Study abroad with Nazmin

Study abroad with Nazmin This page is about sharing my own experiences regarding studying abroad including Europe and Canada.

02/27/2024


কানাডায় আসার আগে চিন্তা করুন!
Before going to Canada, it is important to carefully consider and plan your trip.

হেডিংটা দেখেই তো আপনাদের কেউ কেউ আমাকে গালি দেওয়ার জন্য রেডি হয়ে যাবেন। যে যাই বলেন কাউকে সত্যি কথা বলা বা পরামর্শ দেওয়া একটা নৈতিক দায়িত্ব। একটা পরামর্শে বা কোনো সঠিক তথ্যে যদি কারোর জীবনের গতিটা সঠিক পথে যায় সেটাও একটা বড়ো কাজ।
হ্যাঁ, আমি কেনো বললাম কানাডায় আসার আগে চিন্তা-ভাবনায় গভীরভাবে নিমজ্জিত হন? আপনার জন্য আসাটা কতোটা নিরাপদ ও যুক্তিসঙ্গত!

আপনি যদি সঠিকভাবে সিস্টেম মতো আসেন তাহলে ঠিক আছে। সোজা কথায় যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হলো ইমিগ্রেশনের সব requirements মেনে আবেদন করে তারপর আপনি কানাডায় আসার ভিসা পেয়েছেন। সেটা ঠিক আছে। এ স্ট্যাটাস নিয়ে আসার পরও কিন্তু প্রথম কয়েক বছর আপনাকে যারপরনাই struggling করতে হবে দাঁড়ানোর জন্য। তারপরেও আপনি কষ্ট করলে একদিন আপনি কিছু করতে পারবেন। কারণ এই স্ট্যাটাস নিয়ে যারা আসেন তারা মোটামুটি সবাই এডুকেটেড।
আপনি যদি দেশ থেকে কানাডার কোম্পানিতে একটা জব অফার নিয়ে আসেন তাহলেও ঠিক আছে। যেমন অনেক ইন্ডিয়ান আইটি প্রফেশনালরা আসতেছেন। তবে বর্তমানে অন্টারিতে এই ক্যাটাগরির মানুষের PR এর জন্য কিন্তু এক প্রকার যুদ্ধে নামতে হচ্ছে। তাই আসার আগে সেটাও মাথায় রাখতে হবে। অন্যান্য প্রভিন্সও PR অর্জনের ক্ষেত্রে আগের মতো সহজ থাকছে না। আরেকটা কথা, জব অফারের মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে আসাটা কিন্তু সবার জন্য সহজ না।

এখন আসা যাক ভিজিট ভিসায়। যদি আপনি শুধুমাত্র বেড়াতে আসেন তাহলে ঠিক আছে। এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্যে দৃশ্যায়নে আপনি আকৃষ্ট হবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

যদি এসে asylum seek করে তখন আপনাকে ভাবতে হবে। অনেকেই এসে ওয়ার্ক পারমিটের চেষ্টা করছেন বা কোনো সিস্টেমে সেটা পাচ্ছেন তাতেও কিন্তু জীবনের ভোগান্তি কম হচ্ছে না।

Asylum seek করছেন যারা বর্তমানে টরন্টোতে আছেন এমন অনেকেই কিন্তু মুখ খুলেছেন। তারা ভালো নেই। যে কথা শুনে এসেছেন সেসব কাজে আসছে না। শোনা গিয়েছিল সবকিছুই সহজে হবে।

এখন আপনি হলে স্বপ্ন পিয়াসী। কানাডা আপনার ড্রিম ল্যান্ড। সেই ল্যান্ডে যদি সবকিছু এতো সহজে হয় তাহলে দেশে এতো কষ্ট করতে যাবেন কেনো তাই না? কথাটা তো তাই। কিন্তু এসব কথায় শতভাগ বিশ্বাস করে কোটি কোটি খরচ করে টরন্টোয় পৌঁছে যাবেন তারপর কী হবে?
এমন করেছেন যারা বা যারা সাহায্য করছেন তারা কিন্তু অনেকেই বলছেন আমরা থাকার অনুমতি পাচ্ছি। ওয়ার্ক পারমিট পাচ্ছি। PR পাব আরো অনেক কিছু একেবারেই পানির মতো সহজ হচ্ছে কয়েক মাসের মধ্যেই।

কোনটা আপনি বিশ্বাস করবেন?

যেটা চরম বাস্তবতা এভাবে এসে জীবনের মূল্যবান সময় কালের স্রোতে ভাসিয়ে দেওয়া ছাড়া কিছুই হচ্ছে না। কতো কিছুই আপনার জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শুধু একবার চোখ বন্ধ করে ভেবে নেন। যা আর ফিরে পাবেন না।

তারপর কোথায় আপনাদের চাকরি? কীভাবে চলবেন বছরের পর বছর? অনেকেই না খেয়ে থাকছেন এমন কথা মিডিয়ায় পর্যন্ত বলেছেন। তাহলে?
যাচ্ছেন ফুড ব্যাংকে। টরন্টোতে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে এই ফুড ব্যাংকে মানুষের ভিড়ে। সেখানে বতর্মানে তেমন কোনো ফুড থাকছে না। ডোনেটের পরিমাণ কমে গেছে। আর ফুড ব্যাংকে কী ফুড পাওয়া যায়? শুধুমাত্র ড্রাই ফুড যা গলা দিয়ে নামানো যায় না। এসব কতো দিন একাধারে খাওয়া যায় বলুন?

যাই হোক আপনার জীবন আপনার সিদ্ধান্ত। অনেকেই নিজেদের স্বার্থের জন্য আপনাদের প্রলোভন দেখাবে। কিন্তু কিছু মানুষ থাকবে সব সময়ই আপনাদের ভালো চাইবে।

আল্লাহ আপনাদের সুস্থ রাখুন।

#কাজী হালিমা আফরীন
টরন্টো, কানাডা।

08/25/2023

বাংলাদেশ থেকে কানাডা আসার আগে আমরা বেশীরভাগই মনে করি কানাডা হয়তো স্বর্গের খুব কাছাকাছি একটি দেশ ‼️

স্বর্গের খুব কাছাকাছি হওয়ার কারনে সবসময় একটা হিমেল হাওয়া আর ফ্রি খাবার পাওয়া যায় এখানে 😊

তার উপর এই বছর যেভাবে গণহারে বাংলাদেশ থেকে কানাডার ভিসা দিচ্ছে তাই কোনকিছু মাথায় না রেখেই আমরা দলেদলে সবাই কানাডা ছুটছি।

যারা কানাডাকে স্বর্গের কাছাকাছি দেশ মনে করে আসতেছেন তারা অনেক ভুলের মধ্যে আছেন।

কানাডা অবশ্যই অনেক সুন্দর এবং একটি সভ্য দেশ কিন্তু নতুন একটি দেশে পার্মানেন্ট আসতে হলে সবকিছুই আপনাকে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে। এটি সবসময় মাথায় রাখতে হবে।

আর এই প্রথম থেকে শুরু করতে গেলে আপনাকে অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে।

এখানে এসেই আপনি চাকুরী পাবেন এই গ্যারান্টি এখন কেউ দিতে পারবেনা। আর চাকুরী না পেলে একটি ছোট পরিবারের মাসে সর্বনিম্ন ৩০০০ ডলার বা দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বাংলা টাকা খরচ আছে।

আপনি যখন ডলার ইনকাম না করতে পারবেন তখন মাস শেষে আপনাকে ২,৫০,০০০ টাকা খরচ করতে হবে। তার উপর বাংলাদেশের মত রাজকীয় চাকুরিও হয়তো খুঁজে পাবেন না।

কানাডা সহ পৃথিবীর কোন দেশেরই অর্থনৈতিক অবস্থা এখন ভাল না। আর এজন্য কানাডা সরকার প্রচুর ভিসা দিচ্ছে যাতে অন্যদেশ থেকে ডলার এসে এই দেশ চাঙ্গা হয়।

কিন্তু আমাদের বেশীরভাগ মানুষ কোন কিছু চিন্তা না করে এখানে এসেই বিপদে পড়ছে। আমরা কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশীদের ফেসবুক গ্রুপে চোখ পড়লে প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত মানুষ চাকুরির, খাবার, বাসস্থানের জন্য একে অপরের সাহায্য চাচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে যে টাকা নিয়ে এসেছিল তা সব শেষ হয়ে যাওয়াতে এখন অনেকের থাকার জায়গা পর্যন্ত নাই।

আমি কাউকেই কানাডাতে আসতে নিরুৎসাহিত করছিনা তবে আসার আগে অবশ্যই ভবিষ্যতের সবকিছু চিন্তা করে আসবেন এবং অন্তত আগামী ৬ মাসের ভরণপোষণ ও বাসা ভাড়ার যোগান মাথায় রেখে আসবেন যেন চাকুরী না পেলেও সমস্যাতে পড়তে না হয়।

08/15/2023

আমার মেয়ের জন্মের পর থেকে প্রতিদিন আমার কাছে ঈদের দিনের মতো মনে হয়। ঘুম ভাঙতেই যখন মেয়ের মুখ দেখি মনে হয় জীবনে আর কিচ্ছু লাগবে না। এখন আমার প্রত্যেকটা দিনই স্পেশাল। প্রতিদিন নতুন নতুন জিনিস এক্সপেরিয়েন্স করছি, নতুন জিনিস শিখছি। এ এক অন্যরকম অনুভূতি। বিদেশে একা একা ফ্যামিলি ছাড়া বাচ্চা পালা অনেক চ্যালেঞ্জিং। আবার যদি আপনি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হোন তাহলে তো আর কথাই নাই। কিন্তু বিলিভ মি এতো স্ট্রাগলের মধ্যে আপনি যখন একটা ছোট্ট মানুষের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা দেখবেন মনে হবে আর কিছুই চাই না জীবনে। সবাই বলে বাচ্চা যখন ঘুমায় তখন আমি কেন ঘুমাই না। আমি কি করে ঘুমাই যখন একটা নিষ্পাপ ছোট্ট পরি আমার পাশে ঘুমোয়। আমি অপলক ওর দিকে তাকিয়ে থাকি। আর আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া জানাই একটা ছোট্ট জান্নাত আমাকে উপহার দেওয়ার জন্য। সবাই আমার বাচ্চার জন্য দোয়া করবেন যাতে ও পৃথিবীতে পজিটিভ চেঞ্জ নিয়ে আসতে পারে, মানুষের জন্য কাজ করতে পারে।আর আমার শক্তি হয়ে আমাকে অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে।

07/29/2023

এসএসসি-২০২৩ উওীর্ণ সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন। সবার আগামীর জন্য থাকলো অনেক শুভকামনা। আর যারা উত্তীর্ণ হতে পার নি তাদের জন্যও শুভকামনা। আবার নতুন করে নতুন উদ্যমে শুরু করে দাও। সফলতা এমনিই আসবে ইনশাআল্লাহ।

07/11/2023

আপনি চাইলে গর্তের ভেতর নিজেকে সারাজীবন গুটিয়ে রাখতে পারবেন। আবার আপনিই চাইলে পুরো পৃথিবী এক্সপ্লোর করতে পারেন। আপনি কি চান? সিদ্ধান্ত একান্ত আপনার।

মনে রাখবেন সৃষ্টিকর্তা তাকেই সাহায্য করেন, যে নিজেকে নিজে সাহায্য করে।

06/28/2023

Eid-al-adha Mubarak. May Allah (SWT.) shower His unlimited blessings upon us and protect us from the evil eyes.

02/21/2023

পৃথিবীর প্রত্যেকটা ভাষা'ই সুন্দর। প্রত্যেকটা ভাষার নিজস্ব বৈচিত্র্য রয়েছে। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে পৃথিবীর বেশ কয়েকটা দেশে ঘুরতে পারার সাথে সাথে সেসব ভাষাভাষী মানুষের সাথে মেশারও সুযোগ হয়েছিল। নতুন নতুন ভাষা এবং শব্দ শেখার আগ্রহ আমার অনেক দিনের। সেজন্য ভিন্ন দেশের মানুষের সাথে পরিচয় হলেই আমি তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন করি। এতে করে মানুষের কাছাকাছি সহজে যাওয়া যায় এবং অনেক কিছু শেখা যায়।

তবে এতো কিছুর মধ্যেও আমার কাছে বাংলা ভাষার আবেদন অন্যরকম। আর সেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা বাংলা আমার মাতৃভাষা। যারা সুন্দর করে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলে, তাদের কথা আমার কানে কবিতার মতো বাজে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিতর্ক করাকালীন সময়ে আবিষ্কার করলাম আমার বাংলা উচ্চারণে সমস্যা আছে। সেটা নিয়ে আমার খুব মন খারাপ হতো। যাইহোক পরবর্তীতে চেষ্টা করেছিলাম সেটা কিভাবে কাটানো যায়। বিভিন্ন বই কিনে শুদ্ধ উচ্চারণ শেখার চেষ্টা করতাম, তাছাড়া একটা কোর্সও করেছিলাম যেটা পরবর্তীতে একটু হলেও সাহায্য করেছিল। আমাদের ডিপার্টমেন্টের দুজন শিক্ষক ছিলেন, উনারা যখন লেকচার দিতেন আমি মুগ্ধ হয়ে শুনতাম। আজকাল অনেক অভিভাবক আছেন যারা গর্বের সাথে বলেন আমার বাচ্চা বাংলায় কথা বলতে পারে না, ইংরেজি ছাড়া তো ও কিছুই বুঝে না। আফসোস তাদের জন্য। একজন আন্তর্জাতিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ইংরেজি শেখা অপরিহার্য, কিন্তু তাই বলে মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করে নয়।

বাংলা ভাষা আমাদের গর্ব, আমাদের পরিচয়। পৃথিবীতে ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়ার ইতিহাস বিরল যা আমরা করে দেখিয়েছি। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সেসব ভাষা শহীদদের প্রতি যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা কথা বলি পৃথিবীর মধুরতম ভাষায়।

ভাষা দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে। সেইসাথে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা পৃথিবীর সকল ভাষাভাষী মানুষদের 💐।

গত সেমিস্টারে আমি আমাদের ডিপার্টমেন্টের একজন প্রফেসরের সাথে টিচিং এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করি।যদিও আমার নিজের ফুলটাইম স্...
01/05/2023

গত সেমিস্টারে আমি আমাদের ডিপার্টমেন্টের একজন প্রফেসরের সাথে টিচিং এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করি।যদিও আমার নিজের ফুলটাইম স্টাডি, ফাইনাল এক্সামের প্রেশার সবকিছু মিলিয়ে as a TA কাজ করা এতটা সহজ ছিল না। কেননা ব্যাচেললের একটা কোর্সের সবগুলো ফাইনাল পেপার আমাকে মার্কিং করতে হয়েছে। তাও ঠিক তখন আমার ফাইনাল এক্সাম চলে। এখানে পেপার গ্রেডিং করার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আপনাকে প্রত্যেকটা পেপারের প্রতিটি লাইন ভালোভাবে পড়তে হবে। তাছাড়া প্রতিটি পেপারে margin, spacing, use of indentation, grammar and punctuation, references, plagiarism প্রতিটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হয়। এখানেই শেষ নেয় সবগুলো পেপারের গ্রেডিং করার পাশাপাশি সেগুলোর ফিডব্যাক ও লিখতে হয় যেমন একটা স্টুডেন্ট কেন নাম্বার কম পেল বা বেশি পেল। তার পেপারের strengths and weaknesses কি কি, কোন জিনিসগুলো ইমপ্রুভ করতে হবে ইত্যাদি।এরপরও অনেক সময় কিছু স্টুডেন্ট তাদের প্রাপ্ত নাম্বার নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে না। তারা কেন কম পেল সেটার এক্সপ্ল্যানেইশন চায়। তখন তাদের পেপার ডাবল চেক করে আবার ডিটেইলড্ এক্সপ্ল্যানেইশন দিতে হয়। যাইহোক এতকিছুর পরেও যেটা ইম্পর্ট্যান্ট তা হলো এইসব করতে গিয়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি। একটা পেপার মার্কিং করতে গিয়ে কোন কোন জিনিস প্রফেসরকে আকৃষ্ট করে, কিংবা কোন জিনিসগুলো আমি নিজে প্রাধান্য দিয়েছি নাম্বারিং এর ক্ষেত্রে ইত্যাদি। সেগুলো আমি আমার নিজের ক্ষেত্রে এপ্লাই করেছি এবং আলহামদুলিল্লাহ সেটার ফলাফলও পেয়েছি। যাইহোক মূলকথা হলো কোন অভিজ্ঞতাই বৃথা যায় না। আপনাকে কোন না কোন পর্যায়ে সেটা সাহায্য করবে।

কিছুদিন আগে সেই প্রফেসর আমাকে মেসেজ দিলেন যে তিনি আমার সাথে দেখা করতে চান এবং আমার জন্য উনার পক্ষ থেকে একটা গিফট্ ও আছে। আমি রিপ্লাই দিলাম আমার কোন সমস্যা নেই, আমি আসব। ফাইনালি গতকাল আমার সেমিনার শেষে আমি উনার অফিসে যাই এবং যেই অভ্যর্থনা পাই তা লিখে প্রকাশ করা যাবে না। আমি উনার রুমের সামনে যাওয়ার পর she welcomed me with a warm hug and she is a 60 years old Professor. তিনি আমাকে হাজার বার বলেছেন উনাকে প্রফেসর না ডেকে যাতে আমি উনার নাম ধরে ডাকি। আমি উওরে বলতাম এইটা আমার পক্ষে পসিবল না কারণ আমি যে কালচার থেকে এসেছি সেটা আমাকে আমার সিনিয়রদের নাম ধরে ডাকা অ্যালাউ করে না আর টিচারদের তো প্রশ্নই আসে না। তিনি সেটা খুবই এপ্রিসিয়েট করলেন এবং বললেন উনার ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে উনি উনার কোন কলিগকে ডিরেক্ট ফার্স্ট নেইম ধরে ডাকেননি। তাছাড়া উনার সাথে প্রায় একঘন্টা ব্যক্তিগতসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো। উনি একজন ফেমিনিস্ট, আমি বললাম আমি নিজেও একজন ফেমিনিস্ট। তবে আমি তথাকথিত ফেমিনিজমের কনসেপ্ট মানি না। অনেকে ফেমিনিজম কি সেটা না বুঝেই লাফায় স্পেশালি আমাদের সাবকন্টিনেন্টের মানুষজন৷ এছাড়াও অনেক অনেক আলোচনা। কতবার বলেছেন যে আমার সাহায্য না পেলে উনার পক্ষে এই সেমিস্টার কমপ্লিট করা পসিবল ছিল না এবং আমি জানি যে এটা হচ্ছে উনাদের gratitude প্রকাশের সিস্টেম। এসব জিনিস আমি এক্সপেরিয়েন্স করি আর প্রতিনিয়ত শিখি how to deal with people professionally and how to be grateful to them who help us. সবশেষে উনি আমাকে আমার হাজবেন্ড সহ একদিন একসাথে লাঞ্চ করার দাওয়াত দিলেন and again I came back with another warm hug and the gifts ❤️.

মেইন জিনিসটা হলো এইযে ছোট ছোট এপ্রিসিয়েশন, এইগুলো মানুষকে অনেক অনুপ্রেরণা দেয়। কারো কারো কাছে হয়তো এইগুলা তেমন ম্যাটার করে না বাট আমার কাছে এসব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক পজিটিভ একজন মানুষ and I try to find positivity even in odds. বিশ্বাস করেন এইটা লাইফে tremendously হেল্প করে to fight against every hurdles. সবার জন্য অনেক শুভকামনা।

08/19/2022

আমাদের দেশে সবচেয়ে প্রচলিত ভূয়া কথা হচ্ছে সোশ্যাল সায়েন্সের স্টুডেন্টদের জন্য বিদেশে অপরচুনিটি কম। এটা সত্যি যে সোশ্যাল সায়েন্সের স্টুডেন্টরা তুলনামূলকভাবে বিদেশে কম আসে। আর সেজন্য তারা অনেক ইনফরমেশন প্রোপারলি জানে না। ইন-শা-আল্লাহ বেঁচে থাকলে স্টেপ বাই স্টেপ এগুলো নিয়ে লিখে যাবো।

08/13/2022

বাংলাদেশের প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। আর এইসব নোংরা রাজনীতি চর্চা বন্ধ করতে সবার আগে প্রত্যেক বাবা-মাকে এগিয়ে আসতে হবে। যেসব পোলাপান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেয়ে নোংরা-রাজনীতির ফাঁদে পড়ে গুন্ডামী করে বেড়ায়, ওদের খাবার-দাবার বন্ধ করে দেন। প্রয়োজনে পড়াশোনা বন্ধ করে বৃদ্ধ মধ্যবিত্ত বাবার সংসারের ঘানিটা এদের কাঁধে তুলে দেন। এরা পড়াশোনা করে এমনিতেও মানুষ হয় না। তারচেয়ে বরং কোন একদিন রাস্তায় গুলি খেয়ে মরে যাওয়া কিংবা খুন করে ফাঁসির দড়িতে ঝুলে পড়া থেকে বেঁচে যাবে আপনার অতি আদরের সন্তানটি। আর দেশ মুক্তি পাবে তথাকথিত শিক্ষিত গুন্ডা বাহিনী থেকে।

এখনও সময় আছে আবরার আর তাঁর হত্যাকারীদের পরিণতির দিকে তাকান। দয়া করে সাবধান হোন।

সবাইকে ইদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ❤️
07/09/2022

সবাইকে ইদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ❤️

06/23/2022

সিলেটে এমন বন্যা আমি কোনদিন দেখিনি। এ বন্যা যেন অতীতের সব রেকর্ড ভাঙ্গার প্রতিযোগিতায় মেতেছে। জীবনে যেসব এলাকায় পানি উঠতে দেখা যায়নি সেইসব এলাকা এইবার বন্যা কবলিত। গত কয়েকদিন যাবত থেকে ফেইসবুকে ঢুকলে কিংবা বাংলাদেশে কল দিলে ভীষণ খারাপ লাগছে। মানুষের ভোগান্তির যেন কোন শেষ নেই। কিন্তু এতো খারাপ লাগার মধ্যেও কোথায় যেন একটু স্বস্তি কাজ করছে। মনে হচ্ছে এইবার সিলেটবাসি আর একা না, পুরো বাংলাদেশ তাদের সাথে আছে। গোটা দেশ যেন এক হয়ে কাজ করছে বানভাসি মানুষের জন্য। সবার শুধু একটাই চিন্তা কিভাবে একটু সাহায্য করা যায় বন্যা আক্রান্ত মানুষদের। ব্যক্তিগত এবং সাংগঠনিক পর্যায় থেকে প্রচুর পরিমানে সহায়তা আসছে। কিছু মানুষের কথা না বললেই নয়; যেমন, তৌহিদ আফ্রিদি, তাশরিফ খান, ফারাজ করিম চৌধুরী, আস্ সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, ব্যারিস্টার সুমন, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, ফিরোজ হাসান সহ অসংখ্য ব্যক্তি এবং সংগঠন। তাছাড়া সিলেটের স্থানীয় অনেক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীরা দিনরাত এক করে কাজ করে যাচ্ছে। গলা সমান পানিতে নেমে কাঁধে করে মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। মনে হচ্ছে সোনার বাংলার সোনার ছেলেরা যেন জেগে উঠেছে আর বলছে "আমরা আছি ভয় পেয়ো না মাগো"। আর এই সোনার ছেলেদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। সিলেটবাসি তোমাদের কাছে চিরঋণী হয়ে গেল ❤️❤️।

Address

Regina, SK
S4S2L1

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Study abroad with Nazmin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Study abroad with Nazmin:

Shortcuts

Share

Category