MyQuran "আসুন হাদিস কোরআন অনুযায়ি জীবন গড়ি"

11/05/2025

আসসালামু আলাইকুম ও রহমাতুল্লাহ।

আপনাদের অনেকে লক্ষ্য করেছেন যে আমার পেজের সব কোরআন সম্পর্কিত ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে। আমি আপনাদের জানাতে চাই — ভিডিওগুলো ডিলিট করার কারণ কোনো ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় দ্বিধা নয়, বরং প্রতিটি ভিডিওতে অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন (advertisement) চলে আসছিল, যা কোরআনের তেলাওয়াত বা ইসলামী বিষয়বস্তুর সঙ্গে মানানসই নয়।

আমি চাই না আল্লাহর কালাম বা ইসলামী শিক্ষার ভিডিওর মাঝে ব্যবসায়িক বিজ্ঞাপন আসুক, যা দর্শকদের মনোযোগ নষ্ট করে এবং বিষয়ের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করে।

সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত,,,
11/04/2021

সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত,,,

আল্লাহ কোন ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করে তা তার জন্যই এবং সে যা কামাই করে তা তার উপরই ব...
09/18/2021

আল্লাহ কোন ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করে তা তার জন্যই এবং সে যা কামাই করে তা তার উপরই বর্তাবে

09/03/2021

⭐️সালাত তিন রাক‘আত আদায় করা হল না কি চার রাক‘আত, তা মনে করতে না পারলে বসা অবস্থায় দু’টি সিজদা্ করা।⭐️

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় যাতে আযান শুনতে না পায় আর তার পশ্চাদ-বায়ু সশব্দে নির্গত হতে থাকে। আযান শেষ হয়ে গেলে সে এগিয়ে আসে। আবার সালাতের জন্য ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেওয়া হলে সে পিঠ ফিরিয়ে পালায়। ইক্বামাত(ইকামত/একামত) শেষ হয়ে গেলে আবার ফিরে আসে। এমনকি সে সালাত আদায়রত ব্যক্তির মনে ওয়াস্ওয়াসা সৃষ্টি করে এবং বলতে থাকে, অমুক অমুক বিষয় স্মরণ কর, যা তার স্মরণে ছিল না। এভাবে সে ব্যক্তি কত রাক‘আত সালাত আদায় করেছে তা স্মরণ করতে পারে না। তাই, তোমাদের কেউ তিন রাক‘আত বা চার রাক‘আত সালাত আদায় করেছে, তা মনে রাখতে না পারলে বসা অবস্থায় দু’টি সিজদা্ করবে। (৬০৮; মুসলিম ৪/৮, হাঃ ৩৮৯, আহমাদ ৯৯৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১৫৯)

07/13/2021

💥কুরবানীর শুদ্ধ হওয়ার শর্তাবলী💥

১। কুরবানীর পশু যেন সেই শ্রেণী বা বয়সের হয় যে শ্রেণী ও বয়স শরীয়ত নির্ধারিত করেছে। আর নির্ধারিত শ্রেণীর পশু চারটি; উঁট, গরু, ভেঁড়া ও ছাগল। অধিকাংশ উলামাদের মতে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট কুরবানী হল উঁট, অতঃপর গরু, তারপর মেষ (ভেঁড়া), তারপর ছাগল। আবার নর মেষ মাদা মেষ অপেক্ষা উত্তম। যেহেতু এ প্রসঙ্গে দলীল বর্ণিত হয়েছে।[1]

একটি উঁট অথবা গরুতে সাত ব্যক্তি কুরবানীর জন্য শরীক হতে পারে।[2] অন্য এক বর্ণনা মতে উঁট কুরবানীতেও দশ ব্যক্তি শরীক হতে পারে। ইমাম শাওকানী (রহ.) বলেন, হাজ্জের কুরবানীতে দশ এবং সাধারণ কুরবানীতে সাত ব্যক্তি শরীক হওয়াটাই সঠিক।[3]

কিন্তু মেষ বা ছাগে ভাগাভাগি বৈধ নয়। তবে তার সওয়াবে একাধিক ব্যক্তিকে শরীক করা যাবে। সুতরাং একটি পরিবারের তরফ থেকে মাত্র একটি মেষ বা ছাগ যথেষ্ট হবে। তাতে সেই পরিবারের লোক-সংখ্যা যতই হোক না কেন।

কিন্তু উঁট বা গরুর এক সপ্তাংশ একটি পরিবারের তরফ থেকে যথেষ্ট হবে কি? এ নিয়ে উলামাগণের মাঝে মতান্তর রয়েছে। কেউ বলেন, যথেষ্ট নয়। কারণ, তাতে ৭ জনের অধিক ব্যক্তির শরীক হওয়া বৈধ নয়। তা ছাড়া পরিবারের তরফ থেকে একটি পূর্ণ ‘দম’ (জান) যথেষ্ট হবে। আর ৭ ভাগের ১ ভাগ পূর্ণ দম নয়।[4]

অনেকের মতে একটি মেষ বা ছাগের মতই এক সপ্তাংশ উঁট বা গরু যথেষ্ট হবে।[5]

বলা বাহুল্য, একটি পরিবারের তরফ থেকে এক বা দুই ভাগ গরু কুরবানী দেওয়ার চাইতে ১টি ছাগল বা ভেঁড়া দেওয়াটাই অধিক উত্তম।

কুরবানীর সাথে একটি ভাগ আকীকার উদ্দেশ্যে দেওয়া যথেষ্ট নয়। যেমন যথেষ্ট নয় একটি পশু কুরবানী ও আকীকার নিয়তে যবেহ করা। কুরবানী ও আকীকার জন্য পৃথক পৃথক পশু হতে হবে। অবশ্য যদি কোন শিশুর আকীকার দিন কুরবানীর দিনেই পরে এবং আকীকা যবেহ করে, তাহলে আর কুরবানী না দিলেও চলে। যেমন, দুটি গোসলের কারণ উপস্থিত হলে একটি গোসল করলেই যথেষ্ট, জুমআর দিনে ঈদের নামায পড়লে আর জুমআহ না পড়লেও চলে, বিদায়ের সময় হাজ্জের তওয়াফ করলে আর বিদায়ী তওয়াফ না করলেও চলে, যোহরের সময় মসজিদে প্রবেশ করে যোহরের সুন্নাত পড়লে পৃথক করে আর তাহিয়্যাতুল মাসজিদ পড়তে হয় না এবং তামাত্তু হাজ্জের কুরবানী দিলে আর পৃথকভাবে কুরবানী না দিলেও চলে।[6]

বয়সের দিক দিয়ে উঁটের পাঁচ বছর, গরুর দুই বছর এবং মেষ ও ছাগের এক বছর হওয়া জরুরী। অবশ্য অসুবিধার ক্ষেত্রে ছয় মাস বয়সী মেষ কুরবানী করা যায়। প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘‘দাঁতালো ছাড়া যবেহ করো না। তবে তা দুর্লভ হলে ছয় মাসের মেষ যবেহ কর।’’[7]

কিন্তু উলামাগণ এ বিষয়ে একমত যে, ছ’মাস বয়সী মেষের কুরবানী সিদ্ধ হবে; তা ছাড়া অন্য পশু পাওয়া যাক অথবা না যাক। অধিকাংশ উলামাগণ ঐ হাদীসের আদেশকে ‘ইস্তিহবাব’ (উত্তম) বলে গ্রহণ করেছেন এবং বলেছেন যে, ঐ হাদীসের মর্মার্থ এ নয় যে, অন্য কুরবানীর পশু না পাওয়া গেলে তবেই ছ’মাস বয়সের মেষ শাবকের কুরবানী বৈধ। যেহেতু এমন অন্যান্য দলীলও রয়েছে যার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ঐ বয়সী মেষেরও কুরবানী বৈধ; প্রকাশতঃ যদিও কুরবানীদাতা অন্য দাঁতালো পশু পেয়েও থাকে। যেমন রসূল (সা.) বলেন, ‘‘ছ’মাস বয়সী মেষশাবক উত্তম কুরবানী।’’[8]

উক্ববাহ বিন আমের (রা.) বলেন, (একদা) নবী (সা.) কুরবানীর পশু বিতরণ করলেন। উকবার ভাগে পড়ল এক ছয় মাসের মেষ। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার ভাগে ছয় মাসের মেষ হল?’ প্রত্যুত্তরে তিনি বললেন, ‘‘এটা দিয়েই তুমি কুরবানী কর।’’[9]

২। পশু যেন নিম্নোক্ত ত্রুটিসমূহ থেকে মুক্ত হয়;

(ক) এক চোখে স্পষ্ট অন্ধত্ব। (খ) স্পষ্ট ব্যাধি। (গ) স্পষ্ট খঞ্জতা। (ঘ) অন্তিম বার্ধক্য। এ ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সা.) বলেন, ‘‘চার রকমের পশু কুরবানী বৈধ বা সিদ্ধ হবে না; (এক চক্ষে) স্পষ্ট অন্ধত্বে অন্ধ, স্পষ্ট রোগা, স্পষ্ট খঞ্জতায় খঞ্জ এবং দুরারোগ্য ভগ্নপদ।’’[10]

অতত্রব এই চারের কোন এক ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা কুরবানী সিদ্ধ হয় না। ইবনে কুদামাহ (রহ.) বলেন, ‘এ বিষয়ে কোন মতভেদ আমরা জানি না।

(বুখারী ২১৭৮, মুসলিম ১৯৬৫নং)
(মুসলিম ১৩১৮নং)

06/28/2021

সালাম দেওয়ার গুরুত্বঃ
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, ইসলামে কোন্ ‘আমলটি উত্তম? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অপরকে খাবার খাওয়াবে এবং পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

[1] সহীহ : বুখারী ১২, ২৮; মুসলিম (৩৯)-৬৩, আহমাদ ৬৫৮১, নাসায়ী ৫০০০, ইবনু মাজাহ ৩২৫৩, আবূ দাঊদ ৫১৯৪, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৯৪৪, সহীহ আল আদাবুল মুফরাদ ৭৭৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫০৫, ‘নাসায়ী’র কুবরা ১১৭৩১, শু‘আবুল ঈমান ৩৩৫৯।

ব্যাখ্যাঃ ইমাম নাবাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ পরিচিত অপরিচিত সবাইকে সালাম দেয়াতে আল্লাহর জন্য ‘আমলকে খালেস করা হয় এবং বিনয় ব্যবহার করা হয়। তিনি আরো বলেন, সালামের বিস্তার সাধন এ উম্মাতের একটি বৈশিষ্ট্য।

ইবনু হাজার (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এর উপকারিতা হলো যদি কেউ অপরিচিত ব্যক্তিকে সালাম না দেয় তাহলে তার ধারণা হবে যে, সে তার অপরিচিত ব্যক্তি। এতে সে একাকীত্ব অনুভব করবে। তিনি বলেন, কাউকে কাফির বলে চিনতে না পারা পর্যন্ত সতর্কতার স্বার্থে সালাম দেয়া বৈধ।

ইবনু বাত্ত্বল (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ অপরিচিত ব্যক্তিকে সম্বোধন পূর্বক সালাম প্রদান করার মাধ্যমে কোমল আচরণ করা হয়। যাতে সকল মুসলিম ভাই ভাই হয়ে যায়। কেউ কারো নিকট থেকে একাকীত্ববোধ না করে। তিনি বলেন, সালামকে শুধুমাত্র পরিচিত মুসলিমের সাথে খাস করে অপরিচিত ব্যক্তিকে সালাম না দেয়াটা পরস্পরের বিচ্ছিন্নতার মতো। (ফাতহুল বারী ১১শ খন্ড, হাঃ ৬২৩৬)

‘আওনুল মা‘বূদ-এর রচয়িতা আবূ দাঊদ-এর ভাষ্যকার বলেনঃ সালামকে পরিচিত ব্যক্তির সাথে খাস করা কিয়ামতের আলামাতসমূহের একটি। যেমন ত্বহাবীসহ অন্যরা ইবনু মাস্‘ঊদ থেকে হাদীস বর্ণনা করেন। ত্বহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ السَّلَامَ لِلْمَعْرِفَةِ ‘‘শুধুমাত্র পরিচিত ব্যক্তিকে সালাম দেয়া কিয়ামতের নিদর্শনাবলীর অন্যতম’’। (‘আওনুল মা‘বূদ ৮ম খন্ড, হাঃ ৫১৮৫)

Surah Asr Full Video 100 Times
06/08/2021

Surah Asr Full Video 100 Times

‘মহাকাল’ বলতে দিবারাত্রির আবর্তন-বিবর্তনকে বুঝানো হয়েছে। রাত্রি উপনীত হলে অন্ধকার ছেয়ে যায়। আর দিন প্রকাশ পেতে.....

Adresse

4850 Avenue De Courtrai
Montreal, QC
H3W1A5

Téléphone

+15145733523

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque MyQuran publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Raccourcis

Partager