19/10/2021
মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমেদ।
=============================
ফররুখ আহমদ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী কবি। এই বাঙালি কবি 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। তার কবিতায় বাংলার অধঃপতিত মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের অণুপ্রেরণা প্রকাশ পেয়েছে। বিংশ শতাব্দীর এই কবি ইসলামি ভাবধারার বাহক হলেও তার কবিতা প্রকরণকৌশল, শব্দচয়ন এবং বাক্প্রতিমার অনন্য বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। আধুনিকতার সকল লক্ষণ তার কবিতায় পরিব্যাপ্ত। তার কবিতায় রোমান্টিকতা থেকে আধুনিকতায় উত্তরণের ধারাবাহিকতা পরিস্ফুট। " সাত সাগরের মাঝি " কাব্যগ্রন্থে তিনি যে-কাব্যভাষার সৃষ্টি করেছেন তা স্বতন্ত্র এবং এ-গ্রন্থ তার এক অমর সৃষ্টি। আজ ফররুখ আহমেদের ৪৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী। অনুভবে নরসিংদী গ্রুপের পক্ষ থেকে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
#জন্ম
ফররুখ আহমদের জন্ম ১৯১৮ সালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে। তার বাবা সৈয়দ হাতেম আলী ছিলেন একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর। ফররুখ আহমদের মায়ের নাম রওশন আখতার।
#শিক্ষাজীবন
ফররুখ আহমদ খুলনা জিলা স্কুল থেকে ১৯৩৭ সালে ম্যাট্রিক এবং কলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯৩৯ সালে আই.এ. পাস করেন। এরপর স্কটিশ চার্চ কলেজে দর্শন এবং ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি বামপন্থী রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়েন। তবে চল্লিশ-এর দশকে তার রাজনৈতিক বিশ্বাসে পরিবর্তন আসে।
#কর্মজীবন
ফররুখ আহমদের কর্মজীবন শুরু হয় কোলকাতায়। ১৯৪৩ সালে আই.জি.প্রিজন অফিসে, ১৯৪৪ সালে সিভিল সাপ্লাইতে এবং ১৯৪৬ সালে জলপাইগুড়িতে একটি ফার্মে চাকরি করেন তিনি। ১৯৪৫ সালে তিনি মাসিক 'মোহাম্মদী'-র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তবে শেষ পর্যন্ত স্থায়ীভাবে চাকরি করেন ঢাকা বেতারে। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে ফররুখ আহমদ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে এসে ঢাকা বেতারে যোগ দেন। এখানেই প্রথমে অনিয়মিত হিসেবে এবং পরে নিয়মিত স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন।
#সাহিত্যিক_জীবন
সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় 'কবি'। ফররুখ আহমদ সনেটও রচনা করেছেন।তার রচনায় ধর্মীয় ভাবধারার প্রভাব দেখা যায়। এছাড়া আরবি ও ফারসি শব্দের প্রাচুর্য তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইসলামি ঐতিহ্যের প্রতি ছিল তার অগাধ আস্থা। তবে তিনি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার সমর্থন করতেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই কবি ফররুখ আহমদ আশ্বিন ১৩৫৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ১৯৪৭) সংখ্যা মাসিক সওগাত-এ পাকিস্তান : রাষ্ট্রভাষা ও সাহিত্য নিবন্ধে লেখেন : "গণতান্ত্রিক বিচারে যেখানে সমগ্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হওয়া উচিত সেখানে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষাকে পর্যন্ত যাঁরা অন্য একটি প্রাদেশিক ভাষায় রূপান্তরিত করতে চান তাঁদের উদ্দেশ্য অসৎ। পূর্ব পাকিস্তানের সকল অধিবাসীর সাথে আমিও এই প্রকার অসাধু প্রতারকদের বিরুদ্ধে আমার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"
#পুরস্কার_সম্মাননা
১৯৬০ সালে ফররুখ আহমদ বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। কবি ফররুখ আহমদ ১৯৬৫ সালে প্রেসিডেন্ট পদক প্রাইড অব পারফরমেন্স এবং ১৯৬৬ সালে পান আদমজী সাহিত্য পুরস্কার ও ইউনেস্কো পুরস্কার। ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে তাকে যথাক্রমে মরণোত্তর একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়।
ফররুখ আহমদ ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর, সন্ধেবেলা ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন!
১৯ অক্টোবর ২০২১
01/07/2021
এখানে সকল প্রকার বই পুস্তক ও মনোহরি পণ্য বিক্রয় এবং পত্রিকা ও বই প্রসতুতকরা হয় !
23/06/2021
বিসিএস প্রিলি + লিখিত + ভাইভা
ভূরাজনীতি
দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভূমিকা রাখছে এডিবি?
সাসেক
উপ-আঞ্চলিক জোট হিসেবে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল নিয়ে গঠন করা হয় ‘সাউথ এশিয়ান গ্রোথ কোয়াড্রাঙ্গল’। পরের বছরই সার্কের অনুমোদন পায় উপ-আঞ্চলিক জোটটি। প্রতিষ্ঠাতা চার দেশের পক্ষ থেকে সে সময় উপ-আঞ্চলিক উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য এডিবির সহযোগিতা চাওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০১ সালে গঠন করা হয় সাসেক প্রোগ্রাম।
২০০১ সালে সার্কভুক্ত চার দেশ বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালকে নিয়ে যাত্রা করে উপ-আঞ্চলিক জোট সাউথ এশিয়ান সাবরিজিওনাল ইকোনমিক কোঅপারেশন (সাসেক)। ২০১৪ সালের মে মাসে এতে যোগ দেয় মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা। ২০১৭ সালে জোটের সপ্তম সদস্য দেশ হিসেবে যুক্ত হয় মিয়ানমার।
গঠনের পর প্রথম ১৫ বছর সাসেকের কার্যক্রম খুব একটা গতিশীল ছিল না। ২০১৬ সালে সদস্য দেশগুলো গ্রহণ করে সাসেক অপারেশনাল প্ল্যান ২০১৬-২৫। ১০ বছর মেয়াদি এ পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে জোরালো হয়ে ওঠে উপ-আঞ্চলিক জোটটির কার্যক্রম। এক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক বিনিয়োগে জোর দেয়া হয় পরিবহন, বাণিজ্য জোরদারকরণ, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়নের দিকে। এর পরের বছরই সাসেকভুক্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা নয়াদিল্লিতে গ্রহণ করেন এক নতুন রূপকল্প ‘সাসেক: পাওয়ারিং এশিয়া ইন দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’। প্রাকৃতিক সম্পদ, শিল্প সম্ভাবনা ও কানেক্টিভিটি—এ তিন বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে গ্রহণ করা হয় রূপকল্পটি। এর পর থেকেই সাসেকের অর্থনৈতিক কার্যক্রম জোরালো হয়ে ওঠে। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়াকেন্দ্রিক জোটগুলোর মধ্যে সাসেকের সক্রিয়তা বাড়ছে। এ ক্রমবর্ধমান সক্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে উপ-আঞ্চলিক জোটটির বৃহত্তম বিনিয়োগ অংশীদার হিসেবে এডিবি এ অঞ্চলের অর্থনীতি, বাণিজ্য এমনকি ভূরাজনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের অনেকেই। এক্ষেত্রে ভারত ও জাপানের সঙ্গে চীনের বৈরিতা বড় নিয়ামক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যমতে, সাসেকের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এডিবিও বড় প্রভাবক হয়ে উঠতে পারে। এ জোটে সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ ভারত। উপ-আঞ্চলিক জোটটি গড়েও উঠেছে মূলত ভারত ও ভারতকে ঘিরে থাকা দেশগুলোকে নিয়ে। অন্যদিকে এডিবির নেতৃত্ব দিচ্ছে এশিয়ার অর্থনৈতিক পাওয়ারহাউজ জাপান।
দক্ষিণ এশীয় উপ-আঞ্চলিক জোট হলেও সাসেক সচিবালয় অবস্থিত ফিলিপাইনের ম্যানিলায়। সেখানে এডিবির সদর দপ্তরকেই জোটের সচিবালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কালের পরিক্রমায় সার্ক এখন মৃতপ্রায়। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক জোটটির কার্যক্রম এখন নেই বললেই চলে। যদিও উপ-আঞ্চলিক জোট সাসেকের সক্রিয়তার মাত্রা এখন অনেক বেশি। এ সক্রিয়তার প্রধান জ্বালানি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বিনিয়োগ। বৃহত্তম বিনিয়োগ অংশীদার হিসেবে সাসেকভুক্ত দেশগুলোর সড়ক ও বন্দর যোগাযোগসহ সার্বিক কানেক্টিভিটিসহ অবকাঠামো ও বাণিজ্য উন্নয়ন খাতে বিপুল বিনিয়োগ করে চলেছে এডিবি।
এডিবির তথ্যমতে, সাসেকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিবহন, যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি গুরুত্ব পায় সবচেয়ে বেশি। সাসেক অপারেশনাল প্ল্যান ২০১৬-২৫-এর আওতায় বাংলাদেশে চলমান বেশকিছু প্রকল্পে নানা মাত্রায় বিনিয়োগ করছে সংস্থাটি।
সাসেকভুক্ত দেশগুলোয় এডিবি এখন ক্রমেই বিনিয়োগ বাড়িয়ে চলেছে। সংস্থাটির তথ্য বলছে, ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে সাসেকের পোর্টফোলিওতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ছিল ৪১। উপ-আঞ্চলিক জোটটির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন দেশে গৃহীত এসব প্রকল্পে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮২৭ কোটি ডলার। এর মধ্যে এডিবির অর্থায়ন ছিল ৪৮৫ কোটি ডলার। সাসেক অপারেশনাল প্ল্যান ২০১৬-২৫ গ্রহণের তিন বছরের মাথায় সাসেকের প্রকল্পের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫। এসব প্রকল্পের মোট নির্ধারিত ব্যয় ১ হাজার ২৫৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে এডিবির অর্থায়ন অনুমোদন ৭২৩ কোটি ডলার। অন্যদিকে গত বছরের মধ্যে সাসেক অপারেশনাল প্ল্যানের অধীনে প্রস্তাবিত মোট প্রকল্পের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১২তে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থের প্রয়োজন ৫ হাজার ৮৯০ কোটি ডলার। এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে ৭৮টিতে মোট ৪ হাজার ৫৮৪ কোটি ডলার অর্থায়ন করা যাবে বলে মনে করছে এডিবি। অন্যদিকে গত বছরের জুন পর্যন্ত পাওয়া সাসেকের আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলোয় বিভিন্ন প্রকল্পে ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এসব প্রকল্পে শীর্ষ অর্থায়নকারী এডিবি।
24/04/2021
শিক্ষা ব্যাবস্থা ও এমন হতে পারে.....?
Jai Hind 2 Tamil Full Movie | 2017 Latest Dubbed Movie in Hindi
Jaihind is the journey of five people, linked by one man, who fights for children's rights to education. Parvathi (Yuvina Parthavi), from a very poor family ...