The Book International School

The Book International School

Share

This is an school with Arabic, English and Bangla medium. Please come and visit our school.

01/03/2020

পরীক্ষায় ভাল করার বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের ৭টি দারুণ পরামর্শ
ছাত্র জীবনে পরীক্ষাকে ভয় পায়নি এমন সাহসী ছাত্রছাত্রী খোঁজে পাওয়া ভার। তাই এই পরীক্ষার ভয় দূর করার জন্য আজকের লেখাতে উপসাথাপন করছি পরীক্ষায় ভাল করার বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের ৭টি দারুণ পরামর্শ।

1. বিশেষ অংশ এবং পরিকল্পনায় রঙিন কোড করুনঃ
লেখা-পড়ার অন্যতম কার্যকর ১ টি উপায় এটি। পড়ার কাজটি কীভাবে চালিয়ে যাবেন তার ১ টি পরিকল্পনা নিশ্চয়ই থাকে। এই অংশটিসহ নোটের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো রঙিন মার্কার দিয়ে চিহ্নিত করে রাখুন। ভিন্ন ধরনের অংশের জন্য বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।

২. সময় বের করুনঃ
সেমিস্টারের আগের রাতে সব পড়ে শেষ করা অসম্ভব ব্যাপার। কারণ অল্প সময়ের মধ্যে পড়ে পরীক্ষার ঝামেলা মেটানো যায়। কিন্তু সে পড়ায় শেখা হয় না। ফলে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে। তাই বেশ কিছু দিন হাতে নিয়ে হালকা মেজাজে পড়লেও শিখতে পারবেন। এতে পরীক্ষা হয়ে আসবে আরো সহজ, এবং অনেক ভাল।

3. বইয়ে কি-পয়েন্ট হাইলাইট করুনঃ
অনেক ধরনের পরীক্ষা রয়েছে সেখানে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে বইয়ের কি-পয়েন্টগুলো হাইলাইট করে নিন। আর বই দেখার সুযোগ না থাকলেও পড়াশোনার সুবিধার জন্য নিজের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মার্কার দিয়ে হাইলাইট করে রাখুন। সেগুলো বারবার দেখে নিতে সুবিধা হবে।

4. নিজের পরিকল্পনা বানিয়ে পড়াশুনা করুনঃ
পড়াশোনাকে দারুণ কার্যকর করতে হলে পরিকল্পনা দরকার। পড়াশোনার, বিষয় আর পড়ার পদ্ধতি সবকিছু নিয়ে সময়সূচি করে নিন। তারপর সেই সময় অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যান।

5. নিজের পরীক্ষা নিজেই দিনঃ
প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মতো করে বন্ধুরা একসাতে বা আপনি একাই পরীক্ষা দিতে পারেন। এতে মূল পরীক্ষা নিয়ে যতো অজানা আশঙ্কা কেটে যাবে আপনার। অধিকাংশ যে ক্ষেত্রে দেখা গেছে এসব পরীক্ষামূলক পরীক্ষা মূল পরীক্ষার কাছাকাছি হয়ে থাকে।

6. একই পড়া কয়েকবার পড়ুনঃ
কয়েকবার করে দেখে নিন। এতে মাথায় বসে যাবে সবকিছু। নোটের বিশেষ পয়েন্টগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিন। বারবার মুখস্থ করতে হবে না। হাইলাট করা অংশগুলোতেও চোখ দিন। একবার মুখস্থ করে কয়েকবার শুধু দেখলেই তা ঠোঁটস্থ হয়ে যাবে।

7. গড়িমসি করবেন নাঃ
যা পড়তে হবেই তা পড়ছি পড়বো বলে ফেলে রাখবেন না। অন্তত পরীক্ষা এগিয়ে এলে এমনটি করার সুযোগ নেই। এ কাজটির জন্যই পরীক্ষার আগের রাতে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কাজেই অল্প-বেশি পড়ার কাজ চালিয়ে যান। দেখবেন, পরীক্ষা আগ দিয়ে প্রায় সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছেন আপনি।
Credit: https://bdmotivator.com

23/02/2020

বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশুনা (কম পড়ে ভালো রেজাল্ট) করার ৪ টি কার্যকারী পদ্ধতি
Credit: Bangla Tathya

ছাত্র জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো পড়াশোনা করে পরীক্ষায় ভালো ফল করা। কিন্তু কিভাবে পড়লে পরীক্ষায় ভালো ফল করা যায় তা অধিকাংশ ছেলে-মেয়ের অজানাই থেকে যায়। ভালো ফল করার জন্য প্রখর মস্তিষ্কের সাথে সাথে পরিশ্রম নাকি বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশোনা করা প্রয়োজন ?

তাই আজকে আমরা “How We Learn ” বই থেকে জানব -বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশুনা(কম পড়ে ভালো রেজাল্ট ) করার ৪ টি কার্যকারী পদ্ধতি।

১.একটানা না পড়ে কিছু সময় অন্তর বিরতি নিন

বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশুনা (কম পড়ে ভালো রেজাল্ট) করার ৪ টি কার্যকারী পদ্ধতি

একটি চারা গাছের বেড়ে ওঠার জন্য সপ্তাহে শুধু একদিন দেড় ঘন্টা জল দেওয়ার থেকে প্রতিদিন 5 মিনিট জল দেওয়াটা অনেকটা কার্যকরী হয়। অনুরূপভাবে একটানা 3 ঘণ্টা পড়ার থেকে সেটাকে তিনটি ভাগে ভাগ করে 1 ঘন্টা করে পড়াটা বেশি ফলপ্রসূ।

বিজ্ঞান এটা প্রমাণ করেছে যে Distributed Learning আমাদের স্মৃতি শক্তি ৪৬% বৃদ্ধি করতে পারে। এর অনেক কারণ আছে , আমরা যখনই কোন সিনেমা বা ভিডিও দেখি তখন মাঝখানের দৃশ্যগুলি তুলনায় প্রথম এবং শেষের দিকের দৃশ্য গুলি বেশি ভালোভাবে মনে থাকে।

এজন্য কাজের সময় যত ছোট হবে ততোই ভালো। আমরা কোন জিনিস যত বেশি ভুলেযায় আর পরিশ্রম করে মনে করার চেষ্টা করি সেই জিনিসটি আমাদের মস্তিষ্কে তত বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

২.একবার পড়ে সেটা তিনবার না দেখে বলার চেষ্টা করুন

বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশুনা (কম পড়ে ভালো রেজাল্ট) করার ৪ টি কার্যকারী পদ্ধতি

অনেক সময় আমাদের মনে হয় “হ্যাঁ বুঝে গেছি ” আর তা বাদ দিয়ে অন্য কিছু পড়তে শুরু করি। কিন্তু পরীক্ষার সময় তা আর মনে করতে পারি না। এটাকে ইংরেজিতে ” Fluency Illusion ” বলা হয় ,যখন জিনিষটা চোখের সামনে থাকে তখন ব্রেনে একটা ইল্যুশন তৈরী হয় যে ” হ্যাঁ মুখস্থ হয়ে গেছে ” আসলে তা হয়নি। এজন্য চারবার দেখে দেখে পড়ার থেকে একবার পড়ে সেটা না দেখে তিন বার বলার চেষ্টা করাটা বেশি কার্যকরী হয়।

৩.নিজে পড়ে অন্যদের শেখান

বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশুনা (কম পড়ে ভালো রেজাল্ট) করার ৪ টি কার্যকারী পদ্ধতি

আমরা অনেক কিছু পড়ি কিন্তু বেশিরভাগ ভুলে যায়। কিছু পড়লে তখনই নিজেকে নিজে পরীক্ষা নিতে হবে। তার জন্য যা পড়লেন সেটা অন্যদের পড়ান।পড়ানোটা এক ধরনের পড়াশোনা করার পদ্ধতি। বিভিন্ন অধ্যায় থেকে নানা সমস্যা তৈরি করে সেটা সমাধান করার চেষ্টা করতে হবে। সেই অধ্যায়টি আপনি যখন অন্যদের ভালোভাবে বোঝাতে পারবেন তখন আপনি নিশ্চিত হতে পারেন অধ্যায়টি সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করেছেন।

৪.পড়ার পর কিছু সময় ঘুমোনো ভালো

বুদ্ধিদীপ্ত পড়াশুনা (কম পড়ে ভালো রেজাল্ট) করার ৪ টি কার্যকারী পদ্ধতি

যখন আমরা ঘুমায় তখন ঘুমের মধ্যে জরুরী তথ্যগুলি আমাদের অবচেতন মনে আমাদের মস্তিষ্কে জমা হয় । তাই একটা ঘুম দেয়ার পর আমরা নিজেদের ফ্রেশ অনুভব করি। বিজ্ঞানীদের মতে ঘুমোনোর প্রকৃত সময় রাত ১১ টা থেকে সকাল ৬ অবধি। রাত্রে ৬ ঘন্টা ঘুমানো আবশ্যিক। যখন আপনার মস্তিস্ক ফ্রেশ এনার্জেটিক থাকে সেই সময়টি পড়ার উপযুক্ত সময়। তাই পরেরদিন ইতিহাস ,বাংলার মতো বিষয়ের পরীক্ষা থাকলে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়াটা বেশি ভালো , তথ্য গুলো অবচেতন মন থেকে থেকে মস্তিষ্কে প্রসেসিং হওয়ার সময় পায়। আরো বিশদে জানতে আমাজন থেকে বইটি কিনুন।

16/02/2020

শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে প্রয়োজন আনন্দমূলক শিক্ষা (Joyful Learning)

অধ্যাপক শামসুল হুদা লিটন : আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশু জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। শিশুদের ভাল করতে হলে তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হলে, তাদের সুখী করতে হবে। শিশুর ধারণ ক্ষমতা অনুসারে শিক্ষা দিলে সে একদিন কালজয়ী বিশেষজ্ঞ হতে পারবে। আনন্দের মাঝেই শিশুর শিক্ষা জীবনের অবস্থান। কঠোর শাসন, নিয়ন্ত্রন, প্রতিকুল পরিবেশ, শিশুর শিক্ষা জীবনকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দেয়। শিশুর মনের আনন্দই তার দেহ মনের শক্তির মূল উৎস। আনন্দ ও শিশু বান্ধব পরিবেশ ছাড়া তার সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ অসম্ভব। Joyful Learning হচ্ছে শিশু শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম।

শিক্ষা ও আনন্দমূলক শিক্ষা : আনন্দমূলক শিক্ষা তথা Joyful Learning নিয়ে আলোচনা করতে হলে আমাদের Education সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে। ইংরেজি Education শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ হলো শিক্ষা। Education শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ থেকে। ল্যাটিন ভাষায় ৩টি মৌলিক শব্দের সন্ধান পাওয়া যায়। এর একটি হলো Educare. এই Educare শব্দের অর্থ হলো লালন করা, পরিচর্যা করা, প্রতিপালন করা। অর্থাৎ শিশুকে আদর যত্নের মাধ্যমে পরিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য সক্ষমতা ও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করার নামই হলো শিক্ষা।

পূর্বে শিক্ষা বলতে বুঝানো হতো শিশুকে নিয়ন্ত্রণ করা বা শাসন করা। শিশুকে নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে বিদ্যা দান করার যে পদ্ধতি আমাদের দেশ তথা এতদ অঞ্চলে প্রচলিত ছিল, তাকেই শিক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু আধুনিক শিক্ষাবিদরা এ ধরনের শিক্ষাকে সংকীর্ণ শিক্ষা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
শিশুর ওপর জোর করে বিদ্যা চাপিয়ে দেয়ার নাম শিক্ষা নয়। শিশুর গ্রহণ উপযোগী আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষা দানই হলো প্রকৃত শিক্ষা। প্রখ্যাত ফরাসী দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাঁক রুশো বলেছেন, "Education is the child’s development from with in" -অর্থাৎ “শিক্ষা হলো শিশুর স্বতঃস্ফুর্ত আত্মবিকাশ”।
শিশুর সামর্থ ও শক্তিগুলেঅর স্বাভাবিক ও সুষম বিকাশই শিক্ষার লক্ষ্য। শিশুর অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যগুলোর আবিষ্কার এবং তার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধনই শিক্ষকের প্রধান কাজ।
শিশু শিক্ষা বিষয়ে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ থমসন বলেন, “শিক্ষা হলো শিশুর ওপর পরিবেশের প্রভাব, যে প্রভাবের দ্বারা শিশুর বাহ্যিক আচরণ, চিন্তাধারা এবং দৃষ্টিভঙ্গির স্থায়ী পরিবর্তন হয়।”
শিশুরা কোমল মনের অধিকারী। আনন্দঘন পরিবেশে থাকতেই শিশুরা স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। শাসন, নিয়ন্ত্রণ, ভীতিকর ও বিষাদময় পরিবেশ শিশুর শিক্ষা লাভকে বাধাগ্রস্থ করে। শিশু শিক্ষা ও আনন্দ ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। আনন্দ ছাড়া কোমলমতি শিশুরা শিক্ষা লাভে উৎসাহিত হবে না। শিক্ষার্থীর শিক্ষাকাল হলো একটা মানসিক ভ্রুন অবস্থা। উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই সেই ভ্রুন বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে। শিশুরা শিখবে আনন্দের মাধ্যমে, নিজেদের ইচ্ছামতো, ঘুরে-ফিরে, কল্পনার ফানুস উড়িয়ে। শিশুরা শিখবে খেলাধূলার মাধ্যমে, তাদের মনের অজান্তে। প্রকৃতির সাথে সংযোগ রেখে মনের চর্চা করবে তারা, শ্রেণিকক্ষের চারদেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে নয়। শিশুরা শিখবে বিদ্যালয়, পরিবার ও সমাজ থেকে, একান্ত নিজেদের মতো করে। শিশুরা অজানাকে জানার সাথে করবে মিতালী। শিশুরা জানবে সহজভাবে, আনন্দের সাথে। আনন্দ ছাড়া শিশুর বিদ্যা অর্জনে আগ্রহী হবে না। আনন্দের মাঝেই লুকিয়ে থাকবে তার শিক্ষা। আনন্দই তার শিক্ষার বাহন ও মাধ্যম।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন- “আনন্দহীন শিক্ষা, শিক্ষা নয়, যে শিক্ষায় আনন্দ নেই, সে শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা হতে পারে না।” রবীনন্দ্রনাথ আনন্দহীন শিক্ষা প্রসঙ্গে আরো বলেছেন, “অন্যদেশের ছেলে যে বয়সে নবোদগত দন্তে আনন্দমনে ইক্ষু চর্চন করিতেছে, বাঙালির ছেলে তখন স্কুলের বেঞ্চির উপর কোঁচা সমেত দুইখানি শীর্ণ খর্ব চরণ দোদুল্যমান করিয়া শুধুমাত্র বেত হজম করিতেছে, মাষ্টারের কুট গালি ছাড়া তাহাতে তার কোনরূপ মশলা মিশানো নাই।”

আনন্দমূলক ও শিশুবান্ধব পরিবেশে পাঠদানের শিক্ষকের ভূমিকাঃ

বিদ্যালয়ে আনন্দমূলক পরিবেশে শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিশুর প্রতিভা বিকশিত করার ব্যাপারে শ্রেণি শিক্ষকের ভূমিকাই মুখ্য। একজন শিক্ষকের উপরই বিদ্যালয়ের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। বিদ্যালয়ের শিক্ষক হচ্ছেন শিশু শিক্ষার একজন সুনিপুন মিস্ত্রি, যিনি গঠন করবেন শিশুর মানবাত্মা। তিনি জাতি গঠনের সর্বশ্রেষ্ঠ কারিগর। একজন শিক্ষই পারেন শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে। যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক ছাড়া এ কাজ সম্পন্ন করা অসম্ভব। শিক্ষককে হতে হবে আদর্শের মূর্ত প্রতীক। তাঁর থাকতে হবে চরম ধৈর্য্য ও শিশু শিক্ষার প্রতি আগ্রহী। শিশুর অবুঝ মন বুঝার ক্ষমতা থাকতে হবে শিক্ষকে। একজন শিক্ষককে হতে হবে শিশু মনো বিজ্ঞানী। শিক্ষক একাধারে হবেন, শিক্ষাগুরু, পিতা-মাতা ও নির্ভরযোগ্য অভিভাবক। যে শিশু শিক্ষককে ভয় পাবে সে শিশু শিখতে আগ্রহী হবে না। কোন ছাত্র যদি শিক্ষককে ভয় পায় তা হলে সে শিক্ষক শিশু শিক্ষা দানে অযোগ্য বলে বিবেচিত হওয়াই স্বাভাবিক।

একজন আদর্শ মানের শিক্ষক সম্পর্কে কবি গোলাম মোস্তফা লিখেছেন-
“সকলে মোরা নয়ন ফুটাই, আলো জ্বালি সব প্রাণে,
নব নব পথ চলিতে শেখাই-জীবনের সন্ধানে।
পরের ছেলেরে এমনি করিয়া শেষে
ফিরাইয়া দেই পরকে আবার অকাতরে নিঃশেষে।
পিতা গড়ে শুধু শরীর, মোরা গড়ি তার মন,
পিতা বড় কিবা শিক্ষক বড়- বলিবে সে কোন জন?
শিক্ষার্থীর মন কোমল ও ভীতিপ্রদ এবং সৃজনশীল। একজন আদর্শ শিক্ষকের কাজ শিশুর মনের ভীতি দূর করে সৃজনশীল কাজে তাদের সহায়তা করা। শিশুর জীবন দলছুট হরিণের মতো। তারা সবসময় গতিবদ্ধ জীবন হতে বেরিয়ে আসতে চায়। শিশুরা সবসময় বাঁধার প্রাচীর ভাঙতে চায়। তারা চায় নীল আকাশের নিচে উন্মুক্ত জীবন, যেখানে কোন ধরাবাধা নিয়ম শৃঙ্খলা থাকবে না। শিশুরা ছুটতে চায়, খোলা আকাশের নিচে, নিজের মতো করে। তাই শিশুর রুচি ও মানসিক চাহিদা অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকের মূল কাজ হচ্ছে শিশুর মাঝে মুক্ত চিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে সঠিক পথে পরিচালিত করা।

শিক্ষককে আনন্দমূলক শিক্ষার কৌশল রপ্ত করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে নাটকীয় ভঙ্গিমায় চিত্তাকর্ষক পাঠদান করতে হবে। শিশুর মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে হবে। এতে করে তাদের কোমল মনে চিন্তার প্রসারতা ঘটবে। তার মনে বিশ্বকে জয় করার মানসিকতা গড়ে উঠবে। অজানাকে জানার, অচেনাকে চেনার, অদেখাকে দেখার চরম ইচ্ছা জাগ্রত হবে।

বিদ্যালয় শিশুর মেধা ও মননশীলতার বৈচিত্রময় লীলাভূমি। এটি শিশুর অবাধ জ্ঞান চর্চার কেন্দ্রস্থল। শিক্ষক হলেন এ অবাধ জ্ঞানচর্চা কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক। অহেতুক ভয়-ভীতি, সংশয় ও দ্বিধা শিশুর জ্ঞান লাভের স্পৃহাকে নষ্ট করে দেয় এবং তাদের মনে একঘেয়েমি সৃষ্টি করে। তাই শিশুর জানার পথে যাতে একঘেঁয়েমি সৃষ্টি না হয় সেদিকে আদর্শ শিক্ষককে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। শিক্ষককে শেখার পরিবেশে নতুনত্ব আনতে হবে। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে বৈচিত্রময় শিক্ষার ধারার প্রবর্তন করতে হবে।

শিক্ষককে শিশুর মতো, বন্ধুর মতো আচরণ করে তাদের সাথে মিশে যেতে হবে। তাদেরকে অনায়াসে প্রশ্ন করার এবং মনের ভাব প্রকাশের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। সহজ, সরল, সাবলীল ও প্রাঞ্জল ভাষায় করতে হবে পাঠদান। শিক্ষকদেরকে শিশুর পাঠদান সম্পর্কে প্রশিক্ষিত হতে হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে তাদের প্রশিক্ষণের জ্ঞান শ্রেণিকক্ষে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে। শিশু শিক্ষায় নারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নারী শিক্ষকদের শিশুদেরকে মাতৃস্নেহে পাঠদানে অভ্যস্ত হতে হবে। প্রতিটি শিক্ষককে শিশু বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে দক্ষতা ও কৌশলী হতে হবে। শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ সম্পর্কে সচেতনতার জন্য একেকজন শিক্ষককে হতে হবে দ্ক্ষ মনোবিজ্ঞানী। শিক্ষকদের শিক্ষাদান সংক্রান্ত বিষয়ে ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে- “No system of education is better than it’s teachers”- অর্থাৎ কোন শিক্ষাদান পদ্ধতিই স্বয়ং শিক্ষক অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারেনা। “Teacher is the best method”-অর্থাৎ শিক্ষকই শিক্ষাদানের সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি।

আনন্দমূলক ও শিশুবান্ধব পরিবেশ গঠনে বিদ্যালয়ের ভূমিকাঃ

বিশিষ্ট সাহিত্যিক আবুল ফজল বলেছেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতির প্রাণশক্তি তৈরির কারখানা আর রাষ্ট্র ও সমাজ দেহের সবচাহিদার সরবরাহ কেন্দ্র। ওখানে ত্রুটি ঘটলে দুর্বল আর পঙ্গু না করে ছাড়বে না।” আমাদের দেশে শিশু শিক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা, ইংরেজি স্কুল ও এনজিও পরিচালিত শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষাদান ও অভিজ্ঞ শিক্ষকের অভাবসহ নানা সমস্যা রয়েছে। এসব কারণে শিশু শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আনন্দমূলক ও শিশু বান্ধব পরিবেশে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের গুরুত্ব ও প্রভাব অনস্বীকার্য। আনন্দমূলক শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিছু কিছু বিষয় থাকা আবশ্যক। এসব বিষয় যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না থাকে তাহলে শিশুর প্রতিভা বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যঘাত ঘটতে পারে। আনন্দমূলক শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ের পরিবেশ হতে হবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সুশোভিত। বিদ্যালয়ের আঙিনা হতে হবে মনোরম ও শিশু উপযোগী। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে মানসম্মত খেলার মাঠ ও পর্যাপ্ত খেলাধূলার সামগ্রী। থাকতে হবে পর্যাপ্ত শিক্ষাপোকরণ, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও শিশুতোষ সাহিত্য ও লাইব্রেরী। কোলাহল মুক্ত পরিবেশ থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় থাকতে হবে রঙবেরঙের বাহারি ফুলের বাগান। আনন্দভ্রমণ, শিক্ষা সফর, কবিতা, গান, নৃত্য, অভিনয় নানা ধরনের প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। শারীরিক প্রতিবন্ধী, টোকাই ও সুযোগ বঞ্চিত শিশুদের জন্য আলাদা শিখন সামগ্রী। পুরো বিদ্যালয়টি হবে শিশুর জ্ঞানের সাম্রাজ্য। পরিবারের মতোই শিশু ক্যাম্পাস থেকে নির্ভয়ে আগ্রহী মন নিয়ে নানা কিছু শিখবে, আহরণ করবে জ্ঞান।

শিশুর বিকাশে পরিবারের ভূমিকাঃ

পরিবার হলো প্রাথমিক এবং মৌলিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান। পরিবার শাশ্বত বিদ্যালয়। শিশু প্রথম শিক্ষা লাভ করে তার পরিবার থেকে। তাই তার নিজ পরিবারের পরিবেশ, আনন্দময় ও শিক্ষাউপযোগী হতে হবে। শিশুবান্ধব পরিবেশে শিক্ষার ব্যাপারে পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও অন্যান্য বড় সদস্যদের ভূমিকা থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যদের সবসময় সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। শিশুর পরিবারে থাকতে হবে পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ এবং বিনোদনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। শিশু মনে দাগ কাটতে পারে এমন অশোভন আচরণ থেকে পরিবারের সদস্যদের বিরত থাকতে হবে। শিশুর সামনে গাল মন্দ, ঝগড়া-ঝাটি, মিথ্যা কথা বলা, ছলনা করা, অনৈতিক আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যদের প্রতি মূহুর্তে খেলার ছলে শিশুকে নতুন করে শেখাতে হবে। শিশুকে সবসময় হ্যাঁ বলতে হবে, শিশুকে কখনো না বলা যাবে না। টেলিভিশনে শিশুমূলক অনুষ্ঠান দেখার জন্য শিশুকে ব্যবস্থা করে দিতে হবে। পরিবার হবে শিশুর আনন্দমূলক শিক্ষার সুতিকাগার।

শিশুর বিকাশে সমাজের ভূমিকাঃ

শিশুর প্রতিভা বিকাশে সমাজেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামাজিক পরিবেশ দ্বারা শিশু মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে শিশু শিক্ষা লাভ করে থাকে। সুস্থ, সুন্দর সামাজিক পরিবেশ শিশুর মেধা ও মননশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। শিশুর শিক্ষার জন্যে সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে। সমাজ হতে হবে শিশুর শিক্ষা উপযোগী। শিশুর বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজের। সমাজকে শিশুর চিত্তবিনোদনের জন্য খেলার মাঠ, ক্লাব, পাঠাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে। বৃত্তিমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের সামাজিকভাবে উৎসাহিত করতে হবে। সমাজকে নিশ্চিত করতে হবে, শিশুর অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থানের সু-ব্যবস্থা। বিদ্যালয় থেকে শিশু শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধে এগিয়ে আসতে হবে সমাজের মানুষকে। প্রতিটি শিশুর শিক্ষা, বেড়ে উঠা, আচরণ সহ সকল বিষয়ে সমাজের মানুষকে সচেতন ও সদা সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

নতুন বছর - নতুন দৃষ্টিভঙ্গি! 16/02/2020

নতুন বছর - নতুন দৃষ্টিভঙ্গি! আমাদের কাছের যত মানুষ, তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখাটা কিন্তু আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। এই নত....

15/02/2020

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়া ও ভালবাসায় আজ আমাদের পেইজে সেঞ্চুরি হয়েছে। আশা করি এভাবেই আমাদের সাথে থাকবেন এবং বন্ধু-বান্ধবদের এই পেইজে ইনভাইট করবেন। যাতে আমরা আরও বেশী বেশী সেঞ্চুরি করতে পারি। আর হ্যা আমাদের জন্য দোয়া করতে ভুলবেন না। কেননা আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোন কিছু সম্ভব নয়।

08/02/2020
05/02/2020

পড়ালেখা করার নিয়ম
আমরা অনেকেই পড়ালেখা নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তা করি। কীভাবে পড়বো? কি করব? এগুলা নিয়ে আমরা সারাক্ষণ দুশ্চিন্তায় থাকি। অনেক পড়েও ফলাফল আমাদের খারাপ হয়। আজ আমরা সংক্ষেপা পড়ালেখা করার নিয়ম জানবো।

অবশ্য বেশি পড়া মানেই যে ভালো পড়া এটা ঠিক নয়। বেশি পড়লে পড়লে ভালো ফল করা যাবে এটা ভূল ধারনা।

পড়া আসলে বুঝে পড়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিচে সঠিক উপায়ে পড়ার কিছু কৌশল তুলে ধরা হলো।

ভালো পড়ালেখা করার নিয়ম

১ # # এক নাগাড়ে বেশিক্ষণ না পড়া
আমরা অনেকেই দেখা যায় একটানা অনেক্ষণ পড়ি। এটা ঠিক নয়। এক নাগাড়ে অনেক্ষণ পড়লে আসলে কাজের কাজ কিছুই হয়না।

বিজ্ঞানীদের মতে, মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা ২০-২৫ পর হ্রাস পেতে থাকে। তাই একটানা বই নিয়ে পড়ে থাকার অভ্যাস আজ থেকেই ছেড়ে দিতে হবে।

পড়ার সময়ে ২০-২৫ মিনিট পরপর বিরতি ৫-১০ মিনিট নিতে হবে।

বিরতির সময় যেকোন কিছু করে সতেজ হয়ে আবার পড়া শুরু কর। দেখবে অনেক দ্রুত পড়া মাথায় ঢুকবে। এটা ভালো পড়ালেখার নিয়ম।

বিরতির সময় হাঁটাহাঁটি করা,গান শুনা, ফেসবুকিং করা ইত্যাদি করয়ে পার।

২ # # মুখস্থ না করে বুঝে পড়া
আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয় না বুঝেই মুখস্থ করে। এমন অভ্যাস আজ থেকেই বাদ দাও।

না বুঝে পড়ে কোন লাভ নাই। কোন কিছু বুঝলেই সেটাকে কাজে লাগানো যায়। না বুঝলে কখনোই তা সম্ভব হয়না।

যেই পড়া কোন কাজে লাগেনা সেই মূল্য কী? তাই মুখস্থ না করে বুঝে পড়ার চেষ্টা করবে।

কিছু না বুঝলে শিক্ষকদের জিজ্ঞেস করে বুঝে নিবে। অথবা বড় ভাই বোনদের কাছ থেকেও বুঝে নিতে পার। এটা ভালো পড়ালেখার আরেকটা নিয়ম।
পাঠ্য বিষয়টি গুগলে বা ইউটিউবে সার্চ করে দেখে নিতে পার। জ্ঞান অনেক বাড়বে।

গণিত সম্পর্কে কিছু জানার আগ্রহ থাকলে ইউটিউবে যাও। সেখানে চমক হাসানের ভিডিওগুলো দেখ। গণিতের ভয় অনেক কমে যাবে।

৩ # # প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ কর
শিক্ষক হয়তো আমাদের কোন পড়া দিয়েছে। অথবা আমাদের কোন পাঠ পড়া দরকার। তখন আমরা কী করি? “আজকে থাক, কালকে পড়ব। আগামীকাল আসলেও একি কয়হা বলি। পরে পড়বো”। পরে পড়বো পড়ব করে আর পড়া হয়ে ওঠে না।

তাই এই পড়াটা নিয়ে পরীক্ষা পর্যন্ত আমাদের দুশ্চিন্তা থেকেই যায়।

তাই প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিনই শেষ করা উচিত। পড়া বাকি রাখা যাবেনা। এটা ভালো পড়ালেখার আরেকটি নিয়ম।

৪ # # অন্যকে শেখাও
যতটুকু নিজে পড়ে শেখা যায়, তার ১০ গুণ অন্যকে পড়িয়ে শিখা যায়। এটা আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।

তাই নিজে শিখার পাশাপাশি অন্যকে শিখাও। এজন্য টিউশনি করা যেতে পারে। এটাও ভালো পড়ার নিয়ম।

অনেক কিছু লিখার ছিল। কিন্তু সময় নাই। রাত প্রায় দুইটা বাজে। সকাল ৮ টায় কাজে যেতে হবে।

তাই ইচ্ছে থাকা সত্বেও লিখতে পারছিনা। এজন্য দুঃখিত। ভবিষ্যতে এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করব।

পড়ার সময় উপরের বিষয় গুলো অবশ্যই মেনে চলার চেষ্টা করবে। আমার লেখায় কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন। আজকের জন্য বিদায়।

Photos from The Book International School's post 30/01/2020


Prize Giving Ceremony (Part 2)

Photos from The Book International School's post 30/01/2020


Prize Giving Ceremony

Want your school to be the top-listed School/college in Tongi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Hazi Market, Bonomala Road
Tongi
ISLAMPUR

Opening Hours

Monday 08:00 - 13:00
Tuesday 08:00 - 13:00
Wednesday 08:00 - 13:00
Thursday 08:00 - 13:00
Saturday 08:00 - 13:00
Sunday 08:00 - 13:00