30/12/2025
আমাদের সকলের প্রিয় দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। আজ সকাল ৬টায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বাহিরটা থাকুক অক্ষত। ভেতরটা যাই থাকুক, একান্ত ব্যাক্তিগত।
BG: O+
🇺🇲🇧🇩
30/12/2025
আমাদের সকলের প্রিয় দেশনেত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। আজ সকাল ৬টায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
18/10/2025
প্যাটার্নটা খেয়াল করেন।
চিটাগাং ইপিজেড-এ আগু'ন লাগলো যেখানে আমাদের এক্সপোর্ট এর পণ্যগুলো বাইরে পাঠানোর জন্য প্রসেসিং হয়। এটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো বৈদেশিক রিজার্ভের ঘাটতি দেখা দিবে।
আজকে আগু'ন লাগলো এয়ারপোর্টের ইম্পোর্ট কার্গো ভিলেজে। যেখানে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে আনা পণ্য স্টোর করা হয়। সেই পণ্য পু'ড়ে ছা'ই। এখানেও বৈদেশিক রিজার্ভের মারাত্মক ক্ষতি। তার উপরে যদি ইম্পোর্টেড কাঁচামাল পুড়ে যায়, তাহলে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে পড়বে।
দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং পণ্যের অপ্রতুলতা দেখা দিবে। দেশে নৈ'রাজ্য সৃষ্টি হবে।
এসময়টা হওয়া উচিত ছিল ঐক্য ও সংহতির। দেশ পুনর্গঠনের। অথচ আমরা চললাম বিভক্তি আর সব বাদে নির্বাচনের রাস্তায়।
আল্লাহই ভালো জানেন সামনে কি আছে।
29/09/2025
তারে কেউ নির্বাচনের জন্য ডাকছে?
আব্বার কাছে জানতে চাইলাম, ছেলেরে একটা সরকারি চাকরিতে ঢোকানোর জন্য আজকালকার বাপেরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে। আমার জন্য তুমি কী করছো?
আব্বা বলল, সার্টিফিকেটে তোর বয়স দুই বছর কমিয়ে দিছি!
ফেমিলি নিয়ে লং ডেরাইভে আসছি। আমি আবার গাড়ি চালানোর সময় কথা বলিনা। বাচ্চারা বগর বগর করে। আমার বিত্যাক্ত লাগে। কিন্তু বিদেশে বাপ মা হওয়া এত সোজা না। চাইলেই ধমক দেয়া যায়না। আজকে আমাদের টপিক আছেলে গ্যাস্টিক নিয়ে। বাচ্চারা কোথাত্থেকে জানি এই রোগের নাম শিখে আসছে।
পরে তাদেরকে লাইভ গ্যাস্টিকের এস্পেরিয়েন্স দিতে নিয়ে গেলাম নজরুল বাঙালির দোকানে। যত বাসি খানা, আজেবাজে খানা, পঁচাগান্দা সব নজরুল বাটপারের কাছে পাওয়া যায়। আমরা ওয়াডার দিলাম সিংগারা। বাচ্চাদেরকে বললাম, তোমাদের বাংলাদেশি চাচ্চুরা অফিসে বসে এগুলা খায়। ঘরে ভাত রান্দার লোক নাই। ভাতের সংকট। কর্পোরেটে যারা চাকরি করে, দেখবা সবার পেট ফুলা ফুলা। কিন্তু তফাত আছে। তোমাদের কামরুজ্জামান চাচ্চুর পেটের ভিতর যেমন শুধু চবরি আর পানি। অন্যদিকে বাংলাদেশি চাচ্চুদের পেটের ভিতর শুধু গ্যাস আর গ্যাস। কারণ এরা বেশিরভাগই সিংগারা চমোচা অথবা কলা রুটি খেয়ে দিন কাটায়। নিজে কিছু খায়না ঠিকমত। সেই টাকা দিয়ে পরিবারের জন্য বাজার করে।
ছেলেরা এটা শুনে অবাক। তারপর দুইজনকেই সিংগারা খাওয়াইলাম। নিজেও একটা খাইলাম। তারপরে সারা রাস্তা আমাদের বুক জ্বালাপোড়া করছে। বাচ্চাদেরকে জিজ্ঞাস করলাম গ্যাস্টিক কেমন লাগে? বাচ্চারা বলতেছে, এটা একটা নতুন এস্পেরিয়েন্স। ভালো লেগেছে ইনশাল্লাহ। সুযোগ পেলে একবারের জন্য হলেও বাংলাদেশে যেতে চায়।
মাশাল্লাহ আমার ছেলেগুলা একদম বাপের মত হয়েছে। সন্তানরা বাবার মত হলে ভালো। যে সন্তান তার মায়ের মত হয়, সেই সন্তানের ভবিষ্যত নাই।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, টুইন টাওয়ার ট্রাজেডির সময় চারটা যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিলো:─── (১) প্রথমে American Airlines Flight 11 এর Boeing 767-223ER সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে। (২) এর মাত্র ১৭ মিনিট পর, সকাল ৯টা ০৩ মিনিটে United Airlines Flight 175 এর Boeing 767-222 আঘাত হানে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সাউথ টাওয়ারে। (৩) এরপর সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে American Airlines Flight 77 এর Boeing 757-223 আঘাত হানে ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে। (৪) ওদিকে সকাল ১০টা ০৩ মিনিটে United Airlines Flight 93 এর Boeing 757-222 পেনসিলভেনিয়ার একটা মাঠে বিধ্বস্ত হয়।
টুইন টাওয়ারে যেই বিমান আঘাত হেনেছিলো সেগুলো ছিলো বোয়িং-এর পুরোনো ভার্সন Boeing 767—যেগুলার গতি ও ভার আধুনিক বিমানগুলোর তুলনায় অনেকটাই কম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে টাওয়ারটাতে আঘাত হানার মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পুরো ভবনই ধ্বসে পড়ে তাও আবার খুব নিখুঁতভাবে। টুইন টাওয়ারের পাশাপাশি ৪৭-তলার আরেকটা ভবন ছিলো ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিল্ডিং ৭ (WTC 7) নামের। এটাতে তো বিমানের কোনো আঘাতই লাগেনি তবুও বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ করেই ধ্বসে পড়ে এটা। রিপোর্টে বলা হয়েছিলো আগুনের কারণে ধ্বসে গিয়েছিলো। বাট্ বিশ্লেষকদের দাবি অনুযায়ী, শুধু মাত্র আগুনের কারণে স্টিল ফ্রেমের এতো বড় ভবন পুরোপুরিই এভাবে ভেঙে পড়ার কথা না।
অন্যদিকে Air India Flight 171–এর Boeing 787 Dreamliner— বোয়িং 767 এর তুলনায় অনেক বড়,
ভারি, নতুন প্রজন্মের হাই-স্পিড, হাই-পাওয়ার এয়ারক্রাফট। গত ২২ জুন ভারতের আহমাদাবাদে একটা স্কুলের উপর বিধ্বস্ত হয়েছিলো এটা। স্কুলের ভবন ছিলো মাত্র দু’তলা তাও আবার কংক্রিটের ভবন। এতো হাই-পাওয়ার এয়ারক্রাফট হওয়ার পরও ভবনটা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিতে পারে নাই। অথচ টুইন টাওয়ার ছিলো স্টিল ফ্রেমড—তখনকার ইঞ্জিনিয়ারিং দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ও ফায়ারপ্রুফ ভবনের একটি হিসাবে ধরা হতো এটাকে।
সেদিনের সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছিলো যে, বিমানের জ্বালানির আগুন ও তাপের কারণে স্টিলের কাঠামো দুর্বল হয়ে যায়, যার ফলে আস্তে আস্তে পুরো টাওয়ারটাই ধসে পড়ে। কিন্তু প্রকৌশলীদের দাবি অনুযায়ী— টাওয়ারগুলো এত দ্রুত, এত নিখুঁতভাবে 'ফ্রি-ফল স্টাইলে' ধ্বসে পড়া সম্ভব না। টুইন টাওয়ারের ডিজাইনই এমনভাবে করা হয়েছিলো যাতে বড় ধরনের আঘাত সামলাতে পারে। প্রত্যেকটা টাওয়ারে ব্যবহার করা হয়েছিলো হাজার টনের বেশি স্টিল এবং উন্নত ফায়ারপ্রুফিং।
তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সরকার কোনো প্রকার শক্ত প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছে যে, "৯/১১ এর ঘটনায় সরাসরি জড়িত AQ—সংগঠনটির ১৯ জন সদস্যের চারটা গ্রুপ তাদের চারটা যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে। এর মধ্যে দুটি বিমান নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে, একটি ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে এবং একটি পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রায় ৩,০০০ মানুষ নি/হত হন। আর AQ—এর সর্বোচ্চ নেতা UBL শায়েখই ছিলেন এই পরিকল্পনার মূল হোতা।"
তবে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য, ও সাক্ষ-প্রমাণে কিন্তু পরিস্কার ভাবে এটাই বুঝা যায় যে, UBL শায়েখ এই ট্রাজেডির সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন। কারণ:───প্রথমতঃ আমেরিকার মতো দেশের সবচেয়ে অত্যাধুনিক "প্রযুক্তি-প্রাচীর" ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে এতো বড় হামলা পরিচালনা করার মতো প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ তখন UBL শায়েখের হাতে ছিলো না।
তা ছাড়া সে সময় UBL শায়েখ দীর্ঘ দিন যাবত ত|লেব|ন সরকারের সর্বপ্রকার যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন আর দেশ হিসেবে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগ|নিস্ত|নের অবস্থা তো এতোই শোচনীয় ছিলো যে, বিদ্যুতের অভাবে রাতের কাবুলও তখন অন্ধকারে ডুবে থাকতো। মোটকথা ব্যক্তি
উস|ম| বা রাষ্ট্র আফগ|নিস্ত|ন কারো পক্ষেই তখন সম্ভব ছিলো না আমেরিকার মতো দেশের হৃৎপিণ্ডে এতো বড় হামলা এতো নিখুঁত ভাবে পরিচালনা করা। এটা এমন কোনো রাষ্ট্রশক্তির পক্ষেই সম্ভব ছিলো-প্রয়োজনীয় অর্থ, অস্ত্র, মেধা ও প্রযুক্তি এ সবকিছুই যার আছে।
দ্বিতীয়তঃ তখনকার মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাই তথ্য প্রকাশ করেছিলো যে, এই সুপরিকল্পিত হামলার পিছনে ই%সর|ইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোস|দের হাত থাকতে পারে। ভয়াবহ ট্রাজেডিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসযজ্ঞে যেখানে সেদিন পাঁচ শতাধিক মুসলিম নিখোঁজ হয়েছেন সেখানে আহত বা নিহতদের তালিকায় কোনো ই/হু%দীর নাম নাই। কারণ ট্রেড সেন্টারে কাজ করা চার হাজার ই/হু/দির মধ্যে একজনও সেদিন কর্মস্থলে যায় নাই। আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, সেদিন ই%সর|ইলী প্রধানমন্ত্রীর নিউ ইয়র্কের ই/হু%দী সংস্থার একটা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রের পরামর্শের ভিত্তিতে সেদিন ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি সে।
তৃতীয়তঃ টুইন টাওয়ার বিধ্বস্ত হওয়ার পর পর টাওয়ারের নিকটবর্তী একটা ভবন থেকে ছয় জন ই%সর|ইলী ই%হু/দীকে আটক করেছিলো এফ বি আই গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। যারা গোপনে শুরু থেকেই হামলায় ধ্বসে পড়া টাওয়ারের ভিডিও রেকর্ড করছিলো।
চতুর্থতঃ এই ঘটনার পর আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা বিমান ছিনতাইকারী হিসেবে যে ঊনিশ জনের নাম প্রকাশ করেছিলো পরবর্তীতে দেখা গেছে তাদের কয়েকজন বহাল তবিয়তে সৌদি এয়ার লাইন্সে কর্মরত ছিলেন। অথচ এতো বড় ট্রাজেডি করার পর সেখান থেকে আবার বেঁচে ফিরবে এটাতো একেবারেই অসম্ভব!!
#9/11
#911
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, টুইন টাওয়ার ট্রাজেডির সময় চারটা যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিলো:─── (১) প্রথমে American Airlines Flight 11 এর Boeing 767-223ER সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে। (২) এর মাত্র ১৭ মিনিট পর, সকাল ৯টা ০৩ মিনিটে United Airlines Flight 175 এর Boeing 767-222 আঘাত হানে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সাউথ টাওয়ারে। (৩) এরপর সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে American Airlines Flight 77 এর Boeing 757-223 আঘাত হানে ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে। (৪) ওদিকে সকাল ১০টা ০৩ মিনিটে United Airlines Flight 93 এর Boeing 757-222 পেনসিলভেনিয়ার একটা মাঠে বিধ্বস্ত হয়।
টুইন টাওয়ারে যেই বিমান আঘাত হেনেছিলো সেগুলো ছিলো বোয়িং-এর পুরোনো ভার্সন Boeing 767—যেগুলার গতি ও ভার আধুনিক বিমানগুলোর তুলনায় অনেকটাই কম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে টাওয়ারটাতে আঘাত হানার মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পুরো ভবনই ধ্বসে পড়ে তাও আবার খুব নিখুঁতভাবে। টুইন টাওয়ারের পাশাপাশি ৪৭-তলার আরেকটা ভবন ছিলো ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিল্ডিং ৭ (WTC 7) নামের। এটাতে তো বিমানের কোনো আঘাতই লাগেনি তবুও বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ করেই ধ্বসে পড়ে এটা। রিপোর্টে বলা হয়েছিলো আগুনের কারণে ধ্বসে গিয়েছিলো। বাট্ বিশ্লেষকদের দাবি অনুযায়ী, শুধু মাত্র আগুনের কারণে স্টিল ফ্রেমের এতো বড় ভবন পুরোপুরিই এভাবে ভেঙে পড়ার কথা না।
অন্যদিকে Air India Flight 171–এর Boeing 787 Dreamliner— বোয়িং 767 এর তুলনায় অনেক বড়,
ভারি, নতুন প্রজন্মের হাই-স্পিড, হাই-পাওয়ার এয়ারক্রাফট। গত ২২ জুন ভারতের আহমাদাবাদে একটা স্কুলের উপর বিধ্বস্ত হয়েছিলো এটা। স্কুলের ভবন ছিলো মাত্র দু’তলা তাও আবার কংক্রিটের ভবন। এতো হাই-পাওয়ার এয়ারক্রাফট হওয়ার পরও ভবনটা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিতে পারে নাই। অথচ টুইন টাওয়ার ছিলো স্টিল ফ্রেমড—তখনকার ইঞ্জিনিয়ারিং দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ও ফায়ারপ্রুফ ভবনের একটি হিসাবে ধরা হতো এটাকে।
সেদিনের সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছিলো যে, বিমানের জ্বালানির আগুন ও তাপের কারণে স্টিলের কাঠামো দুর্বল হয়ে যায়, যার ফলে আস্তে আস্তে পুরো টাওয়ারটাই ধসে পড়ে। কিন্তু প্রকৌশলীদের দাবি অনুযায়ী— টাওয়ারগুলো এত দ্রুত, এত নিখুঁতভাবে 'ফ্রি-ফল স্টাইলে' ধ্বসে পড়া সম্ভব না। টুইন টাওয়ারের ডিজাইনই এমনভাবে করা হয়েছিলো যাতে বড় ধরনের আঘাত সামলাতে পারে। প্রত্যেকটা টাওয়ারে ব্যবহার করা হয়েছিলো হাজার টনের বেশি স্টিল এবং উন্নত ফায়ারপ্রুফিং।
তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সরকার কোনো প্রকার শক্ত প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছে যে, "৯/১১ এর ঘটনায় সরাসরি জড়িত AQ—সংগঠনটির ১৯ জন সদস্যের চারটা গ্রুপ তাদের চারটা যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে। এর মধ্যে দুটি বিমান নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে, একটি ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে এবং একটি পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রায় ৩,০০০ মানুষ নি/হত হন। আর AQ—এর সর্বোচ্চ নেতা UBL শায়েখই ছিলেন এই পরিকল্পনার মূল হোতা।"
তবে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য, ও সাক্ষ-প্রমাণে কিন্তু পরিস্কার ভাবে এটাই বুঝা যায় যে, UBL শায়েখ এই ট্রাজেডির সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন। কারণ:───প্রথমতঃ আমেরিকার মতো দেশের সবচেয়ে অত্যাধুনিক "প্রযুক্তি-প্রাচীর" ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে এতো বড় হামলা পরিচালনা করার মতো প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ তখন UBL শায়েখের হাতে ছিলো না।
তা ছাড়া সে সময় UBL শায়েখ দীর্ঘ দিন যাবত ত|লেব|ন সরকারের সর্বপ্রকার যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন আর দেশ হিসেবে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগ|নিস্ত|নের অবস্থা তো এতোই শোচনীয় ছিলো যে, বিদ্যুতের অভাবে রাতের কাবুলও তখন অন্ধকারে ডুবে থাকতো। মোটকথা ব্যক্তি
উস|ম| বা রাষ্ট্র আফগ|নিস্ত|ন কারো পক্ষেই তখন সম্ভব ছিলো না আমেরিকার মতো দেশের হৃৎপিণ্ডে এতো বড় হামলা এতো নিখুঁত ভাবে পরিচালনা করা। এটা এমন কোনো রাষ্ট্রশক্তির পক্ষেই সম্ভব ছিলো-প্রয়োজনীয় অর্থ, অস্ত্র, মেধা ও প্রযুক্তি এ সবকিছুই যার আছে।
দ্বিতীয়তঃ তখনকার মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাই তথ্য প্রকাশ করেছিলো যে, এই সুপরিকল্পিত হামলার পিছনে ই%সর|ইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোস|দের হাত থাকতে পারে। ভয়াবহ ট্রাজেডিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসযজ্ঞে যেখানে সেদিন পাঁচ শতাধিক মুসলিম নিখোঁজ হয়েছেন সেখানে আহত বা নিহতদের তালিকায় কোনো ই/হু%দীর নাম নাই। কারণ ট্রেড সেন্টারে কাজ করা চার হাজার ই/হু/দির মধ্যে একজনও সেদিন কর্মস্থলে যায় নাই। আরো আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, সেদিন ই%সর|ইলী প্রধানমন্ত্রীর নিউ ইয়র্কের ই/হু%দী সংস্থার একটা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রের পরামর্শের ভিত্তিতে সেদিন ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি সে।
তৃতীয়তঃ টুইন টাওয়ার বিধ্বস্ত হওয়ার পর পর টাওয়ারের নিকটবর্তী একটা ভবন থেকে ছয় জন ই%সর|ইলী ই%হু/দীকে আটক করেছিলো এফ বি আই গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। যারা গোপনে শুরু থেকেই হামলায় ধ্বসে পড়া টাওয়ারের ভিডিও রেকর্ড করছিলো।
চতুর্থতঃ এই ঘটনার পর আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা বিমান ছিনতাইকারী হিসেবে যে ঊনিশ জনের নাম প্রকাশ করেছিলো পরবর্তীতে দেখা গেছে তাদের কয়েকজন বহাল তবিয়তে সৌদি এয়ার লাইন্সে কর্মরত ছিলেন। অথচ এতো বড় ট্রাজেডি করার পর সেখান থেকে আবার বেঁচে ফিরবে এটাতো একেবারেই অসম্ভব!!
28/08/2025
EB-3 ভিসায় আবেদন করে USA তে গ্রিন কার্ড
EB-3 আনস্কিলড ক্যাটেগরিতে আপনি USA তে আসার 3 থেকে 5 Years মধ্যে গ্রিন কার্ড পেতে পারবেন।
তবে পুরো প্রক্রিয়া এখন তিন থেকে পাঁচ বছর সময় নিচ্ছে, যেখানে COVID-19 এর আগে এই প্রক্রিয়া ২-৩ বছরের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যেত।
যেমন পরিবার পিটিশনের মাধ্যমে আপনি ইমিগ্রেন্ট ভিসায় গ্রিন কার্ড পাবেন, ঠিক তেমন EB-3 ভিসায় আপনার এমপ্লয়ার USA থেকে আপনাকে ফরেন ওয়ার্কার হিসেবে হায়ার করে নিয়ে আসবে।
EB-3 ভিসার ডিনাইয়াল প্রায় অসম্ভব, ঠিক যেমন পরিবার পিটিশনে ভিসার ডিনাইয়াল প্রায় অসম্ভব।
EB-3 আনস্কিলড ক্যাটেগরিতে আবেদন করতে আপনাকে ১৮ বছরের বেশি হতে হবে।
আপনার কোনো ক্রিমিনাল হিস্ট্রি থাকা যাবে না।
আপনার USA তে কোনো ইমিগ্রেশন ভায়োলেশন, অথবা ওভারস্টে করা যাবে না।
ম্যাক্সিমাম বয়সের কোনো লিমিট নেই কিন্তু আপনাকে শারীরিকভাবে মোটামুটি ফিট হতে হবে।
আপনি আপনার স্বামী/স্ত্রী এবং ২১ বছরের নিচে সন্তানদের সাথে USA তে আসতে পারবেন।
যখন দেশে ছিলাম তখন আমার এক কলিগের বাড়ি ছিলো নোয়াখালী। চিটাগাং থেকে আগে উনিও প্রায়ই মহান বিষ্যুদবার অফিস থেকে আর্লি লিভ নিয়ে বাড়ি যাইতেন। তো একবার বিকাল ৩/৪ টার দিকে বাসে উঠে ঘন্টাখানেক যাওয়ার পর ফেনীর কাছাকাছি গিয়ে ওনাদের বাস নষ্ট হয়ে গেলো। বাসের ড্রাইভার আর হেল্পার মিলে প্রায় দুই/তিন ঘন্টা মাথার ঘাম পায়ে ফেলেও বাস ঠিক করতে পারছিল না। এদিকে বাসে বসে থাকতে থাকতে ততক্ষণে বাসের যাত্রীদের নিচের মাল সব মাথায়! আর সহ্য করতে না পেরে এক যাত্রী বাসের ড্রাইভার আর হেল্পারকে উদ্দেশ্য করে বললো, "আইজ্জ্যা রাইতে যদি বাইত্ত্যে যাইতাম ন হারি, তাইলে তোগোর দুনোগারেই হুন্দাই দিয়্যুম!"
14/08/2025
ট্রাম্পের সংগে বিশেষ আলোচনা।
কিভাবে বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচন দেয়া যায় 🤭
13/08/2025
অনেকেই দেখি আরাকান এর জন্য আওয়াজ তুলছেন, এই উপলক্ষে একজন ব্যাক্তির সম্পর্কে আপনাদের জানাতে চাই।
আতাউল্লাহ্ আবু আম্মার আল জুনুনি, জন্ম ১৯৭৭ সাল, করাচীতে। তার পরিবার ছিল আমাদের নিকটবর্তী প্রতিবেশী রাখাইনের, যারা নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে পাকিস্তান চলে যায়। অত:পর তার শৈশব কাটে সৌদি আরবে। সেখানে ইসলামী শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে মক্কা ও রিয়াদে শিক্ষকতা করেন তখন থেকেই তিনি সেখানকার রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর, ২০১২ সালে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা শুরু হলে সৌদি আরব ত্যাগ করেন এবং রোহিঙ্গা প্রতিরোধ গঠন পরিকল্পনা করেন ।২০১৩ সালেই তিনি আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (ARSA) -এর নেতা হিসেবে যোগ দেন ।
International Crisis Group (ICG)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী , তিনি পাকিস্তানে ত|লেবানের অধীনে আধুনিক গে'রি'লা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, এবং সম্ভবত লিবিয়াতেও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয় ।
২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরে আতাউল্লাহ ARSA বিদ্রোহীদের বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে নিয়ে আসেন, যেখানে তারা বর্মী সীমান্তের পুলিশ পোস্টে হামলা করেন।
তার নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ২৫ শে আগস্ট আরেকটি মুখ্য হামলা হয়। সেখানে ৭১ জন শত্রুসেনা কে জাহান্নামে পাঠান আর/সা মু*জাহিদ রা।
বছরের পর বছর পাহাড়, জঙ্গল আর সীমান্তের আড়ালে থেকে তিনি লড়াই চালিয়ে গেছেন—কেউ তাঁকে স্বাধীনতার যোদ্ধা বলে, কেউ সন্ত্রাসী।
অবশেষে ২০২৫ সালের মার্চে নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশের র্যাবের হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। এখন তিনি শিকলে বাঁধা, কিন্তু তাঁর জীবনের গল্প রয়ে গেছে এক শরণার্থী সন্তানের, যে ইমামতি ছেড়ে অ°স্ত্র তুলে নিয়েছিল জাতির জন্য।
আমরা বলি গাজায় খাবার দরকার আর আরাকানে দরকার অ'স্ত্রে'র, অথচ অ°স্ত্র যারা পরিচালনা করবে তাদের কে আমাদের খলিফা ইউনুস আর তার বাহিনী ধরে জেলে পুড়ে রাখে।
আজকে ডানপন্থী হিপোক্রিট, যারা সকাল সন্ধ্যা ইউনুসের পূজা করে,তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, মার্চ করে করে আর ইউনুসের পূজা করে আর মুজাহিদীন দের জেলে পুড়ে কি আমেরিকান স্টাইলে আমাদের রোহিঙ্গা ভাইদের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা দিতে চাচ্ছে কিনা? নাহলে এরকম দুমুখো নীতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করার মানে কী?
©_ Sigbatullah Sami