26/09/2022
ইদানীং অনেক মানুষ চোখ উঠার সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য ক্বোরআনি চিকিৎসা।
'চোখ উঠা' রোগের জন্য রুকইয়াহ
১/জমজমের পানি থাকলে জমজমের পানি প্রথম অপশন না থাকলে বৃষ্টির পানি। উক্ত পানিতে বেশি করে সূরা ফাতিহা , সূরা ক্বাফ ২২ নং আয়াতের শেষাংশ এবং সূরা ইখলাস, ফালাক , নাস পাঠ করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অযুর পরে বা নামাজ শেষে চোখে ড্রপ দিবেন দৈনিক পাঁচ বার। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাআলা শিফা দান করবেন।
২/চোখের সমস্যায় সূরা ফাতিহা এর সাথে সুরা ক্বফ ২২নং আয়াতের শেষাংশ বেশ উপকারী।
আয়াতের অংশটি হচ্ছে-
فَكَشَفْنَا عَنْكَ غِطَاءَكَ فَبَصَرُكَ الْيَوْمَ حَدِيْدٌ
অনুবাদঃ আমি তোমার থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, তাই আজ তোমার দৃষ্টি হয়েছে প্রখর। (সূরা ক্বফ ২২)
রুকইয়াহ করার নিয়ম হচ্ছে ---
নামাজ শেষ করার পর সূরা ফাতিহা এবং এই আয়াতটি পড়ুন, এরপর মুখের কাছে এক হাত নিয়ে ফুঁ দিন, যেন ফুঁ চোখে লাগে। অথবা আঙ্গুলের মাথায় ফু দিয়ে চোখ মুছে নিন। এভাবে প্রতি নামাজের পরেই করুন।
* সালাতের পরে করতে বলার কারণ হচ্ছে, ওই সময় দোয়া কবুল হয়। রুকইয়াহ যেহেতু এক প্রকার দোয়া, তাই নামাজ শেষে রুকিয়া করলে উপকার বেশি পাওয়া যায়। এছাড়া অন্য সময়েও আপনি করতে পারেন, কোন সমস্যা নেই।
৩/ কিছু পরামর্শ...
•চোখ উঠলে বারবার চোখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত চোখে যেন নোংরা পানি, ধুলাবালি, দূষিত বাতাস প্রবেশ না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে হবে। যেহেতু চোখ উঠলে আলোতে যন্ত্রণা হয়, তাই বাইরে বের হলে সানগ্লাস পরুন। এই রোগে আক্রান্ত হলে নিজের ব্যবহৃত চশমা, রুমাল, তোয়ালে, কাপড়চোপড় সব আলাদা রাখা উচিত।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থতার নেয়ামত দান করুন আমীন।
05/01/2022
টঙ্গী এমদাদুল উলূম মাদ্রাসার ১০ম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল.. সফল হোক..
ওয়াজ, কোরআনের তাফসির ও ধর্মীয় মাহফিলগুলো হলো- মুমিনের সমাবেশ। ওয়াজ-নসিহত মুমিনের ঈমান তাজা করে।
এসব মাহফিলের মাধ্যমে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। মাহফিলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোর দিশা পায়...।
05/01/2022
টঙ্গী এমদাদুল উলূম মাদ্রাসার ১০ম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল.. সফল হোক..
ওয়াজ, কোরআনের তাফসির ও ধর্মীয় মাহফিলগুলো হলো- মুমিনের সমাবেশ। ওয়াজ-নসিহত মুমিনের ঈমান তাজা করে।
এসব মাহফিলের মাধ্যমে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। মাহফিলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোর দিশা পায়...।
07/12/2021
কুরআন শিক্ষা ও তিলাওয়াতের ফযিলত
১. কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহর সাথে একটি লাভজনক ব্যবসা:
কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহর সাথে একটি লাভজনক ব্যবসা। বিভিন্ন ব্যবসায় লাভ এবং ক্ষতি দুটিরই সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এখানে লাভ ছাড়া কোন প্রকার ক্ষতির অঙশ নেই। এ বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
‘‘যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, সালাত কায়েম করে, আমার দেয়া রিজিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারাই আশা করতে পারে এমন ব্যবসার যা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। কারণ আল্লাহ তাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিদান দেবেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরো অধিক দান করবেন। তিনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।’’ [সূরা ফাতির ২৯-৩০]
২. কুরআন পাঠকারী প্রত্যেক হরফের জন্য সওয়াব লাভ করে:
কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিরাট সওয়াব অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। এর সাথে অনেক উপকারিতাও রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।’’ [সুনান আত-তিরমিযি:২৯১০]
৩. কুরআনের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সর্বোত্তম ব্যক্তি:
কুরআন শিক্ষার মাধ্যমে দুনিয়া ও আখেরাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা যায়। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অর্থ: ‘‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে ও অপরকে শিক্ষা দেয় ’’ [বুখারী: ৫০২৭]।
৪. কুরআন তিলাওয়াতকারীর পক্ষে সুপারিশ করবে :
কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াতকারীর পক্ষে সুপারিশ করবে।এটা বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
অর্থ:‘তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর, কারণ, কুরআন কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে’ [মুসলিম: ১৯১০]।
06/12/2021
সাহেদাগোপ দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার ৬২ তম মাহফিল.. সফল ইোক..
ওয়াজ, কোরআনের তাফসির ও ধর্মীয় মাহফিলগুলো হলো- মুমিনের সমাবেশ। ওয়াজ-নসিহত মুমিনের ঈমান তাজা করে।
এসব মাহফিলের মাধ্যমে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। মাহফিলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোর দিশা পায়...।