09/09/2023
নিম্নে বর্ণিত আমল গুলো যথাযথ পালন করলে আপনার সন্তান আদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।লেখাটি নিজে পড়ে অন্যকে পড়তে সহযোগিতা করুন।
১/সন্তানের জন্য একজন উত্তম চরিত্রের উত্তম মা নির্বাচন করা।সেই ক্ষেত্রে দ্বীনদারিকে কে প্রাধান্য দেওয়া।[বোখারি ৫০৯০]
২/সন্তান জন্ম লাভের পর সর্বপ্রথম সন্তানের ডান কানে আজান ও বাম কানে ইকামত দেওয়া।[শুআবুল ইমান, হাদিস : ৮৬১৯]
৩/ তাহনিক করানো, অর্থাৎ নবজাতকের মুখে অল্প খেজুর চিবিয়ে নরম করে দেওয়া। খেজুর না থাকলে মিষ্টি দ্রব্যের মধ্যে মধু দেওয়া উত্তম। (সহিহ বুখারি, ২/৮২১)
৪/ নবজাতকের জন্য দোয়া করা এবং বরকত কামনা করা। [সহিহ বুখারি, হা. ২৮২১]
৫/সন্তান জন্মের সপ্তম দিন নবজাতকের উত্তম ও সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখা। [তিরমিজি ২/১১০]
৬/সন্তানের পুরো মাথার চুলের সমপরিমাণ ওজনের রৌপ্য সদকা করা।[মুয়াত্তা মালিক, ১৮৩৯]
৭/জন্মের সপ্তম দিন আকিকা করা। সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে চৌদ্দ তম দিনে অথবা একুশ তম দিনে আকিকা করা।[ আবু দাউদ : ২/৩৯২]
৮/সন্তান কে ঈমানের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া ও দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দেওয়া।সন্তানকে ইসলামের সঠিক শিক্ষা দেওয়া।সন্তান কে মাঝে মাঝে নিজের নিকটে নিয়ে এসে নসিহত করা। [সুরা তাহরিম: ৬]
৯/সন্তান কে যথাসময়ে সুন্নতে খৎনা করানো। [বোখারি ৫৮৮৯]
১০/সন্তান কে সাত বছর বয়সে নামাজের নির্দেশ করা এবং দশ বছর বয়সে নামাজ না পড়লে প্রহার করা ও বিছানা পৃথক করে দেওয়া।
১১/মো'আদ্দব শিক্ষকের নিকট সন্তানকে লেখাপড়া শিক্ষা দিন।
১২/সন্তানের উপযুক্ত বয়সে সন্তান ভালো চরিত্রবান পাত্রী দেখে বিবাহ দেওয়া। [বায়হাকী, হাদীস নং ৮২৯৯]
১৩/সন্তানের সামনে ঝগড়া ফ্যাসাদে লিপ্ত না হওয়া,সন্তানের সামনে কখনোই কোন ধরনের স্বামী স্ত্রী সূলভ আচরন না করা,সন্তান কার সাথে মিশছে ও বন্ধুত্ব করছে তা বিশেষভাবে খেয়াল রাখা,সন্তানের হাতে বিবাহের আগ পর্যন্ত বিশেষ প্রয়োজন ব্যাতিত মোবাইল ফোন না দেওয়া।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের সন্তানদের কে আদর্শ নেক সন্তান হিসেবে কবুল করুন আমিন।