স্বপ্নের দেশ কানাডা নিয়ে কিছু কথা -
১.কানাডা অন্য ৮-১০টা উন্নত দেশের মতোই। কিছু ইউটিবার এটাকে রীতিমতো বেহেশত বানাই দিছে বিভিন্ন ভ্লগিং করে।
২.বর্তমানে কানাডায় জব আর হাউজ ক্রাইসিস চরম পর্যায়ে আছে। তাই, এসেই জব পেয়ে যাবেন, এরকম চিন্তা করে আসলে, ধরা খাবেন!
৩.শুনতে খারাপ লাগলেও বলি, ফুল ফান্ড স্কলারশিপ হোল্ডার বাদে, সবারই ফ্যামিলি সাপোর্ট লাগবে । তাই আপনার পরিবারের ওই সামর্থ আছে কি না সেটা বিবেচনা করে আসবেন।
৪.ভিজিটর ভিসায় এখানে এসে কোন লাভ নাই, যদি ওয়ার্ক পার্মিটে সুইচ করতে পারেন তাহলে অন্য কথা! যাদের লিগ্যালি কাজ করার পার্মিশন আছে তারাই জব পাচ্ছেনা এখন কানাডায়।
৫. আমার বা কারো কথায় প্রলুব্ধ হয়ে এতো বড় ডিসিশন নিতে যাবেন না!
নিজের ব্রেইন দিয়ে চিন্তা করে তারপর আসেন!
কারো কাছে খারাপ লাগলেও কিচ্ছু করার নাই!
This is the reality now!
Md Abdullah Al Numan
Vancouver, British Columbia!
Stories with Numan
This is Numan, an International student from Bangladesh living in Vancouver, Canada.
দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা-২
আমি আগের পোস্টে পয়েন্টস আকারে বিদেশে পড়াশোনার খুঁটিনাটি শেয়ার করেছিলাম!
এখন আস্তে আস্তে বিস্তারিত লিখব ।
দেশের বাইরে পড়াশোনা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ব্যাপার। আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে পড়াশোনার জন্য এইচএসসি শেষ হওয়ার আগেই ডিসিশন নিয়ে নিতে হবে।
আর গ্রাজুয়েট লেভেলের জন্য মোটামুটি ৩য় বর্ষের শেষের দিকে বা ৪র্থ বর্ষের শুরুর দিকে ডিসিশন নিয়ে আস্তে আস্তে প্রিপারেশন শুরু করে দেয়া উচিত।
এখন কথা হচ্ছে প্রিপারেশন শুরু করার ফার্স্ট স্টেপ কি?
উত্তর হচ্ছে আপনার নিজের যতো একাডেমিক ডকুমেন্টস আছে সেগুলাতে কোন ভুলত্রুটি থাকলে কারেকশন করা। আর ভুল না থাকলে পাসপোর্ট করে ফেলা (ভুল থাকলে কারেকশন করে পাসপোর্ট করবেন)। পাশাপাশি আপনার আব্বা-আম্মার কোন ডকুমেন্টস এর সাথে আপনার মিল না থা থাকলে সেটাও সঠিক করে নিবেন।
এরপর নিজের প্রায়োরিটি সেটা করা। মানে আপনি মূলত কোন দেশে পড়তে যাবেন সেটা ঠিক করা। কারণ প্রত্যেক দেশের এপ্লিকেশন,ভিসা প্রসেসিং এর সিস্টেম আলাদা থাকে। আমার কথা যদি বলি, আমার পছন্দক্রম ছিলো যথাক্রমে কানাডা,অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা,জার্মানি,ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম এরকম। যার যার ব্যক্তিগত পছন্দ থাকবেই। পাশাপাশি IELTS এর প্রিপারেশন শুরু করে দেয়া উচিত। যারা IELTS এর সাথে GRE/GMAT দিবেন, আমি সাজেস্ট করব, প্রথমে IELTS দেন, তারপর GRE/GMAT!
কারণ IELTS তুলনামূলক সহজ। IELTS এর প্রিপারেশন নিয়ে আরেকদিন বিস্তারিত লিখবো ইন শা আল্লাহ!
আপনার পছন্দের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গুগুলে সার্চ করলে অনেক ইনফো পাবেন, ওইগুলা নোট করে রাখা উচিৎ। তারপর পছন্দের ইউনিভার্সিটির লিস্ট করে, তাদের রিকোয়ারমেন্ট চেক করা। স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করা।
স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য কি ধরণের প্রোফাইল লাগে?
আমার মতে স্কলারশিপ শুধুমাত্র প্রোফাইল দিয়ে হয় না।
নিজের কপাল ও লাগে। আপনার চেয়েও খারাপ প্রোফাইল নিয়ে দেখবেন একজন ফুল ফান্ড পেয়ে গেছে, কিন্তু আপনি পান নি! হতাশ হবেন না।সবার রিজিক এক থাকেনা।
হ্যা, তবে ভালো একটা প্রোফাইল থাকলে ফান্ড পাওয়াটা একটু সহজ হয়!
প্রোফাইল বলতে কি শুধু সিজিপিএ?
নাহ! প্রোফাইল একটা প্যাকেজের মতো। ভালো সিজিপিএ + রিসার্চ এক্সপিরিয়েন্স+পেপার পাবলিকেশন +ভালো স্কোর( GRE+IELTS) +জব এক্সপিরিয়েন্স+ ভালো রিকমেন্ডেশন + ভালো SOP, সব কিছুর কমবিনেশনে একটা ভালো/ব্যালেন্সড প্রোফাইল হয়।
আমার পারসোনাল অবজারভেশন বলে যারা STEM এ আছেন, তাদের স্কলারশিপ ওপর্চুনিটি তুলনামূলক অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে। তবে Non STEM দের হতাশ হওয়ার দরকার নেই। দুনিয়াতে হাজার হাজার স্কলারশিপ রয়েছে।
আমি কয়েকটি স্কলারশিপ এর নাম দিচ্ছি যেগুলা সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয়। যেমন Commonwealth Scholarship, Chevening Scholarship, DAAD Scholarship, Erasmus Scholarlship, Australian Govt. Scholarship, American Full Bright Scholarship, Monubushu Scholarship etc. । এছাড়াও আমেরিকা, কানাডা,অস্ট্রেলিয়া,ইংল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসররা ফুল ফান্ডেড স্টুডেন্ট নিয়ে থাকেন TA/RA হিসেবে। সেগুলাও স্কলারশিপ এর মত।
গ্রাজুয়েট + পিএইচডি লেভেলে স্কলারশিপ পাওয়া তুলনামূলক সহজ আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলের চেয়ে।
স্কলারশিপ/ফুল ফান্ড পেলে খরচ তুলনামূলক অনেক কম হবে (কানাডা ব্যতিক্রম) ।
আজকে এটুকুই!
To Be Continued................
Md Abdullah Al Numan
Vancouver, British Columbia.
Please follow my page for more updates Stories with Numanদেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা-২
আমি আগের পোস্টে পয়েন্টস আকারে বিদেশে পড়াশোনার খুঁটিনাটি শেয়ার করেছিলাম!
এখন আস্তে আস্তে বিস্তারিত লিখব ।
দেশের বাইরে পড়াশোনা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ব্যাপার। আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে পড়াশোনার জন্য এইচএসসি শেষ হওয়ার আগেই ডিসিশন নিয়ে নিতে হবে।
আর গ্রাজুয়েট লেভেলের জন্য মোটামুটি ৩য় বর্ষের শেষের দিকে বা ৪র্থ বর্ষের শুরুর দিকে ডিসিশন নিয়ে আস্তে আস্তে প্রিপারেশন শুরু করে দেয়া উচিত।
এখন কথা হচ্ছে প্রিপারেশন শুরু করার ফার্স্ট স্টেপ কি?
উত্তর হচ্ছে আপনার নিজের যতো একাডেমিক ডকুমেন্টস আছে সেগুলাতে কোন ভুলত্রুটি থাকলে কারেকশন করা। আর ভুল না থাকলে পাসপোর্ট করে ফেলা (ভুল থাকলে কারেকশন করে পাসপোর্ট করবেন)। পাশাপাশি আপনার আব্বা-আম্মার কোন ডকুমেন্টস এর সাথে আপনার মিল না থা থাকলে সেটাও সঠিক করে নিবেন।
এরপর নিজের প্রায়োরিটি সেটা করা। মানে আপনি মূলত কোন দেশে পড়তে যাবেন সেটা ঠিক করা। কারণ প্রত্যেক দেশের এপ্লিকেশন,ভিসা প্রসেসিং এর সিস্টেম আলাদা থাকে। আমার কথা যদি বলি, আমার পছন্দক্রম ছিলো যথাক্রমে কানাডা,অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা,জার্মানি,ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম এরকম। যার যার ব্যক্তিগত পছন্দ থাকবেই। পাশাপাশি IELTS এর প্রিপারেশন শুরু করে দেয়া উচিত। যারা IELTS এর সাথে GRE/GMAT দিবেন, আমি সাজেস্ট করব, প্রথমে IELTS দেন, তারপর GRE/GMAT!
কারণ IELTS তুলনামূলক সহজ। IELTS এর প্রিপারেশন নিয়ে আরেকদিন বিস্তারিত লিখবো ইন শা আল্লাহ!
আপনার পছন্দের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে গুগুলে সার্চ করলে অনেক ইনফো পাবেন, ওইগুলা নোট করে রাখা উচিৎ। তারপর পছন্দের ইউনিভার্সিটির লিস্ট করে, তাদের রিকোয়ারমেন্ট চেক করা। স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করা।
স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য কি ধরণের প্রোফাইল লাগে?
আমার মতে স্কলারশিপ শুধুমাত্র প্রোফাইল দিয়ে হয় না।
নিজের কপাল ও লাগে। আপনার চেয়েও খারাপ প্রোফাইল নিয়ে দেখবেন একজন ফুল ফান্ড পেয়ে গেছে, কিন্তু আপনি পান নি! হতাশ হবেন না।সবার রিজিক এক থাকেনা।
হ্যা, তবে ভালো একটা প্রোফাইল থাকলে ফান্ড পাওয়াটা একটু সহজ হয়!
প্রোফাইল বলতে কি শুধু সিজিপিএ?
নাহ! প্রোফাইল একটা প্যাকেজের মতো। ভালো সিজিপিএ + রিসার্চ এক্সপিরিয়েন্স+পেপার পাবলিকেশন +ভালো স্কোর( GRE+IELTS) +জব এক্সপিরিয়েন্স+ ভালো রিকমেন্ডেশন + ভালো SOP, সব কিছুর কমবিনেশনে একটা ভালো/ব্যালেন্সড প্রোফাইল হয়।
আমার পারসোনাল অবজারভেশন বলে যারা STEM এ আছেন, তাদের স্কলারশিপ ওপর্চুনিটি তুলনামূলক অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে। তবে Non STEM দের হতাশ হওয়ার দরকার নেই। দুনিয়াতে হাজার হাজার স্কলারশিপ রয়েছে।
আমি কয়েকটি স্কলারশিপ এর নাম দিচ্ছি যেগুলা সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয়। যেমন Commonwealth Scholarship, Chevening Scholarship, DAAD Scholarship, Erasmus Scholarlship, Australian Govt. Scholarship, American Full Bright Scholarship, Monubushu Scholarship etc. । এছাড়াও আমেরিকা, কানাডা,অস্ট্রেলিয়া,ইংল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসররা ফুল ফান্ডেড স্টুডেন্ট নিয়ে থাকেন TA/RA হিসেবে। সেগুলাও স্কলারশিপ এর মত।
গ্রাজুয়েট + পিএইচডি লেভেলে স্কলারশিপ পাওয়া তুলনামূলক সহজ আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলের চেয়ে।
স্কলারশিপ/ফুল ফান্ড পেলে খরচ তুলনামূলক অনেক কম হবে (কানাডা ব্যতিক্রম) ।
আজকে এটুকুই!
To Be Continued................
Md Abdullah Al Numan
Vancouver, British Columbia.
Please follow my page for more updates Stories with Numan
দেশের বাইরে আসা অনেক দীর্ঘমেয়াদি একটা বিষয়!
অনেকগুলা Steps পার করতে হয়। আমি একে একে লিখছি সব।
১.লক্ষ ঠিক করা- আগে নিজের গোল সেট করে, সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করে আগাতে হবে। আমি ৬ মাস চাকুরীর পড়াশোনা করে পরে ডিসিশন নিয়েছি দেশে না বিদেশে যাবো। কেউ কেউ গ্রাজুয়েশন করার আগেই ডিসিশন নিয়ে ফেলেন। That’s Fine!
২.IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া-দেশের বাইরে পড়তে গেলে IELTS অত্যাবশক একটি ব্যাপার। মনে রাখবেন, IELTS শুধুমাত্র একটি Language Proficiency Test । IELTS ছাড়াও এরকম আরো অনেক ধরনের Test রয়েছে যেমন TOEFL, PTE,OIETC,DUOLINGO ইত্যাদি।
৩.আপনি কোনটা দিবেন?- IELTS সারা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
তাই IELTS বিশ্বের প্রায় সব জায়গায় এক্সেপট করে। TOEFL মূলত আমেরিকা,কানাডা বেজড আর PTE অস্ট্রেলিয়ার। কিন্তু বর্তমানে অনেক দেশে ৩টাই এক্সেপ্ট করে।
৪.IELTS এর জন্য কেমন প্রিপারেশন লাগে?- যাদের ব্যাসিক ভালো তাদের জন্য ২-৩ মাসের একটা প্রিপারেশনই এনাফ ৭-৭.৫ পাওয়ার জন্য। চাইলে কোথাও কোচিংও করতে পারেন। এক্সাম দেওয়ার আগে মক টেস্ট দিবেন মিনিমাম ৩-৪টা। British Council বা IDP Australia সাধারণত বাংলাদেশে IELTS পরীক্ষা নিয়ে থাকে তাদের বিভিন্ন সেন্টার এর মাধ্যমে।
৫.GRE না GMAT - GRE আমেরিকা,কানাডার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স(MS) করার একটি রিকুয়ারমেন্ট এক্সাম। আর GMAT, অনেক বিজনেস স্কুলগুলোতে MBA করার জন্য ওই ইউনিভার্সিটি থেকে চাওয়া হয়! তাই যারা Business School এ যেতে চান৷ GMAT রেকোমেন্ডেড।
৬.বিদেশে পড়তে আসার খরচ কি রকম?- এটা আসলে উত্তর করা কঠিন। স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে আসলে খরচ খুব বেশি হয়না। তাও IELTS, ইউনিভার্সিটি এপ্লিকেশন মিলিয়ে, এম্ব্যাসী ফি মিলিয়ে ১.৫- ২ লাখ তো মিনিমাম লাগে।
আর সেল্ফ ফান্ড আসলেই অনেক টাকার ব্যাপার!
এখন সেই এমাউন্টটা কতো তাহলে? এটা ডিপেন্ড করে আপনি কোন দেশে যাবেন, কোন সাবজেক্ট পড়তে যাবেন, ব্যাচেলর না মাস্টার্স না পিএইচডি কিসে যাবেন এসবের উপর। নরমালি হাংগেরি, জাপান,এস্তোনিয়া এসব দেশে তুলনামূলক কম খরচে পড়াশোনা করা যায়। অপরদিকে
কানাডা,অস্ট্রেলিয়া,আমেরিকা, ইংল্যান্ড বেশ এক্সপেনসিভ সেই তুলনায়! জার্মানি,ইতালি,ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ডে মাঝামাঝি খরচের মধ্যে পড়াশোনা করা যায়।
আজকে এই পর্যন্তই।
To be Continued..........
Md Abdullah Al Numan
Vancouver, British Columbia
Canada.
15.07.2023!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Vancouver
Vancouver, BC