ভার্টেক্স - Vertex Shadow Education

গুনগত মান সমৃদ্ধ সৃজনধর্মী পাঠদানের ? Education is the process of facilitating learning, or the acquisition of knowledge, skills, values, beliefs, and habits.

Educational methods include storytelling, discussion, teaching, training, and directed research. Education frequently takes place under the guidance of educators, but learners may also educate themselves. Education can take place in formal or informal settings and any experience that has a formative effect on the way one thinks, feels, or acts may be considered educational. The methodology of teaching is called pedagogy.

Operating as usual

04/10/2023

তিনি ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। একটা নম্বর থেকে বার বার কল আসায় উনি রিসিভ করতেই বলে উঠল, আমি নোবেল কমিটির মুখপাত্র। পরক্ষণে উনি বলেন, আমি ব্যস্ত, ক্লাস নিচ্ছি।

নোবেল কমিটির মুখপাত্র বললেন, বেশি সময় নিব না, আপনাকে অভিনন্দন জানাতে কল করেছি। আপনি পদার্থ বিজ্ঞানে চলতি নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।

এতটুকু বলেই উনি ফোন রেখে যথারীতি পুরো ক্লাস নিয়েছেন। ততক্ষণে পুরো ভার্সিটিতে তাঁর নোবেল জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর কলিগস, শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমের বাইরে জড়ো হয়ে তাঁর জন্য অপেক্ষা করে। উনি ক্লাস শেষ করে রুম থেকে বের হতেই সবাই হাত তালি দিয়ে অভ্যর্থনা জানায় তাকে।

কতটা ডেডিকেটেড শিক্ষক উনি, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে খবর পেয়েও আনন্দ উচ্ছ্বাস চেপে রেখে শিক্ষার্থীদের পুরো ক্লাস শেষ করে তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য আগে পালন করেছেন। কী সুন্দর দৃশ্য! 💚

03/10/2023

RIP MASK
এ জীবন সংগ্রামের😢

03/10/2023

💥পরপর ৩ বার কর্নিয়া থেকে জাতীয় মেধায় ১ম স্থান অর্জন💥

🌟 নিশ্চিত কর্মসংস্থানমূলক পেশা ‘নার্সিং”—এ ক্যারিয়ার গড়ুন!!! 🌟

🚧🚧 নার্সিং কি এবং কেন?

ক্যারিয়ার কেন্দ্রিক পড়াশোনার প্রতি আমাদের প্রায় সবারই অত্যধিক আগ্রহ রয়েছে। আর এই পড়াশোনা যদি আমাদের ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি মানবসেবার মত মহত কাজ করার সুযোগ করে দেয় তাহলে সেই পেশাটি অবশ্যই সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ঠিক তেমনি একটি পেশা নার্সিং। নার্সিং—এ যেমন রয়েছে বহুমুখী কর্মক্ষেত্রের সুযোগ তেমনি রয়েছে নিজের অর্জিত জ্ঞান আর দক্ষতা দিয়ে মানবসেবার মত মহৎ কাজ করার সুযোগ।

বর্তমানে দেশে তো বটেই, বিদেশেও নার্সিং পেশার দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। বিশেষ করে জার্মানী, মালয়েশিয়া, কাতার, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। তাই এ পেশায় বর্তমানে যেমন রয়েছে সম্মান, তেমনি রয়েছে সম্ভাবনা। অন্যান্য চাকরির মতো ভালো বেতন ও অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি পদোন্নতির ব্যবস্থা তো থাকছেই।

দক্ষতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নার্স থেকে সিনিয়র স্টাফ নার্স ও সুপারিনটেনডেন্ট, নার্সিং ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষক হতে পারেন।
এ ছাড়া সরকারের সেবা পরিদপ্তরের উচ্চপদস্থ পদেও যেতে পারেন নার্সরা।

একজন নার্সিং গ্রাজুয়েট অন্যান্য ব্যাচেলর ডিগ্রীধারীদের মত বিসিএস, ব্যাংক জবসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও কাজ করার সুযোগ পান।
সুতরাং বলতে দ্বিধা নেই যে, অন্যান্য ব্যাচেলর ডিগ্রীধারীদের তুলনায় নার্সিং গ্রাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশী আর চ্যালেঞ্জিং—ও বটে।

সব বিষয় বিবেচনা করে নার্সিং পেশা অবশ্যই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম পেশা।

🛤 আর সেবামূলক এই পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে “কর্নিয়া নার্সিং কোচিং” প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে সফলতার সহিত শিক্ষার্থীদের নার্স হবার স্বপ্ন পূরণে সার্থক সারথির ভূমিকা পালন করছে।

#কেন নার্সিং কোর্সে ভর্তি হবেন?
----------------------------------
১। সরকারি নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ।
২। অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০০০/২৫০০ টাকা মাসিক বৃত্তিলাভ।
২। মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে নার্সিং—এ পড়ার সুযোগ।
৩। বিদেশে উচ্চ শিক্ষা বা ডিগ্রি লাভের জন্য বৃত্তি নিয়ে পড়ার সুযোগ।
৪। নার্সিং—এ গ্রাজুয়েশনের পর এমএসসি, পিএইচডিসহ দেশি—বিদেশি ডিগ্রি লাভের সুযোগ।
৫। জব এন্ট্রিতেই বাংলাদেশ সরকারের ১০ম গ্রেডে (2nd Class officer) চাকুরির সুযোগ।
৬। পদোন্নতির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ।
৭। বিএসসি ইন নার্সিং করে বিসিএস দিয়ে বিসিএস পররাষ্ট্র, বিসিএস প্রশাসন, বিসিএস পুলিশ, বিসিএস কাস্টমস, বিসিএস কর—সহ জেনারেল ক্যাডার অফিসার হওয়ার সুযোগ।
৮। জেনারেল শিক্ষার্থীদের ন্যায় সরকারি চাকুরিতে আবেদন ও চাকুরি লাভর সুযোগ।
৯। দেশে নার্সিং—এর পাঠ্যসূচিতে আন্তর্জাতিক কারিকুলাম অনুসৃত হওয়ায় উন্নত রাষ্ট্রে রয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগ।
১০। দেশে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ।
==========================
🎯নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতাঃ
============================
SSC & HSC পাসের সালঃ

SSC: ২০২০/২০২১ এবং
HSC: ২০২২/২০২৩ এর বাইরে যারা তারা নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা ২০২৩—২৪ এ অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
=====================
🎯 বি এস সি নাসিং:
=====================
জিপিএ SSC: 3.00(Min), HSC: 3.00(Min)
Total: 7.00;(জীববিজ্ঞানসহ Science গ্রুপের স্টুডেন্ট হতে হবে)
=====================
🎯ডিপ্লোমা/মিডওয়াইফারি নাসিংঃ
=====================
জিপিএ— SSC:2.50(Min), HSC: 2.50(Min).Total: 6.00
(Arts/Commerce/Science/মাদ্রাসা/Others গ্রুপের স্টুডেন্টদের জন্য)
=====================
🎯সর্বমোট ১০০ নম্বরের MCQ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে।
========================
বিস্তারিত জানতে

🚟💧 কর্নিয়া’র বিশেষত্ব:
---------------------------------
১। দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী (DMC, DNC, DU) দ্বারা পাঠদান।
২। দক্ষ ব্যবস্থাপনা টিম, যাদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে নিশ্চিত করা হয় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পর্যায়ের মনিটরিং।
৩। বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত ও সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্লাস এবং পরীক্ষা যা যে কোনো কোচিং এর তুলনায় দ্বিগুন।
৪। পর্যাপ্ত সংখ্যক সলভ্ ক্লাস।
৫। প্রতিটি লেকচারে প্রতিটি টপিক কার্যকরভাবে পুঙ্ক্ষানুপুঙ্ক্ষভাবে পড়ানো হয়।
৬। ডাবল সার্ভিস (অফলাইনের সাথে অনলাইন ফ্রি)।
৭। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে ডিজিটাল বোর্ডে অনলাইন ক্লাস।
💧🌊 কোর্স স্ট্রাকচার:
-------------------------------
১। নিয়মিত লেকচার ক্লাস ও ক্লাস টেস্ট।
২। পর্যাপ্ত সংখ্যক টিউটোরিয়াল টেস্ট।
৩। নিয়মিত রিভিশন ও মেমোরাইজিং টেস্ট।
৪। পেপার ফাইনাল।
৫। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাবজেক্ট ফাইনাল।
৬। সর্বোচ্চ সংখ্যক চূড়ান্ত মডেল টেস্ট।

🎋 কর্নিয়ায় থাকছে এক কোর্স ফিতেই ডাবল কোর্সের সুবিধা।
🎇ভর্তি হওয়ার সাথে সাথে ফ্রি দেওয়া হবে —
===============================
# কর্নিয়ার নিজস্ব পাবলিকেশন্সের সর্বোচ্চ কমন উপযোগী অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও বাজারের সেরা ৬ টি নার্সিং ভর্তি গাইড বই।
# বিগত ৯ বছরের আপডেট প্রশ্নব্যাংক (বিস্তারিত ও সহজ ব্যাখ্যাসহ)।
# সর্বাধিক কমনের নিশ্চয়তা সাজেশন্স ।
#তথ্যবহুল ও মানসম্মত Exclusive লেকচার শিট।
====================================
⛔ ২০২২—২০২৩ সেশনে কর্নিয়া পাবলিকেশন্সের বই থেকে হুবহু কমন ১০০ টির মধ্যে ১০০ টি।
=========================
তাহলে আর দেরি কেন?
=========================
👉 তথ্য ও ভর্তি সংক্রান্ত সহ অন্যান্য বিষয় বিস্তারিত জানতে ⬇️

🚅🚄 “কর্নিয়া নার্সিং ভর্তি কোচিং”
🚞 উত্তরা শাখাঃ বাসা—২৬, রোড—১১, সেক্টর—৬, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইলঃ ০১৭০৮ ৫৮৯৯০৭, ০১৯১১ ৫৯৪১৬৩
=================================
🎇 কর্নিয়া নার্সিং থেকে ২০২২—২০২৩ সেশনে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধায় ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ সহ ২৫৮৭+ জনের সাফল্য।
--------------------------------
#সরকারি নার্সিং কলেজে চান্সপ্রাপ্তদের মধ্যে জাতীয় মেধা তালিকায় রয়েছে...
🎉নাসরিন জাহান নেভি ( #১ম, বিএসসি ইন নার্সিং , ঢাকা নার্সিং কলেজ)
🎉রিমা পারভীন ( #৩য়, বিএসসি ইন নার্সিং , ঢাকা নার্সিং কলেজ)
🎉মনিষা বিশ্বাস ( #৪র্থ, বিএসসি ইন নার্সিং , বরিশাল নার্সিং কলেজ)
🎉শান্তা ইসলাম শিপু ( #১০ম, বিএসসি ইন নার্সিং , ঢাকা নার্সিং কলেজ)
🎉মেহেদী হাসান সুজন ( #১৩তম, বিএসসি ইন নার্সিং , ঢাকা নার্সিং কলেজ)
🎉রোজিনা আক্তার শান্তি ( #৪৬তম, বিএসসি ইন নার্সিং , ঢাকা নার্সিং কলেজ)
🎉নুসরাত জাহান সারা ( #৪৮তম, বিএসসি ইন নার্সিং , ঢাকা নার্সিং কলেজ) সহ ২৫৮৭ জন চান্স পেয়েছে।
=================================
কেন কর্নয়া অন্যদের থেকে আলাদা⬇️
================================
🎯ডিপ্লোমা ইন নার্সিং ব্যাচঃ
========================
#মোট ক্লাস- ৬০ টি
#ক্লাস টেস্ট ৫০ মার্কের ৬০ টি
#সাপ্তাহিক টিউটোরিয়াল পরীক্ষা ১০০ নম্বরের ২৪ টি।
#পাক্ষিক রিভিশন টেস্ট ১২ টি।
#মাসিক মেমোরাইজিং টেস্ট ৬ টি।
#সাবজেক্ট ফাইনাল টেস্ট ৭ টি।
#মডেল টেস্ট ১৫ টি।
#সপ্তাহে ৪/৫ দিন ক্লাস।
=========================
🎯বি এস সি ইন নার্সিং ব্যাচঃ
========================
#মোট ক্লাস —৭২ টি
#ক্লাস টেস্ট ৫০ মার্কের ৭২ টি
#সাপ্তাহিক টিউটোরিয়াল পরীক্ষা ১০০ নম্বরের ২৪ টি।
#পাক্ষিক রিভিশন টেস্ট ১২ টি।
#মাসিক মেমোরাইজিং টেস্ট ৬ টি।
#সাবজেক্ট ফাইনাল টেস্ট ৭ টি।
#মডেল টেস্ট ১৫ টি।
#সপ্তাহে ৪/৫ দিন ক্লাস।
=======================
🚅🚄 “কর্নিয়া নার্সিং ভর্তি কোচিং”
🚞 উত্তরা শাখাঃ বাসা—২৬, রোড—১১, সেক্টর—৬, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইলঃ ০১৭০৮ ৫৮৯৯০৭, ০১৯১১ ৫৯৪১৬৩

01/10/2023

আজ থেকে HSC-25 একাদশ শ্রেণির নতুন ব্যাচের ৭ দিন ফ্রি ক্লাস শুরু হচ্ছে..
সময়ঃ১২:৩০-৩:৩০
অথবা
২:৩০-৫:৩০

28/09/2023

আর থাকছে না GPA পদ্ধতি; আসছে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও বৃত্তভিত্তিক মূল্যায়ন

🛑 কেমন ডিজাস্টার আসতেছে সেগুলো জাস্ট সাতটা পয়েন্টের মাধ্যমে লিখতেছি। সবাই দুই-তিন বছর পর মিলায়া নিয়েন।

1️⃣ পৃথিবীর দ্বিতীয় আর কোনো দেশে এই নিয়মে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন করা হয় না।

2️⃣ এখন আর কোনো ফেল না থাকায় বেশিরভাগ স্টুডেন্ট টেক্সটবুক খুলেও দেখবে না।

3️⃣ এভাবে মূল্যায়নের মাধ্যমে কলেজ ভর্তিতে চরম সমস্যা ও ভোগান্তি হবে।

4️⃣ সিক্স থেকে ইন্টার পর্যন্ত এই নিয়মে পড়ে ভার্সিটির পড়া ও পরীক্ষা পদ্ধতির সাথে ইউজড টু হতে পারবে না।

5️⃣ এই পদ্ধতির পাবলিক ফলাফল দেশের বাহিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে মান হারাবে।

6️⃣ মোট এক হাজার নম্বরের পরীক্ষায় পাঁচশ নম্বর স্কুলের শিক্ষকদের হাতে থাকায় এটা নিয়ে চরম অনিয়ম ও নৈরাজ্য হবে।

7️⃣ একটা স্টুডেন্টের স্পিরিট, চেষ্টা করার আগ্রহ সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যাবে।

নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন, ফল হিসেবে যে চিহ্ন দেওয়া হবে, তা থেকে বোঝা যাবে- কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয় বা কাজে বেশি দক্ষ। কোনো শিক্ষার্থী খেলাধুলায় পারদর্শী হতে পারে, কেউ হতে পারে ছবি আঁকায়। কারও কথা বলার দক্ষতা বেশি থাকতে পারে। তাদের এসব দক্ষতা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ পছন্দ করে পড়তে উৎসাহ দেওয়া হবে। এতে শিক্ষার্থী যে বিষয়ে দক্ষ ও আগ্রহী, সে বিষয়ে পড়বে এবং কর্মজীবনে সেই ক্ষেত্রেই কাজ করবে। চাকরির বাজারে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ কর্মী বাড়লে, কমবে বেকারত্বও।

আমার প্রশ্ন হলো- মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ানো হয়, এমন দেশে বিদ্যমান বিশ হাজার স্কুলের কয়টা স্কুলের শিক্ষক স্টুডেন্টদের উল্লিখিত দক্ষতা যাচাই করার যোগ্যতা রাখেন?

05/09/2023

Wait till landing...

02/09/2023

স্বপ্নই মানুষকে তার গন্তব্যের দিকে নিয়ে যায়। তবে স্বপ্ন শুধু দেখলেই হবে না, বাস্তবায়ন করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

🛄 2nd Time এবং HSC- 2023 অ্যাডভান্স ব্যাচে ৩৫০০/- ছাড়ে ভর্তি চলছে ...!!🛄

🌟 নিশ্চিত কর্মসংস্থানমূলক পেশা ‘নার্সিং”-এ ক্যারিয়ার গড়ুন!!! 🌟

🚧🚧 নার্সিং কি এবং কেন?

ক্যারিয়ার কেন্দ্রিক পড়াশোনার প্রতি আমাদের প্রায় সবারই অত্যধিক আগ্রহ রয়েছে। আর এই পড়াশোনা যদি আমাদের ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি মানবসেবার মত মহত কাজ করার সুযোগ করে দেয় তাহলে সেই পেশাটি অবশ্যই সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ঠিক তেমনি একটি পেশা নার্সিং। নার্সিং-এ যেমন রয়েছে বহুমুখী কর্মক্ষেত্রের সুযোগ তেমনি রয়েছে নিজের অর্জিত জ্ঞান আর দক্ষতা দিয়ে মানবসেবার মত মহৎ কাজ করার সুযোগ।

বর্তমানে দেশে তো বটেই, বিদেশেও নার্সিং পেশার দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকের চাহিদা র,য়েছে ব্যাপক। বিশেষ করে মালয়েশিয়া, কাতার, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তাই এ পেশায় বর্তমানে যেমন রয়েছে সম্মান, তেমনি রয়েছে সম্ভাবনা। অন্যান্য চাকরির মতো ভালো বেতন ও অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি পদোন্নতির ব্যবস্থা তো থাকছেই।

দক্ষতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নার্স থেকে সিনিয়র স্টাফ নার্স ও সুপারিনটেনডেন্ট, নার্সিং ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষক হতে পারেন।
এ ছাড়া সরকারের সেবা পরিদপ্তরের উচ্চপদস্থ পদেও যেতে পারেন নার্সরা।

একজন নার্সিং গ্রাজুয়েট অন্যান্য ব্যাচেলর ডিগ্রীধারীদের মত বিসিএস, ব্যাংক জবসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও কাজ করার সুযোগ পান।
সুতরাং বলতে দ্বিধা নেই যে, অন্যান্য ব্যাচেলর ডিগ্রীধারীদের তুলনায় নার্সিং গ্রাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশী আর চ্যালেঞ্জিং-ও বটে।

সব বিষয় বিবেচনা করে নার্সিং পেশা অবশ্যই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম পেশা।

🛤 আর সেবামূলক এই পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে “কর্নিয়া মেডিকেল এন্ড নার্সিং কোচিং” প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে সফলতার সহিত শিক্ষার্থীদের নার্স হবার স্বপ্ন পূরণে সার্থক সারথির ভূমিকা পালন করছে।

🚟💧 কর্নিয়া’র বিশেষত্ব:

১। দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী (DMC, DNC, DU) দ্বারা পাঠদান।
২। দক্ষ ব্যবস্থাপনা টিম, যাদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে নিশ্চিত করা হয় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পর্যায়ের মনিটরিং।
৩। বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত ও সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্লাস এবং পরীক্ষা যা যে কোনো কোচিং এর তুলনায় দ্বিগুন।
৪। পর্যাপ্ত সংখ্যক সলভ্ ক্লাস।
৫। প্রতিটি লেকচারে প্রতিটি টপিক কার্যকরভাবে পুঙ্ক্ষানুপুঙ্ক্ষভাবে পড়ানো হয়।

💧🌊 কোর্স স্ট্রাকচার:

১। নিয়মিত লেকচার ক্লাস ও ক্লাস টেস্ট।
২। পর্যাপ্ত সংখ্যক টিউটোরিয়াল টেস্ট।
৩। নিয়মিত রিভিশন ও মেমোরাইজিং টেস্ট।
৪। পেপার ফাইনাল।
৫। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাবজেক্ট ফাইনাল।
৬। সর্বোচ্চ সংখ্যক চূড়ান্ত মডেল টেস্ট।

🎋 2nd Time এর জন্য থাকছে এক কোর্স ফিতেই ডাবল কোর্সের সুবিধা।

🚄🚄 ভর্তির সময় থাকছে:

১। গাইড বই, প্রশ্নব্যাংক ছাড়াও থাকছে সাবজেক্ট ভিত্তিক আলাদা বই।
২। টি-শার্ট, কলম, চাবির রিং, ডায়েরি এবং নোটবুক।

এছাড়াও প্রতি লেকচারের জন্য থাকছে Exclusive লেকচার শিট।

🚅🚄 “কর্নিয়া মেডিকেল এন্ড নার্সিং কোচিং”

🚞 উত্তরা শাখাঃ বাসা-২৬, রোড-১১, সেক্টর-৬, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইলঃ 01708 589907, 01911 594163

22/08/2023

Vertex এর SSC-23 আশালতা ব্যাচের ছাত্র মারুফ হোসেন আকাশ কিছুসময় আগে ইন্তেকাল করেছে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ভার্টেক্স পরিবার শোকাহত। দোয়াকরি আল্লাহ যেন আকাশের জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করেন এবং ওর পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন আমিন।

09/08/2023

HSC-23 এর ICT পরীক্ষার পরিবর্তিত নম্বর ও সময়বন্টন

06/08/2023

একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুধু অনলাইনে
ফাইল ছবি

এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার (৬ আগস্ট) বিকালে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খানের সই করা এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী-একাদশ শ্রেণিতে তিন ধাপে ভর্তির আবেদন নেওয়া হবে। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের ফলের ভিত্তিতে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে আগামী ১০ আগস্ট। ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে ভর্তির পছন্দক্রম দেওয়া যাবে আবেদনে।

আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। প্রথম পর্যায়ের নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর। এরপর ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় এবং ২৩ সেপ্টেম্বর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তিন ধাপের ফল প্রকাশের পর ২৬ থেকে ৫ অক্টোবর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে। ক্লাস শুরু হবে ৮ অক্টোবর থেকে।

অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইনে এই ওয়েবসাইটের (www.xiclassadmission.gov.bd) মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে প্রকাশিত ফলাফলে।

02/08/2023

★শোক সংবাদ★
ভার্টেক্স গাজীপুর শাখার ম্যানেজার এবং শিক্ষক মেহেদী হাসান রাব্বী স্যারের বাবা ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ভার্টেক্স পরিবার শোকাহত। মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি ও দোয়া করছি আল্লাহ যেন তাদেরকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দেন এবং মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করেন।

01/08/2023

প্রিয় HSC-2025 শিক্ষার্থী আজ ১আগষ্ট,২০২৩ HSC advance Program এর নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হবে।
বিকেল ৩:৩০-৫:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত

30/07/2023

#২০২৩-২৪সেশনে #একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি সংক্রান্ত কিছু জরুরী তথ্য #

▶️সম্ভাব্য ১০ ই আগস্ট হতে একাদশ শ্রেণীর ভর্তি আবেদন শুরু।।
▶️ পর্যায়ক্রমে ৩ বার আবেদন করা যায়।
▶️ আবেদন ফি ২৫০ টাকা।. দোকানের খরচ সহ অার একটু বেশি হতে পারে
▶️ অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
▶️ সর্বনিম্ম ৫ টি কলেজ এবং সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে আবেদন করতে হবে।
▶️ আবেদনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটার ৫% বরাদ্দ থাকবে।
▶️ কলেজে ১ম পর্যায়ের আবেদন ৮ দিন স্থায়ী থাকে। এই ৮ দিনের মধ্যেই আবেদন করতে হবে।
▶️ যদি কেউ বোর্ড চ্যালেঞ্জ করে সেও উক্ত সময়ের মধ্যে আবেদন করবে। তবে তাদের ফলাফল পরিবর্তন হলে ৬-৭ দিন পরে আবারো একটা আবেদন করতে হবে।

🔹১ম পর্যায়ে আবেদনের রেজাল্ট ১৫ দিন পরে দিবে।।
🔹১ম পর্যায়ে যাদি কলেজ পছন্দ না হয় তাহলে মাইগ্রেশন অপশন অন করে ভর্তি হবে, তাহলে কলেজ পরিবর্তন করা যাবে।
🔹১ম পর্যায়ে চান্স পেলে, রেজাল্টের ৭ দিনের ভিতর অনলাইনে কলেজ কনফার্ম করতে হবে।

🔹যাদের ১ম পর্যায়ে কলেজ আসবে না তারা ২য় পর্যায়ে আবার আবেদন করবে।।

⛔২য় পর্যায়ের রেজাল্ট আবেদনের ১দিন পরেই দিবে।।
⛔২য় পর্যায়ে চান্স পেলে ২ দিনের ভিতর কলেজ কনফার্ম করতে হবে।
⛔২য় পর্যায়ে যাদের কলেজ পছন্দ হবে না তারাও মাইগ্রেশন অন করে ভর্তি হতে পারবে।

🔹যাঁরা ২য় পর্যায়েও চান্স পাবে না তাঁরা ৩য় পর্যায়ে আবারো আবেদন করবে।।।

🔰৩য় পর্যায়ের রেজাল্টও আবেদনের ১ দিন পরে দিবে।
🔰৩য় পর্যায়ে মাইগ্রেশন অপশন থাকবে না।
🔰৩য় পর্যায়ে চান্স পেলে ২ দিনের ভিতর কলেজ কনফার্ম করতে হবে।

৩য় পর্যায়ে অনলাইনে কলেজ কনফার্ম করা শেষ হলে, ১দিন পর থেকে কলেজে গিয়ে চান্সপ্রাপ্ত সবাইকে চূড়ান্ত ভর্তি হতে হবে। চূড়ান্ত ভর্তির তারিখ ৬ দিন থাকে। এই ৬ দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত ফি সহ কলেজে গিয়ে অথবা কলেজের ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

29/07/2023

আলহামদুলিল্লাহ!
ভার্টেক্স - Vertex Shadow Education থেকে SSC-2023 পরীক্ষায় অবিস্মরণীয় সাফল্য।
মোট পরীক্ষার্থী- 96 জন (উত্তরা ও গাজীপুর)
A+ GPA- 5 প্রাপ্তি- 61 জন
A গ্রেড (4.00-4.96) 30 জন]
A - গ্রেড (3.50-3.96) 5 জন

এমন সাফল্যে ভার্টেক্স এর সকল শিক্ষকমন্ডলী, স্টাফদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। অভিনন্দন জানাই সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের।
শিক্ষার্থীদের প্রতি রইলো শুভকামনা ও দোয়া তোমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এভাবে যেন সফল হতে পারো।

18/07/2023

মেজাজ এত্তো গরম ,কন্যা ক্লাস সিক্সে পড়ে ,সন্ধ্যা হলে এখন পড়তে বসতে হয়না। তেমন কোন পড়াই নাই।এই বাচ্চাগুলোর ভবিষ্যৎ কি?

সম্প্রতি ক্লাস সিক্স ও সেভেন এর- পাঠ্যবই, সিলেবাস, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আমার একটা লেখা পাঠকমহলে ব্যাপক বিস্তৃতি পাওয়ায় সেটা নিয়ে স্ট্রিক্টলি কিছু কথা জানানোর জন্যই এই লেখা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত ছোটোগল্প ছুটি-তে কেন্দ্রীয় চরিত্র ফটিক-কে নিয়ে বলেছিলেন- “বিশেষত, তেরো-চৌদ্দ বৎসরের ছেলের মতো পৃথিবীতে এমন বালাই আর নাই।” যাদের ঘরে তেরো-চৌদ্দ বছরের সন্তান আছে, তারা জানেন কবি কতোটা সঠিক কথা বলে গেছেন। হ্যাঁ, ক্লাস সিক্স-সেভেন এর যাদের নিয়ে আমি কথা বলছি তাদের বয়স কিন্তু এই ১৩-১৪ ই! এদের যদি গুরুত্ব দেওয়া না হয় তাহলে পরিণতি কেমন হয়, সেটা ফটিক গল্পে এসেছে।

বই কারা লিখেছেন, কী লিখেছেন, পরীক্ষা হলো কি-না এসবের কোনো কিছু নিয়েই আমার মাথাব্যথা নেই। আমার চিন্তা যারা ক্লাস সিক্স, সেভেন-এ আছে- তারা কী কী সমস্যা ফেস করতেছে, টেক্সট বুক বুঝে উঠতে পারছে কি-না বা পড়তেছে কি-না, টেক্সট বইয়ে কী ধরণের অসঙ্গতি রয়েছে, তাদের অভিভাবক এসব বুঝতে পারছে কি-না, বাধ্য হয়ে স্টুডেন্টরা যে কোচিং-প্রাইভেট পড়ছে সে-সবে আসলেই কিছু শিখতে পারছে কি-না, পরবর্তী ক্লাসে গিয়ে পড়া বুঝতে সমস্যা হবে কি-না ইত্যাদি। এই সিম্পল বিষয়গুলো ব্যতিত অন্য কোনোকিছুতে আমার বিন্দুপরিমাণ ইন্টারেস্ট নেই।

আমার লেখাটি আমার টাইমলাইন এর চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃতি পেয়েছে এমন সব সাইটের অন্তত দেড়-দুই হাজার কমেন্ট চেক করে দেখেছি, সবাই নিজেদের সাফারিংস এর কথা শেয়ার করেছেন। যারা বর্তমানে ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত ও টিউশনের সাথে যুক্ত আছে তারাও লিখেছেন- তারা পড়াতে পারছে না কারণ বই গোছালো না বা কীভাবে শুরু করবে সেটা বুঝতে পারছে না। মূল বইয়ে নমুনা প্রশ্ন বা অনুশীলনী পার্ট না থাকায় কী শেখাবে সেটা নিয়েও কনফিউজড। অভিভাবকরা লিখেছেন- বাচ্চাকে পড়ার কথা বললে পড়ে না, বলে স্কুল থেকে এই পেইজটা শুধু লিখে নিয়ে যেতে বলছে বা ড্রইং করাবে স্কুলে। সাথে এটাও জানিয়েছেন- পড়ার চাপ না থাকায় তারা সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে থাকে। অনেকে অভিযোগ করেছেন রেগুলার আর্ট পেপার, ড্রইং পেপার, কালার পেন্সিল, স্কুলে খাবার রান্না করে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদিতে অনেক খরচ হচ্ছে যেটার জোগান দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন।

দেখুন যে কাজটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা নিউজ মিডিয়ার করা দরকার ছিল সেটা আমার পোস্টের কল্যাণে হয়ে গেছে। বরং এই কাজের জন্য আমার বাহ্‌বা পাওয়া উচিত। আপনারা বিভিন্ন টাইমলাইন, পেইজ বা গ্রুপে দেওয়া আমার লেখার কমেন্ট সেকশন দেখলেই আমার কথার সত্যতা যাচাই করতে পারবেন।

কিছু মানুষ বলেছেন বিদেশে শিক্ষাব্যবস্থা না-কি এমন। এই কথার খুব অল্পটুক অংশ কেবল সত্য। বিদেশে পপুলার শীর্ষ তিনটা শিক্ষা সিস্টেম হলো- সুইজারল্যান্ডের আইবি কারিকুলাম, ইংল্যান্ডের এডেক্সেল কারিকুলাম এবং আমেরিকার ক্যামব্রিজ কারিকুলাম। বিশ্বে বেশি পরিমাণ স্কুলে চলে এডেক্সেল কারিকুলাম। বাংলাদেশ বর্তমানে এগোচ্ছে আইবি কারিকুলামের দিকে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, বিদেশে আইবি কারিকুলাম শুরু হয় তিন বছর বয়সী শিশুদের থেকে, আর আমরা করতেছি বারো-তেরো বছর বয়স থেকে যার ফলে আমাদের স্টুডেন্ট, টিচার, অভিভাবক খাপ খাওয়াতে পারছেন না, পারার কথাও না। এদিকে আবার এডেক্সেল আর ক্যামব্রিজ কারিকুলাম ক্লাস সিক্স, সেভেন এর নতুন সিস্টেমের মতো না বরং এসএসসি, এইচএসসি লেভেলে দেশে বর্তমানে যে সিস্টেম প্রচলিত সেগুলোর মতন। তবে এই তিনটা মাধ্যমেরই টেক্সটবুক স্ট্যান্ডার্ড আমাদের বর্তমান বইয়ের চেয়ে অন্তত একশত গুণ ভালো ও গোছানো। এসব নিয়ে আরও বিস্তারিত পরবর্তীতে লেখার প্ল্যান আছে, আর এক লেখায় এতো কিছু দিলে কেউ পড়তেও চাইবেন না।

কিছু সংখ্যক মানুষ মনে করছেন- ওসব দেশে (যেমন ফিনল্যান্ড) পরীক্ষা নেই। এই কথাটা সম্পূর্ণই ভুল। তাদের ক্লাসে স্টুডেন্ট খুবই কম, টিচার-স্টুডেন্ট রেশিও খুব কম, টিচাররা ওভার কোয়ালিটিফুল এবং কোয়ালিফাইড যাতে স্টুডেন্টের পারফর্ম্যান্স যাচাই করা খুব ইজি (অনেকটা আমাদের দেশের মেডিকেল কলেজ পরীক্ষার মতো)। এতো দ্রুত এই পদ্ধতি আমাদের দেশে জেলা পর্যায়ের খুব ভালো কিছু স্কুল ছাড়া বাকিগুলোতে কোনোভাবেই সফল করা সম্ভব না। এভাবে স্টুডেন্টদের পরিণতি হতে পারে থ্রি ইডিয়টস ম্যুভির ‘জয় লোবো’ এর মতো কারণ সারাদেশে এই কার্যক্রমের জন্য চার লক্ষ শিক্ষকের মধ্যে কতোজন আছেন যারা সুইজারল্যান্ড বা ফিনল্যান্ডের মতো করে স্টুডেন্ট মূল্যায়ন করতে পারবেন?

বরং এতে স্টুডেন্টদের ভুল পথে যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি কারণ প্রায় সব অভিভাবক সেটাই বিশ্বাস করবেন যেটা স্কুল থেকে মূল্যায়ন করা হবে। সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড দেশের সাথে আমাদের দেশ মিলালে হবে না কারণ ঐসব দেশের পরিবেশ, পরিস্থিতি, ফ্যাসিলিটিজ, কর্মপরিবেশ, খাবার, মাসিক আয়, স্বাস্থ্য, অভিভাবক কোয়ালিটি ইত্যাদি আমাদের দেশের মতো না। আর সবচেয়ে বড়ো কথা যেটা সেটা হলো, এসব দেশ ক্লাস সিক্স বা সেভেন থেকে এসব শুরু করে না বরং তিন বছর বয়স থেকে শুরু করে যেনো সে এসবের সাথে শুরু থেকেই খাপ খাইয়ে নিতে পারে এবং বারো বছর বয়সের মধ্যেই বুঝা যায় স্টুডেন্ট কোন দিকে আগ্রহী ও পারদর্শী। শহর এবং ধনী পরিবারের সন্তান’রা এই সিস্টেমের সাথে মোটামুটি খাপ খাইয়ে নিতে পারলেও মফস্বল এবং গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য এটা হয়ে উঠতে পারে বিষফোঁড়া।

আমার স্ট্রেইট চাওয়া, এসব এক্সপেরিমেন্ট করার নামে স্টুডেন্টগুলোর ভবিষ্যৎ যেনো হ্যাম্পার না হয়। লক্ষ লক্ষ স্টুডেন্ট হলেও একজন মা-বাবা’র বাচ্চা কিন্তু একজন। কারণ যে যায় আর যার যায়, তারা ছাড়া আর কেউ কিছু টের পায় না। দেশে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পড়ায় এমন স্কুলের সংখ্যা প্রায় বিশ হাজার। এরমধ্যে মাত্র বাষট্টি স্কুলে পাইলটিং কার্যক্রম চালিয়ে এবছর এই পদ্ধতি সারাদেশে শুরু করা হয়েছে যেটা একটা স্পষ্ট ভুল। এর জন্য আরও সময় নেওয়া উচিত ছিল।

এখন ভুল ও ভুলের ইফেক্ট কীভাবে কমানো যায় সেটা ভাবতে হবে। নতুন বছরে বই যেনো কোনোক্রমেই এমন অগোছালো না হয় পাশাপাশি একমুখী শিক্ষা পদ্ধতি আপাতত স্থগিত করা উচিত। সিক্স টু টেন সব ক্লাসে এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হলে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। আশা করি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্ট, অভিভাবক এবং দেশের কল্যাণে অতিদ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন।

Hasan ভাই এর লেখা। এ বিষয়ে উনার আর ও ভালো কিছু লেখা আছে অভিভাবক হিসেবে সবার পড়া দরকার।

12/07/2023
11/07/2023

পরীক্ষার হলে অনেকেই আমরা উপমান আর উপমিত সমাস মিলাতে গিয়ে চোখের পানি আর নাকের পানি মিলিয়ে ফেলি।
♦♦১০ সেকেন্ডে সমাধান।
#উপমান= উপ+মান
অর্থাৎ বাক্যটির মান বা সত্যতা রয়েছে কিনা। যদি অর্থের সত্যতা বা মান থাকে তাহলে উপমান। কথা কি ক্লিয়ার না ভেজাল আছে?

#তুষারশুভ্র= তুষার(সাদা)+ শুভ্র(সাদা)
#অরুণরাঙা= অরুণ(লাল)+ রাঙা(লাল)
#কাজলকালো= কাজল+ কালো

#উপমিত
#উপমিত= উপ + মিত
মিত=মিত্যা=মিথ্যা। এখানে অর্থের মিল থাকে না।

#মুখচন্দ্র= মুখ কি কখনো চন্দ্র হতে পারে?
#বাহুলতা= বাহু কি লতা হতে পারে?
এগুলোর অর্থ মিথ্যা অর্থাৎ উপমিত সমাস।
আশা করি দূর হবে।

♣রূপক সমাসের রূপের খোঁজে

প্রথম পদটি ধরা বা ছোঁয়া যায় না।

মন (ছোঁয়া যায় না) +মাঝি =মনমাঝি
ভব (ছোঁয়া যায় না) +নদী =ভবনদী
বিদ্যা (ছোঁয়া যায় না) +ধন= বিদ্যাধন
চাঁদ (ছোঁয়া যায় না) +মুখ= চাঁদমুখ
চন্দ্র (ছোঁয়া যায় না)+ মুখ= চন্দ্রমুখ
পরান (ছোঁয়া যায় না)+ পাখি= পরানপাখি
জ্ঞান (ছোঁয়া যায় না) +বৃক্ষ =জ্ঞানবৃক্ষ

#আশা করি চাঁদমুখ,চন্দ্রমুখ কেন রূপক আর কেন উপমিত নয় তা বুঝতে আর ভুল হবে না।

#প্রচলিত টেকনিকে বলা হয় ব্যাসবাক্যে রূপ কথাটি থাকে। কিন্তু পরীক্ষায় তো আর ব্যাসবাক্য থাকে না।
#ভালো লাগলে ধন্যবাদ জানাবেন। শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ দেন।

10/07/2023

SSC -2024 পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা।

09/07/2023

হৃদয় ছুয়ে যাওয়া আফ/গানী সম্মানিত খতীবের প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপিত জুমু'আর খুতবা। সত্যিই মুগ্ধ হবার মতো। সুবহানাল্লাহিল আজীম!

09/07/2023

৩ মিনিটের ফিল্মে কতো বড় একটা ক্যানভাসের গল্প, আহারে জীবন!

Film: Tune of Life
Director: Akash Manohar Fuke

06/07/2023
05/07/2023

বাসায় ফেরার পথে আমি মাঝে মাঝে কলা কিনি রাস্তা থেকে। বিক্রেতারা বেশীরভাগই পাঁড় গরীব। একদিন জিজ্ঞেশ করলাম, কলা কত করে? বিক্রেতা জানালো ৬০ টাকা ডজন। দেখলাম এক ফণায় কিছু বেশী আছে। সবগুলি কত জিজ্ঞেশ করতেই বুড়ামিয়া এক ফালি হাসি দিয়ে বললো, ৯০ টেকা আসে। আপনি ৮০ টেকা দিয়েন। সেই মধুর হাসির জবাবে আমিও একটু স্মীত হাসি দেয়ার চেষ্টা করলাম। আমারটা অত ন্যাচারাল হোলো না। বললাম, ৭০ টাকা হয় না? বুড়া মিয়ার হাসিটা একটু দমে গেলো। মলিন মুখেই বললো, দেএএএএন।

আমি একশ টাকার একটা নোট দিয়ে দিলাম।

বুড়া মিয়ার চোখ খুশীতে জ্বলজ্বল করে উঠলো। মাত্র ৩০ টাকা বেশী দিয়ে আমি ঐ বৃদ্ধের মুখে যেই আনন্দ কিনতে পেরেছিলাম, হাজার টাকা দিয়েও সেই আনন্দ খুব কমই কিনতে পেরেছি আমার নিজের জীবনে। ত্রিশ টাকা আমার কাছে কী? কিচ্ছু না। আমি মাস গেলে যেই বেতন পাই, ত্রিশ টাকা আমার কাছে শ্রেফ ধূলিকণা। কিন্ত ঐ বুড়া মিয়ার কাছে হয়তো একবেলার অন্ন। আমার কি খুব একটা দরকার পড়ে এদের সাথে বারগেইন করা?

আরেক ভ্যানওয়ালার কাছ থেকে আমি রেগুলার ডিম কিনি। সে ৯০ টাকা ডজন বিক্রি করে। কখনো ৯৫ টাকা। আমি কখনই ভাংতি টাকা ফেরত নেই না। ঐ ৫/১০ টাকা ওর কাছে অনেক, কিন্ত আমার কাছে স্রেফ ধূলিকণা। মাঝেমাঝে বউ এর সাথে বাজারে গেলে বউ ডিম কিনতে চাই। আমি তাকে কিনতে দেই না। মিথ্যা বুঝাই, বলি এরা দাম বেশী চাচ্ছে। পরে অন্য জায়গা থেকে কিনবো। বৌকে কেম্নে বলি, আমার জন্য আরেকজন বসে আছে চাতক পাখির মতো, এক ডজন ডিম বিক্রি করবে বলে!

আমার বন্ধুরা আমাকে কিপটে বলেই চেনে। আমি বিড়ি সিগারেট চা মদ কিছুই খাই না। বাজারে গেলে অনেক দরদাম করি। কারন আমি জানি বাজারের ঐ বিক্রেতা ৫০% থেকে ৭০% পর্যন্ত প্রফিট করে। কিন্ত রাস্তার ঐ বুড়া মিয়া পেটের দায়ে বসে থাকে জিনিষ বিক্রি করবে বলে। আমরা কি তাদের সাথে একটু মানবিক হতে পারি না? দশ বিষ টাকা কি আসলেই আমাদের কাছে বিরাট কিছু?

একদিন রাতে ক্ষিলক্ষেত থেকে ফিরছি। রাত প্রায় আটটা। দেখি এক লোক লিচুর বস্তা নিয়ে বসে আছে। সাথে তার ছেলে, ছোটো। উত্তরবংগ থেকে এসেছে মনে হয়। শেষ বেলার লিচু তো, বেশ কিছু পচে গেছে। আর বস্তার নীচের দিকের লিচু ঝুরে পড়া, এগুলি সহজে বিক্রি হয় না। আমি সকালেই একশ লিচু কিনেছি, ২৮০ টাকা শ' দরে। এখন আমার লিচু না হলেও চলে। এই লোক আমাকে ২০০ টাকা দরেই দিতে চাচ্ছে। কথায় কথায় জানালো, অল্প কিছু লিচু পড়ে আছে, শ'তিনেক হবে। সবগুলি বিক্রি করতে পারলে রাতেই বাড়ী চলে যাবে। কিন্ত বেশী রাত হলে ট্রেন মিস হবে, একটা দিন এখানেই থেকে যেতে হবে। রাত হয়ে গেছে, কাষ্টমার তেমন নেই। তাই লস করে হলেও দ্রুত বেঁচে ফেলতে চাচ্ছে বাকি লিচু গুলি, যা পায় তাইই সই। আমার "দয়া হোলো" এই কথা বলতে চাচ্ছি না। আমার মনটা গলে গেলো। আমি ২৫০ টাকা শ' দরে সবগুলি লিচু কিনে নিলাম। আমার হয়তো দেড়শ টাকা মতো লস হইলো, বেশ কিছু পচা লিচুও নিতে হইলো, মোরএভার তিনশ লিচুর অর্ধেকও আমি খেয়ে শেষ করতে পারবো না। তবুও নিলাম। গরীব লোকটার এক রাত ঢাকা থাকার বাড়তি খরচ বেঁচে যাবে। ঐ টাকাটা তার কাছে অনেক কিছু, অনেক। কিন্ত আমার মাসে যেই আর্নিংস, তার কাছে দেড়শ টাকা আসলে কিছুই না, নস্যি। নিয়ে নিলাম। লোকটা খুবই অবাক হইলো, এই যুগে এমন বোকাসোকা মানুষ সে খুবই কম দেখেছে।

কিন্ত ভাবুন তো, মাত্র দেড়শ টাকার বিনিময়ে একজন মানুষের যে অকৃত্তিম হাসি আমি কিনতে পেরেছি, আপনি পারবেন লক্ষ টাকা দিয়ে আমাদের সমাজের কারো কাছ থেকে এই অনাবিল হাসি কিনতে ?

আমার এই লেখার উদ্দেশ্যটা কি ধরতে পেরেছেন? হ্যা, আমি বলছি গরীব বিক্রেতার সাথে প্লিজ বারগেইন করবেন না। তাদের প্রতি একটু মানবিক হোন, আপনি চাইলেই পারবেন। আপনার একটু উদার হাত তাদের জীবনটাকে অনেক সহনশীল করতে পারে। দশ বিষ টাকা আমার আপনার কাছে কিছুই না, কিন্ত এইসব হদ্দ গরীবের কাছে বিশাল কিছু।

আমি জানি আমার এই লেখাটা পড়ে ৯০% লোক হাসছে, কেউ কেউ গালিও দিচ্ছে। ব্যাটা ২০ টাকা দান করে বিরাট হাজী মোহাম্মদ মহসীন হয়ে গেছে। কেউ কেউ হয়তবা মনে মনে বলছেন, দশ টাকা দান করে ফেসবুকে নিজের ঢোল পিটাইতে আসছে, ব্যাটা ফাজিল। আমি আপনাদের সবার কটাক্ষ মেনে নিচ্ছি। আপনাদের প্রতিটা গালি আমি সহ্য করবো। সারা জীবন কতো কারণে কত লোকের গালি খাইলাম, না হয় আজ আরো দুইটা গালি বেশীই খাই। তবু যদি বাকি ১০% লোক আমার লেখাটা পড়ে একটু চিন্তা করতে শেখে, দশজন লোকও যদি এই লেখাটা পড়ে একটু উদ্বুদ্ধ হয়, একটু মানবিক হয় ঐসব গরীবের প্রতি! আমি সবার হাসি তামাশার পাত্র হতে রাজি আছি, সবার উপহাস মেনে নিতে রাজী আছি, তবু যদি দশজন মানুষ এগিয়ে আসেন। কত গরীব আরেকটু ভালো থাকতে পারবে!

সেটাই বা মন্দ কি? না হয় খেলামই দুইটা গালি !

- Giasuddin Bulbul

22/06/2023

কর্নিয়া মেডিকেল এন্ড নার্সিং কোচিং এর আয়োজনে আগামীকাল (২২/০৬/২৩ইং) রোজ বৃহস্পতিবার HSC ও এডমিশন পরীক্ষাথীদের জন্য সাধারণ জ্ঞানের ফ্রি প্রস্তুতিমূলক ক্লাস।

এখন থেকে HSC ও এডমিশন পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসগুলো এই পেইজে অনুষ্ঠিত হবে।

আশা রাখছি, ক্লাসগুলো শিক্ষার্থীদের ভালো রেজাল্ট করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।

ক্লাস পরিচালনা করবেন কর্নিয়া কোচিং এর সাধারণ জ্ঞানের স্বনামধন্য সিনিয়র শিক্ষক রায়হান এ আর খান স্যার।

ক্লাসে সকল HSC পরিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কামনা করছি।

ধন্যবাদান্তে-
কর্নিয়া শিক্ষা পরিবার

31/05/2023

শিক্ষক নিয়োগঃ

Vertex Shadow Education এ জরুরী ভিত্তিতে
রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
ভালো পড়াতে পারেন এমন অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সরাসরি যোগাযোগ করতে বলা হলো।

অফিসঃ
বাসা-২৬, রোড-১১, সেক্টর-৬, উত্তরা।
মোবাইলঃ ০১৯১১৫৯৪১৬৩

06/03/2023

HSC'24 একাদশ শ্রেণির (সকল ব্যাচ) টিউটোরিয়াল বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় যাওয়াতা আফনান (RUMC) সর্বোচ্চ মার্কস পেয়ে ১ম স্থান লাভ করায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
তাকে এসপেক্ট সিরিজের বাংলা ২য় পত্র বইটি পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হলো।

01/03/2023

HSC'24 একাদশ শ্রেণির (সকল ব্যাচ) প্রথম টিউটোরিয়াল পরীক্ষা উচ্চতর গণিতে তাসনিয়া বিনতে হাবীব সর্বোচ্চ মার্কস পেয়ে ১ম স্থান লাভ করায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
তাকে এসপেক্ট সিরিজের বাংলা ২য় পত্র বইটি পুরস্কার দেয়া হলো।

09/02/2023

আলহামদুলিল্লাহ!
ভার্টেক্স - Vertex Shadow Education থেকে ২০২২ HSC পরীক্ষায় অবিস্মরণীয় সাফল্য।
মোট পরীক্ষার্থী- ১৪৮ জন
এ+ GPA- 5 প্রাপ্তি- ১০৮ জন[গোল্ডেন A+ ২২ জন]
A গ্রেড- ৩৭ জন। [ 4.00-4.96]
A- গ্রেড- ০৩ জন।
১০০% সাফল্য।
ভার্টেক্স এর এমন অভাবনীয় সাফল্যে সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকমন্ডলী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি ভার্টেক্স পরিবার কৃতজ্ঞ।

22/04/2021

অনন্য মুহাম্মাদ (স.)

মুহাম্মাদ (সঃ) এর জীবনের বড় বড় ঘটনাগুলো আমাকে তেমন আলোড়িত করে না। মহামানবদের জীবন ঘটনাবহুলই হয়। কিন্তু আমাকে যে ব্যাপারগুলো সবচেয়ে বেশি আশ্চর্য করে, তা হল তাঁর ছোটখাটো জীবনাচারসমূহ। তাঁর পরম পরিচ্ছন্নতাবোধ, স্নানের রীতি, নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করা, চুল-নখ কাটা, খাদ্যগ্রহণ বা শৌচকার্যের আদবকেতাসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে পরম পরিমিতিবোধ তাঁর সময়ের তুলনায় তো বটেই, এই যুগেও অত্যন্ত উঁচু স্ট্যান্ডার্ডের। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, এই জীবনাচারগুলোর বিবরণ খুব স্পষ্ট এবং অবিসংবাদিত অবস্থায় পাওয়া যায়, এসবে কোন মিথোলোজিক্যাল রঙ চড়েনি। আরও বিস্ময়কর হল, এই তথ্যসমূহের পরিব্যাপ্তি!

জীবনাচারের সকল সূক্ষ্ম বিষয়গুলোর এত বড় ভাণ্ডার একটা মানুষ থেকে এসেছে ভাবাই যায় না। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জীবনাচারের এত হাই ডিটেইলস আর কোন মানুষের পাওয়া যায় না। আপনি এযুগের অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও এখনকার কোন মানুষের এত সূক্ষ্ম জীবনাচার জানতে পারবেন বলে মনে হয় না, সেখানে পনের শতক আগের একজন মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসের তথ্যাদির বিপুল প্রাপ্যতা হতবাক করে দেয়। জানলে বা শুনলে মনে হয় তিনি আমাদের মতই কোন রক্তমাংসের মানুষ ছিলেন, আর তাঁর অভ্যাসগুলো চাইলে যে কেউ রপ্ত করে নিতে পারে। ভাবতে আশ্চর্য লাগে, তিনি পনেরশত বছর আগে ফল খাবার আগে ধুয়ে খেতে বলেছেন, যে ছুরি/বটি দিয়ে ফল কাটতে হবে, তাও ধুয়ে পরিষ্কার করতে বলেছেন। মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে তাতে খাওয়াদাওয়া সেরে সেটা কিভাবে পরিষ্কার করে ভাঁজ করে তুলে রাখতে হবে সে সম্পর্কে তার নির্দেশনা সংক্রান্ত বিবরণও মিলবে হাদিসে, যা আমার কাছে আলেকজান্ডারের পারস্য বিজয়ের চেয়েও বিস্ময়কর মনে হয়।

তিনি পাঁচবার দাঁত মিসাওয়াক করতেন, প্রতিবার খেয়ে কুলি করে মুখ পরিষ্কার করতেন। মুখের দুর্গন্ধ তাঁর ভীষণ অপ্রিয় ছিল এবং তা থেকে সদাই মুক্ত থাকতেন। আমি এই যুগেও খুব কম মানুষের মুখ পুরোপুরি দুর্গন্ধমুক্ত পাই। শৌচকার্যের পর খুব ভাল করে পরিষ্কার হতেন এবং এই ব্যাপারে তিনি সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে কড়া নির্দেশ দিতেন। ইসলামের সবচেয়ে কঠোর বিধিবিধানগুলোর কয়েকটা হল এই শৌচকার্যের পর পরিচ্ছন্নতা অর্জন সংক্রান্ত। বিস্ময়কর এই যে, মানুষটা উন্মুক্ত শৌচকার্য আজ থেকে দেড় সহস্রাব্দ আগে চরমভাবে নিষিদ্ধ করে গেছেন যা বর্তমান সভ্যতার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরা হয়।

প্রতিদিন গোসল তো বটেই, তিনি চুল দাড়ি গোঁফও সবসময় পরিমিত/পরিষ্কার রাখতেন এবং শরীরের অন্যান্য স্থানের লোমগুলোও নির্দিষ্ট সময় পরপর ছেঁটে ফেলতেন। তাঁর গোসলের সংজ্ঞা ছিল খুবই উন্নত, তদনুযায়ী মুখ এবং নাকের ভেতরসহ প্রতিটা লোমকূপের গোড়ায় পানি সঞ্চালন অত্যাবশ্যক যা আমার কাছে খুবই বিস্ময়কর মনে হয়। তিনি খুব স্বল্পাহারী ছিলেন। তাঁর খাবার সময় বসার নিয়মটি আমাকে হতবাক করে। ভঙ্গিটি খুবই ইউনিক এবং অকাট্য যৌক্তিকতায় ভরা।

এমনভাবে বসতে হবে যেন বাঁ পা পাকস্থলীর ওপর একটা চাপ দিয়ে রাখে। চাপে পাকস্থলীর আকার ছোট হয়ে যাবে এবং কম খাবারেই উদর পূর্ণ বলে মনে হবে। তিনি পেট ভরার আগেই খাবার খাওয়া বন্ধ করতে বলেছেন, নির্বিচার উদরপূর্তিই কিন্তু যাবতীয় পাকাশয়ের পীড়ার স্রষ্টা, আর পেটের সমস্যা মানে যাবতীয় জাগতিক সমস্যা। সকালে, দুপুরে , রাতে কিভাবে কতটুকু খেতে হবে তাও তার বয়ানে পাওয়া যায়, সহস্রাব্দ প্রাচীন সোর্সেই সেসব আছে।

শরীরে সুগন্ধ ব্যবহারে তাঁর উন্নত রুচির পরিচয় পাওয়া যায়; চরম দারিদ্র্যের মুহূর্তেও তাঁর শরীর থেকে সুবাস আসত; ব্যাপারটা আসলে প্রাচুর্যের নয়, বরং পুরোই রুচিবোধের। ইউরোপে এসে বিষয়টা বুঝলাম। সবার শরীরেই সুগন্ধির সুবাস। বাজারে এক দেড় ডলারেও চমৎকার সুগন্ধি মিলছে। যে কেউ অনায়াসেই তার শরীর সুবাসিত রাখতে পারে। এটা কিন্তু এতদিনে এরা করতে পারছে, যাতে মুহাম্মাদ (সঃ) আরও পনেরশ বছর আগেই অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি সদাই কাপড় পরিষ্কার রাখতেন এবং তাও করতেন নিজ হাতেই, কাপড় কাচা সংক্রান্ত নির্দেশনাও হাদিসে আছে অনেকগুলো, এই হাদিসগুলোও আবার সিহাহ সিত্তাহরই অন্তর্গত। যেখানে সেখানে ময়লা নিক্ষেপ, উন্মুক্ত জলাশয়ের পানি দূষণরোধে তাঁর নিষেধাজ্ঞা শুনলে রীতিমত অবাক হতে হয়। জানালা দিয়ে বাইরে ময়লা বা পানি নিক্ষেপের ব্যাপারে তাঁর হাদিসের গভীর তাৎপর্যতা আমাকে হতবাক করেছে। তিনি সবসময় মৃদু স্বরে কথা বলতেন, সবাইকে সবার আগে সালাম জানাতেন, হ্যান্ডশেক করতেন। তিনি তাঁর নিজ গৃহে প্রবেশের আগেও অনুমতি নিতেন। সব মানুষ তো বটেই, স্ত্রী এবং মেয়েদের সাথে তাঁর আচরণের কথা পড়লে হতবাক হতে হয়। তিনি হাঁটতেন মেরুদণ্ড সোজা করে অথচ দৃষ্টি থাকত আনত। তিনি শরীর সুস্থ রাখতে শরীরচর্চা সংক্রান্ত নির্দেশনাও দিয়ে গেছেন। তিনি কোন উদাস জিনিয়াস ছিলেন না, বরং ছিলেন সমাজ-সংসারের ব্যাপারে নিখুঁতভাবে দায়িত্বপরায়ণ। সবরকমের অপচয়ের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সদাই সরব। আমি আশ্চর্য হই যে তাঁর এই সুন্দর অভ্যাসগুলোকে এখন চরম সুসভ্য এবং স্বাস্থ্যসম্মত হিসেবে পালনীয় ধরা হচ্ছে। ঘুমুবার সময়েও তাঁর অনেক নির্দেশনা আছে, যেমন কখন কোন দিকে কাত হয়ে শুতে হবে, কতক্ষণ শুতে হবে বা দুপুরবেলার খাবার পরের বিশ্রামরীতি যা হাইপারঅ্যাসিডীটি নিবারক ও নিরোধক। সবকিছু এসেছে একটা মানুষের কাছ থেকেই। বিস্ময়কর এই যে, তাঁর এসব চর্চার বিবরণগুলো অত্যন্ত প্রাচীন কিন্তু কোন অতিমানবিকতার ছাপ নেই, বরং একেবারেই সাদামাটা। তাঁর বা তাঁর আগে পরের আমলের সব মহামানবই দেখি অতিমানবীয় সব সুপারপাওয়ারের অধিকারী, তাঁরা কেউ গদার আঘাতে সিংহ খতম করে হারকিউলিস হয়েছেন কিংবা আদিগন্ত রাখস ছুটিয়ে লাখো গর্দান নিয়ে দিগবিজয়ী বীর রুস্তম হয়েছেন। তাঁদের তুলনায় আমার কাছে মানুষ মুহাম্মাদের এই সাধারণত্বটাই সবচেয়ে অসাধারণ মনে হয়। আপাতঃদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হতে পারে কিন্তু একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে সার্বিক বিবেচনায় তিনি এসব সাধারণ অভ্যাসের মধ্য দিয়েই একজন ‘স্বাভাবিক’ অতিমানবের রূপ ধারণ করেছেন। মুহাম্মদ আসলে অসাধারণ হয়েছেন সাধারণত্বের ভেতর দিয়ে। অন্যান্য কীর্তিমানের সাথে এটাই সবচেয়ে বড় পার্থক্য তাঁর। এমন নিখুঁত, সুসভ্য , সুশৃঙ্খল জীবনাচার তৎকালে একেবারেই ছিল না, এখনও বিরল। সত্যই তাঁর দৈনন্দিন জীবনাচার বর্তমান যুগেও সামগ্রিকভাবে মানুষের যাবতীয় সুসভ্য আচরণকে সংজ্ঞায়িত করে। আমি যখন মহামনিষীদের জীবনী পড়ি, তখন দেখি শুধুই তাঁদের সংগ্রাম, অধ্যবসায়, পরিশ্রম, সাফল্য আর কীর্তিগাঁথার কথা। মুহাম্মাদের তো এসব আছেই, সেই সাথে আছে অনন্য উন্নত জীবনানুষঙ্গ যার ডিটেইল্ড বিবরণ সাধারণ্যে অবারিত। নবী মুহাম্মদের চেয়েও মানুষ মুহাম্মদই আমার কাছে অধিক অবাককর, অনুকরণীয় আদর্শে পরিপূর্ণ এক কালোত্তীর্ণ সত্ত্বা। মুহাম্মাদ (সঃ) আমার চোখে পৃথিবীর প্রথম পরিপূর্ণ সভ্য মানুষ। আফসোস এই যে, সুসভ্যতার পরম মানদণ্ড মানুষ মুহাম্মাদ আজ মুসলমানদের মাঝেই সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত।

(অনন্য মুহাম্মাদ (স.) - মুহাম্মাদ তালুতের প্রবন্ধ)

Want your school to be the top-listed School/college in Uttarati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Our Story

Education is the process of facilitating learning, or the acquisition of knowledge, skills, values, beliefs, and habits. Educational methods include storytelling, discussion, teaching, training, and directed research. Education frequently takes place under the guidance of educators, but learners may also educate themselves. Education can take place in formal or informal settings and any experience that has a formative effect on the way one thinks, feels, or acts may be considered educational. The methodology of teaching is called pedagogy.

Videos (show all)

একেই বলে হাতে কলমে শিক্ষা। না শিখে পালাবি কোথায়?

Location

Telephone

Address


House-26, Road-11, Sector/06
Uttarati
1230
Other Uttarati schools & colleges (show all)
Tutor. Academy Tutor. Academy
Uttara , Sector/10
Uttarati, 1230

We are providing the best home tutor service. It's a free online platform for guardians. And we char

Ideal Life School & College Ideal Life School & College
Sector #12, Khalpar, Sohel Market, Turag, Dhaka
Uttarati, 1230

Ideal life School & College is one of the most famous educational institute at Uttara in Dhaka. Our

Azgor Ali Abir Azgor Ali Abir
Kalukhali, Rajbari, Dhaka
Uttarati, 7722

ইসলাম ধর্ম পৃথিবীর একমাত্র সত্য ধর্ম। আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর প্রেরিত নবী।

Tuition Media Uttara টিউশন মিডিয়া উত্তরা Tuition Media Uttara টিউশন মিডিয়া উত্তরা
Dhaka
Uttarati, 1230

Call for Experienced Tutor : 01746-985828 Tuition Media Uttara টিউশন মিডিয়া উত্তরা।

Edexcel Cambridge Math For You-edxcammath4u Edexcel Cambridge Math For You-edxcammath4u
House 21, Road 6A, Sector 5, Uttara, Dhaka
Uttarati, 1230

This page is designed to assist students in expanding their mathematical skills to a higher level, p

Abdullah M. Lahin Abdullah M. Lahin
Sector-6, Road-01, House/9
Uttarati

Accounting

Baitul Quran Academy Baitul Quran Academy
Dhaka
Uttarati, 2262

Assalamu Alaikum I am Hafez Qari MD Anwar Hussain Baitul Quran Academy My Personal Page

Badda Tuition Badda Tuition
Uttarati, 1230

Dhaka Tuition. Phone: 01401423152

Uttara Tuition Media উত্তরা টিউশন মিডিয়া Uttara Tuition Media উত্তরা টিউশন মিডিয়া
Dhaka
Uttarati, 1230

Uttara Tuition Media. Phone: 01981875656.

Tuition Aid Tuition Aid
Sector 10
Uttarati, 1230

সম্মানিত টিউটর, আপনাদের কাঙ্ক্ষিত টিউশন পেতে লিংকে গিয়ে ফর্ম পূরণ করুন: https://cutt.ly/RCav56a

Eversity Eversity
House-22, Road-08, Sector/09
Uttarati, 1230

Our aim is to provide all kinds of world-class training and course available to create a successful