04/11/2026
ইন্দোনেশিয়ার UI GREAT স্কলারশিপ ২০২৬ — বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ!
ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া (UI) থেকে ২০২৬ সালের UI GREAT Scholarships-এর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবে।
🎓 এই স্কলারশিপের মাধ্যমে পোস্টগ্র্যাজুয়েট (মাস্টার্স) পড়ার সুযোগ পাবেন ইন্দোনেশিয়ার একটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
✨ যা যা সুবিধা:
• 🎁 Full Scholarship Benefits :
• মাস্টার্স প্রোগ্রামের পুরো টিউশন ফি স্কলারশিপ (সর্বোচ্চ ৪ সেমিস্টার পর্যন্ত)
• স্টুডেন্ট ভিসা, KITAS ও থাকার পারমিট একবার ফ্রি প্রসেস করা হবে
• যাওয়া-আসার ইকোনমি ক্লাস বিমান ভাড়া (সর্বোচ্চ IDR 10,000,000)
➤ একবারে সর্বোচ্চ IDR 5,000,000 করে
• একবারের জন্য সেটেলমেন্ট খরচ IDR 1,500,000
• পড়াশোনার সময় হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা
• মাসে IDR 3,500,000 ভাতা (থাকা, বই ও গবেষণা খরচসহ)
➤ শর্ত: GPA কমপক্ষে 3.0 রাখতে হবে
📌 মনে রাখবেন:
• ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানোর পর থেকে স্কলারশিপ সুবিধা দেওয়া হবে
• সব স্কলারশিপের টাকাই ট্যাক্সসহ (tax-inclusive)
👉 বিদেশে পড়তে আগ্রহী হলে এই সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না!
📝 আবেদন করার নিয়মঃ
• অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে
• প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকতে হবে
• প্রোগ্রাম, শর্ত ও আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে : https://international.ui.ac.id
👉 যারা বিদেশে পড়তে আগ্রহী, তাদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করুনi
- Scholarship School BD
03/18/2026
বাইরে পড়তে যাওয়ার প্ল্যান?
বিদেশে পড়তে যাওয়ার কথা ভাবলে প্রথমেই মাথায় আসে—খরচ কত? স্কলারশিপ পাব তো? আর পড়াশোনা শেষ করে সেখানে থাকা যাবে কি না। সত্যি বলতে, সবার পকেটের অবস্থা এক না, আবার সবার স্বপ্নও এক না। তাই বর্তমান সময়ের হিসেবে উপযোগী কয়েকটা দেশ বিবেচনা করতে পারেন:
১. জার্মানি: স্বল্প খরচে ওয়ার্ল্ড ক্লাস ডিগ্রি
যাঁদের বাজেট কম, তাঁদের জন্য জার্মানি হচ্ছে বেস্ট। কেন? কারণ এখানে পাবলিক ভার্সিটিতে কোনো টিউশন ফি নেই।
সুবিধা: টিউশন ফ্রি নেই। পড়াশুনা করাকালীন পার্ট-টাইম জব করতে পারবেন সপ্তাহে ২০ ঘন্টা।
থাকা-খাওয়া: DAAD স্কলারশিপ পেলে উল্টো সরকারই আপনাকে টাকা দেবে। অথবা স্বল্প খরচে সেলফ-ফাইনান্সেই একটি মাস্টার্স করে নিজের ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ করতে পারবেন।
সেটেল হওয়া: পড়াশোনা শেষ করে দেড় বছর সময় পাবেন চাকরি খোঁজার। একবার ভালো চাকরি পেয়ে গেলে পিআর (PR) পাওয়া খুব একটা কঠিন না।
২. কানাডা: বরফের দেশে
বাংলাদেশিদের জন্য কানাডা বরাবরই ফেভারিট। কেন জানেন? কারণ এখানে পড়াশোনা শেষে থেকে যাওয়ার পথটা অনেক পরিষ্কার যদিও বর্তমানে ইমিগ্রেশন পলিসি ওভারঅল অনেক কঠিন করে ফেলছে । তবে সত্যিকারেই যারা ভালো ইউনিভার্সিটি ও ভালো সাবজেক্টে পড়তে আসবেন, তাদের জন্য পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির পথ এখনো যথেস্ট পরিষ্কার। ভেজাল হবে তাদের যারা পড়তে আসার নাম করে এসাইলাম ক্লেইম করবেন, বা কলেজ চেঞ্জ করে কাজ করে টাকা কমানোর ধান্দাতে আসবেন।
কেন যাবেন: পড়াশোনা শেষে তিন বছর পর্যন্ত কাজ করার পারমিট পাওয়া যায়। এছাড়া পড়াশুনা করাকালীন পার্ট-টাইম জব করতে পারবেন সপ্তাহে ২৪ ঘন্টা।
পিআর: অন্য দেশের তুলনায় কানাডায় স্থায়ী হওয়া বা নাগরিক হওয়াটা কিছুটা সহজ
স্কলারশিপ: রিসার্চ করতে চাইলে প্রফেসরের আন্ডারে ভালো ফান্ডিং পাওয়া যায়।
৩. অস্ট্রেলিয়া: স্বপ্নের দেশে
অস্ট্রেলিয়াতে পড়াশোনার খরচ একটু বেশি হলেও, পার্ট-টাইম কাজ করে বেশ ভালো টাকা জমানো যায়।
সুবিধা: এখানকার আবহাওয়া আমাদের দেশের মতোই আরামদায়ক।
স্কলারশিপ: অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস / ডেস্টিনেশন অস্ট্রেলিয়া স্কলারশিপ পেলে তো কথাই নেই, পুরো খরচ কভার হয়ে যাবে। তবে এসব স্কলারশিপ সীমিত। তবে রিসার্চ মাস্টার্স ও পিএইচডি করতে চাইলে ভালো ফান্ডিং পাওয়া যায়। প্রফেসরকে এক্ষেত্রে ইমেইল করতে হয়।
টিপস: শহরের চেয়ে একটু রেজিওনাল এরিয়াতে পড়তে গেলে খুব দ্রুত পিআর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে এক্ষেত্রে ওই স্পেসিফিক স্টেটের পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির প্রায়োরিটি লিস্টে আপনার সাবজেক্ট ও রিলেটেড পেশা রয়েছে কিনা সেটা আগে জেনে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। সব তথ্যই অনলাইনে ওপেন-টু-পাবলিক। শুধু আপনার একটু ঘাটতে হবে। একটা মুভি বের হলে, আমরা অনলাইনে ঘেঁটে ঘেটে চিপা-চাপার টরেন্ট ডাউনলোড লিংক বের করে ফেলি আর নিজের ক্যারিয়ারের জন্য সামান্য একটু ঘাটা-ঘাঁটি করতে পারবেন না ?
৪. ফিনল্যান্ড: শান্তির খোঁজে
স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে এই দেশটা এখন খুব জনপ্রিয় হচ্ছে যদিও জব মার্কেটের বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে তেমন একটা ভাল নয়। তবে ডিগ্রি শেষ করে নর্থ আমেরিকা বা ইউরোপের অন্য দেশগুলোয় সুইচ করার ক্ষেত্রে গেটওয়ে হিসেবে ফিনল্যান্ড খুবই ভালো একটা অপশন।
সুবিধা: কোর্স-বেইজড মাস্টার্সে অনেক ভার্সিটি টিউশন ফি কিছুটা ওয়েইভ করে। রিসার্চ মাস্টার্স/ পিএইচডির ক্ষেত্রে প্রফেসর ফান্ড থেকে স্কলারশিপ পাওয়া যায়
ভবিষ্যৎ: পড়াশোনা শেষ করে দুই বছর সময় পাবেন চাকরির জন্য। ৬ বছর থাকলেই পিআর-এর জন্য অ্যাপ্লাই করা যায়। ফিনিশ ভাষায় দক্ষতা থাকলে পিআর-এর আবেদন করে সফল হওয়া যায়। আর জবের ক্ষেত্রেও ভাষা জানাটা জরুরি।
৫. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান: স্কলারশিপের প্রচুর সুযোগ
ইউরোপ-আমেরিকার বাইরে যদি যেতে চান, তবে এই দুইটা দেশ সেরা। বিশেষ করে যারা সাইন্স বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আছেন।
সুবিধা: জাপানের MEXT আর কোরিয়ার GKS স্কলারশিপ পেলে আপনার এক টাকাও খরচ হবে না। উল্টো প্রতি মাসে স্কলারশিপ পাবেন।
চাকরি: টেকনিক্যাল কাজে পারদর্শী হলে এসব দেশে চাকরির অভাব নেই। তবে ভাষা না জানা থাকলে পিছিয়ে থাকবেন। ভাষা জানলে খুব সহজেই এদের সোসাইটিতে ইন্টিগ্রেট হতে পারবেন।
ছোট কিছু টিপস:
যেকোনো দেশে যাওয়ার আগে IELTS-টা দিয়ে ফেলুন আর সেই দেশের সোশিও-ফাইন্যান্স সিচুয়েশন নিয়ে একটু ঘাটুন। আর নিজের সাবজেক্ট ও প্রফেশনের সাথে মিল রেখে দেশ চুজ করুন। সব দেশ সবার জন্য না, তাই নিজের প্রোফাইলটা আগে বুঝুন। স্পেসিফিক্যালি দুইটা প্রশ্ন নিজেকে করুন: এই দেশে কি আমি পার্মানেন্টলি থাকার জন্য পড়তে যাচ্ছি নাকি টেম্পোরেরি গেটওয়ে হিসাবে এই দেশে আমি পড়তে যাচ্ছি অন্য কোনো দেশে ইভেঞ্চুয়ালি মুভ-আউটের জন্য? কারণ দুটো ক্ষেত্রে স্ট্রাটেজি, প্ল্যানিং ও এক্সেকিউশন এপ্রোচ সম্পূর্ণ আলাদা। নিজের ক্যারিয়ার প্ল্যানিংয়ে একটু সময় দিন। এক্সটার্নাল ভেরিয়েবল (যেগুলি আপনার হাতে নেই), কন্ট্রোলেবল ভেরিয়েবল গুলি আলাদা ভাবে আইডেন্টিফাই করে প্ল্যানিং করুন। এরপরে প্ল্যান অনুযায়ী কি কি ল্যাকিংস আছে সেগুলি ফিল-আপ করে কাজে নেমে পড়ুন। ক্যারিয়ার প্ল্যানিং না করে দুম-দাম সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দেশে গিয়ে পরে রোনেকেই রিয়ালাইজ করে এই কোর্স , এই দেশ তার জন্য না। ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে যায়, আর তারাও একটা লুপের মধ্যে আটকে যায়। সেই লুপ ছাড়াতে ছাড়াতে আরেকটা লুপে ঢুকতে হয়। এই জন্য সবার প্রথমে আগে নিজের ক্যারিয়ার ক্রাইটেরিয়া গুলি সম্পর্কে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার আইডিয়া থাকতে হয়।
সবার জন্য শুভকামনা! সাহস করে লেগে থাকুন, সুযোগ আসবেই।
© Scholarship School BD
01/20/2026
সম্প্রতি আমেরিকায় ভিসা ব্যান সংক্রান্ত জটিলতায় দেখা গেছে ৫৪% বাংলাদেশী সরকার থেকে সুবিধা নেয়, বেশীরভাগই অনৈতিক ভাবে। কারা কিভাবে করে এগুলি নিয়ে বিস্তর লেখালেখি অনলাইনে আছে, এই কিচ্ছা আর না গাই।
নতুন আরেকটা জিনিস নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে, সেটা হচ্ছে ইবি১-আইনস্টাইন ক্যাটাগরিতে গ্রিন কার্ড। এটার টার্গেট একদম হাইলি স্কিল্ড/এক্সপার্ট প্রফেশনালরা। যারা নিজেদের ফিল্ডে একদম টপে আছে। এই ক্যাটাগরীতে বাটপারীটাও লোকজন শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। খুব ডিটেইলে যাবোনা, মন বিষিয়ে উঠে এগুলি চিন্তা করলে। একটা এক্সাম্পল দেই।
সিমিলার আরেকটা ক্যাটাগরী আছে ইবি২-এনআইডব্লিউ, রিসার্চ রেকর্ড এস্টাবলিশড থাকলে এই ক্যাটাগরীতে গ্রিন কার্ড পাওয়া যায়। আমাদের দেশীদের একটা গ্রুপ আছে এই বস্তু নিয়ে আলাপ আলোচনা, সাহায্য সহযোগিতা করার। সবাই খুব রিসোর্সফুল, হেল্প চাইলেই পাওয়া যায়। সেখানে হঠাৎ একজনের পোস্ট চোখে পড়লো সাইটেশন আদান প্রদান করে সবাই মিলে নিজেদের গুগল স্কলার সাইটেশন কাউন্ট বাড়ানোর। মানে দশে মিলে নিজেরাই নিজেদের পেপার করি সাইট, সেটা পেপারের সাথে রিলেটেড হোক বা না হোক। এবং এটা যে একটা অনৈতিক কাজ - কোন রাখঢাক লাজলজ্জা নাই।
তো গত কয়েক বছর ধরে এই বাটপারিগুলি দেখে আসছি। ইনফ্যাক্ট বাংলাদেশের মেশিন লার্নিং রিলেটেড কিছু গ্রুপ আছে যেখানে অহরহ এনোনিমাস/ ফেইক আইডি থেকে পোস্ট আসে যে পেপারের কোলাবরেটর খুঁজছে। দেখে মনে হয় সিম্পল কোলাবরেট করার পোস্ট। কিন্তু ভিতরে ভিতরে যে কাজটা হয় সেটা হচ্ছে, নাম ধাম ছাড়া (মাঝে মাঝে ভালো জায়গাতেই) অলরেডি এক্সেপ্টেড হওয়া পেপারে টাকার বিনিময়ে অথরশীপ দেয়া হয়। এভাবে অনেক পেপারের অথর হয়ে যাওয়া যায় টাকা দিয়ে। সাইটেশন বাড়ানোরও পেইড সার্ভিস আছে। তো এভাবে এরা অনেক পেপারে নিজেদের নাম বসায়, সাইটেশন বাড়ায়। তারপরে গ্রিনকার্ডের এপ্লাই করে, পেয়েও যায়। ক্ষেত্রবিশেষে এই ক্রিমিনালগুলি এতই নির্লজ্জ টাইপ যে সোশ্যাল মিডিয়ার বায়োতে আবার বিতং করে লেখে যে ইবি১-আইন্সটাইন ভিসা প্রাপ্ত। মানে আমি এখন পর্যন্ত যত সিনিয়র কলিগের সাথে কাজ করেছি এদের ৮০% ইবি১ পাওয়া, কেউ এগুলি নিয়ে মাথাই ঘামায় না। এই বাটপারগুলির কিছু কিছু এখন বিদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশেও তাদের কালো হাত বিছিয়েছে। যারা জুনিয়র রিসার্চার, না জেনে বুঝে হুট করে যার তার সাথে পেপারের কো-অথর হয়ে যেওনা। একবার ক্যারিয়ারে স্ট্রাইক পড়লে খবর আছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষা-মিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরী বাকরী পাইতে ভালো সমিস্যা হবে। ৯০% বাটপারই হয়তো ধরা খায়না, কিন্তু বাকী ১০% এর ভেতর পড়ার রিস্ক না রাখাই ভালো।
নিউজ দেখলাম অলরেডি যারা ইবি১ এ গ্রীনকার্ড পেয়ে গেছে, তাদের অনেকের কেইস আবার ওপেন করে খুঁটিয়ে দেখা হবে। দেখা যাক, দেখা ... কতদূর বাটপারি করা যায়...
আমি এইটা বুঝি যে যারা একদমই আন্ডারপ্রিভিলেজড তারা পেটের দায়ে অনেক অপরাধের সাথে যুক্ত হয়। কিন্তু দেশে ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়ার সুযোগ পেয়ে, নর্থ আমেরিকাতে গ্র্যাজুয়েট স্কুলে মাস্টার্স-পিএইচডি করার পরেও এইরকম লেভেলে যে নামে তার একটা ডলা খাওয়াটা আসে।
© Sudipta Kar
01/07/2026
বাংলাদেশিদের জন্য আমেরিকার B1/B2 ভিসায় নতুন কড়াকড়ি
💰 ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার জামানত দিতে হতে পারে!
আমেরিকার ভিসা নিতে চাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। এখন থেকে কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের USA Visa B1/B2 (ভ্রমণ ও ব্যবসা) ভিসার জন্য অতিরিক্তভাবে ভিসা বন্ড বা আর্থিক জামানত দিতে হবে।
এই তালিকায় বাংলাদেশও যুক্ত হয়েছে।
📅 বাংলাদেশিদের জন্য এই নিয়ম কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে।
💰 কত টাকা দিতে হতে পারে?
ভিসা ইন্টারভিউয়ের সময় কনস্যুলার অফিসার সিদ্ধান্ত নেবেন আপনাকে কত টাকা জামানত দিতে হবে। এই অঙ্ক হতে পারে—
👉 ৫,০০০ ডলার
👉 ১০,০০০ ডলার
👉 ১৫,০০০ ডলার
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই টাকা কোনো এজেন্ট বা দালালের হাতে দেবেন না।
শুধু কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশ পেলে, সরাসরি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইট (Pay.gov)–এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। আগে থেকে নিজে নিজে টাকা জমা দেওয়ার দরকার নেই।
✈️ এই বন্ড দিয়ে ভিসা পেলে যেসব বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন
এই নিয়মের আওতায় যারা ভিসা পাবেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে নিচের এই তিনটি বিমানবন্দরের যেকোনো একটিতে—
1️⃣ জন এফ. কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK) – নিউ ইয়র্ক
2️⃣ ওয়াশিংটন ডুলেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)
3️⃣ বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS)
💵 জামানতের টাকা ফেরত পাবেন কখন?
আপনি যদি—
✔️ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আমেরিকা ত্যাগ করেন, অথবা
✔️ ভিসা পেয়েও ভ্রমণ না করেন,
তাহলে এই টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়া হবে।
⚠️ কবে টাকা বাজেয়াপ্ত হবে?
নিচের যেকোনো একটি করলে জামানতের টাকা ফেরত পাবেন না—
❌ অনুমোদিত সময়ের বেশি দিন আমেরিকায় থাকা (Overstay)
❌ সেখানে গিয়ে ভিসার স্ট্যাটাস পরিবর্তন করা
❌ রাজনৈতিক আশ্রয় (Asylum) আবেদন করা
আমেরিকায় অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার কমানোর লক্ষ্যেই মূলত এই নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
📌 যেসব দেশের নাগরিকদের জন্য এই ভিসা বন্ড প্রযোজ্য (বাংলাদেশসহ)
আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, বাংলাদেশ, নেপাল, নাইজেরিয়া, ভুটান, তানজানিয়া, জিম্বাবুয়ে, সেনেগালসহ মোট কয়েক ডজন দেশ এই তালিকায় রয়েছে (কার্যকর হওয়ার তারিখ দেশভেদে আলাদা)
📚 তথ্যসূত্র:
US Department of State
10/09/2025
দেশের বাইরে পড়াশুনার জন্য IELTS এ ভালো স্কোর থাকাটা খুবই জরুরি। IELTS এক্সামের চারটি মডিউল থাকে - লিসেনিং, স্পিকিং রাইটিং ও রিডিং। এজন্য প্রিপারেশন নেবার সময় অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন টা দিয়ে শুরু করবেন।
প্রথমে রিডিং দিয়ে শুরু করুন। শুধুই পড়ুন, পড়ুন, এবং জাস্ট পড়ুন। কোন কোয়েশচন সল্ভ করবেন না। আপনার উদ্দেশ্য হবে রিডিং প্যাসেজটি ভালো করে পড়ে বোঝার চেষ্টা করা। পড়ার সময় অজানা ভোক্যাবিউলারি আন্ডারলাইন করে টুকে রাখবেন। সেন্টেসের প্যাটার্ন বা স্ট্রাকচার গুলো একটু একটু নোটিশ করতে থাকুন। পড়তে গিয়ে দেখুন যা বলতে চেয়েছেন লেখন তা বুঝতে পারছেন নাকি। এরকম প্রথম প্রথম শুধুই পড়ুন, পড়ুন, এবং জাস্ট পড়ুন। এমনটা পুরো এক সপ্তাহ করুন।
এক সপ্তাহ পর থেকে প্যাসেজটা পুরাটা পড়ার পরে নিজের ভাষায় ৯/১০ টা বাক্যে পুরো প্যাসেজটার সামারি লিখুন। এতে কি হবে জানেন? এতে যাচাই হবে আপনি যা পড়ছেন সেগুলার অর্থ কি অবচেতন মনে আপনি বুঝতে পারছেন কিনা। এখনোও কিন্ত কোন রিডিংয়ের প্রশ্ন সল্ভ করবেন না। শুধুই পড়ুন আর সামারি লিখুন ছোট্ট করে।
এভাবে আরো এক শুধুই পড়ুন আর লিখুন। লেখার সময় দেখবেন যে যে ভোক্যাবিউলারি এতদিন প্যাসেজ থেকে টুকে টুকে রাখতেন, বা যে যে সেন্টেন্স প্যাটার্ন প্যাসেজ গুলো পড়তে পড়তে ভাল লাগতো ঠিক ঐগুলিও আপনার সামারি লেখার মধ্যে চলে আসতেছে। অর্থাৎ আপনার রাইটিং স্কিল ও ডেভেলাপ হচ্ছে।
কয়েক সপ্তাহ পর দেখবেন আপনার ব্রেইন ইন্টারন্যালি অভ্যস্ত হয়ে গেছে কুইকলি কোন প্যাসেজ পরে নিজের মত অর্থ দাঁড় করাতে। IELTS রিডিংয়ে ভাল করতে এভাবেই দ্রুত পড়া ও কন্টেক্সচুয়াল মিনিং বোঝার স্কিল ডেভেলাপ করতে পারেন। তারপর যখন দেখবেন যা পড়ছেন খুব ভালোভাবেই সামারি করতে পারছেন, খুব বেশি চিন্তা করতে হচ্ছ যেন, তখন থেকে প্যাসেজের কোয়েশ্চন ঘড়ি ধরে ধরে সল্ভ করা প্রাকটিস শুরু করে দিন।
এভাবে রাইটিং এর টাস্ক ১ ও টাস্ক ২ ও নিয়মিত প্রাকটিস করতে থাকুন। দেখবেন নিয়মিত সামারি লেখার অভ্যেসের কারণে লেখার সময় নিজের মাথার চিন্তাগুলোকে দ্রুত কাগজে কলমে বন্দি করতে সমস্যা হচ্ছে না।
এবার আসি লিসেনিং আর স্পিকিং নিয়ে। প্রথমে প্রথমে শুধুই IELTS ক্যামব্রিজের লিসেনিং অডিওর একটি করে সেকশন ৫-১০ মিনিট শুনুন। সেকশনটি শোনার পরে যা বুঝেছেন সেটা নিজের ভাষায় নিজে নিজে সামারি করে মুখে বলুন। অর্থাৎ সেকশনে কে কি নিয়ে কথা বলেছে এসব ই নিজের মুখে জোরে জোরে বলুন। এতে শোনা ও বলা দুটো স্কিলই আস্তে আস্তে ডেভেলাপ হবে। আপনার মুখের জড়তা ও দূর হবে। এভাবে কিছু দিন করার পরে লিসেনিং ও স্পিকিং এর কোয়েশ্চন গুলা সল্ভ করতে শুরু করুন।
ইংরেজিতে সবার দক্ষতার লেভেল এক নয়। লেভেলের উপর নির্ভর করে আপনারা নিজ বুদ্ধিতে প্রিপারেশন টাইম নির্ধারণ করুন।
© Scholarship School BD
09/21/2025
সমস্যা:
বিদেশে পড়াশোনা বা কাজের জন্য শিক্ষাগত সার্টিফিকেট যাচাই করা সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং জটিল প্রক্রিয়া ছিল। এতে দূতাবাস ও বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার যেতে হতো, যা অনেকের জন্য চাপ, বিলম্ব এবং অতিরিক্ত খরচের কারণ হতো। যদি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জন্য সব সার্টিফিকেট অনলাইনে যাচাই করা যায়, তাহলে বছরে অন্তত ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
পরিবর্তন:
বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণ অনলাইন সনদ যাচাই এবং অ্যাপোস্টিল (Apostille) সিস্টেম চালু করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন পাবলিক ডকুমেন্ট যাচাইয়ের জন্য অ্যাপোস্টিল সনদ দেবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও নাগরিকরা অনলাইনে নিজেদের শিক্ষাগত সনদ ডিজিটালি যাচাই করাতে পারবে। এতে শিক্ষার্থী এবং নাগরিকরা তাদের শিক্ষাগত কাগজপত্র ডিজিটালি যাচাই করতে পারবেন, যার ফলে দূতাবাস বা বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়ার দরকার হবে না, সময় বাঁচবে, খরচ কমবে, জালিয়াতি রোধ হবে এবং এসব সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
• দূতাবাস বা বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে শারীরিকভাবে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না, ফলে
সময় ও শ্রম বাঁচবে।
• ম্যানুয়াল সত্যায়ন ও যাচাই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ফি কমে যাবে।
• ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমে জাল সনদ ও প্রতারণা কমবে।
• সামগ্রিকভাবে, বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি ও অভিবাসনের জন্য যাচাই প্রক্রিয়া সহজ হবে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ:
এই ডিজিটাল সিস্টেম ব্যয়বহুল ও ঝামেলাপূর্ণ কাগজপত্রের প্রক্রিয়া দূর করে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে তাদের ডকুমেন্ট যাচাই করাতে সাহায্য করবে, যা বৈশ্বিক সুযোগ পেতে সহায়ক হবে। এতে জাল সনদ রোধ হবে, এবং পুরো প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা বাড়বে, তরুণদের স্বপ্নপূরণের পথে এটি সহায়ক হবে।
- Chief Advisor of Bangladesh
09/13/2025
কানাডায় যারা পিএইচডি তে ভর্তি হতে চাও তাদের জন্য। জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ যারা এম এস সি কমপ্লিট করেছো অথবা প্রায় শেষের দিকে তারা আমার অফিসিয়াল ইমেইল এড্রেসে ইমেইল করে সিভি দাও। রেজাল্ট ভাল হতে হবে, রিসার্চ পটেনশিয়াল থাকতে হবে। ১০-১২ জনকে ১০ মিনিটের ভাইভা নিয়ে ৫ জন্য সিলেক্ট করা হবে। তাদের মধ্যে ২-৩ জন কানাডার প্রফেসর সিলেক্ট করবেন। দয়া করে ফোন করবে না। আমার ইমেইলঃ [email protected]
© Professor Jahangir, dept. of civil engg., BUET
07/27/2025
IDP তে দিবা-রাত্রি IELTS এক্সাম সার্ভিস চলছে, এক্সাম শেষে এক্টু ওয়েট করলে বিয়ে বাড়ির খানা ফ্রি পাবেন 😉 (বি:দ্র: মোবাইল, ব্যাগ হারালে এই পেইজ দায়ী নয়)
07/19/2025
সোমালিয়ায় জন্ম নেয়া আর জাপানে জন্ম নেয়া এক না।
আমরা পড়েছিলাম, জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভালো। কথাটা ইউনিভার্সাল ট্রুথ না।
জন্ম যথা তথা হলে, কর্ম ভালো করার সুযোগও অনেক সময় থাকে না। কর্ম ভালো করলেও তেমন লাভ হয় না। দশ কদম আগালে, বারো কদম পিছিয়ে পড়তে হয়।
সুইডেনে যদি আপনি চাকরি হারান, তাহলে আপনার সর্বেশষ বেতনের প্রায় ৮০% বেকার ভাতা পাবেন। প্রায় ৯ মাস ধরে এই হারে পাবেন। পাশাপাশি আপনাকে চাকরি খুঁজে দিতে ওরা সাহায্য করবে। (বেকার ভাতা আরো বেশিদিন দেয় ওরা)
সোমালিয়াতে আপনি বেকার হলে এই সুযোগ পাবেন? পাবেন না।
ফিনল্যান্ডের একটা বাচ্চা সম্পূর্ণ ফ্রি পড়াশুনা করে। এবং পৃথিবীর একটা সেরা শিক্ষা ব্যবস্থা ওরা দেয়।
আপনার পেশা কি, আপনার ইনকাম কতো, সেটার উপর আপনার বাচ্চার পড়াশুনার মান ভিন্ন হবে না। আপনি ড্রাইভার হলেও আপনার বাচ্চা যে স্কুলে যেতে পারবে, আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হলেও তাই হবে।
জন্ম যথা তথা হলে, ভালো বন্ধু-বান্ধব ও সঙ্গই তো পাওয়া যায় না। ভালো বন্ধু-বান্ধব আপনার জীবনকে ধাক্কা দেয়। ড্রাইভ করে। বস্তিতে জন্ম নেয়া শিশুটা তো ইংলিশ মিডিয়ামের পড়া একটা বাচ্চার সাথে মিশতেই পারে না!
ডেনমার্কে জন্ম নেয়া মানুষটা উচ্চতর শিক্ষা না নিয়েও, একটা ভালো জীবন পার করতে পারে। কিন্তু ভারতের একটা মানুষ শৈশব থেকে যৌবন পর্যন্ত শুধু পরীক্ষা আর রোল নম্বরের পেছনে দৌঁড়েও একটা ভালো চাকরি পেতে কষ্ট হয়। একসময় স্ত্রী, সন্তান নিয়ে জীবন চালাতে হিমশিম খায়।
জন্ম হোক যথা তথা—কথাটা পুরো সত্য না। জন্ম যথা তথা হলে জীবনে অনেক ধকল, অনেক দুর্ভাগ্য, অনেক পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা অপেক্ষা করে।
হুম, এটা সত্য যে জন্মের উপর আমাদের কারো হাত নেই। তাই আমাদের কাজ হলো কর্ম করে যাওয়া—যেটার উপর আমাদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আছে, কম-বেশি।
© RAUFUL ALAM
07/12/2025
প্রফেসরদের ইমেইল দেয়ার পরে রিপ্লাই না পেলে, অনেক সময় ফলো-আপ ইমেইল করা উচিত। কারন অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা কনফারেন্স, প্রজেক্ট প্রপোজাল ডেডলাইন ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় কিংবা সিম্পলি চোখে না পড়ার কারনে, অথবা স্প্যামে গেলে বা টেকনিক্যাল এরর এর জন্য প্রথম ইমেইলটা হয়তো পড়া হয়না। আপনার ভাগ্য সহায় হলে ফলো-আপ ইমেইল করলে হয়তো ক্লিক হতে পারে।
প্রথম ইমেইল করার নুন্যতম কয়দিন পর ফলো-আপ ইমেইল করা উচিত? আসুন দেখি ফলো আপ ইমেইলে কি লিখবেন? বিস্তারিত কমেন্ট সেকশন।
07/01/2025
Application link is in comment