05/11/2019
ফেসবুকে ঢু মারলেন, কোন একটা কাজে, কাজটা নেহায়েৎ ১ কিংবা ২ মিনিটের। হঠাৎ করেই মনে হল, একটু নিউজফিড স্ক্রল করি। স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলেন সেই ১ মিনিট বেড়ে ৬০ মিনিট হয়ে গেছে।
ডিপ্রেশনে পরে গেলেন, আবার নিজে নিজেই বললেন, ধুর ১ ঘন্টা তো গেলই, আরও একটু নাহয় চালাই। আবার মোবাইলটা থেকে সরে গিয়ে বলবেন, আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, আমি এই সমস্যা থেকে কোন ভাবেই বের হতে পারব না।
কিন্তু এর আদলে একটা বিষয় কি ভেবে দেখেছেন, যখন আপনি একটা সমস্যাকে সমস্যা মনে করছেন, সেটা কিন্তু সমস্যাই থেকে যাচ্ছে। আপনার চোখের সামনেই সে সমস্যা থেকে উত্তরনের পথ সহজে বের করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে, আপনি কিছুই করতে পারছেন না।
তো এই পর্যায়ে, আমি ধরে নিলাম আপনি আপনার সমস্যাটা ধরতে পেরেছেন সেক্ষেত্রে এখন আপনার কাজ হচ্ছে,
১. ইন্টারনেটে আপনি কতটুক সময় ব্যয় করছেন এবং কেনো করছেন সেটা খুজে বের করা।
২. এখন আপনি হ্যাঁ বলেন আর না বলেন, আমরা মোটামুটি সবাই গড়পড়তা ফেসবুকে একটিভ থাকা মানেই বুঝি ইন্টারনেটে থাকা। সেক্ষেত্রে ফেসবুক বাদে ইন্টারনেট আর কি উপায়ে আপনাকে সাহায্য করছে সেটা নির্ধারন করা। যদি মনে হয়, ইন্টারনেট আপনাকে এই ব্যতীত আর কোন লাভই দিচ্ছে না তাহলে সেটিকে বাদ দিন এখনই। সে মনোযোগটা অন্য ভালো কাজে ব্যয় করুন। হতে পারে একটা বই পড়া।
৩. একটা নতুন কিছু আয়ত্ত করতে আমাদের সেটার পিছনে একটু পরিশ্রম করতে হয়। ঠিক তেমনি আপনি নিজেকে একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসুন, যেমন দিনে আপনি শুধু ৩০ মিনিট ফেসবুক চালাবেন, আস্তে আস্তে সেটা কমিয়ে ২০ মিনিট, এরপর ১০ মিনিট।
৪. ইন্টারনেট বা ফেসবুক যেটাই হোক না কেনো, এগুলো না থাকলে আপনি কি করতেন সেটা চিন্তা করুন, অবশ্যই ঠান্ডা মাথায় ইন্টারনেট বন্ধ করে। :)
৫. যখন বুঝে যাবেন আপনার কি করা উচিত এবং কি করা বাকি তখন এমনিতেই আপনি ইন্টারনেট কিংবা ফেসবুক এসব থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারবেন।
মনে রাখবেন, জীবনের জন্য ইন্টারনেট, ইন্টারনেটের জন্য জীবন নয়।
আপনার শুভকামনায়।
- লবন চা টিম