18/06/2023
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।
Amar Sonar Bangla | আমার সোনার বাংলা | National anthem of Bangladesh | বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর----আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাত.....
25/03/2022
ট্রেন যোগাযোগ
২৬/০৩/২০২২, তারিখ থেকে চালুকৃত বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকেটিং সিস্টেমে টিকেট ক্রয়ের নিয়মাবলী/পদ্ধতিঃ
Registration প্রক্রিয়াঃ (শুধুমাত্র একবার করতে হবে)।
প্রথমে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে।
ওয়েব সাইটটির নীচের দিকে “Registration” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
Create an Account” নামের নতুন একটি Page আসবে। এখানে “Personal Information” এর সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে পূরণ করতঃ Security code ঘরের পাশে প্রদর্শিত “Security Code” দিয়ে পূরণ করে Register বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সকল তথ্যাদি সঠিক থাকলে “Registration Successful” নামে নতুন একটি Page আসবে।
ই-টিকেটিং সিস্টেম থেকে তাৎক্ষনিকভাবে আপনার প্রদত্ত ই-মেইল ঠিকানা Bangladesh Railway এর থেকে একটি ই-মেইল পাঠানো হবে।
আপনার ই-মেইল এর মেসেজ বক্সে Bangladesh Railway প্রদত্ত ই-মেইলটি খুলতে হবে। মেসেজের ভিতর রক্ষিত “Click” লিংকটিতে ক্লিক করতে হবে। এ প্রক্রিয়ার পর যাত্রীর Registration প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে।
ক্রয় প্রক্রিয়াঃ
প্রথমে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে।
“Log in” এর প্যানেল ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড পূরণ করতঃ “Log in” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর যে Pageটি আসবে তাতে “Purchase ticket” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এখানে যে Pageটি আসবে সে Page এ আপনার চাহিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, ট্রেনের নাম, শ্রেনী, টিকেট সংখ্যা যেভাবে রয়েছে তা পূরণ করতে হবে। এর পরের পেইজে “Registration Seat Available” দ্বারা চাহিত টিকেট এবং এর মূল্যমান জানিয়ে দেয়া হবে। টিকেট থাকলে “Purchase ticket” বাটন ক্লিক করতে হবে।
ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশ কার্ড কিংবা ব্রাক ব্যাংকের একাউন্ট মারফত যাত্রির জমাকৃত টাকা থেকে টিকেট মূল্য কেটে নেয়া হবে এবং যাত্রীর ই-মেইলে ই-টিকেটটি পাঠিয়ে টিকেট নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।
ই-মেইল মেসেজ বক্স থেকে প্রেরিত টিকেটটির প্রিন্ট নিয়ে ফটো আইডিসহ ই-টিকেট প্রদত্ত “Ticket Print Information” প্রদান করে সংশ্লিষ্ট সোর্স ষ্টেশন থেকে যাত্রার পূর্বে ছাপানো টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
[ বিঃদ্রঃ ২৬ মার্চ থেকে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে ]
25/11/2021
কোন জংশন কবে চালু হয়েছে?
১৯/০১/১৮৭৮ – পোড়াদহ জংশন
১৯/০৫/১৮৭৮ – পার্বতীপুর জংশন
০১/০৭/১৮৯৫ – লাকসাম জংশন
২০/১০/১৮৯৮ – পাঁচুরিয়া জংশন
০১/০৪/১৮৯৯ – সান্তাহার জংশন
২০/১১/১৯০০ – লালমনিরহাট জংশন
০১/০৭/১৯০৫ – বোনারপাড়া জংশন
০১/০৭/১৯০৫ – কাউনিয়া জংশন
০১/০৪/১৯১০ – আখাউড়া জংশন
১৬/০৪/১৯১২ – কুলাউড়া জংশন
১৮/০৮/১৯১২ – জামালপুর জংশন
০১/১০/১৯১৩ – যশোহর *
০১/০৭/১৯১৪ – টঙ্গী জংশন
০১/০৭/১৯১৫ – ঈশ্বরদী জংশন
০১/১২/১৯১৬ – ভেড়ামারা
২০/০৩/১৯১৭ – ভৈরববাজার জংশন
১৬/০৭/১৯১৭ – ময়মনসিংহ জংশন
০১/০৯/১৯১৭ – গৌরীপুর ময়মনসিংহ জংশন
০১/০৫/১৯১৮ – শ্যামগঞ্জ জংশন
২৫/০২/১৯২৮ – কাঞ্চন জংশন
০২/০৭/১৯২৮ – তিস্তা জংশন
০১/১১/১৯২৮ – শায়েস্তাগঞ্জ
১৪/০৩/১৯২৯ – আব্দুলপুর জংশন
০১/১২/১৯২৯ – ফেনী জংশন
১৫/০১/১৯৩০ – আমনুরা জংশন
১০/০৬/১৯৩১ – ষোলশহর জংশন
০১/০১/১৯৩২ – কালুখালী জংশন
০১/০৩/১৯৩২ – মধুখালী জংশন
২১/০৪/১৯৫১ – যশোহর জংশন *
২১/০৪/১৯৫১ – দর্শনা জংশন
০১/০১/১৯৭০ - নরসিংদী
১৯৯০ – ত্রিমোহিনী জংশন
২৩/০৬/১৯৯৮ – জামতৈল জংশন
১৪/০৮/২০০৩ – জয়দেবপুর জংশন
৩০/০৬/২০১২ – বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব জংশন
১৪/০৭/২০১৮ – মাঝগ্রাম জংশন
০১/১১/২০১৮ – কাশিয়ানী জংশন
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো জংশন কুষ্টিয়ার পোড়াদহ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের জংশন পরিবারের নতুনতম সদস্য গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি।
Info: (Collected)
14/11/2021
Let's correct our pronunciation!