Rongdhonu

Rongdhonu

Share

Never Stop Your learning

01/11/2025

লেখাটি শুরু করি একটি বাস্তব প্রশ্ন দিয়ে – আপনি কি কখনো নিজের বাড়ির মধ্যে থেকেই অবহেলিত, ভুল বোঝাবুঝি বা হ্যারেজ হয়েছেন?

অনেকেই হয়তো বলবেন, “পরিবার মানেই ভালোবাসার জায়গা, মা-বাবা কখনো সন্তানের খারাপ চান না।” ঠিক কথা। কিন্তু বাস্তবতা একটু অন্যরকমও হতে পারে। প্রতিদিন হাজারো সন্তান এমন এক মানসিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায়, যেখানে তারা পরিবারের ‘সাইলেন্ট পলিটিক্স’-এর শিকার হয়ে পড়ে। এ এক অদৃশ্য খেলা—মাইন্ড গেম, যা বাবা-মা নিজেরাও অনেকে বুঝে খেলেন, আবার অনেকে না বুঝেই।

বিশ্বাস করুন, পৃথিবীর সবচেয়ে ক'ষ্ট'দায়ক যু*দ্ধটা হয় তখন, যখন আপনাকে লড়তে হয় তাদের বিরুদ্ধেই, যাদের ছায়া হয়ে থাকার কথা ছিল সবসময়।

একটা প্রশ্ন অনেকেই করেন, বাবা-মায়েরা কি ভুল করেন না?

সমাজের চিরাচরিত ধারণা আছে, “মা-বাবা সবসময় ঠিক, সন্তানেরই ভুল।” কিন্তু এই ধারণা শতভাগ সঠিক নয়। বয়সের ভারে মানসিক পরিণতিও বাড়ে, কিন্তু ভুল করার প্রবণতা তো শেষ হয় না। দুঃখের বিষয়, এই সমাজ সন্তানকে খুব সহজেই দোষী বানিয়ে দেয়, কিন্তু বাবা-মায়ের আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ হলে চুপ করে যায়।

ভার্বাল অ্যাবিউজ, সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট, এক সন্তানকে তোল্লাই দেওয়া, আরেকজনকে নীচে নামানো—এই চিরপরিচিত খেলা বহু পরিবারেই প্রতিদিন চলতে থাকে।

অনেক বাবা মায়ের কাছে যে সন্তান মাথা নিচু করে সবকিছু মেনে নেয়, সবার মন রক্ষা করে—সে হয়ে ওঠে আদর্শ সন্তান। আর যে প্রতিবাদ করে, নিজের জায়গা থেকে অন্যায়ের বিরোধিতা করে—সে হয় “অহংকারী”, “অসহিষ্ণু”, এমনকি “অযোগ্য”। অথচ এর পেছনে কত আবেগ, কত সহ্য, কত অবহেলার ক্ষত জমে থাকে, তা কেউ জানে না।

মা-বাবার সামনে “সেরা সন্তান” তৈরি করতে গিয়ে অন্য সন্তানের ইমেজ ধ্বংস করা হয়—ইচ্ছে করে হোক বা অজান্তে। একসময় সেই সন্তানটি নিজেকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। মানসিকভাবে দূরে সরে যায়, কারণ আত্মমর্যাদার প্রয়োজন হয়। আর তখনই শুরু হয় "তুমি তো কিছুই করো না"- টাইপ অপমান।

মা-বাবা সন্তানের জীবনের প্রথম পথপ্রদর্শক, সঠিক হলে আশীর্বাদ; ভুল হলে, জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। সবার জীবনে এমন ভাগ্য থাকে না যে, সে সহানুভূতিশীল, মানসিকভাবে পরিপক্ক মা-বাবা পাবে।

কখনো কখনো মা-বাবার ভেতরে জমে থাকা অতৃপ্তি, হীনমন্যতা, বা কারো প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাব সন্তানের জীবনের দিক পরিবর্তন করে দেয়। সম্পর্কের ভিত নড়ে যায়, সন্তানের আত্মবিশ্বাস চূর্ণ হয়, তারা নিজেদের অসফল ভাবতে শুরু করে।

তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে—পৃথিবীতে সবচেয়ে স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক জীবনসঙ্গীর সঙ্গে। যিনি পাশে দাঁড়ান, বুঝতে চান, আগলে রাখেন—তিনি-ই প্রকৃত বন্ধু, পরিবার, আশ্রয়। যদি সঠিক মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া যায়, তবে পুরো পৃথিবীটাই যেন আপন হয়ে ওঠে।

আর যদি না পাওয়া যায়? তাহলে কপালের দোষ। তখন জীবন হয়ে পড়ে এক নিঃসঙ্গ লড়াই।

তবে, সব মা-বাবা খারাপ নয়, যেমন সব সন্তানও দুশ্চরিত্র নয়। কিন্তু আমাদের সমাজে একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বহু সন্তান মানসিকভাবে ক্ষ'ত-বি'ক্ষত হয়ে বেড়ে ওঠে। অভিভাবকত্ব একটা দায়িত্ব, সেটা শুধুই জন্মদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আর সন্তানেরাও মানুষ, তাদেরও সম্মান, অনুভব, মনের জায়গা আছে।

নিজের সন্তানের আত্মসম্মান ভাঙলে, সে একদিন আপনাদের আর মনে রাখবে না—যতই আপনি তার জন্য গর্বের গল্প বলেন না কেন।
সংগৃহীত

17/10/2025

Émile, or On Education” (এমিল বা শিক্ষার ওপর)
📘 বই পরিচিতি

লেখক: জ্যঁ–জ্যাক রুশো
প্রকাশকাল: 1762
মূল ভাবনা: মানুষ স্বভাবতই ভালো, কিন্তু সমাজ তাকে নষ্ট করে দেয়। তাই শিশুকে প্রকৃতির নিয়মে বড় হতে দিতে হবে—এটাই রুশোর “প্রাকৃতিক শিক্ষা”র দর্শন।

🧩 অধ্যায় ১: শৈশব (Birth to 5 years)

মূল ভাবনা:
শিশু জন্মের সময় নিষ্পাপ ও ভালো। তার ভেতরের প্রকৃতি বিকশিত হতে দিতে হবে, জোর করে কিছু শেখানো নয়।

মূল পয়েন্ট:

শিশুকে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠতে দিতে হবে।

অতিরিক্ত আদর বা শাস্তি দুটোই ক্ষতিকর।

শরীরকে শক্ত ও সহনশীল করে তোলা দরকার (ঠান্ডা, গরম, ছোট আঘাত সহ্য করতে শেখানো)।

শিক্ষা মানে প্রথমে দেহ ও ইন্দ্রিয়ের বিকাশ, বই নয়।

🧩 অধ্যায় ২: শৈশবোত্তর বা শিশুকাল (5–12 বছর)

মূল ভাবনা:
এই সময়ে শিশু যুক্তি বোঝে না, তাই শেখানো নয়, বরং অভিজ্ঞতা থেকে শেখা দরকার।

মূল পয়েন্ট:

শিশুকে প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত করাও—গাছ, নদী, পাখি, প্রাণী ইত্যাদি দেখে শেখা।

কোনো “অন্যায়ের শাস্তি” না দিয়ে, নিজের ভুলের ফল তাকে ভোগ করতে দাও।
যেমন: খেলনা ভেঙে ফেললে নতুনটা না দেওয়া।

মুখস্থ বিদ্যা নয়, কৌতূহল জাগানোই আসল শিক্ষা।

🧩 অধ্যায় ৩: কৈশোর (12–15 বছর)

মূল ভাবনা:
এখন তার যুক্তি বিকাশ পাচ্ছে—তাকে বিজ্ঞান ও বাস্তব জ্ঞান শেখানো যেতে পারে।

মূল পয়েন্ট:

প্রকৃতির নিয়ম বুঝতে শেখাও (যেমন: কেন সূর্য ওঠে, কেন ছায়া পড়ে ইত্যাদি)।

রাজনীতি বা সমাজের নিয়ম শেখাবে না এখনই।

শেখা মানে বই মুখস্থ নয়—প্রয়োগের মাধ্যমে জানা।

শিক্ষক যেন পথপ্রদর্শক হয়, শাসক নয়।

🧩 অধ্যায় ৪: যৌবন (15–20 বছর)

মূল ভাবনা:
এখন তার আবেগ ও নৈতিক বোধ জাগছে। এই সময় নৈতিক শিক্ষা ও মানবতা শেখাতে হবে।

মূল পয়েন্ট:

প্রেম, সহানুভূতি, ন্যায়বোধ শেখাও।

ধর্ম শেখাও, তবে এমনভাবে যেন সেটা ভয়ের নয়—ভালবাসা ও যুক্তির ধর্ম।

সমাজে নিজের ভূমিকা বোঝা শুরু করুক।

আত্মসংযম ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে।

🧩 অধ্যায় ৫: প্রাপ্তবয়স্ক জীবন (Marriage and Society)

মূল ভাবনা:
এখন এমিল পূর্ণ মানুষ হয়েছে। তাকে সমাজে প্রবেশ করিয়ে, সঠিকভাবে জীবনযাপন শেখাতে হবে।

মূল পয়েন্ট:

এখন প্রেমিকা সোফি (Sophie)-র সঙ্গে দেখা করানো হয়—যিনি আদর্শ নারীচরিত্র।

রুশো দেখান, শিক্ষা মানে শুধু জ্ঞান নয়, বরং ভালো মানুষ তৈরি করা।

পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব শেখানো হয়।

শেষ লক্ষ্য: একজন স্বাধীনচেতা, নৈতিক ও সৎ মানুষ গড়ে তোলা।

🌿 সারাংশ (সর্বশেষ ভাবনা)

রুশোর শিক্ষা দর্শন:

> “প্রকৃতি আমাদের শিক্ষক। সমাজ নয়, প্রকৃতির নিয়মে মানুষকে বেড়ে উঠতে দাও।”

মূল শিক্ষা:

শিশুকে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার সুযোগ দাও।

শাস্তি নয়, পরিণতি থেকে শিক্ষা।

যুক্তি, নীতি ও ভালোবাসা—এই তিনে মানুষ সম্পূর্ণ হয়।

15/04/2025

আপনারা যারা লেখালেখির চিন্তা করছেন, গল্প, কবিতা, সাহিত্য, ফিচার বা কলাম লিখতে আগ্রহী, তাদের জন্য দৈনিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকীয় পাতা, সাহিত্যপাতা কিংবা সংশ্লিষ্ট পাতার ইমেইল অ্যাড্রেস দিলাম। পত্রিকায় ছাপা হলে বলা যেতে পারে আপনার লেখা মানসম্মত। তখন লেখালেখি নিয়ে আপনি ক্যারিয়ার গড়ার পথে এগোতে পারেন, যদিও এটা খুব কঠিন পথ। তবে বর্তমানে নিজেই মিডিয়া হয়ে নিজের লেখা পাঠকের সামনে তুলে ধরা যায়। তা থেকে নিজে উপার্জন করা যায়। তবে লেখার মান যাচাইয়ের জন্য পত্রিকার বিভাগীয় সম্পাদকের ফিল্টারটা কাজে দিতে পারে৷
পত্রিকার যে পাতার জন্য লিখবেন, আগে সেই পাতা ভালো করে পড়ে নিবেন, রিসার্চ করে নিবেন কোন ক্যাটাগরির লেখা সেখানে ছাপা হয়। আর একই লেখা সব পত্রিকায় পাঠাবেন না। ছাপা না হলে বা ইমেইল কনফারমেশন না আসলে কমপক্ষে তিনমাস অপেক্ষা করবেন, তারপর অন্য কোথাও পাঠাবেন। তার মধ্যে আপনি লিখতে থাকবেন। প্রতিদিন লিখবেন।
___________________
নিবন্ধ/কলামের জন্য ব্যবহার করুন:

দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: [email protected]

দৈনিক ইত্তেফাক: [email protected]

দৈনিক ভোরের কাগজ: [email protected]

দৈনিক সমকাল:
[email protected]

দৈনিক যুগান্তর: [email protected]

দৈনিক কালেরকণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক বণিকবার্তা: [email protected]

দৈনিক ইনকিলাব: [email protected]

দৈনিক যায়যায়দিন: [email protected]

দৈনিক সংবাদ: [email protected]

দৈনিক নয়াদিগন্ত: [email protected]

দৈনিক প্রথম আলো: [email protected]

দৈনিক জনকণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক আমাদের সময়: [email protected]

দৈনিক সংগ্রাম: [email protected]

দৈনিক জনতা: [email protected]

দৈনিক আজকালের খবর: [email protected]

দৈনিক বাংলাদেশের খবর: [email protected]

দৈনিক খোলাকাগজ: [email protected]

দৈনিক বর্তমান: [email protected]

দৈনিক মানবকণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক সময়ের আলো: [email protected]

দৈনিক পূর্বকোণ: [email protected]

দৈনিক সুপ্রভাত: [email protected]

দৈনিক দিনকাল: [email protected]

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: [email protected]

দৈনিক দেশরূপান্তর: [email protected]

দৈনিক দেশের কথা: [email protected]

দৈনিক দেশের কণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক অধিকার: [email protected]

দৈনিক দেশকাল: [email protected]

দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন: [email protected]

দৈনিক শেয়ার বীজ: [email protected]

দৈনিক বাংলা: [email protected]

দৈনিক সকালের সময়: [email protected]

দৈনিক আমার বার্তা: [email protected]

দৈনিক স্বাধীন বাংলা: [email protected]

দৈনিক আজাদী: [email protected]

দৈনিক করতোয়া:
[email protected]

দৈনিক ডেল্টাটাইমস: [email protected]

দৈনিক বাংলাদেশের আলো: [email protected]

দৈনিক প্রথম সূর্যোদয়: [email protected]

দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ: [email protected]

দৈনিক জবাবদিহি: [email protected]

দৈনিক লাখোকণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক এশিয়া বাণী:
[email protected]

স্বদেশ প্রতিদিন: [email protected]

দৈনিক জনবাণী: [email protected], [email protected]

দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ: [email protected], [email protected]

দৈনিক আমার সংবাদ: [email protected]

দৈনিক সরেজমিন: [email protected]

ইংরেজি পত্রিকা
The Daily Star: [email protected]

The Daily Sun: [email protected]

The Daily ObserverBD: [email protected]

The Daily Asian Age: [email protected]

The Bangladesh Today: [email protected]

The Bangladesh Post: [email protected]

The Business Standard: [email protected]

The New Nation: [email protected]

The Financial Express: [email protected]

The Independent: [email protected]

The Muslim Times: [email protected]

The Perspective: [email protected] (Monthly)

চিঠি পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:

দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: [email protected]

দৈনিক ইত্তেফাক: [email protected]

দৈনিক ভোরের কাগজ: [email protected]

দৈনিক সমকাল: [email protected]

দৈনিক যুগান্তর: [email protected]

দৈনিক কালেরকণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক ইনকিলাব: [email protected]

দৈনিক যায়যায়দিন: [email protected]

দৈনিক সংবাদ: [email protected]

দৈনিক নয়াদিগন্ত: [email protected]

দৈনিক প্রথম আলো: [email protected]

দৈনিক সংগ্রাম: [email protected]

দৈনিক জনতা: [email protected]

দৈনিক আজকালের খবর: [email protected]

দৈনিক বাংলাদেশের খবর: [email protected]

দৈনিক খোলাকাগজ: [email protected]

দৈনিক মানবকণ্ঠ: [email protected]

দৈনিক সময়ের আলো: [email protected]

দৈনিক পূর্বকোণ: [email protected]

দৈনিক সুপ্রভাত: [email protected]

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: [email protected]

দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন: [email protected]
[email protected]

দৈনিক শেয়ার বীজ: [email protected]

দৈনিক বাংলা: [email protected]

দৈনিক স্বাধীন বাংলা: [email protected]

দৈনিক আজাদী: [email protected]

ইংরেজি পত্রিকা:
The Daily Star: [email protected]

The Daily Sun: [email protected]

The Daily Observer: [email protected]

The Daily Asian Age: [email protected]

The Bangadesh Today: [email protected]

The New Nation: [email protected]

The Bangladesh Post: [email protected]

The Business Standard: [email protected]

The Financial Express: [email protected]

The Independent: [email protected]

The Muslim Times: [email protected]

ইসলামিক পাতায় লেখা পাঠানোর ঠিকানা:

[email protected]
যুগান্তর (শুক্রবার)

[email protected]
ইত্তেফাক (শুক্রবার)

[email protected]
সময়ের আলো (প্রতিদিন)

[email protected]
নয়া দিগন্ত (প্রতিদিন)

[email protected]
আলোকিত বাংলাদেশ (প্রতিদিন)

[email protected]
ইনকিলাব (শুক্রবার)

[email protected]
আমার সংবাদ (প্রতিদিন)

[email protected]
মানবকণ্ঠ (রবিবার)

[email protected]
জবাবদিহি

[email protected]
বাংলাদেশ খবর (শুক্রবার)

[email protected]
দেশ রূপান্তর (প্রতিদিন)

ক্যাম্পাস পাতায় লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:

দৈনিক যায়যায়দিন: (শনিবার) [email protected]

দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: (রবিবার) [email protected]

দৈনিক খোলাকাগজ: (বৃহস্পতিবার) [email protected] [email protected]

দৈনিক জনকণ্ঠ: (রবিবার) [email protected]

আমাদের সময়: (শনিবার) [email protected]

দৈনিক ইত্তেফাক: (সোমবার) [email protected] [email protected]

শুধুমাত্র ছড়া ও ছোটদের লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
দৈনিক নয়াদিগন্ত (আগডুম বাগডুম) শুক্রবার
[email protected]

দৈনিক জনকণ্ঠ (ঝিলিমিলি) শনিবার
[email protected]

প্রতিদিনের সংবাদ (খেয়াল খুশি) শনিবার
[email protected]

দৈনিক করতোয়া (সবুজ আসর) শনিবার
[email protected]

আলোকিত বাংলাদেশ (আলোকিত শিশু) শনিবার
[email protected]

আলোকিত বাংলাদেশ (কলরব) শনিবার
[email protected]

ভোরের কাগজ (পাঠক ফোরাম) সোমবার
[email protected]

দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ (শিশু কন্ঠ- সিলেট) শনিবার
[email protected]

সংবাদ খেলাঘর (পাক্ষিক পাতা) রবিবার
[email protected]

দৈনিক সংগ্রাম (নীল সবুজের হাট) শুক্রবার
[email protected]
[email protected]

দৈনিক সমকাল (ঘাসফড়িং) শুক্রবার
[email protected]

দৈনিক সমকাল (সুহৃদ সমাবেশ) মঙ্গলবার
[email protected]

কালেরকণ্ঠ (ঘোড়ার ডিম ফান ম্যাগাজিন, রম্য ছড়া) মঙ্গলবার
[email protected]

প্রথম আলো (অধুনা, মনের বাক্স) বুধবার
[email protected]

দৈনিক ভোরের কাগজ (ইষ্টিকুটুম) বুধবার
[email protected]

দৈনিক যায়যায়দিন (হাট্টিমাটিমটিম) রবিবার
[email protected]

দৈনিক যুগান্তর (স্বজন সমাবেশ) বুধবার
[email protected]

শিশুতোষ:
দৈনিক আমাদের সময় (ঘটাংঘট) বৃহস্পতিবার
[email protected]

নয়াদিগন্ত (থেরাপি) বৃহস্পতিবার
[email protected]

দৈনিক প্রথম আলো (গোল্লাছুট) শুক্রবার
[email protected]

দৈনিক কালেরকণ্ঠ (টুনটুনটিনটিন) শুক্রবার
[email protected]

দৈনিক ইত্তেফাক (কচিকাঁচার আসর) শুক্রবার
[email protected]

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ডাংগুলি) শুক্রবার
[email protected] (বড়দের)
[email protected] (শিশুতোষ)

বড়দের লেখা এবং সাহিত্য পাতার জন্য:
শনিবার:
আলোকিত বাংলাদেশ - কবিতা [email protected] [email protected]

বাংলাদেশের খবর - সাহিত্য [email protected]

দৈনিক সংবাদ - [email protected]

আলোকিত প্রতিদিন- শনিবার [email protected]

দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ-সিলেট [email protected]

ভোরের কাগজ-পাঠক ফোরাম [email protected]

দৈনিক রূপসী বাংলা [email protected]

দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ- সিলেট [email protected]

দৈনিক শুভ প্রতিদিন [email protected] [email protected]

দৈনিক যুগান্তর (রঙ্গ) [email protected]

রবিবার:
প্রথম আলো-বন্ধুসভা [email protected]

দৈনিক জালালাবাদ-সাহিত্য পাতা [email protected]

দৈনিক বিবৃতি-সাহিত্যপাতা [email protected]

দৈনিক ইত্তেফাক (ঠাট্টা- ফান ম্যাগাজিন ও রম্য ছড়া)
[email protected]

দৈনিক যুগান্তর (বিচ্ছু- ফান ম্যাগাজিন রম্য ছড়া)
[email protected]

মঙ্গলবার:
সুহৃদ সমাবেশ, সমকাল- মঙ্গলবার [email protected]

যায়যায় দিন-কবিতা মঙ্গলবার [email protected]

দৈনিক আজাদী [email protected]

দৈনিক পূর্বকোণ-কলরোল [email protected]

কালেরকণ্ঠ (ঘোড়ার ডিম ফান ম্যাগাজিন, রম্য ছড়া)
[email protected]

প্রথম আলো (অধুনা, মনের বাক্স) [email protected]

সাহিত্য সাময়িকী | শুক্রবার:

দৈনিক আমাদের সময়- অদ্বৈত মারুত [email protected] [email protected] [email protected]

দৈনিক যুগান্তর- কবিতা [email protected]

বাংলাদেশ প্রতিদিন - কবিতা [email protected]

দৈনিক প্রথম আলো-কবিতা [email protected]

দৈনিক জনকন্ঠ - [email protected]

দৈনিক সমকাল - কবিতা [email protected]

সমকাল - শুক্রবার কবিতা [email protected]

দৈনিক ইত্তেফাক - কবিতা [email protected] [email protected]

যায়যায়দিন- কবিতা
[email protected] [email protected]

কালের কন্ঠ-গল্প-
[email protected]
[email protected]
[email protected]
[email protected]

নয়াদিগন্ত-শুক্রবার [email protected]

দৈনিক ভোরের কাগজ- [email protected] [email protected]

দৈনিক মানবকন্ঠ-কবিতা [email protected]

রম্য লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
ইত্তেফাক: [email protected] (রবিবার)

যুগান্তর: [email protected] (রবিবার)

নয়াদিগন্ত: [email protected] (বৃহস্পতিবার)

শিক্ষা বিষয়ক লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:
যায়যায়দিন: [email protected]

ফিচারের জন্য
দৈনিক বাংলা: [email protected]

সমকাল:
[email protected]
শৈল পাতা (বুধবার) ‌

নতুন একমাত্রা
[email protected] (প্রতিমাসে)

কিশোর কণ্ঠ
[email protected] (প্রতিমাসে)

নব ভাবনা
[email protected] (প্রতিমাসে)
__________________
সংকলনে: বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সদস্যবৃন্দ

সংগৃহিত

22/01/2025

বিভিন্ন দেশের হিতোপদেশ:

1. "যে তার প্রতিবেশীর ঘর কাঁপিয়ে দেয় তার নিজের ঘরও নড়ে যায়।" (সুইস প্রবাদ)

2. "কোন ব্যক্তি যদি পেট ভরে খায়, তবে সে রুটির স্বাদ নিতে পারে না।" (স্কটিশ প্রবাদ)

3. "আপনি যদি হাসতে না জানেন তবে একটি দোকান খুলবেন না।" (চীনা প্রবাদ)

4. "ভাল চেহারা সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারিশ।" (ইংরেজি প্রবাদ)

5. "ভুল করা দোষের কিছু নয় বরং ভুলের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দোষের।" (আরবি প্রবাদ)

6. "একটি জাতির অগ্রগতি জানতে, তার নারীদের দিকে তাকান।" (ফরাসি প্রবাদ)

7. "আমরা প্রায়শই জিনিসগুলিকে ভিন্নভাবে দেখি কারণ আমরা কেবল শিরোনাম পড়ি।" (আমেরিকান প্রবাদ)

8. "অন্যান্য মানুষের ভুল সবসময় আমাদের নিজেদের থেকে পরিষ্কার হয়।" (রাশিয়ান প্রবাদ)

9. "তৃপ্তি সুখের অর্ধেক।" (ইতালীয় প্রবাদ)

10. "প্রত্যেক মানুষ তার নিজের ভাগ্য তৈরি করে।" (ইংরেজি প্রবাদ)

11. "আপনার মনকে জ্ঞান দিয়ে সাজান, আপনার শরীরকে রত্ন দিয়ে নয়।" (চীনা প্রবাদ)

12. "একজন জ্ঞানী ব্যক্তি কখনোই সব কিছু জানে না, শুধুমাত্র বোকারা সব কিছুই জানে। -(আফ্রিকান প্রবাদ)

13. "প্রেম যা উপহারের উপর নির্ভর করে তা সবসময় ক্ষুধার্ত।" (ইংরেজি প্রবাদ)

14. "যে মহিলা তার গুণাবলী সম্পর্কে কথা বলে এবং যে তার সততার কথা বলে তার থেকে সাবধান।" (ফরাসি প্রবাদ)

15. "আপনার স্ত্রীকে ভালোবাসুন এবং আপনার মাকে বিশ্বাস করুন।" (আইরিশ প্রবাদ)

16. "আপনার সন্তানকে পাঁচ বছরের জন্য রাজপুত্র, দশ বছরের জন্য একজন ক্রীতদাস এবং তারপরে একজন বন্ধু বানাও।" (হিন্দি প্রবাদ)

17. "মানুষ হওয়া সহজ; মানুষ হওয়া কঠিন।" (রাশিয়ান প্রবাদ)

18. "আমার পরিবার আমাকে কথা বলতে শিখিয়েছে, এবং লোকেরা আমাকে চুপ থাকতে শিখিয়েছে।" (চেকোস্লোভাক প্রবাদ)

19. "যে মানুষকে জ্ঞানের সাথে দেখে সে তাদের ঘৃণা করে; যে তাদের বাস্তবতার সাথে দেখে সে তাদের ক্ষমা করে।" (ইতালীয় প্রবাদ)

20. "ক্রোধ একটি শক্তিশালী বাতাস যাতে যুক্তির প্রদীপ নিভে যায়।" (আমেরিকান প্রবাদ)

21. "যারা দেয় তাদের দান করার কথা বলা উচিত নয়; যারা পায় তাদের উচিত।" (পর্তুগীজ প্রবাদ)

22. "একটি বড় গাছ বেশি ছায়া দেয় কিন্তু ফল কম দেয়।" (ইতালীয় প্রবাদ)

23. "আপনার উদ্বেগগুলি একটি ছেঁড়া পকেটে রাখুন।" (চীনা প্রবাদ)

সংগৃহীত

15/12/2024

হেলাল হাফিজ ১৯৪৮-২০২৪
হ্যান্ডনোট সৌরভ আহমেদ

29/08/2024

তিনি নিজেকেই ধ্বংস করেছেন।
প্রথমে গণতন্ত্রকে। অথচ একসময় গণতন্ত্রের জন‍্য সংগ্রাম করেছেন।
তারপর দলকে। দলের সবাইকে দাসে পরিনত করে দল ভরেছেন হাইব্রিড কাউয়াবর্গ আর ছাগল সুমন দিয়ে। রাজাকার পুত্রকে পাশে বসিয়ে সংবাদসম্মেলন করেছেন।
তারপর ধ্বংস করেছেন বিচার আর লুটপাটকে করেছেন ছেলেখেলা। গৃহপালিত আলম ছিলো তার পোষা চোরা পায়রা।
তারপর ধ্বংস করেছেন তার পিতাকে। যত্রতত্র তাকে ব‍্যবহার করেছেন আর সবশেষে একটি জঘন‍্য বায়োপিক বানিয়েছেন ডেট এক্সপায়ার্ড বেনেগালকে দিয়ে।
তার মতো অবিমৃষ‍্যকারী আত্মবিদ্ধংসী চৌরাচার্য - আর চৌর্যযুগের প্রতিষ্ঠাতা ইতিহাসে দ্বিতীয়বার জন্মাবে কিনা জানা নাই।
তিনি মাফিয়াকুলশিরোমনি - গডমাদার অব থিভস!
#চৌর্যযুগ

25/08/2024

প্রথমে মনটা একটু খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আনসারদের দমন করতে ছাত্র জনতার কেন যাওয়া লাগবে। এটা তো তাঁদের কাজ নয়।

আর্মি থেকে শুরু করে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাহলে কাজ কী!! তারা কোথায়!!

পরক্ষণেই ভুলটা ভেঙ্গে গেল। মিনিট সাতেক লেগেছে আবর্জনা পরিস্কার করতে।

এখন আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, স্বৈরাচার মাফিয়ার ষড়যন্ত্র যতদিন চলবে, ততদিন ছাত্র জনতার রাজপথ ছেড়ে দেয়া যাবে না। ছাত্র জনতার শক্তি আজ সবচেয়ে বড় এবং কার্যকর শক্তি। এর বিকল্প আপাতত আর কিছু নেই।

আগামিকাল থেকে শাহবাগ আর সচিবালয় ঘেরাও করার শক্তি বা সাহস আর কেউ পাবে না। এটা নিশ্চিত বলতে পারি।

স্বৈরাচারের ট্রামকার্ড সব হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

07/08/2024

চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য জেনে রাখা ভালো!!
ডঃ মুহাম্মদ #ইউনূস এর জীবনবৃত্তান্ত:

জন্মঃ ২৮ জুন, ১৯৪০

অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

#পরিবার-Family

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।

#শিক্ষা জীবন

তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।

#কর্ম জীবন

১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ যোগ দেন গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন। ইউনূস বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তোলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদানের জন্য সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এ পদে কর্মরত ছিলেন।
ইউনুস দারিদ্র্যতার বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম শুরু করেন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দুর্ভিক্ষের সময়। তিনি বুঝতে পারেন স্বল্প পরিমাণে ঋণ দরিদ্র মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে। সেই সময়ে তিনি গবেষণার লক্ষ্যে গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেন। ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনুস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন যা সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা

মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য। তখন থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ৫.৩ মিলিয়ন ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করে। ঋণের টাকা ফেরত নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক “সংহতি দল” পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি অনানুষ্ঠানিক ছোট দল একত্রে ঋণের জন্য আবেদন করে এবং এর সদস্যবৃন্দ একে অন্যের জামিনদার হিসেবে থাকে এবং একে অন্যের উন্নয়নে সাহায্য করে। ব্যাংকের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে গরিবকে রক্ষা করার জন্য ব্যাংক অন্যান্য পদ্ধতিও প্রয়োগ করে। ক্ষুদ্রঋণের সাথে যোগ হয় গৃহঋণ, মৎস খামাড় এবং সেচ ঋণ প্রকল্প সহ অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা। গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্য উন্নত বিশ্ব এমন কি যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশসমূহকে গ্রামীণের এই মডেল ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হয়।

প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ

Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Proverty. (১৯৯৮)
Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University; (১৯৭৪)

#সম্মাননা

ডঃ ইউনুস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৮টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডাল গ্রহণ করেছেন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হলো ইউনূসকে, যিনি এই পদক পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ও মুসলিম।
বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দুই শতাধিক ব্যক্তির সম্মেলনে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ২০১৩, ৫ মে বুধবার জাতিসংঘ ভবনে এ সম্মাননা জানানো হয়। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এ সমাবেশের আয়োজন করে বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে এ ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।

অ্যাওয়ার্ড

প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড। (১৯৭৮)
রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। (১৯৮৪)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৫)
স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭)
আগা খান অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৯)
কেয়ার পুরস্কার। (১৯৯৩)
নোবেল পুরস্কার (শান্তি)। (২০০৬)
মানবহিতৈষণা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র। (১৯৯৩)
মুহাম্মদ সাহেবুদ্দিন বিজ্ঞান (সামাজিক অর্থনীতি) পুরস্কার,শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩)
রিয়াল এডমিরাল এম এ খান স্মৃতি পদক,বাংলাদেশ (১৯৯৩)
বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
পিফার শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
ডঃ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক, বাংলাদেশ (১৯৯৪)
ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার,সুইজারল্যান্ড (১৯৯৫)
ঢাকা মেট্রোপলিটন রোটারারি ক্লাব ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলাদেশ (১৯৯৫)
আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার (১৯৯৬)
ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৬)
আন্তর্জাতিক একটিভিটিস্ট পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার, জার্মানি (১৯৯৭)
হেল্প ফর সেলফ হেল্প পুরস্কার,নরওয়ে (১৯৯৭)
শান্তি মানব পুরস্কার (ম্যান ফর পিস এওয়ার্ড), ইতালি (১৯৯৭)
বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (১৯৯৮)বিশ্ব
দ্যা প্রিন্স অফ আউস্তুরিয়া এ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, স্পেন (১৯৯৮)
সিডনি শান্তি পুরস্কার, অস্ট্রেলিয়া (১৯৯৮)
অযাকি (গাকুডো) পুরস্কার, জাপান (১৯৯৮)
ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
জাস্টটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার,ফ্রান্স (১৯৯৮) ( Les Justes D’or )
রোটারারি এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৯)
গোল্ডেন পেগাসাস এ্যাওয়ার্ড, ইটালি (১৯৯৯)
রোমা এ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান, ইটালি (১৯৯৯)
রাথিন্দ্রা পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
অমেগা এ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্সি ফরব লাইফ টাইম এচিভমেন্ট, সুইজারল্যান্ড (২০০০)
এ্যাওয়ার্ড অফ দ্যা মেডেল অফ দ্যা প্রেসিডেন্সি,ইটালি (২০০০)
কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড, জর্ডান (২০০০)
আই ডি ই বি গোল্ড মেডেল এ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ (২০০০)
আরতুসি পুরস্কার, ইটালি (২০০১)
গ্র্যান্ড প্রাইজ অফ দ্যা ফুকুওকা এশিয়ান কালচার পুরস্কার, জাপান (২০০১)
হো চি মীণ পুরস্কার, ভিয়েতনাম (২০০১)
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুরস্কার ‘কাজা ডি গ্রানাডা’, স্পেন (২০০১)
নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড এ্যাওয়ার্ড, স্পেন (২০০১)
মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২)
বিশ্ব টেকনোলজি নেটওয়ার্ক পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (২০০৩)
ভলভো পরিবেশ পুরস্কার, সুইডেন (২০০৩)
জাতীয় মেধা পুরস্কার, কলম্বিয়া (২০০৩)
দ্যা মেডেল অফ দ্যা পেইন্টার অসওয়াল্ড গুয়ায়াসামিন পুরস্কার, ফ্রান্স (২০০৩)
তেলিছিনকো পুরস্কার, স্পেন (২০০৪)
সিটি অফ অরভিতো পুরস্কার, ইটালি (২০০৪)
দ্যা ইকোনমিস্ট ইনোভেশন পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
লিডারশীপ ইন সোশ্যাল অন্টাপ্রিনেয়ার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
প্রিমিও গ্যালিলীয় ২০০০ স্পেশাল প্রাইজ ফর পিস ২০০৪, ইটালি (২০০৪)
নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার, জাপান (২০০৪)
গোল্ডেন ক্রস অফ দ্যা সিভিল অর্ডার অফ দ্যা সোশ্যাল সলিডারিটি,স্পেন (২০০৫)
ফ্রিডম এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৫)
বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, বাংলাদেশ (২০০৫)
প্রাইজ ২ পন্টে, ইটালি (২০০৫)
ফাউন্ডেশন অফ জাস্টিস, স্পেন (২০০৫)
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি নেউসতাদ এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
গ্লোব সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার এ্যাওয়ার্ড,যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট স্বাধীনতা পুরস্কার, নেদারল্যান্ড (২০০৬)
ইতু বিশ্ব তথ্য সংগঠন পুরস্কার, সুইজারল্যান্ড (২০০৬)
সিউল শান্তি পুরস্কার, কোরিয়া (২০০৬)
কনভিভেঞ্চিয়া (উত্তম সহকারিতা) সেউতা পুরস্কার, স্পেন (২০০৬)
দুর্যোগ উপশম পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৬)
সেরা বাঙালী, ইন্ডিয়া (২০০৬)
গ্লোবাল ট্রেইলব্লেজার পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
এ বি আই সি সি এ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশীপ ইন গ্লোবাল ট্রেড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সামাজিক উদ্যোক্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
বিশ্ব উদ্যোগী নেতৃত্ব পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রেড ক্রস স্বর্ণ পদক, স্পেন (২০০৭)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম শত বার্ষিকী স্মারক, ইন্ডিয়া (২০০৭)
ই এফ আর বাণিজ্য সপ্তাহ পুরস্কার,নেদারল্যান্ড (২০০৭)
নিকলস চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
ভিশন এ্যাওয়ার্ড, জার্মানি (২০০৭)
বাফি গ্লোবাল এচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রুবিন মিউজিয়াম মানডালা এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সাকাল বর্ষ ব্যক্তিত্ব পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৭)
১ম আহপাডা গ্লোবাল পুরস্কার, ফিলিপাইন (২০০৭)
মেডেল অফ ওনার, ব্রাজিল (২০০৭)
জাতিসংঘ সাউথ- সাউথ সহযোগিতা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
প্রোজেক্ট উদ্যোগী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য মিশন পুরস্কার, নিউইয়র্ক (২০০৮)
কিতাকইয়ুশু পরিবেশ পুরস্কার, জাপান (২০০৮)
চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
প্রেসিডেন্স পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
মানব নিরাপত্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
বাৎসরিক উন্নয়ন পুরস্কার, অস্টিয়া (২০০৮)
মানবসেবা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
শিশু বন্ধু পুরস্কার,স্পেন (২০০৮)
এ জি আই আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
করিনি আন্তর্জাতিক গ্রন্থ পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
টু উয়িংস প্রাইজ,জার্মানি (২০০৮)
বিশ্ব মানবতাবাদী পুরস্কার, ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড ,ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
এস্টরিল গ্লোবাল ইস্যু’স ডিসটিনগুইশড বুক প্রাইজ, পর্তুগাল (২০০৯)
এইসেনহওয়ের মেডেল ফর লিডারশীপ অ্যান্ড সার্ভিস, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
গোল্ডেন বিয়াটেক এ্যাওয়ার্ড, স্লোভাকিয়া (২০০৯)
গোল্ড মেডেল অফ ওনার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
পি আই সি এম ই টি এ্যাওয়ার্ড, পোর্টল্যান্ড (২০০৯)
বৈরুত লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড (২০০৯)
সোলারওয়ার্ল্ড আইন্সটাইন এ্যাওয়ার্ড (২০১০)
©সংগৃহীত।

05/08/2024

কোন সহিংসতায় জড়াবেন না প্লিজ। হিন্দু ভাই বোনদের জান ও মাল এবং উপাসনালয় রক্ষা করুন। অনেক রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতা ধুলায় মিশিয়ে দেবেন না প্লিজ।

Rongdhonu Never Stop Your learning

05/08/2024

স্যালুট জানায় আপনাকে স্যার, Dr. Asif Nazrul

05/08/2024

প্রিয় ভাই এবং বন্ধুগন, আলহামদুলিল্লাহ অনেক আনন্দ হয়েছে এবং আমরা আরো অনেক আনন্দ করবো। তবে, একটা জিনিস স্বাধীনতার শুরুর লগ্নে বলে রাখতে চাই।

এরকম বিপ্লব বেহাত হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ দুনিয়াতে আছে৷ সুতরাং, আল্লাহর ওয়াস্তে চলেন আমরা একটু সজাগ আর সতর্ক হই।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে হামলা করে, মন্দির ভেঙে, তাদের বাড়িঘরে আগুন দিয়ে কারা এতোদিন রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে আমাদের মাথার ওপরে কাঁঠাল নয়, গায়ের চামড়া খুলে লবণ দিয়ে গিয়েছে আমরা খুব ভালোভাবেই জানি।

স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও, স্বৈরাচারের থার্ড, ফোর্থ ফোর্সগুলো দেশে থেকে গেছে। তারা সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর, মন্দির আর উপাসনালয়ে হামলা করে সারা দুনিয়াকে দেখাতে চাচ্ছে যে—ক্ষমতা আসলে একদল ‘মৌলবাদী’ দের হাতে চলে গেছে।

আপনাদের কাছে করজোড়ে অনুরোধ, এই ঘটনাগুলোর মোকাবিলা করেন৷ আপনার প্রতিবেশি সংখ্যালঘু এবং তাদের বাড়িঘর আর উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

স্বাধীনতার সূচনালগ্নে আমাদের এই অর্জনকে বৃথা যেতে দিয়েন না। আমাদের এই বিপ্লব যেন বেহাত না হয়ে যায়।
আরিফ আজাদ

Want your school to be the top-listed School/college in Thakurgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Thakurgaon
5100