PSC JSC SSC HSC suggestion

PSC JSC SSC HSC suggestion B.Sc in physics
M.Sc in physics

Video Upload Time
Morning - 09:00/10 am
Evening - 03:00/04 pm
Evening + Night - 7/8/9/10 pm
(1)

03/11/2025

#৮মশ্রেণিরসাজেশন২০২৫

class 8 super suggestion 2025 | Class 8 Suggestion 2025
02/11/2025

class 8 super suggestion 2025 | Class 8 Suggestion 2025

08/10/2025

৮ম শ্রেণির বৃত্তির আপডেট || Class 8 Exam 2025 || Class 8 Scholarship Update 2025

#৮মশ্রেণিরবৃত্তিরআপডেট fans

19/09/2025

🔥🔥১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শুধুমাত্র MCQ পদ্ধতিতেই অনুষ্ঠিত হবে।🔥🔥🔥

📝 পরীক্ষার ধরন:

General Knowledge (জেনারেল): ১০০ নাম্বার

Subject-based (সাবজেক্টিভ): ১০০ নাম্বার
➡️ মোট: ২০০ নাম্বার

⚡️ বিশেষ তথ্য:

এবার কোনো লিখিত পরীক্ষা থাকছে না।

পরীক্ষা হবে শুধু ২০০ নাম্বারের MCQ আকারে।

📌 সূত্র: ডেইলি ক্যাম্পাস

#শিক্ষকনিবন্ধন #শিক্ষকনিবন্ধনবিজ্ঞাপ্তি

আরবি-ফারসি বাদ দিলে বাংলা ভাষা হয়ে যাবে শ্রীহীন 🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥সন্ধেবেলা আরামকেদারায় বসে খবরের কাগজে নজর বোলাচ্ছিলাম। এমন সময়...
23/08/2025

আরবি-ফারসি বাদ দিলে
বাংলা ভাষা হয়ে যাবে শ্রীহীন
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
সন্ধেবেলা আরামকেদারায় বসে খবরের কাগজে নজর বোলাচ্ছিলাম। এমন সময় সদর দরজা থেকে জোরালো আওয়াজ এলো, "কলমচি বাবু, বাড়ি আছো নাকি ?"
জবাবে বললাম, "হ্যাঁ, মামা, আসুন।"

অন্দরমহল থেকে চা-নাশতা এলো। আয়েশ করে চা-নাশতা খেতে খেতে জমে উঠল দু'জনের আসর। কথায় কথায় বললাম, আচ্ছা, মামা, আপনি যে ওকালতি পেশার সঙ্গে যুক্ত, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক আরবি-ফারসি শব্দ। জানেন তো ?

- তাই নাকি ! যেমন ?
- আদালত দিয়ে শুরু করি ?
- মানে ?
- মানে 'আদালত' আরবি। 'শুরু'ও আরবি।
- আদালত আরবি, জানতাম। কিন্তু, শুরুটাও আরবি ?
- আজ্ঞে হ্যাঁ। তারপর ধরুন, আপনি উকিল। ওকালতি আপনার পেশা। এখানে 'উকিল', 'ওকালতি' আরবি। আর 'পেশা'টা ফারসি।
- জানতাম না তো !

- তারপর দেখুন, 'মামলা', 'মোকদ্দমা' দুটোই আরবি। এতে যারা আপনাদের সাহায্য নেয়, তাদের আপনারা বলেন মক্কেল। এই 'মক্কেল'ও আরবি। 'হাকিম', 'হুকুম', 'এজাহার', 'বয়ান', 'ফরমান', 'ফয়সালা' এমনকি বিচারপতির 'রায়' পর্যন্ত আরবি। আচ্ছা, আসামি শব্দটা কোন্ ভাষা থেকে এসেছে বলুন তো ?

- আসাম থেকে ?
- নাহ্। 'আসামি' আরবি। এই আসামি বা সাক্ষীদের আপনারা তো জেরা বা সওয়াল করেন, 'জেরা' আর 'সওয়াল'ও আরবি।
- আজব ব্যাপার তো !

- 'আজব'টাও আরবি। আপনি যে ভিতরে আসার আগে সদর দরজায় দাঁড়িয়ে, 'কলমচি বাবু, বাড়ি আছো নাকি' বলে আওয়াজ দিয়েছিলেন। এখানে 'আওয়াজ' ফারসি। 'সদর' আরবি। 'দরজা' ফারসি। কলমচির 'কলম' আরবি, 'চি' তুর্কি। আর 'বাবু' হলো ফারসি।
- বেশ আজব ব্যাপার তো !

- এই 'বেশ'টা ফারসি। 'আজিব' আরবি। আর আমি জবাব দিয়েছিলাম, হ্যাঁ মামা, আসুন। এখানে 'জবাব' আরবি, 'মামা' ফারসি। তারপর, আপনি এসে দেখলেন যে, আমি আরামকেদারায় বসে খবরকাগজে নজর বোলাচ্ছিলাম। এখানে 'আরাম' ও 'কেদারা' ফারসি এবং 'খবর', 'কাগজ' ও 'নজর' আরবি।

- তার মানে, আমরা রোজকার জীবনে যেসব কথা বলি, তার বেশিরভাগই আরবি, ফারসি ?

- আলবত। এই 'আলবত'টাও আরবি। এক্ষুনি আপনি যে বললেন, রোজকার জীবনে... বেশিরভাগই... এখানে 'রোজকার' ফারসি, বেশিভাগের 'বেশি'টা ফারসি।
- কী মুশকিল ! এতদিন জানতাম না তো !

- 'মুশকিল' আরবি হলেও শুধু শুধু মুশকিল হবে কেন ! একটু অভিধান ঘাঁটলেই মুশকিল আসান হয়ে যাবে। তখন জানতে পারবেন 'আসান'ও আরবি। আচ্ছা, মনে করে দেখুন তো, আপনি আসার পর অন্দরমহল থেকে চা-নাশতা পাঠানো হলো। এখানে 'অন্দর' ফারসি, 'মহল' আরবি। আর নাশতাটা ?

- নিশ্চয়ই ফারসি।

- বিলকুল ঠিকই বলেছেন। 'নাশতা' ফারসি। দেখুন এই 'বিলকুল' হলো আরবি। আচ্ছা, এরপর আমরা আয়েশ করে নাশতা খেতে খেতে আসর জমিয়ে দিলাম। তাই না ?
- তাই তো, এর মধ্যেও আরবি-ফারসি আছে নাকি ?

- অবশ্যই আছে। আরবি-ফারসি বাদ দিলে বাংলা ভাষা সাবলীল গতিতে চলতেই পারবে না যে ! দেখুন আরাম শব্দটা ফারসি, আগেই আমরা জেনেছি। এর জুড়ি যে 'আয়েশ', এটা আরবি। আসর জমানোর মধ্যে 'আসর' ও 'জমা' দুটোই আরবি। আরবিতে 'আশর' মানে দশ। দশজন মিলে যে মজলিস হয়, সেটাই হয়েছে আসর। এক্ষুনি যে 'মজলিস' বললাম, এটাও আরবি। 'জলসা', 'মহফিল' এগুলোও আরবি। অবশ্য কলকাতার বাবুরা মহফিলকে 'মাইফেল' (গানবাজনার আসর) বানিয়ে নিয়েছে !

- তার মানে, আরবি-ফারসি বাদ দিলে বাংলা অচল !
- তা আর বলতে ! এই যে আপনি বললেন, মানে, এই 'মানে' শব্দটাও আরবি। বাদ দিলে বললেন তো ! 'বাদ'ও আরবি। বাদ না বলে 'বাতিল' বললে সেটাও আরবি। 'রদ' করলেও আরবি। আচ্ছা মামা, আমরা ফের আদালতের রাস্তায় ফিরে যাই চলুন। আসামিকে মাঝে মাঝে তো পুলিশের হেফাজতে রাখতে হয়। তারপর জামিন, খালাস ইত্যাদি থাকে। এখানে 'হেফাজত', 'জামিন', 'খালাস'— তিনটিই আরবি। আর হ্যাঁ, 'ফের' ও 'ফেরা' আরবি এবং 'রাস্তা' ফারসি।

'রাস্তা'য় 'ফির'তে গেলেও আরবি-ফারসি !
- এখন তো দেখছি, আরবি-ফারসি ছাড়া কদম ফেলাই যাবে না !
- কী করে যাবে ! 'কদম' শব্দটাও তো আরবি। আরেকটা চমকপ্রদ তথ্য শুনুন, আমরা এই যে কথায় কথায় বাঙালি, বাংলা ইত্যাদি বলছি, এর 'বাংলা' শব্দটাই তো ফারসি !
- সে কী ! জানতাম না তো ! বাংলা শব্দটাও ফারসি। কী আশ্চর্য !

- আচ্ছা, বাংলা ভাষায় এত বেশি এবং এমন সব অপরিহার্য আরবি-ফারসি শব্দের স্বচ্ছন্দ ব্যবহার থেকে কী বোঝা যায় ? এটাই বোঝা যায় যে, বাংলা ভাষার পুষ্টিসাধন ও সৌন্দর্যায়নে বিদেশি ভাষার অনেক বেশি অবদান আছে।
- অনেক কিছু জানলাম, বাবা !

- 'বাবা' তুর্কি। 'কাকা' ফারসি। তাই তো বলছি: আমরা, মানে বাঙালিরা জাতি-ধর্ম-সাক্ষর-নিরক্ষর নির্বিশেষে, হাজার হাজার আরবি-ফারসি শব্দ অহরহ ব্যবহার করছি ('হাজার' ফারসি) । এগুলো আমাদের মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ ও পুষ্ট করার পাশাপাশি মোলায়েমও করেছে ('মোলায়েম' ফারসি)। এসব শব্দকে আমরা বাংলা করেই নিয়েছি। আরবি-ফারসি বাদ দিলে বাংলা ভাষা হয়ে যাবে শ্রীহীন!

লিখেছেন : অনল পাল

16/08/2025
BBC জানালা || ইংরেজি শেখার বই || সহজে ইংরেজি শিখুন             ানালা  #ইংরেজিশেখারবই
31/07/2025

BBC জানালা || ইংরেজি শেখার বই || সহজে ইংরেজি শিখুন ানালা #ইংরেজিশেখারবই

৯ম এবং ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞানের হ্যান্ডনোট  #পদার্থবিজ্ঞান
04/07/2025

৯ম এবং ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞানের হ্যান্ডনোট #পদার্থবিজ্ঞান

নিষ্ক্রিয় গ্যাস || চৌম্বক পদার্থ || মনে রাখার উপায় || মৌল মনে রাখা কৌশল  #নিষ্ক্রিয়গ্যাস  #চৌম্বক #মৌল                 T...
03/07/2025

নিষ্ক্রিয় গ্যাস || চৌম্বক পদার্থ || মনে রাখার উপায় || মৌল মনে রাখা কৌশল #নিষ্ক্রিয়গ্যাস #চৌম্বক
#মৌল Top Fans Aum

Science Tips and Tricks          #বিজ্ঞান
01/07/2025

Science Tips and Tricks #বিজ্ঞান

মুখস্থের ভয় দূর করতে মানতে পারেনএই নিয়মগুলো :ছোটবেলায় আমাদের কথা বলা শেখা, হাঁটতে শেখা, চারপাশের সব কিছুর নাম জানা থেক...
18/06/2025

মুখস্থের ভয় দূর করতে মানতে পারেন
এই নিয়মগুলো :

ছোটবেলায় আমাদের কথা বলা শেখা, হাঁটতে শেখা, চারপাশের সব কিছুর নাম জানা থেকে শুরু করে সব স্টেপই খুব গতানুগতিকভাবেই হয়েছিল। এই বিষয়গুলো শেখার জন্য আমাদের কিন্তু সেভাবে কষ্টের প্রয়োজন হয়নি। তেমনভাবে মুখস্থ করারও দরকার হয়নি।

তবে পড়ালেখার ক্ষেত্রে এই গতানুগতিক নিয়মটা আর কাজে লাগাতে পারি না আমরা। তখনই আশ্রয় নিতে হয় মুখস্থ বিদ্যার। আর এখানেই আমাদের যত দুর্বলতা। অনেক শিক্ষার্থীই এ দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে না পেরে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েন। পড়ালেখাটাই তখন অসহ্য হয়ে উঠে তাদের কাছে।

Advertisement

মানুষের মস্তিষ্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম, অন্যটি পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের আবার অনেক ভাগ। এর সঙ্গে রয়েছে নানা রকম কাজ। তার একটি হলো মেমোরি বা স্মৃতিশক্তি।

সবার স্মৃতিশক্তি এক নয়। যেসব ছাত্র কোনো একটি নতুন কনসেপ্ট খুব সহজেই উপলব্ধি করতে পারে কিংবা অল্প সময়ে মুখস্থ করতে পারে এবং এটির যথার্থ প্রয়োগ করতে পারে অবশ্যই এটি তাদের জন্য একটি বড় প্লাস পয়েন্ট।

সুতরাং আমাদের মনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগতে পারে দ্রুত মুখস্থ করার ক্ষমতা কি শুধু তাদের জন্যই বরাদ্দ, যারা আমাদের মাঝে খুব জিনিয়াস? তা হলে নিশ্চয়ই এটা বিধাতা প্রদত্ত তাদের জন্য উপহারস্বরূপ! তা হলে আমরা কেন শুধু শুধু দাঁতভাঙা টপিক্স নিয়ে মাথা ঘামিয়ে হা-হুতাশ করব?

এটি একটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। আমাদের মাঝে যে কেউ চাইলেই খুব দ্রুত কোনো টপিক্স খুব সহজেই মুখস্থ করে নিতে পারি কয়েকটি স্টেপ অনুসরণ করার মাধ্যমেই। চলুন জেনে নিই সহজে মুখস্থ করার ৫টি কৌশল…

১. সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদটি বারবার পড়ার ওপর জোর দেওয়া

আমাদের একটি বড্ড বাজে অভ্যাস রয়েছে, আমরা কী পড়লাম তার থেকে কতটুকু সময় পড়েছি তার ওপর বেশি জোর দিই। ধরা যাক— আজ সকালে উঠে আমি একটানা পাঁচ ঘণ্টা পড়েছি; কিন্তু আসলেই কি সম্ভব একটানা পাঁচ ঘণ্টা পড়া? টানা পাঁচ কেন দুই ঘণ্টাই মনোযোগ ধরে রাখা কিন্তু চাট্টিখানি কথা না! একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে পাঁচ ঘণ্টার মাঝে কতবার আমাদের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটেছে। হয়তো পড়ার মাঝেই আমাদের ফেসবুকের নোটিফিকেশন চেক করছি, মেইল চেক করছি কিংবা ইউটিউবে ঢুকে বসে আছি। এভাবে ২-৩ ঘণ্টা পড়ার পর ভাবছি আজ না জানি কত বেশি পড়ে ফেললাম। অথচ এই সময়টুকুতে যতটুকু পড়া যেত তা কিন্তু হয়নি।
কোনো টপিক শিখতে কত সময় পড়লাম সেটি কখনই মুখ্য বিষয় নয়, বরং টপিকটি আমি কয়বার ভালোভাবে বুঝে পড়েছি সেটাই মুখ্য বিষয়।

সুতরাং, পড়তে বসার সময় কোনো টপিক মুখস্থ করার জন্য কোনো নির্ধারিত সময় ফিক্সড না করে বরং টপিকটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত লাইন বাই লাইন কয়েকবার পড়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। একটা দাঁতভাঙা অনুচ্ছেদ প্রথমবার পুরোটা পড়লে যতটুকু কঠিন মনে হবে দ্বিতীয়বার পড়লে তুলনামূলক কম কঠিন মনে হবে। সুতরাং যতবার পুনরায় পড়া হবে, ততটাই সহজ মনে হবে।

২. অনুচ্ছেদটিকে ভেঙে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে পয়েন্ট আউট করে ফেলা

টপিকটি সম্পূর্ণ লাইন বাই লাইন পড়া হয়ে গেলে যেসব বাক্য দুর্বোধ্য, সেগুলো আন্ডারলাইন করে ফেলতে হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো বের করে নিয়ে আসতে হবে। একেকটি পয়েন্ট একটি শব্দ কিংবা একটি ছোট বাক্যের সমন্বয়ে তৈরি হতে পারে। পয়েন্ট আউট করাটা অবশ্যই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে করতে হবে যেন একবার পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই টপিক একটি বিশেষ অংশ মাথায় খেলা শুরু করে। অতঃপর পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করতে হবে।

৩. পয়েন্টগুলোর সমন্বয়ে একটি শেকল তৈরি করা

আমাদের কাছে এখন টপিকটির গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো রয়েছে। এখন খুব সহজেই প্রতিটি পয়েন্ট দেখেই বুঝে ফেলতে পারব কোনটি দিয়ে কী বোঝানো হচ্ছে, যদি অনুচ্ছেদটি ভালোভাবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়া হয়ে থাকে।
প্রতিটি পয়েন্ট মাথায় গেঁথে ফেলতে হবে এবং সুন্দর করে পয়েন্টগুলো ধারাবাহিকভাবে খাতায় টুকে ফেলতে হবে অনেকটা শেকলের মতো। যেন দেখলেই বুঝতে সহজ হয় কোন পয়েন্টটা আগে আসবে আর কোন পয়েন্টটা তারপরে আসবে। এখন সব পয়েন্টের মাধ্যমে খুব সহজেই সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদটিকে মাথায় গেঁথে নিতে পারব।

৪. মুখস্থ করার প্রক্রিয়াকে একটি নতুন খেলার মধ্যে আবদ্ধ করা

আমরা সবসময় পড়ালেখা থেকে খেলাধুলাকেই বেশি প্রাধান্য দিই। যদি পড়ালেখাটা কোনো আনন্দদায়ক খেলার মতো হতো তা হলে কিন্তু কয়েকবার সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদটি পড়ে ফেলতাম। একজন কবিতাপ্রেমী মানুষ একটি কবিতা বারবার পড়ার পরও বিরক্ত হবেন না কিংবা একজন গানপ্রিয় মানুষ সারা দিন গান শুনলেও কিন্তু বিরক্ত হবেন না। কারণ এগুলোর মাঝে তারা আনন্দ খুঁজে পায়। কিন্তু পড়ালেখার মাঝে এই আনন্দ খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর; তার ওপর যদি হয় দাঁতভাঙা কোনো টপিক তাহলে তো মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। উপরের পয়েন্টগুলো সঠিক বাস্তবায়নের জন্য আমরা মুখস্থ করার প্রক্রিয়াকে একটি নতুন খেলার মাঝে নিয়ে আসব। খেলাটি হবে এমন— আমরা কিছু নিয়ম দেব খেলাটির এবং খেলা শেষে নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করব। কোনো কিছু দ্রুত মুখস্থ করার জন্য প্রয়োজন একটি ফ্রেশ মস্তিষ্কের।

ধরি আজকে এই কঠিন টপিকটি মুখস্থ করব এবং তারপর একটি মুভি দেখব কিংবা বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাব। নিয়মটি হবে এমন— আমি যদি মুখস্থ করতে না পারি তাহলে আমি ঘুরতে যাব না। এতটুকু সংকল্প নিজের মাঝে আনতে পারলে সম্পূর্ণ ব্যাপারটি তখন খেলার মতো মনে হবে। আবার খেয়াল করলে দেখা যাবে বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার জন্য আমরা ঠিকই কঠিন টপিকটি খুব সহজেই মুখস্থ করে ফেলছি এবং সময়ও খুব কম লাগছে।

সঠিক নিয়মে পড়াশোনা করে তৈরি করুন আপনার কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট অর্জন করার পথ। আজই এনরোল করে শিখুন পড়াশোনা করার নিয়ম, পড়ালেখা রুটিন তৈরি এবং পড়াশোনা মনে রাখার উপায়।

৫. আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ কখন দিতে পারব তা বের করা

বর্তমান প্রজন্ম অনেকটাই রাত জেগে পড়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। কিন্তু গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, রাত জেগে পড়া তুলনামূলক কম কার্যকর। কোনো কিছু দ্রুত মুখস্থ করার জন্য প্রয়োজন একটি ফ্রেশ মস্তিষ্কের।

মস্তিষ্ক সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর সবচেয়ে বেশি ক্লিন থাকে; তখন আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়ার মতো ক্ষমতা তৈরি হয়। বিকালবেলা পড়ালেখাটা এক কথায় অস্বস্তিকর, তার ওপর যদি হয় মুখস্থবিদ্যার প্রয়োগ তাহলে তো মাথা বিগড়ে যাওয়ার কথা।

সুতরাং মুখস্থবিদ্যা প্রয়োগের জন্য উপযুক্ত সময় নির্ধারণ খুব জরুরি। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে সময়টা এক রকম নাও হতে পারে। অতঃপর পড়া শুরু করার অনেকটুকু সময় পর যখন দেখব মুখস্থ করার কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে, তখন স্বল্প সময়ের একটি ব্রেক দেব, ব্রেকের পর আবার পড়তে বসব। একটানা লম্বা সময় ধরে পড়ার তুলনায় ব্রেক দিয়ে পড়ালেখা বেশি কার্যকর।

ওপরের পাঁচটি ধাপকে অভ্যাসের মাঝে নিয়ে আসতে পারলে খুব সহজেই আমাদের মাঝে মুখস্থবিদ্যার ভয়কে জয় করে পড়ালেখাটাকে উপভোগ্য করে তোলা যাবে।

টিপস মুখস্থ বিদ্যা কৌশল


#টিপসমুখস্থবিদ্যাকৌশল #মুখস্থবিদ্যাকৌশল

Address

Tongi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PSC JSC SSC HSC suggestion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to PSC JSC SSC HSC suggestion:

Shortcuts

Share

Category