগে তাওহীদের কোন অংশে মানুষ শিরক বেশি করছে তার প্রতি লক্ষ্য করে ভিন্ন প্রকার বের করেছেন।

সুতরাং কুরআন সুন্নাহ তে নির্দিষ্ট কোন প্রকার বা সংজ্ঞায়ন নেই। তবে এইগুলো বিদয়াত বলা যাবে না। সব শাস্ত্রের পরিভাষা/ প্রকারভেদ নতুন তৈরি যা রাসুল সা: এর জামানায় ছিল না।

তবে বর্তমানে অধিকাংশ কিতাবাদীতে তাওহীদ কে তিনভাগে ভাগ করেছেন।

(১) توحيد الربوبية - তাওহীদুর রবুবিয়্যা
(২) توحيد الألوهية - তাওহীদুর উলুহিয়্যা
(৩) توحيد الأسماء و الصفات - তাওহীদুল আসমা ওয়াছ সিফাত।

এই তিন ভাগে বিভক্ত করা মূলত নসসমূহের ইস্তিকরা (استقراء) বা সামগ্রিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে করা হয়েছে। এটি কোনো নতুন আকীদা বানানো নয়

আর তাওহীদুল হাকিমিয়া মুল তাওহীদুত তাশরী
অর্থাৎ বিধান প্রণয়ন / জীবনব্যবস্থার প্রবর্তক মূলত মহান রব্বুল আলামিন।

إفراد الله تعالى بالحكم والتشريع، واعتقاد أن الحكم الشرعي حق لله تعالى

অর্থ:
“আল্লাহ তাআলাকে হুকুম ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে একক মানা এবং এ বিশ্বাস রাখা যে, শরিয়তসম্মত বিধান নির্ধারণের অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার।”

আরও সহজভাবে:

“হুকুম ও শরিয়ত প্রণয়নের একচ্ছত্র অধিকার আল্লাহর—এটা বিশ্বাস করা এবং এ ক্ষেত্রে তাঁকে একক মানাই তাওহীদুল হাকিমিয়্যাহর অর্থ।”

যেহেতু বর্তমান পৃথিবীতে বিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে আল্লাহ কে বাদ দিয়ে মানব রচিত আইন দ্বারা মানুষ পরিচালিত হচ্ছে যা স্পষ্ট কুফরে আকবার। তাই মানুষ কে বুঝানোর জন্য তাওহীদুল হাকিমিয়্যা নামে নতুন পরিভাষা বানানো হয়েছে।

অতএব, আল্লাহ তাআলার বিধান ও হুকুমকে সর্বোচ্চ ও চূড়ান্ত বিধান হিসেবে বিশ্বাস করা তাওহীদেরই অংশ। মানুষকে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য “তাওহীদুল হাকিমিয়্যাহ” নামে পৃথকভাবে আলোচনা করা যেতে পারে।

১. আয়াত:
إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ
“হুকুম একমাত্র আল্লাহরই।”
—সূরা ইউসুফ: ৪০।

২. হাদীস:
আদী ইবনু হাতিম (রা.)-কে নবী ﷺ বলেন, ইহুদিরা তাদের আলেমদের ইবাদত করত না; তারা যখন কোনো হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করত, তখন তারা তা মেনে নিত।
أَمَا إِنَّهُمْ لَمْ يَكُونُوا يَعْبُدُونَهُمْ، وَلَكِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا أَحَلُّوا لَهُمْ شَيْئًا اسْتَحَلُّوهُ، وَإِذَا حَرَّمُوا عَلَيْهِمْ شَيْئًا حَرَّمُوهُ
—সুনানুত তিরমিযী, ৩০৯৫। আলবানী এটিকে হাসান বলেছেন।
৩. আলেমের স্পষ্ট বক্তব্য—ইমাম শানকীতী (রহ.):
فالإشراك بالله في حكمه كالإشراك به في عبادته
“আল্লাহর হুকুমের ক্ষেত্রে তাঁকে শরিক করা তাঁর ইবাদতের ক্ষেত্রে তাঁকে শরিক করার মতো।”
—أضواء البيان، 7/150।

মুফতী আব্দুর রহমান ইবনে ওমর
মুহতামিম
দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা

10/09/2026

প্রশ্ন:-
وَلَا تَجۡهَرۡ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتۡ بِهَا وَٱبۡتَغِ بَیۡنَ ذَ ٰ⁠لِكَ سَبِیلࣰا
সুরা বনী ইসরাঈল, আয়াত নং ১১০

এই আয়াত দ্বারা অতি জোরে বা অতি আস্তে দু’টিই নিষেধ করছে। মাঝামাঝি পথ অবলম্বন করতে বলছে।
(১) অতি জোরে! এর পরিমাণ কতটুকু?
(২) অতি আস্তে! এর পরিমাণ কতটুকু?
(৩) মাঝামাঝি! এর পরিমাণ কতটুকু?”

উত্তর:-
অতি জোরে!
কুরআন পাঠকারী ইমাম এই পরিমাণ জোরে পড়বে যে
মুক্তাদীগন শুনতে পারবে। আর তার চেয়ে বেশি জোরে পড়লে সেটা অতি জোরে পড়া প্রমাণিত হবে। আর এটা উক্ত আয়াতের দ্বারা নিষিদ্ধ। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জোরে পড়া যাবে না।

উক্ত আয়াতের আলোকে হানাফী ফকীহগণ বলেছেন, ইমাম এমন উচ্চস্বরে কিরাআত করবেন না, যা মুসল্লিদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত।

১. السراج الوهاج-এর স্পষ্ট বক্তব্য
الإِمَامُ إِذَا جَهَرَ فَوْقَ حَاجَةِ النَّاسِ فَقَدْ أَسَاءَ.
ج 1، ص 329، دار إحياء الكتب العربية।
অর্থ:
“ইমাম যখন মানুষের প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্চস্বরে কিরাআত করেন, তখন তিনি অন্যায়/অসঙ্গত কাজ করেছেন।”
এটিই পরবর্তীকালের একাধিক হানাফী গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে।

২. فتاوى هندية-তে
ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-তে সরাসরি বলা হয়েছে:
وَإِذَا جَهَرَ الإِمَامُ فَوْقَ حَاجَةِ النَّاسِ فَقَدْ أَسَاءَ؛ لِأَنَّ الإِمَامَ إِنَّمَا يَجْهَرُ لِإِسْمَاعِ الْقَوْمِ لِيُدَبِّرُوا فِي قِرَاءَتِهِ لِيَحْصُلَ إِحْضَارُ الْقَلْبِ، كَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ.
অর্থ:
“ইমাম মানুষের প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্চস্বরে পড়লে তিনি অসঙ্গত কাজ করেছেন। কারণ ইমাম তো কেবল মুসল্লিদের শোনানোর জন্য জোরে পড়েন, যাতে তারা তাঁর কিরাআত নিয়ে চিন্তা করতে পারে এবং তাদের অন্তর একাগ্র হয়।”
— الفتاوى الهندية، ج ١، ص ٧٢

৩. البحر الرائق-এও একই কথা

ইবনু নুজাইম রহ. বলেন:
قَالُوا: وَلَا يُجْهِدُ الإِمَامُ نَفْسَهُ بِالْجَهْرِ، وَفِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ: الإِمَامُ إِذَا جَهَرَ فَوْقَ حَاجَةِ النَّاسِ فَقَدْ أَسَاءَ.
অর্থ:
“ফকীহগণ বলেছেন, ইমাম জাহরের ক্ষেত্রে নিজেকে অতিরিক্ত কষ্ট দেবেন না। আর السراج الوهاج-এ আছে: ইমাম মানুষের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জোরে পড়লে তিনি অসঙ্গত কাজ করেছেন।”
— البحر الرائق، كتاب الصلاة، ج ١، ص ٥٨٦

৪. ইবনু আবিদীন রহ.-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য
ইবনু আবিদীন রহ. تنبيه ذوي الأفهام-এ বিষয়টিকে আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করেছেন:
وَمِنْ ذَلِكَ ... رَفْعُ الصَّوْتِ زِيَادَةً عَلَى قَدْرِ الْحَاجَةِ... وَقَدْ صَرَّحَ فِي السِّرَاجِ بِأَنَّ الإِمَامَ إِذَا جَهَرَ فَوْقَ حَاجَةِ النَّاسِ فَقَدْ أَسَاءَ...
ج 1، ص 589، ط. سعيد।
অর্থ: “এর অন্তর্ভুক্ত হলো প্রয়োজনের পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত আওয়াজ উঁচু করা... কারণ السراج-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, ইমাম মানুষের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জোরে পড়লে তিনি অসঙ্গত কাজ করেছেন।”

৫. রূহুল বায়ানের ইসমাঈল হাক্কী رحمه الله-এর বক্তব্য:
فمن أمَّ في صلاة الجهر ينبغي له أن لا يجهر جهراً شديداً، بل يقتصر على قدر ما يسمعه من خلفه. قال في الكشف: لا يجهر فوق حاجة الناس وإلا فهو مسيء.
অর্থাৎ:
“যে ব্যক্তি জাহরী সালাতে ইমামতি করবে, সে যেন অতিরিক্ত জোরে কিরাআত না করে; বরং পেছনের মুসল্লিদের শোনার মতো পরিমাণে করবে। কাশ্ফে বলা হয়েছে: মানুষের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জোরে পড়বে না; অন্যথায় সে ‘মুসী’ (অন্যায়কারী) হবে।”

৬. ইমাম তাবারী তাঁর তাফসিরে ইবনু আব্বাস রা.-এর একটি দুর্বল সনদে বর্ণনা এনেছেন:
لَا تُعْلِنْ بِالْقِرَاءَةِ بِالْقُرْآنِ إِعْلَانًا شَدِيدًا ... وَلَا تُخَافِتْ بِالْقِرَاءَةِ بِالْقُرْآنِ ... وَابْتَغِ بَيْنَ ذَلِكَ سَبِيلًا ... لَا جَهْرًا شَدِيدًا، وَلَا خَفْضًا لَا تُسْمِعُ أُذُنَيْكَ.
অর্থ:
“কুরআন পাঠে অত্যধিক জোরে প্রকাশ করো না... আবার এমন নিচুও করো না যে নিজের কানকে শুনাতে পারো না; বরং এ দুয়ের মাঝামাঝি পথ অবলম্বন করো।”

তাফসীর আত-তাবারী, جامع البيان عن تأويل آي القرآن, সূরা আল-ইসরা, আয়াত ১১০, বর্ণনা নং ২৭৬

৭.
وَالْمُسْتَحَبُّ أَنْ يَجْهَرَ بِحَسَبِ الْجَمَاعَةِ، فَإِنْ زَادَ فَوْقَ حَاجَةِ الْجَمَاعَةِ فَقَدْ أَسَاءَ، كَمَا لَوْ جَهَرَ الْمُصَلِّي بِالْأَذْكَارِ، قَهْسْتَانِيٌّ عَنْ كَشْفِ الْأُصُولِ.
অর্থ:
“মুস্তাহাব হলো, জামাতের প্রয়োজন ও অবস্থা অনুযায়ী ইমাম উচ্চস্বরে কিরাআত করবেন। অতঃপর যদি জামাতের প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্চস্বরে পড়েন, তাহলে তিনি অনুচিত কাজ করেছেন। যেমন কোনো নামাজি যিকিরসমূহ অতিরিক্ত উচ্চস্বরে পড়লে। —ক্বাহস্তানী, كشف الأصول থেকে উদ্ধৃত করেছেন।”
রেফারেন্স:
حاشية الطحطاوي على مراقي الفلاح شرح نور الإيضاح، ص 253، دار الكتب العلمية، بيروت

এমন জোরে নয়, যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত হয়ে মুসল্লিদের কষ্ট বা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়; আবার এমন আস্তেও নয়, যাতে জাহরের ন্যূনতম সীমা অর্জিত না হয়। বরং প্রয়োজন ও পরিস্থিতি অনুযায়ী উপযুক্ত পরিমাণে আওয়াজ রাখা হবে।

মুফতী আব্দুর রহমান ইবনে
মুহতামিম।
দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা

08/09/2026

প্রশ্ন:- গোরস্থানের মধ্যে চলাচলের জন্য পৃথক রাস্তা থাকা স্বত্তেও জুতা সেন্ডেল বাহিরে রেখে যাওয়া আবশ্যক বা জরুরী মনে করা শরয়ী দৃষ্টিতে কেমন?

উত্তর:-
কবরের মধ্যে চলাচলের কয়েক টি অবস্থা হতে পারে।

(ক) স্বয়ং কবরের উপর দিয়েই চলাচল করা,চাই জুতা সেন্ডেল পায়ে থাকুক বা না থাকুক।

এটা না যায়েয।

রাসূল সা: বলেন।
لَأَنْ أَمْشِيَ عَلَى جَمْرَةٍ، أَوْ سَيْفٍ، أَوْ أَخْصِفَ نَعْلِي بِرِجْلِي، أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَمْشِيَ عَلَى قَبْرِ مُسْلِمٍ، وَمَا أُبَالِي أَوَسَطَ الْقَبْرِ قَضَيْتُ حَاجَتِي، أَوْ وَسَطَ السُّوقِ
অর্থ:
“জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর হাঁটা, অথবা তলোয়ারের ওপর হাঁটা, অথবা নিজের পায়ের সাহায্যে জুতা মেরামত করা—একজন মুসলিমের কবরের ওপর হাঁটার চেয়ে আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। কবরের মাঝখানে আমার প্রয়োজন পূরণ করা হলো, নাকি বাজারের মাঝখানে—এ ব্যাপারে আমি পরোয়া করি না।”

📚 সুনান ইবন মাজাহ, হাদিস ১৫৬৭। আলবানী র: বলেন,হাদীসটি সহীহ।

(খ) দুই কবরের মাঝখান দিয়ে চলা।
পায়ে জুতা সেন্ডেল থাকলে কিছু আলেম মাকরুহ বলছেন তবে ফিকহে হানাফীতে এটাও যায়েয।

(১) আবু হুরায়রা (রাঃ)- রাসূল সা: থেকে বর্ণনা করেছেন।
وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّهُ لَيَسْمَعُ خَفْقَ نِعَالِهِمْ حِينَ تُوَلُّونَ عَنْهُ مُدْبِرِينَ
“সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়, যখন তারা তার কাছ থেকে ফিরে যায়।”
—شرح معاني الآثار
, ১/৫১০, হাদিস ২৯০৯।

ইমাম ত্বহাবী র: এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

(২) আর উমদাতুল কারী-তে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে জুতা পরে কবরের মাঝে চলার অনুমতি আবু হানিফা رحمه الله-এর মত:
وهو قول ... أبي حنيفة ومالك والشافعي وجماهير الفقهاء
অর্থাৎ এটি ইমাম আবু হানিফা, মালিক, শাফেয়ী এবং অধিকাংশ ফকিহের মত।

(৩) ফতুয়ায়ে হিন্দিয়াতে আছে!

لا يُكْرَهُ المَشيُ في المقابر بالنعلين والخفين ونحوهما، وهو مذهب الحنفية ... الفتاوى الهندية (1/167)
অর্থাৎ:
জুতা, মোজা-জাতীয় পাদুকা ইত্যাদি পরে কবরস্থানে চলাচল করা মাকরূহ নয়—এটি হানাফি মাযহাবের
মত।
(৪) ফতুয়ায়ে শামীতে আছে
ولا يكره المشي في المقابر بالنعلين عندنا وكرهه أحمد، ولنا قوله صلى الله عليه وسلم: «وإنه ليسمع خفق نعالهم إذا انصرفوا»
অর্থ:
“আমাদের (হানাফিদের) নিকট কবরস্থানে জুতা পরে চলাচল করা মাকরূহ নয়। আর ইমাম আহমদ তা মাকরূহ বলেছেন। আমাদের দলিল হলো নবী ﷺ-এর বাণী: ‘নিশ্চয়ই সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়, যখন তারা ফিরে যায়।’”
রদ্দুল মুহতার, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৪৫

(৫) কুয়েতি الموسوعة الفقهية-ও হানাফিদের মত হিসেবে সরাসরি বলেছে:
ذهب الحنفية إلى أنه لا يكره المشي في المقابر بنعلين
এবং রেফারেন্স দিয়েছে:
البناية للعيني ৩/২৬১
حاشية الطحطاوي ص ৪১২
الفتاوى الهندية ১/১৬৭

(গ) গোরস্তানের মধ্য দিয়ে চলাচলের জন্য পৃথক রাস্তা আছে, তাহলে তাতে জুতা সেন্ডেল পায়ে দিয়ে চলাচল করতে কোন সমস্যা নেই।

(১) ইবনে উসাইমিন র: বলেন!
لا ينبغي المشي بين القبور بالنعال، وأما المشي بالنعال في المقبرة فلا بأس به لحديث: «يسمع قرع نعالهم»، ويجوز المشي بين القبور بالنعل للحاجة.
অর্থাৎ:
“কবরগুলোর মাঝখানে জুতা পরে হাঁটা উচিত নয়। তবে গোরস্থানের মধ্যে জুতা পরে হাঁটতে কোনো সমস্যা নেই—কারণ হাদিসে এসেছে, ‘সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়।’ আর প্রয়োজন হলে কবরগুলোর মাঝেও জুতা পরে হাঁটা জায়েয।
الكنز الثمين في سؤالات ابن سنيد
,পৃষ্ঠা ৬৫.প্রশ্ন নং ৩১৩

(২) শায়খ আবদুল্লাহ আত-তাইয়ার
তিনি আরও স্পষ্টভাবে মূল নীতিটি বলেছেন:
فالمشي بين القبور بالنعال خلاف السنة، والأفضل للإنسان أن يخلع نعليه إذا مشى بين القبور إلا لحاجة... هذا إذا كان يمر بين القبور، أما إذا لم يمرَّ بين القبور فلا يخلعها.
অর্থ:
“কবরগুলোর মাঝ দিয়ে জুতা পরে হাঁটা সুন্নতের খেলাফ। উত্তম হলো, কবরগুলোর মাঝে হাঁটার সময় জুতা খুলে ফেলা—তবে প্রয়োজন হলে ভিন্ন কথা... এটি তখনই, যখন সে কবরগুলোর মাঝ দিয়ে চলবে; কিন্তু যদি কবরগুলোর মাঝ দিয়ে না চলে, তাহলে সে জুতা খুলবে না।”

📚 শায়খ আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ আত-তাইয়ারের ফতোয়া, প্রশ্ন নং ১৪৭৬।

(৩). শায়খ আবদুর রহমান আল-জিবরীন (রহ.)
তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন:
فالحاصل أن هذا وإن أخذه بعض العلماء على ظاهره فالأظهر أنه لا يدل على المنع، والدليل الحديث المشهور ... «فإذا انصرفوا عنه وإنه ليسمع قرع نعالهم» ... فدل على أنهم يلبسون النعال... وهذا هو المشهور، أنه لا بأس بلبس النعال والأحذية...
অর্থ:
“সারকথা, যদিও কিছু আলেম হাদিসটিকে বাহ্যিক অর্থে নিয়েছেন, অধিকতর সঠিক মত হলো—এটি নিষেধ প্রমাণ করে না। কারণ প্রসিদ্ধ হাদিসে এসেছে, ‘তারা যখন তার কাছ থেকে ফিরে যায়, সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়।’ এতে বোঝা যায়, তারা জুতা পরেছিল... এটিই প্রসিদ্ধ মত—জুতা ও জুতা-জাতীয় পাদুকা পরায় কোনো সমস্যা নেই।”

আমাদের দেশে পৃথক রাস্তা থাকা স্বত্তেও জুতা সেন্ডেল বাহিরে রেখে যাওয়া আবশ্যক বা জরুরী মনে করে এটা ঠিক নয়।

মুফতী আব্দুর রহমান ইবনে ওমর
মুহতামিম
দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা

05/09/2026

সিরাতুন নবী সা: প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে
আমাদের দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসার জামাতে কাফিয়ার ছাত্র।

05/09/2026

প্রশ্ন:-
নবী সা: কিসের তৈরি,? মাটি নাকি নুরের?

প্রশ্নকারী:- রফিকুল ইসলাম
ছাত্র:- জামাতে কাফিয়া
দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা

উত্তর:-
“নবীজি ﷺ মানবজাতিরই একজন; আল্লাহ তাঁকে মানুষরূপে সৃষ্টি করেছেন। ‘নূর’ বলা হলে তা তাঁর হিদায়াত, মর্যাদা ও আধ্যাত্মিক জ্যোতির অর্থে বলা যেতে পারে; কিন্তু ‘নবী ﷺ নূর দিয়ে তৈরি’—এটি আকীদার প্রমাণিত বক্তব্য নয়।

দলীল:-
১. কুরআনের দুটি আয়াত
আয়াত–১
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰ إِلَيَّ
“বলুন, আমি তো তোমাদের মতোই একজন মানুষ; তবে আমার প্রতি ওহি করা হয়।”
—সূরা আল-কাহফ, ১৮:১১০

এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বিশেষভাবে তাবারী, বাগভী, কুরতুবী, সা‘দী ও ইবনু কাসীর—সকলের বক্তব্যের মূল কথা হলো:
نَبِيُّنَا ﷺ بَشَرٌ وَآدَمِيٌّ مِنْ بَنِي آدَمَ
“আমাদের নবী ﷺ মানুষ এবং আদমসন্তান।”

কিন্তু তাঁর বিশেষত্ব হলো:
إِلَّا أَنِّي خُصِّصْتُ بِالْوَحْيِ
“তবে আমি ওহির মাধ্যমে বিশেষভাবে মনোনীত।”

সুতরাং “নবী ﷺ মানুষ নন”—এ কথা এই আয়াতের সরাসরি বক্তব্যের বিপরীত। আবার “মানুষ” বলার অর্থ এই নয় যে তাঁর মর্যাদা সাধারণ মানুষের মতো; বরং মানবসত্তায় তিনি মানুষ, আর নবুওয়াত, ওহি, মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যে তিনি সমগ্র মানবজাতির শ্রেষ্ঠ

২.
হাদীস–১: সরাসরি “আমি মানুষ”

ইবনু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ সালাতে ভুল হওয়ার পর বললেন:
إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ أَذْكُرُ كَمَا تَذْكُرُونَ وَأَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ
“আমি তো তোমাদের মতোই একজন মানুষ; তোমরা যেমন স্মরণ করো আমিও স্মরণ করি, তোমরা যেমন ভুলে যাও আমিও ভুলে যাই।”
—সহীহ মুসলিম, ৫৭২।

এটি অত্যন্ত স্পষ্ট দলীল যে রাসূল ﷺ নিজেই নিজের بشرية (মানবসত্তা) ঘোষণা করেছেন।

৩.
উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন:
لَا تُطْرُونِي كَمَا أَطْرَتِ النَّصَارَى ابْنَ مَرْيَمَ، فَإِنَّمَا أَنَا عَبْدُهُ، فَقُولُوا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ
“তোমরা আমার প্রশংসায় এমন বাড়াবাড়ি করো না, যেমন খ্রিস্টানরা মারইয়ামের পুত্র ঈসার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করেছে। আমি তো তাঁর বান্দা। অতএব তোমরা বলো: আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।”
—সহীহ বুখারী, ৩৪৪৫।

এখানে নবী ﷺ নিজেই নিজের পরিচয় দিয়েছেন عبد الله ورسوله—“আল্লাহর বান্দা ও রাসূল” হিসেবে।

৪.
ইবনু হাজর আল-আসকালানী (রহ.)
ফাতহুল বারী-তে «إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ»-এর ব্যাখ্যায় বলেন:
الْمُرَادُ أَنَّهُ مُشَارِكٌ لِلْبَشَرِ فِي أَصْلِ الْخِلْقَةِ، وَلَوْ زَادَ عَلَيْهِمْ بِالْمَزَايَا الَّتِي اخْتَصَّ بِهَا
অর্থাৎ, এর উদ্দেশ্য হলো—তিনি মূল সৃষ্টিগত দিক থেকে মানুষেরই অন্তর্ভুক্ত, যদিও আল্লাহ তাঁকে এমন বহু বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য দিয়েছেন, যা অন্য মানুষের নেই।
ফাতহুল বারী ১৩/১৭৩

04/09/2026

প্রশ্ন:- যেই সমস্ত লাশ কবরে দাফন করা হয় না তাদেরকে ফেরেশতা কিভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে? যেমন বাঘ খেয়ে ফেলে বা পোড়ানো হয়।

প্রশ্নকারী:- জিয়াউল হক্ব। মধ্যপাড়া,চরসাদীপুর,কুমারখালী, কুষ্টিয়া।

উত্তর:-

লাশ দাফন করা হোক বা না হোক সে শাস্তি ও প্রশ্ন- উত্তর এর সম্মুখীন হবে। এই বিষয়ে বিস্তারিত নিচে ফকিহদের বক্তব্য দেওয়া হলো।

১. হানাফী — ইবনু আবী العزّ (রহ.)
তিনি شرح العقيدة الطحاوية-তে একেবারে সরাসরি বলেন:
فَكُلُّ مَنْ مَاتَ وَهُوَ مُسْتَحِقٌّ لِلْعَذَابِ نَالَهُ نَصِيبُهُ مِنْهُ، قُبِرَ أَوْ لَمْ يُقْبَرْ، أَكَلَتْهُ السِّبَاعُ أَوِ احْتَرَقَ حَتَّى صَارَ رَمَادًا وَنُسِفَ فِي الْهَوَاءِ، أَوْ صُلِبَ أَوْ غَرِقَ فِي الْبَحْرِ.
“যে ব্যক্তি আযাবের উপযুক্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, সে তার আযাবের অংশ অবশ্যই পাবে—তাকে দাফন করা হোক বা না হোক; হিংস্র প্রাণী তাকে খেয়ে ফেলুক, অথবা সে পুড়ে ছাই হয়ে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ুক, কিংবা শূলে চড়ানো হোক অথবা সমুদ্রে ডুবে যাক।”
এরপর বলেন:
وَصَلَ إِلَى رُوحِهِ وَبَدَنِهِ مِنَ الْعَذَابِ مَا يَصِلُ إِلَى الْمَقْبُورِ.
“দাফনকৃত ব্যক্তির কাছে যে আযাব পৌঁছে, তার রূহ ও দেহের কাছেও সেই আযাব পৌঁছে।”
রেফারেন্স:
ابن أبي العز الحنفي، شرح العقيدة الطحاوية، ص 391–396, مؤسسة الرسالة

২. মালিকী — ইমাম সাওয়ী (রহ.)
ইমাম সাওয়ী (রহ.) শরহুল জাওহারাতিত তাওহীদ-এ কবরের প্রশ্নের আলোচনা করতে গিয়ে বলেন:
وَيُجْمَعُ مَنْ تَفَرَّقَتْ أَجْزَاؤُهُ، أَوْ أَكَلَتْهُ السِّبَاعُ...
“যার দেহের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে অথবা যাকে হিংস্র প্রাণী খেয়ে ফেলেছে, তাকেও একত্রিত করা হবে।”
আর তিনি বলেন:
وَلَا مَانِعَ مِنْ ذَلِكَ.
“এতে কোনো বাধা নেই।”
রেফারেন্স:
الصاوي المالكي، حاشية الصاوي على شرح جوهرة التوحيد، ص 370–371. �

৩. শাফেয়ী — ইমাম নববী (রহ.)
ইমাম নববী (রহ.) শরহু সহীহ মুসলিম-এ বলেন:
وَلَا يَمْنَعُ مِنْ ذَلِكَ كَوْنُ الْمَيِّتِ تَفَرَّقَتْ أَجْزَاؤُهُ ... أَوْ أَكَلَتْهُ السِّبَاعُ أَوْ حِيتَانُ الْبَحْرِ.
“মৃত ব্যক্তির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অথবা হিংস্র প্রাণী কিংবা সমুদ্রের মাছ তাকে খেয়ে ফেলা—কোনোটিই এতে প্রতিবন্ধক নয়।”
তিনি আরও বলেন:
فَكَذَا يُعِيدُ الْحَيَاةَ إِلَى جُزْءٍ مِنْهُ أَوْ أَجْزَاءٍ وَإِنْ أَكَلَتْهُ السِّبَاعُ وَالْحِيتَانُ.
“তেমনিভাবে আল্লাহ তার কোনো একটি অংশ বা কয়েকটি অংশে জীবন ফিরিয়ে দিতে পারেন, যদিও তাকে হিংস্র প্রাণী বা মাছ খেয়ে ফেলে।”
তবে প্রশ্নের সময় তাকে যেভাবে বসানো হবে—এ বিষয়ে নববী (রহ.) সতর্কতা অবলম্বন করে বলেন:
فَيُحْتَمَلُ أَنْ يَكُونَ مُخْتَصًّا بِالْمَقْبُورِ دُونَ الْمَنْبُوذِ، وَمَنْ أَكَلَتْهُ السِّبَاعُ وَالْحِيتَانُ.
“হাদীসে বর্ণিত বসানোর বিষয়টি সম্ভবত দাফনকৃত ব্যক্তির জন্য বিশেষ; যে দাফন হয়নি এবং যাকে হিংস্র প্রাণী বা মাছ খেয়ে ফেলেছে, তার ক্ষেত্রে এমনটি নাও হতে পারে।”

রেফারেন্স:
النووي، شرح صحيح مسلم، 17/201.

৪. হাম্বলী — ইমাম মুহাম্মদ আস-সাফারীনী (রহ.)
হাম্বলী আলেম সাফারীনী (রহ.) لوامع الأنوار البهية-তে বলেন:
مَنْ لَمْ يُدْفَنْ مِنْ مَصْلُوبٍ وَنَحْوِهِ، يَنَالُهُ نَصِيبُهُ مِنْ فِتْنَةِ السُّؤَالِ وَضَغْطَةِ الْقَبْرِ.
“যাকে দাফন করা হয়নি—যেমন শূলে চড়ানো ব্যক্তি ও অনুরূপ ব্যক্তি—সে কবরের প্রশ্ন ও চাপের অংশ পাবে।”
এরপর তিনি ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)-এর বক্তব্য উদ্ধৃত করেন:
فَلَوْ أَكَلَتْهُ السِّبَاعُ، أَوْ حُرِقَ حَتَّى صَارَ رَمَادًا، أَوْ نُسِفَ فِي الْهَوَاءِ، أَوْ غَرِقَ فِي الْبَحْرِ، وَصَلَ إِلَى رُوحِهِ وَبَدَنِهِ مِنَ الْعَذَابِ مَا يَصِلُ إِلَى الْمَقْبُورِ.
“যদি হিংস্র প্রাণী তাকে খেয়ে ফেলে, অথবা তাকে পুড়িয়ে ছাই করে বাতাসে উড়িয়ে দেওয়া হয়, অথবা সে সমুদ্রে ডুবে যায়—তবুও তার রূহ ও দেহে সেই আযাবের অংশ পৌঁছবে যা দাফনকৃত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে।”
রেফারেন্স:
السفاريني الحنبلي، لوامع الأنوار البهية।

03/09/2026

প্রশ্ন:- মহান রব্বুল আলামীন আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন?

উত্তর :- আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন তার একত্ববাদ ঘোষণা দেওয়ার জন্য ও তাঁর ই একমাত্র ইবাদত বা আনুগত্য করার জন্য।

দলীল:- মহান রব্বুল বলেন:-

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
“আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য।”
রেফারেন্স: সূরা আয-যারিয়াত, ৫১:৫৬।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
এখানে لِيَعْبُدُونِ (লিয়াবুদূন) অর্থ—“যেন তারা আমার ইবাদত করে।” অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা জিন ও মানবজাতিকে তাঁর তাওহীদ, আনুগত্য ও ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।
ইমাম ইবনু কাসীর (রহ.) বলেন:
أي: إنما خلقتهم لآمرهم بعبادتي، لا لاحتياجي إليهم.
অর্থাৎ, “আমি তাদের সৃষ্টি করেছি তাদেরকে আমার ইবাদতের নির্দেশ দেওয়ার জন্য; তাদের প্রতি আমার কোনো প্রয়োজনের কারণে নয়।”

রেফারেন্স: ইবনু কাসীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৫৬-এর তাফসীর।

আর ইবনু আব্বাস (রা.)-এর ব্যাখ্যা হিসেবে এসেছে:
إِلَّا لِيَعْبُدُونِ: إِلَّا لِيُوَحِّدُونِ
অর্থাৎ, “لِيَعْبُدُونِ-এর অর্থ হলো—তারা যেন আমার তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করে।”
📚 ইবনু জারীর আত-তাবারী, তাফসীরুত তাবারী, 22/392 (সূরা আয-যারিয়াত 51:56-এর তাফসীর)।

মুফতী আব্দুর রহমান ইবনে ওমর
মুহতামিম:- দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা
চরসাদীপুর কুমারখালী কুষ্টিয়া।

03/09/2026

মুহসিন উস্তায রাসুলে আরাবী সা: তার প্রিয়তমা স্ত্রী আম্মাজান উম্মে সালামা রা: কে দোয়া শিক্ষা দিচ্ছেন:-

রাসূল সা: তাঁকে বললেন তুমি বলো!-

اللهمَّ ربَّ النَّبيِّ محمَّدٍ اغفِرْ لي ذنبي وأذهِبْ غَيظَ قلبي وأجِرْني مِن مُضِلّاتِ الفِتَنِ ما أحيَيْتَنا

হে আল্লাহ! হে নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতিপালক!
আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করুন।

আমার অন্তরের ক্রোধ ও ক্ষোভ দূর করে দিন এবং যতদিন আপনি আমাদের জীবন দান করেন।

ততদিন আমাদের বিভ্রান্তিকর ও পথভ্রষ্টকারী ফিতনাসমূহ থেকে নিরাপদে রাখুন।

সূত্র:- মাজমাউয যাওয়ায়েদ,১০/১৭৯
হাদীসটি হাসান।

01/09/2026

স্বপ্ন ছিল সীমাহীন! কিন্তু মানুষ সীমাবদ্ধ।
যতই স্বপ্ন দেখো! কিন্তু ভাগ্য ফলপ্রসূ না হলে সবই বৃথা। তারপরও রব বলছেন চেষ্টা করো।

30/08/2026

এতদ্বারা চরসাদীপুর ইউনিয়নের ক্বওমীর সম্মানিত উলামা ও ত্বলাবা এবং ইমামে মাসাজীদ ও খত্বীবগন সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে আগামী ৩/৯/২৬ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার "চরসাদীপুর ইউনিয়ন উলামা পরিষদ" এর কমিটি নবায়ন উপলক্ষে একটি জরুরী মিটিং এর আয়োজন করা হয়েছে।

ধর্মীয় কাজ সম্মিলিতভাবে করার জন্য ও জনসাধারণের কল্যাণে সবাই উক্ত মিটিংয়ে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
সময়: সকাল ৭ টা,
স্থান:- দারুল কুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা
কুরবানের গোরস্থান।

আদেশক্রমে:-

হাফেজ,মাওলানা, মুফতী দেলোয়ার হোসেন আল মাযহারী।
সাংগঠনিক সম্পাদক:-
কুষ্টিয়া জেলা উলামা পরিষদ
সভাপতি :-
কুমারখালী থানা উলামা পরিষদ

Adresse

ঘোষপুর কেন্দ্রিয় কবরস্থানন( কুরবান আলী মাস্টারের কবরস্থান) সাদীপুর, কুমারখালী, কুষ্টিয়া
Democratic Republic Of The
৮৫৬৩৪৫

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque দারুল ক্বুরআন ক্বওমী মাদ্রাসা publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager

Type