Scholarship School BD

Scholarship School BD Scholarship School BD (SSBD) was founded on 14 June 2020.
(248)

Website: https://sschoolbd.wixsite.com/home
For higher studies, scholarship guidelines, and research tips join the FB group: www.facebook.com/groups/sschoolbd

Watch all our Higher Studies Videos in youtube:
https://youtube.com/scholarshipschoolBD It is a community that provides scholarship, research and leadership-management skill guidelines to Bangladeshi students.
***************************************
দেশের বাইরে স্কলারশিপ প্রত্যাশী বাংলাদেশী ছাত্র ছাত্রীদের যেকোন জিজ্ঞাসা, কৌতূহল ও তথ্য জানার জন্য এই গ্রূপটি। স্কলারশিপ সংক্রান্ত আপডেট লিংক, নিউজ, ও GRE/IELTS এর সাজেশন ও টিপস জানার জন্য জয়েন করুন ও ফ্রেন্ডদের ইনভাইট করুন। গ্রূপের লিঙ্ক: www.facebook.com/groups/sschoolbd/
************************************
দেশের বাইরে স্কলারশিপ সম্পর্কিত নিউজ ও লিংক, প্রফেসরকে ইমেইল করা, ইমেইলের টেমপ্লেট, সিভি/SOP টেমপ্লেট, ভোক্যাবুলারি ক্লাব, IELTS ও GRE রিডিং ক্লাব, স্পোকেন ক্লাব, পার্সোনালিটি, কনফিডেন্স বৃদ্ধির নানা রকমের একটিভিটি, প্রেজেন্টেশান স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেশন সহ আরও অনেক একটিভিটি চালু রয়েছে।
************************************
এটাই একমাত্র, অরিজিন্যাল Scholarship School BD গ্রূপ। আমাদের অন্য কোন শাখা বা গ্রূপ নেই। Website: https://sschoolbd.wixsite.com/home
************************************

08/19/2026

Every great research journey begins with curiosity — a question, an idea, or the desire to explore beyond existing knowledge.

The ASME IUT Student Chapter presents “From Curiosity to Discovery: How to Start Your Research Journey”, an insightful session designed to guide aspiring researchers toward beginning their research journey with clarity and confidence.

The session will be led by Dr. Md. Abu Shaid Sujon, Assistant Professor at IUT, who completed his PhD in Mechanical Engineering from the Technical University of Denmark (DTU). With research expertise in advanced materials, composite mechanics, polymer processing, and sustainable material systems, Dr. Sujon brings valuable academic and research experience to the session.

Join Dr. Sujon as he shares practical perspectives on initiating research and turning curiosity into meaningful academic exploration.

Date: 20th August 2026
Time: 8:15 PM
Platform: Google Meet

Fill out the form and book your spot:https://forms.gle/NYYk19rbPTGGg73J8

The Australian Government RTP Scholarship for 2026/2027 is now open! If you are dreaming of doing a fully funded Researc...
08/03/2026

The Australian Government RTP Scholarship for 2026/2027 is now open! If you are dreaming of doing a fully funded Research Master’s or PhD in Australia, this is your chance.

Quick Details:
-What it covers: Full tuition, stipend (living costs), and health insurance for Master's by Research and PhD programs.
-Who can apply: Bangladeshi students meeting university entry requirements.
-Deadline: Depends on the university—check your preferred university's website directly!

How to Apply:
-Choose a participating Australian university and find a research supervisor.
-Check their specific RTP criteria and required documents.
-Submit your application directly to the university before their deadline.
-Tag and share this with your friends and fellow researchers who want to study in Australia!

https://www.education.gov.au/research-block-grants/research-training-program

📢 Islamic University of Madinah Admissions Open for the Online Bachelor of Sharia Program with Scholarship Opportunities...
08/01/2026

📢 Islamic University of Madinah Admissions Open for the Online Bachelor of Sharia Program with Scholarship Opportunities for International Students (Academic Year 1448 AH) 🇸🇦

The Islamic University of Madinah, in cooperation with the King Abdullah bin Abdulaziz Endowment (Waqf) for His Parents, has announced the opening of applications for the Online Bachelor of Sharia Program for international male and female students.

🎓 Program Highlights

✅ Accredited Bachelor's degree awarded by the Islamic University of Madinah.

✅ Fully online (distance learning) study format.

✅ Study from anywhere in the world.

✅ Scholarship opportunities are available for eligible international applicants who meet the admission requirements.

🌍 Eligibility

International male and female students who satisfy the university's admission criteria are encouraged to apply.

📅 Application Period

26 July 2026 – 8 August 2026

⚠️ Important Information

Applications must be submitted within the specified application period.

Admission and scholarship awards are subject to the university's eligibility requirements and selection process.

Prospective students interested in pursuing Islamic studies through a flexible online learning platform are encouraged to submit their applications before the deadline.

© Higher Education Commission, Bangladesh

Share this opportunity with students and researchers interested in pursuing fully funded online degrees.


রাজমিস্ত্রীর ছেলে! আমেরিকায় গিয়ে এক সাবজেক্টে ফেল, স্কলারশিপ শেষ! ওমর ফারুকের জন্ম হয়েছিল এমন এক পরিবারে যেখানে একসময় অভ...
05/24/2026

রাজমিস্ত্রীর ছেলে! আমেরিকায় গিয়ে এক সাবজেক্টে ফেল, স্কলারশিপ শেষ!
ওমর ফারুকের জন্ম হয়েছিল এমন এক পরিবারে যেখানে একসময় অভাব ছিল না। দাদা মারা যাওয়ার আগে পর্যন্ত জমিজমা ছিল ধান চাল কিনতে হতো না। কিন্তু অসুস্থতার চিকিৎসা করতে করতে প্রায় সব জমি বিক্রি হয়ে যায়। আব্বা ছিলেন একমাত্র ছেলে। চার বোন, নিজের পরিবার সব দায়িত্ব একা কাঁধে নিতে নিতে জীবনটা খুব দ্রুতই কঠিন হয়ে ওঠে।
আব্বা খুব বেশি পড়াশোনা জানতেন না, হয়তো ক্লাস ফোর বা ফাইভ পর্যন্ত। কিন্তু আজও বিশ্বাস করি, আব্বাই ছিলেন আমার জীবনের সবচেয়ে ট্যালেন্টেড মানুষ। তিনি আমাকে শিখিয়েছেন মিথ্যা বলবা না, দুর্নীতি করবা না, দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করবা।
ছোটবেলায় অভাবের কারণে আমাকে ফুফুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ফুফুর কোনো ছেলে ছিল না। তাদের বাড়িতে থেকেছি, জমিতে কাজ করেছি, সবজি তুলেছি, বিক্রি করেছি, সংসারের কাজ করেছি। তখনও স্কুলে যাওয়া শুরু হয়নি। পরে সরাসরি ক্লাস ফোরে ভর্তি হই। মাত্র ছয়দিন স্কুলে গিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছিলাম।
ইংরেজি শিখেছি পুরোপুরি নিজের চেষ্টায়। এডুকেশন উচ্চারণ করতাম এডুকে টায়ন, এক্সামিনেশন উচ্চারণ করতাম এক্সামিনার টায়ন। শেখানোর মতো কেউ ছিল না। কিন্তু বাবা একটা জিনিস বলতেন বড় স্বপ্ন দেখাতে।
ছোটবেলা থেকেই বাবা খেলাধুলা করতে দিতেন না। উনার ভয় ছিল, কোথাও ইনজুরি হলে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য তো তার নেই। খুব সুন্দর করেই বুঝাতেন। যদি মাঠে খেলতে যেতাম, দূর থেকে আব্বার গম্ভীর ডাক আসত। একসময় এমন অবস্থা হলো পাড়ার ছেলেরাও খেলায় নিত না। বলত তোমার বাপ আবার আইসা নিয়ে যাইবো!
অন্যের বাবারা বাজার থেকে মাছমাংস নিয়ে ফিরতেন, আর আমার বাবা দিনমজুরি শেষে এক রিম কাগজ আর এক ডজন কলম নিয়ে ফিরতেন। বলতেন যাও একটা অংক করো। আশেপাশের কেউ উনাকে উৎসাহ দিত না। সবাই বলত এত পড়াইয়া লাভ কী? এত ছোট মানুষ চাকরি বাকরি কিছুই পাইবো না। গ্যারেজে কাজে দিয়ে দেন।
কিন্তু আমার বাবা হাল ছাড়েননি। আমি যদি বলতাম এত টাকা লাগবে আব্বা বলতেন গায়ের রক্ত বিক্রি করে হলেও তোমারে পড়ামু। আজ বুঝি হয়তো উনি জানতেন না শুধু টাকা দিলেই সব হয় না। কিন্তু উনার বিশ্বাস, উনার মোটিভেশন এগুলোই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তখন আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ারও সামর্থ্য ছিল না। ২৫-৩০ টাকার একটা বাল্ব জ্বালানোও কঠিন হয়ে যেত। তাই পাশের বাড়ির লাইটের নিচে দাঁড়িয়ে বই পড়তাম। নতুন বই কেনা তো দূরের কথা, আগের ক্লাসের বড় ভাইদের পুরনো বই নিয়েই পড়াশোনা চলত।
বর্ষাকালে যখন লেবারের কাজ থাকত না ঘরে অভাব থাকত তখনও রাতে ঘুমানোর আগে আব্বা বলতেন বাবা একটা গান গাও। একটা গানের লাইন আজও মনে আছে জীবনের পথ ভর উঁচু নিচু, চলতে গেলে ব্যথা পাবেই কিছু আজও জীবনের কঠিন সময়ে বাবা সেই কথাই মনে করিয়ে দেন।
ক্লাস এইটে ওঠার পর ভয়ংকর সিরিয়াস হয়ে পড়াশোনা শুরু করি। কারণ ছোটবেলা থেকেই দেখেছি কীভাবে দুর্বল মানুষের উপর সমাজ অত্যাচার করে। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে, ক্ষমতা দেখিয়ে, জমি দখল করে, অপমান করে। আমি দেখেছি আমার বাবাকে চুপচাপ সব সহ্য করতে। একসময় আমার ভেতরে ভয়ংকর রাগ জন্মেছিল। মনে হতো, এমন শক্তিশালী হতে হবে যেন কেউ আর কখনো আমাদের মতো মানুষকে অপমান করতে না পারে। পরে বুঝেছি, সত্যিকারের শক্তি ধ্বংসে না চরিত্রে।
এর মধ্যেই ভর্তি হলাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়াতে। গ্রামের একটা দরিদ্র পরিবারের ছেলের কাছে এই কলেজের ড্রেসটাই ছিল স্বপ্নের মতো। সকালে টিউশন পড়াতাম, কলেজ করতাম, রাতে আবার পড়তাম। আমাদের ঘরের অবস্থা এত খারাপ ছিল যে বৃষ্টি এলে ঘরের ভেতরে পানি পড়ত। মেট্রিক পাশ করার আগ পর্যন্ত জানতামই না ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে কী করতে হয়। কোনো মেন্টর ছিল না কোনো গাইডলাইন ছিল না। এক বড় ভাই প্রথম আমাকে বলেছিল বুয়েট বলে একটা জায়গা আছে। তখন বুঝলাম স্বপ্ন দেখারও একটা ঠিকানা আছে।
পরে শহরে গিয়ে মেস লজিং শুরু করলাম। দুই বেলা পড়াবো, তিন বেলা খেতে দিবে। মাসে হাতে থাকত ২৫ টাকা। সেই টাকা দিয়ে রিকশা ভাড়া, সাবান, কাপড় ধোয়ার সার্ফ সব চালাতে হতো। প্রতিদিন দোয়া করতাম আল্লাহ আমি যেন অসুস্থ না হই। এক বাসায় আমাকে সবসময় নিম্নমানের খাবার দেওয়া হতো। একদিন বৃষ্টির মধ্যে ভুল করে ঘরের ভেতর দিয়ে যেতে গিয়ে দেখি, বাসার মালিকেরা গরুর মাংস দিয়ে খাবার খাচ্ছেন। তখন বুঝলাম, আমার জন্য আলাদা করে নিম্নমানের খাবার রাখা হতো। সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।
সেই বাসা ছেড়ে পরে আরেকটা গরিব পরিবারের বাসায় পড়াতে যাই। টিনশেডের ছোট ঘর, রিকশার টায়ার টিউব মেরামত করেই সংসার চলে। কিন্তু ওদের ব্যবহার ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। ঈদের সময় তারা দুইটা নতুন শার্ট কিনে এনে বলেছিল স্যার কোনটা আপনারে বেশি সুন্দর লাগবে? ওই কালো শার্টটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম নতুন ঈদের শার্ট। আমি সেটাই পাঁচ-সাত বছর পরেছি। আজও কালো শার্ট পরলে সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে।
ইন্টারমিডিয়েটে সায়েন্স পড়া শুরু করার পর বুঝলাম, প্রাইভেট ছাড়া টিকে থাকা কঠিন। তখন কিছু বড় ভাই আমাকে সাহায্য করেছিলেন। একজন কেমিস্ট্রি স্যার আমাকে ফ্রিতে পড়িয়েছিলেন। বইও জোগাড় হয়ে গেল। সেই সাহায্যগুলো না পেলে হয়তো আমি আর সামনে এগোতে পারতাম না।
তারপর শুরু হলো ঢাকায় বুয়েট কোচিংয়ের যুদ্ধ। একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফর্ম কেনার জন্য রক্ত বিক্রি করেছি। এক ব্যাগ রক্তের দাম ছিল ৮০ টাকা। অনেক অনুরোধ করে ২০০ টাকা পেয়েছিলাম। কারণ জানতাম, যদি আমি থেমে যাই আমার পুরো পরিবার থেমে যাবে।
ঢাকায় আত্মীয়ের বাসায় ফ্লোরে ঘুমাতাম। একদিন রাত ১০টায় বাসা থেকে বের করে দেওয়া হলো, কারণ বাসায় মেহমান এসেছে। সেই রাতে একটা বাসে উঠে উত্তরা চলে যাই দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাসায়। তারা আমাকে চিনতেনও না, তবুও দরজা খুলে থাকতে দিয়েছিলেন। আজও সেই মানবিকতা ভুলতে পারিনি। এরপর ঢাকায় ১২ জন ড্রাইভারের সাথে মেঝেতে থেকেছি, ঘুমিয়েছি। অনেকদিন শুধু দুধ-ভাত খেয়ে থেকেছি। জন্ডিস হয়েছিল। বন্ধুর বেল্ট ধরে সিঁড়ি ভেঙে ক্লাসে উঠেছি। কিন্তু পড়াশোনা ছাড়িনি।
ফার্মগেটের ব্রিজে পার্টটাইম চাকরির পোস্টার দেখে একটা চাকরি নিয়েছিলাম। পরে বুঝলাম, সেটা আসলে ইন্স্যুরেন্সের ফাঁদ। নিজের সব টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুললাম, কিন্তু পরদিন গিয়ে দেখি বসার চেয়ার পর্যন্ত নেই। সেদিন মনে হয়েছিল, আমি সব হারিয়ে ফেলেছি। থাকার মতো টাকা নেই, খাওয়ার মতো টাকা নেই, আর কোচিংও করা হয়নি। বুয়েটে এক্সাম দেওয়াও হয়নি। স্বপ্নটা সেদিন ভেঙে গিয়েছিল। কাউকে কিছু না বলে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে আসি।
আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অভাব ছিল মেন্টর শিপের অভাব। কীভাবে সামনে এগোতে হয়, কোন পথে গেলে নিজের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পাওয়া যায় এসব বুঝিয়ে দেওয়ার মতো কেউ ছিল না। কিন্তু একটা জিনিস ছিল ভেতরে আগুন ছিল। দারিদ্র্য, অপমান, অনিশ্চয়তা সবকিছুর বিরুদ্ধে লড়াই করার আগুন।
ঠিক সেই সময় আমার জীবনে আসে আসমা। প্রথমে ভালো লাগা, পরে গভীর ভালোবাসা। কিন্তু তার জীবনেও নেমে এলো ভয়াবহ ঝড় অসুস্থতা, মায়ের মৃত্যু। আমি গিয়ে শুধু বলেছিলাম তুমি আমার সাথে ঢাকা যাইবা? সে বলেছিল হ্যাঁ যামু। সেদিন কোনো আই লাভ ইউ ছিল না। ছিল শুধু একসাথে পথ চলার সিদ্ধান্ত।
আমার নিজের কিছুই ছিল না। খাওয়ার মতো টাকা ছিল না, ঘর ছিল না, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তবুও বলেছিলাম, আমি ওকেই বিয়ে করমু। আব্বা ৫০০ টাকা ধার করে আমাকে নিয়ে তার বাসায় গিয়েছিলেন। আসমা এক কথায় বলেছিল, জীবনে যা করা লাগে, আমি সব করমু।
বিয়ের পর নতুন বউ হয়েও সে পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিয়ে নেয়। আমার অসুস্থ দাদীর সেবা করেছে, ছোট ভাইকে মানুষ করেছে, গ্রামের স্কুলে পড়িয়েছে, প্রাইভেট পড়িয়েছে। মাটির ঘরে থেকেছে, ভাঙা ঘরে থেকেছে, পানি পড়া ঘরে থেকেছে। কিন্তু কোনোদিন অভিযোগ করেনি। আমি ঢাকায় লড়েছি, সে গ্রামে লড়েছে। আমি স্বপ্ন দেখেছি, সে সেই স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন বানিয়েছে। তখন বুঝেছি, সংসার শুধু ভালোবাসা দিয়ে না দায়িত্ব দিয়ে টিকে থাকে।
এক রাতে হঠাৎ এক বন্ধুকে ডাকতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ডাকার আগেই ভেতর থেকে তার বাবার কথা কানে ভেসে এলো বখাটে ছেলেটার সাথে বেশি ঘুরাফেরা করিস না, আড্ডাও দিবি না। কথাগুলো খুব কাছ থেকে শুনেও আর তাকে ডাকিনি। নিঃশব্দে ফিরে এসেছিলাম। পুরো পথজুড়ে শুধু একটা কথাই মাথায় ঘুরছিল আমি কি সত্যিই এত খারাপ? যে আমি ইন্টারমিডিয়েটে এমন রেজাল্ট করেছি, যা আমাদের পুরো গ্রামে আজও কেউ করতে পারেনি, সেই আমিই সবার চোখে বখাটে!
এদিকে ঋণের চাপে আব্বা ঘর ছেড়ে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে চলে গিয়েছিলেন। পাওনাদাররা বাড়িতে এসে চিৎকার চেঁচামেচি করত। একসময় ঘরের টিন খুলে নিয়ে যায়, গাছ কেটে নিয়ে যায়। নিজের বাড়িতে দাঁড়িয়ে এসব অসহায়ের মতো দেখা ছাড়া তখন আর কিছুই করার ছিল না।
সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবো। রেজাল্ট ভালো ছিল, তাই বিশ্বাস ছিল ওয়েভার পাবো। মনে মনে হিসাব কষে রেখেছিলাম প্রতি সেমিস্টারে ৪ এ ৪ রাখতে পারলে আর টাকা লাগবে না। আর যদি কখনো সেই অবস্থাও না থাকে, তাহলে ঢাকায় রিকশা চালিয়েও পড়াশোনা চালিয়ে যাবো।
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের ঢাকা ক্যাম্পাসে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হওয়ার পরিকল্পনা করলাম। কিন্তু ভর্তি হওয়ার মতো টাকাও ছিল না। সেই সময় আমার ফুফু সুদে টাকা এনে আমাকে বিশ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। আম্মা কষ্ট করে জোগাড় করেছিলেন আরও পাঁচ হাজার টাকা। আর আসমা প্রতিটা মুহূর্তে সাহস জুগিয়েছিল। এই সামান্য টাকা অনেক মানুষের ত্যাগ আর বুকভরা স্বপ্ন নিয়েই শুরু হয়েছিল নতুন পথচলা।
ঢাকায় এসে শুরুটা সহজ ছিল না। সবচেয়ে বড় যুদ্ধ ছিল একটা টিউশনি খুঁজে পাওয়া। দিনের পর দিন ঘুরেও যখন কিছু হতো না, তখন নিজেকেই খুব অসহায় লাগত। ভার্সিটির অনেক বন্ধু মজা করে আতেল বলে ডাকত। কখনো বন্ধুদের খাবার খেয়েছি, তাদের কাপড় পরেছি, আবার কখনো তাদের বাজার পর্যন্ত করে দিয়েছি। আত্মসম্মানকে অনেক সময় চুপ করিয়ে রাখতে হতো।
তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করল। একসময় টিউশনি পাওয়া শুরু হলো। তারপর গুলশান, ধানমন্ডি, বনানীর মতো জায়গায় পড়াতে যেতাম। ভালো টাকাও আসতে শুরু করল। নিজের খরচ চালানোর পর বাড়িতেও টাকা পাঠাতাম। তখন মনে হতো, এত কষ্টের মাঝেও হয়তো আল্লাহ একটা পথ খুলে দিচ্ছেন।
দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে তখন কোনো ধারণাই ছিল না। একদিন রাস্তায় জিআরই কোচিং এর বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম। পরে বুঝেছিলাম সেটা “গ্রি” না জিআরই। কিন্তু সেই ভুল উচ্চারণের ভেতর দিয়েই জন্ম নিয়েছিল আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন।
তখন জানতাম না জিআরই কী, টোফেল কী, কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়। শুধু জানতাম আমাকে একটা পথ বের করতেই হবে। ওয়াশরুমের দেয়ালে, বেডরুমের দরজায় জিআরইর ভোকাবুলারি লিখে টানিয়ে রাখতাম। বারবার পড়তাম, মনে রাখার চেষ্টা করতাম।
জিআরই আর টোফেল দেওয়ার পর শুরু হলো ইউনিভার্সিটিগুলোতে মেইল করা। একটার পর একটা মেইল পাঠাতাম, কিন্তু কোনো রিপ্লাই আসত না। তবুও থামিনি। অবশেষে একদিন একটা ইউনিভার্সিটি
সাউথ ডাকোটা মাইনস থেকে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ অফার লেটার পেলাম।
কিন্তু নতুন সমস্যা সামনে এসে দাঁড়ালো। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে। অথচ নিজের কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টই ছিল না, টাকাও ছিল না। সেই সময় গুলশানে আমার এক স্টুডেন্টের বাবা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজও সেই ঋণ হৃদয়ে বহন করি।
যেদিন ভিসা পেলাম, সেদিন আব্বা সিএনজিতে ছিলেন। খবরটা শোনার পর তিনি আনন্দে সিএনজি থেকে নেমে উল্টো পথে দৌড় দিতে শুরু করেছিলেন। এরপর বন্ধু আর আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করলাম। এভাবেই এক বুক স্বপ্ন আর হাজারো কষ্ট নিয়ে আমেরিকার পথে রওনা হয়েছিলাম।
আমেরিকায় আসার পরও যুদ্ধ থামেনি। এক সেমিস্টারে একটা কোর্সে ফেল করেছিলাম। তখন নিজের কোনো কম্পিউটারই ছিল না। শেষ পর্যন্ত অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ চলে যায়। মানে নিজের টাকায় পড়তে হবে, না হলে দেশে ফিরে যেতে হবে। সেই সময়টা ছিল জীবনের সবচেয়ে অসহায় সময়গুলোর একটি।
কিন্তু হাল ছাড়িনি। আবার নতুন করে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করলাম। আল্লাহর রহমতে আগের ইউনিভার্সিটির চেয়েও বড় একটি ইউনিভার্সিটি
সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি কার্বনডেল থেকে ফান্ডিংসহ অফার পেলাম। সেখান থেকেই শেষ পর্যন্ত গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করি। এর পর বিশ্ববিখ্যাত স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটি তে পড়ি।
গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর Amazon, Apple, Facebook Meta তে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। শুধু কাজই না হায়ারিং টিমেও ছিলাম। অসংখ্য চাকরিপ্রার্থীর ইন্টারভিউ নেওয়ার সুযোগ হয়েছে। আর এখন Microsoft-এ যোগ দিতে যাচ্ছি।
জীবন আমাকে একটা জিনিস শিখিয়েছে স্বপ্ন দেখতে টাকা লাগে না, কিন্তু সেই স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে অসীম ধৈর্য লাগে। আর একজন মানুষ যদি পাশে বিশ্বাস নিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে অসম্ভব বলেও হয়তো কিছু থাকে না।
© Scholarship Funding with Low CGPA

ইন্দোনেশিয়ার UI GREAT স্কলারশিপ ২০২৬ — বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ!ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া (UI) থেকে ২০২৬ সালের...
04/11/2026

ইন্দোনেশিয়ার UI GREAT স্কলারশিপ ২০২৬ — বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ!

ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া (UI) থেকে ২০২৬ সালের UI GREAT Scholarships-এর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবে।

🎓 এই স্কলারশিপের মাধ্যমে পোস্টগ্র্যাজুয়েট (মাস্টার্স) পড়ার সুযোগ পাবেন ইন্দোনেশিয়ার একটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

✨ যা যা সুবিধা:
• 🎁 Full Scholarship Benefits :

• মাস্টার্স প্রোগ্রামের পুরো টিউশন ফি স্কলারশিপ (সর্বোচ্চ ৪ সেমিস্টার পর্যন্ত)
• স্টুডেন্ট ভিসা, KITAS ও থাকার পারমিট একবার ফ্রি প্রসেস করা হবে
• যাওয়া-আসার ইকোনমি ক্লাস বিমান ভাড়া (সর্বোচ্চ IDR 10,000,000)
➤ একবারে সর্বোচ্চ IDR 5,000,000 করে
• একবারের জন্য সেটেলমেন্ট খরচ IDR 1,500,000

• পড়াশোনার সময় হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা
• মাসে IDR 3,500,000 ভাতা (থাকা, বই ও গবেষণা খরচসহ)
➤ শর্ত: GPA কমপক্ষে 3.0 রাখতে হবে

📌 মনে রাখবেন:
• ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানোর পর থেকে স্কলারশিপ সুবিধা দেওয়া হবে
• সব স্কলারশিপের টাকাই ট্যাক্সসহ (tax-inclusive)

👉 বিদেশে পড়তে আগ্রহী হলে এই সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না!

📝 আবেদন করার নিয়মঃ
• অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে
• প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকতে হবে
• প্রোগ্রাম, শর্ত ও আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে : https://international.ui.ac.id

👉 যারা বিদেশে পড়তে আগ্রহী, তাদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করুনi

- Scholarship School BD

03/18/2026

বাইরে পড়তে যাওয়ার প্ল্যান?
বিদেশে পড়তে যাওয়ার কথা ভাবলে প্রথমেই মাথায় আসে—খরচ কত? স্কলারশিপ পাব তো? আর পড়াশোনা শেষ করে সেখানে থাকা যাবে কি না। সত্যি বলতে, সবার পকেটের অবস্থা এক না, আবার সবার স্বপ্নও এক না। তাই বর্তমান সময়ের হিসেবে উপযোগী কয়েকটা দেশ বিবেচনা করতে পারেন:

১. জার্মানি: স্বল্প খরচে ওয়ার্ল্ড ক্লাস ডিগ্রি
যাঁদের বাজেট কম, তাঁদের জন্য জার্মানি হচ্ছে বেস্ট। কেন? কারণ এখানে পাবলিক ভার্সিটিতে কোনো টিউশন ফি নেই।

সুবিধা: টিউশন ফ্রি নেই। পড়াশুনা করাকালীন পার্ট-টাইম জব করতে পারবেন সপ্তাহে ২০ ঘন্টা।

থাকা-খাওয়া: DAAD স্কলারশিপ পেলে উল্টো সরকারই আপনাকে টাকা দেবে। অথবা স্বল্প খরচে সেলফ-ফাইনান্সেই একটি মাস্টার্স করে নিজের ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ করতে পারবেন।

সেটেল হওয়া: পড়াশোনা শেষ করে দেড় বছর সময় পাবেন চাকরি খোঁজার। একবার ভালো চাকরি পেয়ে গেলে পিআর (PR) পাওয়া খুব একটা কঠিন না।

২. কানাডা: বরফের দেশে
বাংলাদেশিদের জন্য কানাডা বরাবরই ফেভারিট। কেন জানেন? কারণ এখানে পড়াশোনা শেষে থেকে যাওয়ার পথটা অনেক পরিষ্কার যদিও বর্তমানে ইমিগ্রেশন পলিসি ওভারঅল অনেক কঠিন করে ফেলছে । তবে সত্যিকারেই যারা ভালো ইউনিভার্সিটি ও ভালো সাবজেক্টে পড়তে আসবেন, তাদের জন্য পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির পথ এখনো যথেস্ট পরিষ্কার। ভেজাল হবে তাদের যারা পড়তে আসার নাম করে এসাইলাম ক্লেইম করবেন, বা কলেজ চেঞ্জ করে কাজ করে টাকা কমানোর ধান্দাতে আসবেন।

কেন যাবেন: পড়াশোনা শেষে তিন বছর পর্যন্ত কাজ করার পারমিট পাওয়া যায়। এছাড়া পড়াশুনা করাকালীন পার্ট-টাইম জব করতে পারবেন সপ্তাহে ২৪ ঘন্টা।

পিআর: অন্য দেশের তুলনায় কানাডায় স্থায়ী হওয়া বা নাগরিক হওয়াটা কিছুটা সহজ

স্কলারশিপ: রিসার্চ করতে চাইলে প্রফেসরের আন্ডারে ভালো ফান্ডিং পাওয়া যায়।

৩. অস্ট্রেলিয়া: স্বপ্নের দেশে
অস্ট্রেলিয়াতে পড়াশোনার খরচ একটু বেশি হলেও, পার্ট-টাইম কাজ করে বেশ ভালো টাকা জমানো যায়।

সুবিধা: এখানকার আবহাওয়া আমাদের দেশের মতোই আরামদায়ক।

স্কলারশিপ: অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস / ডেস্টিনেশন অস্ট্রেলিয়া স্কলারশিপ পেলে তো কথাই নেই, পুরো খরচ কভার হয়ে যাবে। তবে এসব স্কলারশিপ সীমিত। তবে রিসার্চ মাস্টার্স ও পিএইচডি করতে চাইলে ভালো ফান্ডিং পাওয়া যায়। প্রফেসরকে এক্ষেত্রে ইমেইল করতে হয়।

টিপস: শহরের চেয়ে একটু রেজিওনাল এরিয়াতে পড়তে গেলে খুব দ্রুত পিআর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে এক্ষেত্রে ওই স্পেসিফিক স্টেটের পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির প্রায়োরিটি লিস্টে আপনার সাবজেক্ট ও রিলেটেড পেশা রয়েছে কিনা সেটা আগে জেনে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। সব তথ্যই অনলাইনে ওপেন-টু-পাবলিক। শুধু আপনার একটু ঘাটতে হবে। একটা মুভি বের হলে, আমরা অনলাইনে ঘেঁটে ঘেটে চিপা-চাপার টরেন্ট ডাউনলোড লিংক বের করে ফেলি আর নিজের ক্যারিয়ারের জন্য সামান্য একটু ঘাটা-ঘাঁটি করতে পারবেন না ?

৪. ফিনল্যান্ড: শান্তির খোঁজে
স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে এই দেশটা এখন খুব জনপ্রিয় হচ্ছে যদিও জব মার্কেটের বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে তেমন একটা ভাল নয়। তবে ডিগ্রি শেষ করে নর্থ আমেরিকা বা ইউরোপের অন্য দেশগুলোয় সুইচ করার ক্ষেত্রে গেটওয়ে হিসেবে ফিনল্যান্ড খুবই ভালো একটা অপশন।

সুবিধা: কোর্স-বেইজড মাস্টার্সে অনেক ভার্সিটি টিউশন ফি কিছুটা ওয়েইভ করে। রিসার্চ মাস্টার্স/ পিএইচডির ক্ষেত্রে প্রফেসর ফান্ড থেকে স্কলারশিপ পাওয়া যায়

ভবিষ্যৎ: পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর সময় পাবেন চাকরির জন্য। ৬ বছর থাকলেই পিআর-এর জন্য অ্যাপ্লাই করা যায়। ফিনিশ ভাষায় দক্ষতা থাকলে পিআর-এর আবেদন করে সফল হওয়া যায়। আর জবের ক্ষেত্রেও ভাষা জানাটা জরুরি।

৫. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান: স্কলারশিপের প্রচুর সুযোগ
ইউরোপ-আমেরিকার বাইরে যদি যেতে চান, তবে এই দুইটা দেশ সেরা। বিশেষ করে যারা সাইন্স বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আছেন।

সুবিধা: জাপানের MEXT আর কোরিয়ার GKS স্কলারশিপ পেলে আপনার এক টাকাও খরচ হবে না। উল্টো প্রতি মাসে স্কলারশিপ পাবেন।

চাকরি: টেকনিক্যাল কাজে পারদর্শী হলে এসব দেশে চাকরির অভাব নেই। তবে ভাষা না জানা থাকলে পিছিয়ে থাকবেন। ভাষা জানলে খুব সহজেই এদের সোসাইটিতে ইন্টিগ্রেট হতে পারবেন।

ছোট কিছু টিপস:
যেকোনো দেশে যাওয়ার আগে IELTS-টা দিয়ে ফেলুন আর সেই দেশের সোশিও-ফাইন্যান্স সিচুয়েশন নিয়ে একটু ঘাটুন। আর নিজের সাবজেক্ট ও প্রফেশনের সাথে মিল রেখে দেশ চুজ করুন। সব দেশ সবার জন্য না, তাই নিজের প্রোফাইলটা আগে বুঝুন। স্পেসিফিক্যালি দুইটা প্রশ্ন নিজেকে করুন: এই দেশে কি আমি পার্মানেন্টলি থাকার জন্য পড়তে যাচ্ছি নাকি টেম্পোরেরি গেটওয়ে হিসাবে এই দেশে আমি পড়তে যাচ্ছি অন্য কোনো দেশে ইভেঞ্চুয়ালি মুভ-আউটের জন্য? কারণ দুটো ক্ষেত্রে স্ট্রাটেজি, প্ল্যানিং ও এক্সেকিউশন এপ্রোচ সম্পূর্ণ আলাদা। নিজের ক্যারিয়ার প্ল্যানিংয়ে একটু সময় দিন। এক্সটার্নাল ভেরিয়েবল (যেগুলি আপনার হাতে নেই), কন্ট্রোলেবল ভেরিয়েবল গুলি আলাদা ভাবে আইডেন্টিফাই করে প্ল্যানিং করুন। এরপরে প্ল্যান অনুযায়ী কি কি ল্যাকিংস আছে সেগুলি ফিল-আপ করে কাজে নেমে পড়ুন। ক্যারিয়ার প্ল্যানিং না করে দুম-দাম সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দেশে গিয়ে পরে রোনেকেই রিয়ালাইজ করে এই কোর্স , এই দেশ তার জন্য না। ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে যায়, আর তারাও একটা লুপের মধ্যে আটকে যায়। সেই লুপ ছাড়াতে ছাড়াতে আরেকটা লুপে ঢুকতে হয়। এই জন্য সবার প্রথমে আগে নিজের ক্যারিয়ার ক্রাইটেরিয়া গুলি সম্পর্কে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার আইডিয়া থাকতে হয়।

সবার জন্য শুভকামনা! সাহস করে লেগে থাকুন, সুযোগ আসবেই।
© Scholarship School BD

01/20/2026

সম্প্রতি আমেরিকায় ভিসা ব্যান সংক্রান্ত জটিলতায় দেখা গেছে ৫৪% বাংলাদেশী সরকার থেকে সুবিধা নেয়, বেশীরভাগই অনৈতিক ভাবে। কারা কিভাবে করে এগুলি নিয়ে বিস্তর লেখালেখি অনলাইনে আছে, এই কিচ্ছা আর না গাই।
নতুন আরেকটা জিনিস নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে, সেটা হচ্ছে ইবি১-আইনস্টাইন ক্যাটাগরিতে গ্রিন কার্ড। এটার টার্গেট একদম হাইলি স্কিল্ড/এক্সপার্ট প্রফেশনালরা। যারা নিজেদের ফিল্ডে একদম টপে আছে। এই ক্যাটাগরীতে বাটপারীটাও লোকজন শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। খুব ডিটেইলে যাবোনা, মন বিষিয়ে উঠে এগুলি চিন্তা করলে। একটা এক্সাম্পল দেই।
সিমিলার আরেকটা ক্যাটাগরী আছে ইবি২-এনআইডব্লিউ, রিসার্চ রেকর্ড এস্টাবলিশড থাকলে এই ক্যাটাগরীতে গ্রিন কার্ড পাওয়া যায়। আমাদের দেশীদের একটা গ্রুপ আছে এই বস্তু নিয়ে আলাপ আলোচনা, সাহায্য সহযোগিতা করার। সবাই খুব রিসোর্সফুল, হেল্প চাইলেই পাওয়া যায়। সেখানে হঠাৎ একজনের পোস্ট চোখে পড়লো সাইটেশন আদান প্রদান করে সবাই মিলে নিজেদের গুগল স্কলার সাইটেশন কাউন্ট বাড়ানোর। মানে দশে মিলে নিজেরাই নিজেদের পেপার করি সাইট, সেটা পেপারের সাথে রিলেটেড হোক বা না হোক। এবং এটা যে একটা অনৈতিক কাজ - কোন রাখঢাক লাজলজ্জা নাই।
তো গত কয়েক বছর ধরে এই বাটপারিগুলি দেখে আসছি। ইনফ্যাক্ট বাংলাদেশের মেশিন লার্নিং রিলেটেড কিছু গ্রুপ আছে যেখানে অহরহ এনোনিমাস/ ফেইক আইডি থেকে পোস্ট আসে যে পেপারের কোলাবরেটর খুঁজছে। দেখে মনে হয় সিম্পল কোলাবরেট করার পোস্ট। কিন্তু ভিতরে ভিতরে যে কাজটা হয় সেটা হচ্ছে, নাম ধাম ছাড়া (মাঝে মাঝে ভালো জায়গাতেই) অলরেডি এক্সেপ্টেড হওয়া পেপারে টাকার বিনিময়ে অথরশীপ দেয়া হয়। এভাবে অনেক পেপারের অথর হয়ে যাওয়া যায় টাকা দিয়ে। সাইটেশন বাড়ানোরও পেইড সার্ভিস আছে। তো এভাবে এরা অনেক পেপারে নিজেদের নাম বসায়, সাইটেশন বাড়ায়। তারপরে গ্রিনকার্ডের এপ্লাই করে, পেয়েও যায়। ক্ষেত্রবিশেষে এই ক্রিমিনালগুলি এতই নির্লজ্জ টাইপ যে সোশ্যাল মিডিয়ার বায়োতে আবার বিতং করে লেখে যে ইবি১-আইন্সটাইন ভিসা প্রাপ্ত। মানে আমি এখন পর্যন্ত যত সিনিয়র কলিগের সাথে কাজ করেছি এদের ৮০% ইবি১ পাওয়া, কেউ এগুলি নিয়ে মাথাই ঘামায় না। এই বাটপারগুলির কিছু কিছু এখন বিদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশেও তাদের কালো হাত বিছিয়েছে। যারা জুনিয়র রিসার্চার, না জেনে বুঝে হুট করে যার তার সাথে পেপারের কো-অথর হয়ে যেওনা। একবার ক্যারিয়ারে স্ট্রাইক পড়লে খবর আছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষা-মিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরী বাকরী পাইতে ভালো সমিস্যা হবে। ৯০% বাটপারই হয়তো ধরা খায়না, কিন্তু বাকী ১০% এর ভেতর পড়ার রিস্ক না রাখাই ভালো।
নিউজ দেখলাম অলরেডি যারা ইবি১ এ গ্রীনকার্ড পেয়ে গেছে, তাদের অনেকের কেইস আবার ওপেন করে খুঁটিয়ে দেখা হবে। দেখা যাক, দেখা ... কতদূর বাটপারি করা যায়...
আমি এইটা বুঝি যে যারা একদমই আন্ডারপ্রিভিলেজড তারা পেটের দায়ে অনেক অপরাধের সাথে যুক্ত হয়। কিন্তু দেশে ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়ার সুযোগ পেয়ে, নর্থ আমেরিকাতে গ্র্যাজুয়েট স্কুলে মাস্টার্স-পিএইচডি করার পরেও এইরকম লেভেলে যে নামে তার একটা ডলা খাওয়াটা আসে।
© Sudipta Kar

বাংলাদেশিদের জন্য আমেরিকার B1/B2 ভিসায় নতুন কড়াকড়ি💰 ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার জামানত দিতে হতে পারে!আমেরিকার ভিসা নিতে চ...
01/07/2026

বাংলাদেশিদের জন্য আমেরিকার B1/B2 ভিসায় নতুন কড়াকড়ি
💰 ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার জামানত দিতে হতে পারে!

আমেরিকার ভিসা নিতে চাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। এখন থেকে কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের USA Visa B1/B2 (ভ্রমণ ও ব্যবসা) ভিসার জন্য অতিরিক্তভাবে ভিসা বন্ড বা আর্থিক জামানত দিতে হবে।
এই তালিকায় বাংলাদেশও যুক্ত হয়েছে।

📅 বাংলাদেশিদের জন্য এই নিয়ম কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে।

💰 কত টাকা দিতে হতে পারে?
ভিসা ইন্টারভিউয়ের সময় কনস্যুলার অফিসার সিদ্ধান্ত নেবেন আপনাকে কত টাকা জামানত দিতে হবে। এই অঙ্ক হতে পারে—
👉 ৫,০০০ ডলার
👉 ১০,০০০ ডলার
👉 ১৫,০০০ ডলার

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই টাকা কোনো এজেন্ট বা দালালের হাতে দেবেন না।
শুধু কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশ পেলে, সরাসরি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট (Pay.gov)–এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। আগে থেকে নিজে নিজে টাকা জমা দেওয়ার দরকার নেই।

✈️ এই বন্ড দিয়ে ভিসা পেলে যেসব বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন
এই নিয়মের আওতায় যারা ভিসা পাবেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে নিচের এই তিনটি বিমানবন্দরের যেকোনো একটিতে—

1️⃣ জন এফ. কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK) – নিউ ইয়র্ক
2️⃣ ওয়াশিংটন ডুলেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)
3️⃣ বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS)

💵 জামানতের টাকা ফেরত পাবেন কখন?
আপনি যদি—
✔️ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকা ত্যাগ করেন, অথবা
✔️ ভিসা পেয়েও ভ্রমণ না করেন,

তাহলে এই টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়া হবে।

⚠️ কবে টাকা বাজেয়াপ্ত হবে?
নিচের যেকোনো একটি করলে জামানতের টাকা ফেরত পাবেন না—

❌ অনুমোদিত সময়ের বেশি দিন আমেরিকায় থাকা (Overstay)
❌ সেখানে গিয়ে ভিসার স্ট্যাটাস পরিবর্তন করা
❌ রাজনৈতিক আশ্রয় (Asylum) আবেদন করা

আমেরিকায় অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার কমানোর লক্ষ্যেই মূলত এই নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

📌 যেসব দেশের নাগরিকদের জন্য এই ভিসা বন্ড প্রযোজ্য (বাংলাদেশসহ)
আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, বাংলাদেশ, নেপাল, নাইজেরিয়া, ভুটান, তানজানিয়া, জিম্বাবুয়ে, সেনেগালসহ মোট কয়েক ডজন দেশ এই তালিকায় রয়েছে (কার্যকর হওয়ার তারিখ দেশভেদে আলাদা)

📚 তথ্যসূত্র:
US Department of State

11/21/2025
10/09/2025

দেশের বাইরে পড়াশুনার জন্য IELTS এ ভালো স্কোর থাকাটা খুবই জরুরি। IELTS এক্সামের চারটি মডিউল থাকে - লিসেনিং, স্পিকিং রাইটিং ও রিডিং। এজন্য প্রিপারেশন নেবার সময় অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন টা দিয়ে শুরু করবেন।

প্রথমে রিডিং দিয়ে শুরু করুন। শুধুই পড়ুন, পড়ুন, এবং জাস্ট পড়ুন। কোন কোয়েশচন সল্ভ করবেন না। আপনার উদ্দেশ্য হবে রিডিং প্যাসেজটি ভালো করে পড়ে বোঝার চেষ্টা করা। পড়ার সময় অজানা ভোক্যাবিউলারি আন্ডারলাইন করে টুকে রাখবেন। সেন্টেসের প্যাটার্ন বা স্ট্রাকচার গুলো একটু একটু নোটিশ করতে থাকুন। পড়তে গিয়ে দেখুন যা বলতে চেয়েছেন লেখন তা বুঝতে পারছেন নাকি। এরকম প্রথম প্রথম শুধুই পড়ুন, পড়ুন, এবং জাস্ট পড়ুন। এমনটা পুরো এক সপ্তাহ করুন।

এক সপ্তাহ পর থেকে প্যাসেজটা পুরাটা পড়ার পরে নিজের ভাষায় ৯/১০ টা বাক্যে পুরো প্যাসেজটার সামারি লিখুন। এতে কি হবে জানেন? এতে যাচাই হবে আপনি যা পড়ছেন সেগুলার অর্থ কি অবচেতন মনে আপনি বুঝতে পারছেন কিনা। এখনোও কিন্ত কোন রিডিংয়ের প্রশ্ন সল্ভ করবেন না। শুধুই পড়ুন আর সামারি লিখুন ছোট্ট করে।

এভাবে আরো এক শুধুই পড়ুন আর লিখুন। লেখার সময় দেখবেন যে যে ভোক্যাবিউলারি এতদিন প্যাসেজ থেকে টুকে টুকে রাখতেন, বা যে যে সেন্টেন্স প্যাটার্ন প্যাসেজ গুলো পড়তে পড়তে ভাল লাগতো ঠিক ঐগুলিও আপনার সামারি লেখার মধ্যে চলে আসতেছে। অর্থাৎ আপনার রাইটিং স্কিল ও ডেভেলাপ হচ্ছে।

কয়েক সপ্তাহ পর দেখবেন আপনার ব্রেইন ইন্টারন্যালি অভ্যস্ত হয়ে গেছে কুইকলি কোন প্যাসেজ পরে নিজের মত অর্থ দাঁড় করাতে। IELTS রিডিংয়ে ভাল করতে এভাবেই দ্রুত পড়া ও কন্টেক্সচুয়াল মিনিং বোঝার স্কিল ডেভেলাপ করতে পারেন। তারপর যখন দেখবেন যা পড়ছেন খুব ভালোভাবেই সামারি করতে পারছেন, খুব বেশি চিন্তা করতে হচ্ছ যেন, তখন থেকে প্যাসেজের কোয়েশ্চন ঘড়ি ধরে ধরে সল্ভ করা প্রাকটিস শুরু করে দিন।

এভাবে রাইটিং এর টাস্ক ১ ও টাস্ক ২ ও নিয়মিত প্রাকটিস করতে থাকুন। দেখবেন নিয়মিত সামারি লেখার অভ্যেসের কারণে লেখার সময় নিজের মাথার চিন্তাগুলোকে দ্রুত কাগজে কলমে বন্দি করতে সমস্যা হচ্ছে না।

এবার আসি লিসেনিং আর স্পিকিং নিয়ে। প্রথমে প্রথমে শুধুই IELTS ক্যামব্রিজের লিসেনিং অডিওর একটি করে সেকশন ৫-১০ মিনিট শুনুন। সেকশনটি শোনার পরে যা বুঝেছেন সেটা নিজের ভাষায় নিজে নিজে সামারি করে মুখে বলুন। অর্থাৎ সেকশনে কে কি নিয়ে কথা বলেছে এসব ই নিজের মুখে জোরে জোরে বলুন। এতে শোনা ও বলা দুটো স্কিলই আস্তে আস্তে ডেভেলাপ হবে। আপনার মুখের জড়তা ও দূর হবে। এভাবে কিছু দিন করার পরে লিসেনিং ও স্পিকিং এর কোয়েশ্চন গুলা সল্ভ করতে শুরু করুন।

ইংরেজিতে সবার দক্ষতার লেভেল এক নয়। লেভেলের উপর নির্ভর করে আপনারা নিজ বুদ্ধিতে প্রিপারেশন টাইম নির্ধারণ করুন।
© Scholarship School BD

Address

Motijheel
Vancouver, BC
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Scholarship School BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share