09/12/2025
#আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন করতে পারেন।
৫০% বোনাস ও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট রয়েছে।
Dr. Abubakar Muhammad Zakaria is a well Known Renowned Islamic Scholar of Bangladesh. He has a Ph.D.
09/12/2025
#আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন করতে পারেন।
৫০% বোনাস ও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট রয়েছে।
মুসলিম আলেমগণের বিভিন্ন যুগে শিয়া (রাফেযী) সম্প্রদায় সম্পর্কে করা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য নিচে উল্লেখ করা হলো, যেখানে তারা শিয়া রাফেযীদের ক্ষতিকর দিকসমূহ বর্ণনা করেছেন এবং ইহুদি-নাসারাদের চেয়েও তাদের বিপদজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন:
১. ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) — “📗আর্-রদ্দু ‘আলা যানাদিকা ওয়াল জাহমিয়্যাহ” গ্রন্থে উদ্ধৃত:
“আমি এমন কোনো জাতি দেখিনি যারা ইসলাম সম্পর্কে রাফেযীদের মতো এতটা বিদ্বেষ পোষণ করে। তারা প্রতিটি যুগে ও স্থানে ইহুদি ও নাসারাদের সহায়ক হয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।”
২. ইমাম আল-আজুরী (রহিমাহুল্লাহ) — “📗আশ-শরী‘আহ” গ্রন্থে বলেন:
“যে ব্যক্তি রাফেযী মতবাদ প্রকাশ করে, সে নিজেকে উম্মতের জন্য একটি মারাত্মক বিপদে পরিণত করে। তারা সবচেয়ে বিপজ্জনক ফিরকা; কারণ তারা বাহ্যত ইসলাম প্রদর্শন করে, কিন্তু অন্তরে ইসলামকে শত্রুতা করে।”
৩. ইমাম ইবনু হাযম আল-আন্দালুসি (রহিমাহুল্লাহ) — “📗আল-ফাসল ফিল মিলাল ওয়ান নিহাল” গ্রন্থে বলেন:
“আমরা এমন কোনো বিদআতী সম্প্রদায়কে জানি না, যারা ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য তাদের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর, কিংবা যারা শরীয়ত ও এর বিধান ধ্বংসে এতটা অগ্রগামী।”
৪. ক্বাযী আবু বকর আল-বাকিলানি (রহিমাহুল্লাহ) — “📗আত্-তামহীদ” গ্রন্থে বলেন:
“রাফেযীরা ধর্মের মধ্যে এমনভাবে ধ্বংস ও ফিতনা সৃষ্টিকারী, যা ইহুদি-নাসারার চেয়েও বেশি ক্ষতিকর; কারণ তারা নিজেদের ইসলাম-অনুগামী দাবী করে, অথচ ইসলামি আকীদা ও বিধানসমূহকে বিকৃত করে।”
৫. ইমাম ইবনুল জাওযি (রহিমাহুল্লাহ) — “📗তালবিসু ইবলীস” গ্রন্থে বলেন:
“রাফেযীরা হলো সবচেয়ে বিভ্রান্ত সম্প্রদায়। তারা ইহুদি-নাসারাদের চেয়েও অধিক সত্য থেকে বিচ্যুত, কারণ তারা ইসলাম দাবী করে অথচ নিজের খেয়াল-খুশি অনুযায়ী মুসলিমদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করে।”
৬. ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহিমাহুল্লাহ) — “📗মিনহাজুস সুন্নাহ” গ্রন্থে বলেন:
“রাফেযীরা অনেক বিষয়ে ইহুদি ও নাসারাদের চেয়েও বেশি খারাপ… তারা সাহাবীদের প্রতি শত্রুতা প্রকাশ করে এবং তাঁদেরকে অপবাদ দেয়। এটি ইসলামের ভিত্তি ধ্বংস করার দিকে নিয়ে যায়।”
৭. হাফিয ইমাম যাহাবি (রহিমাহুল্লাহ) — “📗মীযানুল ই‘তিদাল” গ্রন্থে বলেন:
“যদি রাফেযীরা মুসলিম না হয়ে অন্য কোনো ধর্মের হতো, তাহলে তাদের ক্ষতি হালকা হতো; কারণ তারা বাহ্যত ইসলাম প্রদর্শন করে কিন্তু অন্তরে তার বিপরীত লালন করে। তারা উম্মতের ভেতর থেকেই ফিতনা সৃষ্টি করে।”
৮. ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) — “📗আস্-স্বাওইকুল মুরসালাহ” গ্রন্থে বলেন:
“রাফেযীরা ইসলাম ও মুসলিমদের উপর ইহুদি-নাসারাদের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর; তারা মুসলিমদের মাঝে ফিতনা, বিদ্বেষ ছড়ায় এবং শরীয়তের ভিত্তিমূল ধ্বংস করে।”
৯. ইমাম শওকানী (রহিমাহুল্লাহ) — “📗নাইলুল আওতার” গ্রন্থে বলেন:
“রাফেযীরা প্রতিটি যুগে ইসলামের শত্রু। তারা উম্মতের জন্য ইহুদি ও নাসারাদের চেয়েও বেশি বিপদজনক, কারণ তারা আল্লাহর কিতাব, রাসূলের সুন্নাহ ও তাঁর সাহাবীদের প্রতি আক্রমণ করে।”
উপসংহার:
এসব বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, মুসলিম আলেমগণ বিভিন্ন যুগে রাফেযীদের (শিয়া সম্প্রদায়কে) ইসলামের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তারা বাহ্যত ইসলাম দাবি করলেও ভেতরে ইসলামবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত—এ কারণে তাদের ক্ষতি বাহ্যিক শত্রুদের চেয়েও মারাত্মক।
আল্লাহ তাদের ধ্বংস করুন, এবং ইসলামকে তাদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করুন।
ফিলিস্তিন দখলের উপর এক শতাব্দীরও বেশি হয়ে গেছে আর ইরান দখলের উপর পাঁচ শতাব্দীরও বেশি কেটে গেছে!!
হে আল্লাহ! মুসলিমদের ভূমিকে দখলদার মুক্ত করে দিন।
ইমাম শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
▪️ ইহুদীদেরকে জিজ্ঞেস করা হলো: ‘তোমাদের দল বা ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কারা?’ তারা বলল: মূসা আলাইহিস সালামের সাহাবীগণ।
▪️ খ্রিষ্টানদেরকে জিজ্ঞেস করা হলো: ‘তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কারা?’ তারা বলল: ঈসা আলাইহিস সালামের হাওয়ারীগণ।
💥 কিন্তু রাফেযীদেরকে জিজ্ঞেস করা হলো: ‘তোমাদের দলের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট কারা?’
তারা বলল: মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ। 👇
(মিনহাজুস সুন্নাহ ১/২৭)
এ কথার মাধ্যমে ইবনু তাইমিয়া রাফেযীদের সাহাবীদের প্রতি বিদ্বেষ ও বিদ্রূপতা প্রকাশের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন।
মাʼআলিশ শাইখ সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলুশ শাইখ হাফিযাহুল্লাহ বলেন,
"সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি ক্ষতিকর এবং আমাদের প্রত্যেককে নিজেদের সাথে একটি সঠিক ও দৃঢ় অবস্থানে দাঁড়াতে হবে—বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী ও কর্মরতগণ।
অনেকে রাত জেগে থাকে, কাজে অবহেলা করে, ফলে ভোরে উঠতে পারে না এবং নামাজও ছুটে যায়—এটা অবশ্যই ক্ষতির কারণ।
বাস্তবতার বিচারে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করা সম্ভব নয়।
তাই সমাধান হলো এর ক্ষতিগুলো কমানো এবং উপকারিতাগুলো বৃদ্ধি করা।
আর এর মূল ভিত্তি হলো—সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার সময় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে কমিয়ে আনা।"
শাইখ সুলাইমান ইবন সলীমুল্লাহ রুহাইলী হাফিযাহুল্লাহ বলেন,
"উদ্ভুত ঘটনাবলী যেন তোমাকে ইবাদত থেকে বিমুখ না করে। খবরে মনোযোগ দিতে গিয়ে যেন তুমি কোরআন তিলাওয়াত কিংবা যিকিরের ওযীফা ভুলে না যাও। জেনে রেখো, ফিতনা ও গাফেলির সময়ে সৎকর্মের সওয়াব অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'ফিতনার সময় ইবাদত করা আমার দিকে হিজরত করার মতো।'
অতএব, যদি মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের সওয়াব লাভের সুযোগ না হয়, তবে যেন ফিতনা, গাফেলি ও বিশৃঙ্খলার সময়ে ইবাদতের সওয়াব তোমার হাতছাড়া না হয়।"
দীনী ইলম ও দীনী আলেমদের মর্যাদা
আবুদ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন:
“তোমরা দীনী জ্ঞান অর্জন করো। যদি তোমরা না পারো, তবে যারা দীনী জ্ঞান অর্জন করে তাদের ভালোবাসো। আর যদি তাদের ভালোবাসতেও না পারো, তাহলে অন্তত তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না।”
“এটি সমগ্র উম্মতের জন্য একটি উপদেশ, কারণ উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে দীনী জ্ঞানের আলেমগণ।”
ওহে সেই মহিয়সী নারী, যিনি দুনিয়ার গরম থেকে নিজেকে আড়াল করেছেন এবং নিজের শরীরকে রক্ষা করেছেন নগ্নতা ও প্নির্লজ্জতা থেকে — রাস্তাঘাট, বাজার ও সমুদ্রতীরের মতো স্থানে, আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি তিনি যেন আপনাকে জাহান্নামের গরম থেকে রক্ষা করেন এবং তা থেকে আপনাকে আশ্রয় দেন।
"সেকুলারিজমে বিশ্বাসী ব্যক্তি কাফের, যতই সালাত আদায় করুক আর হজ্জ করে আসুক—কাজ হবে না।”
“এগুলো কুফরি মতবাদ। এগুলো বিশ্বাস করলে কাফের হয়ে যাবে। হজ্জ করে আসলেও কোনো উপকার হবে না।
সেকুলারিজম অন্তর থেকে সম্পূর্ণরূপে দূর করে দিতে হবে।”
— ✒️ *ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ*
সর্বদা কীভাবে নিজেকে তালেবে ইলম বানাতে বানিয়ে রাখতে পারবেন?!
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“আল্লাহর সাহায্য চাও, অপারগ-অসহায় হয়ে পড়ো না…” [মুসলিম, ২৬৬৪]
শাইখ সালিহ আলে-শাইখ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেছেন:
“ধরো, যদি প্রতিদিন তুমি শুধু একটি আয়াতের তাফসির পড়ো, একটি হাদীস ও তার ব্যাখ্যা পড়ো, এবং একটি ফিকহি মাসআলা শিখো—
তাহলে প্রতিদিন মাত্র তিনটি জিনিস শিখলে, এক বছরে কত হয়?
• ৩৬০টি আয়াতের তাফসির
• ৩৬০টি হাদীস ও তার ব্যাখ্যা
• ৩৬০টি ফিকহি মাসআলা
তাহলে ৫ বছর বা ১০ বছর পরে কেমন হবে?
তুমি একজন প্রকৃত ‘তালিবুল ইলম’ (ইসলামী জ্ঞানের ছাত্র) হয়ে উঠবে।
(উত্তর ও গবেষণা, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৩০৩)
24/12/2024