Millat Higher Education Help Line

Millat Higher Education Help Line Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Millat Higher Education Help Line, Education, Tongi.

09/10/2024

ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ দিচ্ছে কাতারের হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়

হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়, কাতার © সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ কাতার সে দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নানান ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। কাতারের হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া স্কলারশিপ তেমনই একটি। স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিতে ফুল -ফ্রি স্কলারশিপ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বাংলাদেশসহ সকল আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১ ফেব্রুয়ারি।

এ স্কলারশিপের আওতায় শিক্ষার্থীদের কোনো টিউশন ফি লাগবে না। এছাড়াও মাসিক উপবৃত্তি, বিমানে যাতায়াতের খরচ ও আবাসন সুবিধাসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে। আবেদন করতেও লাগবে না কোনো ফি।

শিক্ষার্থীদের ইসলামিক স্টাডিজ, সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, পাবলিক পলিসি, হেলথ এন্ড লাইফ সায়েন্স এবং এক্সিকিউটিভ এডুকেশনভুক্ত যে কোনো বিষয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন।

সুযোগ-সুবিধা:

* স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে ৫ হাজার কাতারি রিয়াল দেয়া হবে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা।

* পিএইচডি শিক্ষার্থীদের প্রতিমাসে ৭ হাজার ৫০০ কাতারি রিয়াল দেয়া হবে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

* বিবাহিতদের জন্য পারিবারিক আবাসনের ব্যাবস্থা।

* বিমানে যাতায়াতের খরচ।

* টিউশন ফি মওকুফ।

* কোনো আবেদন ফি নেই।

* আইইএলটিএস বা টোয়েফল লাগবে না।

আবেদনের যোগ্যতা:

* স্নাতকের জন্য উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফলধারী হতে হবে।

* স্নাতকোত্তরের জন্য ভাল ফল সহ স্নাতকের সনদ থাকতে হবে।

* পিএইচডির জন্য অবশ্যই ভাল একাডেমিক স্কোর সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী থাকতে হবে।

* এছাড়া বিভাগভেদে যোগ্যতার ভিন্নতা রয়েছে।

আবেদন প্রক্রিয়া:

আবেদন করতে ও আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন👇
Millat Higher Education Help Line
millat-higher-education.help-line.info
WhatsApp : 01866-014626

নেদারল্যান্ডসের ‘মিনার্ভা স্কলারশিপ’, মাসে ৯০০-২০০০ ইউরো, সঙ্গে নানা সুবিধা♠️উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা ইউরোপে পড়তে যেতে চান...
09/10/2024

নেদারল্যান্ডসের ‘মিনার্ভা স্কলারশিপ’, মাসে ৯০০-২০০০ ইউরো, সঙ্গে নানা সুবিধা
♠️উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা ইউরোপে পড়তে যেতে চান, তাঁদের জন্য অন্যতম গন্তব্য হতে পারে নেদারল্যান্ড। দেশটি বেশ কয়েকটি বৃত্তি দেয়। এর একটি ‘মিনার্ভা স্কলারশিপ ফান্ড’। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপ নিয়ে বিনা মূল্যে পড়াশোনা করতে পারবেন। নেদারল্যান্ডের পাবলিক রিসার্চভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয় এ মিনার্ভা স্কলারশিপ দেয়। এর আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ পান। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
মিনার্ভা স্কলারশিপ ফান্ড ফাউন্ডেশন বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও গবেষণা প্রকল্পের জন্য স্কলারশিপ দেয়। এটি একটি দাতব্য সংস্থা। নেদারল্যান্ডসে সরকারের অর্থায়িত একটি প্রোগ্রাম। এখন আবেদন চলছে। ইন্টার্নশিপ, স্টাডি ও রিসার্চে দেওয়া হয় এ বৃত্তি।
🔰সুযোগ সুবিধাগুলো-
✔️টিউশন ফি মওকুফ;
✔️মাসে ৯০০ থেকে ২ হাজার ইউরো পর্যন্ত ভাতা প্রদান করা হয়;
✔️গবেষণা খরচ;
✔️যাতায়াতের বিমানভাড়ার খরচ;
✔️আবাসন খরচ।
🛑আবেদনের যোগ্য কারা-
✔️প্রথমে লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের জন্য ভর্তি হতে হবে;
✔️প্রকল্পগুলো ইন্টার্নশিপ, অধ্যয়ন বা গবেষণাভিত্তিক হতে হবে;
✔️প্রকল্প শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীকে অবশ্যই তিন মাসের মধ্যে প্রকল্পের প্রতিবেদন ছবিসহ জমা দিতে হবে।
🔰আবেদনের বিষয়
✔️প্রত্নতত্ত্ব;
✔️মানবিক;
✔️মেডিসিন/এলইউএমসি;
✔️গভর্ন্যান্স ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স;
✔️আইন;
✔️সামাজিক ও আচরণমূলক বিজ্ঞান;
✔️বিজ্ঞান।
❗আবেদনের শেষ সময়: ১৫ নভেম্বর ২০২৪।

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন দেবে স্নাতক ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি।বেসরকারি শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ২০২৩ সালে...
09/10/2024

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন দেবে স্নাতক ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি।
বেসরকারি শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ২০২৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অসচ্ছল মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করবে। এটি শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের আওতাধীন। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই স্নাতক বা সমমান অধ্যয়নরত হতে হবে। নিচের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্তাবলি পূরণ করে বৃত্তির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
🔰বৃত্তির জন্য আবেদনের যোগ্যতা—
✔️বিভাগীয় শহর/সিটি করপোরেশন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে: বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ–৫। অন্যান্য বিভাগে জিপিএ–৪.৮০।
✔️সিটি করপোরেশনের বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে: বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ–৪.৮০, অন্যান্য বিভাগে জিপিএ–৪.৫০।
🌀আগ্রহী প্রার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করে তার সঙ্গে ফরমের ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ক্রমিক নম্বর ২০-এ বর্ণিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। যেসব আবেদনকারীর পিতা বা মাতার বাত্সরিক আয় ২ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে, তাঁদের আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। আবেদনপত্রের ফরম শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের সব শাখায় থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
❗আবেদনের শেষ তারিখ
২২ অক্টোবর ২০২৪। এ তারিখের পর কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না।
🛑আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা-
হেড অব ফাউন্ডেশন, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার, প্লট নং: ৪, ব্লক– সি ডব্লিউএন(সি), গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান, ঢাকা।

উচ্চশিক্ষার জন্য যদি জাপানে যেতে চান...বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীই পড়ালেখা কিংবা গবেষণার জন্য যাচ্ছেন সূর্যোদয়ের দেশ—জাপ...
09/10/2024

উচ্চশিক্ষার জন্য যদি জাপানে যেতে চান...
বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীই পড়ালেখা কিংবা গবেষণার জন্য যাচ্ছেন সূর্যোদয়ের দেশ—জাপানে। সেখানে পড়ালেখার সুযোগ-সুবিধা কেমন? খোঁজ নিয়েছিলাম আমরা।
১. স্নাতকের জন্য কি আবেদন করা যায়?
টোকিও ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আমিমুল এহসান খান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পড়ছেন। বললেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী জাপানে স্নাতক পর্যায়ে পড়তে আসেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করেই জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি আবেদন করা যায়।’ বাংলাদেশে অবস্থিত জাপানের দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করা যায়। জাপানের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বৃত্তির সুযোগ আছে। আরো জানা যাবে, এই ওয়েবসাইটেঃ [https://www.bd.emb-japan.go.jp/itpr_en/education.html](https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fwww.bd.emb-japan.go.jp%2Fitpr_en%2Feducation.html%3Ffbclid%3DIwZXh0bgNhZW0CMTAAAR33VqkgE2HOnajn1sv1z07N5sx0znEG8gashqVcC4igJQ7LC_S74TwPwpU_aem_Vbe0nKg8wFxBAi1dC0IJqA&h=AT08WAIJSMIH2OXUvS1OXoHw-p9mvbQTvsj8K7I1LPS_SVvSp8OE_GesHc1gsrSfOx_Rx40D4zXezI9mNZX2qFQkZ2wVu3fmFjpiOaNVe-1BL5tCS9mRp1NaDfLg7X9tDJPv&__tn__=-UK*F)
২. বৃত্তির সুযোগ কেমন?
মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে বৃত্তির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী শমিত দাশগুপ্ত জানান, জনপ্রিয় বৃত্তিগুলোর মধ্যে মেক্সট বৃত্তি উল্লেখযোগ্য। গবেষণার মাধ্যমে অন্যান্য দেশের সঙ্গে জাপানের বন্ধুত্ব বিকাশের জন্য এ বৃত্তি দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির অধীন বৃত্তিপ্রাপ্তদের শিক্ষার্থীদের কোনো টিউশন ফি বা ভর্তি ফি দিতে হয় না। থাকা–খাওয়ার খরচ, আসা-যাওয়ার বিমানভাড়াও বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া জাপানের ‘এডিবি-জাপান স্কলারশিপ প্রোগ্রাম’–এ শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি ছাড়া পড়ার সুযোগ পান। জীবনধারণ, বাড়িভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ, বই এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার খরচ, চিকিৎসা বিমা, ভ্রমণের খরচ—সবই থাকে বৃত্তির আওতায়। আরেকটি জনপ্রিয় বৃত্তি হলো জাপান-বিশ্বব্যাংক বৃত্তি। এর মাধ্যমে মাস্টার্স, পিএইচডি ডিগ্রিসহ নানা প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল ও কাজের জন্য নানা ধরনের বৃত্তি ও আর্থিক প্রণোদনা পান। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক অফিসে ই-মেইল করে এসব বৃত্তি ও ফেলোশিপের সুযোগ সম্পর্কে জানা যাবে।
৩. বৃত্তির জন্য কী কী যোগ্যতা লাগে?
জাপানের পড়াশোনার পরিবেশ প্রতিযোগিতামূলক ও সৃজনশীল। জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে দুই সেমিস্টারে বিভিন্ন বৃত্তি ও ফেলোশিপ নিয়ে ভর্তি হওয়া যায়। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের পোস্ট ডক্টরাল ফেলো ডা. রেহনুমা হক। জাপানের কাগোশিমা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন তিনি। তিনি জানান, বৃত্তি পেতে হলে ভালো স্কোর থাকতে হবে, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী হতে হবে। মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়ার জন্য পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে। বৃত্তির জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সনদপত্রের পাশাপাশি ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস’, গবেষণা করতে কেন আগ্রহী—এসব নিয়ে অনুচ্ছেদ লিখতে হয়। এ ছাড়া আগের গবেষণার অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সনদও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়।
৪. জাপানের পড়াশোনা ও বিশ্ববিদ্যালয়জীবন কেমন?
গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক বৃত্তি হলো ‘এডিবি-জাপান স্কলারশিপ প্রোগ্রাম’। এশিয়া মহাদেশ ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে বৃত্তিটি দেয় জাপান ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। এই বৃত্তি নিয়ে পৃথিবীর অন্যতম সেরা প্রকৌশল বিদ্যাপীঠ টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়েছেন মাসরুফ হোসেন। তিনি বলেন, জাপানে পড়াশোনার পরিবেশ আলাদা। মেধার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পরিশ্রমকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা দিনরাত গবেষণা ও পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। ভবিষ্যতের উন্নত পৃথিবী গড়তে যত ধরনের গবেষণা হওয়া প্রয়োজন, সবকিছুই চলছে। জাপানের পড়াশোনার অন্যতম একটি দিক হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সম্পর্ক। একজন শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ে হাজারবার জানতে চাইলেও শিক্ষকেরা বিনা দ্বিধায় বুঝিয়ে দেন। রেহনুমা হক জানান, জাপান থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও গভীর পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ থাকে। জাপানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শিক্ষক ও গবেষক যুক্ত আছেন। তাই পড়াশোনার মান ও পরিবেশ গবেষণামুখী ও আধুনিক।
৫. জাপানে পড়তে হলে জাপানি ভাষা কি শিখতেই হয়?
জাপানি ভাষা জানলে স্বাভাবিকভাবেই সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পোস্টডক্টরাল রিসার্চার ড. ফেরদৌস আরা। তিনি তোহুকু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন ২০১৯ সালে। পরে পোস্টডক করেছেন আরও আড়াই বছর। তিনি বলেন, স্নাতক পড়ার সময় জাপানি ভাষা জানতে হবে। মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে ইংরেজি ভাষায় পাঠ্যক্রম থাকার কারণে জাপানি ভাষা না জানলেও খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয় না। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা শেখার সুযোগ অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই থাকে।
৬. জাপানে জীবনযাত্রার ব্যয় কেমন?
জাপানের শহরগুলোয় জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত। রেহনুমা হক বলেন, ‘জীবনযাত্রার ব্যয় অনেকটা বাংলাদেশের মতোই। তবে অনেক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা আছে। জাপানে বৃত্তি নিয়ে পড়ার সময় আমরা নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি।’ মাসরুফ হোসেন বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য আমি নানা সংস্কৃতি ও পরিবেশের মানুষের সঙ্গে মিশেছি। জাপানের পরিবেশ ও জীবনযাত্রা অন্য অনেক দেশের চেয়ে উন্নত। জাপানিদের পেশাদার আচরণ ও মূল্যবোধ অনুকরণীয়। কাজের সঙ্গে তাদের কোনো আপস নেই। যেকোনো ক্ষেত্রে জাপানিরা অনেক ভদ্র। সামাজিক আচরণগুলোকে তারা সম্মান দেয় অনেক বেশি।’
৭. কেউ বৃত্তি ছাড়া পড়তে চাইলে খরচ কেমন?
জাপানের পড়াশোনার জন্য টিউশন ফি একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একেক রকম। বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ডলার থেকে ফি শুরু হয়। বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে ন্যূনতম ৮ হাজার ডলার ফি নেওয়া হয়। জাপানে বৃত্তি ছাড়া পড়ারও সুযোগ আছে। সে ক্ষেত্রে স্বাভাবিক খরচের সঙ্গে প্রতি সেমিস্টারে ৫ লাখ ৩২ হাজার ইয়েনের (প্রায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার টাকা) মতো ফি যুক্ত হয়।
৮. ঘরে বসে কীভাবে জাপানি ভাষা শিখতে পারি?
জাপানি ভাষা শেখার নানা সুযোগ আছে। ফেরদৌস আরা বলেন, অনলাইনে জাপানি ভাষা শেখার সুযোগ আছে। ইউটিউবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষা শেখানোর প্ল্যাটফর্ম থেকে যে কেউ জাপানি ভাষা শিখতে পারেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শিক্ষা ইনস্টিটিউট থেকেও শেখা যায়। ইংরেজি ভাষার দক্ষতা সনদ আইইএলটিএসের মতো জেএলপিটি (জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি টেস্ট) দেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশে আছে
৯. পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়?
যায়। জাপানি ভাষা জানলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সহজ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষণাগার ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে কাজের সুযোগ থাকে। ফেরদৌস আরা জানান, জাপানে কাজের পরিবেশ অনেক পেশাদার। সময়ানুবর্তিতা ও পেশাদার আচরণ সব সময় গুরুত্ব পায়। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে সাধারণত ২৮ ঘণ্টার মতো কাজের সুযোগ পান।
১০. জাপানে পড়ালেখা করে সে দেশে চাকরির সুযোগ কেমন?
জাপানে উচ্চশিক্ষা শেষে বর্তমানে ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট হিসেবে কাজ করছেন হ. ইমাম। তিনি জানান, ‘বাংলাদেশের শিক্ষার্থী বা গবেষকদের জাপানে চাকরির নানা সুযোগ আছে। জাপানি ভাষা জানলে সুযোগ বেশি। বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোয় কাজ করতে পারেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান, গবেষণাগার, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেন অনেকে। জাপানি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণাগারে বাংলাদেশিরা যোগ দিচ্ছেন। আবার অনেক শিক্ষার্থী সনি, টয়োটা, হিটাচিসহ নামী প্রতিষ্ঠানেও চাকরি করেন। জাপান থেকে সরাসরি ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে যাচ্ছেন অনেক শিক্ষার্থী।

আয়ারল্যান্ডে বৃত্তির সুযোগ, আবেদন ১০ অক্টোবরের মধ্যে।ইউরোপের অন্যতম দেশ আয়ারল্যান্ডের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও অনেক সুনাম আ...
09/10/2024

আয়ারল্যান্ডে বৃত্তির সুযোগ, আবেদন ১০ অক্টোবরের মধ্যে।
ইউরোপের অন্যতম দেশ আয়ারল্যান্ডের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও অনেক সুনাম আছে। দেশটির সরকারের ‘পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ প্রোগ্রাম’ বৃত্তিটি বিদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ করে দেয়।
🔰সুযোগ-সুবিধা-
পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ প্রোগ্রামে কেউ নির্বাচিত হলে তাঁর টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। শিক্ষার্থীরা বছরে খরচ বাবদ ২২ হাজার ইউরো পাবেন। আর গবেষণা বাবদ পাবেন ৩ হাজার ২৫০ ইউরো।
🛑শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনগুলো-
ট্রিনিটি কলেজ, আটলান্টিক টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি, মুনস্টার টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি, ডুনডাক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ডাবলিন সিটি ইউনিভার্সিটি, ডাবলিন ডেন্টাল হসপিটাল, কোলাইস্ট মুইরে মারিনো, ম্যারি ইমাকুলেট কলেজ, মাইনথ ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন।
🌀পড়াশোনার বিষয় কী কী???
ইঞ্জিনিয়ারিং, হিউম্যানিটিজ ও আর্টস বিজনেস, আইন, ন্যাচারাল সায়েন্স, হেলথ সায়েন্স, জেনারেল সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স।
♻️প্রয়োজনীয় নথিপত্র-
✔️পাসপোর্টের কপি
✔️সার্টিফিকেট
✔️রিকমেন্ডেশন লেটার
✔️ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সার্টিফিকেট
✔️রিসার্চ প্রপোজাল
✔️সুপারভাইজার ফরম
✔️স্টেটমেন্ট অব পারপাস।
❗আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ অক্টোবর।

ইতালিতে উচ্চশিক্ষা: স্কলারশিপ, খণ্ডকালীন চাকরিসহ আছে ‘১৫০ ওরে’র সুযোগ।🔷ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ইতালিতে আছে বিশ্বের প্রাচী...
09/10/2024

ইতালিতে উচ্চশিক্ষা: স্কলারশিপ, খণ্ডকালীন চাকরিসহ আছে ‘১৫০ ওরে’র সুযোগ।
🔷ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ইতালিতে আছে বিশ্বের প্রাচীনতম সব বিশ্ববিদ্যালয়। সময়ের বিবর্তনে পুরোনো শিক্ষাব্যবস্থার ক্রমাগত উন্নয়নের পটভূমিতে এগুলোয় জমেছে শত বছরের ঐতিহ্য। বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষা কারিকুলাম ও স্কলারদের অভিজাত ফোরামগুলোতে সুপরিচিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। কিউএস ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিংয়ে থাকা বিদ্যাপীঠগুলো হলো পলিটেকনিকো ডি মিলানো (১২৩), স্যাপিয়েঞ্জা ইউনিভার্সিটি অব রোম (১৩৪) ও ইউনিভার্সিটি অব বোলোগনা (১৫৪)।
❇️গ্লোবাল পিইও (প্রফেশনাল এমপ্লয়ার অর্গানাইজেশন) সার্ভিসেস ও ফোর্বসের মতে, ইউরোপ অর্থনীতিতে তৃতীয় এবং গোটা বিশ্বে নবম বৃহত্তম দেশ ইতালি। সেই সূত্রে ইন্টার্নশিপ, অন দ্য জব ট্রেনিং ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের মতো পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে দেশটিতে। চলুন ইতালিতে পড়াশোনার জন্য আবেদন পদ্ধতি, স্টুডেন্ট ভিসা, স্কলারশিপসহ বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
♻️ইতালির শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় কোনগুলো-
পলিটেকনিকো ডি মিলানো, স্যাপিয়েঞ্জা ইউনিভার্সিটি অব রোম, ইউনিভার্সিটি অব বোলোগনা, ইউনিভার্সিটি অব পাডুয়া, পলিটেকনিকো ডি তুরিনো, ইউনিভার্সিটি অব মিলানো, ইউনিভার্সিটি অব নেপলস ফেদেরিকো-২, ইউনিভার্সিটি অব পিসা, ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরেন্স ও ইউনিভার্সিটি অব তুরিনো।
🌀জনপ্রিয় কয়েকটি বিষয়-
চারুকলা, ফ্যাশন ডিজাইন, ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা, সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক, হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম, মেডিসিন, কম্পিউটার সায়েন্স, অর্থনীতি, ফিন্যান্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ইত্যাদি।
🛑আবেদনের উপায়-
অন্য শেনজেন দেশগুলোর মতো ইতালিও শিক্ষা ক্ষেত্রে দুই সেমিস্টার পদ্ধতি মেনে চলে। প্রথম ভর্তি মৌসুমটি পরিচিত ফল ইনটেক নামে, যার আবেদন কার্যক্রম শুরু হয় নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে। এপ্রিল থেকেজুলাইয়ের মধ্যে যাবতীয় আবেদন শেষে কোর্স শুরু হয় সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বা অক্টোবরের শুরুতে। এই সময়টিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সর্বাধিক সংখ্যক কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি হন।
স্প্রিং নামের অপর ইনটেকটিতে আবেদন নেওয়া হয় জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে। এগুলোর সময়সীমা থাকে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর। ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ভর্তি শেষ করে কোর্স শুরু হয়।
এখানে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য পৃথকভাবে তাদের নিজস্ব ওয়েব পোর্টালে আবেদন করতে হয়। আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, খরচসহ সুনির্দিষ্ট ডেডলাইনগুলো ওয়েবসাইটে বিস্তারিত উল্লেখ থাকে। এখানে খেয়াল রাখা উচিত যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু একটি বিষয়ে আবেদন জমা দেওয়া যায়।
🔰* আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
✅ অনলাইনে পূরণ করা পূর্ণ আবেদনপত্র
✅ একটি বৈধ পাসপোর্ট
✅ বিগত শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি
✅ স্নাতক প্রোগ্রামের জন্য হাইস্কুল ডিপ্লোমা বা সমতুল্য সনদ এবং একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
✅ স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের জন্য স্নাতকের সনদ ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
✅ ডক্টরাল প্রোগ্রামের জন্য স্নাতকোত্তরের সনদ ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
✅ ভাষার দক্ষতা পরীক্ষার ন্যূনতম স্কোর
✅ আইইএলটিএসে ৬ বা টোয়েফল আইবিটিতে ৫৯
✅ মাস্টার্সের জন্য আইইএলটিএস স্কোর ৬ দশমিক ৫ কিংবা টোয়েফল আইবিটি ৭৯
✅ পিএইচডির জন্য আইইএলটিএস স্কোর ৭ বা টোয়েফল আইবিটি ৯৬
✅ অধ্যয়ন ফি পরিশোধের রশিদ: তিন কিস্তির ন্যূনতম এক কিস্তি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি প্রায় ১২০ ও ১৮০ ইউরোর মধ্যে থাকে, যা ১৫ হাজার ৮৬২ থেকে ২৩ হাজার ৭৯৩ টাকার (১ ইউরো = ১৩২ দশমিক ১৮ বাংলাদেশি টাকা) সমতূল্য।
✅ সিভি
✅ স্টেটমেন্ট অব পারপাস
✅ একাধিক মোটিভেশন লেটার
✅ মেডিকেল সার্টিফিকেট ও স্বাস্থ্যবিমা
✅ জিম্যাট বা জিআরই পরীক্ষার ফলাফল (মাস্টার্সের জন্য)
✅ পোর্টফোলিও: সৃজনশীল ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জন্য
✅ গবেষণা প্রস্তাব: পিএইচডির জন্য
✅ যাঁর অধীন গবেষণা করা হচ্ছে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য এবং শিক্ষার্থীর গবেষণার তত্ত্বাবধান করবেন এই মর্মে একটি সম্মতিপত্র
✅প্রাসঙ্গিক পাবলিকেশনের সারাংশ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
✅কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ, নির্বাচিত কিছু প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে
✅ বিশ্ববিদ্যালয়, কোর্স ও প্রোগ্রাম বিশেষে আরও কিছু দরকারি কাগজ দিতে হতে পারে।
💸* ইতালিতে স্কলারশিপের সুবিধা কেমন??
শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার জন্য ব্যয়বহুল শহরগুলোতেই থাকতে হয়। এ ক্ষেত্রে সামগ্রিক খরচের চাপ সামলানোতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে স্কলারশিপ। লিপস্কলারের মতে, ইতালির সর্বোচ্চ পর্যায়ের স্কলারশিপগুলো নিম্নরূপ-
১. ইতালির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয়ের গভর্নমেন্ট স্কলারশিপে স্নাতক, মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য প্রতিবছর ৯ হাজার ইউরো মেলে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এটি প্রায় ১১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৪৬ টাকার সমান।
২. ইউনিভার্সিটি অব বোলোগনার ইন্টারন্যাশনাল ট্যালেন্টস অ্যাট ইউনিবো স্কলারশিপ দেয় ৪ হাজার ৫০০ ইউরো এবং সম্পূর্ণ পড়াশোনার ফি মওকুফ।
৩. ইউনিভার্সিটি অব মিলানো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিলেন্স স্কলারশিপ প্রোগ্রাম শুধু মাস্টার্সের জন্য। এ বৃত্তিতে মেলে প্রতিবছর সর্বমোট আট হাজার ইউরো।
৪. স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব পাডুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাডুয়া ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স স্কলারশিপ। এটিও প্রতিবছর বরাদ্দ দেয় আট হাজার ইউরো।
শেনজেনের প্রসিদ্ধ স্কলারশিপ ইএমজেএমডি (ইরাসমাস মুন্ডাস জয়েন্ট মাস্টার ডিগ্রি)। এটি ফুড ইনোভেশন অ্যান্ড প্রডাক্ট ডিজাইন বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ বহন করে। এ ছাড়া এর আওতায় রয়েছে সম্পূর্ণ বিমা, যাতায়াত, ইতালিতে পৌঁছার পরপরই প্রাথমিক সেটেল হওয়ার খরচ ।

মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইউনিভার্সিটি অফ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (MBZUAI), আবুধাবি, UAE-এর ২০২৫ সালের স্কলারশিপ একটি বিশেষ ...
09/10/2024

মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইউনিভার্সিটি অফ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (MBZUAI), আবুধাবি, UAE-এর ২০২৫ সালের স্কলারশিপ একটি বিশেষ সুযোগ প্রদান করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রতি আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য। এটি বিভিন্ন একাডেমিক প্রোগ্রাম কভার করে, যা মাস্টার্স এবং পিএইচডি স্তরে গবেষণা উন্নয়নে সহায়তা করে। নিচে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
🔰প্রোগ্রামসমূহ:
MBZUAI নিম্নলিখিত ডিগ্রি প্রোগ্রামগুলো অফার করে:
1. মাস্টার অফ সায়েন্স (MSc):
★মেশিন লার্নিং
★কম্পিউটার ভিশন
★ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
2. পিএইচডি:
★মেশিন লার্নিং
★কম্পিউটার ভিশন
★ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
✅স্কলারশিপের সুবিধাসমূহ:
MBZUAI একটি পূর্ণ স্কলারশিপ প্রদান করে, যার মধ্যে রয়েছে:
★পূর্ণ টিউশন ফি
★মাসিক ভাতা:
★MSc শিক্ষার্থীদের জন্য: প্রতি মাসে AED ৮,০০০
★পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য: প্রতি মাসে AED ১০,০০০
★আবাসন: ক্যাম্পাসে বিনামূল্যে আবাসনের ব্যবস্থা।
★স্বাস্থ্য বীমা: শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণ স্বাস্থ্য বীমা।
★বার্ষিক ভ্রমণ ভাতা: আবুধাবি থেকে আসা এবং ফেরত যাওয়ার বিমান ভাড়া কভার।
★অন্যান্য সুবিধা: উন্নত গবেষণা সুবিধা এবং উচ্চ পর্যায়ের গবেষকদের সাথে কাজের সুযোগ।
📜যোগ্যতার শর্তাবলী:
★একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড: ভাল একাডেমিক রেকর্ড থাকা প্রয়োজন। MSc এর জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি এবং পিএইচডি এর জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি আবশ্যক।
★ইংরেজি দক্ষতা: TOEFL বা IELTS এর মাধ্যমে ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ।
★GRE স্কোর: বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে ভালো।
★গবেষণা অভিজ্ঞতা: বিশেষত পিএইচডি প্রার্থীদের জন্য পূর্বের গবেষণা অভিজ্ঞতা এবং প্রকাশনা থাকা সুবিধাজনক।
📍আবেদনপত্রের প্রয়োজনীয়তা:
1. পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্র: MBZUAI এর অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইন আবেদন।
2. স্টেটমেন্ট অফ পারপাস: আবেদন করার কারণ, গবেষণার আগ্রহ এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা।
3. সিভি (CV): একাডেমিক এবং গবেষণা অভিজ্ঞতার বিবরণ।
4. সুপারিশ পত্র: কমপক্ষে ২টি একাডেমিক বা পেশাগত সুপারিশ পত্র।
5. একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট: পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে।
6. ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষা: TOEFL বা IELTS স্কোর।
7. GRE স্কোর (ঐচ্ছিক): থাকলে আবেদনপত্রের গুণগত মান উন্নত হবে।
8. পাসপোর্টের কপি: পরিচয় প্রমাণ।
📝আবেদন প্রক্রিয়া:
1. আবেদন জমা: MBZUAI এর অনলাইন আবেদন পোর্টালের মাধ্যমে।
2. সংক্ষিপ্ত তালিকা: প্রার্থীদের একাডেমিক মেধা, গবেষণার সম্ভাবনা এবং MBZUAI এর প্রোগ্রামের সাথে সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়।
3. সাক্ষাৎকার: সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের অনলাইন সাক্ষাৎকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।
4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: সফল প্রার্থীদের অফার লেটার এবং পরবর্তী ধাপগুলির বিবরণ প্রদান করা হয়।
📅২০২৫ সালের জন্য আবেদন টাইমলাইন:
আবেদন শুরুর তারিখ: সাধারণত অক্টোবর/নভেম্বর ২০২৪।
ডেডলাইন: ১৫ জানুয়ারী,২০২৫।
ভর্তি ফলাফল: জুন ২০২৫ এর মধ্যে।
ক্লাস শুরু: সেপ্টেম্বর ২০২৫।
🖥️কিভাবে আবেদন করবেন:
আপনাকে MBZUAI এর অফিসিয়াল পোর্টাল এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে: MBZUAI অ্যাডমিশন পোর্টাল।
কেন MBZUAI বেছে নেবেন?
1. বিশ্বমানের শিক্ষকগণ: আপনাকে বৈশ্বিক AI নেতাদের দ্বারা পাঠদান করা হবে।
2. গবেষণার সুযোগ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বশেষ গবেষণা প্রকল্পগুলিতে কাজ করার সুযোগ।
3. শিল্প সংযোগ: UAE এবং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি কোম্পানির সাথে মজবুত সম্পর্ক যা নেটওয়ার্কিং এবং ক্যারিয়ার সুযোগ প্রদান করে।
4. বহুজাতিক শিক্ষার্থী পরিবেশ: MBZUAI এর প্রোগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
এই স্কলারশিপ আপনাকে AI এর ক্ষেত্রে অগ্রসর হওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ প্রদান করে, এবং সম্পূর্ণ আর্থিক সহায়তার ফলে MBZUAI আপনার জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে।

বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর করুন সুইজারল্যান্ডে, থাকছে ১৬ লাখ টাকাইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ...
09/10/2024

বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর করুন সুইজারল্যান্ডে, থাকছে ১৬ লাখ টাকা

ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় হলো ইটিএইচ জুরিখ ইউনিভার্সিটি। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্নাতকোত্তরে অধ্যায়নের সুযোগ দিচ্ছে এ ইউনিভার্সিটি। “ইটিএইচ জুরিখ এক্সিলেন্স স্কলারশিপ”-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ প্রদান করা হবে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ০১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত চলমান থাকবে।
ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় হলো ইটিএইচ জুরিখ ইউনিভার্সিটি। ইটিএইচ জুরিখ, সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। একে মাঝে মাঝে Swiss Federal Institute of Technology নামে ডাকা হয়। এর মূল জার্মান নাম হচ্ছে Eidgenössische Technische Hochschule Zürich (ETHZ)। এই প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক, শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তরের অধিভুক্ত।
বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায় এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি করার উদ্দেশ্য ১৮৫৪ সালে সুইস ফেডারেল গভর্নমেন্ট এটি তৈরি করে। যার প্রধান লক্ষ্য ইঞ্জিনিয়ার এবং বিজ্ঞানীদেরকে এক্সিলেন্স ইন সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির ন্যাশনাল সেন্টার হিসেবে শিক্ষা প্রদান করা। বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের মুক্তমনা চিন্তাকে সমর্থন এবং উদ্যোক্তা মনোভাবকে উৎসাহিত করে।
🔰সুযোগ-সুবিধাঃ-
* সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান ।
* জীবনযাপন ও অধ্যয়নের খরচ বাবদ প্রতি সেমিস্টারে CHF 12,000 সুইস ফ্রাঙ্ক (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ৯৪৮ টাকা) ।
* টিউশন ফি ওয়েভার।
মাস্টার্স প্রোগ্রামের (তিন বা চার সেমিস্টার) নিয়মিত সময়ের জন্য স্কলারশিপ প্রদান করা হয়।
🔰যোগ্যতাসমূহঃ-
* স্নাতক ডিগ্রীধারী হতে হবে।
* একাডেমিক ফলাফল হতে হবে।
* আবেদনকারীকে মাস্টার্সের থিসিসের বিষয়ের ওপর প্রপোজাল জমা দিতে হবে।
* যদি কোনো শিক্ষার্থী আগে এই অ্যাওয়ার্ড নিয়ে থাকেন কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী হন তাহলে আবেদনের জন্য অযোগ্য
বলে বিবেচিত হবেন।
* ইংরেজি কিংবা জার্মান ভাষা জানতে হবে।

🔰প্রয়োজনীয় নথিপত্রঃ-
* একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট।
* অ্যাপ্লিকেশন ফরম।
* সিভি, পাসপোর্টের কপি।
* রিসার্চ প্রপোজাল।
* মোটিভেশন লেটার।
* রেফারেন্স লেটার।
* ভাষা দক্ষতার সার্টিফিকেট।
* ম্যাট্রিকুলেশন সার্টিফিকেট।

🔰বাছাই প্রক্রিয়াঃ-
প্রথমেই আবেদনপত্রগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপ্রক্রিয়া কমিটি দ্বারা বাছাই করা হবে। সাধারণত ফান্ডের উপর ভিত্তি করে বার্ষিক শিক্ষাবৃত্তিগুলো দেয়া হয়ে থাকে। আপনার সিজিপিএ, আর্থিক অবস্থাসহ সবকিছু বিবেচনা করে এক্সিলেন্স মাস্টার্স স্কলারশিপ প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সাথে যোগাযোগ করা হয়।
🔰আবেদন প্রক্রিয়াঃ-
অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

আবেদন করতে এবং স্কলারশিপটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন প্রথম কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কে :

আইইএলটিএস ছাড়া পড়াশোনা করা যায় যে ১০ দেশেউচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমান। অ...
09/10/2024

আইইএলটিএস ছাড়া পড়াশোনা করা যায় যে ১০ দেশে
উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমান। অনেকেরই বিদেশে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার স্বপ্ন থাকে। উচ্চমাধ্যমিকের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা এই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। তবে এই স্বপ্নের পথে শুরুতেই বাধা হয়ে দাঁড়ায় আইইএলটিএসের স্কোর। যদিও একটু চেষ্টা করলে এই বাধা অতিক্রম করা যায়। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বাড়তি চাপ।
তবে বিশ্বে বেশ কিছু দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আইইএলটিএসের প্রয়োজন হয় না। টাইমস অব ইন্ডিয়া এমন ১০টি দেশ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও চীনে আইইএলটিএস ছাড়াই উচ্চশিক্ষা নেওয়া যায়।
জার্মানি
উচ্চশিক্ষায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জার্মানি বেশ পছন্দের একটি দেশ। শিক্ষার উচ্চমান ও টিউশন ফি কম হওয়ার কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীরা এই দেশে পড়তে যেতে চান। এই দেশে পড়াশোনার জন্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইইএলটিএস লাগে না। তবে টোয়েফল বা দেশটির নিজস্ব ভাষাদক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়।
ফ্রান্স
নিজস্ব সংস্কৃতি ও বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থার কারণে পড়াশোনার জন্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে ফ্রান্স বেশ জনপ্রিয় একটি দেশ। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ দেয়। দক্ষতার প্রমাণের জন্য ডিইএলএফ বা ডিএএলএফ দিতে হয়।
অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় বৈচিত্র্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক পরিবেশ ও শিক্ষার উচ্চমান আছে। অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য এই দেশটি বেছে নেন। এই দেশটিতে পড়াশোনার জন্য আইইএলটিএসের প্রয়োজন হয় না। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ইংরেজি ভাষার বিকল্প পরীক্ষা যেমন পিটিই অ্যাকাডেমিক বা ক্যামব্রিজ ইংরেজি পরীক্ষা দিতে হয়।
কানাডা
বিশ্বের নানা দেশ থেকে প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী কানাডায় পড়াশোনা করতে যান। দেশটিতে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ ও শিক্ষার উচ্চমান আছে। কাডানার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই আইইএলটিএসের প্রয়োজন হয় না। তবে এর বিকল্প হিসেবে টোয়েফল, পিটিই অ্যাকাডেমিক বা ভাষাদক্ষতার অন্যান্য পরীক্ষার স্কোর দরকার হয়।
নিউজিল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড পড়াশোনা করতে গেলে আইইএলটিএস বাধ্যতামূলক নয়। যাঁদের আইইএলটিএস স্কোর নেই, তাঁদের ভাষাদক্ষতার অন্যান্য পরীক্ষার স্কোর থাকলে আবেদন করা যায়।
সিঙ্গাপুর
সিঙ্গাপুরে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা চালু থাকায় বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য এই দেশটি বেছে নেন। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আইইএলটিএসের পরিবর্তে ভাষাদক্ষতার বিকল্প পরীক্ষা বা তাদের নিজস্ব ভাষাদক্ষতার টেস্ট গ্রহণ করে।
মালয়েশিয়া
আইইএলটিএস স্কোর বাধ্যতামূলক না থাকায় উচ্চশিক্ষার জন্য বেশ জনপ্রিয় দেশ মালয়েশিয়া। এ ছাড়া দেশটিতে পড়াশোনার খরচও কম। আইইএলটিএস বাধ্যতামূলক না হলেও দেশটিতে পড়াশোনার জন্য ইংরেজি ভাষাদক্ষতার বিকল্প কোনো পরীক্ষার স্কোর দরকার হয়।
দক্ষিণ কোরিয়া
নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সাংস্কৃতির কর্মকাণ্ডের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া বহুল পরিচিত একটি দেশ। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য আইইএলটিএস না থাকলে ইংরেজি ভাষাদক্ষতার বিকল্প পরীক্ষার স্কোর বা তাদের নিজস্ব ভাষাদক্ষতা পরীক্ষার স্কোর গ্রহণ করে।
জাপান
যেসব বিদেশি শিক্ষার্থীর আইইএলটিএস স্কোর নেই, তাঁদেরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয় জাপান। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এমন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষাদক্ষতার বিকল্প পরীক্ষার স্কোর বা নির্ধারিত অন্য কোনো পরীক্ষার স্কোর গ্রহণ করে।
চীন
দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ চীনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সুযোগ আছে। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইইএলটিএস স্কোরের ক্ষেত্রে শিথিলতা আছে। এর বিকল্প হিসেবে ইংরেজি ভাষাদক্ষতার বিকল্প পরীক্ষার স্কোর বা তাদের নিজস্ব ভাষাদক্ষতার স্কোরের প্রয়োজন হয়।

জাপানে ইউনিভার্সিটি অফ টোকিও এডিবি স্কলারশিপ ২০২৫ (সম্পূর্ণ অর্থায়ন)📢🚨🔰টোকিও ইউনিভার্সিটি জাপান এবং বিশ্বের সবচেয়ে উচ্...
09/10/2024

জাপানে ইউনিভার্সিটি অফ টোকিও এডিবি স্কলারশিপ ২০২৫ (সম্পূর্ণ অর্থায়ন)📢🚨
🔰টোকিও ইউনিভার্সিটি জাপান এবং বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চ সম্মানিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে একটি। আপনি যদি টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত স্কলারশিপে পড়াশোনা করতে চান তাহলে টোকিও ADB স্কলারশিপ ২০২৫-এর জন্য আবেদন করুন। ADB জাপান স্কলারশিপ প্রোগ্রামটি ADB এর সদস্য দেশগুলির নাগরিকদের জন্য ২-বছরের ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স বৃত্তি প্রদান করে। বিভিন্ন স্কুল এবং বিভাগ রয়েছে যেখানে আপনি আবেদন করতে এবং ADB বৃত্তি পেতে পারেন (নীচে তালিকাভুক্ত)। ADB স্কলারশিপের জন্য কোন আবেদন ফি নেই, এবং স্কলারশিপ প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ সময়কালের জন্য সমস্ত খরচ কভার করে। টোকিও এডিবি স্কলারশিপ ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আরও বিশদ নীচে দেওয়া হয়েছে👇
🔰টোকিও ADB স্কলারশিপ ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বিস্তারিত
🚩আয়োজক দেশ: জাপান
🏛️বিশ্ববিদ্যালয়: টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
🎓ডিগ্রি স্তর: স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
💵বৃত্তি কভারেজ: সম্পূর্ণ অর্থায়িত
🗓️শেষ তারিখ: জানুয়ারি, জুন, নভেম্বর, ডিসেম্বর (প্রতিটি বিভাগের সময়সীমা রয়েছে)
🔰টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ADB স্কলারশিপ দ্বারা আচ্ছাদিত ক্ষেত্রগুলি
✅সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
🔸সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্টে মাস্টার্স
✅আরবান ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
🔸আরবান ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স
✅এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ বিভাগ
🔸এনভায়রনমেন্ট স্টাডিজে মাস্টার্স
🔸ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজে মাস্টার্স
🔸টেকসই বিজ্ঞানে মাস্টার
✅স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল হেল্থ
🔸স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে মাস্টার (আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য)
✅গ্রাজুয়েট স্কুল অফ পাবলিক পলিসি
🔸পাবলিক পলিসি, আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামের মাস্টার
🔰আর্থিক সুবিধা (ADB স্কলারশিপ কি কভার করে?)
✅সম্পূর্ণ টিউশন ফি
✅একটি মাসিক জীবিকা এবং হাউজিং ভাতা
✅বই এবং শিক্ষামূলক উপকরণের জন্য একটি ভাতা
✅চিকিৎসা বীমা
✅বিমান ভাড়া ভ্রমণ খরচ
✅কোন আবেদন ফি নেই
🔰স্কলারশিপের মেয়াদ কত?
✅মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য বৃত্তি সর্বোচ্চ সময়কাল দুই (2) বছর।
🔰যোগ্যতার মানদণ্ড
✅ADB স্কলারশিপ প্রোগ্রামের জন্য মনোনীত হতে প্রার্থীদের উচিত:
🔸একটি ADB সদস্য দেশের একজন নাগরিক হতে হবে
🔸টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মনোনীত হতে হবে।
🔸কমপক্ষে দুই বছরের পূর্ণকালীন পেশাদার কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
🔸আবেদনের সময় বয়স 35 বছরের বেশি হবে না।
🔸স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন শেষ করার পরে কমপক্ষে দুই বছর তার দেশে ফিরে যেতে এবং কাজ করতে সম্মত হতে হবে।
🔸টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে।
🔰প্রয়োজনীয় নথিপত্র
✅আবেদনপত্র
✅অধ্যয়ন এবং গবেষণা
✅অফিসিয়াল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
✅স্নাতকের অফিসিয়াল সার্টিফিকেট
✅দুটি রিকমেন্ডেশন লেটার।
🔰টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ADB স্কলারশিপ ২০২৫ এর জন্য কীভাবে আবেদন করবেন?
✅ধাপ 1: ADB-JSP দ্বারা সেট করা আপনার যোগ্যতা পরীক্ষা করুন
https://www.adb.org/wor.../careers/japan-scholarship-program (একাডেমিক ইনস্টিটিউটের তালিকায় ক্লিক করুন, জাপানের জন্য দেখুন, তারপর নিচে স্ক্রোল করুন এবং টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজুন)।
✅ধাপ 2: আপনি তত্ত্বাবধানে থাকতে চান এমন ফ্যাকাল্টি সদস্যদের খুঁজুন।
https://www.k.u-tokyo.ac.jp/en/gsfs/faculty
✅ধাপ 3: সময়সীমার আগে অ্যাপ্লিকেশন সামগ্রী আপলোড করুন।
✅ধাপ 4: শুধুমাত্র সফল প্রার্থীদের ADB স্কলারশিপ আবেদনের জন্য নথি জমা দিতে হবে।
✅ধাপ 5: ADB-JSP ফলাফল সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়কে অবহিত করবে।
✅ধাপ 6: স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে জাপানে প্রবেশ করুন (সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে)।
🌐অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লিংক 👇
https://www.k.u-tokyo.ac.jp/.../foreign_research.../adb_jsp/

ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেতে কী করবেন?  আপনি যদি বৃত্তি নিয়ে এক বছরের জন্য স্নাতকোত্তর পড়তে দেশের বাইরে যেতে চান, প্রক্রিয়...
09/10/2024

ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেতে কী করবেন?
আপনি যদি বৃত্তি নিয়ে এক বছরের জন্য স্নাতকোত্তর পড়তে দেশের বাইরে যেতে চান, প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে প্রায় এক বছর আগে থেকে। কারণ, বৃত্তির খবরগুলো সাধারণত আসে প্রতিবছর নভেম্বর মাসে। আর ক্লাস শুরু হয় পরের বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহে। নভেম্বরে আবেদন শুরু হচ্ছে, তাই ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণের পরীক্ষা (আইইএলটিএস, টোয়েফল, জিআরই ইত্যাদি) দিয়ে ফেলতে হবে এর আগেই। ইউরোপের জন্য আইইএলটিএস আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আইইএলটিএসের পাশাপাশি জিআরইও প্রয়োজন হয়। আইইএলটিএস স্কোর ন্যূনতম ৬.৫ হলে ভালো, তবে বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে স্কোর ৭ হলে সম্ভাবনা আরও বাড়ে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ৭ চায়, সঙ্গে আলাদা করে রাইটিং মডিউলেও ৭ থাকতে হয়।
যুক্তরাজ্যে পড়ার জন্য কমনওয়েলথ ও শিভনিং স্কলারশিপ, যুক্তরাষ্ট্রে ফুল ব্রাইট, সুইডেনে সুইডিশ একাডেমি, ইতালি ও ফ্রান্সে ইরাসমাস মুন্ডাস কিংবা এডিবি-জাপান উল্লেখযোগ্য। বৃত্তিসংক্রান্ত খবরাখবর পাওয়া যায়, এমন বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবসাইটেও নিয়মিত বৃত্তির খবর পাওয়া যায়। এ ছাড়া অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও নানা রকম বৃত্তি দেয়, তবে সেগুলো বেশির ভাগই শুধু টিউশন ফি মওকুফের জন্য। পূর্ণ বৃত্তি পেলে পুরো বেতন, থাকা-খাওয়ার ভাতা, চিকিৎসা বিমা ও বিমানে আসা-যাওয়ার টিকিট, এমনকি ভিসা আবেদনের খরচসহ সবই স্কলারশিপ কর্তৃপক্ষ বহন করে।
বৃত্তির জন্য আবেদনের আগে নিজের পছন্দমতো বিষয়ের ওপর ভর্তির ‘অফার লেটার’ পেতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিষয় নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত এ ধরনের স্কলারশিপের ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা লাগে। আপনার কাজের ধরনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ, এমন বিষয়ে ভর্তির আবেদন করলে সেটা গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়। আবার শুধু কাজই দেখালে হবে না, সেই বিষয়ের ওপর আপনার এক বা একাধিক গবেষণাপত্র ছাপা থাকলে আবেদনপত্র আরও জোরালো হয়। গবেষণাপত্র কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার আগ্রহকে প্রমাণ করে।
আরেকটু সহজ করি। আমার ক্ষেত্রে যেমন, আমি আইনের ছাত্র। ইংল্যান্ডে ২০টির বেশি আলাদা বিষয়ের ওপর আইনে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ আছে। আমার মানবাধিকার বিষয়ে বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্র আছে, তাই আমি পড়ার জন্য মানবাধিকার বিষয়েই আবেদন করেছিলাম।
দেশে স্নাতক-স্নাতকোত্তরে ভালো সিজিপিএ থাকলে ভালো, তবে মাঝামাঝি মানের ফল নিয়েও অনেকে বৃত্তি পাচ্ছে। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের ফল বিবেচনায় আনা হয় না। অনেকেরই ধারণা, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে হয়তো পূর্ণ বৃত্তি পাওয়া সম্ভব নয়। এই ধারণা ভুল। আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, এটা বিবেচনা করা হয় না। আমি নিজেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম।
তবে আইইএলটিএসের ভালো স্কোর, স্নাতক বা স্নাতকোত্তরে ভালো ফল, কাজের অভিজ্ঞতা আর নিজের আগ্রহের বিষয়ের ওপর গবেষণাপত্র থাকার পরও আরেকটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো—সহশিক্ষা কার্যক্রমে (এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ) আপনার অংশগ্রহণ। এ ধরনের কাজ বা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ এমন হতে হবে, যার মাধ্যমে ফুটে উঠবে আপনার নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি। তারপর লাগবে দু-তিনজন শিক্ষকের ‘রেফারেন্স লেটার’।
প্রায় সব বৃত্তির আবেদনেই বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। বিশেষ করে কেন আপনি বৃত্তির জন্য নিজেকে যোগ্য মনে করছেন, আপনার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা কী ইত্যাদি। আপনার সম্পর্কে এক হাজার শব্দে লিখতেও হতে পারে। এই লেখাগুলো বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। মনে রাখতে হবে, পূর্ণ বৃত্তি পাওয়া কোনোভাবেই ভাগ্যের জোরে হয় না। আপনার যোগ্যতাই এখানে একমাত্র মাপকাঠি। সারা পৃথিবী থেকে পাঠানো হাজার হাজার আবেদনপত্র থেকে প্রতিটি যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিত করা হয় চূড়ান্ত প্রার্থীকে।

Address

Tongi
1700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Millat Higher Education Help Line posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category